Amirul Islam

Amirul Islam Travel in Bangla

19/08/2026
19/08/2026

আজকে আমি একটা জিনিস পড়ার সময় খেয়াল করলাম,
আমাদেরকে ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয়েছে, ৩০ লক্ষ শহীদের রক্তের বিনিময়ে এবং তিন লক্ষ মা বোনের সম্ভ্রম, এর বিনিময় আমরা স্বাধীনতা পেয়েছি। এই হিসাব আমাদেরকে কখনো শিখানো হয় নাই যে, তাহলে একদিনে কতজন শহীদ হয়েছে।
যুদ্ধ হয়েছে প্রায় নয় মাস সেই হিসেবে
১ মাস ৩০ দিন
৯×৩০=২৭০ দিন

২৭০ দিনে শহীদ হইছেন ৩০,০০,০০০লাখ জন।
১দিনে শহীদ হইছেন ৩০,০০,০০০÷২৭০=১১,১১১.১...জন।

একদিনে শহীদ হয়েছেন ১১,১১১. ১....জন।

ভাই কেমনে সম্ভব। যেখানে ইসরাইল ১দিনে গাজায় ও এত লোক মারতে পারে নাই। যেখানে তাদের কাছে এতো ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছেন।

২৭০দিনে সম্ভ্রম হারান ৩,০০,০০০ লাখ।
১ দিনে সম্ভ্রম হারান ৩,০০,০০০÷২৭০=১,১১১.১....জন।

ভাই কেমনে সম্ভব।

এইটা তো বর্তমানেও সম্ভব না।

অনেকেই ভুল উত্তর দেয় 🐅🐅🐅
02/11/2025

অনেকেই ভুল উত্তর দেয় 🐅🐅🐅

08/10/2025

বর্তমান সময় কোরআন কে অবমাননা করা। অপূর্বকে অনেকেই মানসিক ভারসাম্য হীন বলে আখ্যা দিচ্ছে।
তার জীবনীতে জানা যায়, সে সমাজে অনেক অবহেলার মধ্য দিয়ে এই পর্যায়ে এসেছে। তাই সে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলেছে।
আমাদের দেশের শহর অঞ্চলগুলোর অলিতে গলিতে, সমাজের অবহেলিত অনেক মানুষ রয়েছে যারা সমাজের নানা অপ কর্মের সাথে জড়িত। যেমন মদ, গাজা, ইয়াবা, সহ নানা ধরনের ড্রাগ এডিক্টেডে জড়িত। তাই বলে তাদের অপরাধ কি এড়িয়ে যাওয়ার কোন সুযোগ আছে? না অপরাধ এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ নেই।
সে যদি সমাজে অবহেলিত হয়ে থাকে তাহলে দোষ সেই সমাজের রয়েছে।

কিন্তু, আপনি শাক দিয়ে মাছ ডাকতে পারেন না।
সে যদি এখন আপনার ঘরের কোনো নারীকে ধর্ষণ করে তখন কি আপনি তাকে মাফ করে দিতে পারবেন?

উত্তর হচ্ছে : না।
আপনি তাকে মাফ করে দিতে পারবেন না।

তাই সেই, যে অপরাধ করেছে, তার শাস্তি তাকে পেতেই হবে।

11/09/2025

ইসরাইল নাকি কাতারে হামলা করছে, শুনে খারাপ লাগেনাই, যদি সম্পূর্ন আরব বিশ্বেও আক্রমন তাতেও খারাপ লাগবে না।।
..

খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য। রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ ...
14/06/2025

খাওয়া-দাওয়ার জন্য দাওয়াত দেয়া একটি ভুল প্রথা।
দাওয়াত হবে ঘুমের জন্য।

রুম টেম্পারেচার হবে ২০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সাউন্ডপ্রুফ রুমে থাকবে আধো আলো আধো অন্ধকারাছন্ন পরিবেশ! সাথে আরামদায়ক বিছানা, বালিশ আর কম্বল।

টেবিলে কয়েক রকম বালিশ আর কম্বল সাজানো থাকবে। দাওয়াতী লজ্জা লজ্জা কন্ঠে বলবেন, 'কিছুই আয়োজন করতে পারিনি। কম্বল কোনটা নেবেন বলেন!' পাশ থেকে অন্য কেউ অনুরোধের সুরে বলবেন,
'আরেক পিস বালিশ দেই?'

ঘন্টা কয়েক ঘুমিয়ে বিদায় নেয়ার সময় দাওয়াতী মন খারাপ করে বলবে, ''আপনি তো দেখি কিছুই ঘুমালেন না। পরের বার আসলে কিন্তু অবশ্যই নাক ডাকতে হবে😌

funny post. একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাচ্ছে। পথের মধ্যে ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের নেশা  ধরলো। ...
13/06/2025

funny post. একটা ট্রাক রাতের বেলায় লাশ নিয়ে বরিশাল থেকে ঢাকা যাচ্ছে। পথের মধ্যে ড্রাইভার এবং হেলপারের চায়ের নেশা ধরলো। তাই তারা রাস্তার পাশে গাড়ি থামিয়ে ড্রাইভার ও হেলপার দোকানে চা খেতে নামলো।
তারা দোকানে বসে চা খাচ্ছে। এইদিকে এক লোক ঢাকার উদ্দেশ্যে বাড়ী থেকে বের হয়ে গাড়ীর অপেক্ষায় রাস্তার পাশে থাকতে থাকতে অনেক রাত হয়ে গেলে গাড়ি না পেয়ে রাস্তায় বসেছিলো।

হঠাৎ লোকটা ট্রাকটি দেখে ভাবলো এই ট্রাকটি খালি ড্রাইভার এবং হেলপারকে না দেখিয়ে উঠে পড়ি। যেমন ভাবনা তেমনি কাজ উঠে পড়ল ট্রাকে। ট্রাকে উঠে অন্ধকারে লাশের ওপর বসে পড়ল।

কারন, অন্ধকারে কিছুই দেখা যাচ্ছিল না। অতঃপর ( ড্রাইভার & হেলপার) চা খাওয়া শেষ করে যথারীতি গাড়ি চালিয়ে যাচ্ছে।

কিছুক্ষণ পর ট্রাকে বসা লোকটা একটা সিগারেট ধরে মনের সুখে টানতে লাগলো। হঠাৎ হেলপারের চোখ পিছনে পড়তেই দেখলো পিছনে লাশটা বসে সিগারেট টানছে।
হেলপার ভয়ে ভয়ে ড্রাইভারকে বললঃ

হেলপারঃ-- ওস্তাদ গাড়ি থামান!
ওস্তাদঃ-- কেন?
হেলপারঃ-- পিছনে তাকিয়ে দেখেন লাশ বসে সিগারেট টানছে!
ওস্তাদঃ-- দূর বেটা এইটা কেমনে হয়?

হেলপারঃ-- দেখেন না আপনি?
এবার দুইজনে ( ড্রাইভার & হেলপার) গাড়ি থেকে নামল দেখার জন্য যে ব্যাপারটা কি?
লাশের ওপর বসে থাকা লোকটা সিগারেট টানতে টানতে বললঃ-- কিরে গাড়ি থামালি কেন?

এই শুনে ওস্তাদ বলল কাম সারছে অতঃপর দূইজনে মিলে দিল খিচ্ছা দৌড়!
দৌড়ের দৃশ্য দেখে লোকটা ভাবলো মনে হয় কোনো সমস্যা হইছে!
নইলে ওরা দৌড় দিল কেন!

বসে থাকলে সে বিপদে পড়বে ভেবে সেও ওদের পিছনে পিছনে দিল দৌড়।
হেলপার পিছনে তাকাইয়া দেখে লাশটা ওদের পিছনে পিছনে দৌড়াইতাছে!

হেলপার বললঃ ওস্তাদ আজ আর রক্ষা নেই ঐ লাশটাও আমাদের পিছনে দৌড়াচ্ছে তাড়াতাড়ি জান বাঁচাইয়া ভাগেন!🤣🤣🤣

সত্যি করে বলেন মন খুলে কত দিন পর হাসলেন? পড়া শেষে ধন্যবাদ দিতে ভুলবেন না কিন্তু🤭😬

23/05/2025

কোন পুরুষ কখনোই সার্জারির মাধ্যমে নারী হতে পারেন না। কোন নারী কখনোই সার্জারির মাধ্যমে পুরুষ হতে পারেন না। একজন নারী কখনোই তাঁর বায়োলজিকাল সিস্টেমে স্পার্ম প্রডিউস করতে পারবেন না, যেমনটা একজন পুরুষ ওভারি ডেভেলাপ করে এগ প্রডিউস করতে চিরদিনই অক্ষম।

তাহলে ট্রান্সজেন্ডাররা আসলে করে কী? সোজা বাংলায় একজন পুরুষ তার পেনিস কেটে ফেলেন (অনেকে আবার রেখেও দেন!) এবং টেস্টোস্টেরন-ব্লকার হরমোন নেন। এতে তার শরীরে টেস্টোস্টেরন প্রডাকশন বন্ধ হয়ে যায়। পাশাপাশি তিনি অ্যাস্ট্রোজেন নেন, যা তার শরীরে সেকেন্ডারি সেক্সের (তার ক্ষেত্রে নারী) ক্যারেক্টারিস্টিক্স ডেভেলাপ করে।

মহিলারা ক্ষেত্রে উল্টা। তারা শরীরে টেস্টোস্টেরন নেয়া শুরু করেন যা তার শরীরে সেকেন্ডারি সেক্সের (তার ক্ষেত্রে পুরুষ) ক্যারেক্টারিস্টিক্স ডেভেলাপ করে।

এতে আসলে কী হয়?

মূলত পুরুষের শরীরে নারীর মত কোমলতা আসে। দাড়ি-গোঁফ ওঠা কমে আসে, ব্রেস্ট ডেভলাপ করে। কিন্তু সে কখনই বায়োলজিকাল নারী হতে পারে না। তার সন্তানধারনের ক্ষমতা আসে না। তার মেন্সট্রুয়াল ব্লিডিং হয় না। তার শরীর সারাজীবনই পুরুষের থাকে - দেখতে কেবল নারীর মত হয়।

নারীর ক্ষেত্রেও ব্যাপারটা তেমনই। সে কখনই স্পার্ম প্রডিউস করতে পারে না। কাউকে ইম্প্রেগনেইট করতে পারে না। শুধুমাত্র তার মূত্রত্যাগের স্থানটিকে পেনিসের মত করে রূপান্তর করা হয় যাতে সে একটা মেইড-আপ পেনিস পায় এবং পুরুষের মত মূত্রত্যাগ করতে পারে। ব্রেস্ট কেটে ফেলে যাতে তার বুকটা ছেলেদের মত দেখায়।

সংক্ষেপে এই হলো ট্রান্সজেন্ডারদের কর্মকান্ড। এখন প্রশ্ন হলো এরা কীসের অধিকারের কথা বলে? এরা বলে সমঅধিকারের কথা। অবশ্যই তারা সমঅধিকার পাবে। কেউ যদি আজকে তার নাক কেটে ফেলে বা কান কেটে ফেলে, তাকে কি ডিসক্রিমিনেট করা হবে? অবশ্যই না।

কিন্তু এরা সমঅধিকারের নামে যা বলে সমস্যা সেখানে। এরা চায় সমাজ এদের তারা যেটা বলে সেটা হিসেবেই ট্রিট করুক। একটা ছেলে পেনিস কেটে মেয়ে হবার ভান করবে, সমাজকে তাকে নাকি মেয়ে হিসেবেই মেনে নিতে হবে। তাকে ছেলের সাথে বিয়ে দিতে হবে, তাকে নারী কোটায় চাকরি দিতে হবে, নারীদের হোস্টেলে থাকতে দিতে হবে, নারীদের স্পোর্টসে তাকেও কম্পিট করতে দিতে হবে। অথচ সে পুরোদস্তুর একজন ছেলে।

বিপরীতে নারীদের দাবিও তাই। সে ব্রেস্ট কেটে ফেলে, ভ্যাজাইনা কেটে ফেইক পেনিস প্রতিস্থাপন করে, তার দাবি হলো সে পুরুষের সাথেই থাকবে। তাকে পুরুষের মতই ট্রিট করা হবে, তাকে মেয়েদের সাথেই বিয়ে দিতে হবে।

এই ধরণের দাবি, ধর্মীয়ভাবে তো বটেই, সামাজিক ভাবেই ভয়ানক। এটা সমাজে নজিরবিহীন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টির প্রয়াস ছাড়া আর কিছুই নয়। মেডিকেলের ভাষায় এটাকে জেন্ডার ডিসফোরিয়া বলা হয়, যা আগে জেন্ডার আইডেন্টিটি ডিসঅর্ডার বলা হতো । এই কমিউনিটি এখন প্রথম বিশ্বে বেশ প্রভাবশালী। তাই মেডিকেল টার্মও ডিসঅর্ডার থেকে ডিসফোরিয়া হয়ে গেছে।

একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে আমাদের নিজেদের প্রশ্ন করা উচিত, সমঅধিকারের ঢাল ব্যবহার করে যে কেউ যা ইচ্ছা তাই করতে চাইলে, সেটাকে প্রশ্রয় দেয়া উচিত কি না। আপনার বোনের, কন্যার, স্ত্রীর বেডরুমে আপনি একজন পেনিস-কাটা, অ্যাস্ট্রোজেন হরমোন গ্রহণকারী পুরুষকে ঢুকতে দেবেন কি না? যদি উত্তর 'হ্যাঁ' হয়, তাহলে আপনার নিজের এথিকাল স্ট্যান্স নিয়ে প্রশ্ন তোলা জরুরি। যদি উত্তর 'না' হয়, তবে এদের বিরুদ্ধে সোচ্চার হওয়া আপনার কর্তব্য।

এখানে কোন হিন্দু-মুসলিম-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ব্যাপার নেই। নগর পুড়লে দেবালয় এড়ায় না। কেউ যদি ভাবেন এদের বিরুদ্ধে লাগাটা কেবল ধর্মান্ধ মুসলিমদের বাড়াবাড়ি, তবে আপনি এই অসুস্থতা আপনার অন্দরমহলে প্রবেশ করা অব্দি কেবল অপেক্ষা করুন। এই ভাইরাস একবার ছড়ালে আর কোন উপায় নেই সারাবার।

একজন মানুষ যদি নিজেকে কুকুর দাবি করে সার্জারি করে লেজ লাগিয়ে নেয় আর চার-পায়ে হাঁটে, কোনভাবেই আমি তার নাগরিক ও সামাজিক অধিকার থেকে বঞ্চিত করতে পারবো না। তবে শুধু এটাই মাথায় রাখবো সে মানসিকভাবে বিকারগ্রস্ত, আর তার চিকিৎসা প্রয়োজন। কিন্তু তাকে ডগ-ফুড দিয়ে আমার ঘরের গেইটে চোর-খেদানোর জন্য গলায় বেড়ি পরিয়ে বসিয়ে রাখবো না। কারণ সে প্রকৃত কুকুর না।

সমঅধিকারের দাবি আর অন্যায় আবদারের পার্থক্য এইখানেই। সংগ্রহ।

তারা তো শহীদের মর্যাদা পাবে। আমরা কি জবাব দিবো আল্লাহর কাছে? 🥲🥲🥲🥲আল্লাহ গাজা যদি আমাদের জন্মভূমি হত,  পৃথিবী যদি এক পতাক...
06/04/2025

তারা তো শহীদের মর্যাদা পাবে।

আমরা কি জবাব দিবো আল্লাহর কাছে? 🥲🥲🥲🥲

আল্লাহ গাজা যদি আমাদের জন্মভূমি হত,
পৃথিবী যদি এক পতাকার নিচে থাকতো।

04/04/2025

এ জাতির গলায় গোলামীর শিকলটাই বেশি মানানসই!এটাতেই অভ্যস্ত।
তাই মাথা উঁচু করে কেউ বাঁচতে শেখালেও শিখতে রাজিনা।
মির্জাপর বংশধরদের সিরিয়াল দীর্ঘ থেকে আরো দীর্ঘ হচ্ছে!
বারবার সিরাজুদ্দৌলা'রা হেরে যাচ্ছে বেঈমান মুনাফেকদের কাছে,জীবন হারাচ্ছে স্বগোত্রীয় মির্জাপরদের হাতে।
তবে ভয় হয়,যদি এবারের সিরাজুদ্দৌলা হেরে যায় বা থেমে যায় তাহলে হয়তো এদেশে আর কোন সিরাজুদ্দৌলা-ই জন্ম নেবেনা।

Address

Chandpur

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amirul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share