10/08/2026
&&সতর্ক হোন, সুস্থ থাকুন।&&
জ্বর ছেড়ে গেছে, রোগী হেসে কথা বলছে, পরিবার স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে।
ডেঙ্গুতে ঠিক এই মুহূর্তেই সবচেয়ে বেশি মানুষ মারা যায়।
ডেঙ্গুর ভাইরাসটা শরীরে ঢোকার পর তিনটা ধাপ পার হয়। প্রথম ৩ থেকে ৪ দিন উচ্চ জ্বর। এরপর জ্বর নামতে শুরু করে, আর তখনই শুরু হয় critical phase, যেটা চলে ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টা। এই সময় রক্তনালী থেকে পানি বেরিয়ে যেতে থাকে, প্রেশার পড়ে যায়, শক হয়। বাইরে থেকে বোঝা যায় না।
আমরা বেশিরভাগ মানুষ এই সময়টায় প্লাটিলেট নিয়ে ব্যস্ত থাকি। বারবার টেস্ট, পেঁপে পাতার রস, প্লাটিলেট কত হলো। অথচ ডেঙ্গুতে বেশিরভাগ মৃত্যু প্লাটিলেট কমে যাওয়ার কারণে হয় না, হয় শক আর পানিশূন্যতার কারণে।
জ্বর নামার পর এই লক্ষণগুলোর যেকোনো একটা দেখলে সাথে সাথে হাসপাতালে নিন, সকাল হওয়ার জন্য অপেক্ষা করবেন না:
• পেটে তীব্র ব্যথা বা পেট চেপে ধরে রাখা
• বারবার বমি (৬ ঘণ্টায় ৩ বারের বেশি)
• প্রস্রাব কমে যাওয়া বা ৬ থেকে ৮ ঘণ্টা প্রস্রাব না হওয়া
• হাত-পা ঠান্ডা হয়ে আসা, শরীর ঘেমে যাওয়া
• অস্থিরতা, খিটখিটে ভাব, বা হঠাৎ ঝিমিয়ে পড়া
• মাড়ি বা নাক দিয়ে রক্ত, কালো পায়খানা
আর একটা কথা, যেটা না জানার কারণে অনেক পরিবার ভুল করে। জ্বরে ব্যথানাশক ওষুধ (আইবুপ্রোফেন, ডাইক্লোফেনাক, অ্যাসপিরিন জাতীয়) খাওয়াবেন না। এগুলো ডেঙ্গুতে রক্তক্ষরণের ঝুঁকি বাড়ায়। জ্বরের জন্য শুধু প্যারাসিটামল, আর পর্যাপ্ত পানি, স্যালাইন, ডাবের পানি, স্যুপ।
জ্বর তিন দিনের বেশি থাকলে টেস্ট করান। আর জ্বর নেমে গেলে নিশ্চিন্ত হবেন না, বরং পরের দুই দিন রোগীর দিকে আরও বেশি চোখ রাখুন।
পোস্টটা শেয়ার করে রাখুন। পরিবারের কারও জ্বর হলে কাজে লাগবে।
# # সংগৃহীত # #