Tajib Digital Help Desk

Tajib Digital Help Desk Hi there, we are ready to help you digital marketing services.
(4)

26/11/2025

✅ শক্তি থাকা অবস্থায়ই ভুল থেকে ফিরে আসার গুরুত্ব:

1. প্যারালাইজড হওয়ার পর অত্যাচার না করার ঘোষণা হাস্যকর, কারণ তখন আর অত্যাচার করার শক্তিই থাকে না। এটি অনুতাপ নয়, নিছক অসহায়ত্বের কথা।

2. যে ভুল করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে, সে যদি বলে “আমি আর ভুল করি না”, সেটি গ্রহণযোগ্য নয়—কারণ শক্তি থাকলে সে কি করত, সেটাই আসল প্রশ্ন।

3. মৃত্যু গলায় এসে ধরলে তওবা করা ঠিক একই রকম অগ্রহণযোগ্য, কারণ তখন মানুষ স্বাভাবিকভাবে ভয় ও নিরুপায় অবস্থায় পড়ে। ভয়-প্রসূত তওবা সত্যিকারের তওবা নয়।

4. আসল তওবা হলো তখনই যখন মানুষ পাপ করার ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও নিজেকে থামায়, নিজের অহংকারকে নিয়ন্ত্রণ করে, নিজের অন্তরকে বদলায়।

5. অসুস্থতা বা পঙ্গুত্ব মানুষকে পাপ থেকে দূরে রাখে না, বরং সুযোগ না থাকার কারণে সে বাধ্য হয় দূরে থাকতে—এটি পরিবর্তনের নাম নয়, পরিস্থিতির কারণে থেমে যাওয়া।

6. যে মৃত্যু আসার আগেই ফিরে আসে, তার তওবাই সত্যিকার তওবা—কারণ সেটি ভয় নয়, বরং বোঝাপড়া ও আন্তরিকতার ফল।

7. শক্তি, ক্ষমতা ও সুযোগ থাকা অবস্থায় পাপ থেকে বিরত থাকা মানুষকে মহৎ করে, কারণ সে নিজের ইচ্ছাকে জয় করতে পারে।

8. নিরুপায় অবস্থার অনুতাপকে আল্লাহও গুরুত্ব দেন না, কারণ সেখানে নির্বাচন নেই, কেবল ভয় আছে।

9. মানুষকে বোঝা উচিত—আজ শক্তি আছে, সুযোগ আছে, তাই আজই ফিরে আসতে হবে, আগামীকাল হয়তো শরীর থাকবে না, সময়ও থাকবে না।

10. পরিবর্তনের মূল্য তখনই, যখন পরিবর্তন নিজের ইচ্ছা ও সচেতনতার মাধ্যমে আসে, কোনো দুর্বলতা বা ভয়ের কারণে নয়।




#তওবাকরারনিয়ম
#ফিরেআসা
#অন্যায়থেকেফিরেআসা

25/11/2025

⚠️ অগাধ সম্পদ জমিয়ে রাখার ভয়াবহতা — ভূমিকম্প ও দুর্যোগের প্রেক্ষিতে:

1. ভূমিকম্প কখনো সতর্ক করে আসে না—দালান যত শক্তই হোক, এক ঝাঁকুনিতে কোটি টাকার সম্পদ ধ্বংস হয়ে যেতে পারে।

2. জমিয়ে রাখা সম্পদ দুর্যোগে সিন্দুকে নিরাপদ থাকে না—ধুলার নিচে চাপা পড়ে মুহূর্তেই নিঃশেষ হয়।

3. যে টাকা দানে বের হয় না, তা বিপদে কোনো কাজ দেয় না—শুধু মানুষকে সাহায্য করা দানই সুরক্ষার আসল হাতিয়ার।

4. প্রকৃতি ধনী-গরিব কারও পরিচয় দেখে না—ভূমিকম্প সবকিছুকে সমান করে ফেলে; শুধু দানের সওয়াবই টিকে থাকে।

5. অগাধ সম্পদ রক্ষা করতে পাহারা লাগে, কিন্তু দান করা সম্পদ আকাশ থেকে পাহারা পায়—অভাবীর দোয়া বিপদ ঠেকিয়ে দেয়।

6. অর্থ জমা রাখলে তা মরিচার মতো নষ্ট হয়, আর দান করলে তা আল্লাহর কাছে গুণিতক হয়ে ফিরে আসে।

7. দুর্যোগের সময় বড় বড় দালান ধসে পড়ে, কিন্তু মানুষের প্রতি সদয় আচরণ কখনো ভেঙে পড়ে না।

8. যাদের তুমি সাহায্য করবে, তাদের দোয়া হয়তো কাল তোমার মাথার ওপর দুর্যোগের ছায়া সরিয়ে দেবে।

9. অহংকারের টাওয়ার ভূমিকম্পে আগে ভেঙে পড়ে, কিন্তু দানের টাওয়ার আখেরাতে অটুট দাঁড়ায়।

10. সম্পদ জমিয়ে কৃপণতা করা দুর্যোগ ডেকে আনে, কারণ বঞ্চিত মানুষের আর্তনাদ আকাশ পর্যন্ত পৌঁছে যায়।

11. যে সম্পদ তুমি নিজের জন্য লুকাও, তা দুর্যোগে হারিয়ে যেতে পারে, কিন্তু যে দান করো—তা কখনো হারায় না।

12. প্রকৃতির ক্রোধের সামনে ব্যাংক-ব্যাল্যান্সও অসহায়, তবে মানবিকতা ও দানই তখন প্রকৃত রক্ষা।

13. আজ যদি তুমি অভাবীর পাশে না দাঁড়াও, কাল হয়তো দুর্যোগের দিনে তোমার পাশে দাঁড়ানোর কেউ থাকবে না।

14. ধনীরা যদি দান না করে, সমাজে বৈষম্য বাড়ে, আর বৈষম্যই বৃহৎ বিপদের কারণ হয়।

15. সবশেষে মনে রেখো—ধন রক্ষা করে দান, আর ধন ধ্বংস করে কৃপণতা।
#সম্পদশালী
#ধনীমানুষ
#ভুমিকম্প
#প্রাকৃতিকদুর্যোগ


24/11/2025
24/11/2025

“নবীর বংশধরদের প্রতি আল্লাহ কি জান্নাত সহজ করে দেবেন কি না?” — কুরআনের আলোকে স্পষ্ট ব্যাখ্যা

১. রক্তের সম্পর্ক নয়— কর্মই মানদণ্ড

কুরআন:
“তারপর যখন শিঙ্গায় ফুঁক দেয়া হবে— সেই দিন কারও পরস্পরের বংশীয় সম্পর্ক কোনো কাজে আসবে না, তারা একে অপরকে জিজ্ঞাসাও করতে পারবে না।”
— সুরা মুমিনুন 23:101
➤ অর্থাৎ কিয়ামতের দিনে বংশীয় পরিচয় কাউকে জান্নাতি করবে না।

২. নবী নিজেই সতর্ক করেছেন

আল্লাহ নবীকে বলেছিলেন—
“(হে নবী) আপনি বলুন: যদি তোমরা আল্লাহকে ভয়না করো, তবে তোমাদের বংশ-পরিচয় তোমাদের কোনো উপকারে আসবে না।”
— সুরা আহযাব 33:6 (অর্থাৎ সাধারণ অর্থে বংশ নয়, তাকওয়াই মূল)

৩. সবচেয়ে নিকট আত্মীয়ও রক্ষা পায়নি

নবীর চাচা আবু লাহাব, বংশধর হওয়া সত্ত্বেও আল্লাহ তার জাহান্নামের ঘোষণা দিয়েছেন।
— সুরা লাহাব 111:1-5
➤ প্রমাণ করে যে বংশধর হওয়া মুক্তির গ্যারান্টি নয়।

৪. আল্লাহর নিয়ম: “যে ঈমান ও সৎকাজ করবে— তার জন্যই জান্নাত”

“যে ঈমান এনেছে ও সৎকর্ম করেছে— সেই জান্নাত লাভ করবে।”
— সুরা আসর 103:3
➤ এখানে বংশের উল্লেখ নেই, মানদণ্ড হলো ঈমান ও আমল।

৫. নবীর পরিবার সম্মানিত— কিন্তু জান্নাত কর্মের ওপর নির্ভর

আল্লাহ বলেছেন—
“হে নবীর পরিবার, তোমরা তাকওয়া অবলম্বন করো।”
— সুরা আহযাব 33:32
➤ যদি বংশধর হওয়াই জান্নাতের নিশ্চয়তা হতো, তাহলে আল্লাহ তাদের তাকওয়ার আদেশ দিতেন না।

৬. অতিরিক্ত অনুগ্রহ? — হ্যাঁ, সম্মানের ক্ষেত্রে; কিন্তু জান্নাতে প্রবেশের ক্ষেত্রে নয়

নবীর বংশধররা (আহলে বাইত) মুসলিম সমাজে সম্মান ও মর্যাদা পেতে পারেন— এটি সুন্নাহসম্মত।

কিন্তু জান্নাত পাওয়া সম্পূর্ণ নির্ভর করে ঈমান, নেক আমল, আল্লাহর রহমত— বংশ নয়।

➡ সারসংক্ষেপ

কুরআনের সুস্পষ্ট দলীল অনুযায়ী নবীর বংশধর হওয়া কোনো ব্যক্তিকে জান্নাতের নিশ্চয়তা দেয় না, এবং আল্লাহ তাদের জন্য বিশেষ ছাড়ও ঘোষণা করেননি।
তারা সম্মানিত— তবে জান্নাতের পথ সবার জন্য একই: ঈমান + সৎকর্ম + তাকওয়া।

#নবীরবংশধর
#জান্নাতেরশর্ত

24/11/2025

নারী হলো সমাজের শিকড়; শিকড়কে শক্তিশালী না.......

#নারীরঅধিকার
#নারীরউন্নয়ন



23/11/2025

"রাগের মুহূর্তে করা মারামারি সারা জীবনের আফসোস ডেকে আনে" — বাক্যটির ব্যাখ্যা

👉 রাগ মুহূর্তের, কিন্তু তার ফল হয় আজীবন। কয়েক সেকেন্ডের উত্তেজনায় তুমি যে ভুল করবে, সেই ভুলের দায় তোমাকে বছরের পর বছর বয়ে বেড়াতে হবে—কখনো মামলায়, কখনো জেলে, কখনো সম্মান হারিয়ে।

👉 মারামারি তোমাকে শক্তিশালী নয়, বরং দুর্বল ও বোকা প্রমাণ করে। যে নিজের রাগকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না, সে মানুষ নয়—তার নিজের ওপরই কোনো অধিকার নেই।

👉 এক মুহূর্তের ঘুষি তোমার ভবিষ্যৎ ভেঙে দিতে পারে। একটা মারামারি চাকরি, পরিবার, সমাজ—সব জায়গায় তোমার বিরুদ্ধে কালো দাগ তৈরি করে। আজকের রাগ আগামী দিনের বিপর্যয় হয়ে ফিরে আসে।

👉 রাগের কারণে করা একটা আঘাতও “ভুল” নয়—এটা ‘অপরাধ’। আর অপরাধ করলে ক্ষমা চাওয়ার সুযোগ থাকে, কিন্তু তার ফল এড়িয়ে বাঁচা যায় না। সমাজ, আইন, পরিবার—সবাই তার মূল্য শোধ করাবে।

👉 মারামারি একবার শুরু করলে তা থামে না; এর পরিণতি তোমার হাতের বাইরে চলে যায়। তুমি ভাবো একটা চড়, একটু ধাক্কা—কিন্তু বাস্তবতা হলো, সেই ছোট ঘটনা বড় ট্র্যাজেডিতে পরিণত হতে এক মুহূর্তও লাগে না।

👉 রাগের মাথায় মানুষ নিজের জীবনের শত্রু হয়ে যায়। তুমি অন্যকে আঘাত করতে গিয়ে নিজের চরিত্র, সম্মান, শান্তি—সবকিছু নষ্ট করে ফেলো। শেষে বুঝতে পারো, ক্ষতি তুমি নিজেকেই করেছ।

👉 যে রাগকে জয় করতে পারে, সে-ই প্রকৃত শক্তিশালী। মারামারি করার আগে একশ বার ভাবো—“এটা কি আমার সমস্যা সমাধান করবে, নাকি আমাকে বিপদে ফেলবে?”
উত্তর সবসময় একই: মারামারি কোনো সমাধান নয়, শুধু বিপদ।

👉 মারামারির পর সবসময় দুটি জিনিস আসে—অনুশোচনা আর অপমান। আর যে অনুশোচনা সারাজীবন কামড়ায়, তা কোনো দুঃখের সাথেও তুলনা চলে না।

✅✅ সিদ্ধান্ত:

রাগে করা সিদ্ধান্ত সবসময় ভুল।
রাগে করা মারামারি সবসময় ধ্বংস।
নিজেকে বাঁচাতে হলে—মানসম্মান, ভবিষ্যৎ, পরিবার—
রাগের মুহূর্তে থামো, চিন্তা করো, আর মারামারি থেকে দূরে থাকো।

#গ্রাম্যঝগড়া
#ব্রাহমনবাড়ীয়ারঝগড়া
#মারামারিরকুফল
#মারামারি



22/11/2025

"ভেবে দেখো তুমি পালিয়ে যেখানে চলে যাচ্ছ, সেখানে শান্তি তেমার জন্য অপেক্ষা করছে কি-না"

⚠️ “পালিয়ে বাঁচা যায় না—সমস্যার সামনে দাঁড়াও। আত্মহত্যা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।”

1️⃣ সমস্যা থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করো না—পালানো কাপুরুষের কাজ। জীবনের যুদ্ধ থেকে পালানো কেউই সম্মান পায়নি, পায়ও না।

2️⃣ আত্মহত্যা হলো সবচেয়ে বড় ভুল—এটা দুর্বলতার বেপরোয়া ঘোষণা। তুমি হার মেনে নিলে সমস্যাই জয়ী হয়, আর তুমি নিজেকেই ধ্বংস করো। এটা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

3️⃣ মরে গিয়ে কেউ সমস্যার সমাধান করতে পারে না। তুমি চলে গেলে পৃথিবী ঠিকই চলবে—কিন্তু তোমার পরিবার, তোমার প্রিয় মানুষগুলো ভেঙে চুরমার হয়ে যাবে। এ অন্যায় করার অধিকার তোমার নেই।

4️⃣ কষ্ট যতই অসহ্য হোক, নিজের জীবন ধ্বংস করার অধিকার তোমার নেই। জীবন তোমার দেওয়া নয়—তাহলে ধ্বংস করতে পারো কীভাবে?

5️⃣ যে সমস্যার সামনে দাঁড়াতে ভয় পায়, সে জীবন বোঝে না। জীবন দুর্বলদের জন্য নয়—এটা তাদের জন্য, যারা লড়ে। তাই ভয়কে মাথা নত করিও না।

6️⃣ আত্মহত্যা হলো নিজের প্রতি সবচেয়ে নিষ্ঠুর অপরাধ। তুমি নিজেকে হত্যা করছ মানে তুমি নিজের অস্তিত্বকে অসম্মান করছ—এটা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ।

7️⃣ পালিয়ে গেলে সমস্যা বাড়বে, তোমার কষ্টও বাড়বে—শেষ পর্যন্ত তুমি নিজেকেই হারিয়ে ফেলবে। এটা কোনো সমাধান নয়, বরং সবচেয়ে বড় বিপর্যয়।

8️⃣ একটা ব্যর্থতা, একটা ভুল সিদ্ধান্ত বা একটা কষ্ট তোমার পুরো জীবনকে নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার পায়নি। তুমি আরও বড়, আরও শক্তিশালী—এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব তোমার।

9️⃣ মৃত্যুর কাছে নয়—সমস্যার মুখে দাঁড়িয়ে লড়াই করাই তোমাকে মানুষ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করে। পালিয়ে যাওয়ায় কোনো মর্যাদা নেই।

🔟 শেষ কথা: মরার কথা ভাববে না—এটা শরীর, মন, আত্মা, পরিবার—সবকিছুর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা। লড়াই করো। দাঁড়াও। হার মানবে না।
জীবন তোমাকে শেষ করতে পারবে না—যদি তুমি নিজেকে শেষ না করো।

#আত্মহত্যাকোনসমাধাননয়
#আত্মহত্যা



22/11/2025

"বড় ভূমিকম্পে ঢাকায় উদ্ধারের সুযোগ কম — তাই নিজের নিরাপত্তা, নিজের প্রস্তুতি, নিজের দায়িত্ব"

১. অপরিকল্পিত নগর কাঠামো
ঢাকার অধিকাংশ ভবন নির্মিত হয়েছে পরিকল্পনার ঘাটতি ও মানহীন কাঠামোর ভিত্তিতে। বড় ভূমিকম্পে এই ধরনের ভবনগুলো মুহূর্তেই ভেঙে পড়তে পারে, যা উদ্ধারকারী দলকে পৌঁছাতে বাধা সৃষ্টি করবে।

২. সংকীর্ণ রাস্তা ও যানজট
ঢাকার রাস্তাগুলো সাধারণ সময়েই যানজটে অচল থাকে। ভূমিকম্পের পর রাস্তায় ধ্বংসস্তূপ, ভাঙা বৈদ্যুতিক খুঁটি, আগুন বা বিশৃঙ্খলা দেখা দিলে উদ্ধার দল আরও দেরিতে পৌঁছাবে। তখন নিজের বাঁচার প্রথম দায়িত্ব আপনারই।

৩. বিশাল জনসংখ্যা, সীমিত উদ্ধারকর্মী
ঢাকা লাখ নয়, কোটি মানুষে ভরপুর। কোনো বড় দুর্যোগে সবার কাছে পৌঁছানো বাস্তবিক অর্থেই অসম্ভব। তাই “আমি বাঁচব কীভাবে?”—এই প্রশ্নের উত্তর আপনাকেই আগে খুঁজে রাখতে হবে।

৪. মুহূর্তের মধ্যে নেওয়া সিদ্ধান্তই জীবন বাঁচায়
ভূমিকম্প এমন একটি বিপর্যয় যেখানে কয়েক সেকেন্ডের সিদ্ধান্তই জীবন-মৃত্যু নির্ধারণ করে। তখন অন্যের সাহায্যের জন্য অপেক্ষা নয়—নিজের করণীয় জানা থাকাই একমাত্র নিরাপত্তা।

৫. প্রস্তুতি মানেই বাঁচার সম্ভাবনা বাড়ানো
বাড়িতে নিরাপদ স্থান চিহ্নিত করা, জরুরি ব্যাগ তৈরি রাখা, পরিবারের সদস্যদের ভূমিকম্প-পরবর্তী করণীয় শেখানো—এই ছোট প্রস্তুতিগুলো বড় ভূমিকম্পে জীবন রক্ষা করতে পারে।

৬. নিজের দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হয়
দুর্যোগে সরকার, উদ্ধারকারী দল, প্রতিবেশী—সবাই সাহায্য করতে চায়, কিন্তু বড় ভূমিকম্পে সুযোগ কম। তাই নিজের জীবন রক্ষার সবচেয়ে বড় দায়িত্ব নিজের।

#ঢাকারভুমিকম্প
#ভুমিকম্পেঢাকাপরিণতি
#বাংলাদেশেভুমিকম্প




20/11/2025

" লজ্জা নয়, বাঁচতে হলে জানতে হবে "

👇👇বৈজ্ঞানিকভাবে প্রমাণিত তথ্যের ভিত্তিতে খুব সহজভাবে বোঝার মতো করে “দাম্পত্য জীবনের সবচেয়ে বেশি নিরাপদ দিনগুলো” ব্যাখ্যা করা হলো--

🔬 দাম্পত্য জীবনের সবচেয়ে বেশি নিরাপদ সময়: (Scientific Evidence)

👉 নারীর মাসিক চক্রকে (Menstrual Cycle) সাধারণত ২৮ দিন ধরে হিসাব করা হয়। এই চক্রে ডিম্বস্ফোটন (Ovulation) ঘটে ১৪তম দিনের কাছাকাছি, যেদিন গর্ভধারণের সম্ভাবনা সর্বোচ্চ। ডিম্বস্ফোটনের আগে ৪–৫ দিন এবং পরে ১ দিন পর্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ বলা হয়।
এর বাইরে থাকা দিনগুলোই ‘সবচেয়ে নিরাপদ সময়’—scientifically proven method (Calendar / Rhythm Method).

✅✅ ১. মাসিক শুরুর দিনগুলো – সবচেয়ে নিরাপদ সময়

মাসিকের ১ম দিন থেকে ৭ম দিন পর্যন্ত সময়কে গর্ভধারণের সম্ভাবনা খুব কম ধরা হয়।

এই সময়ে ডিম্বাণু তৈরি বা পরিপক্ব হওয়ার প্রক্রিয়া শুরুই হয় না, তাই conception-এর সম্ভাবনা কম।

✅✅ ২. ডিম্বস্ফোটনের পর নিরাপদ সময়

ডিম্বস্ফোটন (Ovulation) সাধারণত চক্রের ১৩–১৫ তম দিনে হয়।
ডিম্বাণুর আয়ু মাত্র ১২–২৪ ঘণ্টা।

🟢 তাই ১৯তম দিন থেকে পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়া পর্যন্ত সময় নিরাপদ ধরা হয়।
কারণ—

➡️ ডিম্বাণু তখন আর সক্রিয় থাকে না

➡️ শুক্রাণুর উপস্থিতি থাকলেও গর্ভধারণ সম্ভব হয় না

📌 চক্র অনুযায়ী নিরাপদ সময়ের সংক্ষেপ (২৮ দিনের চক্র ধরলে):

🔵 সবচেয়ে নিরাপদ দিন

১ম দিন → ৭ম দিন

১৯তম দিন → ২৮তম দিন (পরবর্তী মাসিক শুরু হওয়া পর্যন্ত)

🔴 সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দিন

৮ম দিন → ১৮তম দিন
এই সময় ডিম্বস্ফোটনের আগে-পরে শুক্রাণু ৩–৫ দিন বেঁচে থাকতে পারে, তাই conception-এর ঝুঁকি বেশি।

✅✅ কেন এই পদ্ধতি বৈজ্ঞানিক?

➡️ ডিম্বাণুর আয়ু: ১২–২৪ ঘণ্টা

➡️ শুক্রাণুর আয়ু: ৩–৫ দিন

Ovulation সাধারণত চক্রের মাঝামাঝি

এই biological lifespan হিসাব করেই safe period নির্ধারণ করা হয়

এটাকে Fertility Awareness Method বলা হয়, যা WHO ও gynecology books-এ উল্লেখ আছে

🔔 গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা:

➡️ যাদের মাসিক চক্র অনিয়মিত, তাদের ক্ষেত্রে এই হিসাব সবসময় ১০০% কার্যকর নয়।

➡️ Stress, illness, বা হরমোন সমস্যা ovulation delay করতে পারে।

➡️ সম্পূর্ণ নিরাপত্তা চাইলে অতিরিক্ত সুরক্ষা ব্যবহারই সর্বোত্তম।

✨ সংক্ষেপে মনে রাখার মতো লাইন------

“মাসিকের শুরুতে ১–৭ দিন এবং ডিম্বস্ফোটনের পর ১৯–২৮ দিন—এই সময়গুলোই সবচেয়ে নিরাপদ।”

#জন্মনিয়ন্ত্রনেরসহজউপায়
#সহজজন্মনিয়ন্ত্রণেরউপায়
#জন্মনিয়ন্ত্রণেরসহজপদ্ধতিকি
#দাম্পত্যজিবন
#দাম্পত্যজীবন
#যৌনমিলন



20/11/2025
19/11/2025

👇বৈজ্ঞানিক প্রমাণসহ, এমনভাবে সাজানো হলো যাতে যে কোনো স্বামী বুঝতে পারে—কন্যা সন্তান জন্মালে স্ত্রীকে দোষারোপ করা সম্পূর্ণ অমানবিক, অসভ্য ও বিজ্ঞানের বিরুদ্ধে অপরাধসম আচরণ—

✅বৈজ্ঞানিক সত্য ও মানবিক বার্তা:

"কন্যা হোক বা পুত্র—লিঙ্গ নির্ধারক পিতাই; মাকে দায়ী করা সভ্যতা ও বিজ্ঞানের পরিপন্থী।"

বিজ্ঞান স্পষ্টভাবে বলে, মানুষের শরীরে দুটি প্রকারের যৌন ক্রোমোজোম থাকে—X এবং Y।
নারীর শরীরে থাকে শুধুমাত্র দুটি X (XX) ক্রোমোজোম। তাই স্ত্রী সবসময় কেবল X দেয়।
কিন্তু পুরুষের শরীরে থাকে X ও Y (XY)—এবং সন্তানের লিঙ্গ নির্ভর করে স্বামীর কোন ক্রোমোজোমটি স্ত্রীকে দিচ্ছে তার ওপর।

➡️ স্বামীর X ক্রোমোজোম স্ত্রীটির X-এর সাথে মিললে হয় কন্যা (XX)।

➡️ স্বামীর Y ক্রোমোজোম স্ত্রীটির X-এর সাথে মিললে হয় পুত্র (XY)।

এখানে স্ত্রী কোনোভাবেই সিদ্ধান্ত নেন না সন্তান ছেলে হবে নাকি মেয়ে—
সিদ্ধান্তটি সম্পূর্ণভাবে আসে স্বামীর শুক্রাণু থেকেই।

তাহলে কন্যা সন্তান জন্মালে স্ত্রীকে দোষারোপ করা কী?
এটি অশিক্ষা, অজ্ঞতা, বিজ্ঞানের অপমান, এবং সবচেয়ে বড় কথা
একজন নিরপরাধ নারীকে অত্যাচার করার নির্মম অমানবিকতা।

যে পুরুষ নিজেরই দেওয়া X ক্রোমোজোম দিয়ে কন্যা সৃষ্টি করে, তারপর আবার স্ত্রীকে দোষ দেয়—
সে শুধু নিষ্ঠুরই নয়, বরং বিজ্ঞানের সামনে হাস্যরসের পাত্র।

মেয়েরা দুর্বল নয়—
মেয়ে মানে আলো, শক্তি, ভবিষ্যৎ।
আর একজন সৎ, শিক্ষিত, মহৎ স্বামী—
কখনোই স্ত্রীকে নয়, বরং নিজের কন্যা সন্তানকে গর্বে ধারণ করে।
#সন্তানেরলিঙ্গনির্ধারণ
#কন্যাসন্তান
#যৌনমিলন
#দাম্পত্যজীবন



Address

Village: Gazaria , Post Office: Paghachang, Brahmanbaria Sadar, Brahmanbaria, Chittagong
Brahmanbaria
3400

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tajib Digital Help Desk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Tajib Digital Help Desk:

Share