Chinair School & College Alumni Association

Chinair School & College Alumni Association চিনাইর আঞ্জুমান আরা স্কুল ও কলেজ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া।

১৯৫২ সালে ভাষা আন্দোলনের বছর এলাকার কতিপয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ জনাব মৌলভী মোঃ অজিহুল ইসলাম চৌধুরী’র নের্তৃত্বে তিন ইউনিয়নের নামের অধ্যাক্ষর নিয়ে চিনাইর এস এম বি (সুলতানপুর, মাছিহাতা ও বাসুদেব) ইউনিয়ন হাই স্কুল নামে এ প্রতিষ্ঠানটির যাত্রা হয়। পরবর্তিতে যার নামকরণ করা হয় চিনাইর আঞ্জুমান আরা বহুমূখী উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই এ প্রতিষ্ঠানটি হাটিহাটি পা পা করে তার কার্যক্রম প্রসারিত করতে করতে ১৯৯৫ সালে এসে এটির সাথে কলেজ শাখা যুক্ত হয়। যার নামকরণ করা হয় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙারি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নামানুসারে চিনাইর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব অনার্স কলেজ। বর্তমানে এ প্রতিষ্ঠানটিতে মাধ্যমিক, উচ্চ মাধ্যমিক, ডিগ্রী ও ব্যবস্থাপনা এবং হিসাব বিজ্ঞান বিষয়ে অনার্স কোর্স চালু আছে।

Raisa Shamma studied in the Department of Applied Statistics at the University of Dhaka. She is now studying at the Univ...
26/09/2026

Raisa Shamma studied in the Department of Applied Statistics at the University of Dhaka. She is now studying at the University of Toronto. She scored a perfect 9 in IELTS. Read about her experience and advice.

ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন!
20/09/2026

ইন্নালিল্লাহে ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন!

চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক অভিভাবক সদস্য, চিনাইরের বিশিষ্টজন জনাব মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম...
19/09/2026

চিনাইর আঞ্জুমান আরা উচ্চ বিদ্যালয় পরিচালনা পর্ষদের সাবেক অভিভাবক সদস্য, চিনাইরের বিশিষ্টজন জনাব মুহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম চাচা শারীরিকভাবে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ।

আমরা উনার আশু রোগমুক্তি ও দোয়া কামনা করছি! 🤲

একজন শিল্পীর হাতে আঁকা একটি প্রচ্ছদ কখনো কখনো একটি বইকে পাঠকের কাছে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। বাংলাদেশের বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পে...
17/09/2026

একজন শিল্পীর হাতে আঁকা একটি প্রচ্ছদ কখনো কখনো একটি বইকে পাঠকের কাছে আলাদা করে চিনিয়ে দেয়। বাংলাদেশের বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পে ধ্রুব এষ এমনই এক নাম। তাঁর আঁকা প্রচ্ছদে পাঠকের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে অসংখ্য বইয়ের। এর মধ্যে রয়েছে হুমায়ূন আহমেদের বহু জনপ্রিয় বইও। আর এই দীর্ঘ যাত্রার শুরু হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার ছাত্র থাকা অবস্থায়।

ধ্রুব এষের জন্ম ১৯৬৭ সালের ১৭ জানুয়ারি সুনামগঞ্জে। শৈশব থেকেই ছবি আঁকার প্রতি আগ্রহ ছিল তাঁর। বই পড়ার অভ্যাসও তৈরি হয় মায়ের কাছ থেকে। স্কুলে পড়ার সময়ই বইয়ের প্রচ্ছদ তাঁকে আকৃষ্ট করত। একসময় সিদ্ধান্ত নেন, প্রচ্ছদশিল্পকেই নিজের কাজ হিসেবে বেছে নেবেন। সেই লক্ষ্যেই ভর্তি হন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায়।

১৯৮৯ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলায় দ্বিতীয় বর্ষে পড়ার সময় তাঁর প্রচ্ছদশিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু। মোস্তাক আহমেদের ছড়ার বই ‘ছুটোছুটি’ ছিল তাঁর প্রথম দিকের কাজগুলোর একটি। তখনও তিনি ছাত্র। পড়াশোনার পাশাপাশি বইয়ের প্রচ্ছদ আঁকার কাজ শুরু করেছিলেন।

চারুকলার শিক্ষার্থী ধ্রুব এষের জন্য প্রচ্ছদ আঁকা কেবল একটি পার্শ্বকাজ হয়ে থাকেনি। ধীরে ধীরে সেটিই হয়ে ওঠে তাঁর পেশা ও শিল্পচর্চার প্রধান ক্ষেত্র। নিজের এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ছোটবেলা থেকেই তাঁর ইচ্ছা ছিল শুধু বইয়ের প্রচ্ছদ নিয়ে কাজ করার। চারুকলায় পড়ার সিদ্ধান্তও সেই ইচ্ছার সঙ্গে যুক্ত ছিল।

শুরুতে তিনি ইমদাদুল হক মিলনের বইয়ের প্রচ্ছদ করতেন। পরে প্রকাশকদের মাধ্যমে পরিচয় হয় হুমায়ূন আহমেদের সঙ্গে। নব্বইয়ের দশকে হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রচ্ছদ করতে শুরু করেন তিনি। এরপর দুজনের দীর্ঘ সৃজনশীল সম্পর্ক বাংলাদেশের বইয়ের প্রচ্ছদশিল্পের ইতিহাসের আলোচিত অধ্যায় হয়ে ওঠে।

হুমায়ূন আহমেদের বইয়ের প্রচ্ছদে ধ্রুব এষকে বেশ স্বাধীনভাবে কাজ করার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। ধ্রুব এষ নিজেই বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে বলেছেন, হুমায়ূন আহমেদ তাঁকে প্রচ্ছদে প্রচলিত চরিত্র বা ফিগার আঁকার বাধ্যবাধকতা থেকে বেরিয়ে আসার সুযোগ দিয়েছিলেন। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, এই স্বাধীনতা তাঁর কাজকে এগিয়ে নিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিল।

হুমায়ূন আহমেদের ‘১৯৭১’ বইয়ের প্রচ্ছদ নিয়েও রয়েছে একটি স্মরণীয় ঘটনা। ধ্রুব এষ তখন চারুকলার ছাত্র। প্রকাশকের মাধ্যমে হুমায়ূন আহমেদের একটি বইয়ের প্রচ্ছদ করার সুযোগ পান। পরে হুমায়ূন আহমেদ সেই প্রচ্ছদটি পছন্দ করেন। ধ্রুব এষের নিজের বর্ণনায়, সেই সময় তিনি চতুর্থ বর্ষের ছাত্র ছিলেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার সেই ছাত্র থেকে ধ্রুব এষ পরিণত হয়েছেন বাংলাদেশের অন্যতম পরিচিত প্রচ্ছদশিল্পীতে। ২০১৯ সালের ফেব্রুয়ারিতে ‘দ্য ডেইলি স্টার’কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, তখন পর্যন্ত প্রায় ২৫ হাজার বইয়ের প্রচ্ছদ করেছেন। পরবর্তী সময়ের বিভিন্ন প্রতিবেদনে তাঁর করা প্রচ্ছদের সংখ্যা ২৫ হাজারের বেশি বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

সংখ্যাটির দিকে তাকালে তাঁর কাজের ব্যাপ্তি বোঝা যায়। তবে ধ্রুব এষের কাছে প্রচ্ছদের কাজ শুধু সংখ্যার হিসাব নয়। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, একটি কাজকে অন্যটির চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়ে করার ধারণায় তিনি বিশ্বাসী নন। প্রতিটি বইয়ের প্রচ্ছদকেই তিনি গুরুত্ব দিয়ে কাজ করতে চান।

প্রচ্ছদশিল্পের পাশাপাশি ধ্রুব এষ লেখালেখিও করেছেন। কবিতা, গল্প ও শিশুতোষ বই লিখেছেন তিনি। শিশুসাহিত্যে অবদানের জন্য ২০২২ সালে পান বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার।

তবে তাঁর পরিচয়ের সবচেয়ে বড় অংশজুড়ে আছে বইয়ের প্রচ্ছদ। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার একজন শিক্ষার্থী হিসেবে যে কাজের শুরু, কয়েক দশক পরে সেটিই তাঁকে নিয়ে গেছে হাজার হাজার বইয়ের প্রচ্ছদে। তাঁর নিজের হিসাব অনুযায়ী, সেই সংখ্যা ২৫ হাজার পেরিয়েছে।

বাংলাদেশের বইয়ের জগতে তাই ধ্রুব এষের গল্পটি শুধু একজন শিল্পীর সাফল্যের গল্প নয়। এটি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার একজন শিক্ষার্থীর নিজের পছন্দের একটি শিল্পমাধ্যমকে পেশা হিসেবে বেছে নেওয়ার এবং দীর্ঘ সময় ধরে সেই কাজের মধ্যেই নিজের স্বতন্ত্র পরিচয় তৈরি করার গল্প।
কপি পোস্ট : পাবলিকিয়ান
Chinair School & College Alumni Association আমাদের অহংকার মৌলভী মো. অজীহুল ইসলাম চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার

13/09/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ

Chinair School & College Alumni Association #নৌকাবাইচ #তিতাসনদী
Jafran Chowdhury মৌলভী মো. অজীহুল ইসলাম চৌধুরী স্মৃতি পাঠাগার

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ!
13/09/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় তিতাস নদীতে ঐতিহ্যবাহী নৌকা বাইচ!

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সরকারি কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবার কথা। আর সেই খবর পেয়েই মাঠে নেমে পড়েছে কওমি মাদ্রাসার সোনার ছে...
13/09/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় একটি সরকারি কলেজে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হবার কথা। আর সেই খবর পেয়েই মাঠে নেমে পড়েছে কওমি মাদ্রাসার সোনার ছেলেরা। তাদের স্পষ্ট দাবি- ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মাটিতে কোনো সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হতে পারবে না।
তবে এবার তারা পরীক্ষা বা শব্দদূষণের ভুয়া অজুহাত দিচ্ছে না। সরাসরিই ঘোষণা দিচ্ছে- ধর্মীয় মূল্যবোধের সাথে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান সাংঘর্ষিক, তাই এই অনুষ্ঠান বন্ধ করতে হবে! এক্ষেত্রে তারা স্মারকলিপিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর রেফারেন্স দিয়ে লিখেছে- “ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান বন্ধের মতোই।”
মাঝে মাঝে সন্দেহে পড়ে যাই- সরকার কওমিদের ইউজ করতেছে নাকি কওমিরাই সরকারকে ইউজ করতেছে!
কালেক্টেড পোস্ট

উনিশ শতকের বাংলায় মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ প্রায় বন্ধই ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা ছিল মূলত পুরুষদের জন্য। এমন এক সময়ে ...
12/09/2026

উনিশ শতকের বাংলায় মেয়েদের জন্য উচ্চশিক্ষার পথ প্রায় বন্ধই ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের দরজা ছিল মূলত পুরুষদের জন্য। এমন এক সময়ে এক তরুণী শুধু সেই বাধা পেরিয়েই থামেননি, একের পর এক শিক্ষার মাইলফলক স্পর্শ করে ইতিহাসে নিজের জায়গা করে নিয়েছিলেন। তিনি চন্দ্রমুখী বসু।

১৮৮৩ সালে কাদম্বিনী গাঙ্গুলীর সঙ্গে চন্দ্রমুখী বসু কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত বেথুন কলেজ থেকে বিএ পাস করেন। তাঁরা হয়ে ওঠেন ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রথম দুই নারী গ্র্যাজুয়েট। নারী উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে এটি ছিল এক যুগান্তকারী ঘটনা।

কিন্তু চন্দ্রমুখীর গল্পের শুরু আরও আগে। ১৮৭৬ সালে তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের Entrance Examination-এ অংশ নিয়ে কৃতকার্য হন। তখনকার নিয়মের ব্যাখ্যায় নারীকে নিবন্ধিত পরীক্ষার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সুযোগ রাখা হয়নি। ফলে তিনি পরীক্ষায় পাস করলেও তাঁর ফল আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি এবং তাঁকে সফল পরীক্ষার্থী হিসেবে স্বীকৃতিও দেওয়া হয়নি।

চন্দ্রমুখীর এই সাফল্য ছিল সময়ের তুলনায় অবিশ্বাস্য। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়মে নারীকে ঘিরে যে সীমাবদ্ধতা ছিল, সেটিই তাঁর সামনে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। পরে ১৮৭৮ সালে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম পরিবর্তন হলে নারীদের বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় অংশগ্রহণের পথ আনুষ্ঠানিকভাবে খুলে যায়। কিন্তু চন্দ্রমুখীর ১৮৭৬ সালের অর্জনের স্বীকৃতি আসতে অপেক্ষা করতে হয়েছে এক শতাব্দীরও বেশি সময়। ২০১৩ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় তাঁকে মরণোত্তরভাবে সেই পরীক্ষায় প্রথম নারী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে পাস সার্টিফিকেট প্রদান করে।

এরপরও থামেননি চন্দ্রমুখী। বেথুন কলেজে কাদম্বিনী গাঙ্গুলীর সঙ্গে উচ্চশিক্ষার জন্য এগিয়ে যান। ১৮৮৩ সালে দুজনেই বিএ পাস করেন। তাঁদের এই সাফল্য শুধু ব্যক্তিগত অর্জন ছিল না; এটি বাংলাসহ ভারতীয় উপমহাদেশে নারী উচ্চশিক্ষার ইতিহাসে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করে। বেথুন কলেজের ইতিহাসেও তাঁদের ব্রিটিশ সাম্রাজ্যের প্রথম নারী গ্র্যাজুয়েট হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

কাদম্বিনী এরপর চিকিৎসাশিক্ষার দিকে এগিয়ে যান। আর চন্দ্রমুখী বেছে নেন আরও উচ্চশিক্ষার পথ। বিএ পাসের পর তিনি কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে এমএ পড়েন এবং ১৮৮৪ সালে ইংরেজিতে এমএ পাস করে হয়ে ওঠেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রথম নারী এমএ। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব তথ্যেও তাঁকে ১৮৮৪ সালে প্রথম নারী এমএ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে।

তখন একজন নারীর বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিগ্রি অর্জনই ছিল বিরল ঘটনা। আর সেই সময়ে গ্র্যাজুয়েশনের পর আরও উচ্চশিক্ষায় গিয়ে এমএ সম্পন্ন করা ছিল আরও বড় দৃষ্টান্ত। চন্দ্রমুখীর এই সিদ্ধান্ত প্রমাণ করেছিল—নারীর শিক্ষার সীমা শুধু প্রাথমিক বা মাধ্যমিক পর্যায়ে আটকে থাকার নয়; বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ একাডেমিক স্তরেও নারীরা নিজেদের জায়গা করে নিতে পারে।

তাঁর শিক্ষাজীবন শেষ হয়নি ডিগ্রি অর্জনের মধ্য দিয়ে। ১৮৮৬ সালে তিনি বেথুন কলেজে শিক্ষকতা শুরু করেন। পরে কলেজের প্রশাসনিক দায়িত্বে উঠে আসেন। ১৮৮৮ সালে বেথুন কলেজ কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে অধিভুক্ত হওয়ার পর চন্দ্রমুখী বসু এর অধ্যক্ষ হন। এর মধ্য দিয়ে তিনি দক্ষিণ এশিয়ার একটি স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রথম নারী প্রধান হিসেবে আরেকটি ঐতিহাসিক নজির তৈরি করেন।

অর্থাৎ তাঁর জীবনের সঙ্গে যুক্ত ছিল একের পর এক ‘প্রথম’—প্রবেশিকা পরীক্ষায় নারী হিসেবে অসাধারণ সাফল্য, ১৮৮৩ সালে কাদম্বিনী গাঙ্গুলীর সঙ্গে প্রথম দুই নারী গ্র্যাজুয়েট হওয়া, ১৮৮৪ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম নারী এমএ এবং পরে বেথুন কলেজের প্রথম নারী অধ্যক্ষ হওয়া।

চন্দ্রমুখী বসুর এই পথচলা শুধু একজন মেধাবী নারীর ব্যক্তিগত সাফল্যের গল্প নয়। এটি এমন এক সময়ের গল্প, যখন একজন নারীকে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরীক্ষায় বসার অধিকার নিয়েই লড়তে হয়েছিল। তাঁর সাফল্য দেখিয়েছিল, সুযোগের দরজা একবার খুলে গেলে নারীরাও উচ্চশিক্ষার প্রতিটি স্তরে পৌঁছাতে পারে।

আজকের দিনে বিশ্ববিদ্যালয়ে নারীর উপস্থিতি স্বাভাবিক মনে হলেও উনিশ শতকের বাংলায় সেই বাস্তবতা ছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন। সেই পরিবর্তনের শুরুর সারির মানুষদের একজন ছিলেন চন্দ্রমুখী বসু। তাঁর অর্জন তাই শুধু ইতিহাসের পাতায় কয়েকটি ‘প্রথম’ নয়—বাংলার নারী উচ্চশিক্ষার দীর্ঘ যাত্রার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি।

চন্দ্রমুখী বসু ১৮৬০ সালে জন্মগ্রহণ করেন এবং ১৯৪৪ সালে মৃত্যুবরণ করেন। জীবনের শেষ পর্যায়ে তিনি দেরাদুনে ছিলেন। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তিনি ১৯০১ সালের দিকে অবসর নেন। কিন্তু তাঁর তৈরি করে যাওয়া দৃষ্টান্ত পরবর্তী প্রজন্মের নারীদের উচ্চশিক্ষার পথকে আরও প্রশস্ত করে।

একসময় যে বিশ্ববিদ্যালয় তাঁর নারী পরিচয়ের কারণে পরীক্ষার সাফল্যকে আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে পারেনি, সেই বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসেই পরে তাঁর নাম লেখা হয়েছে প্রথম নারী এমএ হিসেবে। এক শতাব্দীরও বেশি সময় পর তাঁর প্রথম অর্জনের স্বীকৃতিও ফিরে এসেছে। চন্দ্রমুখী বসুর জীবন তাই আজও মনে করিয়ে দেয়—একজন মানুষের শিক্ষার লড়াই কখনো কখনো একটি পুরো প্রজন্মের জন্য দরজা খুলে দিতে পারে।
কপি পোস্ট: পাবলিকিয়ান

কে কে আছো হাত তোল?Chinair School & College Alumni Association  #চিনাইর  #ভাতশালা  #ব্রাহ্মণবাড়িয়া
09/09/2026

কে কে আছো হাত তোল?

Chinair School & College Alumni Association #চিনাইর #ভাতশালা #ব্রাহ্মণবাড়িয়া

চিনাইর স্কুল ও  কলেজ জামে মসজিদ, চিনাইর ঈদগাঁ। কেমন ছিল পুরনো অবয়ব! Chinair School & College Alumni Association #চিনাইর ...
07/09/2026

চিনাইর স্কুল ও কলেজ জামে মসজিদ, চিনাইর ঈদগাঁ। কেমন ছিল পুরনো অবয়ব!
Chinair School & College Alumni Association
#চিনাইর #চিনাইরবাজার #ভাতশালা

Address

Chinair, Post: Bhatshala, P. S. & District-Brahmanbaria
Brahmanbaria

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chinair School & College Alumni Association posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chinair School & College Alumni Association:

Shortcuts

Share