15/10/2026
প্রবাসে অর্থ আ-ত্মসা-ৎ, পাওনা টাকা দিতে তা-লবা-হানা ও মি-থ্যা অ-পপ্র-চারের অভিযোগ: কুমিল্লার বাচ্চু মিয়ার প্র-তা-রণার জাল...
স্টাফ রিপোর্টার :
সৌদি আরবে এক প্রবাসী ভাই-বোনের কাছে পাওনা অর্থ আ-ত্মসা-ৎ, পাওনা টাকা দিতে তালবাহানা এবং পরবর্তীতে সেই সত্য ধামাচাপা দিতে পাওনাদারদের বিরুদ্ধে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন মাধ্যমে মি-থ্যা অ-পপ্রচার চালানোর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম বাচ্চু মিয়া, যার পৈত্রিক নিবাস কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার ৬ নম্বর ওয়ার্ডের ভারেল্লা দক্ষিণ ইউনিয়নের এতবারপুর এলাকার আলী আকবর মুন্সি বাড়িতে।
অন্যদিকে, ভুক্তভোগী প্রবাসী মাসুদ রানা এবং তার বোন রুপালীর বাড়ি চাঁদপুর জেলার মতলব উত্তর উপজেলার সুজাতপুর গ্রামে।
ভুক্তভোগী মাসুদ রানা ও তার বোন রুপালী জানান, অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া তাদের কাছ থেকে মোট ৪২,০০০ সৌদি রিয়াল (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১৩,৮৬,০০০ টাকা) ধার নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি কেবল ৫,০০০ রিয়াল পরিশোধ করেন। বর্তমানে তার কাছে পাওনা রয়েছে আরও ৩৭,০০০ রিয়াল (বাংলাদেশি টাকায় প্রায় ১২,২১,০০০ টাকা)।
এই বিশাল অংকের টাকা ফেরত চাইলে বাচ্চু মিয়া তা দিতে সম্পূর্ণ অস্বীকার করেন। তবে একটি গোপন ভিডিও ফুটেজে স্পষ্ট দেখা গেছে যে, বাচ্চু মিয়া টাকা নেওয়ার কথা এবং বকেয়া টাকা পরিশোধের বিষয়টি নিজেই স্বীকার করেছেন।
এদিকে, ঘটনাটি নিয়ে যখন Chandpur TV থেকে সত্যতা যাচাইয়ের জন্য অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়ার সাথে যোগাযোগ করেন, তখন তিনি টাকা নেওয়ার কথা সরাসরি অস্বীকার করেন।
শুধু তাই নয়, পাওনা টাকা আ-ত্মসা-ৎ করার অসৎ উদ্দেশ্যে বাচ্চু মিয়া উল্টো চাঁদপুরের সন্তান মাসুদ রানা ও তার বোন রুপালীর বিরুদ্ধে মি-থ্যা, বা-নোয়াট ও কাল্পনিক নিউজ প্রচার করান। তিনি দাবি করেন যে, মাসুদ রানা ও রুপালী নাকি চক্রান্ত করে তার দোকান ও গাড়ি ছিনিয়ে নিয়েছেন—যা সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন।
অনুসন্ধান ও নির্ভরযোগ্য সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত বাচ্চু মিয়া মূলত একজন মা-দকাস-ক্ত ব্যক্তি। সৌদি আরবে নিজের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে মা-দকসহ তিনি স্থানীয় প্রশাসনের হাতে গ্রে-প্তার হন এবং জে-লে যান।
বাচ্চু মিয়া গ্রে-প্তার হওয়ার পর তার তৎকালীন সৌদি কফিল (স্পন্সর) আল-গামদি তার দোকান ও গাড়ির মালিকানা পরিবর্তন করে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে নেন এবং চুক্তি বাতিল করেন।
মাসুদ রানা এক সময় বাচ্চু মিয়ার দোকানে কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করলেও, পরবর্তীতে তিনি সম্পূর্ণ নিজের যোগ্যতায় এবং সৌদি আরবের নতুন আইন অনুযায়ী নতুন কফিলের অধীনে বৈধভাবে ব্যবসা শুরু করেন এবং নিজস্ব অর্থায়নে গাড়ি কেনেন। মাসুদ রানার বর্তমান কফিলের সাথে বাচ্চুর সাবেক কফিলের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। মাসুদ রানার কফিলও সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, বাচ্চু মাদক মামলার কারণে ধরা পড়ার পরেই তার আগের কফিল তার সমস্ত সম্পদ ও গাড়ি কেড়ে নিয়েছিলেন।
এদিকে, ভুক্তভোগী মাসুদ রানা ও রুপালীর বাংলাদেশে থাকা ভাই মামুনকে বাচ্চু মিয়ার টাকা দেওয়া হয়েছে বলে কাল্পনিক ও মনগড়া তথ্য সেই নিউজে কোন প্রমাণ ছাড়াই তুলে ধরা হয়েছে, যা হলুদ ও অ-পসাংবাদিকতার শামিল। জানা যায়, মামুন দীর্ঘদিন সুনামের সাথে সুজাতপুর বাজারে ব্যবসা করে আসছেন। তিনি এই বিষয়টিকে সম্পূর্ণ মা-নহা-নিকর এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত বলে দাবি করেছেন এবং বাচ্চু মিয়ার মতো লোকদের ও না জেনে ভুয়া সংবাদপ্রকাশকারীকে আইনের আওতায় এনে কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন।
মা-দক মামলায় ফেঁ-সে যাওয়ার পর নিজের অ-পরাধের দায় অন্যের ওপর চাপাতে এবং মাসুদ রানা ও তার বোন রুপালীর ৩৭,০০০ রিয়াল (প্রায় ১২,২১,০০০ টাকা) পাওনা মে-রে দিতেই বাচ্চু মিয়া এই মি-থ্যা অ-পপ্রচারের আশ্রয় নিয়েছেন।
ভুক্তভোগী ভাই-বোন এ বিষয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন এবং মি-থ্যা অ-পপ্রচারের তীব্র নি-ন্দা জানিয়ে তাদের কষ্টার্জিত পাওনা টাকা উদ্ধার ও উপযুক্ত বিচার দাবি করেছেন।
#প্রবাসী #প্রবাসি #প্রবাসেরখবর #প্রবাস