Brahmanbaria Fayej Group News

Brahmanbaria Fayej Group News চ্যানেল ব্রাহ্মণবাড়িয়া
channel brahmanbaria
(220)

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার ৯ টি থানার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) (সরাইল) (নাসিরনগর) (আশুগঞ্জ) (বিজয় নগর) (আখাউড়া) (কসবা) (নবীনগর) (বাঞ্চারামপুর) সবার আগে সব খবর জানতে ব্রাহ্মণবাড়িয়া ফায়েজ গ্রুপ ব্রেকিং নিউজ আপডেট এ লাইক দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন। নিচে লিঙ্ক দেয়া আছে। https://www.facebook.com/PhayejaGrupaBrekimNiujaApadeta

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুসের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে । স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাস...
22/08/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে জশনে জুলুসের প্রস্তুতি ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গেছে । স্থানীয় এমপি, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, ইউএনও মহোদয়গণ প্রস্তুতিমূলক সভা।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার কাজে অনিয়মে বাধা, প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে ঠিকাদারের ধাওয়া
13/04/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় রাস্তার কাজে অনিয়মে বাধা, প্রকৌশলীকে বাঁশ নিয়ে ঠিকাদারের ধাওয়া

28/03/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়া ২ আসন ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ বললেন ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা

24/03/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় মাইকিং করে মা’রা’মারি; নি'হ'ত ২, আ’হ’ত শতাধিক

ভিডিও: Mohona TV

24/03/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় কাসেম মিয়া গ্রুপের শিশু মিয়াকে মারধর; সংঘর্ষে নিহত ২

ভিডিও: Jamuna TV

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘ...
24/03/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় দুপক্ষের সংঘর্ষে নিহত ১, আহত ৪০

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলায় পূর্বশত্রুতার জেরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে একজন নিহত ও ৪০ জন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে উপজেলার গোয়ালনগর গ্রামে রহিম তালুকদার গোষ্ঠী ও কাসেম গোষ্ঠীর মধ্যে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। নিহত ব্যক্তির নাম আক্তার মিয়া। তিনি রহিম তালুকদার গোষ্ঠীর সদস্য।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দিন গোয়ালনগর উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে অনিয়মের অভিযোগে বিএনপির সমর্থক জিয়াউর রহমানকে আটক করে সেনাবাহিনী। ভ্রাম্যমাণ আদালত তাকে ১০ দিনের কারাদণ্ড দেন। জিয়াউর রহমান এই ঘটনার পেছনে একই গ্রামের কাসেম মিয়ার গোষ্ঠীর শিশু মিয়াকে সন্দেহ করেন এবং তার ওপর ক্ষুব্ধ হন।

সম্প্রতি জিয়াউর রহমান শিশু মিয়াকে আটকে রেখে মারধর করেন এবং তার মোটরসাইকেলটি ছিনিয়ে নেন। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে গত মঙ্গলবারও দুই পক্ষের মধ্যে এক দফা সংঘর্ষ হয়। এরপর থেকেই এলাকায় আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছিল।

মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) সকালে আবারও উভয় পক্ষের লোকজন টেঁটা, বল্লমসহ দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে ঘটনাস্থলেই আক্তার মিয়া নিহত হন এবং অন্তত ৪০ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় ও জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার শাহ মোহাম্মদ আব্দুর রউফ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, পূর্ববিরোধের জের ধরে সকালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়ায়। এতে একজন মারা গেছেন। খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করে। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে  ৭২ কোটি টাকায়...
24/03/2026

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে ২০১৭ সালে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জে ৭২ কোটি টাকায় ‘মৈত্রীস্তম্ভ’ নির্মাণ

দেয়ালজুড়ে মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়কার নানা দৃশ্য। দেয়ালের একাংশে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বিকেলে বাংলাদেশ–ভারত যৌথ বাহিনীর কাছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর নিঃশর্ত আত্মসমর্পণের খোদাই করা চিত্র, কোথাও যুদ্ধের ভয়াবহতা থেকে বাঁচতে শিশু-নারী-পুরুষের মাথায় সহায়সম্বল তুলে ভারতে পায়ে হেঁটে পালিয়ে যাওয়ার দৃশ্য। আবার কোথাও বৃদ্ধ মাকে কাঁধে তুলে নেওয়ার করুণ চিত্র, অনাহারে ক্লান্ত মানুষের প্রতিচ্ছবি।

এসব চিত্র খোদাই করা হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আশুগঞ্জ উপজেলার কামাউরা এলাকায় নির্মিত ‘মৈত্রীস্তম্ভে’। মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী মিত্রবাহিনীর সদস্যদের স্মরণে নির্মিত এ স্মৃতিস্তম্ভ প্রকল্পের কাজ শেষ হয় ২০২৪ সালে। তবে এখনো এটি সাধারণ মানুষের জন্য উন্মুক্ত করা হয়নি।

অন্যদিকে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের পাশের ধুলাবালু এবং আশপাশের চাতালকলের কালো ধোঁয়া ও তুষে ধীরে ধীরে নষ্ট হচ্ছে এই স্মৃতিস্তম্ভের পরিবেশ ও সৌন্দর্য।

স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা আবুল হাশেম স্মৃতিস্তম্ভটি উন্মুক্ত করে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, তাহলে এই প্রজন্ম মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ও মিত্রবাহিনীর অবদান সম্পর্কে জানতে পারবে।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সূত্র জানায়, ২০২৪ সালে গণ–অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ভারতের সঙ্গে সম্পর্কে টানাপোড়েনের কারণে ‘মৈত্রীস্তম্ভ’ উদ্বোধনের ক্ষেত্রে কোনো অগ্রগতি হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর নতুন সরকার দায়িত্ব নিয়েছে। এখন সরকারপ্রধানের সামনে ‘মৈত্রীস্তম্ভ’ উদ্বোধনের বিষয়টি তুলে ধরা হবে বলে জানিয়েছেন মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা। তিনি বলেন, দুই দেশের মধ্যে সম্পর্ক ধীরে ধীরে উন্নতি হতে শুরু করেছে। যেহেতু মৈত্রীস্তম্ভটি পড়ে আছে, এটি দ্রুত চালু করা উচিত। না হলে স্থাপনা নষ্ট হয়ে যাবে।

প্রকল্পের ব্যয় ও নির্মাণ

একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে ভারতীয় মিত্রবাহিনীর আত্মত্যাগ স্মরণীয় করে রাখতে বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ২০১৭ সালে আশুগঞ্জে ‘মৈত্রীস্তম্ভ’ নির্মাণের সিদ্ধান্ত নেয়। প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ১৬ কোটি টাকা। ২০১৯ সালের জুন মাসের মধ্যে কাজ শেষ হওয়ার সময়ও নির্ধারণ করা হয়।

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে কাজ শেষ না হওয়ায় ২০২৩ সালের জুন মাস পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হয়। প্রকল্প ব্যয় বাড়িয়ে ৪৭ কোটি টাকা করা হয়। এ সময়ের মধ্যেও কাজ শেষ হয়নি। পরে ব্যয় বাড়িয়ে ৭২ কোটি টাকা করা হয়।

জমি অধিগ্রহণ জটিলতায় প্রকল্পের কাজ নির্ধারিত সময়ে শেষ হয়নি বলে জানান মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা। শেষে ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে প্রকল্পের কাজ শেষ হয়। তখন ক্ষমতায় অন্তর্বর্তী সরকার।

১৯৭১ সালের নভেম্বর মাসে মুক্তিবাহিনী ও ভারতীয় বাহিনীর যৌথ কমান্ড গঠিত হয়। তারপর ১৬ ডিসেম্বর বিজয় পর্যন্ত পাকিস্তানি বাহিনীর সঙ্গে লড়াইয়ে মুক্তিবাহিনীর সঙ্গে ভারতীয় সৈন্যরাও যোগ দিয়েছিলেন। যুদ্ধে সীমান্ত জেলা ব্রাহ্মণবাড়িয়াসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন এলাকায় প্রায় ১ হাজার ৬৬১ জন ভারতীয় সৈন্য নিহত হন।

উদ্বোধনের আগেই বিবর্ণ

এ মাসের শুরুতে সরেজমিনে দেখা গেছে, ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক থেকেই চোখে পড়ে আশুগঞ্জের কামাউরা এলাকায় ‘মৈত্রীস্তম্ভ’। প্রবেশের দুটি ফটক, ভেতরে ঢুকতই চোখে পড়ে পশ্চিমাংশে দেয়ালে মিত্রবাহিনীর কাছে পাকিস্তানি বাহিনীর আত্মসমর্পণের খোদাই করা চিত্র। সেখানে সিকান্‌দার আবু জাফরের কবিতা থেকে লেখা—‘আমার কাঁধেই নিলাম তুলে তোমার যত বোঝা, তুমি আমার বাতাস থেকে মুছো তোমার ধুলো, তুমি বাংলা ছাড়ো।’ পাশেই খোদাই করা লেখা রয়েছে—‘দৈনিক পাকিস্তান বাংলা এবারের মুক্তির সংগ্রাম জয় বাংলা’ ও ‘এ মৈত্রী চিরদিন অটুট থাকবে’।

দক্ষিণ দিকের পার্কের পশ্চিমাংশে দেয়ালে ১৯৫৮ সালের সামরিক শাসনের শিকল, কারাগারের বন্দিদশা, ১৯৬২ সালের স্বাধীন বাংলা বিপ্লবী পরিষদের প্রতিবাদ, জাতীয় নেতাসহ নানান ছবি খোদাই করা হয়েছে। দক্ষিণ দিকের পার্কের পূর্ব পাশের অস্ত্র হাতে মিত্রবাহিনীসহ তাঁদের হেলিকপ্টার-যুদ্ধবিমান-গোলাবর্ষণের অস্ত্র ও ট্যাংক এবং রেডিও ও অস্ত্র হাতে বাঙালি মুক্তিযোদ্ধাদের নানান চিত্র।

মূল স্মৃতিস্তম্ভের নিচের চারপাশে ব্রোঞ্জে (পিতল) লেখা মুক্তিযুদ্ধে নিহত ভারতীয় সেনাসদস্যদের নাম। তার মধ্যে রয়েছে ১ হাজার ৪৮২ জন ভারতীয় সেনাবাহিনীর বিভিন্ন পদের সদস্য, ভারতীয় ইস্টার্ন থিয়েটার সীমান্ত রক্ষীবাহিনীর ২৯ জন সদস্য, ভারতীয় ইস্টার্ন থিয়েটার বিমানবাহিনীর ১১ জন, ভারতীয় নৌবাহিনীর ৬ জন, ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৭৯ জন কর্মকর্তা ও জেসিও পর্যায়ের ৭০ জন সদস্যের নাম।

প্রকল্পের দুটি ফটকের মাঝখানে ভেতরে একটি পানির ফোয়ারা, স্মৃতিস্তম্ভের পশ্চিমাংশে ৮টি এবং পূর্ব পাশে ১০টি এবং স্মৃতিস্তম্ভের পেছনে ১৪টি দোকান (ফুড কোর্ট) ও একটি রেস্টুরেন্ট নির্মাণ করা হয়েছে। স্মৃতিস্তম্ভের নিচের অফিস ও সংগ্রহশালা বা জাদুঘর এবং পেছনে শিশুদের বিনোদনের জন্য পার্ক রয়েছে। তবে সর্বত্রই ধুলাবালু ও চাতালকলের কালো ধোঁয়ার চিহ্ন স্পষ্ট।

আউটসোর্সিংয়ের ভিত্তিতে নিয়োগ পাওয়া নিরাপত্তাকর্মী মো. মফিজুল হক ও জয় সমাদ্দার শুভ, গার্ডেনার মো. শাহীনুর এবং পরিচ্ছন্নতাকর্মী আশিষ চন্দ্র দাস ও পলাশ হরিজন সাত মাস ধরে এটি দেখাশোনার পাশাপাশি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার কাজ করছেন। তাঁরা বলেন, সাত মাস ধরে তাঁদের কোনো বেতন হচ্ছে না।

পরিচ্ছন্নতাকর্মী পলাশ হরিজন বলেন, ‘দুই দিন পরপরই পানি দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করি। কিন্তু সঙ্গে সঙ্গেই ধুলাবালু জমে।’

গণপূর্ত বিভাগের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মোফাজ্জেল আলী খাদেম বলেন, স্মৃতিস্তম্ভ ও শিশুদের জন্য নির্মিত পার্কটি গত বছর আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এর পর থেকে আশুগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন এটি রক্ষণাবেক্ষণ ও দেখাশোনা করছে।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নির্মাণ বিল্ডার্স অ্যান্ড ডেভেলপারস সূত্রে জানা গেছে, স্মৃতিস্তম্ভের ভেতরে কার্পেট খাস, বিভিন্ন ধরনের হেজ (দেয়ালের ওপর সবুজ ঘাস), রাধাচূড়া, কৃষ্ণচূড়া ও বিভিন্ন ধরনের অর্নামেন্টাল গাছ লাগানো হয়েছে। ব্যবহার না হওয়ায় এসব নষ্ট হচ্ছে।

আশপাশের চাতালকলের জন্য স্মৃতিস্তম্ভটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখা অনেক কঠিন বলে মন্তব্য করেন আশুগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাফে মোহাম্মদ ছড়া। তিনি বলেন, বছরখানেক আগে পরিবেশ অধিদপ্তর থেকে স্মৃতিস্তম্ভের আশপাশ এলাকার চাতালকল অন্যত্র সরানোর জন্য চিঠি দেওয়া হয়।

ইউএনও জানান, উপজেলার উদ্বোধনযোগ্য স্থাপনার তালিকা মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে চেয়েছে। তারা তালিকা করেছেন। এখন মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেবে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চোখে টর্চের আলো পড়া নিয়ে বিতণ্ডা, কিশোরকে কুপিয়ে হত্যাব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে টর্চের আলো চোখে ফেলার...
24/03/2026

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় চোখে টর্চের আলো পড়া নিয়ে বিতণ্ডা, কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগরে টর্চের আলো চোখে ফেলার ঘটনায় প্রতিপক্ষের লোকজন মোসাব্বির হোসেন (১৭) নামে এক কিশোরকে কুপিয়ে হত্যা করেছে। শনিবার ঈদের দিন রাতে উপজেলার বড়নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহত মোসাব্বির হোসেন নাসিরনগর উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ড বড়শির গ্রামের আবু মিয়ার ছেলে। বাবাকে নৌকা চালানোর কাজে সহায়তা করত সে।

স্থানীয় লোকজন ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, নাসিরনগর উপজেলার চাতলপাড় ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে গুজিয়াখাইল গ্রামের সরদার বাড়ি এবং ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বড়নগর গ্রামের আফতাব মিয়া গোষ্ঠীর প্রভাব আছে। ওই দুই গোষ্ঠীর কিশোরদের মধ্যে গান শোনার সময় টর্চের আলো ফেলাকে কেন্দ্র করে কথা–কাটাকাটি ও বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে আফতাব মিয়ার গোষ্ঠীর অনুসারী মোসাব্বিরকে কুপিয়ে হত্যা করে মেঘনা নদীর পাড়ে ফেলে রাখা হয়। তাকে উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১০টার দিকে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

চাতলপাড় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম বলেন, ঈদের দিন সন্ধ্যায় মোসাব্বিরসহ তার বন্ধুরা গান শুনছিল। অন্ধকারে টর্চলাইট জ্বালালে সেই আলো যাদের চোখে পড়ে, তাদের সঙ্গে কথা–কাথাকাটি হয়। একপর্যায়ে ছুরিকাঘাতে ও কুপিয়ে মোসাব্বিরকে হত্যা করা হয়।

নাসিরনগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কৃষ্ণ লাল ঘোষ এই খবরের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

কুয়েতে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ ৪ বাংলাদেশি আহতকুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি না...
02/03/2026

কুয়েতে ড্রোন হামলা : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আমিনুলসহ ৪ বাংলাদেশি আহত

কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় চার বাংলাদেশি নাগরিক আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে একজন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার বাসিন্দা।

রোববার (০১ মার্চ) প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মহাপরিচালক গোলাম সরওয়ার ভুঁইয়া এক ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য জানান।

ফেসবুক পোস্টে তিনি জানান, কুয়েত আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ড্রোন হামলায় চারজন বাংলাদেশি আহত হন। আহতদের মধ্যে আমিনুল ইসলাম হাঁটুতে গুরুতর আঘাত পেয়েছেন। অপর তিনজন কাচের টুকরোর আঘাতে আহত হয়েছেন।

হাঁটুতে গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত আমিনুল ইসলাম নবীনগর উপজেলার দৌলতপুর গ্রামের বাসিন্দা বলে পোস্টে উল্লেখ করা হয়।

Address

Brahmanbaria
BRAHMANBARIA

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Brahmanbaria Fayej Group News posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share