24/08/2026
বাংলাদেশকে অবশ্যই আসিয়ান কাপকে গুরুত্ব দিতে হবে। তবে বাংলাদেশ আসিয়ান কাপ খেলার পাশাপাশি কীভাবে ব্রাজিলের বিপক্ষে ম্যাচ খেলতে পারে, সেটির একটি সম্ভাব্য আলোচনা তুলে ধরছি আমরা।
আসিয়ান কাপের শেষ ম্যাচটি কবে হবে, তা এখনো ফিফা নিশ্চিত করেনি। ধরে নিলাম, ম্যাচটি ৩ অক্টোবর হতে পারে। সেক্ষেত্রে ম্যাচ শেষ করেই বাংলাদেশ চাইলে সরাসরি ফ্লাইটে ঢাকার উদ্দেশে রওনা দিতে পারে। এক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ আসিয়ান কাপ কর্তৃপক্ষ ঠিক করে দিবে টিকেট, তাই তাঁদের সঙ্গে বিষয়টি সমন্বয় করার প্রয়োজন আছে!
আসিয়ান কাপে ম্যাচ থাকায় টিম খেলার মধ্যেই থাকবে। এটি একটি ফ্রেন্ডলি ম্যাচ এবং প্রস্তুতির জন্য আলাদা করে বিশেষ ট্রেনিং সেশনের প্রয়োজন খুব বেশি নেই, তাই ৪ অক্টোবর পুরোপুরি বিশ্রাম নিয়ে ৫ অক্টোবর হালকা গা-গরম ওয়ার্ম-আপ করেই ম্যাচের প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব। কোচ চাইলে টিম শাফল করতে পারেন অথবা লম্বা প্লেয়ার লিস্ট নিয়ে কাজ করতে পারেন।
এবার আসি ম্যাচসংখ্যার বিষয়ে। ফিফার নিয়ম অনুযায়ী ৪টির বেশি ম্যাচ খেললে পয়েন্ট সংক্রান্ত কিছু সীমাবদ্ধতা থাকতে পারে, তবে নির্দিষ্ট পয়েন্ট পাওয়ার বাধ্যবাধকতা ছাড়া বড় কোনো বাধা নেই। হাফ পয়েন্ট কাউন্ট হবে, ১০ পয়েন্টের জায়গায় ৫ পয়েন্ট কাউন্ট হবে। ২০২৩ সালে ভারত ১২–২০ জুনের উইন্ডোতে তিনটি ম্যাচ খেলেছিল, যেখানে দুটি ম্যাচ খেলার কথা ছিল।
এছাড়া নভেম্বরে সাফের ফাইনাল পর্যন্ত গেলে বাংলাদেশের সামনে ৪/৫টি ম্যাচ খেলার সুযোগ থাকতে পারে, নেপালের বিপক্ষে ম্যাচের সম্ভাবনাও রয়েছে। তাহলে এই পরিস্থিতিতে ব্রাজিলের বিপক্ষে একটি ম্যাচ আয়োজনের সম্ভাবনাও পুরোপুরি উড়িয়ে দেওয়া যায় না।
ব্রাজিল ভারত সফর শেষে বাংলাদেশকেও তাদের সূচিতে রাখতে আগ্রহী হতে পারে, বিশেষ করে বাণিজ্যিক ও মার্কেটিংয়ের দিক থেকে। বাফুফে যদি বিষয়টি সঠিকভাবে মার্কেটিং ও বাণিজ্যিকভাবে উপস্থাপন করতে পারে, তাহলে এটি বাংলাদেশের ফুটবলের জন্য দারুণ একটি সুযোগ হতে পারে।
শেষ পর্যন্ত সবকিছু নির্ভর করবে বাফুফে, কোচ এবং খেলোয়াড়দের সদিচ্ছা ও পরিকল্পনার ওপর।