14/08/2026
চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ডের ভাটিয়ারী স্টেশন রোড এলাকায় অবস্থিত ফেরদৌস স্টিল শিপ রিসাইক্লিং ইন্ডাস্ট্রিজ নামের একটি জাহাজভাঙা কারখানায় আজ ১৪ আগস্ট ২০২৬ শুক্রবার সকালে স্ক্র্যাপ জাহাজের ট্যাংক থেকে ছড়িয়ে পড়া বিষাক্ত গ্যাসে আক্রান্ত হয়ে ৮ জন শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে এবং আরও বেশ কয়েকজন গুরুতর আহত হয়েছেন।দুর্ঘটনার সর্বশেষ পরিস্থিতি এবং উদ্ধার অভিযানের ভিডিওচিত্র দেখতে পারেন:7:48ভাটিয়ারিতে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে গ্যাসের বিষক্রিয়া, ...2 hours agoFacebook · Chattogram 241:44ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে বিষাক্ত গ্যাস লিক2 hours agoFacebook · Cplustv News3:10চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে শিপইয়ার্ডে গ্যাস বিষক্রিয়ায় ৫ ...2 hours agoFacebook · DBC NEWS Daily1:44চট্টগ্রামের ভাটিয়ারীতে ফেরদৌস স্টিল শিপইয়ার্ডে ভয়াবহ বি/স্ফো/র/ ...4.8K views · 4 hours agoFacebook · Cplustv Newsঘটনার বিবরণ ও কারণজাহাজের ধরণ: ইয়ার্ডে যে স্ক্র্যাপ জাহাজটি কাটার কাজ চলছিল, সেটি মূলত একটি এলএনজি (LNG) ক্যারিয়ার বা গ্যাস বহনকারী জাহাজ ছিল। জাহাজটির কাটার কাজ একদম শেষপর্যায়ে ছিল।গ্যাস ছড়িয়ে পড়া: শুক্রবার সকালে শ্রমিকরা জাহাজটিতে হাউজকিপিং ও পরিদর্শনের কাজ করার সময় একটি ট্যাংক থেকে হঠাৎ বিষাক্ত গ্যাস নির্গমন হতে থাকে। গ্যাস কাটার সময় অসাবধানতাবশত পাইপলাইন কেটে যাওয়ায় বা ট্যাংকের ভেতরে জমে থাকা তরল বর্জ্য থেকে এই বিষাক্ত গ্যাস (কার্বন মনোক্সাইড, কার্বন ডাই-অক্সাইড বা ফ্লোরিন) ছড়িয়ে পড়ে।তীব্রতা: নির্গত গ্যাসের গন্ধ এতটাই তীব্র ছিল যে সাগরে ইলিশ ধরে ফেরা স্থানীয় জেলেরা কারখানার পাশের খালে নৌকা নিয়ে প্রবেশ করতে পারেননি এবং অন্তত আধা কিলোমিটার দূরে নৌকা ভেড়াতে বাধ্য হন।হতাহতের তথ্যনিহতদের সংখ্যা: এ দুর্ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৮ জন শ্রমিক প্রাণ হারিয়েছেন। ৩ জন ঘটনাস্থলেই মারা যান এবং বাকি ৫ জন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (চমেক) নেওয়ার পর বা চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।শনাক্ত হওয়া নিহতরা: মৃতদের মধ্যে চারজনের পরিচয় নিশ্চিত করা গেছে, যাঁরা সবাই স্থানীয় ভাটিয়ারী এলাকার বাসিন্দা—সানি জলদাস (২২)পলাশ জলদাস (২৭)মনসুর আলী (৪০) (সহোদর ভাই)নাসির উদ্দিন (৩৮) (সহোদর ভাই)বর্তমান পরিস্থিতি ও তদন্তদুর্ঘটনার খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ পরিচালনা করে। বর্তমানে কারখানার কাজ সাময়িকভাবে বন্ধ রাখা হয়েছে।ঘটনার পর জাহাজের ভেতর আরও মরদেহ পড়ে থাকার গুঞ্জনে স্থানীয় বিক্ষুব্ধ জনতা কারখানায় ভাঙচুর চালালে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।ফায়ার সার্ভিস ও কলকারখানা পরিদর্শন অধিদপ্তরের (DIFE) প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, এলএনজি জাহাজ কাটার আগে যেভাবে সম্পূর্ণ গ্যাসমুক্ত (Gas-free) করার নিয়ম রয়েছে, কারখানা কর্তৃপক্ষ তা না করেই কাজ করাচ্ছিল। একই সাথে শ্রমিকদের পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থাও সেখানে ছিল না। এই গাফিলতির বিষয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।