MJI আদর্শবান ব্যাক্তির সাহচর্য তোমাকে আশরাফুল মাখলুকাতের অন্তর্ভুক্ত করবে।

08/06/2026

এইতো কয়দিন পূর্বে যাঁরা ফিলিস্তিনের জন্য জিবন দিতে প্রস্তুতি দেখাইতো; তারাই এখন ব্রাজিল আর্জেন্টিনা তথা ইজরাইলী মিত্রদের জন্য আন্দোলন,টাকা-পয়সা ও সময় নষ্ট করছে।
এটাই বাঙ্গালী আর নামধারী মুসলিমদের আবেগ 🥲🥲🥲🥲

#ইসলামিক #ধর্ম #ফিলিস্তিন #গাজা

06/06/2026

#কিয়ামতের_আলামত একটি হলো:
সুন্দর কণ্ঠের কারণে কাউকে ইমাম বানানো।
قال رسول الله ﷺ:
«بادروا بالأعمال خصالاً ستاً:
إمرة السفهاء، وكثرة الشرط، وبيع الحكم، وقطيعة الرحم، واستخفافاً بالدم، ونشءٌ يتخذون القرآن مزامير، يقدمون الرجل ليس بأفضلهم، ولا بأعلمهم، ولا بأفقههم، ما يقدمونه إلا ليغنيهم.»
أخرجه ابن أبي خيثمة في ((التاريخ الكبير)) (1553) بلفظه، وأحمد (16040)، والطحاوي في ((شرح مشكل الآثار)) (1389)، والحارث في ((مسنده)) (613) باختلاف يسير، والألباني في السلسلة الصحيحة (979).
রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:
“তোমরা ছয়টি বিষয় আসার আগে সৎকর্মে অগ্রসর হও;
১. নির্বোধদের নেতৃত্ব,
২. পুলিশ ও প্রহরীর আধিক্য,
৩. বিচার বিক্রি হওয়া (ঘুষের মাধ্যমে বিচার),
৪. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা,
৫. রক্তপাতকে তুচ্ছ মনে করা,
৬. এমন এক প্রজন্মের আবির্ভাব, যারা কুরআনকে গানের সুরের মতো পাঠ করবে। তারা এমন ব্যক্তিকে ইমাম বানাবে, যে তাদের মধ্যে শ্রেষ্ঠ, সবচেয়ে জ্ঞানী বা সবচেয়ে ফকীহ নয়; বরং শুধু তার সুন্দর কণ্ঠের কারণে তাকে সামনে আনা হবে।”

তথ্যসূত্র:
হাদিসটি ইবনু আবি খাইসামাহ তাঁর আত-তারীখুল কাবীর গ্রন্থে (হাদিস নং ১৫৫৩) একই শব্দে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া ইমাম আহমদ (১৬০৪০), ইমাম তাহাবী শারহু মুশকিলিল আছার গ্রন্থে (১৩৮৯) এবং হারিস তাঁর মুসনাদ গ্রন্থে (৬১৩) সামান্য শব্দগত পার্থক্যসহ এটি বর্ণনা করেছেন। এবং আলবানী আস-সিলসিলাহ আস-সহীহাহ এ উল্লেখ করেছেন (৯৭৯)।

ব্যাখ্যা:
ষষ্ঠ নিদর্শন হলো: এমন এক নতুন প্রজন্মের আবির্ভাব, যারা কুরআনকে গান-বাজনার সুরের মতো পাঠ করবে। অর্থাৎ তারা কুরআন তিলাওয়াতকে গানের মতো সুরে পরিবেশন করবে, অতিরঞ্জিত ভঙ্গিতে উচ্চারণ করবে এবং মনোরম সুর-লহরীতে পাঠ করবে।

এখানে "নশ্‌উ (النشء)" বলতে অল্পবয়সী যুবসমাজ বা নবীন প্রজন্মকে বোঝানো হয়েছে।
তাদের বিশেষভাবে উল্লেখ করার কারণ হলো, সাধারণত সুন্দর, কোমল ও আকর্ষণীয় কণ্ঠস্বর এই বয়সীদের মধ্যেই বেশি দেখা যায়।

"তারা একজন ব্যক্তিকে অগ্রাধিকার দেবে" অর্থাৎ নামাজে ইমামতি, বিভিন্ন সভা-মজলিস বা অন্যান্য বিষয়ে এমন ব্যক্তিকে সামনে আনা হবে, যিনি তাদের মধ্যে সবচেয়ে বড় আলেম বা সবচেয়ে বিজ্ঞ ফকীহ নন; বরং তাকে সামনে আনার একমাত্র কারণ হবে, সে যেন কুরআনকে সুরেলা কণ্ঠে তাদের শুনাতে পারে।

এ অবস্থায় সে অনেক সময় সুরের খাতিরে হরফের যথাযথ মাখরাজ ও উচ্চারণ বিকৃত করে, কোথাও টানে, কোথাও কমায় বা বাড়ায়; শুধু সুর ও লয়ের সৌন্দর্য বজায় রাখার জন্য।

কারণ,
তাদের উদ্দেশ্য হয় কুরআনের অর্থ ও হিদায়াত গ্রহণ নয়; বরং সেই সুর-লহরী শুনে শ্রোতাদের কানে আনন্দ দেওয়া।

অথচ শরীয়তে অধিক ফকীহ ও অধিক জ্ঞানী ব্যক্তিকে ছেড়ে অন্য কাউকে, বিশেষত নামাজের ইমাম হিসেবে, অগ্রাধিকার দিতে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে।

বর্তমান যুগে এ প্রবণতা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়েছে। এমনকি বিষয়টি এমন পর্যায়ে পৌঁছেছে যে, কুরআনের শব্দ ও উচ্চারণকে তার স্বাভাবিক রূপ থেকে পরিবর্তন করে সুরের প্রদর্শনী করাকেই অনেকে গৌরবের বিষয় মনে করছে।
(আদ-দুরারুস সানিয়্যা)

আল্লহ তাআলা আমাদের সকলকে হেফাজত করুন আমীন।

05/06/2026

#বিশ্বকাপ_নাকি_বিশ্বপাপ!

আজকের বিশ্বকাপকে ঘিরে কত যে কবিরা গুনাহ, অশ্লীলতা, সময়ের অপচয়, নামাযে অবহেলা, অন্ধ সমর্থন, ঝগড়া-বিবাদ ও হারাম কাজে জড়িয়ে পড়ার ঘটনা ঘটে; তার হিসাব রাখা কঠিন।

মুমিনের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন; এমন কোনো বিনোদন নয়, যা তাকে আল্লাহর স্মরণ থেকে গাফেল করে দেয়।

আল্লাহ তাআলা আমাদেরকে সকল প্রকার গুনাহ, ফিতনা ও গাফেলত থেকে হেফাজত করুন।
নামায, তাকওয়া ও নেক আমলের উপর অবিচল থাকার তাওফীক দান করুন। আমীন।

#আল্লাহর_সন্তুষ্টিই_সফলতা #গুনাহ_থেকে_বাঁচুন #তাকওয়ার_জীবন

01/06/2026

ফকিহ মুহাম্মাদ আব্দুল মালেক হাফিঃ এর সাহসী বক্তব্য - জাতীয় মসজিদ বাইতুল মোকাররমে
#ইসলামিক #বাংলাদেশ #ইসলামেরআলো #ইসলামিক #ইসলাম

আগামীকাল ফজর থেকেই তাকবিরে তাশরিক   #ইসলামিক  #ইসলামেরআলো  #ঈদ  #তাকবিরে_তাশরিক  #বাংলাদেশ
26/05/2026

আগামীকাল ফজর থেকেই তাকবিরে তাশরিক

#ইসলামিক #ইসলামেরআলো #ঈদ #তাকবিরে_তাশরিক #বাংলাদেশ

22/05/2026

الأضحية من أسباب حصول البركة في حياتك وأموالك، فلا تحرم نفسك من هذا الخير الوفير.
#الأضحية #عيدالاضحي #الإسلام

আজকেই সূর্যাস্তের পূর্বে নখ,চুল,মোচ, বগলের পশম ও নাভীর নিচের পশম কেটে ফেলি!!!যিলহজ্বের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানীর আগ পর...
18/05/2026

আজকেই সূর্যাস্তের পূর্বে নখ,চুল,মোচ, বগলের পশম ও নাভীর নিচের পশম কেটে ফেলি!!!

যিলহজ্বের চাঁদ দেখার পর থেকে কুরবানীর আগ পর্যন্ত নিজের নখ, চুল, মোচ, নাভীর নিচের পশম ইত্যাদি না কাটা। এটা মুস্তাহাব আমল।

হযরত উম্মে সালামা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন-

إذا رأيتم هلال ذي الحجة وأراد أحدكم أن يضحي فليمسك عن شعره وأظفاره.

তোমরা যদি যিলহজ্ব মাসের চাঁদ দেখতে পাও আর তোমাদের কেউ কুরবানী করার ইচ্ছা করে তবে সে যেন স্বীয় চুল ও নখ কাটা থেকে বিরত থাকে।-সহীহ মুসলিম, হাদীস : ১৯৭৭; জামে তিরমিযী, হাদীস : ১৫২৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৯১; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ৪৩৬২; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৫৮৯৭

যে ব্যক্তি কুরবানী করতে সক্ষম নয় সেও এ আমল পালন করবে। অর্থাৎ নিজের চুল, নখ, গোঁফ ইত্যাদি কাটবে না; বরং তা কুরবানীর দিন কাটবে। হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আমর রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন-

أمرت بيوم الأضحى جعله الله عيدا لهذه الأمة. قال له رجل :يا رسول الله! أرأيت إن لم أجد إلا منيحة أنثى أفأضحي بها؟ قال : لا، ولكن خذ من شعرك وأظفارك وتقص شاربك وتحلق عانتك، فذلك تمام أضحيتك.

আমি কুরবানীর দিন সম্পর্কে আদিষ্ট হয়েছি (অর্থাৎ এ দিবসে কুরবানী করার আদেশ করা হয়েছে।) আল্লাহ তাআলা তা এ উম্মতের জন্য ঈদ হিসাবে নির্ধারণ করেছেন। এক ব্যক্তি আরজ করল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি আমার কাছে শুধু একটি মানীহা থাকে অর্থাৎ যা শুধু দুধপানের জন্য দেওয়া হয়েছে? আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, না; বরং সেদিন তুমি তোমার চুল কাটবে (মুন্ডাবে বা ছোট করবে), নখ কাটবে, মোচ এবং নাভীর নিচের পশম পরিষ্কার করবে। এটাই আল্লাহর কাছে তোমার পূর্ণ কুরবানী বলে গণ্য হবে।-মুসনাদে আহমদ, হাদীস : ৬৫৭৫; সহীহ ইবনে হিববান, হাদীস : ৭৭৩; সুনানে আবু দাউদ, হাদীস : ২৭৮৯; সুনানে নাসায়ী, হাদীস : ৪৩৬৫

অর্থাৎ যারা কুরবানী করতে সক্ষম নয় তারাও যেন মুসলমানদের সাথে ঈদের আনন্দ ও খুশি উদযাপনে অংশীদার হয়। তারা এগুলো কর্তন করেও পরিপূর্ণ সওয়াবের অধিকারী হবে। অনুরূপভাবে হাজীদের সাদৃশ্য অবলম্বনকারী হবে। #ইসলামিক #ইসলাম #আমল #সুন্নাহ #কুরবানী

18/05/2026

আল্লামা যাহেদ কাউসারী রহ. থেকে কোন কিতাবের তাকরীয (অভিমত) নেওয়া খুবই কঠিন ছিল। তিনি সহজে কোন কিতাবের উপর অভিমত দিতেন না। একটা কিতাব ভালো করে পড়ে এবং এই কিতাবের লেখক সম্পর্কে কঠিনভাবে যাচাই বাছাই করে তারপর যদি তাঁর মানদণ্ডে কিতাব এবং কিতাবের লেখক উত্তীর্ণ হন, তবেই তিনি তাকরীয দিতেন।

বিগত শতাব্দীর শীর্ষস্থানীয় হাদিস বিশারদ আল্লামা আবদুল্লাহ ইবনুস সিদ্দীক গুমারী রাহিমাহুল্লাহ। যিনি আল্লামা কাউসারির ছাত্র ছিলেন। তাঁর একটি কিতাবের উপর কাউসারী রহ. তাকরীয দিয়েছিলেন। তিনি এই তাকরীয পেয়ে খুবই খুশি হন এবং হযরত কাউসারীর তাকরীয সম্পর্কে উপরিউক্ত মন্তব্য করেন। (দেখুন: الإمام الكوثري وإسهاماته في علم الرواية والإسناد এ শাইখ আবদুল্লাহ ইবনুস সিদ্দীক গুমারীর দৃষ্টিতে ইমাম কাউসারী শিরোনামে)

পুনশ্চ: বর্তমানে তো কোন কিতাবের উপর কারো থেকে তাকরীয নেওয়া একেবারে পান্তা ভাত হয়ে গেছে। যে কারো বই যেমনই হোক না কেবিষয়টির প্রবণতা একটু বেশীই পরিলক্ষিত হয়। শাইখ আবদুল মালেক হাফিযাহুল্লাহ এ ক্ষেত্রে ব্যতিক্রমন, কোন মতে পড়ে বা না পড়েই উচ্চ প্রশংসা এবং মন্তব্য করে ফেলা হয়! বঙ্গদেশে । তাঁর থেকে তাকরীয নেওয়া আরবের লাল উটের মালিক হওয়ার মতো।

আগত কুরবানী জন্তু সম্পর্কে জেনে নেই। #ইসলামিক  #ইসলাম  #মাসয়ালা  #আখিরাত  #কুরআন  #হাদিস
15/05/2026

আগত কুরবানী জন্তু সম্পর্কে জেনে নেই।
#ইসলামিক #ইসলাম #মাসয়ালা #আখিরাত #কুরআন #হাদিস

Address

Chandpur
MATLAB

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when MJI posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share