Hey You

Hey You "Congratulations "

13/03/2026
17/02/2026

শত্রু বানানোর সবচেয়ে সহজ উপায় হলো রাজনীতি না করেও রাজনৈতিক পোস্ট করা।🙂

10/02/2026

অভ্যুত্থানের পরের জামায়াত স্বাধীনতাযুদ্ধের পূর্বাপর

13/11/2025

আলু না গনভোট
#আলু #গনভোট #ভন্ড #প্রতারক #নির্বাচন #সংসদ

13/08/2025

তুমি যার পাশে দাঁড়াও,
ঢাল হয়ে আঘাত ঠেকাও,
তার চোখে তুমি যেন
তলোয়ার হাতে শত্রু।

বিশ্বাসের মাঠে বীজ বুনো তুমি,
তবু ফসল ওঠে সন্দেহের।

01/08/2025

রাতে দেরিতে ঘুমানোর জন্য যেদিন থেকে চাঁদা দিতে হবে, সেদিন থেকে আমার শিক্ষা হবে! গুডনাইট!

17/07/2025

১০০০ কেজির বালুর ট্রাক ছিলো ২ দিন ,
আর ১০০ গ্রামের তালা মগবাজারে আটকে ছিলো ১৭ বছর !

তারপরও বট বাহিনীর বালুর ট্রাকের প্রতি এতো আকর্ষণ ? ১ টন তো ! পাইলিং এর গতি আর শব্দও বেশি হয় মনে হয় ।

 #ক্রাশ_ডাক্তার_বউ  [সারজীন] :5সারা ওদের খাইয়ে দিতে শুরু করে। রোদ আর রোদ্রি ঘুরতে গিয়ে কি কি করবে ওসব বলছে তা শুনে সবা...
06/06/2025

#ক্রাশ_ডাক্তার_বউ
[সারজীন]
:5
সারা ওদের খাইয়ে দিতে শুরু করে। রোদ আর রোদ্রি ঘুরতে গিয়ে কি কি করবে ওসব বলছে তা শুনে সবাই হাসতে হাসতে শেষ।
রোদ্রি : ডেডা আজ আমালে আতক্রিম তিনে দিবে?
মাহিন : না আজ তোদের একটা মজার খাবার খাওয়াবো!
রোদ : তি থাবার ডেডা?
মাহিন : এখন বলা যাবে না সারপ্রাইজ!( ভাব নিয়ে )
রোদ্রি : আমালেও না?
মাহিন : না তোকেও না। ( ভাব নিয়ে )
রোদ্রি : নাগবে না তুমার থারপ্রাইজ!( মুখ ভেংচি দিয়ে )
রোদ্রির কথা শুনে সবাই হা হা করে হেসে দেয়।
হসপিটালে
সারার বাড়ির সবাই অনেক চেষ্টা করেছে হসপিটাল থেকে ওর এড্রেস নেওয়ার জন্য কিন্তু সারা হসপিটালে বলে গেছে ওর এড্রেস যেনো কাউকে না দেওয়া হয়।
আরফিন : কি রে আরাফ পেলি আপুর এড্রেস?
আরাফ : না আপু। আমার মনে হয় হসপিটালে সবাই কে তার এড্রেস দিতে বারন করে গেছে।
জারা : এখন আর আপুর এড্রেস খুঁজে কি হবে তাকে তার দুনিয়া শান্তিতে থাকতে দাও।( চোখ মুখ শক্ত করে )
নিশাত : আর কত কথা শুনাবি আমাকে? আমি তো না বুঝে ওকে.....
জারা : মাম্মা তুমি আপুর মা পুরো দুনিয়া আপুকে ভুল বুঝলেও তুমি কি করে ভুল‌ বুঝতে পারো? তুমি জানো না তোমার মেয়ে কেমন?
আরফিন : থাক এসব কথা এখন!
ঝুমুর : কিন্তু সারা সাথে ছেলেটা কে ছিলো? সারা কি বিয়ে করেছে?
আরফিন : এই তোমাদের এক দোষ সত্যি না জেনে নিজের মন ঘোরা কথা তৈরি করা।আর যদি বিয়ে করেও থাকে তাহলে বা কি? সারাজীবন মানুষ তো আর একবারে কাঁটায় না।যাই হোক আমি এখন এসব বিষয়ে কথা বলতে চাচ্ছি না।জারা তুই আমার ভার্সিটিতে যাবি? তাহলে চল আমার আর এখানে থাকতে ভালো লাগছে না।
জারা : হ্যা চল আপু আমিও যাবো তোর সাথে!
আরফিন আর জারা কারো উত্তরের অপেক্ষা না করে ভার্সিটির জন্য বের হয়ে যায়।
খান বাড়ি
ব্রেকফাস্ট টেবিলে সবাই চুপচাপ খাবার খাচ্ছে কেউ কোনো কথা বলছে না।নিলিমা হঠাৎ করে মাহির কে বলে উঠে।
মামনি : মাহির আমি তোর কাছে কিছু চাইবো দিবি তুই?
মাহির : এমন করে বলছো কেনো মামনি! বলো না তোমার কি চাই?
মামনি : আমি চাই আমার বাড়ির লক্ষী আবার বাড়ি ফিরে আসুক। আমার নাতি নাতনি এই খান বাড়ি মাথায় করে রাখুক।পারবি তুই আমার চাওয়া পূর্ণ করতে?
মাহির ভাবনায় পড়ে গেলো সারা কি কখনো ওকে ক্ষমা করবে?ক্ষমা করলেও কখনো ওর জীবনে ফিরে আসবে? নানান প্রশ্ন ওর মাথায় ঘুরপাক খাচ্ছে।
মাহির : মামনি ও কি.....( আর বলতে না দিয়ে )
মামনি : তুই পারবি কি না তাই বল?
মাহির চোখ বন্ধ করে ছোট একটা নিঃশ্বাস ফেলে বলে।
মাহির : কথা দিলাম মামনি ওকে আবার আমার জীবনের ফিরিয়ে আনবো। তোমার বাড়ি আবার আনন্দ উৎসবে ভরে উঠবে।( বলে উঠে চলে যায় )
মাহিরের চলে যাওয়ার দিকে তাকিয়ে নিলিমা আর শোহান স্থির নিঃশ্বাস ফেলে শোহান নিলিমা কে বলে।
বাবাই : চিন্তা করো না। তোমার ছেলে কখনো কথার খেলাপ করে নি। এবার আমাদের দুঃখের অবসান ঘটবে।
মামনি : তাই যেনো হয়।
এদিকে সারা রা সকাল থেকে অনেক জায়গায় ঘুরা ঘুরি করে। রোদ আর রোদ্রি আজ খুব খুশি। সারা বললো আজ অনেক ঘুরা ঘুরি করেছে রোদ রোদ্রি কে নিয়ে এবার বাড়ি যাওয়া দরকার। মাহিন বলে।
মাহিন : আপু ওদের আগে সারপ্রাইজ দিয়ে নি তারপর না যাবো!
সারা : তুই আবার কি সারপ্রাইজ দিবি?( ভ্রু কুঁচকে বললো )
মাহিন : চল না এত কথা বলছিস কেনো?
সারা আর কোনো কথা বলে না। কিছুক্ষণ পর গাড়ি গিয়ে ফুসকার দোকানের সামনে থামে। মাহিন ওদের গাড়ি থেকে নামতে বলে ও নেমে পড়ে। সারা বাচ্চাদের গাড়ি থেকে নামিয়ে চারপাশে তাকিয়ে বলে।
সারা : এখানে কেনো আনলি?
মাহিন : কেনো আবার আমার রোদ আর রোদ্রি প্রথম বার বাংলাদেশে এসেছে ওদের যদি বাংলাদেশের বিখ্যাত ফুসকা না খাওয়াই তাহলে ওরা এটা মিস করবে।
সারা : হা হা হা তাই নাকি?( হেসে দিয়ে )
রোদ : মাম্মা ফুকা তি?
সারা : ফুকা না বাবা ফুসকা খুব মজার একটা খাবার।
রোদ : অহহহ....
রোদ্রি : ডেডা এই তুমার থারপ্রাইজ?( চোখ ছোট ছোট করে )
মাহিন : হ্যা মামনি। জানো ছেলেরা না কি তেমন ফুসকা খায় না কিন্তু আমি আর আমার এক বন্ধু কম্পিটিশন দিয়ে ফুসকা খেতাম।
সারা : এত বক বক না করে ফুসকা অর্ডার কর।আর পিচ্চি দুটো টায় ঝাল ছাড়া।
মাহিন : তোরা চেয়ার গুলোতে বস আমি অর্ডার করে আসছি।
মাহিন ফুসকা অর্ডার করতে চলে যায়। সারা রোদ আর রোদ্রি কে চেয়ারে বসিয়ে দেয়। রোদ আর রোদ্রি তো কথার ঝুড়ি খুলে বসেছে। মাহিন ওদের পাশে বসে বলে ফুসকা দিতে দেরি হবে। সারা বসে থাকতে ভালো লাগছে না বলে উঠে আশেপাশে হাঁটা শুরু করে। মাহিনদের থেকে অনেকটা দূরে এগিয়ে এসেছে তা সারা খেয়াল করে নি। সারা আশেপাশের প্রকৃতি দেখতে ব্যস্ত। একটা গাড়ি এসে সারার পাশে থামে সারা সেদিন না তাকিয়ে পাশ কাটিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে।কেউ একজন পিছন থেকে দৌড়ে সামনে এসে সারা কে জড়িয়ে ধরে। এতে সারা খানিকটা অবাক হয়ে তাকে নিজের থেকে ছাড়াতে ছাড়াতে বলে।
সারা : কে আপনি? আমাকে এইভাবে জড়িয়ে ধরেছে কেনো?
- কুত্তি আর একটা কথা বলবি তো থাবরাইয়া তোর দাঁত ফেলে দিমু।
সারা সামনের মানুষটাকে দেখে জড়িয়ে ধরে বলে।
সারা : মিথিলা .....
মিথিলা : এই তুই আমারে ছার তোর সাথে আমার কোনো সম্পর্ক নাই। ( সারা কে ছাড়াতে ছাড়াতে বলে )
সারা : মিথু জানু সোনা আমার রাগ করিস না। আমি তোকে সব বলবো!
মিথিলা : এখন জানু সোনা। কোথায় ছিলি এতদিন? আমার কথা মনে পড়েনি তোর?এই এত বছরের বন্ধুত্ব আমাদের?( কাঁদো কাঁদো হয়ে )
সারা : তখন পরিস্থিতি এমন ছিলো আমি কি করবো বুঝে উঠতে পারছিলাম না। তুই আর রাজ এখানে ছিলিস না। তোদের দুই ফ্যামিলির টুরে গেছিলো। আমি আর কিছু না ভেবে দেশ ছেড়ে চলে যাই।
মিথিলা : আমি আর রাজ প্রথমে মনে করেছি প্রেগন্যান্সির করানে তুই বাড়িতে আছিস আর তোর ফোনও বন্ধ ছিলো।পরে একদিন রাজ আর আমি শপিং থেকে ফেরার পথে মাহির ভাইয়ার সাথে দেখা তাকে তোর কথা জিজ্ঞেস করলে বলে সে জানে না।পরে রাজ জোর করায় সব বলে দেয় তোর সাথে ঠিক কি কি হয়েছে‌।পরে আমি আর রাজ ওখান থেকে রেগে চলে আসি তোকে অনেক জায়গায় খোঁজ করছি আমরা কিন্তু কোথাও পাইনি।ঐ ঘটনার এক বছর পর তোর দুই ফ্যামিলির আসে আমার আর রাজের কাছে আমরা তোর কোনো খবর জানি কি না। তখন রাজ ওদের বলে ও জানলেও কখনো ওদের বলবে না।
সারা : ওসব কথা ছাড়। এখন বল তুই আর রাজ বিয়ে করেছিস?
মিথিলা : না রে।
সারা : কেনো তোরা দুজন দুজনকে সেই কলেজ লাইফ থেকে ভালোবাসিস তাহলে?
মিথিলা : আর বলিস না শয়তানটার কথা। শয়তানি ছাড়া আর কিছু পারে না।হারামিটা আরো এক বছর পর বিয়ে করতে চেয়েছিল কিন্তু আমি বলেছি এক মাসের মধ্যে বিয়ে না করলে আমি আমার পাশের বাড়ির ছেলের সাথে পালিয়ে যাবো।তাই সে বিয়ে করতে রাজি হয়েছে। পনের দিন পর বিয়ে। তুই তো জানিস আমার স্বপ্ন ছিলো ডেস্টিনেশন ওয়েডিং করার তাই আমার স্বপ্ন পূরন করতে কক্সবাজার ডেস্টিনেশন ওয়েডিং প্লান করা হয়েছে। শোন আমি কোনো কথা শুনতে চাই না তুই কাল আমার সাথে কক্সবাজার যাবি।আর রাজ তোকে দেখে পাগল হয়ে যাবে।
সারা : তাই বলে কালকেই?( চিন্তিত হয়ে )
মিথিলা : শাকচুন্নী তোকে তো আমি..... এই এক মিনিট এক মিনিট তোর আর আমার বেবি কই?( ভ্রু কুঁচকে )
সারা : জানু বেবি নয় বেবিস।( মুচকি হেসে )
মিথিলা : মানে?( অবাক হয়ে )
সারা : আমার টুইট বাচ্চা হাদি কোথাকার!
মিথিলা : ও মাই গড সারু। কোথায় ওরা?( খুব খুশি হয়ে। )
সারা : চুন্নী শোন ওদের সামনে আবার আমাকে পচানো শুরু করে দিস না।
মিথিলা : না না ওদের কি বলতে পারি ওদের মা কত বড় কুত্তি।( মিটমিট করে হেসে )
সারা : তুই কি বললি?( রেগে তাকালো )
মিথিলা : কিছু না জানু তোর প্রশংসা করলাম। এখন চল।( সারার হাত ধরে হাঁটা দেয় )

To be continue...🍁

Address

Chandpur

Telephone

+8801881241383

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hey You posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Hey You:

Share