Chowdhury’s family

Chowdhury’s family Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Chowdhury’s family, Digital creator, Chittagong.

11/10/2025
28/09/2025

I gained 1,526 followers, created 64 posts and received 328 reactions in the past 90 days! Thank you all for your continued support. I could not have done it without you. 🙏🤗🎉

https://www.facebook.com/share/p/1Cuxx52UKR/
20/09/2025

https://www.facebook.com/share/p/1Cuxx52UKR/

এটা কি কোন ভাবে শুধরানো সম্ভব?বাচ্চার বয়স ৯ বছর। এখন আমার সাথেও খুব রেগে রেগে কথা বলে। কোন কিছু নিয়ে একটু চাপ দিলেই উল্টা খারাপ রিয়াক্ট দিচ্ছে। এখন আর মার বা বকাঝকা কিছুই দিচ্ছি না। তবুও যেন কাজ হচ্ছে না।(ইনবক্স থেকে নেওয়া)

, বিশ্বাস করুন—এটা আপনার ব্যর্থতা না। আসলে এই বয়সটাকে বলা হয় প্রি-টিন এজ।এটা ওর বেড়ে ওঠার অংশ।
এই বয়সে বাচ্চারা নিজের মতামত প্রকাশ করতে শেখে, কিন্তু কীভাবে বলবে সেটা বোঝে না। তাই ওরা রাগ দিয়ে সব প্রকাশ করে।
এখানে বাচ্চারা নিজের মত চিন্তা করতে শুরু করে, কিন্তু আবেগ নিয়ন্ত্রণ করা শিখে ওঠে না। তাই ওরা দ্রুত রেগে যায়, প্রতিবাদ করে, উল্টা কথা বলে।

এই সময় মায়ের সবচেয়ে বড় ভূমিকা হলো ধৈর্য ধরে শোনা।
বাচ্চার কথাকে সঙ্গে সঙ্গে প্রতিহত না করে আগে শোনার চেষ্টা করা দরকার।
যখন ও রাগ করে, তখন সঙ্গে সঙ্গে শাসন বা উপদেশ না দিয়ে—শান্ত হলে পরে আলাদা করে বোঝানো বেশি কার্যকর হয়।

আরেকটা জিনিস—বাচ্চাকে ছোট ছোট সিদ্ধান্ত নিতে দেয়া।
যেমন, পড়ার সময় বেছে নেয়া, কোন জামা পরবে, কিংবা কোন বই পড়বে—এসব সিদ্ধান্তে ওকে গুরুত্ব দিলে আত্মবিশ্বাস বাড়বে, রাগও কমে আসবে।

সবচেয়ে জরুরি হলো—বাচ্চাকে অনুভব করানো, সে শোনা হচ্ছে, সে গুরুত্বপূর্ণ।
কারণ ভালোবাসা আর মনোযোগ—এই দুই জিনিসের অভাবেই বাচ্চারা সবচেয়ে বেশি উল্টো সাড়া দেয়।

তাই মারধর বা বকাঝকার পরিবর্তে, ধৈর্য, বোঝানো আর সময় দেওয়াই হবে সমাধান।

মনে রাখবেন, ওকে বদলানোর চেয়ে আগে দরকার ওর ভেতরের অনুভূতিটা বোঝা।
শিশুরা শাসন দিয়ে নয়, ভালোবাসা দিয়ে শেখে।

✍️✍️কলমে- তাহমিনা আক্তার লিলি।

https://www.facebook.com/share/p/1CPRtN6ov4/
19/09/2025

https://www.facebook.com/share/p/1CPRtN6ov4/

"কর্ণফুলী" নদীর নামকরণের ইতিহাস।

কর্ণফুলী নদীর নামকরণ নিয়ে ২টি কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। এর একটি টমাস হারবার্ট লেউইনের 'অ্যা ফ্লাই অন দ্য হুইল' বইয়ে লেখা আছে। কথিত আছে, এই নদীর প্রাচীন নাম ছিল 'কাইঞ্চা খাল'। 'কাইঞ্চা খাল' কেন কর্ণফুলী নামে নামকরণ করা হয়েছিল, তা নিয়ে এ বইয়ে একটি গল্প বলা হয়েছে।

এতে বলা হয়, একবার কোনো এক পূর্ণিমা রাতে চট্টগ্রামের এক রাজকুমারী ও রাজকুমার দম্পতি কাইঞ্চা খালে নৌবিহারে জ্যোৎস্না রাতের সৌন্দর্য উপভোগ করছিলেন। ঢেউ খেলানো জলের উপরিভাগে চাঁদের প্রতিবিম্বের সৌন্দর্য উপভোগ করার সময় রাজকুমারী নদীর ওপর কিছুটা ঝুঁকে পড়ে এবং ঠিক তখনই তার কানের ওপরে চুলে আটকানো ফুল হঠাৎ নদীতে পড়ে যায়। এই ফুলটি রাজকুমার তার চুলে গুঁজে দিয়েছিলেন। সেজন্য এটি তার কাছে মহামূল্যবান।

রাজকুমারী ফুলটি হারানোর পর শোকাহত হয়ে পড়েন। ফুলটি উদ্ধারের জন্য সে তৎক্ষণাৎ নদীতে ঝাঁপ দিয়ে ব্যর্থ হন। পরিবর্তে তীব্র স্রোতে তিনি নদীতে তলিয়ে যান। রাজকুমারীকে উদ্ধার করতে রাজকুমারও নদীতে ঝাঁপ দেন। তিনিও তাকে উদ্ধারে ব্যর্থ হন।

শোকাহত রাজকুমার মৃত্যুর পরে রাজকুমারীর সঙ্গে মিলিত হওয়ার জন্য নিজেকে নদীতে ডুবিয়ে দেন। এই ট্র্যাজেডির কারণে 'কর্ণফুল' শব্দ থেকে নদীর নাম 'কর্ণফুলী' হয়েছে। 'কর্ণফুল' অর্থ 'কানে শোভা পায় যে ফুল'।

আরেকটি কিংবদন্তি হলো—একদিন এক পাহাড়ি রাজকন্যা তার সহচরীদের সঙ্গে কাইঞ্চা খালে গোসল করতে গিয়েছিলেন। পানিতে ডুব দিয়ে গোসল শেষে তীরে উঠে দেখতে পান তার 'কর্ণফুল' হারিয়ে গেছে। অনেক চেষ্টা করেও তা খুঁজে পাওয়া যায় না। শোকাহত রাজকন্যা অসুস্থ হয়ে পড়েন। কিছুদিন পর তার মৃ*ত্যু হয়। তখন থেকে 'কাইঞ্চা খাল' কর্ণফুলী নদী নামে পরিচিতি পায়।

প্রখ্যাত গায়ক, গীতিকার ও সঙ্গীতজ্ঞ মলয় ঘোষ দস্তিদার তার 'কর্ণফুলীর গান'-এ লিখেছেন—

ছোড ছোড ঢেউ তুলি (ছোট ছোট ঢেউ তুলে)

লুসাই পাহাড়ুত্তুন নামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী (লুসাই পাহাড় থেকে নেমে কর্ণফুলী প্রবাহিত হচ্ছে)।

পাহাড়ি কোন সুন্দরী মায়া (পাহাড়ের এক সুন্দরী মেয়ে),

সেয়ান গইত্তো যায় (নদীতে স্নান করতে গিয়েছিল)।

সেয়ান গরি উডি চায় যে (স্নান করে তীরে উঠার পর সে দেখলো)

কানোর ফুল তার নাই (যে ফুলটি তার কানে শোভা পাচ্ছিল, সেটি নেই)।

যেদিন কানোর ফুল হাজাইয়ে (যেদিন সে কানের ফুল হারালো),

হেই দিনত্তুন নাম কর্ণফুলী (সেদিন থেকে নদীর নাম কর্ণফুলী)।

লুসাই পাহাড়ুত্তুন নামিয়ারে যারগই কর্ণফুলী (লুসাই পাহাড় থেকে নেমে কর্ণফুলী প্রবাহিত হচ্ছে)

তথ্যসূত্র: The Daily Star বাংলা

https://www.facebook.com/share/p/1BMb5XiRgf/
09/09/2025

https://www.facebook.com/share/p/1BMb5XiRgf/

রিলস দেখতে দেখতে কেটে যায় ঘন্টার পর ঘণ্টা। অনেকেরই মনে হয় এতে তেমন ক্ষতি নেই। কিন্তু স্নায়ুবিজ্ঞানীদের মতে, বিষয়টি মোটেও এতটা স্বাভাবিক নয়। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রিলসের প্রতি যে আসক্তি তৈরি হয়, তার প্রভাব অনেকটা অ্যালকোহল বা জুয়ার মতোই। দীর্ঘ সময় ধরে রিলস দেখলে মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হয়ে যায়, এমনকি স্মৃতিশক্তিও দুর্বল হতে পারে।

চীনের তিয়ানজিন নর্মাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক কিয়াং ওয়াং ও তাঁর গবেষক দল সম্প্রতি নিউরোলমাজ জার্নালে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে জানিয়েছেন, যাঁরা অতিরিক্ত রিলস দেখেন, তাঁদের মস্তিষ্কের “রিওয়ার্ড পাথওয়ে” অস্বাভাবিকভাবে সক্রিয় হয়ে ওঠে। সাধারণত এই অংশ তখনই সক্রিয় হয় যখন কেউ মদ্যপান করে বা জুয়া খেলে, কারণ এটি আনন্দ অনুভবের সঙ্গে জড়িত।

অন্যদিকে, মনোযোগ, আত্মনিয়ন্ত্রণ ও সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রণ করে মস্তিষ্কের প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্স। ২৬ থেকে ২৭ বছর বয়স পর্যন্ত এই অংশ ধীরে ধীরে পূর্ণাঙ্গ হয়ে ওঠে। কিন্তু নিয়মিত অতিরিক্ত কনটেন্ট গ্রহণের ফলে প্রিফ্রন্টাল কর্টেক্সের ওপর অযথা চাপ পড়ে। দীর্ঘমেয়াদে এটি সঙ্কুচিত হতে পারে, আর তার প্রভাব পড়ে আমাদের দৈনন্দিন কাজকর্মে।

বিশেষজ্ঞরা আরও জানিয়েছেন, রাতে ঘুমাতে যাওয়ার আগে রিলস দেখার অভ্যাস ঘুমের ব্যাঘাত ঘটায়। এতে মস্তিষ্কের হিপ্পোক্যাম্পাসও প্রভাবিত হয়, যা স্মৃতি সংরক্ষণ এবং দিকনির্দেশনা বুঝতে ভূমিকা রাখে। এই কারনে অনেক রিলস আসক্ত মানুষ অনেক কিছুই আগের মতো মনে রাখতে পারে না।
~ Altimate Be 5.0

03/09/2025

কি মহাবিপদ থেকে গতকাল বেঁচে গেছিলাম!😔
গতকাল ৩ মেয়ে আমাদের বাসায় এসে নক করে। যেহেতু আমি একা থাকি সারাদিন বাসায় তাই কেউ আসলে খুলি না। গতকাল বাবা বাসায় ছিল তাই খুলেছিলাম। মেয়েরা এসে বললো বাড়িওয়ালা পাঠিয়েছে রুম দেখতে। আমি বললাম আমরা তো রুম ছাড়বো না। বলে ৫ তলা খালি হবে বাট তারা বাসায় নেই তাই আপনাদের রুম দেখতে বলছে। সেইম সিস্টেমের নাকি। আমি বললাম আমাদের তো টাইলস করা না আর ৫ তলা তো টাইলস রুম। বলে সমস্যা নাই দেখলেই হবে। তারপর ৩ মেয়ে আমাকে কথার ধা'ন্দা'য় ফেলে দেয়। একের পর এক প্রশ্ন করছে। আমাকে কিছু বলার সুযোগই দিচ্ছে না। তারপর আমাকে বললো ভিতরের রুমে যাই। বললাম যান। গিয়ে দেখে বাবা ভিতরে। বাবাকে দেখে থতমত খেয়ে যায়। বলে আচ্ছা ঠিক আছে বাড়িওয়ালার সাথে কথা বলবো নে।

একটু পর বাড়িওয়ালার সাথে আমার দেখা। তাকে জিজ্ঞেস করতে সে বললো নাতো আমি কাউকে পাঠাইনি! আজ সেই ৩ মেয়ে পাশের বাসায় সেইম প্রক্রিয়াতে মোবাইল, গহনা, টাকা নিয়ে গেছে।

আব্বুর ব্যবসার টাকা, গহনা(শেষ সম্বল) কাল সব যেত আমাদের।
খুব সাবধানে থাকবেন ঢাকায় আপনারা।

সবাইকে সর্তক করার জন্য পোস্টটি দ্রুত শে-য়া-র করে দিন।

লেখা- সংগৃহীত


#জীবন_চক্র

01/09/2025
31/08/2025

নিজেকে না বদলালে
কেউ আপনাকে বাঁচাতে আসবে না....

এই পৃথিবীতে কেউ আপনাকে এসে সফল করে দিয়ে যাবে না।
কেউ এসে আপনাকে টেনে তুলবে না, যদি আপনি নিজে উঠে দাঁড়াতে না চান।
জীবনের লড়াই আপনাকেই লড়তে হবে, একদম একা।

১. কেউ আপনাকে কিছু দিতে বাধ্য না
আপনার বাবা-মা আপনাকে জন্ম দিয়েছেন, মানুষ করেছেন।
তবে আপনি জীবনে কতদূর যাবেন, কত বড় হবেন— সেটা একান্তই আপনার দায়িত্ব।
কেউই বাধ্য না আপনাকে সুযোগ করে দিতে।
আপনাকেই নিজের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

২. পৃথিবী কঠিন, আপনি যদি দুর্বল থাকেন তো শেষ
জীবন কারও জন্য থেমে থাকবে না।
আপনি ব্যর্থ হলে, খুব বেশি মানুষ এক মিনিটও সময় দেবে না আপনার জন্য।
এই দুনিয়ায় টিকে থাকতে হলে আপনাকে মজবুত হতে হবে — মানসিকভাবে, মানসিকতায়, সিদ্ধান্তে।

নাহলে পৃথিবী আপনাকে গিলে ফেলবে, একটুও দয়া করবে না।

৩. কষ্ট হবে, কিন্তু কেউ দেখবে না
হয়তো আপনি রাত জেগে পরিশ্রম করছেন, একা লড়াই করছেন, কাঁদছেন —
কিন্তু কেউ তা দেখবে না।
মানুষ শুধু ফলাফল (result) দেখতে চায়,
আপনার পরিশ্রম (process) নয়।

তাই নীরবে লড়াই করুন, জেতার পর সবাই দেখবেই।

৪. বারবার ক্ষমা চাইলে পিছিয়ে পড়বেন
যদি আপনি সবসময় অজুহাত দেন—
যে, “সময় পাইনি”, “পরিস্থিতি খারাপ ছিল”, “ভাগ্য সহায় ছিল না”—
তাহলে আপনি কখনোই এগোতে পারবেন না।

Victim mindset মানে নিজেকে সবসময় দুর্ভাগা ভাবা — এটা আপনাকে কেবল পিছিয়ে দেবে, কিছুই দেবে না।

৫. আপনিই আপনার একমাত্র ভরসা
কেউ এসে আপনাকে ধাক্কা দিয়ে বলবে না: “উঠে দাঁড়াও!”
কেউ এসে আপনাকে অনুপ্রাণিত করবে না, যদি না আপনি নিজে চেষ্টার আগুন জ্বালান।

আজ আপনি যেখানে আছেন, ১০ বছর পরও সেখানেই থাকবেন — যদি আজই বদলানো শুরু না করেন।

শেষ কথা:
এখনো ভাবছেন, কেউ এসে আপনাকে বাঁচাবে?
না, কেউ আসবে না।
আপনাকেই নিজেকে বাঁচাতে হবে।
নিজের ভিতরের আগুন জ্বালান — কারণ একমাত্র আপনিই পারেন নিজেকে বদলাতে।

#

❤️❤️
29/08/2025

❤️❤️

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉
06/01/2025

Celebrating my 5th year on Facebook. Thank you for your continuing support. I could never have made it without you. 🙏🤗🎉

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Chowdhury’s family posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Chowdhury’s family:

Share