08/06/2026
কোনো এক মনিষী বলেছিলেন, "বাংলাদেশের ক্রিকেট শ্যাষ"। এইটাই রিয়ালিটি। আরেকজন বলেছেন, " তোমরা রিয়ালিটি মাইনা নাও।" আপনারাও মেনে নেন।
লিসেন, আগানো তো দূর কী বাত, বাংলাদেশের ক্রিকেট আর ওইদিন আসবে না, যে দিন গেছে। এই সেক্টরের গোল্ডেন পিরিয়ড আমরা আগেই পেরিয়ে এসেছি।
স্পোর্টসে যদি কোথায় বাংলাদেশের সম্ভাবনা থেকে থাকে, সেটা ফুটবল। এবং এই সেক্টরে আমাদের ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে।
এদেশের গ্রামে-গঞ্জে বা শহরে-মফস্বলে, কোনো এক জায়গায় ফুটবল ম্যাচের আয়োজন করে দেখেন, লোকজন হুড়মুড় করে আসবে। এদেশের মানুষের ব্লাডে ফুটবলের প্রতি টান আছে। জাদুকর সামাদ বা কিংব্যাক মুন্নাদের প্রতি টান আছে।
কিন্তু তারপরও বিগত বহু বছর, বিশেষ করে করোনার আগ পর্যন্ত, গ্যালারীতে কোনো দর্শকই থাকত না। কেন?
সালাহউদ্দিনরা এত পরিমাণ দূর্নীতি করেছিল যে এই প্রবল সম্ভাবনাময় সেক্টরের মেরুদণ্ড ভেঙে গেছিল।
ইন্টেরিমের সময়ে ফুটবল আবার প্রাণ ফিরে পেয়েছে। কিছুটা হলেও ঘুরে দাঁড়িয়েছে। সামনের দিকে হাঁটতে শুরু করেছে।
এই ঘুরে দাঁড়ানোর গল্পের নায়ক আসিফ মাহমুদ আর তাবিথ আওয়াল। বাট প্রথমে আসিফ মাহমুদই আসবে।
কারণ বিসিবির মতো বাফুফে নির্বাচনেও বিএনপি চেষ্টা করেছিল নিজেদের একটা প্যানেল দিয়ে তাদের জিতিয়ে আনতে। আসিফ তাদের প্রস্তাবে সম্মত হয়নি। তাবিথকে ব্যাক করেছে। তাবিথ জিতেছেও।
এখন তাকে বিসিবির মতো সরানোর ক্ষমতা বিএনপির সেই গ্রুপটার নেই কারণ তাবিথ নিজেই বিএনপি নেতা। আব্দুল আওয়াল মিন্টুর ছেলে ও মেয়র ক্যান্ডিডেট। সে ফুটবলের জন্য নিবেদিত প্রাণ।
দূর্নীতির কারণে ফিফার ফান্ড আসা বন্ধ ছিল। আসিফ দায়িত্ব নেওয়ার পর ঠিক করেছে। ঢাকায় কয়েক বছর ধরে একটা মাঠ পড়ে ছিল। আসিফ ৬ মাসের মধ্যে চালু করেছে। নিজে নিয়মিত ফুটবলের ব্রান্ডিং করার ট্রাই করেছে।
সুলিভান ব্রাদার্স সহ বহু বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত বিদেশি ফুটবলারের নাগরিকত্ব বিষয়ক জটিলতায় আসিফ মাহমুদ সরাসরি হস্তক্ষেপ করেছে, হেল্প করেছে।
আমাদের কোনো জেলা স্ট্রাকচার নেই। ফলে প্রান্তিক পর্যায় থেকে ট্যালেন্ট উঠে আসার সুযোগ নেই বললেই চলে। আসিফ এই ক্ষেত্রেও মুভমেন্ট দেখিয়েছে। একটা পথ খুলে দিয়ে এসেছে।
আসিফের এমন বহু কর্মকান্ডের ফলাফল বাংলাদেশ ফুটবল এখন পাচ্ছে ও ভবিষ্যতে পাবে। তাছাড়া লার্কি চার্মও বলতে পারেন। ওই সময়ে ফুটবলে বাংলাদেশের সময় খুব ভালো গেছে।