Smart Marketing Hub

Smart Marketing Hub Hi, I am a Digital Marketer. I can promote your business on social media. so that your business will be successful in the marketplace.

I will be your social marketer.

Eid Collection Panjabiফেব্রিক্সঃ সফট কটন।এমব্রয়ডারি এন্ড সিকুয়েন্স কাজ করা।ট্রেন্ডি এবং রুচি সম্মত ডিজাইন।100% কোয়ালি...
05/03/2025

Eid Collection Panjabi

ফেব্রিক্সঃ সফট কটন।
এমব্রয়ডারি এন্ড সিকুয়েন্স কাজ করা।
ট্রেন্ডি এবং রুচি সম্মত ডিজাইন।
100% কোয়ালিটি সম্পূর্ণ পাঞ্জাবি।

Size Available: 40,42,44,46
Size Details:
Body 40 long 40
Body 42 long 42
Body 44 long 44
Body 46 long 46

04/05/2022

ঈদ মোবারক
সবাইকে ঈদের শুভেচ্ছা

কিভাবে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে থেকে ক্লায়েন্ট জেনারেট করতে হয় ? সেই ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনার অসাধারণ এক ওয়েবসাইট।...
19/03/2022

কিভাবে মার্কেটপ্লেসের বাহিরে থেকে ক্লায়েন্ট জেনারেট করতে হয় ? সেই ব্যাপারে পূর্ণাঙ্গ দিক নির্দেশনার অসাধারণ এক ওয়েবসাইট। সকলের ভালো লাগবে আশা করি।

আজকের লেখায় আমি ডিসকাস করবো ফ্রিল্যান্সিং সাইট থেকে নির্ভরতা সরিয়ে নিজের বিজনেস ডেভেলপ করার প্রয়োজনীয়তা সম্পর্...

আপনি কখনো ভেবেছেন? আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস আপনি অনলাইনে অর্ডার করবেন এবং আপনার জিনিস আপনার বাসায় হাজির হয়ে যাবে। যখন অনলাই...
15/03/2022

আপনি কখনো ভেবেছেন? আপনার প্রয়োজনীয় জিনিস আপনি অনলাইনে অর্ডার করবেন এবং আপনার জিনিস আপনার বাসায় হাজির হয়ে যাবে। যখন অনলাইন দুনিয়া ছিলনা, তখন আপনি চিন্তাও করতে পারেননি এই ব্যাপারে। কিন্তু আজ সেটিই বাস্তব। এবং এই যে আপনি যে ফেসবুক পেইজ বা ওয়েব সাইটে আপনার কাঙ্খিত পণ্য দেখে অর্ডার করেছেন তা হল এই ডিজিটিাল মার্কেটিং এর বদৌলতে।
মার্কেটিং কথাটার সাথে আমরা সবাই মোটামুটি অনেক আগে থেকেই পরিচিত। এবং অনেকে এই পেশায় জড়িত ও এ পেশাকে সাদরে গ্রহণ করেছে। এই মার্কেটিং এর ধরণ বিভিন্ন রকমের হয়ে থাকে। বর্তমান এই অনলাইনের যুগে মার্কেটিং এর সংজ্ঞা, কাজের ধরণ, পলিসি অনেকাংশে বদলে গিয়েছে। ডিজিটাল মার্কেটিং হলো এই পরিবর্তিত ধরণের আধুনিক একটি সংস্করণ। বর্তমানে এই ডিজিটাল মার্কেটিং হল ফ্রিল্যান্সিং দুনিয়ায় মোটামুটি অল্প সময়ে সফলতা পাওয়ার একটি মাধ্যম। চলুন তাহলে শুরু করা যাক একটি নতুন এবং কার্যকরী ক্ষেত্র ডিজিটাল মার্কেটিং সম্পর্কে।

ডিজিটাল মার্কেটিং কি?
গুগলের সংজ্ঞা অনুসারে ডিজিটাল মার্কেটিং মানে অনলাইনে পন্য বা সার্ভিসের বিজ্ঞাপন প্রচার করাকেই বুঝায়। এখন সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং এর মাধ্যমে, হতে পারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের মাধ্যমে, আবার হতে পারে ইমেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে। অর্থাৎ ইলেকট্রনিক মিডিয়া ব্যবহার করে ইন্টারনেট দুনিয়ায় পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন প্রচারণা করা।

বর্তমানে সবকিছু যেহেতু ডিজিটালাইজ হয়ে গেছে এবং বেশিরভাগ কাজ অনলাইন ভিত্তিক হচ্ছে। তাই ডিজিটালি মার্কেটিং করা এখন অত্যাবশক হয়ে পড়েছে। এখন সবার হাতে হাতে স্মার্ট ফোন, এক ক্লিকে সবাই ইন্টারনেট দুনিয়ায় প্রবেশ করতে পারছে। তাই যেকোন কিছু প্রচারের এখন সর্বোত্তম মাধ্যম হলো অনলাইন ডিজিটাল দুনিয়া।

কেন ডিজিটাল মার্কেটিং
বর্তমানে এই অনলাইন ডিজিটাল মার্কেটিং এর যুগে যে কোন কোম্পানী বা উদ্যোক্তা তার পণ্য বা সেবা যাই বলেন সেটি তার কাঙ্খিত গ্রাহকের নিকট পৌছানোর সহজ ও কম খরচের একমাত্র মাধ্যম। বর্তমানে এটি হল একমাত্র মাধ্যম, যার মাধ্যমে আপনি অল্প সময়ে সঠিকভাবে আপনার পণ্যকে সবার সামনে তুলে ধরতে পারবেন। বর্তমান দুনিয়ায় সবাই সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করেনা এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া যাবেনা। তাই এই সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে লক্ষ লক্ষ মানুষের কাছে পৌঁছানো যায় খুব সহজেই।

ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেরা মাধ্যম সমূহ
ডিজিটাল মার্কেটিং এর বিভিন্ন মাধ্যম বা প্রকার রয়েছে। নিচে ডিজিটাল মার্কেটিং এর সেরা কয়েকটি মাধ্যম নিয়ে আলোচনা করা হল।

১. সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
২. সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
৩. কনটেন্ট মার্কেটিং
৪. সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং
৫. এফিলিয়েট মার্কেটিং
৬. ই-মেইল মার্কেটিং

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)
সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) বলতে এমন একটি প্রক্রিয়াকে বুঝায় যার মাধ্যমে কোন ওয়েব সাইটের কিওয়ার্ডকে সার্চ ইঞ্জিনের প্রথম দিকে দেখানো হয়। সহজ করে বললে উদাহরণ বলতে হয়। যেমনঃ আমরা যদি গুগলে বা অন্য কোন সার্চ ইঞ্জিনে যে কোন বিষয় বা ধরি ডিজিটাল মার্কেটিং এই কথাটা লিখে সার্চ দিই। তাহলে আমরা অনেকগুলো লিংক পাব যা প্রায় কয়েক পেজ ধরে দেওয়া থাকে। আমরা সাধারণত কি করি, প্রথম পেজে যে ওয়েবসাইটগুলোর লিংক দেওয়া হয়। আমরা ঐগুলোতে ক্লিক করে ঐ পেজগুলোতে ভিজিট করি। এখন ঐ পেজগুলো কেন গুগলের প্রথম পেজে আসল। অন্যগুলো কেন আসল না। যে পেজগুলো প্রথমে আসল তার কারণ হল এই সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO)। ঐ পেজগুলোকে ভালোভাবে এসইও করার কারণে সেগুলো রেঙ্ক করে প্রথম পেজে অবস্থান নিয়েছে। ফলে কি হবে, সকল কাষ্টমার ঐ পেজগুলোতে ভিজিট করবে এবং ঐ পেজের ব্যবসা বৃদ্ধিতে সহায়ক হবে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন (SEO) দুই ধরনের হতে পারে। অন পেইজ এসইও এবং অফ পেইজ এসইও। পরবর্তীতে এসইও নিয়ে বিস্তারিত লিখব আশা করি পেইজে চোখ রাখবেন।

সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM)
সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) হল একটি মার্কেটিং কৌশল যা একটি ব্যবসায় বিভিন্ন রকম টার্গেটেড নিয়ে আসে। একে পেইড সার্চ মার্কেটিও বলা হয়ে থাকে। গুগলে সার্চ করলে প্রায় সময় দেখা যায় প্রথম পেইজে এডস নামে একটা বা দুইটা সাইট থাকে। এগুলো সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) এর মাধ্যমেই হয়ে থাকে। সার্চ ইঞ্জিন মার্কেটিং (SEM) সাধারণত বিভিন্ন প্লার্টফর্মে হয়ে থাকে, যেমনঃ গুগল এডস, গুগল নেটওয়ার্ক, ইয়াহু বিং নেটওয়ার্ক ইত্যাদি। সার্চ পেজে নিজের সাইট টাকা দিয়ে অ্যাডের সাহায্যে দেখানো ই হচ্ছে এসইএম এর কাজ। এক্ষেত্রে পিপিসি, সিপিসি ইত্যাদি মডেল নির্বাচন করা হয়।

কনটেন্ট মার্কেটিং
কনটেন্ট মার্কেটিং হল এমন একটি কৌশল যার মাধ্যমে ব্যবসায়িক পণ্য বা সেবা সমূহকে আকর্ষনীয় ও দৃষ্টিনন্দনভাবে অনলাইন বিভিন্ন প্লাটফর্মের মাধ্যমে প্রচার করা। কনটেন্ট মার্কেটিং টেক্সট, ওয়েবপেইজ, ভিডিও, পডকাস্ট ইত্যাদি প্রক্রিয়াগুলোর মাধ্যমে করা হয়ে থাকে।

সোশাল মিডিয়া মার্কেটিং
ডিজিটাল মার্কেটিং এর সবচেয়ে বড় মার্কেটপ্লেস হচ্ছে সোশাল মিডিয়া। বর্তমান দুনিয়ায় বিশাল একটা অংশের মানুষ সোশাল মিডিয়ার সাথে জড়িত। যে কারণে অনেক টার্গেটেড কাষ্টমারের কাছে পৌছানো খুবই সহজ হয়ে যায়। সারা পৃথিবীতে অনেকগুলো সোশাল মিডিয়া রয়েছে, যেগুলোর মধ্যে জনপ্রিয় হল- ফেসবুক, টুইটার, লিঙ্কডইন, ইউটিউব, পিন্টারেষ্ট, হোয়াটসএ্যাপ ইত্যাদি। এসব সোশাল মিডিয়া ব্যবহার করে মার্কেটিং করাকেই সোশাল মিডিয়া মার্কেংটিং বলা হয়ে থাকে। আশা করি এ ব্যাপারে বিস্তারিত আর বলার প্রয়োজন নেই।

এফিলিয়েট মার্কেটিং
এক কথায় সহজভাবে বলতে গেলে এফিলিয়েট মার্কেটিং হল অন্য কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্য বা সেবা নির্দিষ্ট কমিশনের বিনিময়ে প্রচার করা। আপনি যে কোন প্রতিষ্ঠানের পণ্যকে আপনার নিজের ব্লগ, পেজ, বা ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদির মাধ্যমে প্রচার করবেন। বিনিময়ে আপনি তাদের কাছ থেকে আপনার মাধ্যমে বিক্রি হওয়ায় আপনাকে নির্দিষ্ট পরিমাণে কমিশন প্রদান করবে। আপনি যেকোন একটি অনলাইন শপিং ওয়েবসাইট হতে এফিলিয়েট মার্কেটার হিসেবে রেজিষ্টার করে নিবেন। তারা আপনাকে একটি এফিলিয়েট বা রেফারেল লিংক দিবে, যেটি আপনি আপনার ব্লগ, পেজ বা চ্যানেলে আকর্ষনীয় উপায়ে শেয়ার করবেন। যেখানে আপনাকে দেওয়া লিংকটা থাকবে। এবং এই লিংকে ক্লিক করে কেউ যখনই ঐ পণ্যটি বা বা সেবাটি গ্রহন করবে তখনই আপনি আপনার নির্দিষ্ট কমিশন পেয়ে যাবেন।

ই-মেইল মার্কেটিং
ই-মেইল মার্কেটিং হল হাজার হাজার মানুষের নিকট ই-মেইলের মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবার প্রচার করা। আমরা যেভাবে টিভি বা খবরের কাগজে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন দেই ঠিক তেমনি ই-মেইলের মাধ্যমেও পণ, সেবা অথবা অফারের প্রচার বা মাকেটিং প্রক্রিয়াকে ই-মেইল মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে। ই-মেইল মার্কেটিং দুই ধরনের হয়ে থাকে, ফ্রি ই-মেইল মার্কেটিং ও পেইড ই-মেইল মার্কেটিং। এই ব্যাপারে বিস্তারিত আমার আগের লেখাতে রয়েছে। আমার আইডি বা আমার পেইজ ‍Smart Marketing Hub এ গেলে দেখতে পাবেন।

ধন্যবাদ

”প্রচারে প্রসার” বহুল প্রচলিত এই উক্তিটি কে কেন্দ্র করে আমি আজ আলোচনা করব এই প্রসারের সহজ ও কার্যকরী একটি মাধ্যম ”ই-মেইল...
08/03/2022

”প্রচারে প্রসার” বহুল প্রচলিত এই উক্তিটি কে কেন্দ্র করে আমি আজ আলোচনা করব এই প্রসারের সহজ ও কার্যকরী একটি মাধ্যম ”ই-মেইল মার্কেটিং” নিয়ে। অনেকে হয়তোবা শুনেছেন অনেকের শুনা হয়নি। তাহলে চলুন ই-মেইল মার্কেটিং এর দফারফা শুরু করা যাক।

ই-মেইল মার্কেটিংঃ
বর্তমান এই প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বে মার্কেটিং একটি গুরুত্বপূণ দিক। যে যত বেশি দক্ষতা প্রয়োগ করতে পারবে সে মার্কেটে টিকে থাকতে পারবে। এই টিকে থাকার ক্ষেত্রে ই-মেইল মার্কেটিং একটি শক্তিশালী হাতিয়ার। ই-মেইল মার্কেটিং হল হাজার হাজার মানুষের নিকট ই-মেইলের মাধ্যমে কোন পণ্য বা সেবার প্রচার করা। আমরা যেভাবে টিভি বা খবরের কাগজে পণ্য বা সেবার বিজ্ঞাপন দেই ঠিক তেমনি ই-মেইলের মাধ্যমেও পণ, সেবা অথবা অফারের প্রচার বা মাকেটিং প্রক্রিয়াকে ই-মেইল মার্কেটিং বলা হয়ে থাকে।
আমরা সাধারণতঃ মেইল পাঠানোর সময় একজন বা কয়েকজনকে পাঠাই। কিন্তু এক্ষেত্রে একসাথে হাজার হাজার মানুষকে পাঠানো হবে।

কেন দরকার ই-মেইল মার্কেটিং
ই-মেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে যেহেতু হাজার হাজার মানুষের নিকট পৌঁছানো যাবে সেহেতু পণ্য বা সেবার প্রচারের জন্য এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমাদের দেশে ইমেইলের ব্যবহার তত জনপ্রিয় না হলেও বাইরের দেশে ইমেইল খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং তারা তাদের সব কাজ ইমেইলের মাধমে সম্পন্ন করে। আমরা বাঙ্গালীরা যেমন সকালবেলা ঘুম হতে উঠার পর আগে ফেসবুক চেক করি বা কিছুক্ষণ পর পর ফেসবুকে ঢুঁ মারি, ঠিক তেমনি বাইরের দেশের মানুষেরা মেইলের ব্যবহার করে থাকে। এটি খুবই সহজ, লাভজনক ও কম খরচে করা যায়।
এছাড়া বিভিন্ন ব্লগ, ওয়েবসাইটের ট্রাফিক জেনারেটরের জন্য খুবই কার্যকরী । গ্রাহককে সবসময় আপডেট দেওয়ার কারণে গ্রাহকের সাথে সু-সম্পর্ক তৈরীর মাধ্যমে গ্রাহক ধরে রাখা সম্ভব হয়। যা ব্যবসায়ের জন্য খুবই ‍গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

কিভাবে ই-মেইল মার্কেটিং করবেন

আপনি যদি ভেবে থাকেন সচরাচর আমরা যেভাবে মেইল করে থাকি ঐভাবে ই-মেইল মার্কেটিং করা হয়ে থাকে তাহলে আপনি ভুল করছেন। এই মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে আপনি জি-মেইল, ইয়াহু কিংবা আউটলুক ইত্যাদি সার্ভিসগুলো ব্যবহার করতে পারবেন না। কারণ এসব মেইর হতে আপনি একটা নির্ধারিত সংখ্যক মেইল পাঠাতে পারবেন, হাজার হাজার মেইল নয়। তাহলে চলুন জেনে নেয়া যাক ই-মেইল মার্কেটিং কিভাবে করবেন।
ই-মেইল মার্কেটিং সাধারণত দুই ভাবে করা যায়ঃ
ফ্রি ই-মেইল মার্কেটিং
পেইড ই-মেইল মার্কেটিং

ফ্রি ই-মেইল মার্কেটিংঃ
ফ্রি ই-মেইল মার্কেটিং এর ক্ষেত্রে প্রথমে গুরুত্বপূর্ণ হলো ই-মেইল লিষ্ট (List) বা ইমেইল কনটাক্টস (Contacts)। অনেক ই-মেইল আইডির সূচিকে ই-মেইল লিষ্ট বলা হয়। আপনাকে অনেকগুলো ই-মেইল আইডি জমা করতে হবে। কারণ ই-মেইল আইডি যদি আপনি না পান তাহলে কাকে আপনি মেইল পাঠাবেন। এক্ষেত্রে আপনি ফ্রি তে ই-মেইল আইডি সংগ্রহ করার জন্য আপনার একটি ব্লগ বা ওয়েবসাইট থাকতে হবে। তাতে আপনি আপনার ব্লগে আসা লোকদের ব্লগ সাবস্ক্রিপশ বা নিউজ লেটার অপশনের মাধ্যমে আপনার ই-মেইল লিষ্টে যোগদান করার জন্য বলতে পারেন। যার ফলে এক এক করে ই-মেইল আইডি সমূহ জমা হবে। যদি আপনি এইভাবে মেইল আইডি জমা করতে না পারেন তাহলে পেইড এর মাধ্যমে কিভাবে সংগ্রহ করবেন তা পরবর্তী পেইড ই-মেইল মার্কেটিং এ আলোচনা করব।
ই-মেইল আইডি পাওয়ার পর এখন কাজ হবে মেইল পাঠানো। আগেই বলেছি যে, সচরাচর আমরা যেভাবে মেইল পাঠাই সেভাবে পাঠানো যাবে না। সেক্ষেত্রে আমাদের কিছু ই-মেইল মার্কেটিং টুলস ব্যবহার করতে হবে। এই টুলসগুলো ফ্রি ও পেইড দুই ধরনের পাওয়া যায়। যেহেতু আমরা ফ্রিতে করব তাই ফ্রি টুলসগুলো ব্যবহার করে একসাথে হাজার হাজার লোকদের ই-মেইল পাঠিয়ে পণ্য বা সেবার মার্কেটিং করতে পারবো। ফ্রি তে পাওয়া যায় এমন ই-মেইল মার্কেটিং টুলসগুলো হলঃ
OptinMonster
FeedBurner
SumoMe
Mailchimp
Sleeknote
SendPress
Bloom
Drip
Gravity Forms
MailerLite

এগুলো সম্পূর্ণ ফ্রি। এছাড়া আপনি গুগলে সার্চ দিয়ে আরো অনেক ফ্রি টুলস পেয়ে যাবেন।

পেইড ই-মেইল মার্কেটিংঃ
পেইড ই- মেইল মার্কেটিং এর জন্য আপনাকে বাল্ক ই-মেইল লিষ্ট কিনে ব্যবহার করতে হবে। এক্ষেত্রে আপনি GoDaddy বা অন্য কোন ওয়েবসাইট থেকে বাল্ক মেইল লিষ্ট কিনে নিতে পারেন। তারপর ফ্রি বা পেইড ই-মেইল মার্কেটিং টুলসগুলো ব্যবহার করে ই-মেইল মার্কেটিং করতে পারেন। এসব ফ্রি টুলসগুলো যেকোন একটিতে একাউন্ট করে বাল্ক ই-মেইল লিষ্ট এড করতে হবে। এসব টুলসে সব ধরনের ফিচারস ও টেমপ্লেট রয়েছে যার মাধ্যমে আপনি আপনার মেইলকে আকর্ষনীয় করে সাজাতে পারবেন। যার ফলে মানুষ যেন আপনার মেইলটি আগ্রহ সহকারে পড়ে। এসব টুলস সমূহ সতর্কতার সাথে সঠিকভাবে ব্যবহার করতে হবে। তা না হলে আপনি আপনার কাঙ্খিত গ্রাহকের নিকট পৌছতে পারবেন না।

সর্বশেষঃ
ই-মেইল মার্কেটিং করতে চাইলে অবশই আপনাকে আগে এই বিষয়ে পর্যাপ্ত জ্ঞান নিতে হবে। এই বিষয়ে বিভিন্ন আর্টিকেল, ভিডিও এগুলো দেখতে হবে। কারণ ভালোভাবে না জেনে কাজটি করলে আপনি সঠিকভাবে কাজটি করতে পারবেন না এবং আপনার লক্ষে পৌছানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। আপনার ই-মেইলের বিষয় আকর্ষনীয় করতে হবে যেন ভেতরে কি আছে সেটা জানার আগ্রহ তৈরী হয়। এছাড়া আপনার বডি পার্টসও অনেক গুরুত্বপূর্ণ । কারণ এর মাধ্যমে আপনি আপনার ব্যবসায়িক পণ্য বা সেবার বর্ণনা করবেন। তাই ই-মেইল মার্কেটিং খুবই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায় প্রসারের ক্ষেত্রে। সবশেষে ধন্যবাদ আমার লেখাটুকু পড়ার জন্য। ভালো লাগলে শেয়ার করতে পারেন।

ফ্রিল্যান্সিং কিঃবর্তমান সময়ে আলোচিত একটা বিষয় হলো ফ্রিল্যান্সিং। এক কথায় বলতে গেলে ঘরে বসে অনলাইনে স্বাধীনভাবে কাজ করাক...
07/03/2022

ফ্রিল্যান্সিং কিঃ
বর্তমান সময়ে আলোচিত একটা বিষয় হলো ফ্রিল্যান্সিং। এক কথায় বলতে গেলে ঘরে বসে অনলাইনে স্বাধীনভাবে কাজ করাকে ফ্রিল্যান্সিং বলা হয়। আর যিনি এই ধরনের কাজগুলো করেন উনাকে ফ্রিল্যান্সার বলা হয়। আপনি যে কাজে দক্ষ সেই কাজ অনলাইনে কারো জন্য করার মাধ্যমে আপনি নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা আয় করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করতে হলে আপনাকে আগে যে কোন কাজে দক্ষতা অর্জন করতে হবে। তারপর আপনি বিভিন্ন মার্কেটপ্লেস কিংবা মাকের্ট প্লেসের বাইরে কাজ করতে পারবেন। এবার আসি আপনার কি ধরনের কাজের দক্ষতা প্রয়োজন সেই ব্যাপারে আলোচনা করা যাক।
ফ্রিল্যান্সিং এর কাজসমূহঃ
ফ্রিল্যান্সিং এ বিভিন্ন ধরনের কাজ রয়েছে, যেগুলো শিখে দক্ষ হয়ে আপনি অনলাইনে কাজ শুরু করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সিং করতে গেলে আপনাকে প্রথমে ঐ কাজে দক্ষ হতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং এ যেসব কাজ করতে হয় সেগুলো হলঃ
# গ্রাফিক্স ডিজাইনস
# ওয়েব ডিজাইনস
# ডিজিটাল মার্কেটিং
# ভিডিও এডিটিং ইত্যাদি
ফ্রিল্যান্সিং করার ক্ষেত্রসমূহঃ
কাজের দক্ষতা অর্জনের পর ফ্রিল্যান্সিং শুরু জন্য ক্ষেত্রগুলো হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের মার্কেটপ্লেস সমূহ, যেমনঃ ফাইভার, আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার ডট কম, গুরু, পিপল পার আওয়ার ইত্যাদি। এইখানে আপনি কাজের বিবরণ সমূহ লিপিবদ্ধ করে আপনার একটা প্রোফাইল তৈরী করবেন।এইসব মার্কেটপ্লেস সমূহে ফ্রিল্যান্সারদের পাশাপাশি বায়াররা একাউন্ট করে থাকে। যার ফলে তারা এখান হতে তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ ফ্রিল্যান্সারদের দিয়ে করিয়ে নেয়। এছাড়া এসব মার্কেটপ্লেসের বাইরে ও অনেক বায়ার থাকে যারা তাদের চাহিদা অনুযায়ী কাজ ফ্রিল্যান্সারদের মাধ্যমে করিয়ে নেয়। এসব ক্ষেত্রে ফ্রিল্যান্সাররা তাদের একটি ওয়েবসাইট বা ফেসবুক পেজ তৈরী করে এবং লিঙ্কড ইন, ইন্সটাগ্রাম, টুইটার ইত্যাদি বিভিন্ন সোসাল মিডিয়াতে একাউন্ট করার মাধ্যমে মার্কেটিং করে বায়ার ম্যানেজ করে।
ফ্রিল্যান্সার হওয়ার শর্ত সমূহঃ
আপনাকে একজন ফ্রিল্যান্সার হতে হলে প্রথমে যেকোন একটি বিষয় ঠিক করে কাজ শেখার জন্য লেগে পড়তে হবে। আপনাকে আগে সেই বিষয়ে নিজেকে দক্ষ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে। ইন্টারনেট সম্পর্কে ভালো জ্ঞান নিতে হবে। মিনিমাম ইংরেজী জ্ঞান থাকতে হবে। যাতে বায়ারের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন। কাজের প্রতি মনোযোগী, পরিশ্রমী ও লেগে থাকার মনমানসিকতা থাকতে হবে। সবসময় নিজেকে আপডেট রাখতে হবে। সোসাল মিডিয়াতে ভালো একটা প্রোফাইল তৈরী করতে হবে। ফ্রিল্যান্সিং সম্পর্কে মার্কেট রিসার্চ করতে হবে। বিভিন্ন ওয়েব সাইট, ভিডিও, ইত্যাদি থেকে বিভিন্ন বিষয় সম্পর্কে ধারণা নিতে হবে। হতাশা বা পিছিয়ে যাওয়ার মনমানসিকতা ঝেড়ে ফেলতে হবে। কারণ কেউ এক দুই মাসে সফল হয় না। ধৈর্য ধরে যেকোন কাজের পিছনে লেগে থাকতে হয়। তবেই সফলতা আসবে।
কেন ফ্রিল্যান্সিং এ আসবেনঃ
ফ্রিল্যান্সিং এ যে কেউ আসতে পারে। এখানে ধরাবাধা কোন নিয়ম নেই। ছাত্রবস্থা থেকে ফ্রিল্যান্সিং করা আরো ভালো। এতে প্রচুর সময় এবং শ্রম দেওয়া যায়। এটি চাকুরির পাশাপাশি করা যায়। এখানে চাকুরির মত কোন বাধ্যবাধকতা নেই। ৯টা – ৫টা আপনাকে কোন অফিস করতে হবে না। যেহেতু এটি একটি স্বাধীন ও মুক্ত পেশা। সেহেতু এখানে আপনার বস আপনি নিজে।
তাই সঠিক দক্ষতা অর্জনের পাশাপাশি নিজের ধৈর্য, সাহস ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে এই সেক্টরে আপনি সফলতার মুখ দেখবেন বলে আশা করি।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Smart Marketing Hub posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share