Jewel Bhuiyan

Jewel Bhuiyan অহংকার, ক্রোধ, হিংসা, বিবাদ, লোভ, পরনিন্দা থেকে সহস্র মাইল দূরে থাকি। সবাইকে ভালোবাসতে পছন্দ করি।

03/08/2026

বর্তমান বিদ্যুতের অবস্থা পরীমনির জামাইদের মতই হয়ে গেছে। ঢাকঢোল পিটিয়ে আসে পরে হুট করে চলে যায়।

আমাদের ইতিহাস শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি ছড়িয়ে আছে দেশের আনাচে-কানাচে, শতবর্ষী রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, প্রাচ...
26/07/2026

আমাদের ইতিহাস শুধু বইয়ের পাতায় সীমাবদ্ধ নয়, এটি ছড়িয়ে আছে দেশের আনাচে-কানাচে, শতবর্ষী রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, প্রাচীন মসজিদ, মন্দির, দুর্গ ও প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শনের মাঝে। ইতিহাসকে জানুন, ভালোবাসুন এবং আগামী প্রজন্মের জন্য বাঁচিয়ে রাখুন।

বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস ও ঐতিহ্যের গল্প জানতে ফলো করুন Jewel Explorer

25/07/2026

ময়ূখরঞ্জনকে ছাড়া ভারতের এই ছাত্র আন্দোলনের নিউজ যেন জমছেই না! 🤣

16/07/2026

আর্জেন্টিনা ফ্যানদের উদ্দেশ্যে জরুরি বিজ্ঞপ্তিঃ
কাপ জিতলে পরীমণি আরেকটা বিয়ে করবে! আগ্রহীরা সিরিয়াল দিয়ে রাখুন, ভাগ্য খুলেও যেতে পারে! 😂

12/07/2026

শেষ পর্যন্ত "আপার ব্রা" খুলতে পারলো না এক শ্রেণীর জনগণ 🤪

10/07/2026
❤️ প্রিয় বন্ধুরা, একটু সময় নিয়ে পোস্টটি পড়বেন।অনেক ভালোবাসা আর স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেছি আমার নতুন পেজ Jewel Explorerব...
05/07/2026

❤️ প্রিয় বন্ধুরা, একটু সময় নিয়ে পোস্টটি পড়বেন।

অনেক ভালোবাসা আর স্বপ্ন নিয়ে শুরু করেছি আমার নতুন পেজ Jewel Explorer

বাংলাদেশের হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস, রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক স্থান ও অজানা গল্পগুলো আপনাদের সামনে তুলে ধরাই এই পেজের উদ্দেশ্য।

যদি ইতিহাস ও ভ্রমণ ভালোবাসেন, তাহলে পেজটি Follow করে পাশে থাকুন। আপনার একটি লাইক, ফলো, কমেন্ট ও শেয়ার আমার জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণা এবং নতুন মানুষের কাছে পৌঁছাতে সবচেয়ে বেশি সাহায্য করবে।

আপনাদের ভালোবাসা থাকলে ইনশাআল্লাহ একদিন Jewel Explorer ইতিহাস প্রেমীদের অন্যতম প্রিয় পেজ হয়ে উঠবে। 🤝❤️

সবাইকে আন্তরিক ধন্যবাদ। ভালো থাকুন, সুস্থ থাকুন। 🌿

বাংলাদেশের রাজবাড়ি, জমিদার বাড়ি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন, ঐতিহাসিক মসজিদ, মন্দির, দুর্গ ও হারিয়ে যাওয়া ইতিহাস নিয়ে নির্ভরযোগ্য তথ্যভিত্তিক একটি আর্কাইভ।

নব্বই ও দুই হাজারের শুরুর দিকের বাংলা নাটকের সেই সোনালি সময়ের কথা মনে আছে? তখন সন্ধ্যা হলেই পরিবারের সবাই একসঙ্গে টিভির ...
02/07/2026

নব্বই ও দুই হাজারের শুরুর দিকের বাংলা নাটকের সেই সোনালি সময়ের কথা মনে আছে? তখন সন্ধ্যা হলেই পরিবারের সবাই একসঙ্গে টিভির সামনে বসে নাটক দেখতাম। সেই সময়ের কিছু অভিনেত্রী শুধু অভিনয় নয়, তাঁদের সৌন্দর্য, ব্যক্তিত্ব আর অসাধারণ অভিব্যক্তি দিয়ে দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী জায়গা করে নিয়েছেন। আজ তারা অনেকেই পর্দায় নিয়মিত নেই, কিন্তু স্মৃতিতে আজও অমলিন।

🌸 রিচি সোলায়মান
পাবনায় জন্ম নেওয়া রিচি সোলায়মান চার দশকেরও বেশি টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করেছেন। "আবেগ" "সোনার ময়না পাখি" "সুখতারা" ও "ফুচকা বিলাস" এর মতো নাটকে তাঁর অভিনয় আজও দর্শকের মনে গেঁথে আছে। ব্যক্তিগতভাবে বাংলা নাটকের অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি আমার সবচেয়ে প্রিয়।

🌸 তনিমা হামিদ
মাত্র চার বছর বয়সে অভিনয় শুরু করা তনিমা হামিদ ছিলেন মঞ্চ ও টেলিভিশনের সমান জনপ্রিয় মুখ। "দায়বন্ধন" "খোঁজ" "দৈনিক তোড়পাড়" "বগুড়ার স্যার" ও "টমটম" এর মতো নাটকে তিনি নিজের অভিনয় দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন। একসময় হঠাৎ করেই নিজেকে মিডিয়া থেকে সরিয়ে নেন।

🌸 সাদিয়া ইসলাম মৌ
বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় মডেল, নৃত্যশিল্পী ও অভিনেত্রী। ১৯৮৯ সালে মডেলিং শুরু করে দীর্ঘ সময় দর্শকদের হৃদয় জয় করেছেন। "অল দ্য বেস্ট" "বদনাম" "মনে পড়ে রুবি রায়" ও "নীল আকাশ প্রেম বিষ" এর মতো নাটকে তাঁর অভিনয় আজও মনে রাখার মতো। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ একাডেমি অব ফাইন আর্টস (বাফা)-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

🌸 ইপসিতা শবনম শ্রাবন্তী
"তোমাকে না পেলে জীবনে না পেলে..." ইউরো লেমন বিজ্ঞাপনটি এখনও অনেকের স্মৃতিতে জীবন্ত। "রং নম্বর" ও "ব্যাচেলর" চলচ্চিত্রে অভিনয় করে তিনি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেন। অনেকেই ভেবেছিলেন বাংলা চলচ্চিত্র পেয়েছে নতুন এক শক্তিশালী অভিনেত্রী। কিন্তু সংসার ও সন্তানকে অগ্রাধিকার দিয়ে তিনি অভিনয়জগত থেকে সরে দাঁড়ান।

🌸 শমী কায়সার
শমী কায়সার মানেই ছিল অসাধারণ অভিনয় আর দুর্দান্ত এক্সপ্রেশন। "যত দূরে যাই" নাটকের মাধ্যমে পরিচিতি পাওয়ার পর "নক্ষত্রের রাত" "ছোট ছোট ঢেউ" "স্পর্শ" "অরণ্য" "স্বপ্ন" "ঠিকানা" সহ অসংখ্য জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে তিনি হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় মুখ। আজও তাঁর পুরোনো নাটক দেখতে বসলে সময় কোথায় চলে যায়, বোঝাই যায় না।

🌸 তারিন জাহান
অভিনেত্রী, নৃত্যশিল্পী, গায়িকা ও মডেল সব পরিচয়েই সমান উজ্জ্বল তারিন। শিশু শিল্পী হিসেবে যাত্রা শুরু করে "সংশপ্তক" "এইসব দিনরাত্রি" "কথা ছিল অন্যরকম" "ইউ টার্ন" "রাজকন্যা" "অগ্নিবলাকা" সহ অসংখ্য নাটকে নিজের অভিনয় প্রতিভার প্রমাণ দিয়েছেন।

সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু বদলে গেছে। নতুন মুখ এসেছে, নতুন গল্প এসেছে। কিন্তু এই অভিনেত্রীদের অভিনয়, হাসি, অভিব্যক্তি আর সেই সোনালি সময়ের নাটকগুলো আজও আমাদের নস্টালজিয়ার সবচেয়ে সুন্দর অধ্যায় হয়ে আছে।

আপনার সবচেয়ে প্রিয় অভিনেত্রী কে ছিলেন? জানাতে ভুলবেন না। ❤️

একসময় গান করার স্বপ্নের জন্য বাবার সঙ্গে মতের অমিল হয়েছিল। সেই কারণেই ক্লাস এইটে পড়ার সময় বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান এক কিশোর।...
28/06/2026

একসময় গান করার স্বপ্নের জন্য বাবার সঙ্গে মতের অমিল হয়েছিল। সেই কারণেই ক্লাস এইটে পড়ার সময় বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে যান এক কিশোর। চট্টগ্রামের একটি বোর্ডিংয়ে আশ্রয় নিয়ে শুরু হয় তার কঠিন সংগ্রাম। স্থানীয় রেস্টুরেন্টে গান গেয়ে, অসংখ্য প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে এক কিংবদন্তির গল্প।

সেই কিশোরই আজ আমাদের সবার প্রিয় "জেমস"।

জেমসের আসল নাম ফারুক মাহফুজ আনাম। ১৯৬৪ সালের ২ অক্টোবর নওগাঁর পত্নীতলায় জন্ম হলেও বেড়ে ওঠা চট্টগ্রামে। সঙ্গীতের প্রতি অদম্য ভালোবাসা থেকেই তিনি যুক্ত হন ফিলিংস ব্যান্ডের সঙ্গে, যা পরবর্তীতে বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ নাম হয়ে ওঠে। পরে প্রতিষ্ঠা করেন "নগর বাউল" যা আজও সমান জনপ্রিয়।

"স্টেশন রোড" "অনন্যা" "জেল থেকে বলছি" "পালাবি কোথায়" "দুঃখিনী দুঃখ করোনা" "লেইস ফিতা লেইস" "আমি তোমাদেরই লোক" "জনতা এক্সপ্রেস" একের পর এক অ্যালবাম দিয়ে তিনি তৈরি করেছেন অসংখ্য কালজয়ী গান, যা আজও প্রজন্মের পর প্রজন্ম গেয়ে চলেছে।

শুধু বাংলাদেশ নয়, কলকাতা ও বলিউডেও নিজের কণ্ঠের জাদু ছড়িয়েছেন "জেমস"। ২০০৬ সালে "Gangster" সিনেমার "Bheegi Bheegi" গানের মাধ্যমে বলিউডে অভিষেকের পর "Life in a... Metro" ও "Woh Lamhe" ছবিতেও গেয়েছেন জনপ্রিয় গান। তাঁর ভিন্নধর্মী কণ্ঠস্বর ও গায়কী ভারতীয় শ্রোতাদের কাছেও ব্যাপক প্রশংসা কুড়ায়।

একসময় তাঁর পোশাক-আশাক, বিশেষ করে পাঞ্জাবির সঙ্গে জিন্স পরার স্টাইলও তরুণদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

ব্যক্তিগত জীবন নানা আলোচনার জন্ম দিলেও, একজন শিল্পী হিসেবে জেমসের অবদান প্রশ্নাতীত। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জয় থেকে শুরু করে দেশ-বিদেশের অসংখ্য মঞ্চ মাতানো সব মিলিয়ে তিনি বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের অন্যতম উজ্জ্বল নক্ষত্র।

আজও যখন মঞ্চে গিটার হাতে দাঁড়ান, হাজারো দর্শক একসঙ্গে গেয়ে ওঠে তাঁর গান। এটাই তো একজন সত্যিকারের কিংবদন্তির সবচেয়ে বড় পরিচয়।

জেমস শুধু একজন গায়ক নন, তিনি বাংলাদেশের রক সংগীতের একটি জীবন্ত ইতিহাস। ❤️🎸

নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের সুবর্ণ অধ্যায়ের কথা উঠলে যে কজন নায়িকার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়, তাদের অন্যতম "শ...
26/06/2026

নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের সুবর্ণ অধ্যায়ের কথা উঠলে যে কজন নায়িকার নাম শ্রদ্ধার সঙ্গে উচ্চারিত হয়, তাদের অন্যতম "শাবনাজ"। সৌন্দর্য, সরল অভিনয় এবং পরিচ্ছন্ন ইমেজ এই তিনের অনন্য সমন্বয়ে খুব অল্প সময়েই তিনি দর্শকের হৃদয়ে স্থায়ী আসন করে নিয়েছিলেন।

একবার এক বিনোদন সাংবাদিক "রাজ্জাক"কে প্রশ্ন করেছিলেন দীর্ঘ ক্যারিয়ারে এত নায়িকার সঙ্গে কাজ করেও এমন কোনো নায়িকা আছেন, যার সঙ্গে অভিনয় না করার আফসোস রয়েছে? তিনি হাসিমুখে একটি নামই বলেছিলেন "শাবনাজ"।

১৯৯১ সালের অক্টোবরে এহতেশাম পরিচালিত "চাঁদনী" ছবির মাধ্যমে চলচ্চিত্রে অভিষেক ঘটে শাবনাজের। প্রথম ছবিতেই তিনি দর্শকদের মন জয় করেন এবং বছরের অন্যতম ব্যবসাসফল নায়িকায় পরিণত হন। নতুন মুখকে নিয়ে পরিচালকের সেই সাহসী সিদ্ধান্ত সার্থক হয়েছিল শতভাগ।

এরপর একের পর এক সফল ছবি "আজকের হাঙ্গামা" দিল" "জিদ" "লাভ" "অনুতপ্ত" "টাকার অহংকার" তাকে নব্বইয়ের দশকের বাণিজ্যিক সিনেমার অন্যতম নির্ভরযোগ্য নায়িকায় পরিণত করে।

যদিও তাঁর চলচ্চিত্রজীবন খুব দীর্ঘ ছিল না, তবু ছিল সাফল্যে ভরপুর। টানা চার বছর সাফল্যের পর "সালমান শাহ" এর সঙ্গে "আঞ্জুমান" ছবিতে প্রথম বাণিজ্যিক ব্যর্থতার মুখ দেখেন। তবে "আশা ভালোবাসা" ও "মায়ের অধিকার" ছবিতে এই জুটি দর্শকদের দারুণভাবে মুগ্ধ করেছিল।

শাবনাজের সবচেয়ে জনপ্রিয় জুটি ছিল "নাঈম" এর সঙ্গে। পর্দার সেই জনপ্রিয় জুটি ১৯৯৪ সালে বাস্তব জীবনেও বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। ক্যারিয়ারের শীর্ষে থেকেও ব্যক্তিগত জীবনকে প্রাধান্য দেওয়ার সিদ্ধান্ত অনেকের কাছেই প্রশংসিত হয়েছিল।

এছাড়া "বাপ্পারাজ" এর সঙ্গে তিনি সবচেয়ে বেশি ছবিতে অভিনয় করেন। "প্রেমের সমাধি" "নির্মম" "রাগ অনুরাগ" ও "গরিবের ওস্তাদ" সহ বহু ছবিতে এই জুটি দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছে। পাশাপাশি "ইলিয়াস কাঞ্চন" এর সঙ্গে "বদসুরত" এবং "মান্না" এর সঙ্গে "দেশদ্রোহী" ছবিতেও তিনি প্রশংসিত হন।

বিয়ের পর তিনি চলচ্চিত্রে অনিয়মিত হয়ে পড়েন।
শাবনাজের অভিনয়ের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল তাঁর স্বাভাবিকতা। অতিরঞ্জিত অভিনয়ের বদলে সহজ সরল অভিব্যক্তি এবং পরিচ্ছন্ন ব্যক্তিত্বই তাঁকে দর্শকের কাছে আপন করে তুলেছিল। তাঁর অনেক ছবির সংলাপে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আফসানা মিমি।
ছবির সংখ্যা নয়, বরং মানসম্মত কাজকেই তিনি গুরুত্ব দিয়েছেন। তাই আজও "নাঈম" "শাবনাজ" "বাপ্পারাজ" শাবনাজ" এবং "সালমান শাহ" শাবনাজ" প্রতিটি জুটিই দর্শকের স্মৃতিতে অম্লান।

সুন্দরী, গ্ল্যামারাস, আধুনিক এবং পর্দায় স্বতঃস্ফূর্ত, এই চারটি শব্দেই যেন শাবনাজকে সবচেয়ে ভালোভাবে সংজ্ঞায়িত করা যায়। আজ তিনি আলোচনার বাইরে থাকলেও, নব্বইয়ের দশকের বাংলা চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তাঁর নাম চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে। ❤️

Address

Brahmanbaria
Chittagong
3400

Telephone

+8801714484214

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Jewel Bhuiyan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Jewel Bhuiyan:

Shortcuts

Share