Pure Voice

Pure Voice ইসলাম, দেশ,মানবতা ও স্বাধীনতার পক্ষে।
হক ও হক্কানিয়াতের পক্ষে আপোষহীন।

প্রকৃতির আঁকা হাসাইগাড়ি বিলের সৌন্দর্য।
11/05/2026

প্রকৃতির আঁকা হাসাইগাড়ি বিলের সৌন্দর্য।

11/05/2026
রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!১. সুদ (Riba):যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারক...
11/05/2026

রিযিক বন্ধ হয়ে যাওয়ার ২০টি গুনাহ!
১. সুদ (Riba):
যে ব্যবস্থার বিরুদ্ধে আল্লাহ নিজেই যুদ্ধ ঘোষণা করেছেন, সেখানে কখনো বারকাহ আসতে পারে না।
📖 রেফারেন্স: সূরা আল-বাকারা ২৭৯ — “আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে যুদ্ধের ঘোষণা।”

২. অকৃতজ্ঞতা:
যে রিযিককে তুমি তুচ্ছ করো, সেটাই ধীরে ধীরে তোমার হাত থেকে ছিনিয়ে নেওয়া হয়।
📖 রেফারেন্স: সূরা ইবরাহীম ৭ — “কৃতজ্ঞ হলে বাড়িয়ে দেব, অকৃতজ্ঞ হলে শাস্তি কঠিন।”

৩. আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করা:
রিযিকের সাথে আত্মীয়তার সম্পর্ক সরাসরি যুক্ত। সম্পর্ক কেটে দিলে রিযিকের দরজা বন্ধ হয়।
📖 হাদিস: “যে রিযিক বাড়াতে চায়, সে যেন আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখে।”
— বুখারি ২৯৮৬

৪. অসততা:
ব্যবসায় মিথ্যা বললে সাময়িক লাভ হতে পারে, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে রিযিক নষ্ট হয়।

৫. প্রতারণা:
কারও হক মেরে খেলে প্রতিটি হা/রাম টাকা জীবনে অভাব ডেকে আনে।
📖 হাদিস: “যে প্রতারণা করে, সে আমার উম্মতের মধ্যে নয়।” — মুসলিম ১০২

৬. সালাত অবহেলা:
আজান–সালাত গুরুত্বহীন মনে করলে রিযিকের বারকাহ কমে যায়।
📖 হাদিস: “রিযিক সালাতে আছে।”
— সহিহ অর্থে বহু বর্ণনায় প্রমাণিত

৭. গীবত:
অন্যের পিঠ পেছনে খারাপ বলা তোমার নিজ জীবনের বারকাহ খেয়ে ফেলে।
📖 সূরা হুজুরাত ১২

৮. অহংকার:
রিযিক উপহার, প্রমাণ নয় যে তুমি শ্রেষ্ঠ।
অহংকার আসমানের দরজা বন্ধ করে দেয়।
📖 হাদিস: “যার অন্তরে অহংকারের অণু পরিমাণ থাকে, সে জান্নাতে যাবে না।”
— মুসলিম ৯১

৯. যাকাত আটকে রাখা:
যাকাত না দিলে সম্পদ অপবিত্র হয়ে যায় এবং ধ্বং/স হতে থাকে।
📖 সূরা তাওবা ৩৪-৩৫

১০. কর্মচারীদের ওপর জুলুম:
যাদের তোমার ওপর কিছুটা অধিকার আছে, তাদের হক না দিলে রিযিক শুকিয়ে যায়।
📖 হাদিস: “মজদুরের মজুরি ঘাম শুকানোর আগেই পরিশোধ করো।”
— ইবন মাজাহ ২৪৪৩

১১. বেচাকেনায় প্রতারণা বা জিনিসের দোষ লুকানো:
এতে সম্পদের বারকাহ সম্পূর্ণ তুলে নেওয়া হয়।

১২. লোভ:
যে শুধু আরও আরও চায় কিন্তু আলহামদুলিল্লাহ বলে না—সে শেষ পর্যন্ত কম পায়।
📖 হাদিস: “মানুষের মন যদি দুই পাহাড় ভরা সম্পদ পায়, তবুও সে তৃতীয়টি চাইবে।”
— বুখারি ৬৪৩৯

১৩. বাবা–মাকে অবহেলা:
তোমার রিযিক তাদের দোয়া বা অভিশাপের সাথে জড়িত।
📖 হাদিস: “রিযিক ও আয়ু বাড়ে বাবা-মাকে সন্তুষ্ট রাখলে।”
— মুসলিম (হাসান সনদে বহু রেওয়ায়েতে প্রমাণিত)

১৪. জুলুম করে সম্পদ অর্জন:
জুলুমের সম্পদে কোনো বারকাহ নেই, বরং ধ্বং/স ডেকে আনে।

১৫. সদকা অবহেলা:
সদকা কখনো সম্পদ কমায় না, বরং বাড়ায়।
📖 হাদিস: “সদকা সম্পদ কমায় না।”
— মুসলিম ২৫৮৮

১৬. হিংসা:
অন্যের রিযিক দেখে মন খারাপ করা নিজের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

১৭. নারীদের ও বাচ্চাদের প্রতি জুলুম:
যাদের যত্নের অধিকার সবচেয়ে বেশি, তাদের প্রতি অন্যায় করলে রিযিক উঠে যায়।

১৮. মিথ্যা কসম খাওয়া:
টাকা বা ব্যবসার জন্য মিথ্যা শপথ বারকাহ পুড়িয়ে ফেলে।
📖 বুখারি ২০৮৭

১৯. অলসতা:
রিযিক চেষ্টা করা মানুষের কাছে আসে।
যারা চেষ্টা করে না, ভাগ্যও দরজা খোলে না।

২০. তাকদির নিয়ে অসন্তুষ্টি:
আল্লাহর সিদ্ধান্ত নিয়ে অভিযোগ করা ভবিষ্যতের রিযিকের দরজা বন্ধ করে দেয়।

📖 হাদিস: “আল্লাহ্‌র সিদ্ধান্তে সন্তুষ্ট থাকলে সে হৃদয়কে পরিপূর্ণ করেন।”
— তিরমিজি ২৫১০
📌
─পোস্টটি ভালো লাগলে অন্যদের সাথে #শেয়ার করুণ!প্লিজ

আবুল খায়ের  মাত্র ১৭ বছর বয়সে জীবিকার খোঁজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন নোয়াখালীর অজপাড়াগাঁ থেকে। সময়কাল ছিলো ১৯৪৬ সাল। চট্টগ্রা...
09/05/2026

আবুল খায়ের
মাত্র ১৭ বছর বয়সে জীবিকার খোঁজে চট্টগ্রামে এসেছিলেন নোয়াখালীর অজপাড়াগাঁ থেকে। সময়কাল ছিলো ১৯৪৬ সাল। চট্টগ্রামে এসে প্রথমেই কাজ নিয়েছিলেন গাফফার সাহেব নামের এক লোকের মুদির দোকানে। মাস শেষে যা বেতন পেতেন,
খরচের জন্য রেখে বাকিটা বাড়িতে পাঠিয়ে দিতেন। চাকরি তো করছিলেন ঠিক! তবে তার স্বপ্ন ছিলো অনেকদূর! চাকরি ছেড়ে দিয়েছিলেন ৪ বছরের মাথায়। কারণ দোকানে চাকরি করার সময়ে তিনি স্বপ্ন দেখতেন নিজের একটা দোকান করার। তাই সেকথা জানালেন বাবাকে। তাঁর বাবা ছেলের আশা পূরণের জন্য গ্রামে জমি বেচে ছেলের হাতে কিছু টাকা তুলে দেন।
তারপর সামান্য পুঁজি নিয়েই ১৯৫০-৫১ সালের দিকে শুরু করেন মনিহারি পণ্যের ব্যবসা। সেসময় ব্যবসা বেশ জমে উঠলো চট্টগ্রামে আগত হজ্বযাত্রীদের সুবাদে। কারণ পাহাড়তলীতে তখন হজ ক্যাম্প চালু ছিলো বলে হাজিরা ক্যাম্প থেকে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে জাহাজে করে হজ করার জন্য সৌদি আরব যেতেন। হাজিদের আনাগোনায় দুই বছরে দোকানের ব্যবসায় বেশ লাভ হয়। তবে তাঁর স্বপ্ন ছিল আরও বড়। আবারও ভূত চাপলো অন্য ব্যবসার।
১৯৫৩ সাল। মাত্র দু’জন কর্মচারী নিয়ে চট্টগ্রামের পাহাড়তলী বাজারেই আবুল খায়ের শুরু করলেন বিড়ির কারখানা। আবার সেই বিড়ি বিক্রি করতেন আবুল খায়ের নিজেই। নাম দেন "৪২ নং আবুল বিড়ি" শুরুতে টেন্ডু পাতা দিয়ে বিড়ি বানানো হতো। আরও পরে কুম্ভ পাতা দিয়ে শুরু হয় বিড়ি বানানো। সেসময় পাতা সেদ্ধ করে একটু নরম হলে তামাক মুড়িয়ে বিড়ি বানানো হতো।
রংপুরের কাউনিয়া উপজেলায় হারাগাছ থেকে তামাকপাতা সংগ্রহ করতেন তিনি। পরে সেখানেও প্রক্রিয়াজাত কারখানা গড়ে তোলেন। এরপরের ধাপে বিড়ি বানাতেন কাগজ দিয়ে। ততোদিনে বিড়ির ব্যবসা জমে ওঠে। ধীরে ধীরে চট্টগ্রাম ছাড়িয়ে ফেনীর পাঁচগাছি,নোয়াখালীর চৌমুহনী ও কুমিল্লার লাকসামেও বিড়ির কারখানা দেন।
বিড়ির কারখানার পাশাপাশি আবুল খায়ের সে সময়ে ইটভাটাও গড়ে তোলেন। ১৯৬৪ সালে জমি কিনে সীতাকুণ্ডের মাদামবিবির হাট এলাকায় ইটভাটা গড়ে তুলেছিলেন। কিন্তু দুই-তিন বছর পার হতেই সেই ইটভাটা বন্ধ করে দেন। পরে চট্টগ্রাম খুলশীতে মুরগি ফার্মের কাছে ৪৫ একর জমি কিনে একটা ইটভাটা দেন,যা ২০০৭ সাল পর্যন্ত চালু ছিলো।
এসব ব্যবসায়ের পাশাপাশি আমদানি ব্যবসায়েও ঝোঁক ছিলো আবুল খায়েরের। সাল তখন ১৯৬৫ সাল। সেসময়ে আমদানি বাণিজ্যে অবাঙালিদের দাপট ছিলো অত্যন্ত। তবু দমে যান নি। বেশ সাহস নিয়েই খাতুনগঞ্জের কাছেই জেল রোডে পণ্য–বাণিজ্যের ব্যবসায় বিনিয়োগ করে একটা প্রতিষ্ঠান খুলেন তিনি। প্রতিষ্ঠানটিতে শুরুতে ৪২ নং আবুল বিড়ি বিক্রি হতো। চট্টগ্রামের বিভিন্ন উপজেলা থেকে ক্রেতারা পাইকারি দরে বিড়ি নিয়ে যেতেন। এভাবে আস্তে আস্তে বিড়ির সরঞ্জামও বিক্রি শুরু হয়। বাড়তে থাকে ব্যবসা ও ব্যবসায়ে ব্যস্ততা। এখনো আবুল খায়ের গ্রুপের আমদানি বাণিজ্য পরিচালনা করা হয় পুরোনো এই ভবন থেকে।
১৯৬৮ সালে চট্টগ্রাম পাহাড়তলী বাজারের কাছে জমি কিনে লুঙ্গি কারখানা করেন। নাম দেন "শিশমহল" সে সময় শিশমহল লুঙ্গি খুব জনপ্রিয় ছিল। তবে ১৯৭৩ সালে সুতার অভাবে লুঙ্গির কারখানা বন্ধ করে দিতে বাধ্য হন।
দেশ স্বাধীনের পরে ১৯৭৪ সালে নোয়াখালীর চৌমুহনীতে সিনেমা হলে বিনিয়োগ করেন। রূপভারতী নামের সেই সিনেমা হল ২০০৩ সাল পর্যন্ত চালু ছিল। তবে আবুল খায়েরের কনিষ্ঠ সন্তান শাহ্ রফিকুল ইসলামের (টিটু) মৃত্যুর পরদিনই পারিবারিক সিদ্ধান্তে সিনেমা হল ব্যবসা বন্ধ করে দেওয়া হয়।
সময় গড়ালো। ততোদিনে নতুন নতুন ব্যবসায় গড়া কিংবা বিনিয়োগ করা আবুল খায়ের এর নেশা হয়ে উঠেছিলো। ধীরে ধীরে ইস্পাতের পাত_সিমেন্ট_
নারকেল তেল_গুঁড়ো দুধ_সিগারেটের কাগজ আমদানির ব্যবসায় যুক্ত হন তিনি।
জানা যায়,১৯২৯ সালে ব্রিটিশ আমলে নোয়াখালীর বেগমগঞ্জের নাটেশ্বর গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আবুল খায়ের। তার বাবা ছিলেন সেরাজুল হক। তিন সন্তানের মধ্যে মেজ সন্তান ছিলেন আবুল খায়ের। নানান ব্যবসায়ে অভাবনীয় সাফল্য পাওয়া আবুল খায়ের ছিলেন ক্ষণজন্মা। অল্প বয়সে ডায়াবেটিস দানা বাঁধে শরীরে। তবু আবুল খায়ের দমে যান নি। চট্টগ্রামের সাগরিকায় টেক্সটাইল কারখানা করার জন্য আবেদন করেছিলেন। সে সময় ধীরে ধীরে বেসরকারীকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছিল। উদ্যোক্তারা শিল্প খাতে পা রাখতে শুরু করেছিলেন। তবে বড় স্বপ্ন পূরণ হওয়ার আগেই মাত্র ৪৯ বছর বয়সে ১৯৭৮ সালের ৪ ফেব্রুয়ারি মৃত্যুবরণ করেন আবুল খায়ের। তবে তার ছেলেরা পরবর্তীতে তার ব্যবসায়ের ধারাবাহিকতা বজায় রাখে সাফল্যের সাথে।
মৃত্যুর আগে আবুল খায়ের যেন উত্তরসূরিদের জন্য উদ্যোক্তা হওয়ার বীজ বুনে গিয়েছিলেন। তাঁর সন্তানেরা সেখান থেকে কঠোর পরিশ্রমে আবুল খায়ের গ্রুপকে নিয়ে গেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্প গ্রুপে। আবুল খায়ের গ্রুপ বর্তমানে শিল্পের অনেক খাতেই নেতৃত্ব দিচ্ছে। বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রতিষ্ঠান ইন্টারন্যাশনাল ফিন্যান্স করপোরেশন (আইএফসি) বাংলাদেশের বেসরকারি খাত নিয়ে ২০২০ সালের প্রতিবেদন অনুযায়ী আয়ের দিক থেকে নেতৃত্ব দিচ্ছে এমন ২৩টি কোম্পানির তালিকা প্রকাশ করা হয়। সেই তালিকায় এক নম্বরে রয়েছে আবুল খায়ের গ্রুপ। ওই প্রতিবেদনে যাদের বার্ষিক আয় দেখানো হয় ১৭০ কোটি মার্কিন ডলার বা প্রায় সাড়ে ১৪ হাজার কোটি টাকা। যদিও এখন গ্রুপটির বার্ষিক আয় আরও অনেক বেশি।
বর্তমানে দেশের সবচেয়ে বড় সিমেন্ট কারখানা শাহ সিমেন্ট আবুল খায়ের গ্রুপের। ঢেউটিনের বাজারেও তারা শীর্ষে আছে গরু মার্কা ঢেউটিন ব্র্যান্ড নিয়ে। আবার রডের বাজারে একেএস ব্র্যান্ডের অবস্থান দ্বিতীয়। দ্রুততম সময়ে স্যানিটারি পণ্যে শীর্ষস্থান অর্জন করেছে তাদের ব্র্যান্ড স্টেলা। মার্কস ব্র্যান্ডের গুঁড়ো দুধসহ অনেক খাদ্যপণ্যে শীর্ষ অবস্থানটি তাদের। তাদের চায়ের ব্র্যান্ড সিলন বাজারে দ্বিতীয় অবস্থানে।

With Rukn Enam Luban – I just got recognised as one of their top fans! 🎉
27/04/2026

With Rukn Enam Luban – I just got recognised as one of their top fans! 🎉

কওমি সনদের স্বীকৃতি: পাকিস্তানে পূর্ণ বাস্তবায়ন, বাংলাদেশে কতদূর?বর্তমান বিশ্বে শিক্ষার স্বীকৃতি (Recognition) একটি অত্য...
27/04/2026

কওমি সনদের স্বীকৃতি: পাকিস্তানে পূর্ণ বাস্তবায়ন, বাংলাদেশে কতদূর?

বর্তমান বিশ্বে শিক্ষার স্বীকৃতি (Recognition) একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। বিশেষ করে কওমি মাদরাসা শিক্ষার্থীদের জন্য এটি দীর্ঘদিনের একটি দাবি ছিল। পাকিস্তান এ ক্ষেত্রে একটি বাস্তবসম্মত ও কার্যকর মডেল দাঁড় করাতে সক্ষম হয়েছে, যেখানে দ্বীনি শিক্ষার স্বকীয়তা বজায় রেখেই রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি নিশ্চিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, বাংলাদেশে এই প্রক্রিয়া আংশিকভাবে শুরু হলেও এখনও পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন হয়নি।

🔹 পাকিস্তানের মডেল: স্তরভিত্তিক স্বীকৃতি
পাকিস্তানে Wifaq ul Madaris Al Arabia সহ বিভিন্ন বোর্ডের অধীনে কওমি শিক্ষার প্রতিটি স্তরের সাথে সাধারণ শিক্ষার সমমান নির্ধারণ করা হয়েছে।

الثانوية العامة (হেদায়াতুন নাহু স্তর):
➤ সমমান: ম্যাট্রিক (SSC)
الثانوية الخاصة (শারহে বেকায়া স্তর):
➤ সমমান: FA / IA (ইন্টারমিডিয়েট)
الدرجة العالية (জালালাইন স্তর):
➤ সমমান: ডিগ্রি (Bachelor)
الدرجة العالمية (দাওরায়ে হাদিস):
➤ সমমান: মাস্টার্স (MA in Islamic Studies/Arabic)
➤ স্বীকৃতি প্রদান করে Higher Education Commission

এছাড়া, শিক্ষার্থীরা চাইলে সরকারি শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে তাদের সনদ ইংরেজিতে attestation করাতে পারে, যা আন্তর্জাতিকভাবে গ্রহণযোগ্য।

🔹 আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় সুযোগ
এই স্বীকৃতির ফলে পাকিস্তানের মাদরাসা শিক্ষার্থীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্বনামধন্য ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে উচ্চশিক্ষা গ্রহণ করতে পারছে, যেমন—
Islamic University of Madinah
Umm al-Qura University
Al-Azhar University
এমনকি তারা সাধারণ বিশ্ববিদ্যালয়েও ভর্তি হয়ে গবেষণা ও ডক্টরেট ডিগ্রি অর্জন করছে।

🔹 বাংলাদেশে বর্তমান অবস্থা
বাংলাদেশে কওমি মাদরাসা শিক্ষার সর্বোচ্চ স্তর (দাওরায়ে হাদিস) সরকারিভাবে স্বীকৃতি পেলেও, নিচের স্তরগুলো—SSC, HSC বা ডিগ্রি পর্যায়ের সমমান—এখনও পূর্ণাঙ্গভাবে নির্ধারিত হয়নি। ফলে:
শিক্ষার্থীদের অনেক ক্ষেত্রে আলাদা করে সাধারণ শিক্ষার সার্টিফিকেট অর্জন করতে হয়
আন্তর্জাতিক উচ্চশিক্ষায় যেতে অতিরিক্ত জটিলতা তৈরি হয়

🔹 কেন এই স্বীকৃতি প্রয়োজন?
১. শিক্ষার সমতা নিশ্চিত করা
২. উচ্চশিক্ষার সুযোগ বৃদ্ধি
৩. রাষ্ট্র পরিচালনায় অংশগ্রহণ
৪. দ্বীনি ও দুনিয়াবি জ্ঞানের সমন্বয়
একজন আলেম যদি রাষ্ট্রের বিচারক, প্রশাসক বা নীতিনির্ধারক হতে চান, তবে তার জন্য এই স্বীকৃতি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

🔹 ভবিষ্যৎ ভাবনা: বাস্তবতা ও দৃষ্টিভঙ্গি
এটি সত্য যে ইসলামের শিক্ষা বিশ্বব্যাপী ছড়িয়ে পড়ছে এবং মুসলিম সমাজের ভূমিকা ক্রমশ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে। তবে একটি কার্যকর সমাজ গঠনের জন্য প্রয়োজন—
বাস্তবভিত্তিক পরিকল্পনা
শিক্ষার মান উন্নয়ন
আন্তর্জাতিক মানদণ্ডের সাথে সামঞ্জস্য
শুধু স্বপ্ন নয়, বরং পরিকল্পিত উদ্যোগই এই পরিবর্তনকে সম্ভব করতে পারে।

19/04/2026

24K likes, 251 comments. "সন্তানের ব্রেইন নিয়ে অসাধারণ আলোচনা করলেন ডা.নোবেল "

Address

Chittagong
4212

Telephone

+8801833947755

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Pure Voice posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share