Masud Talokder

Masud Talokder Only Allah can help us...

________________________________________👉★বিয়ের আগে প্রেম★👈-⤵️ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের আগে প্রেম করা সম্পন্ন হারাম যাদের ব...
12/11/2023

________________________________________
👉★বিয়ের আগে প্রেম★👈
-⤵️
ইসলামের দৃষ্টিতে বিয়ের আগে প্রেম করা সম্পন্ন হারাম যাদের বিয়ের আগে প্রেম করা, নারী পুরুষের সম্পর্ক এই বিষয়গুলোতে ইসলামের অবস্থান নিয়ে সন্দেহ আছে তাদেরকে ধৈর্যসহকারে এই লেখাটা পড়ার অনুরোধ করছি! এই বিষয়ে এক বোনের প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন এক ভাই। এখানে প্রশ্ন আর উত্তরটা দেওয়া হল:-
-
প্রশ্নঃ👈
আমার একটি প্রশ্ন আছে --ইসলাম এ তো প্রতিটি মানুষ এর জোড়া আল্লাহ আগে থেকে বানিয়েছে ...।আয়াতটা কি সত্যি ???? তাহলে যে আজকাল অনেক ধার্মিক ছেলে মেয়ে ও প্রেম এর সম্পর্কে আছে ।। তাহলে কি আয়াতটা ভুল।??? আমি যদি আল্লাহ র কাছে আমার ভালবাসার মানুস এর জন্য দুয়া করি তাহলে।।??? আমি কি ভাবে আল্লাহ র কাছে দুয়া করব।।??? এই সম্পর্কে ইসলাম কি বলে।।??? প্রেম ভালবাসা কি খারাপ।।??? প্লিজ আমাকে জানাবেন।
-
উত্তরঃ-⤵️
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি্ ওয়া বারাকাতুহু।
-
আপনার প্রশ্ন পড়ে মনে হচ্ছে ইসলাম নিয়ে আপনি খুবই ভয়ংকর ধারণা পোষণ করছেন। আপনার মন সন্দেহবাতিকগ্রস্থ। আমি আপনাকে স্পষ্ট করে কিছু কথা বললাম। আশা করি আপনি বুঝতে পারবেন। যদিও আপনার প্রশ্নটি নারী পুরুষ সম্পর্ক নিয়ে কিন্তু আমি আপনাকে সতর্ক করে দিতে চাই কারন আপনি কুরানের আয়াত নিয়ে সন্দেহ পোষণ করছেন। একজন মুসলিম সে যদি মনে করে কুরানের কোন আয়াত ভুল কিংবা তার কোন যথার্থতা নেই তাহলে সে আর মুসলিম থাকতে পারেনা কেননা আল্লাহ নিজেই কুরানের সত্যতা দিয়েছেন...
-
❝(এই) সেই মহাগ্রন্থ আল কুরান এতে কোন সন্দেহ নেই, যারা আল্লাহ তায়ালাকে ভয় করে এই কিতাব তাদের জন্যই পথপ্রদর্শক❞।
-
[বাকারাঃ২]
-
আর তাই কেউ যদি কুরানের আয়াত কে অস্বীকার করে তাহলে সে আল্লাহকেই অস্বীকার করে, তার মানে সে কাফির! আল্লাহ আমাদেরকে এই ভয়াবহ পরিণতি থেকে রক্ষা করুন... আমীন!
-
এবার আপনার মুল প্রশ্নে আসি। আপনার প্রশ্নটাকে কয়েকটা অংশে ভাগ করলাম
-
*প্রত্যেক মানুষের জোড়া কি নির্ধারিত?* প্রেম করা মানে সহজ কথায় বিয়ের আগে নারী পুরুষ অবৈধ সম্পর্ক কি হারাম?* প্রেম করা অবৈধ হলে অনেক ধার্মিক ছেলে মেয়ে প্রেম করে কেন?* পছন্দের মানুষের জন্য দোয়া করা যাবে কি?
-
জোড়া বিষয়ে কুরানের স্পষ্ট আয়াত আছে।একটা না, কয়েকটা...
-
❝আমি প্রতিটি জিনিসই জোড়ায় জোড়ায় সৃষ্টি করেছি, যাতে করে তোমরা শিক্ষা গ্রহণ কর❞।
-
[আয যারিয়াতঃ ৪৯]
-
❝পবিত্র নিখুঁত সেই মহান স্রস্টা, যিনি জুড়ি সৃষ্টি করেছেন সবকিছুর__উদ্ভিদের, স্বয়ং তাদের (মানুষের) এবং এমন সব কিছুরও যাদের তারা জানেনা❞।
-
[ইয়াসিনঃ ৩৬]
-
❝হে মানুষ! আমি তোমাদের সৃষ্টি করেছি একজন পুরুষ এবং একজন নারী থেকে❞।
-
[আল হুজুরাতঃ১৩]
-
❝হে মানুষ! তোমরা সতর্ক হও তোমাদের সেই মহান প্রভুর ব্যাপারে, যিনি তোমাদের সৃষ্টি করেছেন একজন মাত্র ব্যক্তি থেকে এবং তার থেকে সৃষ্টি করেছেন তার স্ত্রীকে, আর তাদের থেকেই সৃষ্টি করেছেন বিপুল সংখ্যায় পুরুষ আর নারী❞।
-
[সূরা নিসাঃ ১]
-
এসব আয়াত থেকে একথা দিবালোকের মত পরিষ্কার যে মহান আল্লাহ তায়ালা নিজেই ঘোষণা দিয়েছেন তিনি মানুষকে তার জোড়া বানিয়েই এই দুনিয়াতে পাঠিয়েছেন। এমনকি উদ্ভিদও সৃষ্টি করেছেন জোড়ায় জোড়ায়। সুতরাং এই বিষয়ে কোন সন্দেহ থাকার অবকাশ নেই যে আল্লাহ আমাদের জোড়ায় জোড়ায় তৈরি করেছেন কিনা!
-
# ইসলামে নারী পুরুষের সম্পর্কের পবিত্র আর বৈধ পন্থা হল বিয়ে। এর বাইরে অর্থাৎ “বিয়ের আগে নারী পুরুষের সম্পর্ক, বয়ফ্রেন্ড, গার্লফ্রেন্ড, লিভ টুগেদার এসব সম্পূর্ণ হারাম।
-
এটা শুধু আপনি নয়, নামাজ রোজা করা মুসলিম ছেলেমেয়েদেরও মেনে নিতে কষ্ট হয়! তার কথা তো আপনিই বললেন যে আপনি অনেক ধার্মিক ছেলেমেয়েকেও রিলেশন থাকতে দেখেছেন। আমরা যারা ইসলামটাকে একটা পরিপূর্ণ জীবনব্যাবস্থা হিসেবে মেনে নিয়ে তা জীবনে প্রয়োগ করে দেখাতে পারিনা তার অন্যতম কারন আমরা ইসলামটাকে দেখি একটা হালাল হারামের লিস্ট হিসেবে।
-
আমরা যখন আমাদের প্রবৃত্তির পূজা করতে যাই, যখন সেখানে ইসলামের বাধা আসে তখনই আগে পিছে চিন্তা না করে আমাদের মনে প্রশ্ন আসে why?? Why this is haraam in islam?? আপনি নিজেকে প্রশ্ন করে দেখুনতো এই প্রেম করা নিয়ে কোন প্রশ্ন কি ছোটবেলা থেকে এসেছে? না! আসেনি! আমরা সবাই একটা নির্দিষ্ট বয়স পার করি, যে বয়সটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ একই সাথে খুবই ভয়ংকর! যে বয়সটাতে আবেগ, ভালোলাগা, সবকিছু পজিটিভ ভাবা, বিপরীত লিঙ্গের প্রতি সীমাহীন আকর্ষণ সবকিছু আমাদের চারপাশে গিজগিজ করে! আর এই বয়সের সরলতা আর ভালোলাগার সুযোগ নেই শয়তান আর তা কাজে রুপান্তর করে দেখায় কাফির আর ইসলামের বিরুদ্ধ শক্তি যারা আল্লাহর নয় নিজেদের প্রবৃত্তির পূজা করে!
-
আর তাই আজকে সমাজে স্কুলে প্রেম, কলেজে প্রেম, ভার্সিটিতে প্রেম, নাটক- সিনেমা- গল্প উপন্যাসে প্রেম! আর এসব দেখে শুধু আপনি নয় অনেকের মনে সেই একই প্রশ্ন why?? Why প্রেম is haraam in islam??
-
কারন আল্লাহ মহা পরিকল্পনাকারী! তিনি তার সৃষ্টির জন্য মঙ্গলজনক পন্থাই পরিকল্পনা করেছেন! তিনি মানুষের শরীর আর আত্মিক ক্ষতির আসংখা থেকে মানুষকে মুক্ত থাকার ব্যবস্থা করেছেন। অতি সসীম এই মস্তিস্ক নিয়ে আমরা কখনও অসীম মহান আল্লাহর পরিকল্পনা বুঝতে পারবনা! কিন্তু আমরা এই দুনিয়াতেই তার পরিকল্পনার বাস্তবায়ন আর আদেশ অমান্যকারিদের পরিণতি দেখেছি, দেখছি, দেখব ইনশাআল্লাহ! আমরা একটা হারামকে শুধু হারাম হিসেবে দেখি কিন্তু একটা হারাম শুধু হারাম নয় এটা অনেকগুলো পথ যে পথে মানুষের অপকার আছে সেই পথগুলোও বন্ধ করে দেয়! ইসলামে মদ হারাম।
-
কিন্তু মদ তো মানুষ ভাল লাগে বলেই খায়!! তাহলে হারাম হবে কেন?? এটা বোঝা আমার আপনার কাছে দুরহ তো বটেই হজরত ওমর (রাঃ) ও বুঝতে পারেননি! তার প্রার্থনার প্রেক্ষিতে আল্লাহ তিনবার আয়াত নাযিল করার পর হজরত ওমর (রাঃ) বুঝতে পারেন কেন মদ হারাম হল! আর আমরা এখন জানতে পেরেছি বর্তমানে বিশ্বে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান
কারণ...অ্যালকোহল! মদপান! যেটা আল্লাহ ১৪০০ বছর আগেই হারাম করেছেন! ইসলামে এরকম অনেকগুলো হারামের একটি হল বিয়ে বাদ দিয়ে কিংবা বিয়ের আগে নারী পুরুষ প্রেমের সম্পর্ক! আর বরাবরের মতই ইসলামকে অন্তরে ধারণ না করে পাশ্চাত্য আর কুফরি সিস্টেমর আধুনিকতা অন্তরে ধারণ করা আজকের তরুণ তরুণী সেই হারামের ধার দারে না!
-
অনেকের কাছে এই হারামের জন্য ইসলাম হয়ে যায় সেকেলে! তার পরিণতিও হাতে নাতে!! পেতে অবৈধ বাচ্চা নিয়ে হাসপাতালে গর্ভপাত, রিকশা- সি এন জি তে মূল্যবোধ নৈতিকতা বিসর্জন, বয়ফ্রেন্ডের লালসার শিকার হয়ে বন্ধুবান্ধব নিয়ে গণধর্ষণ, বাজারে সেক্স ভিডিও, নিজের অসম্মান, পরিবারের অসম্মান আর সবশেষে এত এত অসম্মান সইতে না পারে গলায় ফাঁস!
-
না না না!! হ্যাঁ আমি জানি! শুধু আপনি না সবাই এমনকি যারা এই পরিণতিগুলো বরণ করেছে তারাও বলেছিল, “ না না আমরা তো সত্যই ভালোবাসি!! আমরা এসব করব না!”। সেজন্যই প্রথমে বলেছিলাম ইসলামে কোন একটা হারাম শুধু হারাম নয় এটা অনেকগুলো ক্ষতির পথও রুদ্ধ করে। যে পরিণতিগুলোর কথা বললাম নিজের প্রতি সৎ থেকে বলুনতো এই পথগুলো কে উন্মুক্ত করেছে??
-
সহজ উত্তর___ নারীপুরুষ অবৈধ সম্পর্ক যেটা ইসলাম হারাম করার পরও তারা মানতে চায়না! ইসলাম সেই জীবন ব্যবস্থা যা মানুষকে নৈতিকতা আর মূল্যবোধ শিক্ষা দেয়! মানুষকে নিজের শরীর আর মনের নিরাপত্তা দান করে! আর তাই ইসলামে নিজের শরীর আর মনের নিরাপত্তা এসেছে পবিত্র বিয়ের মাধ্যমে। আল্লাহ বলেন...
-
❝আল্লাহর নিদর্শনসমূহের মধ্যে রয়েছে, তিনি তোমাদের (মানব জাতির) মধ্য থেকেই সৃষ্টি করেছেন তোমাদের জন্য (বিপরীত লিঙ্গের) জুড়ি, যাতে করে তোমরা বৈবাহিক সম্পর্ক স্থাপনের মাধ্যমে তাদের কাছে প্রশান্তি লাভ করতে পারো! এ উদ্দেশ্যে তিনি তোমাদের মধ্যে সৃষ্টি করেছেন হৃদ্যতা- বন্ধুতা আর দয়া- অনুগ্রহ অনুকম্পা। এতে রয়েছে বিপুল নিদর্শন চিন্তাশীল লোকদের জন্য❞।
-
[সূরা আর রুমঃ ২১]
-
সুবাহানআল্লাহ্। আল্লাহ তায়ালা ঘোষণা করেছেন বিবাহের মাধ্যমেই নারী পুরুষ পাবে প্রশান্তি, সৃষ্টি হবে হৃদ্যতা-বন্ধুতা, দয়া অনুগ্রহ অনুকম্পা! আর এটা চিন্তাশীলদের জন্য নিদর্শনস্বরূপ! কিন্তু আমরা কেউ চিন্তাশীল নই! আমরা মানুষের হারাম সম্পর্ক দেখে স্বপ্নের বীজ বুনি! হলিউড- বলিউড তারকাদের “রিলেশনশিপ উইথ অমুক” দেখে ভাবি হ্যাঁ “আমারও চাই”!!
-
সেলিনা-বিবার, এঞ্জলিনা- ব্র্যাড পিট লিভ টুগেদার দেখে ভাবি, “আহা! তারা কতই না সুখে আছে! কেন যে ইসলামে এসব হারাম করল বুঝি না!!” এসব আধুনিকতার art of living এর রঙিন পর্দাটাই আমরা শুধু দেখি! পর্দার আড়ালের কঙ্কালসার, কুড়ে কুড়ে ধ্বংস হওয়া জীবনবোধের গল্প আমরা কেউ জানিনা! আসুন কয়েকটা গল্প শুনি......
-
শুধু আমেরিকাতেই একজন পুরুষ বিয়ের আগে গড়ে ৮ জন নারীর সাথে সম্পর্কে জড়ায়! তাদের সবার সাথেই অবাধ যৌনসম্পর্ক থাকে। এরপর সে একটা বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সারে। এবং বিয়ের পরও দুই তিনটা অবৈধ যৌনসম্পর্ক থাকে একজন আমেরিকানের। ভারতের একটি পরিসংখ্যান ব্যুরো বলছে (৮-১০ বছর আগের, জাকির নায়িকের লেকচার থেকে) শুধু মুম্বাই শহরেই ৫০% মেয়ে স্কুল জীবন শেষ করার আগেই তাদের কুমারিত্ত হারায়! এখন ২০১৩!! সেই % টা কি এখন ১০০%?? কিংবা তার কাছাকাছি??? আর যেসব তারকার প্রেমের সম্পর্ক দেখে আমাদের আবেগ উদ্বেলিত হয়ে উঠে তাদের কিছু গল্পও শুনি......
-
বছর কয়েক আগে প্রেম করে বিয়ে করেন তিন্নি- হিল্লোল, নওশিন, প্রমিকের সাথে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন ন্যান্সি, জনপ্রিয় তারকা জুটি হিসেবে পরিচিত ছিলেন শওকত আলি ইমন- বিজরি, প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন আরেফিন রুমি, একবছর আগে প্রেম করে বিয়ে করেন কঙ্গনা সেন শর্মা- রনবির, সেলিনা গমেজ- বিবার কে দেখে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন অনেক টিনেজার, ❝গভীর ভালোবাসার❞ বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জন করতে সেক্স টেপ বানিয়েছিলেন প্রভা সেটা ছড়িয়ে পরে তার ক্যারিয়ারটাই শেষ, জনপ্রিয় আরজে নিরব একের পর এক মেয়ের সাথে সম্পর্কে জড়িয়ে তাদের সাথে প্রতারণা করেন_ এক লাইভ অনুষ্ঠানে যা এক মেয়ে এক কথায় প্রকাশ করেছেন এভাবে, “আর কইটা মেয়ের জীবন তুই নষ্ট করবি??” এরকম আরও অনেক......অনেক......অনেক.........
-
এগুলো তো প্রেমের গল্প! তারা অনেকেই বিয়েও করেছেন এই নিষিদ্ধ প্রেমকে পুঁজি করে। তার ফলাফলটা দেখবেন না?? আসুন দেখি......
-
তিন্নি- হিল্লোল, নওসিন-তার স্বামী ছাড়াছাড়ি! এখন প্রেমের ট্রায়ালে আছেন হিল্লোল- নওসিন!! ন্যান্সির ছাড়াছাড়ি! বিজরির সাথে ছাড়াছাড়ির পর অনেক মেয়ের সাথে প্রনয়ে জড়িয়েছেন ইমন! তার একজন তার বিরুদ্ধে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের অভিযোগে মামলা করেন! আরেফিন রুমির বিয়ে প্রথম স্ত্রীর সম্মতি নিয়ে বলে সবাই জানলেও সেটা ছিল তার নিষিদ্ধ পরকীয়ার ফল! বিয়ের পর প্রথম স্ত্রীর হাতে পায়ে ধরে সে তাকে রাজি করায়! (সুত্রঃ প্রথম স্ত্রীর রেডিও সাক্ষাৎকার)!! আর হলিউড, বলিউডের কথা বলার কোন দরকার মনে করছিনা!!
-
বোন! হিসাবটা সোজা! মহান আল্লাহ আমাদের জন্য যা নির্ধারণ করেছেন সেখানেই কল্যাণ আর প্রশান্তি লুকায়িত আছে! আর যা থেকে বিরত থাকতে বলেছেন তা অমান্য করায় আছে এই দুনিয়ায় ক্ষতি, লাঞ্ছনা, অসম্মান আর আখিরাতেও কঠিন শাস্তি! এই অবৈধ প্রেমের সম্পর্ক, মোবাইল ফোনে ঘণ্টার পর ঘণ্টা কথা বলা, একসাথে ঘুরতে যাওয়া, long drive ( মতান্তরে s*x drive) অন্ধকার কফি শপ!! অতি সহজ ভালোলাগা থেকে শুরু করে দুইটা শরীর কাছাকাছি আসলে দুর্বল চিত্তের অতি স্বাভাবিক শরীরের চাহিদা চরিতার্থ করার প্রয়াস আসবেই।
-
আপনি বা আমরা কেউই “innocent intention” এর দোহাই দিয়ে এই চাহিদাকে হালকা করতে পারবনা! একটি হারাম রিলেশন যেখানে আস্থা, বিশ্বাস, শ্রদ্ধাবোধ, প্রশান্তির চেয়ে বেশী থাকে সন্দেহ, শরীরকেন্দ্রিক ভোগবাদী চিন্তা, মানসিক উত্তেজনা আর ধীরে ধীরে আত্মিক অবক্ষয়! আমরা আমাদের চারপাশে এগুলোই দেখে এসেছি, এখনো দেখছি আর ভবিষ্যতেও দেখব! আর তাই ইসলাম দুইজন নারী পুরুষকে বিয়ের পবিত্র বন্ধনে বেঁধে তাদের শারীরিক, আত্মিক পবিত্রতা নিশ্চিত করে! একজন স্ত্রী, একজন স্বামী একে অপরের প্রতি শ্রদ্ধাবোধ, আস্থা, বিশ্বাসে যে সম্পর্ক তৈরি করে সেখানেই আছে যথার্থ tranquility!!
-
একজন গার্লফ্রেন্ড তার বয়ফ্রেন্ডের হাত ধরে যতটা অনিশ্চিয়তা নিয়ে ভাবে, “ও কি সত্যিই আমাকে ভালবাসে??” একজন স্ত্রী তার স্বামীর হাত ধরে ততটাই আস্থা আর বিশ্বাসের সাথে ভাবতে পারে, “He is mine”!! একজন গার্লফ্রেন্ড যতটা অনিশ্চয়তা, ভয় আর আত্মসম্মানের হুমকি নিয়ে একজন বয়ফ্রেন্ডের সাথে অবৈধ শারীরিক সম্পর্কের দিকে যায় , একজন স্ত্রী ঠিক ততটাই আস্থা আর আত্মবিশ্বাস নিয়ে ভাবতে পারে তার স্বামী তার পবিত্রতার সঙ্গী, তার স্বামী তার অনাগত সন্তানের বাবা!!
-
ইসলাম এভাবেই সুন্দর! এভাবেই পবিত্র! এভাবেই শরীর মনের ক্ষতি রোধ করে! এভাবেই দুইজন নারী পুরুষকে একেবারে আপন করে দেয়! তার জন্য কোন হারাম সম্পর্ক দরকার পড়েনা! মিথ্যার মায়ায় সান্ত্বনা খোঁজার দরকার পড়েনা!!
-
# আপনার এই প্রশ্নটা আমাদের সবার জন্যই লজ্জার! কিছু ইসলামের লেভেলধারী কুপ্রবৃত্তির পূজারির কার্যকলাপের কারণে প্রতিনিয়ত ইসলামকে অপমানিত হয়ে হয়! একটা কথা মনে রাখবেন, মানুষকে দিয়ে ইসলামকে বিচার করবেন না__ ইসলামকে দিয়ে মানুষকে বিচার করবেন! আমার এতক্ষণের আলোচনা থেকে নিশ্চয় আপনি এটা বুঝতে পেরেছেন যে আপনি যাদের দেখেছেন তারা নিষিদ্ধ কাজ করছে। ইসলাম নিয়ে জানার দরকার পড়েনা আমরা স্কুলে বিদায় হজ্জের ভাষণ পড়েছি! যেখানে রাসুল (সাঃ) বলে গিয়েছেন, “আমি তোমাদের কাছে দুইটা জিনিস রেখে যাচ্ছি, কুরান আর সুন্নাহ (রাসুল (সাঃ) এর হাদিস)”!
-
সুতরাং ইসলামে কোনটা সঠিক আর কোনটা বেঠিক আমরা তা কুরান সুন্নাহ থেকে শিখব কোন মানুষকে দেখে নয় হোক তারা নিজেদের পরেহেজগার বলে জাহির করে!
-
# আপনার এই প্রশ্নটা খুবই interesting! আমরা কি পছন্দের মানুষের জন্য দোয়া করতে পারব?? অবশ্যই আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করতে পারবেন যেন আপনার জোড়ার সাথে বিয়ের পবিত্রতায় আবদ্ধ হতে পারেন! আপনার জন্য নির্ধারিত মানুষটি যেন সৎ, তাকওয়াবান হয়! সে যেন আপনার হৃদয়ে প্রশান্তির বার্তা নিয়ে আসে! But it doesn’t mean that আপনি একটার পর একটা সম্পর্কে জড়াবেন আর প্রত্যেকজনকে আপনার জোড়া ভাববেন!! নিজের নফসকে সংযত করে , নিজের প্রতি, আল্লাহর প্রতি সৎ থেকে আপনি অপেক্ষা করবেন! আপনি যদি নিজের সততা বজায় রাখতে পারেন তাহলে আশা করা যায় আপনার জোড়াও সংযম অবলম্বন করে আপনার অপেক্ষায় থাকবে। আপনি সেই পুরুষটির জন্য সততার ভিত্তিতে প্রস্তুতি নেন ইনশাআল্লাহ মানুষটিকে আল্লাহই আপনার কাছে পৌঁছে দেবেন!
-
Allah has already written the name of your spouse for you. What you need to work on is your relationship with ALLAH (swt). He will send him to you when you are ready. It is only matter of time.
-
আর যদি চান আপনার মানুষটি সৎ আর ভাল হবে তাহলে আপনাকেও তা অর্জন করতে হবে। কারন আল্লাহ স্পষ্ট করেই বলেছেন...
-
❝(জেনে রেখো) নষ্ট নারীরা হচ্ছে নষ্ট পুরুষের জন্য, নষ্ট পুরুষরা হচ্ছে নষ্ট নারীদের জন্য, (আবার) ভাল নারীরা হচ্ছে ভাল পুরুষদের জন্য, ভাল পুরুষরা হচ্ছে ভাল নারীদের জন্য, (মোনাফেক) লোকেরা (এদের সম্পর্কে) যা কিছু বলে তারা তা থেকে পাক পবিত্র; (আখিরাতে) এদের জন্যই রয়েছে ক্ষমা ও সম্মানজনক রেযেক❞।
-
[আন নুরঃ ২৬]
-
তোমার পালনকর্তা আদেশ করেছেন যে, তাঁকে ছাড়া অন্য কারও এবাদত করো না এবং পিতা-মাতার সাথে সদ্ব-ব্যবহার কর। তাদের মধ্যে কেউ অথবা উভয়েই যদি তোমার জীবদ্দশায় বার্ধক্যে উপনীত হয়; তবে তাদেরকে ‘উহ’ শব্দটিও বলো না এবং তাদেরকে ধমক দিও না এবং বল তাদেরকে শিষ্ঠাচারপূর্ণ কথা। সূরা বনি ঈসরাঈল -২৪,
-
আল্লাহ্‌ তালা আরো বলেন --
-
তাদের সামনে ভালবাসার সাথে, নম্রভাবে মাথা নত করে দাও এবং বলঃ হে পালনকর্তা, তাদের উভয়ের প্রতি রহম কর, যেমন তারা আমাকে শৈশবকালে লালন-পালন করেছেন। সূরা বনি ঈসরাঈল -২৪
-
আবু মুহাম্মদ জুবাইর ইবনে মুত্বইম (রাদ)থেকে বর্ণিত --রসূল (স) বলেছেন ছিন্নকারী জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।সুফিয়ান তার বর্ণনায় বলেন-- অর্থাৎ আত্তীয়তার ছিন্ন সম্পর্ক কারী ।
-
[বুখারী -৫৯৮৪/মুসলিম -২২৫৬/ত্রিরিমিজি -১৯০৯]
-
আবু ঈসা মুগীরা বিন শুবাহ (রাদ) কর্তৃক বর্ণিত ,নবী (স) বলেছেন -অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্য (তিনটি কর্মকে) হারাম করেছেন -মায়ের অবাধ্যচারণ করা,অধিকার প্রদানে বিরত থাকা ও অনধিকার কিছু প্রার্থনা করা এবং কন্যা জীবন্ত পোথিত করা।আর তিনি তোমাদের জন্য অপছন্দ করেছেন (তিনটি কর্ম) ভিত্তিহীন বাজে কথা বলা ,অধিক অনাবশ্যক প্রশ্ন করা এবং ধন মাল বিনষ্ট করা।
-
[বুখারী ও মুসলিম -৫৯৭৫ /আবু দাউদ -১৫০৫,]
-
❝বেভিচারি পুরুষ কেবলবেভিচারিনী নারী অথবা মুশরিক নারীকে বিয়ে করে এবং বেভি চারিনীকে কেবল বেভাচারি অথবা মুশরিক পুরুষ বিয়ে করে এবং এদের কে মুমিন দের জন্য হারাম করা হয়েছে। ❞
-
[সুরা আননুর-৩]
-
অনেক কথা বলে ফেলেছি। অনেক কথাই আপনি জানতে চাননি আমি নিজ থেকেই বলেছি একটা পরিপূর্ণ সমাধানমূলক উত্তর দেওয়ার জন্য। হয়তো আপনি আমার সব কথা বুঝতে পেরেছেন, হয়তো বুঝতে পারেননি, হয়তো একদিন বুঝতে পারবেন ইনশাআল্লাহ। আল্লাহ যেন আমাদেরকে ইসলামের সমাধান মেনে নেওয়ার আর এতে আস্থা রেখে হেফাজতে থাকার তৌফিক দিন। আমরা যেন সাময়িক সুখ আর আবেগের কাছে এই দুনিয়া আর আখিরাতের যথার্থ প্রশান্তি নষ্ট না করি!
________________________________________

06/11/2023

🌍চাকুরির আগে প্রেম করতাম না, কারণ চাকুরির অভাবে মেয়ের পরিবার যদি অন্য কোথাও বিয়ে দিয়ে দেয়।
🌍চাকুরি পাওয়ার পর প্রেম করিনা যদি সময়ের অভাবে মেয়েটা অন্য কারো কাছে চলে যায়।

29/10/2023

আজকে যেখানে ফিলিস্তিনি জনগণ আছে, সেখানে আপনার মা-বাবা ভাই-বোন। সন্তান থাকলে কি বসে থাকতে পারতেন?

27/10/2023
*রুমালটিকে আরবিতে বলা হয় كُوفِيَّة আর  ইংরেজিতে বলে keffiyeh or kufiyya*আরব-বিশ্বে কুফিয়াহ বা কেফিয়েহ-র ব্যাপক প্রচলন থা...
26/10/2023

*রুমালটিকে আরবিতে বলা হয় كُوفِيَّة আর ইংরেজিতে বলে keffiyeh or kufiyya

*আরব-বিশ্বে কুফিয়াহ বা কেফিয়েহ-র ব্যাপক প্রচলন থাকলেও ছবির বিশেষ কারুকার্য-শোভিত কুফিয়াটি ফিলিস্তিন-সংগ্রামের বিশেষ তাৎপর্য বহন করে। এটির কারুকার্যের ব্যাখ্যা নিম্নরূপ–

• জলপাই পাতা শক্তি এবং অবিচলতার প্রতীক।
• মাছধরার জাল ফিলিস্তিনি নাবিক এবং সমুদ্রের মধ্যকার দৃঢ় সম্পর্কের প্রতিনিধিত্ব করে।
• রাস্তাটি যুগে যুগে বিভিন্ন বাণিজ্যিক কাফেলা এবং সংস্কৃতির মিলনস্থলের প্রতিনিধিত্ব করে।

কৃতজ্ঞতা :- হুযাইফা কাসীম

Nature Knows Best !
22/10/2023

Nature Knows Best !

বর্তমানে আমরা অনেকেই বায়তুল মোকাদ্দাস বা আল আকসা মসজিদ বলতে সোনালী রঙের গম্বুজ ওয়ালা স্থাপনাকেই বুঝি। আসলে মসজিদে আল-আকস...
17/10/2023

বর্তমানে আমরা অনেকেই বায়তুল মোকাদ্দাস বা আল আকসা মসজিদ বলতে সোনালী রঙের গম্বুজ ওয়ালা স্থাপনাকেই বুঝি। আসলে মসজিদে আল-আকসা কোনটা আমাদের মধ্যে ৯০ ভাগ মুসলমানই জানিনা।
১. লাল রঙে বেষ্টিত জায়গাটি আল-আকসা মসজিদের বিস্তৃত মাঠ। বলতে গেলে পুরো কম্পাউন্ড টাই আল আকসা এর।
২. কালো রঙে বেষ্টিত স্থাপনাটি আমাদের প্রথম কিবলা মাসজিদুল আকসা।
৩. আর সবাই যেটাকে আল আকসা ভাবেন, নীল রঙে বেষ্টিত স্থাপনাটি মাসজিদে কুব্বাতুস সাখরা। যাকে ইংলিশে বলে (Dome of the Rock)
গুগল ম্যাপে গিয়েও দেখতে পাবেন।
আপনারা খেয়াল করবেন আল-আকসা সম্পর্কিত যেকোনো খবরে সবসময় কুব্বাতুছ সাখরা এর ছবি দিয়ে প্রকাশ করে থাকে, আল আকসা মসজিদের ছবি দিয়ে প্রকাশ করে না। এর কারণ কি জানেন? এটি হচ্ছে ই-হু-দী-দের একটি ষড়যন্ত্র। তাদের পরিকল্পনা হচ্ছে আল- আকছা মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে দাজ্জালের জন্য Third Temple বানানো। তাই সকল সংবাদ মাধ্যমে আল আকসা সম্পর্কিত সকল খবরে কুব্বাতুছ সাখরা কে দেখায়, যেনো সকল মুসলমানরা মনে করে যে কুব্বাতুছ সাখরাই হলো আল আকসা মসজিদ এবং ইহুদীরা এই সুযোগে আসল আল আকসা মসজিদ ভেঙ্গে সেখানে নিরবে দাজ্জালের জন্য Third Temple বানাবে। তাই প্রচার করুন আসল আল আকসা মসজিদের ছবি, কুব্বাতুস সাখরা নয়।
আপনার সন্তানকে আল-আকসা, কুদস ও ফিলিস্তিন বিষয়ে সচেতনতা শিক্ষা দিন। আপনি নিজেও শিখুন, জানুন।
সোস্যাল মিডিয়ায় হলুদ গম্বুজ এর নীল মসজিদ দেখে সেটাকে আল আকসা না বলে একটু ভেবে খোঁজ নিন। প্লিজ
নতুন প্রজন্মকে চিনিয়ে দিন ,
আল-আকসা আমাদের প্রথম কিবলা,
এটি ইসরা ও মিরাজের স্মৃতি বিজরিত পূণ্যভূমি।
তাদের বুঝতে দিন, আল-আকসার প্রতি ভালবাসা স্থাপন আমাদের ঈমানের অংশ, আমাদের ইবাদাতের অংশ।
তাদের জানিয়ে দিন, আল-আকসা দখলদারদের হাতে ছেড়ে দেয়া আল্লাহ, রাসুল সা. ও পবিত্র ধর্ম ইসলামের সঙ্গে প্রতারণা।
শেয়ার করে জানিয়ে দিন সম্ভব হলে।

ভার্সিটি থেকে ফিরে বাসায় ঢুকতেই বাবার চিৎকার শুনতে পেলাম। বাবা বলছে " এজন্যই বেঈমানদের সঙ্গে কোনদিন সম্পর্ক রাখতে চাইনি।...
16/10/2023

ভার্সিটি থেকে ফিরে বাসায় ঢুকতেই বাবার চিৎকার শুনতে পেলাম।
বাবা বলছে " এজন্যই বেঈমানদের সঙ্গে কোনদিন সম্পর্ক রাখতে চাইনি। আমার মেয়ে সবসময় ঠিকই বলতো, এতটা বিশ্বাস করা উচিত ছিল না। ''

আমি সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারলাম আমাদের দু'ভাইবোন এর পরিকল্পনা সাকসেসফুল হয়েছে। আমার ছোটভাই আর আমি মিলে আমাদের বাসার চিলেকোঠায় স্থান নেওয়া বাবার বন্ধুর ছেলেকে তাড়ানোর যে প্ল্যান করেছি সেটা একদম সফল হয়ে গেছে।

আমি পুষ্প রাহমান।
মাস খানিক আগে হঠাৎ করেই গ্রাম থেকে এসে দখল করে নেয় আমাদের চিলেকোঠা। ছেলেটার প্রতি সেই প্রথম থেকেই আমাদের খুব রাগ ছিল। তারপর যখন দিনদিন তার প্রতি বাবার আদর আপ্যায়ন বাড়তে দেখলাম তখন সেই রাগ আরো শতগুণে বেড়ে গেল। তার সঙ্গে একটু রাগ দেখিয়ে কথা বললেই বাবা আমাদের বকাবকি করতেন।

বাইরের একটা মানুষের জন্য নিজের বাবার কাছে বকা শুনতে হবে এটা কখনো ভাবিনি। তারপর থেকে প্ল্যান ছিল একে যেভাবেই হোক তাড়িয়ে দিতে হবে। ছেলেটার নাম ছিল আরিফ।

গতকাল রাতে একটা বুদ্ধি করলাম।
বাবার মোবাইলের বিকাশ একাউন্টে ৩০ হাজার টাকা ছিল।

- আমি আরিফের কাছে গিয়ে বললাম, আমার এক বন্ধু আমাকে টাকা পাঠাবে। আপনার মোবাইলে কি বিকাশ একাউন্ট আছে?

- জ্বি আছে।

- তাহলে আপনার নাম্বারে টাকাটা দিতে বলি। আপনি আমাকে তুলে দিবেন।

আরিফ আমার ভালো ব্যবহার দেখে অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। তারপর সম্মতি দিয়ে তার মোবাইল আমার হাতে দিয়ে বললো " কললিস্টে পাসওয়ার্ড সেভ করা আছে, আপনি টাকা এনে আবার নিজে বের করে আমাকে মোবাইল ফেরত দিয়েন। আমার বিকাশে কোনো টাকা নেই। "

আমার কাজটা সহজ হয়ে গেল, আমি বাবার মোবাইল দিয়ে বাবার ৩০ হাজার টাকা আরিফের নাম্বারে সেন্ট মানি করলাম। তারপর ছোটভাইকে দিয়ে আরিফের মোবাইল পাঠিয়ে দিলাম বাহিরে। আমাদের বাসা থেকে কিছুটা দুরে নতুন একটা দোকান চালু হয়েছে। সেই দোকানে গিয়ে আমার ছোটভাই টাকা ক্যাশআউট করে নিয়ে এলো।
আমি আরিফের মোবাইল থেকে সবগুলো এসএমএস ডিলিট করে তার মোবাইল ফিরিয়ে দিলাম।

রাত নয়টার দিকে বাবা তার মোবাইলের টাকা আর খুঁজে পাচ্ছে না। আমি এবং ছোটভাই আকাশ থেকে পড়ার মতো অবস্থা এমন ভাব করলাম। মা কিছু জানে না তাই সে নির্বিকার হয়ে দাঁড়িয়ে আছে।

হঠাৎ করে ছোটভাই বললো,
- বাবা কত টাকা ছিল?

- বাবা বললো, ৩০ হাজারের একটু বেশি।

- বাবা আমি সন্ধ্যা বেলা আরিফ ভাইকে দেখলাম সামনের নতুন ফ্লেক্সিলডের দোকান থেকে ৩০ হাজার টাকা ক্যাশ আউট করেছে।

- বলিস কি? ও এতো টাকা পাবে কোথায়?

- আমি বললাম, নিশ্চয়ই তোমার মোবাইল দিয়ে নিজের মোবাইলে নিয়েছে তারপর নিজের মোবাইল থেকে সেই টাকা বের করেছে।

এরপর আমার ছোটভাই বাবার মোবাইল নিয়ে সেখান থেকে মেসেজ চেক করে বাবাকে দেখালেন। আরিফের সেই নাম্বার বাবা চিনতে পারলেন। আরিফকে ডেকে এনে জিজ্ঞেস করা হলে সে আমার দিকে ফ্যালফ্যাল করে তাকিয়ে রইল।

আমার ছোটভাই প্রমাণ করে দিল যে বাবার নাম্বার দিয়ে আরিফের নাম্বারে টাকা গিয়েছে। তারপর সেই টাকা নিশ্চয়ই সে বের করে নিয়েছে।
নিশ্চয়ই কোনো এক ফাঁকে তোমার পিনকোড জেনে নিয়েছে বাবা।

বাড়ির সকালের সামনে আরিফ অসহায় হয়ে দাঁড়িয়ে রইল। এই প্রথম তার জন্য সামান্য মায় অনুভব করলাম।

বাবা সবাইকে যার যার রুমে চলে যাবার হুকুম দিয়ে সোফায় চোখ বন্ধ করে বসে রইল। আরিফ আমার দিকে শেষ বারের মতো তাকিয়ে মাথা নিচু করে ঘর থেকে বেরিয়ে সিড়ি দিয়ে চিলেকোঠায় চলে গেল। চিলেকোঠার রুমে তাকে থাকতে দেবার কারণ ছিল যে সে পারমানেন্ট থাকবে। আমাদের ফ্ল্যাটে তিনটা বেডরুম, মা-বাবা একটা রুমে আর আমরা দু ভাইবোন দুটো রুমে থাকি।

সকাল বেলা উঠে আমি ভার্সিটিতে চলে গেলাম তাই আর কিছু জানতাম না। কিন্তু বাসায় ফিরে বাবার চেচামেচি শুনে মাকে জিজ্ঞেস করে জানতে পারলাম,
সকাল বেলা আমাদের কাজের লোকটা ছাঁদে গিয়ে আরিফকে পায়নি। বিছানার উপর একটা চিঠি লিখে সে পালিয়ে গেছে। চিঠিতে সে লিখে গেছে, " আঙ্কেল আমাকে ক্ষমা করবেন। খুবই অপ্রত্যাশিত ঘটানোর জন্য আপনার কাছে আমি হাতজোড় করে মাফ চাই। "

দ্বিতীয়বারের জন্য লোকটার প্রতি অবিচার করার অনুতপ্ততা অনুভব করলাম।

★★

বিকেলে বাহির থেকে ফিরছিলাম। দারোয়ান কাকা আমাকে ডেকে বললেন,

- ছাদে যে ছেলেটা থাকতো সে আজ সকাল বেলা যাবার সময় একটা চিঠি দিয়ে গেছে।

- বললাম, হ্যাঁ জানি। চিঠিটা বাবার কাছে।

- আমি সেই চিঠির কথা বলছি না। তিনি আপনার জন্য স্পেশাল একটা চিঠি দিয়ে গেছে, বলেছেন যে এটা যেন একমাত্র আপনার হাতে দেই।

আমি অবাক হলাম। চিঠি নিয়ে দ্রুত নিজের রুমে চলে এলাম। তারপর দরজা বন্ধ করে তাড়াতাড়ি সেই চিঠি বের করে পড়তে শুরু করলাম।

পুষ্প...

জীবন কোনো নাটক সিনেমা নয়। তবে জীবনে নাটক সিনেমার চেয়েও খুব করুণ কিছু ঘটনার জন্ম হয়। আমরা সেই কঠিন বাস্তবতা মেনে নিতে পারি না বলেই নাটক সিনেমা নিজেদের মতো করে সাজিয়ে তৈরি করি।
জীবনটা ফাল্গুনী মুখোপাধ্যায়ের সেই শাপমোচন উপন্যাস নয়। যেখানে মাধুর মতো কোনো কোমল মনের মেয়ে এসে যুক্ত হবে। তারপর পরিবর্তন করে দেবে সেই ছেলেটার জীবন।

মফস্বল শহর থেকে পড়াশোনা শেষ করে এই শহরে এসেছিলাম। পরিচিত আত্মীয়ের সংখ্যা নেহাৎ কম নয় তবুও তোমাদের কাছে আমি উঠেছিলাম। কারণ আঙ্কেল চেয়েছিলেন আমি তোমাদের বাড়িতে থাকি। তাছাড়া নির্দিষ্ট কোনো চাকরি হচ্ছিল না তাই কোন যায়গা বাসা নেবো সেজন্য আপাতত থাকা৷ চাকরি হলে ঠিকই চলে যেতাম অনেক আগেই।

বাড়িতে প্রবেশ করার পর থেকে তোমার চোখের বিষ ছিলাম আমি। সবসময় তোমাকে এড়িয়ে চলতে চেষ্টা করতাম। একসঙ্গে বসে খাবার খেলে তুমি অস্বস্তি প্রকাশ করতে তাই আর কখনো একসঙ্গে খেতে যাইনি। কাজের লোকটাকে বলে দিতাম খাবার নিয়ে রুমে যেতে।
তবুও আমাকে তাড়ানোর জন্য তোমার হাজারো চেষ্টা চলেছে। আমি মাঝে মাঝে গভীর রাতে ছাঁদে দাঁড়িয়ে ভাবতাম আমার অপরাধ কি ছিল?

আমার জন্য তোমার বাবার কাছে তোমরা দুজন মিলে অনেক বকাবকি সহ্য করেছ। সেজন্য আমি তোমাদের কাছে ক্ষমাপ্রার্থী।
আঙ্কেল হয়তো আমাকেও তোমাদের মতো নিজ সন্তান মনে করতেন। তাই তোমাদের সমান আদর আমাকেও করতেন। তাছাড়া আমার মা-বাবা কেউ জীবিত নেই, দুজনেই পরপারে।

তোমার মা-বাবা আছে, তুমি পৃথিবীর সুখী কিছু মানুষের মধ্যে একজন। যার মা-বাবা নেই তার কাছে এই পৃথিবী কতটা হাহাকার সেটা কখনো বোঝানো যায় না।
একটা অনুরোধ রইল,
" আঙ্কেল আন্টির সঙ্গে কখনো খারাপ ব্যবহার করবে না। মা-বাবা হচ্ছে সৃষ্টিকর্তার দেওয়া শ্রেষ্ঠ উপহার। তবে কিছু কিছু মা-বাবার ভুলের জন্যও মাঝে মাঝে অনেক সন্তান কষ্ট ভোগ করে। তবে দিনশেষে তারা তোমার মা-বাবা। "

গতকাল রাতে তুমি এভাবে আমাকে অপমান করবে ভাবিনি। সারারাত ছাঁদে দাঁড়িয়ে দাঁড়িয়ে ভাবলাম তোমার অনেক পরিকল্পনা আছে। আমাকে তাড়ানোর আগ পর্যন্ত তুমি নতুন নতুন পরিকল্পনা করবে। কিন্তু সেগুলো প্রায়ই ভুল এবং অপরাধ, যেমন গতকাল রাতের ঘটনা।

আমার এই পালিয়ে চলে যাওয়া এবং তোমার জন্য চিঠি লেখার একটাই উদ্যেশ্য। সেটা হচ্ছে তোমার ভিতর থেকে খারাপ অভ্যাস গুলো খু'ন করে ফেলা। তুমি খুব ভালো একটা মেয়ে, হয়তো আমার জন্য এমন নিকৃষ্ট কাজ করতেও তুমি দ্বিতীয়বার ভাবোনি।

আমার চিঠি পড়ে যদি তোমার মধ্যে অনুশোচনা কাজ করে তাহলে তুমি হয়তো আমাকে খুঁজবে। তোমার কাছে অনুরোধ, সেটা কখনো করো না।
আমি চাই এ জীবনে আমাদের আর দেখা না হোক, তুমি ভালো থেকো সবসময়।

আমি চাইলে আঙ্কেলের কাছে সবকিছু সত্যি প্রমাণ করতে পারতাম। কারণ সত্যের জয়, অবশ্যই হয়।
কিন্তু তাহলে একজন আদর্শবান পিতার কাছে তার সন্তান হয়ে যেত অপ্রিয়। একটা সুখের সংসারে নেমে আসতো আঁধারের ছায়া, যেটা আমি চাই না।

আমি একটা ভাসমান শেওলা, জীবন চলার পথে তোমাদের ঘাটের এসে ভিরেছিলাম। গোসল করতে এসে তুমি আমাকে বিরক্ত ভেবে ঠেলে দিলে স্রোতের সাথে। আমি ভাসমান তাই আবারও ভাসবো অবিরাম। কোনো এক ঘাটে ঠাঁই হবে কিছু সময়ের জন্য।

ইতি
আরিফুল ইসলাম।

(সমাপ্ত)

ছোটগল্পঃ- ভাসমান জীবন।
মোঃ আবীদ আবরার

13/10/2023

উপরে উঠার পরামর্শ সবাই দিবে কিন্তু সহযোগীতা কেউ করবে না। নিজের পথ নিজে পাড়ি দিতে হবে। মাসুদ

একটা ছেলে রাতের বেলা মেসেজ দিছে,  "ভাই কথা বলতে চাই প্লিজ, প্লিজ। "রাতের বেলা কারো সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না!  একটা মেয়...
13/10/2023

একটা ছেলে রাতের বেলা মেসেজ দিছে, "ভাই কথা বলতে চাই প্লিজ, প্লিজ। "

রাতের বেলা কারো সাথে কথা বলতে ভালো লাগে না! একটা মেয়ে হলে আলাদা কথা ছিলো। গভীর রাতে ছেলে মানুষের সাথে চ্যাট করতে কার ভালো লাগে!

ছেলেটা বারবার মেসেজ দিয়েই যাচ্ছে।

"প্লিজ ভাইয়া, প্লিজ।"

আমি মেসেজ দিলাম। "কে আপনি?"

"আমি আপনার অনেক বড়ো একজন ফ্যান ভাই। আপনার লেখা অসম্ভব ভালো লাগে! আপনার প্রতিটা লেখা বহুবার করে পড়ি।"

কী দিন আসল খোদা! ছেলে ফ্যানরা রাতে ডিস্টার্ব করে!

"ধন্যবাদ। "

"ভাইয়া, একটা কথা বলতে চাই।"

"আচ্ছা বলুন কী বলবেন।"

"আমার একটা সাহায্য লাগবে। না করতে পারবেন না।"

রাতেরবেলা একটা ছেলেকে মোবাইলে কী সাহায্য করব। ঠিক বুঝতে পারছি না! ছেলেটা আবার গে টে নাতো? তাহলে মহা বিপদ! এর আগে একটা ছেলে আমার প্রেমে পড়ে গেছিল! ছেলেরা যে কী পরিমান বিরক্ত করতে পারে তখন আমি বুঝেছি। সেই ঘটনা আরেকদিন বলব।

একটু ভয়ে ভয়ে বললাম, "আগে বলুন শুনি।"

"আপনি কথা দিয়েছেন ভাইয়া। এখন কিন্তু না করতে পারবেন না।"

এখন আর বেশি ভয় লাগছে! এই ছেলে তো প্রেমিকার মতো আবদার করছে।

"বলুন তো ভাই, কী সমস্যা? "

"ভাই আমি একটা মেয়েকে ভালোবাসতাম। মেয়েটাও আমাকে খুব ভালোবাসত। মেয়েটার নাম আয়শা।"

একটা লম্বা শ্বাস ছাড়লাম। যাক মেয়েকে ভালোবাসে। ঘটনা অন্যদিকে যাওয়ার সম্ভবনা নাই।

"এতে সমস্যা কী হলো ভাই?"

ও ছেলেটার নাম বলা হয়নি! ওর নাম রবিন। বাড়ি রাজশাহী। সম্ভবত পড়াশোনা করে। সম্ভব বললাম কারণ এত কিছু জিজ্ঞেস করা হয়নি। প্রোফাইল ছবিটা দেখে বয়স অনুমান করে বললাম।

"আয়শাকে আমি প্রচন্ড ভালোবাসি।"

"আপনার প্রেমিকাকে আপনি ভালোবাসবেন এটাই স্বাভাবিক। এখানে আমি কী সাহায্য করতে পারি! "

"ভাই আয়শা আমার কল ধরে না!"

"আমি এখানে কী করব রে ভাই?"

"ভাই আপনি একটু আয়শার সাথে কথা বলবেন? প্লিজ, প্লিজ।"

"আয়শা আমার সাথে কেন কথা বলবে? কথা বললেও ও কেন আমার কথা শুনবে!"

"ভাই, আয়শা আপনার একজন বড়ো ফ্যান। ওই আমাকে আপনার লেখা পড়তে বলেছিল প্রথমে।"

ওরেব্বাস! আমার ফ্যানদের মাঝে প্রেম হয়ে যাচ্ছে! সেই প্রেম জোড়া লাগানোর দায়িত্ব আমাকে দেয়া হচ্ছে। এদিকে আমি এখনো সিঙ্গেল! ওদের না-কি অনলাইনে পরিচয়। রবিন আয়শার নাম্বারটা আমাকে দিলো।

আমি আয়শাকে কল দিলাম। দেখি রবিন ছেলেটার উপকার করা যায় কিনা। আয়শা কল রিসিভ করল প্রথমবারেই।

"হ্যালো।"

মেয়েটার গলাতো ভারি মিঠা! মেয়েটা দেখতে কেমন কে জানে! মনে হয় সুন্দরী হবে।

"আমি নাবিল।"

"কোন নাবিল।"

"আপনি কয়জন নাবিল কে চিনেন?"

"একজন নাবিল মাহমুদ কে চিনি। উনি খুব ভালো একজন লেখক। ওনার লেখা আমার খুব খুব ভালো লাগে! কিন্তু আপনি কোন নাবিল?"

আঃ! কী যে ভালো লাগল! আয়শা মেয়েটার কথা শুনে। নিজের প্রশংসা শুনতে খুবই ভালো লাগে! সে যদি হয় আবার একটা মেয়ের কাছ থেকে তাহলে তো কথায় নাই।

একটু ইতস্ততভাবে বললাম," আমিই লেখক নাবিল।"

ত্রিশ সেকেন্ড কোনো শব্দ হলো না। "ভাইয়া আপনি! আপনি আমাকে কল দিয়েছেন। বিশ্বাসই হচ্ছে না! সত্যি আপনিই নাবিল মাহমুদ? "

কী বলব ঠিক বুঝতে পারছি না। নিজেকে শাহরুখ খান মনে হচ্ছে!

"জি, আমিই সেই নাবিল।"

"ধুর! ফান করছেন তা-ই না? আপনি নিশ্চয়ই রুয়েল ভাই। এত মজা করেন না রুয়েল ভাই!"

"রুয়েল ভাইটা আবার কে?"

"আপনিই রুয়েল ভাই। গলা পরিবর্তন করে কথা বললেই ভাবছেন আমি বুঝতে পারব না।"

"আরে রুয়েল টুয়েল না। আমি নাবিল মাহমুদ বলছি।"

"সত্যি বলছেন "

"জি।"

"আপনি আমার নাম্বার পাবেন কোথায়?"

সত্যিটা বলা মনে হয় ঠিক হবে না। প্রথমে বুঝাতে হবে ওদের মধ্যে সমস্যাটা কি?

"ইচ্ছে থাকলে মানুষের নাম্বার জোগাড় করা কী খুব কঠিন নাকি?"

"হঠাৎ আমার সাথে কথা বলার ইচ্ছে হলো কেন!"

আমি কিছু বললাম না।

"বোঝতে পারছি। " বলেই একটু হাসল।

আয়শা মেয়েটা খুবই ভালো একটা মেয়ে। এমন একটা মেয়ের জন্য রবিনের পাগল হওয়াটা স্বাভাবিক। দুইজনের সম্পর্কটা ঠিক করে দিতে হবে। আয়শার সাথে কথা হয় টুকটাক। রবিনের কথাটা এখনো বলা হয়নি। খুব তাড়াতাড়ি বলে দায়িত্বটা শেষ করে ফেলতে হবে।

রবিন একদিন মেসেজ দিলো, "ভাই কথা বলছেন আয়শার সাথে? "

"একদিন বলছিরে ভাই। হুট করে তোমার কথা বলা যায় না। একটু অপেক্ষা করো। তোমাদের সমস্যা ধরে নিই। চিন্তা করো না। "

দশদিন পরে রবিনের মেসেজ। "ভাই, আমি তো শেষ!"

"আবার কী হলো?"

"ভাই, আয়শা আগে আমার কল ধরত না। এখন তো আমাকে ব্লক করে দিছে! "

"বলো কী! তোমাদের সম্পর্কও তো ঠিক হয়ে যাওয়ার কথা। আমি তোমার সম্পর্কে বলেছি আয়শাকে।"

"ভাই, আরেকটু বুঝিয়ে বলেন। আপনার কথা ও শোনবে।"

"কী ঝামেলা বলো তো।"

"প্লিজ ভাই,আমার জন্য একটু কথা বলেন।"

"আচ্ছা দেখি কী করা যায়।"

মাসখানেক পরে রবিনের মেসেজ। ওদের সম্পর্ক মনে হয় ঠিক হয়ে গেছে।

"কী খবর রবিন।"

"ভাই আমি পুরো শেষ! "

"কেন!"

"ভাই আয়শা আমাকে ফেসবুকে ব্লক করেছে! ওর নাম্বারও পরিবর্তন করে ফেলেছে! আমি ওর সাথে কোনো যোগাযোগ করতে পারছি না!"

"কী বলো এ সব!"

"ভাই আপনি একটু দেখেন।"

"কেমনে কী! ওর নতুন নাম্বার আমি পাব কোথায়? "

"সেটাও তো ঠিক। দেখি ভাই নতুন নাম্বারটা জোগাড় করতে পারলে আপনাকে দিবো।"

"আচ্ছা ঠিক আছে রবিন। তোমার জন্য আমার খুব কষ্ট হয়! চিন্তা করো না সব ঠিক হয়ে যাবে।"

কিছু পেতে হলে কিছু হারাতে হয়। এ কথাটা এখন বোঝলাম। আয়শার মতো একটা গার্লফ্রেন্ডকে পেতে রবিনের মতো একটা ফ্যানকে ব্লক করতে হলো! আহারে! ছেলেটা আমার সব লেখায় কমেন্ট করত!

আয়শা আসলেই খুব সুন্দরী! মেয়েটা খুব কেয়ারফুল। আঃ! প্রেমে এতো মজা জানা ছিলো না! আমরা সিদ্ধান্ত নিলাম একদিন দেখা করবো। এখন আমাদের মাঝে ভিডিও কলে কথা হয়। ইদানিং আমাদের মাঝে একটু সমস্যা হয়েছে!

আমার পরিচিত একজন লেখক আছে সোহাইল রহমান। ভাইয়ের লেখা আমার খুবই ভালো লাগে! ভাইয়ের লাখ লাখ ফলোয়ার। ভাইয়ের সাথে মাঝেমধ্যে কথা টথা হয়। আমার লেখা সম্পর্কে পরামর্শ টরামর্শ দেয়। ভাবলামা ভাইয়ের সাথে একটু কথা বলি। ভাই তো আবার এ সব প্রেমের গুরু বলা যায়। যদি কোনো পরামর্শ পাওয়া যায়। এতদিন পরে একটা গার্লফ্রেন্ড পাইছি! সেটাই যদি ধরে রাখতে না পারি তাহলে হবে। এত বাংলাদেশের স্বাধীনতার মতো অবস্থা হবে শুধু পেয়েছি। ভোগ করা হয়নি!

"সোহাইল ভাই কেমন আছেন? "

"ভালো, কী খবর নাবিল?"

"আছি ভালোই। "

"তোমার লেখা পড়লাম। বেশ ভালো লাগছে! চালিয়ে যাও।"

"ধন্যবাদ ভাই। ভাই একটা কথা জিজ্ঞেস করবো?"

"বলো "

"আয়শা নামে কাউকে চিনেন?" ভাইয়ের লেখায় দেখি মেয়েটা সুন্দর সুন্দর কমেন্ট করে।

"কী ব্যাপার নাবিল! তুমি আমার গার্লফ্রেন্ডের কথা জিজ্ঞেস করছ!"

————————————————————★
❣️❣️ সমাপ্ত ❣️❣️
————————————————————★
©️

✍️Nabil Mahmud

হে মুসলিম শাসকরা! মনে করবেন না, আল্লাহ ছেড়ে দিবেন আপনাদের। হাশরের ময়দানে ফিলিস্তিনিদের পাশে না দাঁড়ানোর কড়া কৈফিয়ত কিভাব...
12/10/2023

হে মুসলিম শাসকরা! মনে করবেন না, আল্লাহ ছেড়ে দিবেন আপনাদের। হাশরের ময়দানে ফিলিস্তিনিদের পাশে না দাঁড়ানোর কড়া কৈফিয়ত কিভাবে দিবেন আপনারা? লাখ ডলার খরচ করে মরুভূমিতে আকাশছোঁয়া অট্টালিকা তৈরি ক্ষমতা হয়ত আছে আপনাদের। কিন্তু মসজিদে আল আকসাকে ইসরায়েলিদের কবল থেকে মুক্ত করার সক্ষমতা আপনাদের নেই। আর নিপীড়িত ফিলিস্তিনিদের পাশে দাঁড়ানো তো পরের কথা। আফসোস!

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Masud Talokder posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Masud Talokder:

Share