PALI BOOKS Society

PALI BOOKS Society "Pali Book Society" was founded by the late Ajit Baran Barua. AB FOUNDATION has decided to start the publications in a new way.

The Pali Book Society, a well-known book publishing world in the seventies and eighties.

01/08/2026

এক বড় ভাইয়ের করুণ দীর্ঘ নিঃশ্বাস
---------------------------------
অভিজিৎ বড়ুয়া অভি
----------------------
সিপিং সংক্রান্ত একটা কাজে আমার স্টাফরা বুঝচ্ছে না। অফিসে বসে ভাবছি। একজনের কথা মনে পড়লো। ফোন করে আগ্রাবাদ অফিসে আসতে বললাম।

ভদ্রলোক ১টার নাগাদ এলো। সমস্যার বিষয়টি আমার কর্মচারীদের বুঝিয়ে দিলো। দেখলাম খুবই উস্কখুস্ক, সার্ট ময়লা। এলোমেলো চুল। ক্লান্ত ও বিধ্বস্ত।
কাজের মাঝে সিগারেট এগিয়ে দিলাম। ভদ্রলোক সিগারেট জ্বালিয়ে খুব দীর্ঘ এক টান দিলেন।
আমি হেসে বললাম, "এতো দীর্ঘ নিঃশ্বাস কেন ভাই" ।
খুবই শূন্য দৃষ্টিতে তাকালো। বললাম, "দুপুরের খাওয়া হয়েছে। "

ভদ্রলোক চুপ করে থাকলো। বুঝলাম। বললাম, "চলেন খেতে। আপনি আমার উপকার করলেন একবেলা দাওয়াত আপনা পাওনা হয়েছে।"

আগ্রবাদ বাঙ্গালীয়ানা হোটেল আমার খুবই প্রিয়। অনেক প্রকার ভর্তা পাওয়া যায়। বিভিন্ন ভর্তা, ডাল, সব্জি, মাংস আনালাম।
ভদ্রলোক খুবই আন্তরিক ভাবে জিজ্ঞেস করলো, এতো খাবার কেন। বললাম, "খান। আমিতো তেমন খাইনা। খাওয়াতে আপত্তি কোথায়।"
ভদ্রলোক দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেললেন। আমি বললাম, "ভাই আপনার এই ঘন ঘন দীর্ঘ নিঃশ্বাস আমার খুবই অপছন্দের। এর কারণ কি?"

কিছুক্ষণ চুপ থেকে ভদ্রলোক বললেন, " আপনিতো জানেন আমার স্ত্রী মারা গেছে। এরপর থেকে ছোট ভাইয়ের সাথে থাকি। কিন্ত সংসার খরচ কম দি, বেশী খাই ইত্যাদির নানা অভিযোগ। শশুড়বাড়ির থেকে আম পাঠিয়েছিল, একদিন পেয়েছি, আর চোখে দেখিনি। বিভিন্ন প্রকার মাছ কিনেছি, একদিন এক পিস পেয়েছি। মা জীবিত থাকতে, মাছের মাথা আমাকে তুলে দিতেন। তা আর এখন ঝুটে না।"

আমি হাসলাম। বললাম, "খুবই ভাল গল্প, আমার নতুন উপন্যাসে যোগ করবো। এক অপদার্থ এর জীবন কাহিনী।"

ভদ্রলোক আমার মুখের দিকে তাকালো, বললো, "এই ছোট ভাইয়ের বিয়ে কথা চলছে, মা এসে বললো। আমার ছোট চাকরী। কেউ জানতে চাইলো না টাকা কিভাবে জোগান হবে। ধার করে দিলাম। এরপর তার জীবনে সমস্যার শেষ নেই। টাকা দাও টাকা দাও। কত কষ্ট করে টাকা তাকে দিয়েছি। আর এখন আমি তার বোঝা।"
আমি উচ্চস্বরে হাসলাম। পাশের মানুষ জন তাকালো। সংযত হয়ে বললাম, "আসলেই আপনি খুবই বড় অপদার্থ।'

ভদ্রলোক আবার বললো, 'ছোট বোনের বিয়ে। আমার কাছে টাকা নেই। কেউকি তা শুনবে। জমানো সব টাকা তুলে দিলাম। জামাই বিদায়, জাপানি সুট লাগবে। অফিসে কত বিনয় কাকুতি করে সেই টাকা জোগান দিলাম। ভাবলাম বৃদ্ধ বয়সে এরা আমাকে আশ্রয় দেবে।আর সেই বোন এখন বলে, আমার জন্য নাকি তার শশুড়বাড়িতে সন্মান নষ্ট হয়।"

আমি হাসলাম। বললাম, " সন্তান, ভাইবোন দুই ধরণের হয়। কেউ হয় দ্বায়িত্ব বোধ ও ভালোবাসার। আর কেউ হয় জানোয়ার শ্রেণীর। আপনার ভাইবোন জানোয়ার শ্রেণীর। এখন আপনি প্রকৃত ভাইবোনে আর জানোয়ার এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারেন নি। তাই আপনি বড় অপদার্থ। বর্তমান এই ভোগের মিথ্যাচারের দুনিয়ায় সৎ উদার ভালোবাসার কোন মূল্য নেই। কোন ধর্ম নেই। বিচার নেই। এই জানোয়ার ভাইবোনের সঙ্গী হয় আত্মীয়সজন। এই এক শেয়াল ডাক দেয় হুক্কা হুয়া, বাকী শেয়াল বলে কেয়া হুয়া।"

আমি আরো বললাম, "আপনি যেহেতু অপদার্থ অকর্মণ্য বোকা, নিজের ভাল বুঝেন না, তাই আপনার উপর যা হয়েছে, তা আপনার কর্মফল। উচিত ছিল নিজের স্বার্থ দেখা। জানোয়ারদের জন্য সর্বস্ব দিয়ে নিঃস্ব হয়ে এখন দীর্ঘ নিঃশ্বাস ফেলছেন।"

বললাম, "এই ঠিকানা আর ফোন নং এ ফোন করবেন।ওরা আমার স্টাফ। ওরা মেস করে থাকে। আপনিও ওদের সাথেই থাকেন। ছোট ভাই আর ভাইয়ের বউ এর কাছে অপমানিত আর অসন্মান পাওয়ার চেয়ে ভাল।"

খাওয়ার পর গাড়িতে উঠে বসলাম। ভদ্রলোক গাড়ি দেখে বললো, "আপনার গাড়ি খুবই বড়।'

আমি হেসে বললাম, 'আমি স্বার্থ বুঝি। এই ভোগবাদীতার সমাজ, পরিবার, সন্তান, ভাইবোন, আত্মীয় রূপি জানোয়াদের ভালো বুঝি। তাই নিজের চিন্তা আগে করি। সবাই অভিযোগ আমি স্বার্থ বুঝি। আপনার মতন অকর্মণ্য অপদার্থ হবার চেয়ে নিজের ভাল নিজে বুঝা উত্তম। "

এখন কোন ধর্ম নেই। ঈশ্বরের কোন বিচার নেই। অধর্ম এখন ধর্ম। বদমাইশ লম্পট মদখোর দুর্বৃত্ত ঘুষখোর এখন চারিদিকে। সন্তান ভাইবোন আত্মীয় ব্যবসার অংশীদার এখন প্রতারক। এরাই পরিবার সমাজ সংগঠনের রাষ্ট্রের নায়ক।

এখন সুখে সম্পদশালী হয়ে ভাল থাকতে হলে বদমাইশ বা দুর্বৃত্ত বা ঘুষখোর দুর্নীতিবাজ হতে হবে।

23/07/2026

ভাইবোন পরিবার সন্তানদের জন্য তাঁরা নিজেদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দেন, তাদের কাছ থেকেই একদিন অবহেলা, উপেক্ষা ও তিরস্কার সহ্য করতে হয়। নিঃসঙ্গতা তখন তাদের হৃদয়কে ভেঙে দেয়। ভোগ লোভ লালসায় এই অন্ধ ভাইবোন পরিবার সন্তানদের জন্য আপনার নিশ্চুপ নীরবতা দুরত্বই আপনার জন্য প্রশান্তি।

বৌদ্ধধর্মে আছে এর থেকে মুক্ত হয়ে শান্তির বার্তা।
--------------------------
জীবনে ভাইবোন, প্রিয়জন, সন্তান কিংবা আপন মানুষদের কাছ থেকে অবহেলা, পরিবর্তন বা প্রত্যাখ্যান আসতে পারে। তখন আমরা কি দোষারোপ, ক্ষোভ ও প্রতিশোধের আগুনে নিজের মনকে জ্বালিয়ে দেব? নাকি উপলব্ধি করব— এটাই সংসারের স্বভাব, এবং ধর্মের আলোয় নিজের মনকে রক্ষা করব।

আমরা অন্য মানুষের মন পরিবর্তন করতে পারি না। কিন্তু তাদের আচরণের মুখোমুখি হয়েও অবিচল থাকার শক্তি অর্জন করতে পারি। সেই অতুলনীয় মানসিক মুক্তি, সেই মহৎ অন্তর্দৃষ্টি এবং সেই লোকোত্তর মনোবিজ্ঞান বৌদ্ধধর্মের মধ্যেই নিহিত।

বৌদ্ধধর্মে বহুপুত্তিকা থেরী দেখিয়েছেন “হতাশাকে” “মুক্তির প্রজ্ঞায়” রূপান্তরিত করার এক অনন্য জীবনপাঠ।

“সারাটা জীবন যেন ঋণ শোধ করার মতো করেই ভাইবোন সন্তানদের মানুষ করেছি। অথচ জীবনের শেষ প্রান্তে এসে আমার হাতে রইল শুধু শূন্যতা...”

আজকের সমাজে অসংখ্য দ্বায়িত্ববান ভাই বা মা-বাবার জীবনের শেষ অধ্যায়টি এভাবেই লেখা হয়। যে বা যাদের জন্য তাঁরা নিজেদের সুখ-স্বাচ্ছন্দ্য বিসর্জন দেন, তাদের কাছ থেকেই একদিন অবহেলা, উপেক্ষা ও তিরস্কার সহ্য করতে হয়।

বার্ধক্যের নিঃসঙ্গতা তখন তাদের হৃদয়কে ভেঙে দেয় ঝড়ে উপড়ে পড়া মহীরুহের মতো।

জীবনের সমস্ত সঞ্চয়, শ্রম ও ভালোবাসা সন্তানদের জন্য উৎসর্গ করার পর যখন প্রতিদানে মেলে প্রত্যাখ্যান, তখন একজন সাধারণ মানুষের মন ভেঙে পড়া মোটেও বিস্ময়ের নয়।

কিন্তু আজ থেকে প্রায় আড়াই হাজার বছর আগে শ্রাবস্তী নগরে বসবাসকারী এক মহীয়সী নারী এই ভয়াবহ মানসিক বিপর্যয়কে জয় করেছিলেন। তাঁর নাম বহুপুত্তিকা উপাসিকা যিনি পরবর্তীকালে বহুপুত্তিকা আরহন্তী থেরী নামে অমর হয়ে আছেন।

চৌদ্দজন সন্তান তাঁকে কার্যত ঘরছাড়া করেছিল। অথচ সেই অসহনীয় দুঃখকেই তিনি মুক্তির সোপানে পরিণত করেছিলেন।

মনোবৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ ও বৌদ্ধধর্মের গভীর অন্তর্দৃষ্টি:-

বহুপুত্তিকা ভিন্ন পথ বেছে নিয়েছিলেন। তিনি নিঃশব্দে নিজের মনকে প্রশ্ন করেছিলেন—

“সমানভাবে সম্পদ বণ্টন করলেও মানুষের মন কখনো তৃপ্ত হয় না। কলুষে আচ্ছন্ন এই সংসারের স্বভাবই এমন। এটি আমার সন্তানদের ব্যক্তিগত দোষ নয়; এটি কিলেসে আবদ্ধ জীবনের স্বাভাবিক পরিণতি। আমি যদি ধর্ম না জানতাম, তবে তাদের এই আচরণে রাগ না করে থাকা আমার পক্ষে অসম্ভব হতো।”

বৌদ্ধধর্মে যাকে বলা হয় ‘যোনিসো মনসিকার’— প্রজ্ঞার আলোয় বিষয়কে গভীরভাবে অনুধাবন করা। তিনি ঘটনাটিকে ব্যক্তিগত অপমান হিসেবে দেখেননি। “আমার সন্তানরা আমাকে কষ্ট দিয়েছে”— এই সীমাবদ্ধ চিন্তার পরিবর্তে তিনি উপলব্ধি করেছিলেন— “কিলেসে আবদ্ধ জগতের মানুষ এমনই আচরণ করে।”

তিনি সন্তানদের দ্বারে দ্বারে ঘোরা বন্ধ করে ভিক্ষুণী সংঘে প্রবেশ করলেন। বার্ধক্যের ভারে ন্যুব্জ শরীর হলেও হৃদয়ে তিনি কোনো বিদ্বেষ, ক্ষোভ বা প্রতিশোধের আগুন জ্বালিয়ে রাখেননি। গভীর রাতে পা পিছলে পড়ে যাওয়ার আশঙ্কায় কখনো স্তম্ভ, কখনো বৃক্ষ আঁকড়ে ধরে তিনি চঙ্ক্রমণ করতেন এবং নিরলসভাবে বিদর্শনা ভাবনা চর্চা করতেন।

তিনি বুঝেছিলেন— বাইরের জগতকে নিজের ইচ্ছামতো গড়ে তোলা সম্ভব নয়, কিন্তু নিজের অন্তর্জগতকে পরিশুদ্ধ করা সম্ভব।

একদিন সমস্ত সংস্কারের অনিত্যতা গভীরভাবে উপলব্ধি করতে করতে তিনি এমন এক অবস্থায় উপনীত হলেন, যখন ভগবান বুদ্ধ তাঁর প্রতি আলোকরশ্মি বিস্তার করে এই অমৃতবাণী উচ্চারণ করলেন—

যো চে বস্সসতং জীবে – অপস্সং ধম্মমুত্তমং
একাহং জীবিতং সেয়্যো – পস্সতো ধম্মমুত্তমং

(যে ব্যক্তি উত্তম লোকোত্তর ধর্ম উপলব্ধি না করে একশ বছর বেঁচে থাকে, তার চেয়ে শ্রেয় সেই ব্যক্তি, যে একদিন হলেও সেই মহৎ ধর্মকে প্রত্যক্ষ করে জীবনযাপন করে।)

তথ্যসূত্রঃ Isanka Nadeeshan
Post :- Buddha Gyan
সূত্র: খুদ্দক নিকায়, ধম্মপদট্ঠকথা, সাহস্স বর্গ (বহুপুত্তিকা থেরী বত্থু)।

আজ ১০\০৭\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার উপ সম্পাদকীয় কলামে প্রকাশিত আমার প্রবন্ধ, 'ভূ-রাজনীতির চাপের মুখে ...
09/07/2026

আজ ১০\০৭\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক খোলা কাগজ পত্রিকার উপ সম্পাদকীয় কলামে প্রকাশিত আমার প্রবন্ধ, 'ভূ-রাজনীতির চাপের মুখে বাংলাদেশ।'

04/07/2026
01/07/2026

গোতম বুধস তথাগতের ধম্ম আসলে কি?
--------------------------
অভিজিৎ বড়ুয়া অভি
-------------
শাক্যসিংহ শাক্যবীর গোতম বুধস তথাগতের ধম্ম, কোনো শিক্ষা, দর্শন, মতাদর্শ নতুন কোন ধর্ম নয় তা দুঃখ মুক্তির, কর্মবিপাক মার্গ ধম্ম।

বুধস একটি পদ্ধতি, একটি পথ—এমন কিছু নন যা আমরা বিশ্বাস বা পূজা করি, বরং এমন কিছু যা আমরা হয়ে উঠি।

কেবল তখনই তিনি প্রকৃত অর্থে সম্মানিত হন, কারণ তাঁর একমাত্র উদ্দেশ্য ছিল যে, মানুষ যেন সেই অনুযায়ী জীবনযাপন করে, দুঃখ হতে মুক্তি লাভ করে।

বুধস তথাগতের আর্য অষ্টাংগিক মার্গ একজন মানুষের জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রেই গুরুত্বপূর্ণ।

বুধস তথাগতের শূন্যতাবাদ, প্রতীত্যসমুৎপাদ প্রকৃতির সকল চক্রের ব্যখ্যা দেয়।

বুধস তথাগতের পূজা , মূর্তি নির্মাণ আর আচার অনুষ্ঠান পালনে তার ধম্ম অনুসরণ সম্ভব নয়। বরং শীল পালন, বিদর্শন ভাবনা, দুঃখ মুক্তির পথ, আর্য অষ্টাংগিক মার্গ তার ধম্ম অনুসরণ পালন।

সুতরাং ধান্দাবাজ পুরোহিত, বিহার কমিটি, ভণ্ড পণ্ডিত, জঙ্গলে থেকে এসে মঙ্গলকারী মার্গ লাভী লোভী, বিহার নির্মাণকারী ইঞ্জিনিয়র পুরোহিত, মাইক্রোক্রেডিট কোপারেটিভ সোসাইটির ভন্ড পুরোহিত, সংগঠনের নেতৃত্বের নামে একদল শয়তান লম্পট মদখোরের আত্মচিৎকার, তান্ত্রিক পুরোহিত দ্বারা পথভ্রষ্ট হবেন না।

বরং শীল পালন করুন, বিদর্শন ভাবনা করুণ, চতুরার্য্য সত্য মূল কারণ বুঝুন, আর্য অষ্টাংগিক মার্গ পথ অনুসরণ করুণ।

জীবন হবে সুন্দর, পবিত্র। কর্ম বিপাক চূর্ণ হবে। মুক্তির পথ নির্বাণ লাভ হবে।

আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন ...
27/06/2026

আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি'
আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি'

https://www.sharebiz.net/daily/news/177659

আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন ...
27/06/2026

আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি'
আজ ২৮\০৬\২০২৬ ইং তাং জাতীয় দৈনিক শেয়ার ব্রীজ পত্রিকায় প্রকাশিত উপ সম্পাদকীয় কলামে আমার প্রবন্ধ, "প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর, বাস্তবতা, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি'

​​​​​​​প্রথম বিদেশ সফরের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের চীনকে বেছে নেওয়া খুবই গুরুত্ববহ। প্রথম বিদেশ সফরের ম...

25/06/2026

পিতা বা দায়িত্ববান তার কষ্টার্জিত ধন ব্যয় করে সন্তান বা ভাইবোনদের বিয়ে দেয়।তাদের সুখের জন্য।আফসোস সে পিতার যখন হয় অসন্মান।

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PALI BOOKS Society posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to PALI BOOKS Society:

Shortcuts

Share

Category