08/07/2026
একসাথে শুরু করেছিলেন আফগানিস্তান ক্রিকেট নিয়ে স্বপ্নের যাত্রা; এখনো এক বন্ধু প্রতিনিধিত্ব করছেন আফগানিস্তানকে, আরেক বন্ধু পরপারে...
দুজন সমবয়সী কিনা সঠিক জানিনা, তবে সার্টিফিকেটে নবীর জন্ম ১৯৮৫তে, শাপুর জাদরানের ১৯৮৭। তবে আফগানিস্তানের জার্সি গায়ে দুজনের পথচলাটা একই সময়ে। এই যুগের ক্রিকেটফ্যানরা হয়তো আফগান শাপুর জাদরানকে খুব একটা চিনবেন না। সেভাবে চেনার কথাও না, কারণ রাশিদ খান, মোহাম্মদ নবী, রহমানুল্লাহ গুরবাজ, আজমতুল্লাহ ওমারজাই কংবা ইব্রাহিম জাদরানের মত এত সাফল্য পাননি, কিন্তু আফগানের শুরুর যাত্রাটা যারা দেখেছেন তাদের কাছে বরং শাপুর জাদরান ছিলেন পোস্টার বয় এর মতই। ইন ফ্যাক্ট, ওই সময় অনেক ফ্যান ছিলেন, যারা দুইটা আফগান প্লেয়ারের নাম জানলে, তার মাঝে এক নাম শাপুর জাদরান।
লম্বা চুলের পেসার, শারীরিক গঠনেও লম্বা, বাঁহাতি পেসার; দেখলেই আলাদা করে চেনা যেত! এছাড়া '১৫ বিশ্বকাপে শাপুরেত বলে মাহেলা জয়াবর্ধনের ব্যাট ভেঙ্গে যায়; স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে আফগানদের বিশ্বকাপে প্রথম ম্যাচ জয়ের নায়ক শাপুর। বাংলাদেশকে হারিয়ে এশিয়া কাপে কাপে আফগানিস্তান যে প্রথম জয়টা তুলে নেয়, সেখানেও ছিল শাপুরের অবদান। অনেক কারণেই শাপুর জাদরান এক নস্টালজিক ক্রিকেটার। নবী-রাশিদদের মত আফগান কিংবদন্তিতুল্য কেউ হয়তো হননি শাপুর, কিন্তু একটা জেনারেশন আফগান ক্রিকেট শুনলে নবী রাশিদকে যেভাবে স্মরণ করবে, তেমনি স্মরণ করবে শাপুর জাদরানকে।
সেই শাপুর জাদরান অনেকদিন অসুস্থ থেকে মৃ'ত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ে গতকাল বিদায় জানালেন। পরপারে তিনি ভালো থাকুক!