16/09/2026
আয়নাঘরের যখন মানে নিউজগুলো শুনেছি, তখন প্রতিটা মুহূর্তে সে রিমান্ডের মানে কাহিনীগুলো প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়েছে। আমার সন্তান আমার প্রসব হওয়ার থেকে আমার জেলখানায় জন্ম, জেলখানায় আছে সাতটা বছর ধরে জেলখানায় আছে। একটা মোজা দিয়ে বানাইছি আপনারা দেখেন। পুতুল কীভাবে দিবো? পুতুল তো দেওয়ার আমার সামর্থ্য নাই। আমি তো ওখানে পুতুল দিতে পারবো না। তাই এই যে পুতুলটা, এভাবে বানায় মেয়েকে যে এটা পুতুল, এটা দিয়ে খেলতে হয় এটা শিখাইছি।
তারপর এটা স্কুল ব্যাগ বানিয়ে দিয়েছি, একটা জামা কেটে। এটা দিয়ে ও স্কুলে যেত, তিনটা বই নিয়ে। যে স্কুল ব্যাগ কেমন হয় হয়তো ও জানে না, কিন্তু স্কুল ব্যাগের যে মর্মটা, যে স্কুলে যেতে হয় সেটা শিখাইছি। আমি আমার সর্বোচ্চ দিয়ে চেষ্টা করছি। কিন্তু আমার মেয়ের যে বাহিরের জীবনটা, হয়তো ও বাহিরে দিয়ে দিলে সে ভালো থাকতো না। কারণ একটা সন্তান মা ছাড়া কখনো ভালো থাকে না। বাবা কখনো সন্তানকে ভালো রাখতে পারে না পরিবারের মা যেভাবে যত্ন করে রাখবে কখনোই কেউ রাখে না।"
পুতুল কীভাবে দিবো? পুতুল তো দেওয়ার আমার সামর্থ্য নাই। আমি তো ওখানে পুতুল দিতে পারবো না। স্কুল ব্যাগ কেমন হয় হয়তো ও জানে না। কিন্তু স্কুল ব্যাগের যে মর্মটা, যে স্কুলে যেতে হয় সেটা শিখাইছি। তার ওড়না নিয়ে ফেলছে, তারপর বলছে তোর জামাটা খুলে ফেললে এখন বুঝবি যে ওখানে যারা যে মহিলা পুলিশ ছিল তারা লজ্জায় বের হয়ে গেছে।
সন্তোষ কুমার মানে সে যে কত বিশ্রী এবং বাজে গালাগাল দিয়ে মানে কী বলবো আমি এগুলো মুখে আনতে পারবো না ভাইয়েরা। এতটা মানে তার ওড়না নিয়ে ফেলছে, তারপর বলছে তোর জামাটা খুলে ফেললে এখন বুঝবি যে ওখানে যারা যে মহিলা পুলিশ ছিল তারা লজ্জায় বের হয়ে গেছে। বের হয়ে তাকে আমার সামনে মানে এগুলো আমাকে করতে পারতেছে না কারণ আমি প্রেগন্যান্ট। এজন্য আমার সামনে কী করতেছে ওদেরকে ওকে করতেছে। ওকে কী করছে, কারেন্টে শট দেওয়া শুরু করছে। ওর চিৎকার চিৎকার যে কী পরিমাণ চিৎকার করতেছে ও পরে বলছে ভাই আপনি যা বলেন আমি তাই বলবো, কোনো সমস্যা নাই আপনি আমারে ছাড়েন, আমাকে ছাড়েন। মানে অন্য অন্য জায়গা খুব মানে এগুলো আমি মুখে আনতে পারবো না এতটা নির্যাতন করছে।
আর আমাদেরকে, প্রতিটা মানুষকে কীভাবে রিমান্ডে নির্যাতিত করা হয়েছে সেগুলো আবারও খতিয়ে দেখা হোক। কারণ প্রতিটা রিমান্ডের পিবিআই অফিসটা প্রতিটা মুহূর্তে মনে হয়েছে একটা নির্জন আমরা কিছুদিন আগে মানে দেখেছি আয়নাঘর, তা আমার ঐ আয়নাঘরের যখন মানে নিউজগুলো শুনেছি, তখন প্রতিটা মুহূর্তে সে রিমান্ডের মানে কাহিনীগুলো প্রতিটা মুহূর্তে মনে পড়েছে যে আমাকে সাতটা দিন রিমান্ডে রাখা হয়েছে। একটা মিনিটের ঘুম কী জিনিস এই জিনিসটা চোখে দেখি নাই। প্রতিটা মুহূর্তে ঘুমের কষ্ট
তারপর প্রেগন্যান্সি ছিলাম দেখে আমাকে মারতে পারেনি। তাই এই হাত দুই হাত আমার রাখে নাই, এই দুই হাতে মোটা বেত দিয়ে মানে যতটুকু পারছে ততটুকু দিয়ে মারছে। যতটুকু জোর ছিল তাদের হাতে। এবং লাস্ট মুহূর্তে যখন আমি পারতেছি না, যে আমি আমি স্বীকার কেন করবো? আমি তো করি নাই, আমি কেন স্বীকার করবো? তখন প্রতিটা মুহূর্তে আমার এই ভাইগুলোকে আমার সামনে নৃশংসভাবে একেকজনকে যে কী পরিমাণ কারেন্টে শট দেওয়া এবং হাত ঝুলিয়ে মারা, নোখ উঠাই ফেলা মানে বিভিন্ন রকম তারপর প্রস্রাব পায়খানার কষ্ট মানে প্রতিটা কষ্ট তারা দিছে।"
@সংগৃহীত