Dewri

Dewri Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dewri, Media/News Company, Dewri, 4015 CJKS Stadium Shopping Complex (4F), Naval Avenue, Nur Ahmed Road, Chittagong.

Dewri is a social media news magazine with the aim to showcase Bangladesh and global breakthrough events, architectural, archaeological, technological innovation and advancement, lifestyle attractions, tourist destinations, culture and heritage.

হিমালয়ের হিমবাহ ধসে নেপালে ঘটে যাওয়া নজিরবিহীন ও প্রলয়ঙ্করী বন্যার ক্ষত এখনো দগদগে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের...
01/09/2026

হিমালয়ের হিমবাহ ধসে নেপালে ঘটে যাওয়া নজিরবিহীন ও প্রলয়ঙ্করী বন্যার ক্ষত এখনো দগদগে। বৈশ্বিক উষ্ণায়ন ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৃষ্ট এই অপূরণীয় ক্ষয়ক্ষতির জন্য বিশ্বের তিন শীর্ষ কার্বন নির্গমনকারী পরাশক্তি—ভারত, চীন এবং যুক্তরাষ্ট্রকে সরাসরি দায়ী করেছে কাঠমান্ডু। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক মহলে জোর দাবি তুলেছে কোটি কোটি ডলারের জলবায়ু ক্ষতিপূরণের।

নেপালের পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট জানিয়েছেন, বৈশ্বিক পরিবেশ দূষণে নেপালের অবদান নেই বললেই চলে। অথচ বড় দেশগুলোর অতি-শিল্পায়নের খেসারত দিতে হচ্ছে তাদের দেশের সাধারণ মানুষকে। তাই নেপালকে যথাযথ ক্ষতিপূরণ দেওয়া চীন, যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের ঐতিহাসিক ও নৈতিক দায়িত্ব।

গত সপ্তাহে নেপাল-তিব্বত সীমান্তে একটি বিশাল হিমবাহ ধসে পড়ার কারণে নদীর পানি মুহূর্তের মধ্যে পাহাড়ি জনবসতি, রাস্তাঘাট ও ঘরবাড়ি ভাসিয়ে নিয়ে যায়। সরকারি হিসাব মতে, এই দুর্যোগে ইতিমধ্যে ৯৫০ জনেরও বেশি মানুষের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে এবং এখনো প্রায় ৩ হাজার মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন।

নেপালের অর্থমন্ত্রী জানিয়েছেন, এই বিধ্বংসী বন্যায় ভেঙে পড়া দেশ পুনর্গঠনে প্রায় ৪ থেকে ৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এই বিশাল ক্ষতি কাটিয়ে উঠতে ইতিমধ্যেই নেপাল জাতিসংঘের বিশেষ জলবায়ু তহবিলের কাছে জরুরি আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছে।

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে বলেছেন, হিমালয় অঞ্চলের এই দ্রুত পরিবর্তন ও বরফ গলে যাওয়া শুধু নেপালের মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকবে না। নদীর নিম্ন অববাহিকায় থাকা বাংলাদেশ ও ভারতের বিস্তীর্ণ অঞ্চলের জন্যও এটি একটি বড় বিপদের আগাম সতর্কবার্তা।


জাইলিটল এক ধরণের সুগার অ্যালকোহল যা চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুগার-ফ্রি চুয়িংগাম, জ্যাম, টুথপেস্ট, মাউথওয়াশ, দই ...
01/09/2026

জাইলিটল এক ধরণের সুগার অ্যালকোহল যা চিনির বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। সুগার-ফ্রি চুয়িংগাম, জ্যাম, টুথপেস্ট, মাউথওয়াশ, দই এবং আইসক্রিমে এটি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়।

জার্মানির মিউনিখে ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব কার্ডিওলজি কংগ্রেসে উপস্থাপিত একটি গবেষণার তথ্য অনুযায়ী জাইলিটল মানবদেহের প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকাকে অতিরিক্ত মাত্রায় সক্রিয় করে তোলে। রক্তে অণুচক্রিকা অতি-সক্রিয় হয়ে উঠলে ধমনীর ভেতরে দ্রুত রক্ত জমাট বাঁধতে শুরু করে। এই জমাট বাঁধা রক্ত হৃদপিণ্ডে পৌঁছালে হার্ট অ্যাটাক এবং মস্তিষ্কে পৌঁছালে স্ট্রোকের সৃষ্টি করে। যাদের রক্তে জাইলিটলের পরিমাণ সবচেয়ে বেশি ছিল, তাদের ক্ষেত্রে পরবর্তী ৬ বছরের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক বা স্ট্রোকের ঝুঁকি প্রায় ৫৭% বেশি দেখা গেছে।

ফলমূল ও শাকসবজিতে প্রাকৃতিকভাবে জাইলিটল সামান্য পরিমাণে থাকলেও বাণিজ্যিক প্রক্রিয়াজাত খাবারে এর ব্যবহার কয়েক হাজার গুণ বেশি। সাধারণত স্থূলতা ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যে অনেকেই সাধারণ চিনির পরিপূরক হিসেবে ডায়েট ফুড বা চিনিমুক্ত খাবার বেছে নেন। তবে চিকিৎসকদের মতে, সুস্থ থাকার আশায় খাওয়া বিকল্প চিনির এই উপাদান অজান্তেই শরীরকে বড় ধরনের স্বাস্থ্যঝুঁকির মুখে ফেলছে। অবশ্য টুথপেস্ট কিংবা মাউথওয়াশের মতো প্রসাধনীতে জাইলিটলের ব্যবহার নিরাপদ, কারণ এগুলো পেটে যাওয়ার সুযোগ থাকে না।

চিকিৎসকেরা এখন উপাদানটির নিরাপদ ব্যবহার নিশ্চিত করতে খাদ্যপণ্যের মোড়কে সতর্কবার্তা যুক্ত করার দাবি জানাচ্ছেন। একই সঙ্গে প্রক্রিয়াজাত চিনিমুক্ত খাবার কেনার সময় ভোক্তাদের সচেতনভাবে উপাদানসমূহের তালিকা দেখে নেওয়ার তাগিদ দেওয়া হচ্ছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশের পর গুগল ম্যাপস তাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবহারকারীদ...
31/08/2026

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একটি নির্বাহী আদেশের পর গুগল ম্যাপস তাদের মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ব্যবহারকারীদের জন্য লেক অন্টারিও-এর নাম পরিবর্তন করে লেক আমেরিকা রেখেছে।

সম্প্রতি যুক্তরাষ্ট্র ও কানাডার মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য আলোচনা ব্যর্থ হয় এবং পরবর্তীতে তা পাল্টাপাল্টি শুল্ক আরোপের যুদ্ধে রূপ নেয়। এই উত্তেজনা বৃদ্ধির ধারাবাহিকতায়, গত বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট দুই দেশের সীমান্ত ঘেঁষা ঐতিহাসিক হ্রদটির নাম পরিবর্তনের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেন। তাঁর ঘোষণার পরই গুগল ম্যাপস মার্কিন ব্যবহারকারীদের জন্য তাদের প্ল্যাটফর্মে এই পরিবর্তন নিয়ে আসে।

সূত্র: দ্য টেলিগ্রাফ

বহু বছর ধরে এন্ডোমেট্রিওসিসকে কেবলই একটি প্রজননতন্ত্র বা জরায়ু-সম্পর্কিত জটিলতা হিসেবে দেখা হতো। লোকলজ্জা আর সামাজিক ট্...
30/08/2026

বহু বছর ধরে এন্ডোমেট্রিওসিসকে কেবলই একটি প্রজননতন্ত্র বা জরায়ু-সম্পর্কিত জটিলতা হিসেবে দেখা হতো। লোকলজ্জা আর সামাজিক ট্যাবু বা সংকোচের কারণে বাংলাদেশের অসংখ্য নারী এই তীব্র শারীরিক কষ্ট বছরের পর বছর মুখ বুজে সহ্য করে আসছেন। তবে চিকিৎসা বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণা প্রচলিত এই ধারণাকে পুরোপুরি বদলে দিচ্ছে। ন্যাশনাল জিওগ্রাফিকের এক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে, এন্ডোমেট্রিওসিস আসলে কোনো সুনির্দিষ্ট অঙ্গের রোগ নয়, বরং এটি এমন একটি দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা, যার প্রভাব পুরো শরীরেই পড়তে পারে। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে শরীরে যে দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ বা ইনফ্লামেশন তৈরি হয়, তার প্রভাব ফুসফুস, অন্ত্র এমনকি চোখ ও মস্তিষ্ক পর্যন্ত ছড়িয়ে পড়তে পারে।

কী এই এন্ডোমেট্রিওসিস?
সাধারণত নারীদের জরায়ুর ভেতরের দেয়ালের আস্তরণকে বলা হয় এন্ডোমেট্রিয়াম, যা প্রতি মাসে ঋতুচক্র বা মাসিকের সময় রক্তের সাথে শরীর থেকে বের হয়ে যায়। কিন্তু এন্ডোমেট্রিওসিস রোগে আক্রান্ত নারীদের ক্ষেত্রে এই এন্ডোমেট্রিয়াল টিস্যু বা কোষগুলো জরায়ুর বাইরে ডিম্বনালি, ডিম্বাশয়, মূত্রথলি কিংবা তলপেটের অন্যান্য অংশে ছড়াতে ও বাড়তে শুরু করে। ফলে মাসিকের সময় জরায়ুর ভেতরের মতো বাইরের এই টিস্যুগুলো থেকেও রক্তক্ষরণ ও তীব্র প্রদাহের সৃষ্টি হয়। শরীর থেকে এই রক্ত বের হওয়ার কোনো পথ না থাকায় তা ভেতরেই জমে চকলেট সিস্ট এবং আশপাশের অঙ্গের মধ্যে অস্বাভাবিক জোড়া লাগা বা এডহেসন তৈরি করে।

শরীরে এর প্রভাব
বিজ্ঞানীরা এখন নিশ্চিত করছেন যে, এন্ডোমেট্রিওসিসের ক্ষত বা লেশন গুলো থেকে অতিরিক্ত ইস্ট্রোজেন হরমোন এবং এক ধরনের রাসায়নিক উপাদান নিঃসৃত হয়। এটি পুরো শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বা ইমিউন সিস্টেমকে এলোমেলো করে দেয়।গবেষণায় দেখা গেছে, এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে সৃষ্ট এই শারীরিক প্রদাহের সাথে মাইগ্রেন (দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথা), হাঁপানি এবং মারাত্মক পরিপাকতন্ত্রের জটিলতার (যেমন: কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া ও পেটে গ্যাস হওয়া) সরাসরি যোগসূত্র রয়েছে। চিকিৎসকেরা বলছেন, এটি রক্তচাপ ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং এর কারণে নারীরা তীব্র ক্লান্তি বা ক্রনিক ফ্যাটিগ ও মানসিক অবসাদে ভোগেন।

রোগ নির্ণয়ে বিলম্ব ও অবহেলা
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, একজন নারীর শরীরে এন্ডোমেট্রিওসিসের লক্ষণ দেখা দেওয়ার পর থেকে রোগটি চূড়ান্তভাবে নির্ণয় হতে প্রায় ৪ থেকে ১২ বছর পর্যন্ত সময় লেগে যায়। বাংলাদেশে এই বিলম্বের হার আরও বেশি। এর অন্যতম প্রধান কারণ হলো, আমাদের সমাজে কিশোরী বা তরুণীদের মাসিকের তীব্র কষ্ট বা তলপেটের ব্যথাকে অনেকেই ‘স্বাভাবিক’ বা মেয়েলি সমস্যা বলে উড়িয়ে দেন। ফলে সঠিক সময়ে রোগ ধরা পড়ে না, যা পরবর্তীতে বন্ধ্যাত্ব বা সন্তান ধারণে অক্ষমতার মতো বড় ধরনের জটিলতা তৈরি করে।

পরিবর্তনের ডাক
চিকিৎসা বিজ্ঞানের নতুন আবিষ্কারগুলো এখন বিশেষজ্ঞদের এন্ডোমেট্রিওসিসের চিকিৎসা পদ্ধতি নিয়ে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করছে। এতদিন ধরে কেবল ব্যথা কমানোর ওষুধ, হরমোন থেরাপি কিংবা ল্যাপারোস্কোপিক অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে জরায়ুর আশপাশের সিস্ট ফেলে দেওয়াকেই এর প্রধান চিকিৎসা মনে করা হতো।কিন্তু যেহেতু এটি পুরো শরীরের একটি প্রদাহজনিত ব্যাধি, তাই শুধু স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞরা একা এর পূর্ণাঙ্গ সমাধান করতে পারবেন না। এখন থেকে এন্ডোমেট্রিওসিস নিয়ন্ত্রণে মাল্টি-ডিসিপ্লিনারি বা সমন্বিত চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর জোর দেওয়া হচ্ছে, যেখানে ব্যথানাশক ও হরমোন নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি শরীরের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ঠিক রাখা এবং খাদ্য তালিকায় প্রদাহরোধী পরিবর্তন আনা জরুরি।

এন্ডোমেট্রিওসিসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের একমাত্র পথ নীরবতা ভেঙে সচেতন হওয়া। মাসিকের তীব্র ব্যথা, অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ কিংবা মলমূত্র ত্যাগের কষ্ট লুকানোর
কোনো বিষয় নয়; বরং পরিবারের সচেতনতা আর সঠিক সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শই পারে একটি জীবনকে সুন্দর ও সুরক্ষিত রাখতে।



চুলে ক্লিপ আটকে ঘর থেকে বের হওয়া কোটি তরুণীর রোজকার জীবনের অংশ। রাস্তাঘাট, ক্যাম্পাস কিংবা অফিস চুল খোঁপা করার অনুষঙ্গটি...
29/08/2026

চুলে ক্লিপ আটকে ঘর থেকে বের হওয়া কোটি তরুণীর রোজকার জীবনের অংশ। রাস্তাঘাট, ক্যাম্পাস কিংবা অফিস চুল খোঁপা করার অনুষঙ্গটি এখন তরুণী ও নারীদের ফ্যাশনের শীর্ষ তালিকায়। কিন্তু আপাতদৃষ্টিতে নিরীহ ও সুন্দর দেখতে এই ক্লিপটিই যে যেকোনো মুহূর্তে জীবনের সবচেয়ে বড় বিপর্যয় ডেকে আনতে পারে, তা হয়তো অনেকেই জানেন না। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তাররা চুলে পরার এই জনপ্রিয় ক্লিপকে এখন সরাসরি মৃত্যুর ফাঁদ বলে সতর্ক করছেন।. ডাক্তাররা বলছেন, গাড়ি এক্সিডেন্ট বা আচমকা মাটিতে আছাড় খেয়ে পড়লে এই ক্লিপগুলো মাথার খুলি ফুটো করে ভেতরে ঢুকে যেতে পারে, যা সরাসরি মৃত্যুর কারণ হতে পারে।

বিশ্বজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি করা বাস্তব ঘটনা
যুক্তরাজ্যের ১৯ বছর বয়সী শিক্ষার্থী জিনা পানেসার এবং অস্ট্রেলিয়ার ২২ বছর বয়সী টিকটক ইনফ্লুয়েন্সার এলা কার্টারের বাস্তব অভিজ্ঞতা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি করেছে। জিনা পানেসারের গাড়িটি দুর্ঘটনার কবলে পড়লে তার মাথায় থাকা ক্লিপটি চামড়া ভেদ করে সরাসরি মাথার খুলিতে গেঁথে যায়। ডাক্তাররা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তাঁর মাথা থেকে ১০ সেন্টিমিটার লম্বা ক্লিপটি উদ্ধার করেন। ডাক্তাররা জানান, ক্লিপটি যদি প্লাস্টিকের না হয়ে মেটালের বা ধাতুর হতো, তবে তা জিনার মস্তিষ্ক ফুটো করে তাৎক্ষণিক মৃত্যুর কারণ হতে পারত।

কেন এটি এত বিপজ্জনক?
এই ক্লিপগুলো সাধারণত মাথার ঠিক পেছনে পরা হয়। গাড়ি বা সিএনজিতে হঠাৎ ব্রেক করলে মানুষের মাথা তীব্র গতিতে পেছনের সিটের সাথে বাড়ি খায়। সেই মুহূর্তে মাথার পেছনে শক্ত প্লাস্টিক বা মেটালের ক্লিপ থাকলে তা হাতুড়ির মতো কাজ করে এবং তীব্র চাপে সরাসরি মাথার চামড়া ও খুলি ভেদ করে ভেতরে ঢুকে যায়। মাথার এই অংশেই মানবদেহের অত্যন্ত সংবেদনশীল ব্রেন স্টেম থাকে, যা শ্বাস-প্রশ্বাস ও রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে। সেখানে আঘাত লাগলে মানুষের প্যারালাইসিস হতে পারে অথবা সাথে সাথে মৃত্যু ঘটতে পারে।

আমাদের দেশে যাতায়াতের মাধ্যম ও রাস্তার পরিস্থিতির কারণে এই ঝুঁকি আরও অনেক বেশি। তাই নিজেকে সুরক্ষিত রাখতে এই নিয়মগুলো মেনে চলুন:

মোটরবাইক বা স্কুটার রাইডিং: বাইকের পেছনে বসার সময় এই ক্লিপ কখনই পরবেন না। প্রথমত, ক্লিপের কারণে হেলমেট ঠিকমতো মাথায় বসবে না। দ্বিতীয়ত, এক্সিডেন্ট হলে হেলমেটের ভেতরের চাপে ক্লিপটি সরাসরি মাথায় ঢুকে যাবে।

সিএনজি বা লেগুনা যাত্রা: বাংলাদেশের ভাঙা রাস্তায় সিএনজি বা লেকুনায় ঝাঁকুনি খুব সাধারণ বিষয়। হঠাৎ বড় গর্তে চাকা পড়লে মাথা পেছনের রড বা বডিতে আঘাত পায়। তাই এই বাহনগুলোতে ওঠার আগে ক্লিপটি খুলে ব্যাগে রাখুন।

ব্যায়াম বা খেলাধুলার সময়: জিম বা শারীরিক কসরতের সময় যেখানে পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে, সেখানে ক্লিপের ব্যবহার এড়িয়ে চলতে হবে।

মেটাল বা ধাতব ক্লিপ বর্জন: বাজার থেকে ক্লিপ কেনার সময় মেটাল বা শক্ত ধাতুর ক্লিপ কেনা পুরোপুরি বন্ধ করুন। এগুলো প্লাস্টিকের চেয়ে শতগুণ বেশি বিপজ্জনক।

চুলও গোছানো থাকবে, আবার জীবনও ঝুঁকিতে পড়বে না এমন কিছু সহজ বিকল্প:

স্ক্রাঞ্চি: কাপড়ের তৈরি বড় ও রঙিন স্ক্রাঞ্চি এখন বেশ ফ্যাশনেবল। এটি ব্যবহারে মাথায় আঘাত পাওয়ার কোনো ঝুঁকি থাকে না।

নরম হেয়ার ব্যান্ড বা পনিটেল: চুলকে পনিটেল করে বাঁধলে তা দেখতেও সুন্দর লাগে এবং যেকোনো জার্নিতে এটি সম্পূর্ণ নিরাপদ।

ববি পিন বা ছোট ক্লিপ: বড় ক্লিপের বদলে ছোট ও চ্যাপ্টা ববি পিন ব্যবহার করতে পারেন, যা মাথার চামড়ার সাথে মিশে থাকে।

একটি সাধারণ ক্লিপের কারণে একটি সুন্দর জীবন অকালে যেন থমকে না যায়। রূপচর্চা বা ফ্যাশন তখনই সার্থক, যখন তা নিরাপদ থাকে। তাই সচেতন হোন; কারণ আপনার জীবন যেকোনো চলতি ট্রেন্ড বা ফ্যাশনের চেয়ে অনেক বেশি মূল্যবান।


ডিজিটাল স্ক্রিনের তীব্র আকর্ষণ, সামাজিক মাধ্যমের রিলস বা শর্টস এবং ক্ষণিক বিনোদনের এই যুগেও কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা জীবনে...
28/08/2026

ডিজিটাল স্ক্রিনের তীব্র আকর্ষণ, সামাজিক মাধ্যমের রিলস বা শর্টস এবং ক্ষণিক বিনোদনের এই যুগেও কিছু মানুষ আছেন, যাঁরা জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বইয়ের গন্ধ আর পাতার ভাঁজে ডুবে থাকেন। জো পিন্সকারের পর্যবেক্ষণ এবং সমাজতাত্ত্বিক গবেষণা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এই আজীবন গ্রন্থানুরাগী হয়ে ওঠার পেছনে কোনো অলৌকিক ক্ষমতা নেই; বরং এর পেছনে রয়েছে কিছু নির্দিষ্ট মনস্তাত্ত্বিক, সামাজিক ও অভ্যাসগত কারণ।

সমাজবিজ্ঞানীদের মতে, একজন মানুষের আজীবন পাঠক হয়ে ওঠার সবচেয়ে বড় ভিত্তিটি তৈরি হয় মূলত তাঁর শৈশবে। যেসব পরিবারে বাবা-মা নিজেরা নিয়মিত বই পড়েন কিংবা ঘরে বইয়ের একটি সুন্দর সংগ্রহ থাকে, সেই পরিবেশের শিশুরা খুব স্বাভাবিকভাবেই বইকে তাদের বিনোদন ও অবসরের প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে বেছে নেয়। শৈশবে ঘুমানোর আগে গল্প শোনার পারিবারিক অভ্যাস কিংবা উপহার হিসেবে নতুন বই পাওয়ার আনন্দ মানুষের অবচেতন মনে বইয়ের প্রতি একটি স্থায়ী ভালোবাসার জন্ম দেয়, যা পরবর্তী জীবনেও ম্লান হয় না।

তবে কেবল শৈশবের পরিবেশই শেষ কথা নয়; পড়ার ক্ষেত্রে স্বাধীনতা এই অভ্যাস টিকিয়ে রাখতে বড় ভূমিকা রাখে। প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা বা স্কুল-কলেজের সিলেবাসের চাপ অনেক সময় পড়ার সহজাত আনন্দকে নষ্ট করে দেয়। কিন্তু যাঁরা পরবর্তীতে চিরকালের পাঠক হিসেবে টিকে থাকেন, তাঁরা নিজেদের পছন্দমতো বই বেছে নেওয়ার অবারিত স্বাধীনতা পান। সেটা হতে পারে বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী, রোমাঞ্চকর থ্রিলার, ইতিহাস কিংবা ক্লাসিক সাহিত্য। যখন কোনো ব্যক্তি জোরপূর্বক নয়, বরং নিজের ভালোলাগা থেকে পাতা ওল্টাতে শুরু করেন, তখন পড়াটা আর কোনো কাজ বা বোঝা থাকে না; সেটি জীবনের এক পরম আশ্রয় হয়ে ওঠে।

মনস্তাত্ত্বিক দিক থেকে বিচার করলে দেখা যায়, বই পড়ার সময় মানুষের মস্তিষ্ক এক ধরণের গভীর ধ্যানমগ্ন অবস্থায় চলে যায়, মনোবিজ্ঞানের ভাষায় যাকে ফ্লো স্টেট বলা হয়। এটি বর্তমান সময়ের ডিজিটাল স্ক্রিনের মতো তাৎক্ষণিক ডোপামিন বা উত্তেজনা দেয় না, বরং মনকে এক দীর্ঘমেয়াদী প্রশান্তি দেয়। আজীবন পাঠকেরা বইকে বাস্তব জীবনের দৈনন্দিন ব্যস্ততা, ক্লান্তি ও মানসিক চাপ মুক্তির এক দারুণ মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করেন। বাস্তব জগতের কোলাহল থেকে বাঁচতে বইয়ের জগৎ তাঁদের জন্য সবসময় এক নিরাপদ দেয়াল তৈরি করে দেয়।

একই সাথে সাহিত্য পাঠ মানুষের ভেতর সহানুভূতির বিকাশ ঘটায় এবং দুনিয়াকে দেখার জন্য নতুন দৃষ্টিকোণ তৈরি করে। ফিকশন বা গল্প-উপন্যাস পড়ার মাধ্যমে মানুষ অন্য একটি চরিত্রের চোখ দিয়ে সমাজ ও চারপাশকে দেখতে শেখে। আজীবন পাঠকেরা স্বভাবগতভাবেই প্রচণ্ড অনুসন্ধিৎসু ও কৌতূহলী হয়ে থাকেন। জানার এবং শেখার এই অন্তহীন ক্ষুধা তাঁদের যেকোনো বয়সেই নতুন নতুন বিষয় নিয়ে চর্চা করতে অনুপ্রাণিত করে। এই চিরতরুণ কৌতূহলই তাঁদের জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত বইয়ের সাথে বেঁধে রাখে।

আজীবন পাঠক হওয়ার এই বীজটি যেহেতু কাঁচা বয়সেই বুনে দিতে হয়, তাই নতুন প্রজন্মের মধ্যে এই অভ্যাস গড়ে তোলার ক্ষেত্রে বড়দের ভূমিকা সবচেয়ে বেশি। আজকের দিনে শিশু বা তরুণদের জোর করে বই পড়ানো প্রায় অসম্ভব। এর চেয়ে বড়রা যদি নিজেরা সারাক্ষণ ডিজিটাল স্ক্রিনে মগ্ন না থেকে তাদের সামনে বই কিংবা পত্রিকা পড়ার অভ্যাস ধরেন, তবে নতুন প্রজন্মও তা দেখে অনুপ্রাণিত হবে। কারণ নতুন প্রজন্ম যা শোনে, তার চেয়ে বড়দের যা করতে দেখে, তা-ই বেশি অনুকরণ করে। পছন্দের বই বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা এবং ঘরে বই পড়ার একটি সহজ আবহ তৈরি করে দেওয়ার মাধ্যমেই মূলত নতুন প্রজন্মের হাতে চিন্তাভাবনার এই চিরন্তন চাবিকাঠি তুলে দেওয়া সম্ভব।


27/08/2026

একই শহরের দুই বিপরীত রূপ। কেউ বিলাসবহুল গাড়ির এসি-তে বসে ক্লান্ত, আর কেউ কংক্রিটের কঠিন ডিভাইডারেই পরম শান্তিতে ঘুমে মগ্ন।

জীবন সত্যিই বড্ড বিচিত্র! 🖤✨


বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সাধারণ মানুষের মনে বড় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কলম্বিয়া থেকে শুরু করে ...
25/08/2026

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে একের পর এক শক্তিশালী ভূমিকম্পের পর সাধারণ মানুষের মনে বড় আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। কলম্বিয়া থেকে শুরু করে জাপানের মতো ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় সাম্প্রতিক ক্ষয়ক্ষতির পর অনেকেই ভাবছেন, আমাদের পৃথিবী কি আগের চেয়ে বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠছে? তবে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভূবিজ্ঞানীরা বলছেন, হঠাৎ করে ভূমিকম্পের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার ধারণাটি আসলে সত্যি নয়। এটি মূলত উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থা এবং পরপর কয়েকটি বড় শহরে ভূমিকম্প আঘাত হানার একটি অনাকাঙ্ক্ষিত প্রভাব।

মার্কিন ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা (USGS) এবং ভূবিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৬ সালে বিশ্বজুড়ে বড় ভূমিকম্পের হার স্বাভাবিক সীমার মধ্যেই রয়েছে। বিশ্বজুড়ে প্রতি বছর সাধারণত ৭.০ থেকে ৭.৯ মাত্রার প্রায় ১৫ থেকে ১৮টি বড় ভূমিকম্প হয়ে থাকে। ২০২৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত এই সংখ্যা মাত্র ১১টি, যা গড়ের চেয়ে কম। প্রকৃতপক্ষে বেশিরভাগ ভূমিকম্প সমুদ্রের গভীরে কিংবা জনমানবহীন দ্বীপে হওয়ায় তা আমাদের নজরে আসে না। তবে শক্তিশালী কোনো কম্পন যখনই বড় শহরের নিচে আঘাত হানে, তখনই ধসে পড়া ভবন ও ক্ষয়ক্ষতির খবর সামনে আসে। সাম্প্রতিক সময়ে ঘনবসতিপূর্ণ এলাকায় পরপর কয়েকটি এমন বড় দুর্যোগ ঘটার কারণেই সাধারণ মানুষের মনে হচ্ছে যে ভূমিকম্পের প্রকোপ হঠাৎ অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে।

এর পেছনে আরেকটি বড় কারণ হলো আধুনিক প্রযুক্তি ও সোশ্যাল মিডিয়ার প্রভাব। আজকাল পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে ছোটখাটো একটা কম্পন হলেও তা সঙ্গে সঙ্গে ইন্টারনেটে ছড়িয়ে পড়ে। চোখের পলকে ক্ষয়ক্ষতির ছবি ও ভিডিও আমাদের মোবাইল স্ক্রিনে চলে আসে। আগে প্রত্যন্ত অঞ্চলের ভূমিকম্পের খবর সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছাতে অনেক সময় লাগত। এখন মুহূর্তের মধ্যে সব খবর জানতে পারায় আমাদের মনে হচ্ছে চারদিকে শুধু ভূমিকম্পই হচ্ছে।

ভূমিকম্প কখন হবে তা আগে থেকে জানার কোনো প্রযুক্তি এখনো আবিষ্কার হয়নি। তবে সঠিক প্রস্তুতি থাকলে অনেক জীবন বাঁচানো সম্ভব। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কম্পন শুরু হলে ঘরের ভেতরে থাকা মানুষকে দ্রুত কোনো শক্ত টেবিল বা খাটের নিচে আশ্রয় নিতে হবে। আর যারা বাইরে থাকবেন, তারা বহুতল ভবন, বড় গাছ এবং বিদ্যুতের খুঁটি থেকে দূরে কোনো খোলা জায়গায় চলে যাবেন। সর্বোপরি, নিরাপদ ভবিষ্যৎ গড়তে ভবন নির্মাণ নীতিমালা বা বিল্ডিং কোড কঠোরভাবে মেনে চলাই এখন প্রধান লক্ষ্য হওয়া উচিত।

রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করা দক্ষিণ এশীয়দের একটি পুরোনো ঐতিহ্য। কিন্তু এই নিয়মটি এবার যুক্তরাজ্যের সরকারি...
24/08/2026

রান্নার আগে চাল ভালো করে ধুয়ে পরিষ্কার করা দক্ষিণ এশীয়দের একটি পুরোনো ঐতিহ্য। কিন্তু এই নিয়মটি এবার যুক্তরাজ্যের সরকারি নজরদারির আওতায় আসায় মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। দেশটির পানি নিয়ন্ত্রক সংস্থা অফওয়াট (Ofwat)-এর একটি পানি সাশ্রয় অভিযান ঘিরে ব্রিটিশ এশীয় ও মুসলিমদের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার পাউন্ড ব্যয়ের এই উদ্যোগে চাল বেশি না ধুয়ে মাত্র দুবার ধোয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। সেই সাথে মুসলিমদের ওজুর সময় পানি কম ব্যবহারের কথা বলায় বিষয়টি আরও বেশি বিতর্কিত ও সংবেদনশীল হয়ে উঠেছে।

এই প্রচারণায় মাস্টারশেফ জয়ী তারকা শেফ পিং কুম্বসকে যুক্ত করা হয়েছে। আয়োজকদের দাবি, রান্নার আগে চাল অতিরিক্ত ধোয়ার কারণে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ পানি নষ্ট হচ্ছে। তাদের হিসাব অনুযায়ী, যুগ যুগ ধরে চলে আসা এই অভ্যাসের পরিবর্তে স্রেফ দুবার চাল ধুয়ে নিলেই প্রতিবার রান্নায় প্রায় পাঁচ লিটার পানি বাঁচানো সম্ভব। তবে পুষ্টিবিদ ও রন্ধন বিশেষজ্ঞরা এই ধারণার তীব্র বিরোধিতা করছেন। তাদের মতে, চাল বারবার ধোয়ার পেছনে কেবল অভ্যাস নয়, বরং সঠিক রন্ধনশৈলী ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার গভীর যোগসূত্র রয়েছে। রন্ধনশিল্পীরা বলছেন, চাল বারবার ধোয়ার পেছনে স্বাদ ও স্বাস্থ্যের বড় কারণ রয়েছে। চালের গায়ের বাড়তি স্টার্চ ভালো করে না ধুলে ভাত ঝরঝরে না হয়ে চটচটে হয়ে যায়। এতে এশীয় খাবারের আসল স্বাদ নষ্ট হয়। এছাড়া চাষাবাদে ব্যবহৃত রাসায়নিক ওষুধ, ময়লা ও বিষাক্ত আর্সেনিকের মাত্রা কমিয়ে খাবারকে নিরাপদ করতে চাল ভালো করে ধোয়ার কোনো বিকল্প নেই।

প্রচারণাটি চালুর পর থেকেই যুক্তরাজ্যে সাধারণ নাগরিক ও রাজনৈতিক মহলে তুমুল বিতর্ক চলছে। বিরোধী দল কনজারভেটিভ পার্টির মন্ত্রী মাইক উড এটিকে সম্পূর্ণ বাস্তবতাবর্জিত একটি পদক্ষেপ বলে মন্তব্য করেছেন। অনেকের মতে, সরকারি সংস্থাটি আসলে নিজেদের ত্রুটি লুকাতে সংখ্যালঘু মানুষের ঘাড়ে দায় চাপাচ্ছে। যেখানে যুক্তরাজ্যের ভাঙাচোরা পাইপলাইন দিয়ে প্রতিদিন ৩০০ কোটি লিটার পানি এমনিতেই নষ্ট হয়, সেখানে তা মেরামত না করে চাল ধোয়ার পানি মাপাকে অনেকেই পক্ষপাতমূলক আচরণ হিসেবে দেখছেন।

বিজ্ঞানীদের মতে, চাল অতিরিক্ত ধোয়ার কারণে হয়তো কিছু ভিটামিন নষ্ট হয়, কিন্তু ময়লা ও রাসায়নিক দূর করতে ভালো করে ধুয়ে নেওয়াই নিরাপদ। পরিবেশবাদীদের মতে, পানি বাঁচাতে চাইলে সংস্কৃতির ওপর আঘাত না করে অন্য উপায় খোঁজা যেত। যেমন চাল ধোয়া পানি ফেলে না দিয়ে তা গাছের গোড়ায় বা ঘর পরিষ্কারের কাজে ব্যবহারের বুদ্ধি দেওয়া যেত। নিজেদের পাইপলাইনের সমস্যা ঠিক না করে এশীয়দের রান্নার অভ্যাসকে নিশানা করায় যুক্তরাজ্যের এই প্রচারণা এখন বড় বিতর্কের মুখে পড়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলোতে ঢুকলেই ইদানীং শুধু নেতিবাচক খবরের ছড়াছড়ি দেখা যায়। কোনো একটা মারামারি, দুর্ঘটনা বা ঝামেলার খব...
24/08/2026

সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপগুলোতে ঢুকলেই ইদানীং শুধু নেতিবাচক খবরের ছড়াছড়ি দেখা যায়। কোনো একটা মারামারি, দুর্ঘটনা বা ঝামেলার খবর দেখার পর আমরা কৌতূহলবশত নিচের দিকে স্ক্রল করে একই রকম খবর আরও দেখতে থাকি। মন খারাপ হবে জেনেও ঘণ্টার পর ঘণ্টা স্ক্রিনে তাকিয়ে থাকার এই বদঅভ্যাসকে ডুমস্ক্রলিং বলে। খবরগুলো আমাদের মনে ভয় ও অস্থিরতা তৈরি করে, তাও কোনো এক অদ্ভুত কারণে আমরা ফোনটা রেখে দিতে পারি না।

কেন এই ফাঁদে পড়ি?
সোশ্যাল হ্যান্ডেল আর নিউজ অ্যাপগুলোর অ্যালগরিদম এমনভাবে তৈরি, যেন একটা খারাপ খবরের পর ঠিক একই রকমের আরও শত শত নেতিবাচক পোস্ট আপনার সামনে চলে আসে। আর মানুষের স্বভাবই এমন ভালো খবরের চেয়ে যেকোনো খারাপ, রহস্যময় বা ভয়ের খবরের প্রতি আমাদের মন খুব দ্রুত আকৃষ্ট হয়। অ্যাপগুলো মূলত আমাদের এই মানসিক দুর্বলতাকেই কাজে লাগায় এবং ঘণ্টার পর ঘণ্টা আমাদের স্ক্রিনের সামনে আটকে রাখে।

কীভাবে আমাদের ক্ষতি হয়?
অনবরত এসব ক্ষতিকর জিনিস দেখার কারণে আমাদের মস্তিষ্কে কর্টিসল বা স্ট্রেস হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়। ফলে রাতে ঠিকমতো ঘুম হয় না। কারণে-অকারণে সারাক্ষণ দুশ্চিন্তা আর অস্থিরতা কাজ করে। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় এবং কোনো কাজে মন বসে না।

ডুমস্ক্রলিং থেকে মুক্তির উপায়
ডুমস্ক্রলিং থেকে বাঁচতে প্রথম পদক্ষেপ হিসেবে ফোনের সেটিংসে গিয়ে অ্যাপ ব্যবহারের সময় বেঁধে দেওয়া উচিত। এতে নির্দিষ্ট সময় পর অ্যাপটি নিজে থেকেই লক হয়ে যাবে। সকালের শুরুতে এবং রাতে ঘুমানোর আধঘণ্টা আগে ফোন থেকে দূরে থাকা অত্যন্ত জরুরি। ফিড পরিষ্কার রাখতে নেতিবাচক ও ঝামেলার খবর ছড়ানো পেজগুলো আনফলো করে দিন। স্ক্রল করার সময় অস্থির লাগলে তখনই ফোন রেখে লম্বা শ্বাস নিন বা একটু হাঁটুন। ভার্চুয়াল জগৎ থেকে বের হয়ে বই পড়া, পছন্দের কোনো কাজ করা অথবা পরিবারের সবার সাথে গল্প করলেই এই বদঅভ্যাস থেকে মুক্তি পাওয়া সম্ভব।

Address

Dewri, 4015 CJKS Stadium Shopping Complex (4F), Naval Avenue, Nur Ahmed Road
Chittagong
4000

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dewri posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dewri:

Shortcuts

Share