Ruposhe

Ruposhe আমার পেইজে আপনাদের স্বাগতম,আমি আমার দৈনন্দিন কাজকর্ম এবং জীবনধারা,
রান্না,ভ্রমণ আপলোড করি! Support me

আল্লাহ ফিলিস্তিনের সবাইকে সাহায্য করুক আমিন, মসজিদুল আল-আকসা হেফাজত করুক আমিন,😭😭😭😭                   🇧🇩
18/05/2021

আল্লাহ ফিলিস্তিনের সবাইকে সাহায্য করুক আমিন, মসজিদুল আল-আকসা হেফাজত করুক আমিন,
😭😭😭😭










🇧🇩



14/03/2021
চুল পড়া রোধে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে বিভিন্ন ভেষজ উপদানের টিপস ও সমাধান💁
05/07/2020

চুল পড়া রোধে এবং চুলের গোড়া মজবুত করতে বিভিন্ন ভেষজ উপদানের টিপস ও সমাধান💁

হাসপাতালের পিছে ঘুরবেন না, ঘুরলে আর ফিরে আসতে পারবেন না। পারিবারিক চিকিৎসায় ২/৫ দিনে করোনা নেগেটিভ সম্ভব।করোনা ভাইরাস নি...
10/06/2020

হাসপাতালের পিছে ঘুরবেন না, ঘুরলে আর ফিরে আসতে পারবেন না। পারিবারিক চিকিৎসায় ২/৫ দিনে করোনা নেগেটিভ সম্ভব।
করোনা ভাইরাস নিয়ে হতাশ বা আতংকিত হওয়ার কোন কারন নেই, আপনি ঘরে বসেই ২ থেকে ৫ দিনে সুস্থ হতে পারবেন।
জেনে নিন কিভাবে সম্ভব।
সর্দি জ্বর, গলা ব্যথা, বা কাশি হউক নিয়ে নিন ঘরোয়া পদ্ধতিতে চিকিৎসাঃ
১) আদা, লেবু, তেজপাতা, এলাচি, লং, দাড়চিনি একটি পরিস্কার পাত্রে পানিতে ১৫ মিনিট ফুটাতে থাকুন। সাথে আস্তা লেবু ২টা।
২) ফুটানো চলাকালে নিরাপদ দূরত্বে থেকে কমপক্ষে ৫ মিনিট গরম বাষ্পনাক দিয়ে লম্বা নিঃশ্বাস টেনে মুখ দিয়ে বের করতে হবে। দৈনিক এভাবে ৪ থেকে ৫ বার গ্রহন করুন।
৩) তারপর এই ফুটন্ত আদা, লেবু, তেজপাতা ইত্যাদির মিক্স গরম পানি চায়ের মতো করে ১ ঘন্টা পরপর পান করতে থাকুন।
৪) সাথে খেতে পারেন নাপা এক্সটেন্ড জাতীয় ঔষধ।
৫) ফুসফুসকে ভাল রাখার জন্য বাসায় বা বাসার বারান্দায় বসে মুক্ত বাতাসে শ্বাস প্রশ্বাসের ব্যয়াম করুন কমপক্ষে দৈনিক দুবার। নাক দিয়ে লম্বা নিশ্বাস গ্রহন করুন যতোবেশী নিতে পারেন নিন তারপর যতোক্ষণ আটকিয়ে রাখতে পারেন রাখুন। তারপর আস্তে আস্তে মুখ দিয়ে দম ছাড়ুন। এভাবে ১০ বার করুন।
৬) প্লেটে আদা কেটে সামান্য লবন দিয়ে রাখুন। মুখে দিন একটু পরপর।
৭) আধা ঘন্টা পর পর গরম চা, গরম দুধ, কফি, গ্রিন টি পান করুন। গলা কোনভাবেই শুষ্ক রাখা যাবেনা।
আপনি বাঁচবেন কি বাঁচবেননা, আপনার ‘কী রোগ হলো’ ভুলেও এসব ভাবনা মাথায় প্রশ্রয় দিবেন না। মনে রাখবেন, আসল কথা হচ্ছে মনোবল। বনের বাঘে খায়না মনের বাঘে খায়। মনোবল হারালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যায়, তাই আপনার যা ভালো লাগে তাই করবেন মনোবল চাংগা রাখার জন্যে।
উপরোক্ত পদ্ধতিতে আপনি ২ থেকে ৫ দিন চিকিৎসা নিলে এটা পরীক্ষিত সত্য যে তৃতীয় দিনের দিন আপনার করোনাভাইরাস নেগেটিভ হতে বাধ্য। ইন-শা-আল্লাহ।
❤️❤️❤️🤲🤲🤲

করোনা ভাইরাস নিয়ে অতীব গুরুত্বপূর্ন লিখাঃ__________________________________নবীজি ﷺ বলেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে...
21/03/2020

করোনা ভাইরাস নিয়ে অতীব গুরুত্বপূর্ন লিখাঃ
__________________________________

নবীজি ﷺ বলেন, ‘যখন কোনো জাতির মধ্যে প্রকাশ্যে অশ্লীলতা ছড়িয়ে পড়ে তখন সেখানে মহামারি আকারে প্লেগ রোগের প্রাদুর্ভাব হয়। তা ছাড়া এমন সব ব্যাধির উদ্ভব হয়, যা আগের লোকদের মধ্যে কখনো দেখা যায়নি। [ইবনে মাজাহ, ৪০১৯]
দুনিয়ার যাবতীয় বিপদাপদ, অসুখ বিসুখ আল্লাহর অনুমতিতেই হয়। মানুষ চক্রান্ত করুক, আর যাই করুক, জগতের সবকিছু আল্লাহর অনুমতিতে ঘটে। এভাবে আল্লাহ্‌ তাআলা কাউকে পরীক্ষা করেন, কাউকে আযাব দেন। মহামারি তেমনই একটি বিষয়। সম্প্রতি দেখা দেয়া করোনা ভাইরাস, এটিও একটি মহামারি বিষয়ে পরিণত হয়েছে। প্রশ্ন হচ্ছে কেন আল্লাহ্‌ তাআলা মহামারি দ্বারা শাস্তি দেন?

(১) দ্বীনের ব্যাপারে উদাসীনতাঃ

কোনো জাতির মাঝে আল্লাহর অবাধ্যতা বেড়ে গেলে, অবাধে সবাই পাপাচারে লিপ্ত হলে আল্লাহ্‌ নানানভাবে শাস্তি তাদের দেন। ভূমিকম্প, ঝড় তুফান, জলোচ্ছ্বাস, মহামারি ইত্যাদি। অশ্লীলতা, জঘন্য পাপ বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি কারণে এই আযাবগুলো আসে। অতীতেও পাপাচারের শাস্তি হিসেবে মহামারি প্রাদুর্ভাব ঘটেছে। এমন ঘটনা দাউদ (আ.)-এর সময়েই ঘটেছিল। আল্লাহ্‌ বলেন, ‘তুমি কি তাদের দেখনি যারা মৃত্যুভয়ে হাজারে হাজারে স্বীয় আবাসভূমি ত্যাগ করেছিল। অতঃপর আল্লাহ তাদের বলেছিলেন, তোমাদের মৃত্যু হোক। তারপর আল্লাহ তাদের জীবিত করেন। ...’ [সূরা বাকারা, ২ : ২৪৩]
আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাযি.) বলেন, ‘তারা সংখ্যায় ছিল চার হাজার। মহামারির ভয়ে তারা পালিয়ে ছিল। তারা বলেছিল, আমরা এমন ভূমিতে যাব যেখানে মৃত্যু নেই। অতঃপর তারা এক স্থানে একত্র হলো। তখন আল্লাহ তাদের ওপর মৃত্যুর ফরমান জারি করেন।’ [তাফসির ইবনে কাসির]

(২) দায়িত্ব পালনেও অবহেলাঃ

যখন কোনো জাতির ওপর আযাব আসে, তখন শুধু পাপীরাই এতে আক্রান্ত হয় না। বরং মহামারি শুরু হলে নেক বান্দারাও আক্রান্ত হয়। দ্বীনি দায়িত্ব পালনে অবহেলা করা, নেক কাজের আদেশ এবং অসৎ কাজে বাঁধা প্রদান করা ছেড়ে দেয়ার কারণে এই আযাব আসে। আল্লাহ্‌ বলেন, ‘অতএব তোমাদের পূর্বের প্রজন্মসমূহের মধ্যে এমন প্রজ্ঞাবান কেন হয়নি, যারা জমিনে ফাসাদ করা থেকে নিষেধ করত? এমন লোক কমই ছিল, তাদের আমি বাঁচিয়ে নিয়েছিলাম। যালিমরা বিলাসিতার পেছনে পড়ে ছিল এবং তারা ছিল অপরাধী।’ [সূরা হুদ, ১১ : ১১৬]

মহামারি দেখা দিলে কী করণীয়?
(১) বেশি বেশি ইস্তিগফার করুন, তাওবা করুন
আল্লাহ বলেন, ‘আর আমি তোমাদের পূর্বেকার জাতিসমূহের কাছে বহু রাসূল পাঠিয়েছি। অতঃপর (রাসূলগণকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার কারণে) তাদেরকে অভাব-অনটন ও রোগ-শোক দ্বারা পাকড়াও করেছি, যাতে তারা বিনীত হয়।’ [সূরা আন'আম, ৬ : ৪২]
কাজেই যেকোনো বিপদে বান্দা আল্লাহ-মুখী হবে। তাঁর কাছে ক্ষমা চাইবে, আশ্রয় প্রার্থনা করবে। আমার রব এটাই চান। তাই মহামারি দেখা দিলে মুমিনের প্রধান কাজ হলো নিজের ভুল ত্রুটির জন্য আল্লাহর কাছে বিনীত হয়ে ক্ষমা প্রার্থনা করা, পাপ থেকে ফিরে আসা।

(২) নিজ এলাকায় থাকুনঃ

বেশির ভাগ মহামারিই সংক্রামক। তাই নবীজি ﷺ বলেন, ‘কোথাও মহামারি দেখা দিলে এবং সেখানে তোমরা অবস্থান করলে সে জায়গা থেকে বের হয়ে যেয়ো না। তদ্রূপ অন্য কোনো এলাকায় মহামারি দেখা দিলে, আর সেখানে তোমরা অবস্থান না করলে সেখানে যেয়ো না।’ [তিরমিযী, ১০৬৫]

অর্থাৎ মহামারিতে আক্রান্ত এলাকার মানুষ সেখানে অবস্থান করবে, বের হবে না। আর বাহিরের মানুষ সেখানে প্রবেশ করবে না। প্রত্যেকেই আপন আপন ভূমিতে থাকবে। যদি কেউ এতে আক্রান্ত হয়ে মারা যায়, তা হলে এর প্রতিদান কী?

নবীজি বলেন, ‘….অতএব প্লেগ রোগে কোনো বান্দা যদি ধৈর্য ধরে এবং এ বিশ্বাস নিয়ে আপন শহরে অবস্থান করতে থাকে যে, আল্লাহ তার জন্য যা নির্দিষ্ট করে রেখেছেন তা ছাড়া আর কোনো বিপদ তার ওপর আসবে না; তাহলে সেই বান্দার জন্য থাকবে শহীদের সাওয়াবের সমান সাওয়াব।’ [সহিহ বুখারী, ৫৭৩৪]

(৩) পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকুনঃ

পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন থাকা ঈমানের অঙ্গ। আল্লাহর রাসূল ﷺ বলেন,
الطَّهُورُ شَطْرُ الْإِيمَانِ 'পবিত্রতা ঈমানের অংশ।'
হাত সর্বদা পরিষ্কার রাখুন। বাহিরে বের হলে মুখে বা নাকে হাত দেবেন না। বাসায় ফিরে হাত ধৌত করে খাবার স্পর্শ করবেন। রাস্তার পশু-পাখি ধরা থেকে বিরত থাকুন।

(৪) মুখ ঢেকে হাঁচি দিনঃ

আল্লাহর রাসূল যখন হাঁচি দিতেন, হাত দিয়ে অথবা এক টুকরো কাপড় দিয়ে মুখ চেপে ধরতেন। [তিরমিযী]
এই ছোট্ট কাজটি যদি আমরা সচেতন-ভাবে পালন করি, তাহলে ধ্বংসাত্মক অনেক সংক্রামক ভাইরাসই প্রতিহত করা সম্ভব বিইজনিল্লাহ্‌।

(৫) বেশি বেশি দুআ পড়ুনঃ

হাদিসে এসেছে, যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত দুআটি সন্ধ্যায় তিনবার পাঠ করবে সকাল হওয়া পর্যন্ত তার প্রতি কোনো বিপদ হঠাৎ চলে আসবে না। আর যে তা সকালে তিনবার পাঠ করবে সন্ধ্যা পর্যন্ত তার ওপর কোনো হঠাৎ বিপদ আসবে না। দুআটি হলো,
بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لَا يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَالِيْمُ
অর্থ : আল্লাহর নামে, যার নামের বরকতে আসমান ও জমিনের কোনো বস্তুই ক্ষতি করতে পারে না, তিনি সর্বশ্রোতা ও মহাজ্ঞানী। [আবু দাউদ, ৫০৮৮]
এছাড়া নবীজি ﷺ পড়তেন,
اَللّٰهُمَّ إِنِّي أَعُوُذُ بِكَ مِنَ الْبَرَصِ، وَالجُنُونِ، والْجُذَامِ، وسّيءِ الأَسْقَامِ
অর্থ: ‘হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই শ্বেত, উন্মাদনা, কুষ্ঠ এবং সব দুরারোগ্য ব্যাধি হতে।’ [আবু দাউদ, ১৫৫৪, সহীহ]

আল্লাহ্ তাআলা আমাদের সবাইকে মাফ করুক, এই মহামারি থেকে হেফাজত করুক।

© Wafilife

💁
23/01/2020

💁

চুল গজাতে অ্যালোভেরার তেল তৈরির উপায়? অ্যালোভেরার তেল, অ্যালোভেরার তেল ব্যবহার করতে পারেন, চুল গজাতে, চুল গজাতে বেশ সাহা...
20/01/2020

চুল গজাতে অ্যালোভেরার তেল তৈরির উপায়?
অ্যালোভেরার তেল, অ্যালোভেরার তেল ব্যবহার করতে পারেন, চুল গজাতে, চুল গজাতে বেশ সাহায্য করে, তেল তৈরির উপায়?


চুল পড়া বর্তমানে একটি অতি প্রচলিত সমস্যা। তবে দিনে ১০০ থেকে ১৫০টি চুল পড়া স্বাভাবিক। এর থেকে বেশি পড়লেই সমস্যা।

যাঁদের চুল পড়ার সমস্যা রয়েছে বা চুল পাতলা, তাঁরা অ্যালোভেরার তেল ব্যবহার করতে পারেন। এই তেল চুল গজাতে বেশ সাহায্য করে। চুল গজাতে অ্যালোভেরার তেল তৈরির উপায় জানিয়েছে স্বাস্থ্যবিষয়ক ওয়েবসাইট ডেমিক।

অ্যালোভেরার তেল তৈরির উপায়:

উপাদান:

১. দুটি অ্যালোভেরার পাতা

২. তিন থেকে চার টেবিল চামচ নারকেল তেল

যেভাবে তৈরি করবেন:

প্রথমে অ্যালোভেরা কেটে নিন। এগুলো একটি কাচের বোলের মধ্যে রাখুন। এবার একটি প্যানের মধ্যে পানি নিয়ে সেদ্ধ করুন। প্যান চুলায় থাকা অবস্থায় কাচের বোলটি এর ওপর রাখুন। এবার এর মধ্যে চার টেবিল চামচ নারকেল তেল দিন। একে ভালোভাবে নাড়ুন। কিছুক্ষণ চুলায় রেখে নামিয়ে ঠাণ্ডা করুন।

এবার আরেকটি বোল নিন। এর পর এর মধ্যে তেলটি ছেঁকে নিন। তেলটি স্কাল্প ও চুলে মাখুন। ৪০ মিনিট থেকে এক ঘণ্টা এভাবে রাখার পর হালকা শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে ফেলুন।

ফর্সা ও কোমল ত্বকের জন্য কাঁচা দুধের প্যাক(১) কাঁচা দুধ, বেসন ও মুলতানি মাটির প্যাক একটা পাত্রে ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চাম...
20/01/2020

ফর্সা ও কোমল ত্বকের জন্য কাঁচা দুধের প্যাক
(১) কাঁচা দুধ, বেসন ও মুলতানি মাটির প্যাক

একটা পাত্রে ১ চা চামচ বেসন, ১ চা চামচ মুলতানি মাটি ও ২ টেবিল চামচ কাঁচা দুধ ভালো করে মিশিয়ে নিতে হবে। এটি মুখে লাগিয়ে ২০ মিনিট অপেক্ষা করতে হবে। এবার হাতে অল্প পানি নিয়ে মুখে লাগিয়ে আলতো হাতে ম্যাসাজ করতে হবে। এতে করে মুখের ত্বকের গভীর থেকে ময়লা উঠে আসবে। এবার মুখ ভালো করে ধুয়ে নিতে হবে।

Address

Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruposhe posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ruposhe:

Share

Category