Ali Akbar

Ali Akbar Public figure

10/03/2026

চশমা কোথায় পাইলিরে কাদিরা?

08/03/2026
এক রাতে হাম্মাদ আল-মাক্কী রহ. মক্কার কবরস্থানের দিকে গেলেন। সেখানে ক্লান্ত হয়ে একটি কবরের পাশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন। ত...
08/03/2026

এক রাতে হাম্মাদ আল-মাক্কী রহ. মক্কার কবরস্থানের দিকে গেলেন। সেখানে ক্লান্ত হয়ে একটি কবরের পাশে মাথা রেখে ঘুমিয়ে পড়লেন।

তিনি স্বপ্নে দেখলেন, কবরস্থানের বাসিন্দারা সবাই গোল হয়ে বসে আছে। তিনি অবাক হয়ে ভাবলেন, "হয়তো কেয়ামত শুরু হয়ে গেছে!"

তিনি তাদের জিজ্ঞেস করলেন, "কেয়ামত কি শুরু হয়ে গেছে?"

তারা উত্তরে বলল, "না, কেয়ামত শুরু হয়নি। তবে জীবিতদের মধ্যে থেকে আমাদের এক ভাই 'সূরা ইখলাস' পাঠ করে তার সওয়াব আমাদের নামে হাদিয়া করেছেন। আমরা গত এক বছর ধরে সেই সওয়াব নিজেদের মধ্যে বণ্টন করছি।"

কবরের মানুষগুলো আমাদের কাছ থেকে ভালো কিছুর অপেক্ষায় থাকে। আমরা যখন তাদের জন্য কুরআন তিলাওয়াত করি, দোয়া করি কিংবা সদকা করি, সেটা তাদের জন্য এক বিশাল উপহার হয়ে পৌঁছায়।

একটি ছোট্ট সূরা তিলাওয়াত বা সামান্য একটু দোয়ার সওয়াব কবরে শায়িত প্রিয়জনদের জন্য কতটা প্রশান্তি নিয়ে আসতে পারে, তা আমরা হয়তো কল্পনাও করতে পারি না।

তাই, প্রিয়জনদের ভুলে যাবেন না। মাঝেমধ্যে তাদের কথা স্মরণ করুন, তাদের রুহের মাগফিরাতের জন্য দু-হাত তুলে দোয়া করুন। আপনার একটি ছোট আমল হয়তো তাদের অন্ধকার কবরে আলো আর শান্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে।

মনে রাখবেন! আমরা আজ তাদের স্মরণ করছি, একদিন অন্য কেউ আমাদের এভাবে স্মরণ করবে।

13/02/2026

সান-ফ্রান্সিসকোর গোল্ডেন ব্রিজের উপরে পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি মানুষ পানিতে লাফিয়ে সুইসাইড করে । রেলিঙের উপর দাঁড়িয়ে শরীরটাকে একটু ছেড়ে দিলেই ব্যাস সব শেষ ।
সুইসাইড করতে চাওয়া মানুষগুলো মনে হয় খুব বেশি নিরিবিলি পছন্দ করে ... শান্ত একটা জগতের কথা চিন্তা করতে করতে সবকিছু ছেড়ে দিতে চায় ... গোল্ডেন ব্রিজের উপর থেকে লাফিয়ে পড়া এক মানুষের পকেট থেকে একটা সুইসাইড নোট বের পাওয়া যায় তাতে লিখা ছিল -- ' আমাকে দেখে যদি কেউ হেসে দেয় তাহলে আমি আর ঝাপ দিবো না ' ...
ক্যালকুলেশন করে যোগ আর বিয়োগ হয়ে গেছে 'যদি'... কি অদ্ভুত সেদিন কেউ ভুল করে "যদি"...কেউ তার দিকে তাকিয়ে হেসে দিত তাহলেই মানুষটা বেঁচে যেত ! ...
খুব শান্তভাবে সুইসাইডের চিন্তা করা মানুষগুলো নিজেকে সবচেয়ে বেশি একা মনে করে । লাইফের চরম কিছু মুহুর্তগুলোর মাঝে থেকে নিজেকে একা মনে করার একটা কারন বানিয়ে মনের মধ্যে টুপ করে বসিয়ে নিবে আর চারপাশ থেকে হতাশা চেপে ধরবে ...
একটু আগে কালের কণ্ঠের স্টাফ রিপোর্টার আলী আহসান হাবিবের সুইসাইড নোট পড়লাম । প্রতিটা লাইনের শেষে দাড়ি টেনে তিনি নিজের মৃত্যু চেয়েছিলেন । চারদিকের হতাশা মানুষটাকে একটু একটু করে কুঁকড়ে নিচ্ছিল ...
কোনকিছুর সমাধান বের হবে না ... মনে হবে সে নিজেই একটা সমস্যা আর সমাধান তার মৃত্যু ।
হতাশা বাড়ানোর জন্য আমি মাঝে মাঝে রেজো সেরেসের কম্পোজ করা 'গ্লোমি সানডে' গানটা শুনি লাজলো জাভের লিখা এই গান শুনে একসময় মানুষ সাদ থেকে লাফিয়ে পড়েছে ... টানা তিন দিন এই গান বাজার পর সেই ঘর থেকে একটা মৃত ছেলেকে পাওয়া গেয়েছিল ! লাজালোর স্ত্রীও নাকি এই গান শুনে সুইসাইড করে !
সুইসাইড চিন্তা করা মানুষগুলো নিজেকে একটু একটু করে চারপাশ থেকে গুটিয়ে নেয় ... চুপচাপ থাকতে পছন্দ করে ... হাসি খুশি মায়া ভরা মুখটাতে হাসি খুব কম বের হয় । নিরিবিলি একটা জায়গাতে নিজের কষ্ট নিয়ে চিন্তা করে ...
জাপানের অওকিগাহারা জঙ্গলে দলবেঁধে মানুষ সুইসাইড করতে যায় ! প্রতিবছর একশোর বেশি মানুষ সেখানে সুইসাইড করতে যায় । কি অদ্ভুত এদের কোন মানুষের বেঁচে থাকার আর ইচ্ছে নেই ! কেউ কারো দিকে না তাকিয়ে নিজের কাজ আপন মনে করছে ... কেউ কাওকে বাঁচাতে যাচ্ছে না !
পৃথিবীর দিকে শেষ বারের মতো তাকিয়ে টুপ করে ঝুলে পড়ছে ... মৃত্যু জিনিষটা কেমন যেন ... চারদিকে সব নড়ছে শুধু দেহটা নড়ছে না । কবরে শুইয়ে দেয়া হল চারদিকে অন্ধকার । মাটির উপর টিপ টিপ করে বৃষ্টি পড়ছে ... মানুষের সাথে আকাশ কাঁদছে ।
ছেলেটা আজ নিয়ে তেরো বার সাদের রেলিং ধরে নিচের দিকে তাকিয়ে ছিল ! নিচের মানুষগুলো খুব ছোট লাগছিলো ডান পকেটের নোট লিখা ছিল - ' আমার মৃত্যুর জন্য কেউ দায়ী না '
মানুষগুলো বড্ড বেশি অভিমানী । সবকিছু ছাড়তে পারবে সাথে ভালোবাসাও ... কিছু ভালোবাসাতে পাওয়া লেখা নেই , শুধু দূর থেকে বুঝতে হয় । পৃথিবীটা চমৎকার একটা জায়গা যেখানে ৭০০ কোটি মানুষের একটা পরিবার আছে ' পড়ার টেবিলে ঘুমিয়ে পড়া মেয়েকে মা শীতের হাত থেকে বাঁচাতে গায়ে কাপড় জড়িয়ে দেয় ' ... ' প্রচণ্ড কষ্টের মধ্যে বাবা কপালে চুমো দিয়ে বলে -- তোর কিসের কষ্ট আমি আছি না তোর সাথে অর্ধেক আমাকে দে ' ... ' প্রচণ্ড জ্বরে বড় বোন মাথায় হাত বুলিয়ে কোলে টেনে গল্প শুনায় '
তাদের ভালোবাসা ছেড়ে ' সুইসাইডের চিন্তা ! '
পৃথিবীতে যতগুলো মানুষ মনে করে তাদের ভালোবাসার কেউ নেই সত্যি তারা ভীষণ বোকা । তাদের মধ্যে কেউ একজন তার মায়ের কাছে গিয়ে বলুক ' আম্মা আমি আর বাঁচতে চাই না ! ' বুকে টেনে এমন গল্প শুনাবে যে গল্প শুনে হাজারকে হাজার বছর বাঁচতে ইচ্ছে করবে । তার চোখের দিকে তাকিয়ে থাকতে ইচ্ছে করবে সারাজীবন !

ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করার প্রয়োজন নেই,ওষুধ না খেয়েও আপনি ১০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারেন। কিভাবে তা জানতে হলে এই লেখাটি ...
08/02/2026

ওষুধ খেয়ে নিজেকে শেষ করার প্রয়োজন নেই,ওষুধ না খেয়েও আপনি ১০০ বছর পর্যন্ত বাঁচতে পারেন। কিভাবে তা জানতে হলে এই লেখাটি সম্পূর্ণ পড়তে হবে।

✅আপনার কি মনে হয় ফার্মেসির ওই রঙিন ক্যাপসুলগুলোই আপনার প্রাণভোমরা?

✅আপনি কি বিশ্বাস করেন বয়স ৪০ পেরোলেই সুগার, প্রেশার, বাতের ব্যথা আপনার বিধিলিপি? নাকি আপনি সেই দলের মানুষ, যারা মনে করেন—"ওষুধ ছাড়া আমি অচল"?

✅অধ্যায় ১: আধুনিক চিকিৎসার মায়াজাল ও আপনার শরীর (The Illusion of Medicine)
আমরা এমন এক সমাজে বাস করি যেখানে সুস্থতার সংজ্ঞাটাই বদলে দেওয়া হয়েছে। আজ সুস্থ থাকার অর্থ—'রিপোর্ট ঠিক রাখা'। কিন্তু আপনি কি জানেন, রিপোর্ট ঠিক থাকার মানেই সুস্থতা নয়?

আমাদের শরীর কোনো যন্ত্র নয় যে কোনো একটি পার্টস খারাপ হলে তা বদলে ফেলব বা তেল দিয়ে ঠিক করব। শরীর হলো এক মহাজাগতিক বুদ্ধিমত্তা (Cosmic Intelligence)। আপনি যখন সামান্য মাথাব্যথার জন্য একটি প্যারাসিটামল খান, আপনি আসলে আপনার শরীরের 'সতর্কবার্তা' বা অ্যালার্ম সিস্টেমটি বন্ধ করে দিচ্ছেন। মাথাব্যথা ছিল শরীরের ভাষা—সে বলছিল আপনার বিশ্রাম দরকার, বা জল দরকার। আপনি ওষুধ দিয়ে তার মুখ বন্ধ করে দিলেন।

✅ভয়ঙ্কর সত্য: দীর্ঘমেয়াদী ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বা 'Side Effects' নতুন রোগের জন্ম দেয়। প্রেশারের ওষুধ কিডনি নষ্ট করে, ব্যথার ওষুধ লিভার পচিয়ে দেয়। একে বলা হয় 'Iatrogenics'—অর্থাৎ চিকিৎসার কারণে সৃষ্ট রোগ।

✅উপদেশ: ছোটখাটো অসুখে ওষুধের বাক্সে হাত দেবেন না। জ্বর হলে শরীরকে পুড়তে দিন, সেই উত্তাপেই ভাইরাস মরবে। পেট খারাপ হলে উপবাস করুন, শরীর আবর্জনা বের করে দেবে। শরীরের ওপর বিশ্বাস রাখুন, সে আপনাকে ঠকাবে না।

✅অধ্যায় ২: অটোফেজি – শরীরের ভেতরের ডাস্টবিন পরিষ্কার (The Magic of Fasting)

আমাদের দাদু-দিদারা বলতেন, "লংঘনম্ পরম্ ঔষধম্"। অর্থাৎ উপবাসই শ্রেষ্ঠ ওষুধ। তখন আমরা হাসতাম। আজ ২০১৬ সালে জাপানি বিজ্ঞানী ইওশিনোরি ওসুমি (Yoshinori Ohsumi) নোবেল পুরস্কার পেলেন 'অটোফেজি' (Autophagy) আবিষ্কারের জন্য।

✅অটোফেজি কী?
যখন আপনি ১৬ ঘণ্টা বা তার বেশি সময় না খেয়ে থাকেন, আপনার শরীর বাইরে থেকে খাবার পায় না। তখন বাঁচার তাগিদে শরীর তার ভেতরের মৃত কোষ, টক্সিন, এবং ক্যান্সারের প্রাথমিক সেলগুলোকে খেয়ে ফেলে শক্তি উৎপাদন করে। সোজা কথায়, শরীর নিজের ভেতরের ডাস্টবিন নিজেই পরিষ্কার করে।
কীভাবে করবেন? ৩৫ বছরের পর তিন বেলা পেট ভরে খাওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই।

✅Intermittent Fasting: রাত ৮টায় খেয়ে নিন, পরদিন দুপুর ১২টার আগে ভারী কিছু খাবেন না। এই ১৬ ঘণ্টার গ্যাপে আপনার শরীর নিজেকে সারিয়ে নতুন করে তুলবে।

✅সপ্তাহে অন্তত একদিন শুধু জল বা ফল খেয়ে থাকুন। দেখবেন, আপনার বয়স ১০ বছর কমে গেছে।

✅অধ্যায় ৩: মন-ই আসল হিলিং সেন্টার (Psychoneuroimmunology)
আমাদের অসুখের শিকড় শরীরে নয়, মনে। বিজ্ঞান বলছে, ৯০% অসুখ 'সাইকোসোমাটিক' (Psychosomatic)। 'সাইকো' মানে মন, 'সোমা' মানে শরীর।

🎇🎇আপনার কি মনে আছে শেষ কবে আপনি প্রাণখুলে হেসেছিলেন? বা শেষ কবে কোনো কারণ ছাড়াই কেঁদেছিলেন? আমরা আমাদের আবেগগুলোকে দমিয়ে রাখি।

🎆• যে রাগ আপনি প্রকাশ করেননি, তা উচ্চ রক্তচাপ হয়ে বের হয়।

🎆• যে কান্না আপনি চেপে রেখেছেন, তা হাঁপানি বা শ্বাসকষ্ট হয়ে দেখা দেয়।

🎆• যে ভয় আপনাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খাচ্ছে, তা কিডনির অসুখ ডেকে আনে।

🎆• আর কাউকে ক্ষমা না করার জেদ ক্যান্সার তৈরি করে।

✅মনোবল শক্ত রাখার উপায়:
নিজেকে এক্সপ্রেস করুন। চিৎকার করে গান গাইলে গান, নাচতে ইচ্ছে হলে নাচুন। কে কী ভাবল—তা নিয়ে ভাবার সময় এখন আর নেই। মনের আবর্জনা বের করে দিলেই শরীর হালকা হবে। আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে নিজেকে বলুন, "আমি আমাকে ভালোবাসি, আমি আমাকে গ্রহণ করেছি।" এই ছোট বাক্যটি পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী মন্ত্র।

✅অধ্যায় ৪: জলই জীবন, নাকি জলই বিষ? (The Water Memory)

আমরা জানি জলের অপর নাম জীবন। কিন্তু আপনি কি জানেন, ভুল পদ্ধতিতে জল পান করলে তা বিষের মতো কাজ করে? বেশিরভাগ মানুষ দাঁড়িয়ে জল পান করেন। এতে কিডনির ফিল্টার নষ্ট হয় এবং আর্থ্রাইটিসের সমস্যা বাড়ে। আবার অনেকে খাবারের মাঝখানে ঢকঢক করে জল খান। এটি পেটের জঠরাগ্নি (Digestive Fire) নিভিয়ে দেয়, ফলে খাবার হজম না হয়ে পচে যায় এবং গ্যাস্ট্রিকের সৃষ্টি হয়।

✅সঠিক নিয়ম:
• জল সবসময় বসে, চুমুক দিয়ে (Sip by sip) পান করুন, যেন মুখের লালা (Saliva) জলের সাথে মিশে পেটে যায়। এই লালা ক্ষারীয় (Alkaline), যা পেটের অ্যাসিড প্রশমিত করে।

• খাওয়ার ৩০ মিনিট আগে এবং খাওয়ার ১ ঘণ্টা পর জল পান করুন।

• প্লাস্টিকের বোতল বর্জন করুন। মাটির কলসি বা তামার পাত্রের জল পান করুন। এতে জলের 'Life Energy' বা প্রাণশক্তি বজায় থাকে।

✅অধ্যায় ৫: খাবার যখন ওষুধ (Let Food Be Thy Medicine)

হিপোক্রেটিস বলেছিলেন, "তোমার খাবারই হোক তোমার ওষুধ।" কিন্তু আমরা খাবারকে বানিয়েছি বিনোদন। জিহ্বার স্বাদের জন্য আমরা যা খাই, তা আমাদের অন্ত্রের (Gut) জন্য অত্যাচার।
আমাদের শরীর 'মৃত' খাবার চেনে না। প্যাকেটজাত খাবার, ফ্রিজে রাখা বাসি খাবার, রিফাইন করা তেল ও চিনি—এগুলো সবই 'মৃত খাবার' (Dead Food)। এগুলো শরীরে গিয়ে কোনো শক্তি দেয় না, শুধু বোঝা বাড়ায়।
কী খাবেন?

• জীবন্ত খাবার (Living Food): প্রতিদিনের খাবারে অন্তত ৫০% কাঁচা শাকসবজি, ফল এবং সালাদ রাখুন। রান্না করা খাবারে এনজাইম নষ্ট হয়ে যায়, কিন্তু কাঁচা খাবারে 'প্রাণ' থাকে।

• সাদা বিষ বর্জন: সাদা চিনি, সাদা লবণ এবং ময়দা—এই তিনটি জিনিস রান্নাঘর থেকে বিদায় করুন। এগুলো সরাসরি হাড় ক্ষয় করে এবং ডায়াবেটিস ডেকে আনে।

• চিবিয়ে খাওয়া: খাবার এমনভাবে চিবাবেন যেন তা মুখে জল হয়ে যায়। মনে রাখবেন, "পাকস্থলীতে কোনো দাঁত নেই।"

✅অধ্যায় ৬: ঘুম যখন মেরামতের সময় (The Circadian Rhythm)

আপনি হয়তো দিনে ৮ ঘণ্টা ঘুমান, তবুও সকালে ক্লান্ত লাগে। কেন জানেন? কারণ আপনি প্রকৃতির ঘড়ির সাথে মিল রেখে ঘুমাচ্ছেন না। আমাদের শরীরে একটি বায়োলজিক্যাল ক্লক আছে। রাত ১০টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত সময়টা হলো আমাদের শরীরের 'মেরামত' করার সময়। এই সময়ে আমাদের লিভার ডিটক্স করে, হরমোন ব্যালেন্স হয়।
কিন্তু আপনি যদি রাত ১টায় ঘুমান, তবে শরীর তার মেরামতের সময় পায় না। দিনের পর দিন এমন চলতে থাকলে শরীর ভাঙতে শুরু করে।

✅টিপস:
• রাত ১০টার মধ্যে বিছানায় যান।

• শোয়ার ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, ল্যাপটপ থেকে দূরে থাকুন। নীল আলো (Blue Light) আমাদের মস্তিষ্কের মেলাটোনিন হরমোন নষ্ট করে দেয়, যা ঘুমের জন্য দায়ী।

• শোয়ার ঘর সম্পূর্ণ অন্ধকার রাখুন। সামান্য আলোও আপনার গভীর ঘুমে ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

✅অধ্যায় ৭: হাঁটা মানে জিম নয়, প্রকৃতির সাথে সংযোগ (Earthing & Movement)

৪০-এর পর জিমে গিয়ে ভারী লোহা তোলার দরকার নেই। দরকার 'ফাংশনাল মুভমেন্ট'। আমাদের শরীর তৈরি হয়েছে নড়াচড়া করার জন্য, চেয়ারে বসে থাকার জন্য নয়। কিন্তু এর চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো 'Earthing' বা মাটির সাথে সংযোগ।
আমরা এখন জুতো ছাড়া মাটিতে পা ফেলি না। ফলে পৃথিবী থেকে যে নেগেটিভ ইলেকট্রন আমাদের শরীরে প্রবেশ করে প্রদাহ (Inflammation) কমানোর কথা, তা আর হতে পারে না।

✅করনীয়:
• প্রতিদিন অন্তত ১০ মিনিট খালি পায়ে ঘাসের ওপর বা মাটিতে হাঁটুন। এটি আপনার নার্ভ সিস্টেম শান্ত করবে, প্রেশার কমাবে এবং ঘুমের উন্নতি ঘটাবে।

• সূর্যের আলো গায়ে মাখুন। ভিটামিন ডি কোনো ট্যাবলেট থেকে পাওয়া যায় না, তা পাওয়া যায় সূর্যের আলো আর চামড়ার কোলেস্টেরলের বিক্রিয়ায়। প্রতিদিন সকালে ১৫ মিনিট রোদ পোহান।

✅অধ্যায় ৮: সম্পর্ক ও ক্ষমা – হৃদরোগের আসল প্রতিষেধক (Forgiveness Detox)

শুনতে অবাক লাগবে, কিন্তু অনেক মানুষ হার্ট অ্যাটাকে মারা যায় শুধু মনের ভেতর বছরের পর বছর পুষে রাখা ক্ষোভের কারণে। কাউকে ক্ষমা না করা মানে হলো—নিজে বিষ পান করে আশা করা যে অন্য কেউ মারা যাবে।

আপনার বয়স যদি ৫০-এর বেশি হয়, তবে আজই একটা কাজ করুন। চোখ বন্ধ করুন এবং সেই মানুষগুলোকে ক্ষমা করে দিন যারা আপনাকে ঠকিয়েছে, কষ্ট দিয়েছে। তাদের জন্য নয়, আপনার নিজের জন্য। বিশ্বাস করুন, ক্ষমা করে দেওয়ার পর আপনার বুকের ওপর থেকে যে পাথরটা নেমে যাবে, তা ১০টা হার্টের ওষুধের চেয়েও বেশি কার্যকরী।
একাকীত্ব ধূমপানের চেয়েও ক্ষতিকর। তাই মানুষের সাথে মিশুন। পুরানো বন্ধুদের খুঁজে বের করুন। নতুন সম্পর্ক গড়ুন। নাতি-নাতনিদের সাথে সময় কাটান। ভালোবাসার হরমোন 'অক্সিটোসিন' আপনার ইমিউনিটি বাড়াবে।

✅অধ্যায় ৯: শ্বাস – প্রাণের অদৃশ্য সুতো (The Power of Breath)

আমরা শ্বাস নিই, কিন্তু আমরা জানি না কীভাবে শ্বাস নিতে হয়। আমরা বুক ভরে ছোট ছোট শ্বাস নিই, যা আমাদের শরীরকে সবসময় 'ফাইট অর ফ্লাইট' (Stress Mode) মোডে রাখে। দীর্ঘ ও গভীর শ্বাস (Deep Breathing) আমাদের প্যারাসিম্প্যাথেটিক নার্ভাস সিস্টেমকে সক্রিয় করে, যা শরীরকে শান্ত করে।

✅প্রাণায়াম: প্রতিদিন সকালে ১০ মিনিট 'অনুলোম-বিলোম' বা 'গভীর শ্বাস' অনুশীলন করুন। কল্পনা করুন, প্রতিটি শ্বাসের সাথে মহাবিশ্বের পজিটিভ শক্তি আপনার শরীরে ঢুকছে, আর প্রতিটি নিঃশ্বাসের সাথে শরীরের সব রোগ, হতাশা কালো ধোঁয়া হয়ে বেরিয়ে যাচ্ছে। অক্সিজেনই হলো সেই জ্বালানি যা ক্যান্সার সেলকে ধ্বংস করতে পারে (ক্যান্সার সেল অক্সিজেন সমৃদ্ধ পরিবেশে বাঁচতে পারে না)।

✅অধ্যায় ১০: মৃত্যুর ভয় ও আধ্যাত্মিক জাগরণ (Spiritual Acceptance)

সবশেষে, সুস্থ থাকার সবচেয়ে বড় বাধা হলো—মৃত্যুভয়। আমরা মরতে ভয় পাই বলেই বাঁচতে ভুলে যাই। যে মানুষ জানে যে মৃত্যু কোনো শেষ নয়, বরং এক নতুন যাত্রার শুরু, বা এক পোশাক বদলে অন্য পোশাক পরা—সে কখনো অসুস্থ হয় না। তার মনের জোর অসীম।
বার্ধক্য কোনো অভিশাপ নয়, এটি জীবনের একটি রাজকীয় অধ্যায়। চুলে পাক ধরা মানে আপনি অভিজ্ঞ, চামড়ায় ভাঁজ মানে আপনি জীবনের অনেক ঝড় সামলেছেন। নিজেকে বুড়ো ভাবা বন্ধ করুন।

জীবনের উদ্দেশ্য (Ikigai): জাপানিরা একে বলে 'ইকিগাই'। অর্থাৎ, সকালে ঘুম থেকে ওঠার একটি কারণ। রিটায়ারমেন্ট মানে জীবনের শেষ নয়। নতুন কিছু শিখুন। বাগান করুন, বই লিখুন, সমাজসেবা করুন। যেদিন আপনার জীবনের উদ্দেশ্য শেষ হয়ে যাবে, সেদিন শরীরও হাল ছেড়ে দেবে। তাই শেষ নিঃশ্বাস পর্যন্ত স্বপ্ন দেখুন।

✅✅উপসংহার: চাবি আপনার হাতেই

প্রিয় পাঠক, এতক্ষণ যা পড়লেন, তা কোনো জাদুর মন্ত্র নয়, এটিই শাশ্বত জীবনধারা। ডাক্তার আপনাকে বাঁচাবে না, হাসপাতাল আপনাকে সুস্থ করবে না। সুস্থ থাকার চাবিকাঠি আপনার রান্নাঘরে, আপনার চিন্তায়, আপনার জীবনযাত্রায়।

সৃষ্টিকর্তা আপনাকে পাঠিয়েছেন একটি নিখুঁত মেশিন হিসেবে। এর যত্ন নিন। প্রকৃতির সাথে মিশুন। হাসুন, ভালোবাসুন, ক্ষমা করুন। আপনার মনের শক্তি যখন জেগে উঠবে, তখন কোনো রোগ আপনার শরীরে বাসা বাঁধতে সাহস পাবে না।

আপনি কি প্রস্তুত আপনার জীবনটাকে বদলে ফেলার জন্য? নাকি সেই ওষুধের বাক্সের কাছেই আত্মসমর্পণ করবেন? সিদ্ধান্ত আজই নিন।

ভালো লাগলে সকলের সাথে শেয়ার করবেন।

আমরা যখন বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা দেখি, তখন ইলন মাস্ক বা জেফ বেজোসের নামই সবার আগে আসে। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ...
08/02/2026

আমরা যখন বর্তমান বিশ্বের শীর্ষ ধনীদের তালিকা দেখি, তখন ইলন মাস্ক বা জেফ বেজোসের নামই সবার আগে আসে। তাঁদের সম্পদের পরিমাণ ২০০-৩০০ বিলিয়ন ডলারের ঘরে। কিন্তু ইতিহাসের পাতায় এমন এক ব্যক্তি ছিলেন, যার সম্পদের পরিমাণ আজকের দিনের হিসাবে ৪০০ বিলিয়ন ডলারেরও বেশি বলে ধারণা করা হয়!

তাঁর নাম মানসা মুসা, ১৪শ শতকের মালি সাম্রাজ্যের সম্রাট।

পশ্চিম আফ্রিকার এই রাজা ছিলেন পৃথিবীর অর্ধেকের বেশি স্বর্ণের মালিক। কিন্তু তাঁর গল্পটি কেবল ধনী হওয়ার নয়, বরং অতিরিক্ত সম্পদ বা টাকা কীভাবে একটি দেশের অর্থনীতি ধ্বংস করে দিতে পারে, তার এক জ্বলন্ত উদাহরণ।

১৩২৪ সাল। মানসা মুসা পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশ্যে মক্কা যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন। এটি কোনো সাধারণ যাত্রা ছিল না। তাঁর সাথে ছিল ৬০, ০০০ মানুষের এক বিশাল বহর। এর মধ্যে ১২, ০০০ ছিল কেবল দাস, যারা প্রত্যেকে ৪ পাউন্ড ওজনের সোনার দণ্ড বহন করছিল। এছাড়াও ছিল ৮০ টি উট, যার প্রত্যেকটি ৩০০ পাউন্ড সোনা বয়ে নিয়ে যাচ্ছিল।

পুরো মরুভূমি যেন সোনার আলোয় ঝলমল করছিল।

পথে তিনি যেখানেই থামতেন, দুহাত ভরে সোনা দান করতেন। গরিবদের সাহায্য করতেন, মসজিদ তৈরি করতেন। কিন্তু সমস্যা বাঁধল যখন তিনি মিশরের কায়রোতে পৌঁছালেন। সেখানে তিনি এত বিপুল পরিমাণ সোনা দান করলেন এবং খরচ করলেন যে, কায়রোর বাজারে সোনার জোগান হঠাৎ করে বেড়ে গেল।

অর্থনীতির নিয়ম অনুযায়ী, কোনো জিনিসের জোগান বেড়ে গেলে তার দাম কমে যায়। মানসা মুসার অতিরিক্ত দানের ফলে মিশরের বাজারে সোনার দাম তলানিতে গিয়ে ঠেকল। এর প্রভাবে জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া হয়ে গেল (Hyperinflation)। কায়রোর অর্থনীতি ধসে পড়ল এবং সেই ধাক্কা সামলাতে দেশটির প্রায় ১০-১২ বছর সময় লেগেছিল। ইতিহাসে তিনিই একমাত্র ব্যক্তি, যিনি দান করতে করতে আক্ষরিক অর্থেই একটি দেশের অর্থনীতি পথে বসিয়ে দিয়েছিলেন।

মানসা মুসার এই ঘটনা আমাদের শেখায়, মূল্য বা ভ্যালু নির্ভর করে দুষ্প্রাপ্যতার ওপর। সোনা দামী কারণ তা কম পাওয়া যায়। যদি সবার কাছে অঢেল টাকা বা সোনা থাকে, তবে সেই টাকার কোনো মূল্য থাকে না।

মালি সাম্রাজ্যের পতন এবং মানসা মুসার এই কাহিনী মনে করিয়ে দেয়, সম্পদ অর্জন করা কঠিন, কিন্তু সেই সম্পদ বা অর্থনীতির ভারসাম্য রক্ষা করা আরও কঠিন। অতিরিক্ত তারল্য বা টাকা বাজারে চলে আসা সব সময় আশীর্বাদ নয়, মাঝে মাঝে তা অভিশাপও হতে পারে।

ঘুম বিহীন জীবন......! ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের ম...
08/02/2026

ঘুম বিহীন জীবন......!

ভাবতেও গা শিউরে ওঠে! আপনি কি জানেন, খাবার ছাড়া মানুষ কয়েক সপ্তাহ বাঁচতে পারলেও, ঘুম ছাড়া মানুষের মৃত্যু অবধারিত....!

১৯৬৪ সালে আমেরিকায় করা একটি ভয়ংকর বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা বা এক্সপেরিমেন্ট থেকে বেরিয়ে এসেছিল এক শিউরে ওঠার মতো সত্য। আজকের এই লেখাটি পড়ার পর আপনি হয়তো আর কোনোদিন রাতের ঘুম হেলায় হারাবেন না।

মৃত্যুর সাথে ১১ দিনের পাঞ্জা ঘটনাটি ১৯৬৪ সালের। মাত্র ১৭ বছরের এক কিশোরকে বেছে নেওয়া হয়েছিল এই পরীক্ষার জন্য। তাকে রাখা হয়েছিল এমন এক বদ্ধ ঘরে, যেখানে দিনের আলো ঢোকার কোনো পথ ছিল না। উদ্দেশ্য একটাই দেখা, মানুষ ঘুম ছাড়া কতদিন টিকতে পারে?

শুরুটা ছিল স্বাভাবিক (১-২ দিন):

‎প্রথম দুদিন পর্যন্ত কিশোরটি বেশ স্বাভাবিক ছিল। কিন্তু আসল নাটক শুরু হলো তৃতীয় দিন থেকে।

তৃতীয় দিন: ছায়া যখন কথা বলে (হ্যালুসিনেশন):

‎তিন দিন পার হতেই সে একা একা কথা বলতে শুরু করে। সে দাবি করতে থাকে যে সে চারপাশে ভূত দেখছে এবং দেওয়ালে ছায়াদের কথা বলতে শুনছে। মস্তিষ্ক তার নিয়ন্ত্রণ হারাতে শুরু করে।

পঞ্চম দিন: চরম অবিশ্বাস (প্যারানয়া):

‎সে খাওয়া-দাওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেয়। তার মনে হতে থাকে তাকে বিষ খাইয়ে মেরে ফেলা হবে। ডাক্তারদের সে তার পরম শত্রু ভাবতে শুরু করে।

সপ্তম দিন: অজানা ভাষা ও অদ্ভুত সংকেত:

‎সাত দিনের মাথায় সে ঘরের দেওয়ালে অদ্ভুত সব চিহ্ন আর এমন ভাষায় কিছু লিখতে থাকে, যে ভাষার অস্তিত্ব এই পৃথিবীতে নেই। সে যেন অন্য কোনো জগতের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করছিল।

নবম দিন: জেগে থেকেও মৃত (মাইক্রো-স্লিপ):

‎মস্তিষ্ক তখন নিজেকে বাঁচাতে এক অদ্ভুত পথ বেছে নেয়। একে বলা হয় ‘মাইক্রো-স্লিপ’। কিশোরটির চোখ খোলা ছিল, কিন্তু তার ব্রেইন ২০-৩০ সেকেন্ডের জন্য বারবার শাটডাউন হয়ে যাচ্ছিল। সে তাকিয়ে ছিল ঠিকই, কিন্তু আসলে সে তখন পৃথিবীতে নেই।

দশম দিন: আর্তনাদ ও হাহাকার:

‎পুরো ঘর কাঁপিয়ে তার কান্না আর চিৎকারে ডাক্তাররাও ঘাবড়ে যান। তার মানসিক অবস্থা তখন সম্পূর্ণ ভেঙে চুরমার।

একাদশ দিন: সেই ভয়ংকর শেষ মুহূর্ত:

‎১১তম দিনে সে হঠাৎ একদম শান্ত হয়ে যায়। টানা ৬ ঘণ্টা পলক না ফেলে সে ক্যামেরার দিকে একদৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে। কোনো নড়াচড়া নেই, কোনো শব্দ নেই। হঠাৎ সে মাটিতে আছড়ে পড়ে যায়। ডাক্তাররা যখন ভাবলেন সে মারা গেছে এবং কাছে দৌড়ে গেলেন তখনই সে হঠাৎ সোজা হয়ে উঠে দাঁড়িয়ে এক পৈশাচিক হাসি হাসতে শুরু করল।

‎সেই মুহূর্তেই পরীক্ষাটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। কারণ পরিষ্কার ছিল এর এক মিনিট পরেই তার মস্তিষ্ক চিরতরে অকেজো হয়ে যেত।

‎এই এক্সপেরিমেন্ট থেকে প্রমাণিত হয় যে, একজন মানুষ ঘুম ছাড়া সর্বোচ্চ ১১ দিন টিকে থাকতে পারে। কিন্তু মাত্র ৩ দিন ঘুম না হলেই মানুষের মস্তিষ্ক বিকল হতে শুরু করে এবং স্থায়ী মানসিক রোগ দানা বাঁধতে পারে।

‎আজকের বাস্তবতা:

‎আমরা রাত জেগে মোবাইল স্ক্রল করছি, শর্টস বা রিলস দেখছি। আমরা ভাবছি এটা বিনোদন, কিন্তু আসলে আমরা আমাদের মস্তিষ্ককে সেই ভয়ংকর '১১ দিনের' দিকে ঠেলে দিচ্ছি। অতিরিক্ত রাত জাগা আপনার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা কমিয়ে দেয়, মেজাজ খিটখিটে করে এবং আপনার আয়ু কেড়ে নেয়।

মনে রাখবেন

‎ঘুম কোনো বিলাসিতা নয়, এটি আপনার বেঁচে থাকার জন্য অক্সিজেনের মতোই প্রয়োজন। আজ রাত থেকে নিজের শরীর ও মনকে বিশ্রাম দিন।

‎আপনার কি রাত জাগার অভ্যাস আছে? তবে আজই সাবধান হোন। এই গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটি শেয়ার করে আপনার প্রিয়জনকেও সচেতন করুন!

Address

Chittagong
.

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ali Akbar posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share