Bappa Review

Bappa Review সিনেমাকে ভালবাসি
সিনেমা নিয়ে কথা বলি

16/07/2026
OMG 😱 হানি রাঘব পুরি এইটা কি বানাচ্ছে রে ভাই, এই পোস্টার জাস্ট 🔥
16/07/2026

OMG 😱

হানি রাঘব পুরি এইটা কি বানাচ্ছে রে ভাই, এই পোস্টার জাস্ট 🔥

😢😢
29/03/2026

😢😢

আজ আমি আলোচনা করবো দম সিনেমাটি নিয়ে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেদওয়ান রনি এবং অভিনয়ে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী, আফরান নিশো ও প...
28/03/2026

আজ আমি আলোচনা করবো দম সিনেমাটি নিয়ে। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন রেদওয়ান রনি এবং অভিনয়ে রয়েছেন চঞ্চল চৌধুরী, আফরান নিশো ও পূজা চেরি।

শুরুতেই যদি গল্প নিয়ে বলি, এখানে আফরান নিশো একটি এনজিওতে চাকরি করেন। সেই সূত্রে তাকে আফগানিস্তানে যেতে হয়। সেখানে গিয়ে তিনি তালেবানদের হাতে আটক হন। এরপর তার জীবন কীভাবে এগোয়, কী কী পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে তাকে যেতে হয় এবং শেষ পর্যন্ত তিনি কীভাবে মুক্তি পান এই পুরো যাত্রাটা জানতে হলে আপনাদের অবশ্যই হলে গিয়ে সিনেমাটি দেখতে হবে।

এবার আসি অভিনয়ের কথায়।
প্রথমেই বলবো আফরান নিশোকে নিয়ে। এক কথায় অনবদ্য। তিনি যে কতটা পরিণত এবং ডেডিকেটেড একজন অভিনেতা, সেটা এই সিনেমায় পরিষ্কারভাবে বোঝা যায়। তার ডায়লগ ডেলিভারি, এক্সপ্রেশন, প্রতিটি দৃশ্যে তার উপস্থিতি—সবকিছুতেই ছিল নিখুঁত পরিশ্রমের ছাপ। কোথাও মনে হয়নি তিনি অভিনয় করছেন; বরং মনে হয়েছে ঘটনাগুলো সত্যিই তার জীবনে ঘটছে। আমার মতে, এটি তার ক্যারিয়ারের অন্যতম সেরা কাজ এবং এই সিনেমার জন্য তিনি জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়ার পুরোপুরি যোগ্য।

পূজা চেরির কথা বললে, তিনি তার জায়গা থেকে ভালো চেষ্টা করেছেন। তবে এমন কোনো অসাধারণ ছাপ রাখতে পারেননি, যেটা আলাদা করে অনেক বেশি হাইলাইট করার মতো।

চঞ্চল চৌধুরীর কথা বললে, তিনি সবসময়ই বড় মাপের অভিনেতা। কিন্তু এই সিনেমায় তার চরিত্রটি যেভাবে লেখা হয়েছে, সেখানে তিনি তার পুরো সম্ভাবনাটা দেখানোর সুযোগ পাননি। মনে হয়েছে, এই চরিত্রে অন্য কেউ হলেও হয়তো একইরকম পারফর্ম করতে পারতো। অর্থাৎ চরিত্রের গভীরতা আর বিল্ডআপটা ঠিকভাবে করা হয়নি।

এছাড়াও আবু হায়াত এবং জাহিদ হাসান ছোট ছোট চরিত্রে ছিলেন। স্ক্রিন টাইম কম হলেও তারা নিজেদের জায়গা থেকে ভালো করার চেষ্টা করেছেন।

এবার গান নিয়ে বলি। সিনেমার গানগুলো বেশ ভালো ছিল। বিশেষ করে ইমরানের গানটি খুবই ভালো লেগেছে, যা ডুয়েল সং হিসেবে এসেছে।

ভিজ্যুয়াল, ডিরেকশন এবং সিনেমাটোগ্রাফি নিয়ে যদি বলি এই জায়গাটা একদম ওয়ার্ল্ড ক্লাস। প্রতিটি দৃশ্য, ক্যামেরা অ্যাঙ্গেল, ফ্রেমিং সবকিছু এত সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে যে, এই সিনেমাকে আপনি সহজেই বলিউড বা হলিউডের সিনেমার সাথে তুলনা করতে পারেন। পরিচালক এবং পুরো টিমকে এই জায়গার জন্য অবশ্যই ধন্যবাদ দিতে হয়।

তবে কিছু খারাপ দিকও আছে।
সিনেমাটি একটি সারভাইভাল থ্রিলার হিসেবে উপস্থাপন করা হলেও, ইমোশনাল জায়গাগুলো ততটা শক্তভাবে কাজ করেনি। নিশোর অভিনয় অসাধারণ হলেও, দর্শক হিসেবে তার কষ্টটা পুরোপুরি অনুভব করা যায় না। এমন কিছু মুহূর্ত ছিল, যেখানে চোখে পানি চলে আসার কথা কিন্তু সেই ইমপ্যাক্টটা পাওয়া যায়নি।

এছাড়া সিনেমার মাঝখানে কিছুটা স্লো পেস থাকার কারণে এঙ্গেজমেন্ট একটু কমে গেছে। গল্পটা ভালো হলেও, পুরোপুরি ধরে রাখতে পারেনি।

চঞ্চল চৌধুরীর চরিত্র নিয়েও একটা সমস্যা আছে। তাকে করাপ্টেড বলা হলেও, সিনেমায় সেই দিকটা ঠিকভাবে দেখানো হয়নি। বরং তাকে বেশিরভাগ সময় ভালো মানুষ হিসেবেই দেখা গেছে। এতে চরিত্রটা পুরোপুরি বিশ্বাসযোগ্য হয়ে ওঠেনি। মনে হয়েছে, হয়তো কিছু দৃশ্য কেটে ফেলা হয়েছে বা সময়ের সীমাবদ্ধতার কারণে পুরোটা দেখানো যায়নি।

সবকিছু মিলিয়ে, কিছু সীমাবদ্ধতা থাকলেও দম একটি খুব ভালো এবং ডেডিকেটেডভাবে তৈরি করা সিনেমা। বিশেষ করে যারা বাংলা সিনেমাকে নতুনভাবে এক্সপেরিয়েন্স করতে চান, তাদের জন্য এটি অবশ্যই হলে গিয়ে দেখার মতো একটি সিনেমা।

ওভারঅল রেটিং: ৪/৫ ⭐

ধন্যবাদ সবাইকে ❤️

🎬🔥

আজকে কথা বলি “রাক্ষস” সিনেমা নিয়ে।গল্পটা শুরু হয় সিয়াম আহমেদকে ঘিরে। প্রভাবশালী পরিবারের ছেলে, কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার...
25/03/2026

আজকে কথা বলি “রাক্ষস” সিনেমা নিয়ে।

গল্পটা শুরু হয় সিয়াম আহমেদকে ঘিরে। প্রভাবশালী পরিবারের ছেলে, কিন্তু ছোটবেলা থেকেই তার মাইন্ডসেটটা খুবই এগ্রেসিভ। রাগ, মারামারি, অস্থিরতা সব মিলিয়ে একদম নিয়ন্ত্রণের বাইরে থাকা একটা চরিত্র। পরিবার চায় সে বদলাক, স্বাভাবিক জীবনে ফিরুক। সেই চেষ্টাতেই তাকে একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রফেসর হিসেবে পাঠানো হয়। কিন্তু সেখানেই প্রশ্নটা তৈরি হয় সে কি সত্যিই নিজের ভেতরের আগ্রাসন থেকে বের হতে পারবে?

অভিনয়ের জায়গায় আসলে সিয়াম আহমেদ এই সিনেমার সবচেয়ে বড় শক্তি। আগে তাকে অনেকেই “চকলেট বয়” বা রোমান্টিক ইমেজে দেখলেও এখানে সে একদম ভিন্ন। তার ডায়লগ ডেলিভারি, বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, অ্যাকশন সিন, ইমোশনাল কন্ট্রোল সব মিলিয়ে বোঝা যায়, সে ধীরে ধীরে কমার্শিয়াল অ্যাকশন হিরো হিসেবে নিজেকে তৈরি করছে।

নায়িকা সুস্মিতা চ্যাটার্জি কিউট এবং স্ক্রিনে প্রেজেন্টেবল, কিন্তু খুব বেশি ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারেননি। মনে হয়েছে, তার চরিত্রটা আরও শক্তিশালীভাবে লেখা যেত। কিছু জায়গায় ডায়লগ ডেলিভারিও ঠিক জমেনি।

ভিলেন হিসেবে সোহেল মন্ডল সত্যিই চমকে দিয়েছেন। তার এক্সপ্রেশন, স্ক্রিন প্রেজেন্স—সবকিছুতেই একটা ভয়ংকর অনুভূতি আছে। এই সিনেমা দেখলে বোঝা যায়, আমাদের ইন্ডাস্ট্রিতে নতুন ভিলেনের জায়গা তৈরি হচ্ছে।

আরেকজন অভিজ্ঞ অভিনেতা সাতাফ ফিগার —তার মতো একজন অভিনেতাকে খুব কম ব্যবহার করা হয়েছে, এটা একটু হতাশার। তার চরিত্রটা আরও ভালোভাবে বিল্ড আপ করা যেত।

টেকনিক্যাল দিক থেকে সিনেমাটা বেশ স্ট্রং। ভিজ্যুয়াল, ক্যামেরা ওয়ার্ক, ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক—সব জায়গাতেই একটা বড় বাজেটের ছাপ আছে। পরিচালক মেহেদী হাসান হৃদয় এখানে একটা বড় ক্যানভাসে কাজ করার চেষ্টা করেছেন, যা চোখে পড়ে।

তবে খারাপ দিকও আছে। কিছু ভিএফএক্স, বিশেষ করে বাঘের দৃশ্যটা একদমই কনভিন্সিং না—বরং একটু হাস্যকর লেগেছে। গল্পটাও খুব বেশি ইউনিক না, অনেকটাই প্রেডিক্টেবল। কিছু ক্যারেক্টার আনা হয়েছে, কিন্তু ঠিকভাবে ব্যবহার করা হয়নি।

শেষের দিকে একটা টুইস্ট আছে, যা ইঙ্গিত দেয় যে হয়তো পরের পার্ট আসতে পারে।

সব মিলিয়ে, “রাক্ষস” একটা ভালো এন্টারটেইনিং সিনেমা। খুব বেশি এক্সপেক্টেশন নিয়ে গেলে হতাশ হতে পারেন, কিন্তু ওয়ান টাইম ওয়াচ হিসেবে ঠিকই উপভোগ করবেন।

⭐ আমার রেটিং: ৩.৫/৫

হলে গিয়ে দেখতে পারেন। সময়টা একদমই খারাপ যাবে না 🙂

#বাংলা_সিনেমা #মুভি_রিভিউ

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Bappa Review posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Bappa Review:

Shortcuts

Share