Seeker of Truth

Seeker of Truth Be Honest

17/09/2024

দলিলওয়ালারা হামলা চালায় কেন?

আমাদের দেশে একটা গোষ্ঠী আছে- দলিল গোষ্ঠী। শব্দের রুপান্তর করলে এদের দালাল গোষ্ঠীও বলা যায়। এই দলিলওয়ালারা সবসময় দলিল চেয়ে থাকেন। আমরা ফাতিহা করলেও তাদের সামনে দলিল তুলে ধরা লাগে, নবীজির আগমনের জুলুস করলেও দলিল দেয়া লাগে, মিলাদ পড়লে প্রমাণ দেয়া লাগে। বিরানি রান্না করলেও দলিল দেয়া লাগে, হালুয়া-রুটি করলেও দলিল দেয়া লাগে। মুরগী গলা দিয়ে জবেহ করলেও গলা দিয়ে কেন জবেহ করলাম তাদের সেটার আয়াত দেয়া লাগে। গরু ছুরি দিয়ে জবেহ করলে, ছুরি দিয়ে কেন করলাম। গরুর মাথায় লোহা দিয়ে গুতাতে গুতাতে শহীদ করে সেটাকে শহীদের মর্যাদা কেন দেয়া হয়নি সেটার জন্যও তাদের জিহাদ করা লাগে, তাদের মুখে জুতাসমেত দলিল ছুড়া লাগে।

কিন্তু তারা কোন দলিলে আজকে সারাদেশের বিভিন্ন জায়গায় জুলুসে হামলা করলো জাতি সেটা একটু জানতে চায়। কোন দলিলে কিশোরগঞ্জে হামলা চালিয়ে নিরীহ সাধারণ শান্তিপ্রিয় এক ভাইকে শহীদ করা হলো? অসংখ্য লোককে মেরে, কুপিয়ে আহত করা হলো? কোন দলিলের ভিত্তিতে?

জুলুসে শান্তিপ্রিয় সুন্নীরা মিলাদ পড়ছে, কুরআন পড়ছে, না'ত-গজলের সুর তুলে নবীপ্রেমের বন্দনা গাইছে। এসবের প্রতি তাদের কেন এত ক্ষোভ? নবীজির প্রতি তাদের কেন এত বিদ্বেষ? কুরআন তেলাওয়াত অবস্থায় তো শহীদ করা হয়েছিল হযরত ওসমানকে (রা), না'তে রাসুল মুখে নিয়ে শহীদ হয়েছেন ইমাম হোসাইন। তাঁদেরকে যারা শহীদ করেছিল সারাদেশে সুন্নীদের উপর হামলাকারীরা কি তবে তাদেরই বংশধর? কোন দলিলে তারা এ হত্যাকাণ্ড ঘটালো? জনতা জানতে চায়।

তারা দলিল চায়। আবার তারা দলিল দেয়। আমাদেরকে আহবান জানায়, দলিল দিয়ে কথা বলুন। যার দলিল সত্য মানুষ তা গ্রহণ করবে। আমরাও তাই বলি। দলিল দিয়ে কথা বলুন, যার দলিল সত্য মানুষ তা গ্রহণ করবে। আমাদের দলিল সত্য বলেই মানুষ আমাদের কথা শুনে জুলুস করতে গিয়েছে। এবার তবে এখানে আপনার হামলা কেন?

আমাদের দলিল সত্য বলেই সারাদেশে হাজার হাজার মাজারে দিনেরাতে ভক্ত-আশেকরা যায়, জিয়ারত করে, নজরানা দেয়, ফাতিহা-ওরশ করে। আপনাদের শত বিদয়াত-শিরকের দলিল মানুষের কাছে অসত্য, বানোয়াট, মিথ্যে প্রমাণিত হয়েছে বলেই এত এত বক্তা দিনেরাতে শিরক শিরক ফতোয়া দেয়ার পরও জনগণ আপনাদের প্রত্যাখ্যান করে মাজার-মিলাদ-জুলুসের বহর বাড়াচ্ছে দিনদিন। তো সেখানে আপনাদের হামলা কেন?

আপনারা তো দলিলে বিশ্বাসী। দলিল দেন। শিরক শিরক চেঁচামেচি করতে আছেন, করতে থাকেন। আপনাদের দলিল যদি সঠিক হয় জনগণ আপনাদের কথা শুনবে। কিন্তু তা না করে মাজার ভাঙ্গার দায়িত্ব কেন নিলেন? ঈদে মিলাদুন্নবীর জুলুসে হামলা চালানো শুরু করলেন কেন? তার মানে কি আপনারা সিদ্ধান্তে উপনীত হয়ে গেছেন যে আপনারা ভণ্ড, মিথ্যুক, বানোয়াট! আপনারা কি বুঝে গেছেন যে জনগণ আপনাদের বানোয়াটি দলীল আর গ্রহণ করবে না! মিথ্যে দলিল দিয়ে জনগণকে বশে আনা যাবে না। এজন্যই কি আপনাদের স্বভাবজাত সশস্ত্র হামলা শুরু? তবে কি দলিল-দলিল খেলায় আপনারা পরাজয় মেনে নিলেন? নিজেদের প্রতারক আর দলিল ব্যবসায়ী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে গেলেন জাতির কাছে? জাতি জানতে চায়।

✍️
https://www.facebook.com/ibrahimibu1369?mibextid=ZbWKwL

প্রকৃতি👌
21/08/2024

প্রকৃতি👌

21/08/2024
21/08/2024

আমি যতবার নিয়ত করে জামেয়ার দানবাক্সে ১১ টাকা দিয়েছি, আলহামদুলিল্লাহ্ আমি সফলতা পেয়েছি।❤️

🙂
12/08/2024

🙂

22/04/2024

যেদিন চুমু খাওয়ার জন্য ঝোপঝাড় থাকবেনা।
সেদিন বুঝবি গাছের কি মর্ম🙂

07/04/2024

সব শিয়ালের মুরগি আছে।
আমার কেন নাই?

25/07/2022

🌺🌺 আশেকে রাসূল সূফী কবি কাজী নজরুল ইসলামের একান্ত কিছু মুহূর্ত এবং তাঁর নামাজে জানাজা 🌺🌺

♦️♦️♦️সূফী ও কবি কাজী নজরুল
ইসলাম (রহঃ) নবীপ্রেম♦️♦️♦️
==================================
রাসুলে পাক ﷺ'র শানে কালে কালে বিভিন্ন ভাষায় কত কাসিদা, কবিতা, নাত, প্রবন্ধ লিখা হলো,
তার কোন হিসাব নেই।
বাংলা সাহিত্যে রাসুল ﷺ'র শানে সবচেয়ে বেশি শব্দচয়ন যিনি করেছেন
তিনি হলেন আশেকে রাসুল ﷺ সূফী
কবি কাজী নজরুল ইসলাম।

একবার কোন এক প্রসঙ্গে ইব্রাহীম খাঁ'র সাথে আলোচনার সময় কবি বলেছিলেন
"আমার শ্রেষ্ঠতম গুরু,
সেই হযরত মুহাম্মদ ﷺ'র কথা মনে করুন,
তিনি মেরাজে গেলেন,
কিন্তু ধরার ধুলিকে ভুললেন না, ফিরে এলেন"।

রসূলে পাক ﷺ'র আগমনে আসমান জমিনসহ
সকল সৃষ্টি আনন্দে আত্নহারা,
কবিও আনন্দে লিখলেন "
তোরা দেখে যা আমেনা মায়ের কোলে..."।

সকল মাখলুকাতের আনন্দ প্রকাশে কবি লিখলেন, "কুল মাখলুকে আজি ধ্বনী উঠে,
কে এলো ঐ
কালেমা শাহাদাতের বাণী ঠোঁটে, কে এলো ঐ..."।

আরো লিখলেন
"ত্রিভূবনের প্রিয় মুহাম্মদ এলো রে দুনিয়ায়,
আয়রে সাগর আকাশ বাতাস দেখবি যদি আয়..."।

রাসুলে পাক ﷺ'র প্রেমে বিভোর হয়ে কবি লিখলেন,
"তৌহিদেরই মুর্শিদ আমার মুহাম্মদের নাম..."।

প্রেমের আক্ষেপ নিয়ে গাইতেন,
"মুহাম্মদের নাম জপেছিলি বুলবুলি তুই আগে,
তাই কিরে তোর কন্ঠের গান এমন মধুর লাগে..."।

রাসুল ﷺ'র কদম মুবারক বুকে নেওয়ার
আকুতি নিয়ে লিখলেন
"আমি যদি আরব হতাম মদিনারই পথ...."।

মদিনায় যাওয়ার আকুতি নিয়ে লিখলেন
"মনে বড় আশা ছিল যাব মদিনায়,
আয় মরুপারের হাওয়া, নিয়ে যারে মদিনায়..."।

প্রিয়নবী ﷺ'র প্রশংসায় গাইতেন
"মুহাম্মদ মুস্তফা সাল্লে আলা,
তুমি বাদশারই বাদশাহ কামলিওয়ালা..."।

উপরের পংক্তিগুলো দেখেই বুঝা যাচ্ছে
তিনি কেমন আশেকে রাসুল ﷺ ছিলেন।
এছাড়াও তিনি অগণিত শব্দ চয়ন করেছেন
রাসুলে পাক ﷺ'র শানে।

আল্লাহ পাক প্রিয় কবির মাকাম বুলন্দ করুক
এবং আমাদেরকে প্রিয়নবী ﷺ'র
প্রেমিক-গোলাম হিসেবে কবুল করুক।----- আমিন।

Address

Chattogram

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Seeker of Truth posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share