Alhamdulillah Everything

Alhamdulillah Everything There Is No God Accept Allah. Mohammad (s) Is His Prophet.

"আমার জানা'যায় তিন ভাইকে দাঁড়াতে দিও না"গত তিন দিন আগে আমি একটা পোস্ট করেছিলাম একজন মহিলা একুশ বছর পর্যন্ত তার তিন ভাই...
03/05/2026

"আমার জানা'যায় তিন ভাইকে দাঁড়াতে দিও না"

গত তিন দিন আগে আমি একটা পোস্ট করেছিলাম একজন মহিলা একুশ বছর পর্যন্ত তার তিন ভাই তাকে সম্পত্তি দেয়নি। উনি যখন মৃ'ত্যুশয্যায় তখন ভাইয়েরা মাফ চাইতে গিয়েছিল উনি কাগজে লিখে দিয়েছে যে মাফ করবো না।

আজকে ওই মহিলা মা'রা গেছেন। মৃ'ত্যুর আগে তার বড় ছেলের কাছে উনি লিখে দিয়ে গেছেন উনার জানাযায় তিন ভাইকে যেন দাঁড়াতে না দেওয়া হয়।

একজন মানুষের মৃ'ত্যু যন্ত্রণা কত ভয়াবহ সেই যন্ত্রনা ছাপিয়ে উনি মনের কষ্ট থেকে এ কথাটা লিখে গেছেন। এবার বুঝে দেখুন ঠিক কি পরিমানে মনে কষ্ট পেলে একটা মানুষ এরকম কাজ করতে পারে।

শুধু বোনেরা যে হক থেকে বঞ্চিত হচ্ছে বিষয়টা এরকম নয়। অনেক সময় ভাই মা'রা যাওয়ার পরে ভাইয়ের ছেলেকে মেয়েকেও হক থেকে বঞ্চিত করা হয় এরকম অনেক আমরা দেখি। যার যেটা প্রাপ্য সে যে ব্যক্তিই হোক না কেন তাকে তারটা বুঝিয়ে দিতে হবে। ইনসাফ যে ই প্রতিষ্ঠা করবে না তাকেই কঠিন জবাবের মুখোমুখি হতে হবে।

এই মহিলা চলে গেছেন কিন্তু আমাদের সমাজের জন্য একটা গুরুত্বপূর্ণ মেসেজ দেখে গেছেন!

কপি ডা.সাজ্জাদ এর টাইম লাইন থেকে নেওয়া।

এটা খুবিই দুঃখজনক বিষয়! 🥲 সকালে না.গঞ্জ. কালিবাজার গিয়েছিলাম পরিচিত এক হিন্দু ছেলে আমাকে বললো গতকালের ই-স-কন নিয়ে পোস্ট ...
03/05/2026

এটা খুবিই দুঃখজনক বিষয়! 🥲
সকালে না.গঞ্জ. কালিবাজার গিয়েছিলাম পরিচিত এক হিন্দু ছেলে আমাকে বললো গতকালের ই-স-কন নিয়ে পোস্ট টা পড়েছি। যা লিখছেন সবিই সত্যি।তারপর বললো এলাহী ভাই রাগ না করলে একটা কথা বলি? বললাম হ্যা বলুন....
সে বললো আপনাদের স্বজাতের মেয়েরাও ভালো না।

◾তারপর তার ফোনে ইমুতে ডুকলো,
একটা মেয়ের আইডি দেখিয়ে বললো, তারে আমি যদি বলি যে নবীগঞ্জ ঘাটে আসো,সে চলে আসবে।অথচ সে বিবাহিতা তিনটা সন্তান আছে,স্বামী বিদেশ থাকে।
◾তারপর মেছেন্জারে ডুকে অসংখ্য ইসলামীক গ্রুপ দেখিয়ে বললো.. আমি এখন এসবে একটিভ না। সেখানে একটা মেয়েকে দেখিয়ে বলতেছে..আমি চাইলে এখনি তার সাথে হ*ট চ্যাট করতে পারবো🥲

আমি বললাম আপনিও কি তাদের একজন? বললো না, আমি কোনো ফাঁদ তৈরী করিনা।ভালো লাগে কথা বলি। কিন্তু আমার বন্ধুরা করে। মুসলিম মেয়েদের জন্য আমাদেরই বন্ধু বান্ধবের অনেকে অসংখ্য গ্রুপ চালায়। আমি এখন নিষেধ দেই বলে ভালো না।

😶জানেন মনে হয়েছিলো তারে এখনি-ই কিছু একটা করি। বাট আমি কারে কি করবো?যেখানে আমার বোনরাই তাদের যৌ-নদাসী হতে মরিয়া।
খুব আফসোস আমরা কি এক ফেতনার পরিবেশে চলছি।
সবাই যার যার বোন ফ্যামিলিকে নজরে নজরে রাখুন।ফোন চেক করুন নিয়মিত!

আচ্ছা আমাদের মুসলিম মেয়েদের নৈতিক অবনতি কারন কি? সবাই একটা ধারনা দিন প্লিজ

(সংগৃহীত)

সবই তো করছেন—সালাত, সিয়াম, কিয়াম, নফল আমল, যিকির, তিলাওয়াত। কিন্তু, তারপরও কি মনে হয় জীবনটা গতি পাচ্ছে না? কেমন এক অদ্ভু...
30/04/2026

সবই তো করছেন—সালাত, সিয়াম, কিয়াম, নফল আমল, যিকির, তিলাওয়াত। কিন্তু, তারপরও কি মনে হয় জীবনটা গতি পাচ্ছে না? কেমন এক অদ্ভুত শেকলে যেন বারবার বাঁধা পড়ছে আপনার হাত-পা? কেমন অস্বস্তি, অসহ্য মন খারাপ আর অস্থিরতা যেন সর্বদা গ্রাস করে রাখছে আপনাকে?

সম্ভবত, আপনি একটা চোরাবালিতে আটকে গেছেন আর সেই চোরাবালির নাম—গোপন পাপ।

গোপন আমল যেমন বান্দাকে উতরে দেয়, তেমনি গোপন পাপ বান্দাকে ডুবিয়েও দিতে পারে।

জীবনকে সংকীর্ণ সংকীর্ণ লাগছে?
চারপাশের সবকিছুকেই বিরক্ত লাগে?
আমল করে শান্তি পান না?
সালাতে খুশুখুযু আনতে পারেন না?
আয় উপার্জনে বরকত পান না।

সম্ভবত, কোনো এক গোপন পাপের মাঝে আপনি আটকে পড়েছেন৷

নিজেকে নিয়ে বসুন। এই চোরাবালি থেকে মুক্তির পথ খুঁজে বের করুন। বারাকাহর দরোজা সম্পূর্ণভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার আগে, এই চোরাবালি থেকে চিরতরে মুক্তি লাভের ফিকির করতে থাকুন, আজই লাগাম টানুন নিজের নফসের।
-আরিফ আজাদ

30/04/2026
বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস...
30/04/2026

বাংলাদেশের ইতিহাসে আমাদের শেখানো হয় যে পাকিস্তান ২৪ বছর আমাদের শোষণ করেছে। অথচ বাংলাদেশের গুরুত্বপূর্ণ উন্নয়ন গুলো পাকিস্তান আমলেই হয়েছিল।

ব্রিটিশরা প্রায় ২০০ বছরে পূর্ব বাংলায় কোনো উন্নয়ন করেনি। যদি কিছু করার উদ্যোগও নেওয়া হতো, সেগুলোর পথে বাধা হয়ে দাঁড়াত কলকাতার দাদা-বাবুরা। কলকাতাকে তারা ভারতের রাজধানী বানিয়েছিল।

এমনকি আমাদের কথিত জাতীয় সংগীতের রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ওরফে রঠা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার বিরোধিতা করেছে, পূর্ব বাংলা যেন উন্নত না হতে পারে তাই ঢাকাকে রাজধানী করে পূর্ববাংলা ও আসাম প্রদেশ গঠনের তীব্র বিরোধিতা করেছে।

পাকিস্তান আমলে বাংলাদেশের ব্যাপক উন্নয়ন দেখে পাকিস্তান থেকে বাংলাদেশকে আলাদা করার জন্য এই হিন্দু ভারতীয় দালালরা উঠেপড়ে লাগে। তৈরী করে বৈষম্যের মিথ্যা বয়ান।

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৫ টি বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৫৩)
◾চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৬)
◾জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৭০)
◾জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (১৯৬৮)
◾পূর্ব পাকিস্তান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাংলাদেশ কৃষি বিঃ) (১৯৬১)

▶️ পাকিস্তান আমলে মোট ৪ টি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি হয়েছে।

◾বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) ১৯৬২ সাল
◾রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রুয়েট) ১৯৬৪ সাল
◾চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট) ১৯৬৮ সাল
◾খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) ১৯৬৯ সাল

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় আছে মোট ৫ টা, যার মধ্যে ৪ টাই পাকিস্তান আমলের। আর পরবর্তী ৫০ বছরে হয়েছে ১ টা।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার মোট ৮৭ টি কলেজ প্রতিষ্ঠা করে৷ যার মধ্যে রয়েছে

◾নটর ডেম কলেজ, ঢাকা (১৯৪৯)
◾সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ (১৯৪৯)
◾বাঙলা কলেজ (১৯৬২)
◾ভিকারুননিসা নুন স্কুল ও কলেজ

উল্লেখ্য বর্তমানে ঢাকা শহরে মোট ৩৯ টি কলেজ আছে, যার ভেতর ৮ টি তৈরি হয়েছে ইংরেজ আমলে, ২১ তৈরি হয়েছে পাকিস্তান আমলে, আর মাত্র ১০ টি তৈরি হয়েছে স্বাধীনতার পর ৫০ বছরে।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৮ টা সরকারি মেডিকেল কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ (১৯৫৭)
◾রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (১৯৫৮)
◾ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾সিলেট এম.এ.জি. ওসমানী মেডিকেল কলেজ (১৯৬২)
◾স্যার সলিমুলস্নাহ মেডিকেল কলেজ (১৯৬৩)
◾স্নাতকোত্তর চিকিৎসা গবেষণা ইনস্টিটিউট (বর্তমান নামঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়) (১৯৬৬)
◾শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ (১৯৬৮)
◾রংপুর মেডিকেল কলেজ (১৯৭০)

উল্লেখ্য ইংরেজ শাসন আমলের ২০০ বছরে মোট ১টি মেডিকেল তৈরি হয়েছে ঢাকা মেডিকেল কলেজ৷
ঢাকা মেডিকেল কলেজ ১৯৪৭ সালের আগে প্রতিষ্ঠিত হলেও পাকিস্তান আমলে এর কার্যক্রম সম্প্রসারিত হয়।

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ১৭ টি পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। বর্তমানে বাংলাদেশে ৪৯টি সরকারী পলিটেকনিক ইন্সটিটিউট রয়েছে। অর্থাৎ পাকিস্তান সরকার ২৪ বছরে করেছে ১৭ টি। আর বাংলাদেশ সরকার ৫০ বছরে করেছে ৩২টি৷

▶️ পাকিস্তান আমলে পাকিস্তান সরকার ৪ টি ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠা করে।

◾ফৌজদারহাট ক্যাডেট কলেজ(১৯৫৮)
◾মির্জাপুর ক্যাডেট কলেজ(১৯৬৩)
◾ঝিনাইদহ ক্যাডেট কলেজ ( ১৯৬৩)
◾রাজশাহী ক্যাডেট কলেজ (১৯৬৫)

উল্লেখ্য বর্তমানে বাংলাদেশে ক্যাডেট কলেজ আছে ১২ টা এর ভেতর ৪ টি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে।

▶️ চট্টগ্রাম মেরিন একাডেমী, নৌ অফিসার, মেরিন ইঞ্জিনিয়ার গড়ে তোলার জন্য ১৯৬২ সালে পাকিস্তান নৌবাহিনী কর্তিক এই একাডেমি প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে এর নাম "বাংলাদেশ মেরিন একাডেমি (BMA)"

▶️ এছাড়াও প্রতিষ্ঠা হয়েছে....

◾ইস্ট পাকিস্তান টেক্সটাইল ইন্সটিটিউট’ (১৯৫০) যার বর্তমান নাম "বাংলাদেশ টেক্সটাইল বিশ্ববিদ্যালয় (বুটেক্স)"।
◾ চট্টগ্রাম কারিগরি প্রশিক্ষণ কেন্দ্র। ১৯৬২ সালে এই প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বাংলাদেশে কারিগরি শিক্ষা কার্যক্রম শুরু হয়।

◾এরকম আরো অনেক বিশেষায়িত কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়, ইনস্টিটিউট, নার্সিং কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে পাকিস্তান আমলে। এছাড়া দেশ ব্যাপি প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কয়েক হাজার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং হাই স্কুল।

★অনেকেই অভিযোগ করেন পশ্চিম পাকিস্তানের চেয়ে পুর্ব পাকিস্তান পিছিয়ে ছিলো, কারন পূর্ব পাকিস্তানে কম উন্নয়ন করা হয়েছে। লক্ষ করুন, ব্রিটিশ আমলে বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল মাত্র ১ টা, বিপরিতে পাকিস্তানে বিশ্ববিদ্যালয় ছিল ১৮ টা। অর্থাৎ পাকিস্তান নামক রাষ্ট্র সৃষ্টির আগ থেকেই আমরা উচ্চ শিক্ষার দিক দিয়ে পাকিস্তানের চেয়ে ১৮ গুন পিছিয়ে ছিলাম আমরা!

১৯৪৭ সালের পরবর্তী ১০ বছরে পুর্ব পাকিস্তানে যদি ১০ টা বিশ্ববিদ্যালয় তৈরি করা হতো আর পশ্চিম পাকিস্তানে যদি একটাও তৈরি করা না হতো, তবুও তো আমরা পাকিস্তানের চেয়ে পিছিয়েই থাকতাম। আসলে ব্রিটিশ আমল থেকেই আমরা পাকিস্তানের তুলনায় এত বেশি পিছিয়ে ছিলাম, যার ফলে এই অঞ্চল কখনোই পশ্চিম পাকিস্তানের সাথে উন্নয়নের দৌড়ে খাপ খাওয়াতে পারেনি।

★ ১৯৪৭ সালে পাকিস্তান সৃষ্টির আগে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার ছিলো মাত্র ১২%। ১৯৬১ সালের আদমশুমারিতে স্বাক্ষরতার হার দাড়ায় ২৪.৭%। অর্থাৎ মাত্র ১৩ বছরে এই অঞ্চলের স্বাক্ষরতার হার দ্বীগুন হয়ে যায়। পরবর্তীতে ১৯৭১ সালের আদমশুমারী না হওয়ায় পাকিস্তান আমলের প্রকৃত স্বাক্ষরতার হার জানা যায়নি।

▶️শিল্প প্রতিষ্ঠান, মিল ও কল-কারখানা

◾ বাংলাদেশ সচিবালয় ( ১৯৭১ সালের পর এ সচিবালয়ের পুরাতন ৬ নং ভবনটি ভেঙ্গে ২০ তলা ভবন তৈরী করা হয়)

◾ পাকিস্তানের সেকেন্ড ক্যাপিটাল হিসাবে শেরেবাংলা নগর কে পরিকল্পিতভাবে তৈরী

◾ সংসদ ভবন
◾ বাইতুল মোকাররম মসজিদ
◾ বাংলা একাডেমি
◾ ইসলামিক একাডেমি (বর্তমান ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
◾ রাজশাহী, চট্টগ্রাম, খুলনা, রংপুর, সিলেট বেতার কেন্দ্র প্রতিষ্ঠা
◾ কমলাপুর রেলস্টেশন (পূর্বতন রেলস্টেশন টি ছিলো গুলিস্তান-ফুলবারিয়ায়)
◾ মীরপুর চিড়িয়াখানা
◾ কুর্মিটোলা বিমানবন্দর (ঢাকার আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর)
◾ যমুনা সেতু (১৯৬৬ সনে সংসদে অনুমোদিত)
◾ রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র ( ১৯৬১ সালে এর পরিকল্পনা গ্রহন করে তখনকার পূর্বপাকিস্তানের অনেক কর্মকর্তাকে বিদেশে প্রশিক্ষনে প্রেরণ করা হয়, যারা এখন ইরান ইরাকে কর্মরত। ১৯৭২ সালে প্রকল্পটি বন্ধ করে দেয়া হয়)
◾ শাহজীবাজার বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ আশুগঞ্জ বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ কর্ণফুলী বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র
◾ হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল
◾ গঙ্গা-কপোতাক্ষ প্রকল্প
◾ রামপুরা টেলিভিশন ভবন
◾ ঢাকা স্টেডিয়াম
◾ ঢাকা যাদুঘর (বর্তমানে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আবাসিক ভবন)
◾ WAPDA এবং এর অধিনে শতশত বাধ ও সেচ প্রকল্প
◾ ধানমন্ডি, মোহাম্মদপুর, মিরপুর, গুলশান, বনানী প্রভৃতি আবাসিক এলাকা গঠন ও নগরায়ন
◾ শত শত পাট ও কাপড়ের কল যা বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর জাতীয়করণের মাধ্যমে ধ্বংস করা হয়।

◾ শিল্পায়নের জন্য গড়ে তোলা হয় East Pakistan Industrial Development Corporation (EPIDC)
◾ গাজীপুর সমরাস্ত্র কারখান
◾ গাজীপুর মেশিন টুলস ফ্যাক্টরি
◾ মংলা সামুদ্রিক বন্দর ( চট্টগ্রাম বন্দরটি মুঘল আমলে তৈরী)
◾ঢাকার নিউমার্কেট সহ বিভাগীয় শহরে একটি করে নিউমার্কেট তৈরী
◾তেজগাঁও শিল্প এলাকা
◾হাজারীবাগ ট্যানারি শিল্প এলাকা
◾খালিশপুর শিল্প এলাকা।

◾আদমজী জুট মিলস (নারায়ণগঞ্জ): ১৯৫১
◾খুলনা নিউজপ্রিন্ট মিলস: ১৯৫৯
◾চিটাগং ড্রাই ডক: ১৯৬০
◾ ইস্টার্ন রিফাইনারি লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৬৮
◾ঢাকা জুট মিলস লিমিটেড: ১৯৫০ এর দশক
◾ আমিন জুট মিলস লিমিটেড (চট্টগ্রাম): ১৯৫৩
◾ খুলনা জুট মিলস: ১৯৫০ এর দশক
◾ ইস্পাহানী কটন মিলস: পাকিস্তান আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়।

◾ কাপ্তাই জল বিদ্যুত - ১৯৬২
◾ চন্দ্রঘোনা পেপার মিল - ১৯৫৩
◾ কর্ণফূলী রেয়ন মিল – ১৯৫৩
◾ প্রগতি ইন্ড্রাস্ট্রিজ – ১৯৫৩
◾বাংলাদেশে একটিমাত্র তেল শোধনাগার সেটিও পাকিস্তান করে দিয়েছে।

১৯৭১ সালের যুদ্ধের পর পাকিস্তান ঘাস খেয়ে পারমাণবিক বোমা তৈরি করেছে। বর্তমানে পাকিস্তানের কাছে আনুমানিক ১৭০টি পারমাণবিক ওয়ারহেডসহ একটি পারমাণবিক অস্ত্রাগার রয়েছে।

তাদের বিমান বাহিনীর আকাশ ছোঁয়া সাফল্যের কারণে দেশটি সৌদি আরবের নিরাপত্তার দায়িত্ব নিয়েছে। বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী বিমান বাহিনীর মধ্যে পাকিস্তান বিমান বাহিনী ১৪৩৪ টি যুদ্ধবিমান ও রনকৌশল নিয়ে সপ্তম স্থানে রয়েছে। যার মেরুদণ্ড হিসেবে আছে আমেরিকান এফ-১৬, জেএফ-১৭ থান্ডার এবং আধুনিক চীনা জে-১০সি।

তাদের কাছে আছে শাহীন-৩ (২,৭৫০ কিমি পর্যন্ত পাল্লার), গৌরী এবং গজনভীর মতো একাধিক উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে। তাদের কাছে বাবর ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যা পারমাণবিক এবং প্রচলিত উভয় ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে সক্ষম এবং যা স্থল ও সমুদ্র থেকে উৎক্ষেপণ করা যায়।

তাদের সেনাবাহিনীর কাছে ২,৬০০টিরও বেশি প্রধান যুদ্ধ ট্যাঙ্কের একটি বহর রয়েছে, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো উন্নত খালিদ, ভিটি-৪ এবং টি-৮০ইউডি ট্যাঙ্ক।

দেশটি তার প্রতিরক্ষা খাতকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে গিয়েছে। চীনের সাথে যৌথ উদ্যোগে নিজস্ব জঙ্গি বিমান বানিয়েছে। তাদের কাছে বুরাকের মতো উন্নত ড্রোন সক্ষমতা রয়েছে এবং উইং লুং ড্রোনের জন্য চীনের সাথে সহযোগিতা করে।

তাদের কাছে আটটি সাবমেরিন রয়েছে, উপকূলরেখা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থ সুরক্ষিত করার জন্য নৌবহরে আধুনিক ফ্রিগেট, করভেট এবং দ্রুতগামী মিসাইল বোট রয়েছে।

এছাড়াও তাদের কাছে ৩,০০০টিরও বেশি কামান (টানা ও স্ব-চালিত উভয়ই) এবং একাধিক রকেট লঞ্চার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এমনকি পাকিস্তানের ১১ টি বিশ্ববিদ্যালয় আন্তর্জাতিক মানের স্বীকৃতি পেয়েছে। শিক্ষার মানেও পাকিস্তান অনেক এগিয়ে।

আর ১৯৭১ সালে বিজয়ী বাংলাদেশের যুদ্ধ করে দাসত্বের সার্টিফিকেট নিয়েছে। ভারতই ঠিক করে বাংলাদেশের ক্ষমতায় কে থাকবে।

ইউরোপের দেশগুলো যেখানে বিচ্ছিন্ন থাকার চেয়ে এক হয়ে ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন হয়েছে। যাদের সবার একই মুদ্রা, একই পার্লামেন্টে ও আদালত আছে। একটা দেশের মত তারা সবাই বিনা ভিসায় ইউনিয়নের সব দেশে ভ্রমণ করতে পারে। আমেরিকা ৫০ টি রাজ্য মিলে এক হয়ে যুক্তরাষ্ট্র হয়েছে। ইংল্যান্ড ৪ টি রাজ্য মিলে হয়েছে যুক্তরাজ্য, ভারতে ২৮ টি রাজ্য মিলে একসাথে থাকছে।

অথচ আমরা মাত্র ৫ টি প্রদেশ এক হয়ে পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান থাকতে পারলাম না। মিডেল ইস্টে শহরের মত ছোট ছোট এলাকা তুর্কী খেলাফত থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীনতার নামে আমেরিকার স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছে। আর আমরা কথিত স্বাধীনতার নামে ভারতের স্থায়ী গোলামে পরিনত হয়েছি।

আল্লাহর দুশমনেরা সবাই এক হয়ে শক্তিশালী হচ্ছে আর আমাদের কথিত স্বাধীনতার নামে বিচ্ছিন্ন করে ওদের গোলামে পরিনত করেছে।

পাকিস্তান আমলে ৪ জন গভর্নরের মধ্যে ২ জন ছিল বাংলাদেশের। ৮ জন প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে ৪ জন ছিল বাংলাদেশের এবং তাদের সম্মিলিত মেয়াদকাল পশ্চিম পাকিস্তানের ৪ টি প্রদেশ থেকে হওয়া প্রধানমন্ত্রীদের সম্মিলিত মেয়াদকালের চেয়ে বেশি ছিল। এরপরেও বলা হচ্ছে আমরা নাকি ছিলাম পাকিস্তানের অধীন! পরাধীন!

এই কথিত পরাধীনতার গল্প শুনিয়ে স্থায়ীভাবে যারা ভারতের গোলাম বানালো এদেশকে তারা সবাই স্বাধীনতার শত্রু। দেশবিরোধী দালাল।

লেখা : সংগৃহীত ও পরিমার্জিত

আল্লাহ কোথায়?আল্লাহ সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে"কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আসমানসমূহ ভাঁজ করা অবস্থা...
29/04/2026

আল্লাহ কোথায়?
আল্লাহ সমস্ত সৃষ্টির ঊর্ধ্বে
"কিয়ামতের দিন সমস্ত পৃথিবী থাকবে তাঁর হাতের মুঠোয় এবং আসমানসমূহ ভাঁজ করা অবস্থায় থাকবে তাঁর ডান হাতে।" (৩৯:৬৭)
➤ এই আয়াতটি পুরো মহাবিশ্বের ওপর আল্লাহর অসীম ক্ষমতা ও নিয়ন্ত্রণের বহিঃপ্রকাশ ঘটায়।
➤ আল্লাহর মাহাত্ম্য মানুষের কল্পনারও বাইরে।
"সর্বশক্তিমান আরশের ওপর সমাসীন হয়েছেন।" (৭:৫৪, ২০:৫, ২৩:১১৬)
➤ এখানে 'আরশ' আল্লাহর সার্বভৌমত্ব, শাসন এবং সর্বোচ্চ কর্তৃত্বের প্রতীক।
➤ "তিনি সকল বিষয় পরিচালনা করেন।" (يُدَبِّرُ ٱلْأَمْرَ) (১৩:২)
"কোনো কিছুই তাঁর সদৃশ নয়।" (৪২:১১)
➤ এই আয়াতটি স্পষ্টভাবে আল্লাহর সাথে কোনো কিছুর শারীরিক সাদৃশ্যকে নাকচ করে দেয়। আল্লাহ সময়, স্থান বা কোনো ভৌত মাত্রার সীমাবদ্ধতায় আবদ্ধ নন।
আল্লাহ আমাদের অতি নিকটে
"আমি তার (মানুষের) ঘাড়ের শাহরগ অপেক্ষাও নিকটতর।" (৫০:১৬)
➤ এটি কোনো শারীরিক নৈকট্য বোঝায় না, বরং এটি তাঁর নিখুঁত জ্ঞান এবং আমাদের সম্পর্কে তাঁর পূর্ণ অবগতির একটি রূপক বর্ণনা।
"আর আমার বান্দারা যখন আপনার কাছে আমার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে, আমি তো নিকটেই আছি। আমি আহ্বানকারীর ডাকে সাড়া দেই, যখন সে আমাকে ডাকে।" (২:১৮৬)
➤ আল্লাহ প্রার্থনা শোনেন এবং সাড়া দেন। তিনি দূরবর্তী বা অগম্য কেউ নন।
"এমন কোনো তিনজনের গোপন পরামর্শ হয় না যাতে চতুর্থজন হিসেবে তিনি (আল্লাহ) থাকেন না..." (৫৮:৭)
➤ আল্লাহ প্রতিটি কথোপকথন এবং চিন্তা সম্পর্কে অবগত, তা যতই গোপন হোক না কেন।
সারসংক্ষেপ: আল্লাহ কোথায়?
আল্লাহ কোনো স্থান, অবস্থান বা ভৌত কাঠামো দ্বারা সীমাবদ্ধ নন। তিনি অতীন্দ্রিয় ও মহীয়ান (Transcendent)—যিনি সৃষ্টিজগতের সমগ্র অস্তিত্বের ওপর শাসন করছেন। তিনি তাঁর আরশের ওপর থেকে (যা চূড়ান্ত ক্ষমতার প্রতীক) সবকিছু পরিচালনা করেন; একই সাথে তাঁর জ্ঞান, শ্রবণ এবং ক্ষমতা সৃষ্টির প্রতিটি অংশকে পরিবেষ্টন করে আছে।

শূকরের গোশত ও চর্বি মিশ্রিত খাবার থেকে সাবধান⚠️❗️❗️❗️লেখা গুলো অবশ্যই কপি/করে পোস্ট করবেন।দেশের স্কুলগুলোতে, প্রত্যন্তগ্...
29/04/2026

শূকরের গোশত ও চর্বি মিশ্রিত খাবার থেকে সাবধান⚠️❗️❗️❗️

লেখা গুলো অবশ্যই কপি/করে পোস্ট করবেন।

দেশের স্কুলগুলোতে, প্রত্যন্তগ্রামে আজ সেবার নামে, স্কুলে পুষ্টিকর খাবার বিতরণের নামে নানাজাতের বিদেশি বিস্কুট ও খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করা হচ্ছে বিভিন্ন এনজিও সংস্থার মাধ্যমে। হতদরিদ্র মানুষগুলো যেখানে দুবেলা খেতে পায় না পেটভরে, সেখানে প্যাকেট -প্যাকেট মচমচে সুস্বাদু বিস্কুট হাতে পেয়ে আর ফিরে তাকানোর চেষ্টা করে না, কে আমাদের এ বিস্কুট,গুড়াদুধের প্যাকেট আর খাবার দিলো⁉️⁉️ আর কেমন খাবার আমরা খাচ্ছি? ? আমরা ভাবি, কত দয়ালু এসব লোকগুলো !! আমার ত্রাণকর্তা হয়ে আবির্ভূত হয়েছে! আমরা কি একটু চিন্তা করে দেখেছি, ভবিষ্যতে এরাই এসে তাদের খোদার খোদায়িত্বের দিকে আহবান করবে। নতুবা খাবার দিবেনা।

আজকের এ ভালোমানুষী যে একটি টোপ আমরা তা ঘুণাক্ষরেও বুঝতে পারছিনা! সমাজের দায়িত্বশীল লোকেদের হাত দিয়েই এসব বিস্কুট, গুড়োদুধ, সহ বিভিন্ন ধরনের খাদ্য বিভিন্ন এনজিওদের দেওয়া খাবার বিতরণ করা হচ্ছে। সমাজের দায়িত্বশীলদের উচিত, এসব বিস্কুট, গুড়োদুধ এবং এনজিওগুলোর দেওয়া খাদ্যদ্রব্য বিতরণ করার পূর্বে, খাওয়ার আগে একবার দেখে নেওয়া, কোনদেশের কোন কোম্পানীর এসব খাবার আপনার হাতে তুলে দেওয়া হচ্ছে ⁉️ ইসলাম মুসলমানদের নাম শুনলে যেখানে ইহুদি-- খৃষ্টানদের নাক কুঁচকে যায়, চেহারায় ভাঁজ পড়ে যায়, সেখানে তাদের অর্থে লালিত পালিত এসব সংস্থাগুলোর হতদরিদ্র মুসলমানদের,মুসলিম দেশের প্রতি হঠাৎ এত ভালবাসা কিভাবে জন্ম নিল⁉️⁉️ একদিকে মুসলমানদের বংশ ধ্বংস করতে ছোট ছোট শিশু ও নারীদের নির্বিচারে বোমা মেরে জীবন্ত কবর দিয়ে দিচ্ছে, আবার তারাই মুসলিম শিশুদের জন্য এত মমতা নিয়ে জন্মের পরেই পোলিও টিকা, পুষ্টিকর খাবার,বিস্কুট, গুড়োদুধের প্যাকেট সহ আরো অনেক কিছু নিয়ে আমাদের সামনে হাজির হচ্ছে কেন⁉️ বিপরীতধর্মী এ চেহারার পেছনে কি অন্য কোনো উদ্দেশ্য লুকিয়ে আছে? ? চিন্তা করুন। তাহলে কি একথা ধরে নেওয়া যায়, যেসব মুসলিমদেশে তারা সুবিধা করতে পারছেনা, কর্তৃত্ব খাটাতে পারছেনা, তাদেরকে বোমা মেরে কবর দিচ্ছে? ? আর যেখানে তাদের ভবিষ্যত সম্ভাবনা উজ্জ্বল তাদের ঈমান নড়বড়ে করে দিয়ে দলে ভেড়াতে এসব সন্দেহমূলক খাবার খাইয়ে ঈমানহারা করার ষড়যন্ত্র করছে??

তাই এসব খাবার খাওয়ার আগে, বিতরণ করার আগে নিচের বিষয়গুলো যাচাই করে নেন, আপনাকে, আপনার সন্তানকে, এদেশের জনগণকে তারা কেমন খাবার খাওয়াচ্ছে ---পুষ্টিকর খাবারের ঝাঝালো স্লোগান দিয়ে ! নতুবা এসব খাবার খেয়ে যদি তারা ঈমানহারা হয়, তবে শেষবিচারের দিনে এজন্য দায়িত্বশীলদের জবাবদিহি করতে হবে! দেখে নিন , এতে তারা হারাম বা শূকরের চর্বি, হাড়, মাংসের উপাদান মিশ্রিত খাবার বিতরণ করছে কিনা? একটি পণ্য কিনতে গেলে তা যাচাই করে দেখুন, তা হালাল না হারাম! কী উপাদান দিয়ে তৈরী এবং কোথায় তৈরি করা হয়েছে!
যেসব খাবার ও পণ্যে শূকরের মাংস ও তার অংশবিশেষ ব্যবহার করা হয়ে থাকে।

ছোটদের ও বড়দের জন্য তৈরি বিভিন্ন ব্যান্ডের গুড়ো দুধ।

ইউরোপ, আমেরিকার তৈরি সাবান, ক্রিম, বিভিন্ন প্রকার খাদ্য যেমন:- চকোলেট, বিস্কুট, পনির, রুটি ও অন্যান্য পানীয় সামগ্রী।

বিদেশি আচার, জেম-জেলি ইত্যাদি কেনার সময় হুশিয়ার থাকবেন, ইউরোপ আমেরিকা, ইসরাইল জেলেটিন ব্যতীত এসব পণ্য তৈরি হয় না! আর জেলেটিন হচ্ছে, শূকরের চামড়া ও হাড় থেকে তৈরি উপাদান।

বিভিন্ন দেশে শূকরের বিভিন্ন নাম রয়েছে, যেমন:- সোয়াইন, হুগ, পিগ। তার গোশতের নাম হচ্ছে, বেকন, হার্ম, স্পার্কেল, পর্কার আর শূকরের চর্বিকে বলা হয়, লার্ড, জেললো টেলো। পেপসিন শূকরের রক্ত মিশ্রিত একটি ঔষধ! কলগেট ও বারডেন ফুড কোম্পানির তৈরি টুথপেস্টের মধ্যেও শূকরের চর্বি দেওয়া হয়। জেলটিনও একটি তরল পদার্থ, যার অধিকাংশ উপাদানই হচ্ছে শূকরের চামড়া ও খুর দিয়ে তৈরি।
আমাদের নিজেদের ঈমান রক্ষার স্বার্থেই এসব বিষয়গুলো পরিহার করা উচিত।

এই ব্যক্তি কুরআন, বাইবেল এবং হিন্দুগ্রন্থ মিলিয়ে কথা বলছে, এটি একটি পরিচিত কৌশল যাকে Syncretism বলা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো ...
28/04/2026

এই ব্যক্তি কুরআন, বাইবেল এবং হিন্দুগ্রন্থ মিলিয়ে কথা বলছে, এটি একটি পরিচিত কৌশল যাকে Syncretism বলা হয়। এর উদ্দেশ্য হলো সব ধর্মের মানুষকে এক ছাতার নিচে এনে বিভ্রান্ত করা এবং নিজেকে অনেক জ্ঞানী হিসেবে জাহির করা। আল্লাহ ইসলামকে পূর্ণাঙ্গ জীবন বিধান হিসেবে পাঠিয়েছেন, যেখানে শিরকের কোনো স্থান নেই।

এই মুনাফেক কাফের বিধর্মীরে যে অনুসরণ করবে সে নিশ্চিত তার ঈমান হারাবে। আল্লাহর কসম করে বলছি এই হারামির বাচ্চা আপনাদের জাহান্নামের মুখে ঠেলে দিবে।

আল্লাহ কুরআন স্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, সুলাইমান (আ.) কখনোই যাদু বা কুফরী করেননি। ইহুদীরা এবং শয়তানরা রটিয়েছিল যে তিনি যাদুর মাধ্যমে জীন ও প্রকৃতি শাসন করতেন।
আল্লাহ তা'আলা এর প্রতিবাদ করে বলেন:
সুলাইমান কুফরী করেনি, বরং শয়তানরাই কুফরী করেছিল। তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত। (সূরা বাকারা: ১০২)
সুতরাং, আজ যারা সুলাইমান (আ.) এর নাম ব্যবহার করে তিলিসমাতি বা যাদুকরী নকশা বিক্রি করছে, তারা মূলত সেই শয়তানি পদাঙ্কই অনুসরণ করছে যা কুরআন কয়েক হাজার বছর আগেই খণ্ডন করে দিয়েছে।

এই কাফের খুব দারুন ভাবে ব্রেইন ওয়াশ করতে পারে।

ছবিতে দেখতে পাচ্ছেন একটি নকশা ২৫,৫৫৫ টাকায় বিক্রি করা হচ্ছে। তারা আপনাকে ৩ ভাবে ক্ষতি করবে
১. সাধারণ মানুষকে অলৌকিকত্বের লোভ দেখিয়ে বড় অংকের টাকা হাতিয়ে নেওয়া।
২. বিশ্বাস করানো যে, এই নকশাটি নিজের শক্তিতে বা কোনো মোয়াক্কল ফেরেশতার মাধ্যমে কাজ করবে। ইসলামে আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো কাছে অলৌকিক সাহায্য চাওয়া বা কোনো বস্তুকে অতিপ্রাকৃত ক্ষমতার অধিকারী মনে করা স্পষ্ট শিরক।
৩. যখন কেউ টাকা দিয়ে এই ধরনের কাগজ কেনে, তখন সে আল্লাহর উপর ভরসা (তাওয়াক্কুল) হারিয়ে ওই কাগজের ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে। তারা মনে করবে এই কগজই হয়তো আমাদের মঙ্গল বয়ে আনবে অথচ তারা কুফুরি করছে!

ব্যাবিলনে হারুত ও মারুত ফেরেশতা দ্বয় মানুষকে যাদু শিখিয়ে সতর্ক করতেন যে, এটি একটি পরীক্ষা। যাদু শিখলে বা প্রয়োগ করলে ঈমান থাকবে না। বর্তমানের এই তথাকথিত আধ্যাত্মিক গুরুরা ঠিক সেই একই কাজ করছে তারা মানুষকে কুফরী ও শিরকের পথে ডাকছে।
কুরআনের ভাষায়:
তারা জানত যে, যে কেউ তা ক্রয় করবে (যাদুর চর্চা করবে), পরকালে তার কোনো অংশ থাকবে না। (সূরা বাকারা: ১০২)

সূরা সাবা আয়াত ১২ অনুযায়ী, সুলাইমান (আ.) জীনদের ওপর কর্তৃত্ব পেয়েছিলেন আল্লাহর বিশেষ দয়ায় এবং এটি ছিল তার মোজেজা। এটি কোনো যাদু বা শেখা বিদ্যা ছিল না। সাধারণ মানুষের জন্য জীন বা ফেরেশতা (মোয়াক্কল) নিয়ন্ত্রণ করার কোনো বিধান বা সুযোগ ইসলামে নেই। যারা এগুলো দাবি করে, তারা মূলত জীনদের সাথে এক ধরণের চুক্তিতে যায় যা চূড়ান্ত পর্যায়ের কুফরী।

পৃথিবীর কিছু প্রাণী আছে, যাদের সহনশীলতা সত্যিই অবিশ্বাস্য এগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় আল্লাহর সৃষ্টির ক্ষমতা কতটা নিখুঁত ...
18/04/2026

পৃথিবীর কিছু প্রাণী আছে, যাদের সহনশীলতা সত্যিই অবিশ্বাস্য এগুলো দেখে সহজেই বোঝা যায় আল্লাহর সৃষ্টির ক্ষমতা কতটা নিখুঁত ও বিস্ময়কর। এই ছবিতে দেখানো প্রতিটি প্রাণীই চরম পরিবেশে টিকে থাকার এক একটি অসাধারণ উদাহরণ।

তেলাপোকা এমন একটি প্রাণী, যা উচ্চ মাত্রার রেডিয়েশনেও কিছু সময় বেঁচে থাকতে পারে এবং খুব কম খাবারেও দীর্ঘদিন টিকে থাকে। টার্ডিগ্রেড, যাকে “Water Bear” বলা হয়, মহাকাশের শূন্যতা, তীব্র ঠান্ডা ও গরম সবকিছুতেই বেঁচে থাকতে পারে, এমনকি বছরের পর বছর নিদ্রার মতো অবস্থায় থেকেও আবার সক্রিয় হয়ে ওঠে।

অমর জেলিফিশের বিশেষ ক্ষমতা হলো এটি তার জীবনের চক্রকে উল্টো দিকে ফিরিয়ে নিতে পারে, অর্থাৎ বারবার নতুন করে জীবন শুরু করতে পারে। উট মরুভূমির প্রচণ্ড গরমে পানি ছাড়া দীর্ঘ সময় বেঁচে থাকতে পারে, আর হানি ব্যাজার তার সাহস ও শক্তির জন্য পরিচিত এটি বিষাক্ত সাপের আক্রমণও সহ্য করতে পারে।

এই প্রতিটি উদাহরণ প্রমাণ করে, আল্লাহ প্রতিটি প্রাণীকে এমনভাবে সৃষ্টি করেছেন যাতে তারা সবচেয়ে কঠিন পরিস্থিতিতেও টিকে থাকতে পারে। এত নিখুঁত পরিকল্পনা আর বৈচিত্র্য সত্যিই ভাবিয়ে তোলে এটা কোনো কাকতালীয় বিষয় নয়, বরং আল্লাহর অসীম জ্ঞান ও সৃষ্টিশীলতার এক জীবন্ত নিদর্শন।

Address

Ramgor Road
Chittagong
4355

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Alhamdulillah Everything posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Alhamdulillah Everything:

Share