
02/05/2025
পুরুষ হয়ে জন্মালেই সবাই দায়িত্ববান হয় না।
কিছু পুরুষ মানুষ কখনোই আপনাকে ইমোশনাল ইনভেষ্টমেন্টের সিকিউরিটি দিতে পারে না। তাদের অনেকের নিজের মধ্যে আত্মবিশ্বাসবোধ থাকে না। প্রেমে পড়ে ঠিকই কিন্তু সম্পর্ককে হেলদী ভাবে মেন্টেইন করতে পারে না।তারা টেকার হয় । নারীকে তারা ইমোশনাল স্নেহের ব্যাংক হিসেবে ইউস করে।
কিছু পুরুষ মানুষ দেখবেন আপনার জীবনে আসবে , কিন্তু সে আপনার দায়িত্ব নিতে পারবে না। সে কোন কারনে তার শৈশবের বেড়ে উঠায় ক্ষত পুষে রাখে । তার জীবনে না পাওয়ার অধ্যায় অনেক বেশি থাকায় সে ইনসিকিউর বোধে ভোগেন, এবং পরবর্তীতে সে চাইলেও তার প্রেমিকাকে সম্পর্কে সিকিউর করতে পারে না। সে তার প্রয়োজনে ভালোবাসার মানুষের হাত ছেড়ে দেয় , নিজেকে স্বান্ত্বনা দেয় এ ভাবে আমার জীবনে কিছু ভালো হলো না।
সে তার মাসক্যালিন এনার্জী কখনোই নিজের মাঝে লালন করতে পারে না। নিজের জন্য সে সিদ্ধ্যান্ত নিতে অক্ষম হয়।
এই টাইপের পুরুষ গুলোর অনেক এ্যাংগার ইস্যু থাকে। তাদের রাগ হঠাৎ করেই শো করে । তার পার্টনারের যে কোন কথাই পার্সোনাল নেয় । তার অমতের মিল হলে সে তাৎক্ষনিক কনভারসেশন থেকে পালিয়ে যায়। এমন কি সে কথা বলা বন্ধ করে দেয়।হঠাৎ করেই তর্ক করে , আবার নিজের মনোভাব প্রকাশ করতে অক্ষম থাকে ।
এই পুরুষ গুলো তার নিজের ইমোশনের সাথে কানেক্ট হতে পারে না।সে তার পার্টনারের কাছ থেকে শুনতে চায় না সে কি বলতে চায়।তার পার্টনারের ভালোবাসা গ্রহন করতে সে অক্ষম থাকে। তার পার্টনারের কি চাহিদা ও চাওয়ার খেয়াল রাখে না। সে তার প্রেমিকাকে ইমোশনাল ভাবে মানসিক শান্তি বজায় রাখার সিকিউরিটি দিতে অক্ষম থাকে ।
এমন পুরুষ গুলোর জীবনে ঘটে যাওয়া ঘটনা গুলোকে সে ট্রমার মতন নিয়ে নেয় । তার পাশাপাশি সে নিজের অনুভূতি তার মেয়ে সঙ্গীর কাছে প্রকাশ করতে অক্ষম হয়ে থাকে।
এই টাইপের পুরুষ গুলো সব সময়ই তার সঙ্গীর কাছে নিজের ভেলিডেশন পেতে পছন্দ করে । তার সাথে কোন নারীর সম্পর্ক মেন্টেইন করতে হলে নারীকে সব সময়ই একটা ডিমের খোলসে পা রেখে যেভাবে হাঁটতে হয় যাতে খোলস না ভাঙ্গে , তার সাথে সম্পর্কটাও এমন ভাবে রক্ষা করতে হয়।
সাইকোলজিষ্টের মতে এই টাইপ পুরুষ গুলো তার শৈশবে মায়ের স্নেহ ছাড়া বড় হয়ে থাকে ।অথবা পারিবারিক স্নেহ কিংবা পরিবার থেকে দূরে থাকে । তাই নিজের শৈশবে পাওয়া কষ্ট গুলো তাকে ইমোশনাল ভাবে নিজের থেকে দূরত্ব তৈরী করে থাকে ।তাই সে একজন নারীর সাথে প্রেমে জড়ালেও , নিজের ভিতরে হিল করার ক্ষমতা না থাকায় সে নিজেকে , খুব নেতিবাচক ভাবে নেয় । এবং সে সম্পর্ককে বাস্তব রূপ দিতে অসমর্থ হয়ে থাকে।
এই টাইপ ম্যসক্যালিন এনার্জি বহন না করার অক্ষমতা সমপূর্ন পুরুষের প্রেমে যে নারী পড়ে সে জানে , তার জীবনে কতটা মানসিক প্যারা সে নারী বহন করে।সম্পর্কের মাঝ পথে যে কোন বড় কারন ছাড়া লোকের মতামত ও নিজের সিদ্ধ্যান্ত নিতে অক্ষমতার কীরনে নারীর হাতটা ছেড়ে দেয়।
তখন এই টাইপ পুরুষের মনে কখনো রিগ্রেট হলে ও সে নিজেকে আড়াল করে নেয় । কারন সে তার দ্বিধা ও তার লো আত্নবিশ্বাস তাকে গুটিয়ে রাখে নিজের মাঝে । যদি এই টাইপ পুরুষ গুলো নিজের ম্যাসকালীন এনার্জি অর্জন করতে সক্ষম না হয় , তাহলে তার থেকে আপনি প্রতিদান হিসেবে কষ্ট ছাড়া কিছু পাবেন না।