Md Adiler Rahman

Md Adiler Rahman Hatiya

20/02/2026

চাঁদাবাজির হালাল যদি সেটা সমঝোতার ভিত্তিতে হয়।😁😁😁

সমঝোতার নামে অন্যায়কে বৈধতা দেওয়া যায় নাবাংলাদেশ কি সত্যিই সমঝোতার দেশে পরিণত হচ্ছে?আজকাল অনেক অন্যায়ের ব্যাখ্যা দেওয়া হ...
20/02/2026

সমঝোতার নামে অন্যায়কে বৈধতা দেওয়া যায় না
বাংলাদেশ কি সত্যিই সমঝোতার দেশে পরিণত হচ্ছে?
আজকাল অনেক অন্যায়ের ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে “সমঝোতার ভিত্তিতে” — যেন এই দুটি শব্দ সব অপরাধকে ধুয়ে-মুছে বৈধ করে দেয়।
সড়কে চাঁদাবাজি হলে বলা হয় — “সমঝোতা হয়েছে।”
অফিসে ঘুষ লেনদেন হলে বলা হয় — “সিস্টেম এমনই।”
উচ্চ সুদের ফাঁদে মানুষ পড়লে বলা হয় — “কেউ জোর করেনি।”
প্রশ্ন হলো — অন্যায়ের সঙ্গে সমঝোতা কি ন্যায় হয়ে যায়?
যদি চাঁদাবাজি “সমঝোতা” হয়,
তাহলে কি ঘুষও সমঝোতা?
সুদও সমঝোতা?
অন্যায়ও সমঝোতা?
একজন দায়িত্বশীল মন্ত্রীর কাজ হলো অন্যায়কে চিহ্নিত করা, প্রতিরোধ করা এবং সিস্টেম ঠিক করা। যদি তিনি বলেন — “আমি কিছু দেখছি না, যা হচ্ছে সমঝোতার ভিত্তিতে হচ্ছে”, তাহলে সেটি সমস্যার সমাধান নয়, বরং সমস্যাকে স্বীকৃতি দেওয়া।
আমরা ভুলে যাচ্ছি —
সমঝোতা তখনই গ্রহণযোগ্য, যখন দুই পক্ষই সমান শক্তির অধিকারী।
কিন্তু বাস্তবে সাধারণ মানুষ কি সমান শক্তিশালী?
ব্যবসায়ী কি চাঁদাবাজের সমান শক্তির?
সাধারণ নাগরিক কি দুর্নীতিগ্রস্ত কর্মকর্তার সমান ক্ষমতার?
“সিস্টেম” শব্দটি ব্যবহার করে দায় এড়ানো যায় না।
সিস্টেম মানুষই তৈরি করে, মানুষই বদলায়।
রাজনীতি দেউলিয়া নয়।
দল দেউলিয়া নয়।
দেউলিয়া হয় নেতৃত্বের নৈতিকতা।
এই দেশের মানুষ চায় —
যোগ্য নেতৃত্ব
নৈতিক নেতৃত্ব
জ্ঞানসম্পন্ন নেতৃত্ব
মাদকমুক্ত, দুর্নীতিমুক্ত নেতৃত্ব
মন্ত্রী হওয়া মানে ক্ষমতা ভোগ নয়, দায়িত্ব পালন।
এমপি হওয়া মানে পদ নয়, জনগণের প্রতিনিধিত্ব।
আজ সময় এসেছে “সমঝোতা” শব্দের আড়ালে অন্যায় ঢাকার সংস্কৃতি বন্ধ করার।
অন্যায়কে অন্যায় বলার সাহস রাখতে হবে।
সিস্টেম বদলাতে চাইলে, সিস্টেম নিয়ে কথা বলতে হবে।
বাংলাদেশ দুর্ভাগা নয়।
বাংলাদেশ সম্ভাবনাময় —
শুধু দরকার সৎ ও সাহসী নেতৃত্ব।
✍️ সচেতন নাগরিকের কণ্ঠ

সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা: এ কোন নৈতিকতা?আজকাল নতুন একটা কথা খুব শোনা যায় – “সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা”, “সমঝোতার ভিত্তিতে লেন...
20/02/2026

সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা: এ কোন নৈতিকতা?
আজকাল নতুন একটা কথা খুব শোনা যায় – “সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা”, “সমঝোতার ভিত্তিতে লেনদেন”, “সমঝোতার ভিত্তিতে সব হচ্ছে”। কথা শুনলে মনে হয়, যেন সব ঠিকঠাক, কেউ কাউকে জোর করছে না, তাই এতে কোনো অন্যায় নেই। অথচ বাস্তবতা কি তাই?একজন মন্ত্রী যখন দাঁড়িয়ে বলেন, সড়কে চাঁদা বলতে তিনি কিছু দেখেন না, যেটুকু হচ্ছে তা নাকি “সমঝোতার ভিত্তিতে” – তখন প্রশ্ন জাগে, তিনি কি সত্যিই জানেন না, নাকি না জানার ভান করেন? এই দেশে কি সত্যি সত্যি ট্রাক, বাস, পণ্যবাহী গাড়ি, ছোট ব্যবসায়ী, সাধারণ মানুষ – সবাই নিঃচাপে, খুশিমনে “সমঝোতা” করে টাকা দেয়?সমঝোতা নাকি লুকানো জুলুম?চলুন একটু সোজা উদাহরণ দেখি।রাতের অন্ধকারে হাইওয়েতে গাড়ি আটকে “রেট ফিক্সড” – না দিলে হেনস্তা, মামলা, গাড়ি থামিয়ে রাখা।হাটবাজারে ব্যবসায়ীকে বলে দেওয়া হয়, প্রতিদিন এত টাকা দিবেন, না দিলে দোকান থাকবে না।এলাকার প্রভাবশালীরা “ডেভেলপমেন্ট ফান্ড” বা “কমিটি ফান্ড” নামে মাসে টাকা তোলেন, না দিলে নানা হয়রানি।এইসব কি কোনও স্বাধীন “সমঝোতা”? নাকি জুলুমের অন্য নাম? যখন এক পক্ষ শক্তিশালী, আরেক পক্ষ দুর্বল; এক পক্ষের হাতে ক্ষমতা, অস্ত্র, প্রভাব; আরেক পক্ষের হাতে শুধু দুঃশ্চিন্তা আর ভয়ের ঘাম – সেখানে যে চুক্তি হয়, তা আসলে চাপের চুক্তি, জুলুমের চুক্তি, নামমাত্র সমঝোতা।যদি সবই সমঝোতা হয়, তবে হারাম কোথায়?মন্ত্রীদের কথা যদি মেনে নেই – যেহেতু সবই “সমঝোতার ভিত্তিতে”, তাহলে তো যুক্তি দাঁড়ায়:ঘুষ জায়েজ, কারণ অফিসার কেউ বন্দুক ধরে ঘুষ চায় না, “সিস্টেমের কারণে” হয়, দু’পক্ষই নাকি রাজি।সুদ জায়েজ, কারণ কেউ কাউকে জোর করছে না, “সিস্টেমের কারণে” ঋণ নিতে হয়।ধর্ষণও একদিন কেউ বলে বসবে, “সমঝোতার ভিত্তিতে” হয়েছিল, প্রমাণ কোথায়?এই ভয়ংকর মানসিকতা সমাজকে ভেতর থেকে পচিয়ে দিচ্ছে। যখন ক্ষমতাধররা অন্যায়ের ভাষা বদলে তাকে “সমঝোতা” বলে চালিয়ে দেন, তখন অপরাধ শুধু কাঠামোয় থাকে না, নৈতিকতার ভিতেও ঢুকে পড়ে। রাষ্ট্র তখন নিরপেক্ষ বিচারক নয়, বরং অন্যায়ের অঘোষিত অংশীদার হয়ে যায়।সিস্টেমের নাম করে পাপ বৈধ করাআমরা বারবার শুনি, “সিস্টেমই এমন”, “সিস্টেম চেঞ্জ করতে হবে”, “ব্যক্তিকে দোষ দিয়ে লাভ কী?”। কিন্তু একই সঙ্গে যখন দায়িত্বশীল মানুষরা বলেন – “এটা তো সমঝোতার ব্যাপার”, তখন দুটি জিনিস ঘটে:সিস্টেম বদলানোর কথা মুখে থাকলেও কাজে আর আসে না।বহু দুর্নীতিকে পরোক্ষভাবে বৈধতা দেওয়া হয়।ঘুষ, সুদ, চাঁদাবাজি – এগুলো শুধু ব্যক্তিগত পাপ নয়, এগুলো রাষ্ট্রীয় ও সামাজিক ব্যর্থতার প্রতীক। কিন্তু এই ব্যর্থতাকে “সমঝোতা” বলে ডেকে যখন পরিষ্কার করা হয়, তখন যারা ভুক্তভোগী, তাদের মুখ বন্ধ হয়ে যায়, প্রতিবাদ দুর্বল হয়ে পড়ে।সত্যিকারের যোগ্যতা: সৎ, জ্ঞানী, আসক্তিমুক্তআজকে যদি জিজ্ঞেস করি – মন্ত্রী হওয়ার যোগ্যতা কী?শুধু দলীয় আনুগত্য?শুধু টাকা আর পেশিশক্তি?শুধু “কম্প্রোমাইজ” করার দক্ষতা?না, একজন মন্ত্রী হওয়ার আগে অন্তত তিনটি গুণ লাগবেই:তিনি ভালো মানুষ হবেন – মানে, ন্যূনতম নৈতিকতা থাকবে।তিনি জানবেন – আইন, অর্থনীতি, সমাজ, ধর্ম – অন্তত মৌলিক ধারণা ও বোধ থাকবে।তিনি মাদক ও অসৎ আসক্তি থেকে মুক্ত থাকবেন – চরিত্রগতভাবে দাঁড়াতে পারবেন অন্যায়ের বিপরীতে।এই দেশে কি ভালো মানুষ নেই? জ্ঞানী, সৎ, মাদকাসক্ত নয় – এমন কেউ নেই? আছে, অবশ্যই আছে। তাহলে কেন বারবার এমন মানুষ ক্ষমতায় আসে, যারা রাস্তায় চাঁদাবাজি দেখে না, ঘুষের গন্ধ পায় না, সুদের যন্ত্রণাকে “সিস্টেম” বলে এড়িয়ে যায়?বিএনপি, আওয়ামী লীগ, ও “জুলাই যোদ্ধা”“জুলাই যোদ্ধা”রা এখনও আছে – যারা সবসময় ক্ষমতার গরম হাওয়া দেখে দলে ঢুকে পড়ে, আবার হাওয়া বদলালে স্লোগান বদলে ফেলে। তারা কখনোই আদর্শের রাজনীতি করে না, করে সুবিধার রাজনীতি। দল বদলায়, ভাষা বদলায়, কিন্তু চরিত্র বদলায় না।বিএনপি কি দেউলিয়া দল? এক কথায়: না।এই দেশে এখনও বহু মানুষ আছে, যারা অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলতে চায়।এখনও বহু কর্মী আছে, যারা জুলুমের বিরুদ্ধে দাঁড়াতে চায়।তবে কোনো দলই টিকে থাকবে না, যদি তারা ভালো মানুষ, জ্ঞানী মানুষ, সাহসী মানুষকে সামনে না আনে, আর “জুলাই যোদ্ধা”দের দিয়ে রাজনীতি চালাতে থাকে।আমাদের করণীয়: নীরবতা ভাঙা, যুক্তি তোলাসামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করে সব বদলানো সম্ভব না, কিন্তু এটা পরিবর্তনের একটি শুরু। তাই কিছু কাজ আমাদের করতেই হবে।“সমঝোতার ভিত্তিতে চাঁদা” – এই ভাষাকে প্রকাশ্যে চ্যালেঞ্জ করতে হবে।যে মন্ত্রী বা জনপ্রতিনিধি অন্যায়কে নরম ভাষায় বৈধ করতে চান, তাদের বক্তব্যের বিরোধিতা করতে হবে যুক্তি দিয়ে, তথ্য দিয়ে।দল, ব্যক্তি, আইডল – কারও অন্ধ অনুসারী না হয়ে, নীতির অনুসারী হতে হবে।সৎ, জ্ঞানী, আসক্তিমুক্ত মানুষকে রাজনীতিতে আসতে উৎসাহ দিতে হবে, দল নির্বিশেষে।আসল প্রশ্ন খুব সোজা: আমরা কী চাই?এমন একটা দেশ, যেখানে অন্যায়কে নতুন নামে ডেকে হালাল বানানো হবে?নাকি এমন একটা দেশ, যেখানে দুর্বল মানুষের কান্নাকে “সমঝোতা” বলে থামিয়ে দেওয়া হবে না?নীরব থাকলে “সমঝোতার ভিত্তিতে অন্যায়” একদিন আইনের চোখেও স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কথা বলতে হবে, লিখতে হবে, জিজ্ঞেস করতে হবে – “মন্ত্রী সাহেব, আপনি যা দেখেন না, আমরা প্রতিদিন তা বয়ে বেড়াই।”

27/01/2026

রাজনীতি হলো রাজার নীতি, এখানে কথার পেঁচ মার থাকবে এটা স্বাভাবিক। আমরা ক্যাডারীর রাজনীতির পক্ষে নয়। ভোট সবার অধিকার। যে যাকে ভালো লাগে তাকে দিবে। কিন্তু কাউকে আক্রমণ করা কাম্য নয়।

27/01/2026

Might is right.
পৃথিবীতে মানবতা বলতে কিছু নেই।
যারা মানবতার কথা বলে তারা চরমভাবে মানবতা লংঘন করে।

সূরা বাকারা, আয়াত ১৯০
“তোমরা সীমা লঙ্ঘন করো না; নিশ্চয়ই আল্লাহ সীমা লঙ্ঘনকারীদের ভালোবাসেন না।”

সংক্ষেপে বললে, এই নোটিশটার প্রভাব শেয়ার বাজারে সীমিত কিন্তু ইতিবাচক হতে পারে, খুব বড় রকমের জাম্প হওয়ার সুযোগ কম, তবে পুর...
24/01/2026

সংক্ষেপে বললে, এই নোটিশটার প্রভাব শেয়ার বাজারে সীমিত কিন্তু ইতিবাচক হতে পারে, খুব বড় রকমের জাম্প হওয়ার সুযোগ কম, তবে পুরস্কার পাওয়া ইন্স্যুরেন্স শেয়ারগুলোতে সেন্টিমেন্ট ভালো হবে

��।কী নোটিশে বলা আছেIDRA ১৩টা লাইফ ও নন-লাইফ কোম্পানিকে “Insurance Excellence Award 2025” দিচ্ছে, যারা গভার্ন্যান্স, ট্রান্সপারেন্সি, প্রফেশনাল ম্যানেজমেন্ট ইত্যাদিতে ভালো করেছে
�।নন-লাইফে প্রথম: Pragati Insurance PLC, লাইফে প্রথম: MetLife (American Life Insurance Company Ltd.)

��।শেয়ারবাজারে সম্ভাব্য প্রভাবপুরস্কার পাওয়া লিস্টেড কোম্পানিগুলোর (যেমন Pragati Insurance, Green Delta, Eastland, United ইত্যাদি) শেয়ারে সাময়িকভাবে ডিমান্ড বাড়তে পারে, কারণ বিনিয়োগকারীরা এগুলোকে গুণগত কোম্পানি হিসেবে আরও পজিটিভলি নেবে

�।গভার্ন্যান্স ও কমপ্লায়েন্সে ভালো রেটিং মানে ভবিষ্যতে দাবি পরিশোধ, লভ্যাংশ ইত্যাদির ক্ষেত্রে ঝুঁকি তুলনামূলক কম–এটা দীর্ঘমেয়াদী ইনভেস্টরের জন্য ইতিবাচক সিগন্যাল

�।কেন প্রভাব সীমিত থাকতে পারেএটা কেবল একটি স্বীকৃতি; কোম্পানির আর্নিং, ডিভিডেন্ড, রিজার্ভ ইত্যাদিতে তাৎক্ষণিক কোনো পরিবর্তন আনে না

�।মার্কেটে ইতোমধ্যে খবরটা আসায় অনেক ক্ষেত্রে প্রাইসের ভিতরে প্রাইস-ইন হয়ে যেতে পারে; তাই দেরিতে ঢুকলে বড় গেইন নাও হতে পারে

�।ব্যবহারিক দিকনির্দেশনাশুধু অ্যাওয়ার্ড দেখে কেনাবেচা না করে কোম্পানির EPS, NAV, ক্লেইম রেশিও, ডিভিডেন্ড হিস্ট্রি, ফ্রি ফ্লোট ইত্যাদি ফান্ডামেন্টালও দেখে সিদ্ধান্ত নিন

�।যদি আগেই এসব কোম্পানিতে ইনভেস্টেড থাকেন, খবরটা আপনার হোল্ডিংয়ের জন্য পজিটিভ কনফার্মেশন হিসেবে ধরা যেতে পারে, কিন্তু শুধু এটাকে ভিত্তি করে খুব আক্রমণাত্মক ট্রেড করা ঝুঁকিপূর্ণ।

Good morning Bindabon tea garden. Habiganj
08/11/2025

Good morning
Bindabon tea garden.
Habiganj

09/10/2025
09/10/2025

নোয়াখালী বিভাগ চাই

এটি গাজী তৌহিদুল ইসলামের একটি অফিসিয়াল অথোরিটি সার্টিফিকেট বা নোটিশ যা বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের স্প...
09/10/2025

এটি গাজী তৌহিদুল ইসলামের একটি অফিসিয়াল অথোরিটি সার্টিফিকেট বা নোটিশ যা বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টের হাই কোর্ট ডিভিশনের স্পেশাল অরিজিনাল জুরিসডিকশনের অধীনে একট সুপ্রিম কোর্ট রিট পিটিশনের বিষয়ে দেওয়া হয়েছে।বিশ্লেষণ:পিটিশনার: মোঃ জামাল হোসেন, পিতা মোঃ আবদুল মজিদ জমাদ্দার, লালবাগ এর একটি ঠিকানায় বসবাসরত।প্রতিউত্তরকর্তা:বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (SEC)ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (DSE) এর চেয়ারম্যানবিষয়বস্তু:পিটিশনার ২১-০৬-২০২২ তারিখের বিএসইসি/এসএমইসিএল/০৯০-২০০৯ থেকে জারি করা স্মল অ্যান্ড মিডিয়াম এন্টারপ্রাইজ (SME) এর ট্রেডিং সীমানা নিয়ে চ্যালেঞ্জ করেছে।স্পষ্টভাবে উল্লেখ আছে যে, পিটিশনার অতিরিক্ত SME লিমিটের (১) মিলিয়ন টাকা সীমা প্রণয়ন ও নির্দেশনার বিরুদ্ধে আবেদন করেছে।আমন্ত্রণ এবং নির্দেশনা বিষয়ে পিটিশনারের প্রতিনিধিত্বের ক্ষেত্রে নিয়ম এবং আইনের প্রযোজ্য ধারার উল্লেখ ও প্রমাণ উপস্থাপন।আলোচনা ও শুনানি:৭ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে হাই কোর্ট বেঞ্চ এই বিষয়ে শুনানি করেছেন।জাজ মড. রাশেদ জাহাঙ্গির ও ড. বিচারপতি দীপঙ্কর বসু শুনানিতে ছিলেন।শুনানির শেষে, রেসপন্ডেন্ট নং ২ (বিএসইসি) কে পিটিশনারের প্রতিনিধিত্বের ব্যবস্থা আগামী ১৩ আগস্ট ২০২৫ এর মধ্যে সম্পন্ন করতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।আদেশ:হাই কোর্টের আদেশ শীঘ্রই অফিসিয়াল ভাবে জানানো হবে।সার্টিফিকেটটি অ্যাপিলেট ডিভিশনের সিদ্ধান্তের অধীনে ইস্যুকৃত।সারসংক্ষেপ:এই নোটিশটি একটি আইনি প্রক্রিয়ার একট ধাপ যেখানে পিটিশনার বাংলাদেশের স্টক মার্কেটে SME লিমিট সংক্রান্ত নিয়মাবলি নিয়ে মামলা করেছেন, এবং আদালত তার প্রতিনিধিত্বে রেসপন্ডেন্টদের প্রদত্ত নির্দেশনা নিশ্চিত করেছেন। এটি আইনগত প্রক্রিয়ার অবহিতকরণ।আরো কোনো নির্দিষ্ট তথ্য বা ব্যাখ্যা চাইলে বলুন।

ডিএসই (DSEX) সূচকের বর্তমান বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাজার সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা শক্তিশালী ঘর থেকে দুর্বলতার দিকে যাচ্ছে...
09/10/2025

ডিএসই (DSEX) সূচকের বর্তমান বাজার বিশ্লেষণ অনুযায়ী, বাজার সাম্প্রতিক সময়ে কিছুটা শক্তিশালী ঘর থেকে দুর্বলতার দিকে যাচ্ছে এবং আপাতত একটি সীমিত অঞ্চলে ঘুরছে�।মূল্য প্রবণতা ও ঘুরে দাঁড়ানোDSEX সূচক কয়েক মাস আগে উল্লেখযোগ্যভাবে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে, তবে বর্তমানে এটি ৫৩৩৭-এর আশেপাশে স্থিতিশীল, সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে কিছুটা পতন লক্ষ্য করা যাচ্ছে�।মূল্য চার্ট দেখে বোঝা যায়, গত ৭৩ দিন ধরে (প্রায়) সূচক একটি নির্দিষ্ট রেঞ্জের (৫৩১৪-৫৮৯০) মধ্যে ঘুরছে, নতুন প্রবণতা গঠিত হয়নি�।ভলিউম ও লেনদেনসাম্প্রতিক লেনদেনের পরিমাণ মধ্যম থেকে কিছুটা নিম্নমুখী, বড় কোন ভলিউম স্পাইক নেই যা শক্তিশালী ব্রেকআউটের নির্দেশ দেয়�।ভলিউম SMA (মধ্যগড় চলমান গড়) ১৯১-এর কাছাকাছি, মোটামুটি স্থিতিশীল�।টেকনিক্যাল ইন্ডিকেটরRSI (Relative Strength Index) বর্তমানে ৪০.৩৯, যা oversold (বিক্রয়চাপে) অঞ্চলের কাছাকাছি; অর্থাৎ বাজার ক্রয়কারীর তুলনায় বিক্রেতার দিকেই কিছুটা ভারী�।MACD (Moving Average Convergence Divergence) নেতিবাচক অঞ্চলে রয়েছে, অর্থাৎ সাম্প্রতিক প্রবণতা দুর্বল এবং বিক্রয় চাপ প্রবল�।সারসংক্ষেপবাজার এখন পর্যন্ত সাম্প্রতিক ঊর্ধ্বমুখী অবস্থা ধরে রাখতে পারছে না, সীমিত অঞ্চলে (ranging) চলছে�।RSI এবং MACD তথ্য অনুযায়ী, বড় ধরনের ক্রয় প্রবাহের চিহ্ন নেই, বরং বিক্রয়কারীরা আধিপত্য রাখছে�।নতুন বিনিয়োগের আগে, সূচক ৫৩১৪-এর নিচে নেমে গেলে সতর্ক হওয়া ভালো, আবার ৫৮৯০-এর ওপরে স্থায়ীভাবে ওঠা হলে ঘুরে দাঁড়াতে পারে�।এই মুহূর্তে বাজার অপেক্ষাকৃত দুর্বল এবং প্রযুক্তিগতভাবেই সতর্ক অবস্থানে আছে

Address

Hatiya
Chittagong
3890

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Md Adiler Rahman posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Md Adiler Rahman:

Shortcuts

Share