Cumilla News Zone

Cumilla News Zone সদা সত্য তুলে ধরা

দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অধিকার আদায়ের আলোকবর্তিকা: বীরউত্তম মেজর জেনারেল সি আর দত্ত​— মানিক লাল ঘোষ​বাংলাদেশের স্বাধীনতা সং...
27/08/2026

দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অধিকার আদায়ের আলোকবর্তিকা: বীরউত্তম মেজর জেনারেল সি আর দত্ত
​— মানিক লাল ঘোষ
​বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম, সামরিক ইতিহাস এবং একটি অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক সমাজ বিনির্মাণের অভিযাত্রায় যে কজন মানুষ চিরকাল উজ্জ্বল নক্ষত্র হয়ে থাকবেন, মেজর জেনারেল চিত্ত রঞ্জন দত্ত—সবার পরিচিত সি আর দত্ত—তাঁদের অন্যতম। তিনি ছিলেন শুধু একজন পেশাদার সামরিক কর্মকর্তা কিংবা খেতাবপ্রাপ্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা নন; তিনি ছিলেন আজীবন এক লড়াকু দেশপ্রেমিক। দেশের প্রতিটি সংকটে, মুক্তিযুদ্ধের রণাঙ্গনে এবং মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রামে তিনি সাহস, নিষ্ঠ ও নেতৃত্বের অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
​জন্ম ও সামরিক জীবন
​১৯২৭ সালের ১ জানুয়ারি আসামের শিলংয়ে জন্মগ্রহণ করেন সি আর দত্ত। তাঁর পৈতৃক নিবাস হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাট উপজেলার মিরাশি গ্রামে। ১৯৫১ সালে তৎকালীন পাকিস্তান সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়ার পর ১৯৫২ সালে সেকেন্ড লেফটেন্যান্ট হিসেবে কমিশন লাভ করেন। ১৯৬৫ সালের পাক-ভারত যুদ্ধে একটি কোম্পানির কমান্ডার হিসেবে অসীম সাহসিকতার সঙ্গে যুদ্ধ করে তিনি তাঁর সামরিক দক্ষতা ও বীরত্বের পরিচয় দেন।
​মহান মুক্তিযুদ্ধে ৪ নম্বর সেক্টরের অকুতোভয় কমান্ডার
​১৯৭১ সালে বাঙালি জাতি যখন পাকিস্তানি সামরিক জান্তার বিরুদ্ধে স্বাধীনতার চূড়ান্ত লড়াইয়ে অবতীর্ণ হয়, তখন দেশের টানে সি আর দত্তও যোগ দেন মহান মুক্তিযুদ্ধে। মুজিবনগর সরকার সমগ্র বাংলাদেশকে ১১টি সেক্টরে ভাগ করলে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ৪ নম্বর সেক্টরের সেক্টর কমান্ডার হিসেবে দায়িত্ব পান। সিলেটের পূর্বাঞ্চল ও পার্শ্ববর্তী এলাকা নিয়ে গঠিত এই সেক্টরে তিনি প্রায় দুই হাজার নিয়মিত সেনা ও আট হাজারের মতো গেরিলাযোদ্ধাকে দক্ষতার সঙ্গে নেতৃত্ব দেন।
​রণাঙ্গনে তাঁর সাহস, বিচক্ষণতা ও রণকৌশল মুক্তিযোদ্ধাদের মনোবল বাড়ানোর পাশাপাশি শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধকে আরও শক্তিশালী করে। দেশমাতৃকার মুক্তির জন্য তাঁর অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ স্বাধীন বাংলাদেশ সরকার তাঁকে ‘বীর উত্তম’ খেতাবে ভূষিত করে। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাসে বীরউত্তম সি আর দত্ত তাই সাহস, আত্মত্যাগ ও নেতৃত্বের এক উজ্জ্বল প্রতীক।
​স্বাধীনতার পর রাষ্ট্রীয় ও প্রাতিষ্ঠানিক অবদান
​স্বাধীনতার পরও দেশের প্রতি তাঁর দায়িত্ব শেষ হয়নি। নবগঠিত বাংলাদেশের সামরিক ও রাষ্ট্রীয় কাঠামো শক্তিশালী করার কাজে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।
​১৯৭৩ সালে তৎকালীন বাংলাদেশ রাইফেলসের (বর্তমান বিজিবি) প্রতিষ্ঠাতা মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। সীমান্ত সুরক্ষা ও বাহিনীকে সাংগঠনিকভাবে শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা ছিল অনন্য।
​পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অব লজিস্টিকস, মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্ট ও বিআরটিসির চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করেন।
​অসাম্প্রদায়িক ও মানবিক বাংলাদেশ গড়ার সংগ্রাম
​কিন্তু সামরিক জীবন থেকে অবসর নেওয়ার পরও তাঁর সংগ্রামী জীবন থেমে থাকেনি। বরং তিনি নিজেকে নিয়োজিত করেন একটি অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও বৈষম্যহীন বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে। তিনি উপলব্ধি করেছিলেন—মুক্তিযুদ্ধের চেতনার প্রকৃত বাস্তবায়ন তখনই সম্ভব, যখন ধর্ম-বর্ণ-সম্প্রদায় নির্বিশেষে রাষ্ট্রের প্রতিটি নাগরিক সমান অধিকার ও মর্যাদা ভোগ করবেন।
​বাংলাদেশের ধর্মীয় ও জাতিগত সংখ্যালঘুরা যখন ভূমি জবরদখল, বৈষম্য, নিপীড়ন কিংবা মানবাধিকার লঙ্ঘনের শিকার হয়েছেন, তখন সি আর দত্ত তাঁদের পাশে দাঁড়িয়েছেন।
​বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে তিনি দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার ও নিরাপত্তার দাবিকে জাতীয় পর্যায়ে তুলে ধরেন।
​অর্পিত সম্পত্তি আইনসংক্রান্ত জটিলতা নিরসন, সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা, সাংবিধানিক অধিকার এবং সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি প্রতিষ্ঠার প্রশ্নে তাঁর অবস্থান ছিল দৃঢ় ও আপসহীন।
​সেক্টর কমান্ডার্স ফোরামের সঙ্গে যুক্ত থেকে তিনি মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণ এবং মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে সমাজে প্রতিষ্ঠিত করার প্রয়াস চালিয়েছেন।
​জীবনাবসান ও চিরকালীন শ্রদ্ধা
​২০২০ সালের ২৫ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই বীর সেনানি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর অন্তিম ইচ্ছা অনুযায়ী মরদেহ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনা হয় এবং রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় তাঁকে শেষ বিদায় জানানো হয়। তাঁর স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে রাজধানীর কাঁটাবন থেকে কারওয়ান বাজার সংকেত পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সড়কটির নামকরণ করা হয়েছে ‘বীরউত্তম সি আর দত্ত সড়ক’।
​আজ তাঁর প্রয়াণের দিনে তাঁকে স্মরণ করতে গিয়ে বারবার মনে পড়ে তাঁর কর্মময় জীবনের সেই অনন্য অধ্যায়—এক হাতে অস্ত্র নিয়ে তিনি যুদ্ধ করেছেন দেশের স্বাধীনতার জন্য, আর জীবনের শেষ প্রান্ত পর্যন্ত লড়াই করেছেন মানুষের অধিকার, সাম্য ও অসাম্প্রদায়িকতার জন্য।
​ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষের সমান অধিকার ও মর্যাদার ভিত্তিতে একটি মানবিক, গণতান্ত্রিক ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার যে স্বপ্ন তিনি আজীবন লালন করেছেন, তাঁর সেই স্বপ্ন ও আদর্শ নতুন প্রজন্মকে পথ দেখাবে। বীরউত্তম সি আর দত্তের কর্মময় জীবন, দেশপ্রেম, সাহসিকতা ও অধিকার আদায়ের সংগ্রাম তাই বাংলাদেশের ইতিহাসে চিরকাল শ্রদ্ধা ও গৌরবের সঙ্গে স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে পাচ্ছে না এখন সে দিশেহারা
27/08/2026

প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে পাচ্ছে না এখন সে দিশেহারা

বিথী তার প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে পেতে চায় না পেলে সে.. …...............
27/08/2026

বিথী তার প্রিয় মানুষটিকে খুঁজে পেতে চায় না পেলে সে.. …...............

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে এডিপি সভায় নদী-মাটি সুরক্ষা ও টেকসই চাষাবাদের নির্দেশনা পার্বত্য মন্ত্রীর​জিএম নজরুল ইস...
26/08/2026

পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়নে এডিপি সভায় নদী-মাটি সুরক্ষা ও টেকসই চাষাবাদের নির্দেশনা পার্বত্য মন্ত্রীর

​জিএম নজরুল ইসলাম

অর্থনৈতিক মূল্য রয়েছে এমন সব প্রকল্প গ্রহণ এবং পাহাড়ি মাটির সঠিক ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এমপি। তিনি বলেন, "ভিয়েতনাম, কম্বোডিয়া ও নেপালের মতো এশিয়ার বিভিন্ন দেশ জুম ও বিশেষ প্লান্টেশনের মাধ্যমে নিজেদের অর্থনৈতিক সচ্ছলতার দিকে এগিয়ে নিয়ে গেছে। আমাদের দেশের কৃষিতেও এ ধরনের বিপ্লব ঘটাতে হবে।"
​আজ ঢাকার বেইলি রোডে পার্বত্য চট্টগ্রাম কমপ্লেক্স ভবনের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের ২০২৬ সালের জুলাই মাসের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচি (এডিপি) সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
​মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী কাজু বাদাম ও কফি চাষে উচ্চ ফলনশীল প্রযুক্তি ব্যবহারের আহ্বান জানিয়ে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দেন। ভূমির গুণগত মান নির্ণয়ে পার্বত্য অঞ্চলে মৃত্তিকা ট্রেড সেন্টার গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দিয়ে তিনি বলেন, "পরিবেশের ভারসাম্য বজায় রেখে মাটির অবস্থান বিবেচনা করে পরিবেশবান্ধব অর্থকরী ফসল, উন্নতমানের মাশরুম ও ভালো জাতের লটকন চাষের উদ্যোগ নিতে হবে। পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে ভেড়া ও মেষ পালনের প্রতিও গুরুত্ব দিতে হবে।"
​সভায় পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি ভূমি অধিগ্রহণ সংক্রান্ত কাজ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে শেষ করার এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে পুনর্বাসনের নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, "জমির মালিকানা সংক্রান্ত সমস্যাগুলো জেলা পরিষদের চেয়ারম্যানদের সাথে আলোচনা করে প্রথাগত বিধি অনুযায়ী সমাধান করতে হবে।"
​প্রতিমন্ত্রী তামাক চাষ পরিহার করে কৃষকদের ইক্ষু, তুলা, কাজু বাদাম ও কফি চাষে উৎসাহিত করার আহ্বান জানান। এছাড়া দুর্গম এলাকায় পানির সংকট দূর করা, অর্গানিক ফলের বাগান বৃদ্ধি, রাম্বুটান চাষ সম্প্রসারণ এবং কোল্ড স্টোরেজ ও ড্রাই ফ্রুটস প্রসেসিংয়ের ব্যবস্থা গ্রহণের ওপর জোর দেন তিনি। এসডিজি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে পাড়াকেন্দ্রের মেয়েদের জন্য বিশেষ শিক্ষামূলক ব্যবস্থা ও স্যাটেলাইটের মাধ্যমে মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম চালুর উদ্যোগ নেওয়ার কথা জানান তিনি।
​সভায় মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী পুরস্কার গ্রহণ করেন পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা ও ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ। প্রথমবারের মতো সভায় অংশগ্রহণ করে মতামত ব্যক্ত করেন বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান মা ম্যা চিং, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান ম্রা সা থোয়াই মারমা এবং রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান দীপন তালুকদার।
​পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় মন্ত্রণালয় ও উন্নয়ন বোর্ডের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সভায় আঞ্চলিক পরিষদ কমপ্লেক্স নির্মাণ, ক্লাইমেট রেসিলিয়েন্ট লাইভলিহুড ইমপ্রুভমেন্ট অ্যান্ড ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্ট (সিআরএলআইডব্লিউএম-সিএইচটি) প্রকল্পসহ বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্প নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
​ছবি: পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) অনুপ কুমার চাকমা (মাঝে, সাদা পোশাকে) পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরী এমপি (ডানে)-এর কাছ থেকে শ্রেষ্ঠ উদ্ভাবনী পুরস্কার গ্রহণ করছেন। উপস্থিত আছেন প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি (বাঁয়ে)।

বুড়িচং প্রেসক্লাবের নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি নোটিশ জারি​নিজস্ব প্রতিবেদক, বুড়িচং (কুমিল্লা):কুমি...
25/08/2026

বুড়িচং প্রেসক্লাবের নাম ও লোগো অবৈধভাবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি নোটিশ জারি
​নিজস্ব প্রতিবেদক, বুড়িচং (কুমিল্লা):
কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার ঐতিহ্যবাহী গণমাধ্যম সংগঠন “বুড়িচং প্রেসক্লাব”-এর নাম, লোগো এবং সাংগঠনিক পরিচয় অননুমোদিতভাবে ব্যবহারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। সংগঠনের সুনাম ও ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করা এবং জনসাধারণের মধ্যে বিভ্রান্তি সৃষ্টির অভিযোগে সংশ্লিষ্ট পক্ষের বিরুদ্ধে এই লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়।
​বুড়িচং প্রেসক্লাবের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মোঃ আহসানুজ্জামান (সোহেল)-এর পক্ষে এই আইনি নোটিশটি প্রদান করা হয়।
​নোটিশে উল্লেখ করা হয়, “বুড়িচং প্রেসক্লাব” (রেজিস্ট্রেশন নং—৪০৮) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত ও সনদপ্রাপ্ত একটি বৈধ সাংবাদিকদের সংগঠন। যার নাম ও লোগো আইনগতভাবে সংরক্ষিত। প্রতিষ্ঠানটির প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবে সাখাওয়াত হাফিজ দায়িত্ব পালন করে আসছেন।
​যে কারণে আইনি নোটিশ:
সম্প্রতি লক্ষ্য করা গেছে যে, একটি কুচক্রী মহল কোনো ধরনের বৈধ অনুমোদন বা এখতিয়ার ছাড়াই “বুড়িচং প্রেসক্লাব”-এর নাম, লোগো এবং বিভিন্ন পদবী অবৈধভাবে ব্যবহার করে আসছে। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়া, ইউটিউব ও অনলাইন পোর্টালসহ বিভিন্ন মাধ্যমে ভুয়া কমিটি গঠনের নামে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে। এছাড়া ফেসবুক পেজ, ব্যানার, পোস্টার, ফেস্টুন, ভিজিটিং কার্ড ও প্রচারমাধ্যমে নিজেদের এই সংগঠনের প্রতিনিধি পরিচয় দিয়ে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে, যার ফলে সংগঠনের দীর্ঘদিনের সুনাম মারাত্মতভাবে ক্ষুণ্ন হচ্ছে।
​নোটিশের প্রধান নির্দেশনা ও শর্তসমূহ:
​সকল প্রচারমাধ্যম, সোশ্যাল মিডিয়া পেজ, ব্যানার ও ভিজিটিং কার্ড থেকে অবিলম্বে প্রেসক্লাবের নাম ও লোগো অপসারণ করতে হবে।
​ভবিষ্যতে সংগঠনের নাম ব্যবহার করে নিজেদের কর্মকর্তা বা সদস্য হিসেবে পরিচয় দেওয়া থেকে সম্পূর্ণ বিরত থাকতে হবে।
​নোটিশ পাওয়ার ১৫ (পনেরো) দিনের মধ্যে লিখিতভাবে জানাতে হবে যে এই অননুমোদিত ব্যবহার স্থায়ীভাবে বন্ধ করা হয়েছে।
​আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি:
নির্ধারিত সময়ের মধ্যে উল্লেখিত নির্দেশনাগুলো পালন না করা হলে, সংগঠনের ভাবমূর্তি ও আইনগত অধিকার রক্ষার্থে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত দেওয়ানি ও ফৌজদারি আদালতে মামলা দায়ের এবং ক্ষতিপূরণ আদায়সহ কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে নোটিশে স্পষ্টভাবে সতর্ক করা হয়েছে।

শিরোনাম: আন্তর্জাতিক আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)-এর অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হলেন কবি সেলিম তালুকদার আকাশ​বিশেষ প্রতিবেদক, চট...
25/08/2026

শিরোনাম: আন্তর্জাতিক আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)-এর অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হলেন কবি সেলিম তালুকদার আকাশ
​বিশেষ প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
​মানবাধিকার সংগঠন ‘আন্তর্জাতিক আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হিসেবে মনোনীত হয়েছেন রাঙ্গুনিয়ার কৃতি সন্তান, বিশিষ্ট কবি ও সংগঠক সেলিম তালুকদার আকাশ। গত ২৫ আগস্ট আসক-এর এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় সংগঠনের কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি মোঃ শামসুল আলম তাঁকে এই পদে আনুষ্ঠানিকভাবে মনোনীত করেন।
​কবি সেলিম তালুকদার আকাশ একজন সৃজনশীল ব্যক্তিত্ব। তারুণ্যের প্রতীক হিসেবে দীর্ঘদিন যাবত তিনি সামাজিক ও সাংস্কৃতিক জগতের সাথে ওতপ্রোতভাবে জড়িত থেকে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন। জনকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ এই কবির এই অর্জন নিঃসন্দেহে একজন সংগঠক হিসেবে তাঁর প্রাপ্তি ও সক্ষমতার পরিচয় বহন করে।
​সাহিত্যিক পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি সাহিত্য, সংস্কৃতি ও উন্নয়নমূলক সংগঠন ‘আলোর প্রত্যাশা’-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি। সম্প্রতি ঢাকায় অনুষ্ঠিত একটি বর্ণাঢ্য আয়োজনের মাধ্যমে ‘আলোর প্রত্যাশা’-কে জাতীয় পর্যায়ে বিস্তৃত করার ডাক দিয়েছেন তিনি।
​শিক্ষাক্ষেত্রেও রয়েছে তাঁর ব্যাপক পরিচিতি। একজন শিক্ষানুরাগী হিসেবে তিনি চট্টগ্রাম শহরের আগ্রাবাদে প্রতিষ্ঠা করেছেন ‘লাইসিয়াম পাবলিক স্কুল’। এই সুনাগরিকের প্রতিভার স্বীকৃতি হিসেবে আসক-এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে তাঁর এই অর্জনে বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন তাঁকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন।
​সেলিম তালুকদার আকাশ আগামী দিনগুলোতে জনকল্যাণে আরও ব্যাপক ও জনগুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবেন—এমন প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন তাঁর শুভানুধ্যায়ীরা।
​বিকল্প ২: সংক্ষিপ্ত ও সংবাদধর্মী
​শিরোনাম: আসক-এর অর্গানাইজিং সেক্রেটারি হিসেবে কবির মনোনয়ন
​চট্টগ্রাম প্রতিনিধি
​রাঙ্গুনিয়ার কৃতি সন্তান, কবি ও সংগঠক সেলিম তালুকদার আকাশ মানবাধিকার সংগঠন ‘আন্তর্জাতিক আইন সহায়তা কেন্দ্র (আসক)’-এর কেন্দ্রীয় কমিটির অর্গানাইজিং সেক্রেটারি মনোনীত হয়েছেন। গত ২৫ আগস্ট সংগঠনের এক গুরুত্বপূর্ণ সভায় কেন্দ্রীয় সভাপতি মোঃ শামসুল আলম তাঁকে এই পদে মনোনিত করেন।
​দীর্ঘদিন ধরে সামাজিক-সাংস্কৃতিক কর্মকাণ্ড ও উন্নয়নমূলক কাজের সাথে জড়িত সেলিম তালুকদার আকাশ ‘আলোর প্রত্যাশা’ নামক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি এবং একজন কবি হিসেবে সুপরিচিত। সম্প্রতি তিনি ঢাকায় ‘আলোর প্রত্যাশা’কে জাতীয় রূপ দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন। এছাড়া, চট্টগ্রামের আগ্রাবাদে ‘লাইসিয়াম পাবলিক স্কুল’ প্রতিষ্ঠাতার মাধ্যমে শিক্ষাঙ্গনেও তাঁর ব্যাপক পরিচিতি রয়েছে।
​তাঁর এই নতুন দায়িত্ব প্রাপ্তিতে চট্টগ্রামের বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক মহল অভিনন্দন জানিয়েছে।

আমরা কান্দিরপাড় আহসানুজ্জামান সোহেল ভাইয়ের দোকানে জরুরী বৈঠকে
25/08/2026

আমরা কান্দিরপাড় আহসানুজ্জামান সোহেল ভাইয়ের দোকানে জরুরী বৈঠকে

25/08/2026

ধামইরহাটে ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে ২৪৭ শিক্ষার্থীর পাঠদান, আতঙ্কে কোমলমতি শিশুরা

ছাদের পলেস্তারা খসে বেরিয়ে গেছে ভেতরের মরচে পড়া রড। সামান্য বৃষ্টিতেই ছাদ চুঁয়ে পড়ে পানি, ভিজে যায় শিক্ষার্থীদের বই-খাতা। বিকল্প কোনো ব্যবস্থা না থাকায় এমন চরম ঝুঁকিপূর্ণ ভবনেই বাধ্য হয়ে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে ক্লাস করছে ধামইরহাটের ভাতকুন্ডু সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীরা।
​সরেজমিন পরিদর্শনে দেখা যায়, বিদ্যালয়ের মূল ভবনের ছাদ ও পিলারের পলেস্তারা খসে পড়েছে বহু আগেই। বারান্দা থেকে শুরু করে ক্লাসরুম—সব জায়গাতেই ফাটল আর ভাঙাচুরা অবস্থা। এর মধ্যেই খোলা বারান্দায় ও ঝুঁকিপূর্ণ কক্ষে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। ২৪৭ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই বিদ্যালয়টি বর্তমানে এক বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কায় রয়েছে।
​বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোছা. ফারহা দিবা জানান, ১৯৯৪ সালে পিডিপিই-০৩ প্রকল্পের আওতায় ৬ তলা ভিতবিশিষ্ট চার কক্ষের একতলা মূল ভবনটি নির্মিত হয়। দীর্ঘ ৩০ বছরেও কোনো সংস্কার না করায় ভবনটিতে ফাটল ধরে এবং এটি ব্যবহারের পুরোপুরি অনুপযোগী হয়ে পড়ে। পরবর্তীতে ২০১২ সালে দুই কক্ষের আরেকটি ভবন নির্মাণ করা হলেও স্থান সংকুলান না হওয়ায় বাধ্য হয়েই অতিঝুঁকিপূর্ণ ওই ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে।
​তিনি আরও জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ বর্তমানে ৪ জন শিক্ষক কর্মরত আছেন, যার মধ্যে একজন ছুটিতে রয়েছেন। এই স্বল্পসংখ্যক শিক্ষক দিয়ে ২৪৭ জন শিক্ষার্থীর পাঠদান কার্যক্রম চালিয়ে যাওয়া অত্যন্ত দুরূহ হয়ে পড়েছে। এখানে অন্তত ৬ থেকে ৮ জন শিক্ষক এবং একটি নতুন ভবন অতি জরুরি।
​শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত শিক্ষক ও অভিভাবকরাও। বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনথিয়া বলে, “কিছুদিন আগে ছাদ থেকে পলেস্তারা খসে মাথায় পড়ে আমার মাথা ফেটে রক্ত বের হয়েছিল। ভবনে ফাটল থাকায় সবসময় আতঙ্কে থাকি, ক্লাসেও মনোযোগ বসে না।”
​তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী সিনহা জান্নাত বলে, “ভবনটি যেকোনো সময় ভেঙে পড়তে পারে—এই ভয়ে আমাদের বুক কাঁপে। বর্ষার সময় ক্লাসের ভেতরে পানি পড়ে বইপত্র ভিজে যায়। আমাদের সুরক্ষায় দ্রুত নতুন ভবন ও মেরামত দরকার।”
​সহকারী শিক্ষক সিদ্দিকুর রহমান বলেন, “ক্লাস চলাকালীন সময়েও পলেস্তারা খসে পড়ার ঘটনা ঘটে। বিকল্প কোনো ভবন না থাকায় বাধ্য হয়ে আমাদের এই মৃত্যুকূপের মতো ভবনে ক্লাস নিতে হচ্ছে। কোনো বড় দুর্ঘটনা ঘটার আগেই এখানে নতুন ভবন নির্মাণ করা অত্যন্ত জরুরি।”

সরকারি স্বীকৃতি পেল লালমাই প্রেস ক্লাব: কেক কেটে ও আলোচনা সভায় আনন্দঘন উদযাপন​জিএম নজরুল ইসলাম  (কুমিল্লা):যৌথ মূলধন কোম...
25/08/2026

সরকারি স্বীকৃতি পেল লালমাই প্রেস ক্লাব: কেক কেটে ও আলোচনা সভায় আনন্দঘন উদযাপন

​জিএম নজরুল ইসলাম (কুমিল্লা):

যৌথ মূলধন কোম্পানি ও ফার্মসমূহের নিবন্ধক (RJSC) থেকে সরকারি চূড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন লাভ করায় আনন্দঘন পরিবেশে কেক কাটা, মিষ্টিমুখ ও আলোচনা সভার মধ্য দিয়ে লালমাই প্রেস ক্লাবের ঐতিহাসিক অর্জন উদযাপিত হয়েছে।
​গত সোমবার (২৪ আগস্ট ২০২৬) বিকেল ৫টায় উপজেলা সংলগ্ন থানা রোডস্থ খন্দকার প্লাজায় প্রেস ক্লাবের অস্থায়ী কার্যালয়ে এই বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়। প্রেস ক্লাবের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও সাপ্তাহিক চলন পত্রিকার সম্পাদক মাহবুবুর রহমান কাশেমের সভাপতিত্বে এবং প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগ-যুগান্তর ও যেযে টিভির বিশেষ প্রতিনিধি মো. জয়নাল আবেদীন জয়ের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।
​উপস্থিত ছিলেন যারা
​অনুষ্ঠানে লালমাই প্রেস ক্লাবের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—
​সহ-সভাপতি: মো. জাহাঙ্গীর আলম (দৈনিক শিরোনাম ও দৈনিক বাংলা কাগজ)
​সহ-সাধারণ সম্পাদক: তোফায়েল মাহমুদ বাহার (দৈনিক সমাজ কন্ঠ)
​সাংগঠনিক সম্পাদক: মো. মোস্তফা কামাল মজুমদার রুবেল (দৈনিক বাংলা আলোড়ন)
​অর্থ সম্পাদক: মো. মনিরুল ইসলাম (দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি)
​দপ্তর সম্পাদক: আজহারুল ইসলাম আজহার (দৈনিক খোলা কাগজ ও দৈনিক ভোরের কলাম)
​স্বাস্থ্য সম্পাদক: মো. মহিন উদ্দিন (সাপ্তাহিক চলন)
​ক্রীড়া সম্পাদক: আহসান উল্লাহ রাজু (এসডি টেলিভিশন ও দৈনিক কুমিল্লা কন্ঠ)
​সমাজ কল্যাণ ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক: মোহাম্মদ উল্লাহ (দৈনিক স্বাধীন ভোর)
​শিক্ষা ও তথ্যপ্রযুক্তি সম্পাদক: মো. মাঈন উদ্দিন (দৈনিক কুমিল্লার ডাক ও সাপ্তাহিক লাকসাম)
​নির্বাহী সদস্য: খন্দকার আবাদ মিয়া (দৈনিক একুশে পত্রিকা)
​সদস্যবৃন্দ: সামছুল আলম মনির (বাংলাদেশ বেতার), মো. মতিউর রহমান (দৈনিক দেশসেবা), কাউসার আলম (দৈনিক কুমিল্লার খবর) এবং মো. মনির হোসেন (দৈনিক কুমিল্লা প্রতিচ্ছবি) প্রমুখ।
​প্রতিষ্ঠার ইতিহাস ও রেজিস্ট্রেশনের দীর্ঘ পথচলা
​২০১৮ সালের ১ জানুয়ারি প্রতিষ্ঠাতা আহ্বায়ক মাহবুবুর রহমান কাশেম ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য সচিব মো. জয়নাল আবেদীন জয়ের নেতৃত্বে ১১ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটিসহ ২৭ সদস্যের আহ্বায়ক কমিটির মাধ্যমে লালমাই প্রেস ক্লাবের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়। পরবর্তীতে প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত হয়। ২০১৯ সালে আরজেএসসি (RJSC) থেকে নামের ছাড়পত্র পাওয়ার পর দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া ও সুপরিকল্পিত প্রস্তুতির মধ্য দিয়ে গত ২৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে কোম্পানি আইন, ১৯৯৪-এর অধীনে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে নিবন্ধিত হয়। লালমাই প্রেস ক্লাব লিমিটেড (Lalmai Press Club Ltd.) নামের এই প্রতিষ্ঠানের রেজিস্ট্রেশন নম্বর: CH-16757/2026। বর্তমানে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি ও ১৬ জন সম্মানিত সদস্য নিয়ে ক্লাবটির কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
​আগামীর লক্ষ্য ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা
​এই আইনি স্বীকৃতির মাধ্যমে লালমাই প্রেস ক্লাব দেশের গণমাধ্যম অঙ্গনে একটি আধুনিক, সৃজনশীল ও দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান হিসেবে আত্মপ্রকাশ করল। বস্তুনিষ্ঠ সাংবাদিকতার বিকাশ, পেশাগত দক্ষতা উন্নয়ন, সাংবাদিকদের কল্যাণ, প্রশিক্ষণ কর্মসূচি, সেমিনার এবং সামাজিক উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ড পরিচালনার মাধ্যমে সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেছে সংগঠনটি।
​খুব শীঘ্রই জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মাধ্যমে দেশের বিশিষ্ট সাংবাদিক, সম্পাদক, বুদ্ধিজীবী, শিক্ষাবিদ, গবেষক ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে লালমাই প্রেস ক্লাবের বর্ণাঢ্য অভিষেক অনুষ্ঠান ও প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হবে। সকলের আন্তরিক সহযোগিতা ও অংশীদারিত্বই এই প্রতিষ্ঠানের আগামী দিনের সফলতার মূল ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন নেতৃবৃন্দ।

Address

Burichang
3520

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Cumilla News Zone posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share