14/08/2026
দেশে যে গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকট চলছে, তা দুর্ঘটনা জনিত গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় হচ্ছে। এই বিষয়টি পুরোপুরি এখনো দেশের মানুষ জানে না যে কেন এমনটা হচ্ছে। সবাই কষ্ট করছি, কিন্তু কারন ও করনীয় টা গাইড করছে না।
১. গতদিন আমরা জানলাম, এল এন জি ভর্তি জাহাজ টার্মিনালের পাশেই অপেক্ষায় আছে। বৈরী আবহাওয়ার জন্য তা স্থানান্তর করা যায় নাই। সরকারের উচিত এখানের বৈরী আবহাওয়ার প্রমান জাতির সামনে তুলে ধরা। মানুষ বিপদের কারন জানতে চায়, ধৈর্য্য ধরতে চায়, কিন্তু সবটা জানতেও চায়।
২. পাশাপাশি সামিট ও এক্সিলারেট দুটো টার্মিনাল এর একটি দুর্ঘটনায় বিকল হয়েছে, তাও ভিডিও স্থির চিত্রের মাধ্যমে বিশেষজ্ঞ এর মাধ্যমে জনগনকে দেখানো উচিত। সেই সাথে এই সংকট সমাধানের প্রকৃত রোড ম্যাপ জনগনকে জানানো উচিত।
আর আমি এই বিপদে কৃচ্ছসাধন করে দেশের মানুষকে আমাদের সীমীত এই জালানী কি ভাবে একটু বেশি সময় ব্যাবহার করা যায় তার পরামর্শ দেই।
আমাদের চার কোটি পরিবার আছে। গড়ে পরিবারের সদস্য ৪ জন হলে। আমরা চারটি ঘরে আলাদা আলাদা ফ্যান বাতি চালু রাখি। আমার আহবান যে আসুন, "আমরা ৪ কোটি পরিবার দিনে ১ বার, ১ ঘন্টার জন্য, বাড়ির সব বৈদ্যুতিক বাতি, ফ্যান বন্ধ করে, একটি বাতি ও একটি ফ্যানের নীচে পুরো পরিবার। এটা আমাদের পারিবারিক বন্ধন যেমন ভাল হবে। তেমনি এই সময়ে বাকি ঘরগুলোতে বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে।
যার ফলে আমরা নিজেরায় নিজেদের ত্যাগের ফলে প্রতিটি পরিবার ১ ঘণ্টা বিদ্যুৎ বেশি পাব বা এই সময়ে সারাদেশে আরো ৩ গুন বাড়িতে বাতি ও ফ্যান জালানোর বিদ্যুৎ পৌছানো যাবে।
বিষয়টা আপনার ফোনের ব্যাটারি লাইফের সাথে তুলনা করতে পারেন। নির্দিষ্ট গন্তব্যে যাবার আগে ব্যাটারি টিকে রাখতে আপনি যেভাবে বুঝে শুনে ফোন ব্যাবহার করেন।
এই সমস্যা কদিন পর কেটে যাবে, কিন্থ যতদিন সমস্যা আছে, যেহেতু সংকট চলাকালে প্রতিদিন জ্বালানী সরিবরাহ পরিমান কমে আসছে, তাই আসুন কিছুটা দেখে শুনে বৈদ্যুতিক যন্ত্রগুলো ব্যাবহার করি।
আসুন অতিরিক্ত বাতি নেভাই, সবার ঘরে আলো জালাই।"