11/08/2026
বিজ্ঞাপনটা নিয়ে কথা বলার আগে বিজ্ঞপনের মডেলদের নিয়ে একটু কথা বলি।
খেয়াল করে দেখেন, বিজ্ঞাপনের তরুণরা আজ সবাই একেকজন প্রতিষ্ঠিত নাম। ইফতেখার আহমেদ ফাহমি, আশফাক নিপুণ, রেদোয়ান রনি, আশুতোষ সুজন, শারাফ আহমেদ জীবন, আদনান আল রাজীব... সবাই এক ফ্রেমে। সেই OG ছবিয়াল।
তারা একসাথে বানিয়েছিলেন ডিজ্যুসের বেশ কিছু বিজ্ঞাপন। ডিজ্যুস ছিলো গ্রামীণফোনের একটা কনসার্ন... ডিজ্যুসের টার্গেট কনজ্যুমারস ছিলো দেশের ইয়থ শ্রেণী। ডিজ্যুস দেশের তরুণদের কাছে এতোটাই জনপ্রিয় হয়েছিলো যে, তখন ইয়ংদেরকে আলাদা করে মানুষ ডিজ্যুস পোলাপান ডাকা শুরু করেছিলো।
স্মার্ট সব কমার্শিয়ালস, আউট অফ দ্য বক্স আইডিয়া এবং ফ্রেশ মার্কেটিং আইডিয়া ডিজ্যুসকে রাতারাতি জনপ্রিয় করে তোলে।
তার সাথে ছবিয়ালের পুরো টিমের ইনক্লুশন, ব্যাপারটাকে অন্য উচ্চতায় নিয়ে যায়... একটা ফ্ল্যাটে যেসব তরুণরা একসাথে ফিল্ম মেকিংকে ভালোবেসে একদিন সিনেমা বানানোর স্বপ্ন নিয়ে এক ছাদের নীচে থাকতে শুরু করেছিলো, তাদের প্রায় সবার স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।
সবাই খ্যাতির চূড়ায় পৌঁছেছেন, নিজেদের মেধা আর পরিশ্রম দিয়ে। সেই সময়ে তারা যা বানিয়েছেন, সেটা আজ পর্যন্ত রিলেটেবল।
মাঝে অনেক বছর গেলো... ছবিয়ালের সবাই আলাদা হলেন। নিজেদের ব্যস্ততা বাড়লো। সময়ের সাথে ডিজ্যুসও হারিয়ে গেলো।
থেকে গেলো এসব স্মৃতি... যা হুট করে স্কুল লাইফে নিয়ে যায়। মনে পড়ে কলোনির সেসব বিকেল... বন্ধুদের দুষ্টুমি, আর ফেলে আসা আমার সুন্দর জীবন...!