Rini's vlog

Rini's vlog Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Rini's vlog, Digital creator, Chandpur.

27/09/2026

সবার পায়ের ছবি দেন, সালাম করবো!
কালকে আমার Exa💔m 🙂

~ভেবেছিলা সাংসারিক হব, সেই আশায় বিয়ে করছিলাম! 🙃কিন্তু, সেই জামাই ও আমারে students বানিয়া রাখলো🤧🤧 😭😭এখন পরিক্ষার চিন্তায় ...
24/09/2026

~ভেবেছিলা সাংসারিক হব, সেই আশায় বিয়ে করছিলাম! 🙃
কিন্তু, সেই জামাই ও আমারে students বানিয়া রাখলো🤧🤧

😭😭এখন পরিক্ষার চিন্তায় ঘুম আসে না😅😭

অপ্রিতমের ট্যাবের একটা তথ্যে লেখা ছিলো যে ৪ টা ৯ মিনিট বা ৫ মিনিটে ফোনটা ক্লোজ হয়েছে। কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে স...
22/09/2026

অপ্রিতমের ট্যাবের একটা তথ্যে লেখা ছিলো যে ৪ টা ৯ মিনিট বা ৫ মিনিটে ফোনটা ক্লোজ হয়েছে।
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিপরীতে সামাজিক বনায়নের একটি গভীর জঙ্গল রয়েছে।
আমরা সবাই মিলে সেখানে গিয়ে এলোমেলোভাবে বাউন্ডারি পার হয়ে পাগলের মতো তাকে খুঁজছিলাম।

কোথাও তাকে পাওয়া যায়নি এবং আমরা খুব নিরাশ হয়ে পড়েছিলাম। ওই সময়ের মধ্যে ভাইয়েরা সিসিটিভি ফুটেজ ধরে ধরে সে কোন দিকে গেছে তা খোঁজার চেষ্টা করছিল। পুলিশ ভাই, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, বড় ভাই এবং ছোট ভাই সবাই একসাথে মিলে খোঁজাখুঁজি করছিল।
এরই মধ্যে আমরা ডিবি অফিসে যাই।
তারা খুব তৎপরতার সাথে আমাদের ধৈর্য ধরতে বলে জানায় যে দ্রুত অ্যাকশন নেওয়া হবে। এই বলতে বলতে বাসায় আসি, কিন্তু তখন যাদেরই ফোন দিই কেউ ধরে না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের ওই দিকে ‘ম্যাজিক প্যারাডাইস’-এর পাশেই পাহাড়ি জঙ্গল। সেখানে আমার ছেলেকে নি' হত অবস্থায় পাওয়া গেছে।😭😭😭
পরিচিতদের কল দিলে কেউ না ধরায় তখনই আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমার ছেলে আর নেই।😔😭
ততক্ষণে কেউ কেউ ছবি তুলে ছড়িয়ে দিচ্ছিলো। ছবিটা দেখলেই বোঝা যায় ছেলেটির সাথে কী করা হয়েছে। আমার ১৩ বছরের বাচ্চা, ওর এমন কী উপাদান ছিল যার জন্য মানুষের শ*ত্রু হতে হবে? ও যাদের সাথে গিয়েছিল তারা ওর সিনিয়র বন্ধু হলেও ওকে ভালোবাসত।

সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে সে তাদের সাথে হেলেদুলে হাসিমুখে খুব স্বাভাবিকভাবেই হেঁটে যাচ্ছে। সে তো বুঝতেই পারেনি এই ভালোবাসা ও স্নেহের আড়ালে কী লুকিয়ে ছিল।

যে প্রধান আসামি তুহিন, সে সকালে আমাদের সাথে এসে দেখাও করে গেছে, যেন কিছুই জানে না এবং আপডেট নিয়ে গেছে। যদি অপরাধীরা আগেই দৃষ্টান্তমূলক শা*স্তি পেত, তবে আজকে এই ঘটনা ঘটতো না।
মিডিয়া ও প্রশাসনের কাছে অনুরোধ, অন্য দেশের মতো দ্রুত বিচার নিশ্চিত করা হোক। স্পষ্ট ফুটেজ থাকা সত্ত্বেও যাতে কোনো মায়ের বুক এভাবে খালি না হয়, তার সঠিক ও দ্রুত বিচার আমরা চাই। 🥺

বিশ্বাসই করতে পারতেছি না....😭😭কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ম্যামের ১৩ বছর...
19/09/2026

বিশ্বাসই করতে পারতেছি না....😭😭

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগম ম্যামের ১৩ বছর বয়সী একমাত্র ছেলে অপ্রতিম আর আমাদের মাঝে নেই।

আজ লালমাই পাহাড় এলাকা থেকে তার ম* দে/ হ উদ্ধার করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে মায়ের আইফোনটা নিয়ে বন্ধুদের সাথে ছবি তুলতে বের হয়েছিল ছেলেটি। এরপর আর বাসায় ফেরেনি।

তার মা ফেসবুকে আকুতি জানিয়েছিলেন ছেলেকে খুঁজে পেতে, বাবা থানায় জিডিও করেছিলেন। কিন্তু সব চেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে আজ এলো এই বুক ফাটানো খবর।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, স্রেফ একটা মোবাইল ফোনের জন্য এই ১৩ বছরের নিষ্পাপ বাচ্চাটাকে প্রা/ণ দিতে হলো। একটা মোবাইল কি একটা মায়ের কোল খা*লি করার চেয়েও দামী হয়ে গেল? সমাজটা দিন দিন কতটা হিং*স্র আর অনিরাপদ হয়ে উঠছে, ভাবলেই গা শিউরে ওঠে।

ড. নাহিদা বেগম ম্যাম এবং উনার পরিবারের এই অপূরণীয় ক্ষ*তিতে গভীর শোক প্রকাশ করছি। মহান আল্লাহ উনাদের এই কঠিন শোক সহ্য করার শক্তি দিন। এই নৃশংস হ**কাণ্ডের তীব্র নিন্দা জানাই এবং এর সাথে জড়িত অপরাধীদের দ্রুত দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি।

অপ্রতীম মায়ের কোলে জীবিত অবস্থায় ফিরলো না আর। অবাক হইনি মোটেও। বরং হারিয়ে যাওয়া অপ্রতীমকে ১০ ঘণ্টা পর জীবিত অবস্থায় পেলেই অবাক হতাম। এইটা আমার দেশ। এই মৃত্যু উপত্যকা'ই আমার দেশ।

এই দেশে প্রতিদিন গড়ে ৭০-৭৫ জন শিশু নিখোঁজ হয়। এই তালিকায় কোনো একদিন আমার আপনার ঘরকে মাতিয়ে রাখা ছোট্ট শিশুটাও যোগ হতে পারে। অসম্ভবের কিছুই নেই। সত্যি বলছি, এটা ঘটতেই পারে। মেনে নিন, মানিয়ে নিন।

অপ্রতীম তো শেষ।
মায়ের কোলটা তো খালি হয়ে গেছে।

তারপর.....
বিচার চাইবেন তাই তো ?

যে সংসারকে সবাই ‘পারফেক্ট’ ভাবত, সেই সংসারেই নাকি জমেছিল এমন এক নীরবতা—যার শব্দ বাইরে থেকে কেউ শুনতে পায়নি! 💔২০ বছরের দা...
17/09/2026

যে সংসারকে সবাই ‘পারফেক্ট’ ভাবত, সেই সংসারেই নাকি জমেছিল এমন এক নীরবতা—যার শব্দ বাইরে থেকে কেউ শুনতে পায়নি! 💔
২০ বছরের দাম্পত্য দুই মেয়ে একসঙ্গে পথচলা সবকিছুই যেন ঠিকঠাক ছিল। অথচ হঠাৎ একদিন দেখা গেল, যীশু সেনগুপ্ত ও নীলাঞ্জনা শর্মা আর এক ছাদের নিচে নেই!
২০২৪ সালের মাঝামাঝি তাঁদের আলাদা থাকার খবর সামনে আসে। নীলাঞ্জনা অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর একটি আবেগঘন পোস্ট করেন। কঠিন সময়ে পাশে থাকার জন্য দুই মেয়ে ও বোনের কথা বললেও সেখানে যীশুর নাম ছিল না। এরপর নিজের নাম থেকে ‘সেনগুপ্ত’ পদবি সরিয়ে দেন এবং যীশুকে আনফলো করেন। কিছুদিন পর দুই মেয়েকেও বাবাকে আনফলো করতে দেখা যায়।
তারপর দীর্ঘ নীরবতা
কিন্তু ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে নীলাঞ্জনার একটি পোস্ট যেন সেই নীরবতার মাঝেই অনেক কথা বলে দেয়।
তিনি লিখেছিলেন—
“কিছু কিছু জিনিস শেষ হয় শুধুমাত্র এই জন্য নয় যে, সেটা অর্থহীন হয়ে পড়ে। বরং সেটা থেকে যা শেখার ছিল, তার কাজ শেষ হয়ে গিয়েছে।”
এই একটি কথাই নতুন করে আলোচনার জন্ম দেয়। নীলাঞ্জনা আরও জানান, কোনো কোনো সমাপ্তি মানুষকে শূন্য করে না; বরং আত্মসম্মান আর সাহস নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার শক্তি দেয়।
যদিও তাঁদের আইনি বি"চ্ছেদ নিয়ে প্রকাশ্যে সব বিস্তারিত নিশ্চিত করা হয়নি, তাঁর সেই পোস্টের পর থেকেই অনেকে ধরে নেন, সম্পর্কের অধ্যায়টি হয়তো আনুষ্ঠানিকভাবেও শেষের দিকে পৌঁছেছে।
অন্যদিকে যীশু ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে কোনো কাদা ছোড়াছুড়ি করতে চাননি। তাঁর বক্তব্য ছিল—বাইরে থেকে শুধু ‘বইয়ের কভার’ দেখে ভেতরের গল্প বিচার করা উচিত নয়। দুজন মানুষ একসঙ্গে থাকতে না পারলে কিংবা মতের অমিল হলে আলাদা হয়ে যেতেই পারেন। তবে প্রয়োজন হলে নীলাঞ্জনার পাশে থাকার কথাও জানিয়েছেন তিনি।
আর নীলাঞ্জনা?
তিনি থেমে থাকেননি।
যীশুর সঙ্গে যৌথ প্রযোজনা সংস্থা থেকে সরে এসে দুই মেয়ে সারা ও জারার ডাকনাম ‘নিনি’ ও ‘চিনি’ মিলিয়ে শুরু করেন ‘নিনি চিনিস মাম্মাজ প্রোডাকশন’। বাংলা টেলিভিশনের একাধিক জনপ্রিয় ধারাবাহিকের প্রযোজনার সঙ্গে যুক্ত হয়ে নিজের আলাদা পরিচয় তৈরি করেছেন তিনি।
আজ তাঁর জীবনের সবচেয়ে বড় শক্তি দুই মেয়ে—সারা ও জারা। মেয়েদের জন্য তাঁর একটি কথাই যেন জীবনের শিক্ষা হয়ে দাঁড়িয়েছে—
“তুমি স্বেচ্ছায় কাজ করা বন্ধ করতেই পারো, কিন্তু সবসময় এমন কিছু করবে যা শুধু তোমার নিজের জন্য হবে।” ❤️
বড় মেয়ে সারা ইতিমধ্যেই আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ডের হয়ে মডেলিংয়ে পা রেখেছেন। আর ছোট মেয়ে জারাও পড়াশোনার পাশাপাশি নিজের স্বপ্নের পথে এগিয়ে চলেছেন।
একসময় তাঁরা ছিলেন ‘পাওয়ার কাপল আজ তাঁরা আলাদা মানুষ, আলাদা পথের যাত্রী। কিন্তু ২০ বছরের সেই সম্পর্কের গল্প হয়তো শেষ হয়নি—শুধু তার অধ্যায় বদলে গেছে। ❤️‍🩹

💔 ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে সিঁড়ি থেকে পড়ে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু😭😭সৌদি আরবের জেদ্দায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে দ্র...
16/09/2026

💔 ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে সিঁড়ি থেকে পড়ে বাংলাদেশি প্রবাসীর মৃত্যু😭😭

সৌদি আরবের জেদ্দায় ক্ষেপণাস্ত্র হামলার আতঙ্কে দ্রুত সিঁড়ি দিয়ে নামতে গিয়ে মাথায় গুরুতর আঘাত পান বাংলাদেশি প্রবাসী সৌরভ ইসলাম। পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে।😭

নিহত সৌরভ ইসলামের বাড়ি নরসিংদীর রায়পুরা উপজেলায়। প্রবাসের মাটিতে এমন মর্মান্তিক মৃত্যুতে পরিবার ও স্বজনদের মাঝে নেমে এসেছে গভীর শোক। 😢

🤲 আল্লাহ সৌরভ ইসলামকে ক্ষমা করুন এবং তাঁর পরিবারকে এই শোক সহ্য করার শক্তি দিন। সকল প্রবাসী ভাইকে নিরাপদে রাখুন, এবং নেক হায়াত দান করুন।
আমিন। ❤️

আয়নাঘরের যখন মানে নিউজগুলো শুনেছি, তখন প্রতিটা মুহূর্তে সে রিমান্ডের মানে কাহিনীগুলো প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়েছে। আমার সন...
16/09/2026

আয়নাঘরের যখন মানে নিউজগুলো শুনেছি, তখন প্রতিটা মুহূর্তে সে রিমান্ডের মানে কাহিনীগুলো প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়েছে। আমার সন্তান আমার প্রসব হওয়ার থেকে আমার জেলখানায় জন্ম, জেলখানায় আছে সাতটা বছর ধরে জেলখানায় আছে। একটা মোজা দিয়ে বানাইছি আপনারা দেখেন। পুতুল কীভাবে দিবো? পুতুল তো দেওয়ার আমার সামর্থ্য নাই। আমি তো ওখানে পুতুল দিতে পারবো না। তাই এই যে পুতুলটা, এভাবে বানায় মেয়েকে যে এটা পুতুল, এটা দিয়ে খেলতে হয় এটা শিখাইছি।

তারপর এটা স্কুল ব্যাগ বানিয়ে দিয়েছি, একটা জামা কেটে। এটা দিয়ে ও স্কুলে যেত, তিনটা বই নিয়ে। যে স্কুল ব্যাগ কেমন হয় হয়তো ও জানে না, কিন্তু স্কুল ব্যাগের যে মর্মটা, যে স্কুলে যেতে হয় সেটা শিখাইছি। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু আমার মেয়ের যে বাহিরের জীবনটা, হয়তো ও বাহিরে দিয়ে দিলে সে ভালো থাকতো না। কারণ একটা সন্তান মা ছাড়া কখনো ভালো থাকে না। বাবা কখনো সন্তানকে ভালো রাখতে পারে না পরিবারের মা যেভাবে যত্ন করে রাখবে কখনোই কেউ রাখে না।"

পুতুল কীভাবে দিবো? পুতুল তো দেওয়ার আমার সামর্থ্য নাই। আমি তো ওখানে পুতুল দিতে পারবো না। স্কুল ব্যাগ কেমন হয় হয়তো ও জানে না। কিন্তু স্কুল ব্যাগের যে মর্মটা, যে স্কুলে যেতে হয় সেটা শিখাইছি। তার ওড়না নিয়ে ফেলছে, তারপর বলছে তোর জামাটা খুলে ফেললে এখন বুঝবি যে ওখানে যারা যে মহিলা পুলিশ ছিল তারা লজ্জায় বের হয়ে গেছে।

সন্তোষ কুমার মানে সে যে কত বিশ্রী এবং বাজে গালাগাল দিয়ে মানে কী বলবো আমি এগুলো মুখে আনতে পারবো না ভাইয়েরা। এতটা মানে তার ওড়না নিয়ে ফেলছে, তারপর বলছে তোর জামাটা খুলে ফেললে এখন বুঝবি যে ওখানে যারা যে মহিলা পুলিশ ছিল তারা লজ্জায় বের হয়ে গেছে। বের হয়ে তাকে আমার সামনে মানে এগুলো আমাকে করতে পারতেছে না কারণ আমি প্রেগন্যান্ট। এজন্য আমার সামনে কী করতেছে ওদেরকে ওকে করতেছে। ওকে কী করছে, কারেন্টে শট দেওয়া শুরু করছে। ওর চিৎকার চিৎকার যে কী পরিমাণ চিৎকার করতেছে ও পরে বলছে ভাই আপনি যা বলেন আমি তাই বলবো, কোনো সমস্যা নাই আপনি আমারে ছাড়েন, আমাকে ছাড়েন। মানে অন্য অন্য জায়গা খুব মানে এগুলো আমি মুখে আনতে পারবো না এতটা নির্যাতন করছে।

আর আমাদেরকে, প্রতিটা মানুষকে কীভাবে রিমান্ডে নির্যাতিত করা হয়েছে সেগুলো আবারও খতিয়ে দেখা হোক। কারণ প্রতিটা রিমান্ডের পিবিআই অফিসটা প্রতিটা মুহূর্তে মনে হয়েছে একটা নির্জন আমরা কিছুদিন আগে মানে দেখেছি আয়নাঘর, তা আমার ঐ আয়নাঘরের যখন মানে নিউজগুলো শুনেছি, তখন প্রতিটা মুহূর্তে সে রিমান্ডের মানে কাহিনীগুলো প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়েছে যে আমাকে সাতটা দিন রিমান্ডে রাখা হয়েছে। একটা মিনিটের ঘুম কী জিনিস এই জিনিসটা চোখে দেখি নাই। প্রতিটা মুহূর্তে ঘুমের কষ্ট

তারপর প্রেগন্যান্সি ছিলাম দেখে আমাকে মারতে পারেনি। তাই এই হাত দুই হাত আমার রাখে নাই, এই দুই হাতে মোটা বেত দিয়ে মানে যতটুকু পারছে ততটুকু দিয়ে মারছে। যতটুকু জোর ছিল তাদের হাতে। এবং লাস্ট মুহূর্তে যখন আমি পারতেছি না, যে আমি আমি স্বীকার কেন করবো? আমি তো করি নাই, আমি কেন স্বীকার করবো? তখন প্রতিটা মুহূর্তে আমার এই ভাইগুলোকে আমার সামনে নৃশংসভাবে একেকজনকে যে কী পরিমাণ কারেন্টে শট দেওয়া এবং হাত ঝুলিয়ে মারা, নোখ উঠাই ফেলা মানে বিভিন্ন রকম তারপর প্রস্রাব পায়খানার কষ্ট মানে প্রতিটা কষ্ট তারা দিছে।"

@সংগৃহীত

ইভার প্রেমে চীনা যুবক জিয়াং বরিশালে, ধর্ম পরিবর্তনের পর করলেন বিয়েপ্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ৩৫ বছর বয়স...
14/09/2026

ইভার প্রেমে চীনা যুবক জিয়াং বরিশালে, ধর্ম পরিবর্তনের পর করলেন বিয়ে

প্রেমের টানে চীন থেকে বাংলাদেশে ছুটে এসেছেন ৩৫ বছর বয়সী চীনা যুবক জিয়াং। বরিশালের বাকেরগঞ্জ উপজেলার রঙ্গশ্রী ইউনিয়নের ফলাঘর গ্রামের জাকির হাওলাদারের মেয়ে জান্নাতুল ইসলাম ইভার প্রেমে পড়ে বাংলাদেশে আসেন তিনি। এরপর ইভাকে বিয়ে করতে নিজের ধর্ম প*রিবর্তন করে ইসলাম গ্রহণ করেন জিয়াং।

জিয়াং চীনের জিয়াংসি প্রদেশের ইছুন শহরের বাসিন্দা। অন্যদিকে ইভা বরিশালের বাকেরগঞ্জের তরুণী। প্রেমের সম্পর্কের পর শেষ পর্যন্ত সেই সম্পর্ক গড়িয়েছে বিয়েতে।

চীন থেকে হাজার হাজার কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে বাংলাদেশে এসে প্রিয় মানুষটিকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার ঘটনাটি ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ আলোচনা তৈরি করেছে।

ভালোবাসার টানে দেশ, সংস্কৃতি এমনকি ধর্মের পার্থক্য পেরিয়ে দুজনের এই নতুন জীবন শুরু—তবে এই গল্পের সবচেয়ে বড় বিষয়, ইভাকে বি*য়ে করার জন্য জিয়াং ধর্ম প*রিবর্তন করে ইসলাম গ্রহণ করেছেন।
খুব ভালো লাগলো সে আমাদের ধর্ম গ্রহন করেছে আলহামদুলিল্লাহ🥰🥰

এখন প্রশ্ন একটাই—ভালোবাসার টানে এত দূরের দে*শ থেকে বাংলাদেশে এসে জীবনসঙ্গী বেছে নেওয়া এই চীনের যুবক ও ইভার সংসার কেমন হবে! ❤️❤️

Address

Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rini's vlog posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share