Old Souls Inc.

Old Souls Inc. We're a few Old Souls trapped inside a broken time machine! For advertising and collaboration, whatsapp: +8801754513561

Our childhood became a lie when we found out that WWE was scripted and staged. For kids like me, who grew up chokeslammi...
12/06/2026

Our childhood became a lie when we found out that WWE was scripted and staged. For kids like me, who grew up chokeslamming or FU'ing our pillows, it was a shock we couldn't handle. It broke our hearts into pieces.

Still, I must say that we were a lucky generation. Those of us born in the early 90s got the chance to witness both the legendary Attitude Era and the Ruthless Aggression Era. We even experienced the PG Era. How could we ever forget iconic rivalries like Stone Cold Steve Austin vs. The McMahon Family, Stone Cold vs. The Rock, Undertaker vs. Kane, and Undertaker vs. Shawn Michaels?
Undertaker throwing Mick Foley off the top of the Hell in a Cell cage remains one of the greatest moments in WWE history. We were eyewitnesses to hundreds of classic matches throughout the years. The superstars back then had larger-than-life personalities and unmatched charisma. We were simply obsessed with them.

Steve Austin asking fans for beers, smashing them together, drinking them, and then delivering a Stunner to his opponent was pure gold. The Rock's Rock Bottom, Undertaker's Chokeslam and Tombstone Piledriver, Triple H's Pedigree, Shawn Michaels' Sweet Chin Music, Goldberg's and Edge's Spear, Rey Mysterio's 619, and Chris Jericho's Liontamer were the stuff of our childhood fantasies.

My personal favorite was Edge's theme song, 'Metalingus' by Alter Bridge. It showed how much care WWE put into entrance themes back then and how seriously they were treated. I kept it as my phone ringtone for quite a long time. John Cena's theme song was another all-time favorite among fans.

Theme songs themselves were a huge fascination. Whenever "If You Smell What The Rock Is Cooking" echoed through the arena, the crowd would go crazy. Shawn Michaels' 'I'm Just a Sexy Boy' was another massive hit. Chris Jericho's 'Break the Walls Down' was incredibly cool. Whenever he came out, he would stand facing the titantron in that signature pose. We all tried copying it at some point.
And let's be honest, we all tried spitting water like Triple H at least once in our lives. Yes, we all did. D-Generation X blew our minds as teenagers. We tried hard to be like them. Undertaker's entrance with 'Rest in Peace' always gave me chills.

WWE remained super cool until the late 2000s. John Cena FU'ing Edge from the top of a 16-foot ladder, Edge vs. Jeff Hardy in TLC matches, Randy Orton becoming the youngest World Champion, Undertaker vs. Randy Orton inside Hell in a Cell, Triple H vs. Batista, Triple H vs. Shawn Michaels vs. Chris Benoit, and JBL vs. Eddie Guerrero were some of my absolute favorites. Every one of them was a treat to watch.

The last WWE storyline I truly enjoyed was in 2010 when John Cena teamed up with Edge, Chris Jericho, and Bret Hart to take on Nexus. Damn, what a team that was!
The deaths of Eddie Guerrero and Chris Benoit were shocking. The two good friends died in their prime. I cried when Benoit killed himself. I don't know why, but I used to like him a lot. His in-ring abilities were incredible, and he remains one of my all-time favorite wrestlers. For me, he was one of the greatest performers WWE ever had.

We all have our personal favorite WWE moments. We'll keep them safe inside our hearts forever. Those memories can never be taken away from us. Thank you, WWE, for making our childhood awesome!

11/06/2026

বম্বে সুইটস এর সবুজ প্যাকেটের পটেটো ক্র‍্যাকার্স চিপসটা হয়তো বাংলাদেশে কেউ একবারের জন্যেও খায় নি, এমন মানুষ নেই। এতোটাই ক্লাসিক, এতোটাই পপুলার ছিলো এই চিপস একটা সময়।

এরপর বম্বে সুইটস একদিন নিয়ে এলো লাল প্যাকেটে পটেটো স্টিকস। এই বিজ্ঞাপনটা টিভিতে দেখার পর লাল প্যাকেটের পটেটো স্টিকস ছোটদের কাছে তুমুল রকমের আরাধ্য বিষয় হয়ে দাঁড়ালো। একবার হলেও এই চিপস খেয়ে দেখতে হবে।

দোকানের সামনে বাচ্চারা এই চিপসের জন্য বাবা-মা'র হাত পা ধরে ঝুলে যাচ্ছে, কান্নাকাটি করে শুয়ে যাচ্ছে... এগুলো ছিলো তখন কমন দৃশ্য।

বিজ্ঞাপনে দেখা যায় যখনই সে চিপস খেতে যাচ্ছে কেউ না কেউ এসে কাড়াকাড়ি করছে। কম্বলেত নীচে লুকিয়ে খেতে গেলেও মা এসে দেখে ফেলছে। কোথাও শান্তি নেই। শেষমেশ সে আইডিয়া বের করলো, দরজা বন্ধ করেই খাবে।

তখনই এলো সেই বিখ্যাত সংলাপ, "একা একা খেতে চাও?? দরজা বন্ধ করে খাও...!"

এই ডায়ালগ এতোটাই ফেমাস হলো, তরুণ-তরুণীদের মধ্যেও এই ডায়ালগ ছড়িয়ে গেলো।
দীর্ঘদিন নাইন্টিজের পপ কালচারের অংশ ছিলো এই ডায়ালগ।

Hey 90's kids! I know the song started playing inside your brain already as soon as you saw the picture.Yes, I'm talking...
11/06/2026

Hey 90's kids! I know the song started playing inside your brain already as soon as you saw the picture.
Yes, I'm talking about Falguni Pathak. The legendary Falguni pathak. The singer who made our childhood beautiful single handedly.

All the 90's girls grew up listening to her songs. There was no home without a music disc of Falguni Pathak. We all had that album with video. And we memorized the songs and the videos from the beginning to the end!

All of us were confused whether she was a lady or a guy, and why she used to dress like a man!?
Falguni's voice was so sweet and heart touching. All her songs had marvelous lyrics and touchy tunes. Specially the music videos were superb. All the videos had cute stories in them. They were like fairy tales for us. Watching those videos seemed like reading some story books.

Is there any song of Falguni which wasn't a hit?? I don't think so. Each and every one of them were solid hits. 'Main Ne Payal Hai Chankai', 'Meri Chunad Udd Udd Jaye', "Saawan Mein', 'Yaad PiyaKi Aane Lagi', 'O Piya', 'Pal Pal Teri Yaad', 'Yeh Kisne Jadu Kiya', 'Ayo Rama', 'Indhana Winva'.... You name them...!
I bet most of you also remember the stories of the videos as well!

I have a story with the song 'Main ne Payal Hai Chankai'. I spent my childhood in village. It was hard to get those albums in the village back then. There was this store which used to sell music albums on the way to my school. One morning they were playing this song while I was going to school. I don't know why I liked this song so much, I stood there to listen to the whole song. Then I stood right there for hours hoping that after finishing the whole album they'll play the song back. yes, they did. I missed school that day just to listen to this song once again. Damn my beautiful childhood!

There is no 90's kid who didn't listen to Falguni Pathak's songs in their childhood. 90's was about to come to an end, a new millennium was waiting for us. Falguni was our favorite jam back then as kids.

Sweet childhood days of us are long gone. As well as Falguni and her songs. Life became complicated in every possible ways. Sometimes I wish if life were simple like the songs of Falguni!

This is a tribute to the Artist who made our childhood surprisingly memorable with her songs. Thank you Falguni Pathak. Your songs will remain with us forever. We'll search them on Youtube whenever we feel down. They'll keep making us happy, they'll keep reminding us of our childhood days. We're grateful

10/06/2026

আজকের বাংলাদেশে ছেলেমেয়েদের ফ্রেন্ড সার্কেলে একটা কথার খুব প্রচলন হয়েছে, 'নেটওয়ার্কের বাইরে'... সব হৈ-হুল্লোড়, যোগাযোগ, যন্ত্রণা থেকে দূরে কোথাও আমরা বেড়াতে যাবার আগে বলে যাই, "চলে যাচ্ছি নেটওয়ার্কের বাইরে...!"

এই শব্দ দুটো সর্বপ্রথম ইউজড হয় সিটিসেলের এই বিজ্ঞাপনে... তখন সারাদেশে ক্লোজআপ ওয়ান এর জয়জয়কার। সেই ক্লোজআপ ওয়ানের তারকা রুমি প্রতিযোগিতার পর প্রিন্স মাহমুদ এর সুরে গেয়েছেন, 'দুনিয়া তোর সঙ্গেতে নাই'... সেই গান বারুদের মতো ছড়িয়ে গেলো সবখানে।

রুমি'কে মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী কাস্ট এই বিজ্ঞাপনে কাস্ট করলেন তিশার বিপরীতে। বাংলা সিনেমার আদলে স্পুথ স্টাইলে বানানো এই বিজ্ঞাপনের গানটা নিজেই আরো বড় হিট হয়ে বসে রইলো। জিঙ্গেল গাইলেন আরেফিন রুমি এবং অন্য আরেকজন ক্লোজআপ ওয়ান তারকা সোনিয়া।

এই বিজ্ঞাপনের আরো একটি সংলাপ খুব ফেমাস হলো। "দস্তগীর, তোমার দোস্ত কোথায়...!?"
যখন'ই কেউ এক বন্ধুর কাছে অন্য বন্ধুর খবর জিজ্ঞেস করতো, তখন বলতো- "দস্তগীর, তোমার দোস্ত কোথায়...??"

বিজ্ঞাপনের সেই সোনালী দিন তো অতীত হয়েছে আগেই... সেই সাথে একদিন সিটিসেলও হারিয়ে গেলো। শুধু ইউটিউব হাতড়ে ফিরলে পাওয়া যায় বিজ্ঞাপনগুলোকে। আর নীচে কমেন্ট সেকশানে একরাশ দীর্ঘশ্বাস...!

একুশে টিভি তখন তুমুল জনপ্রিয়। ডিশ কানেকশান না থাকলেও বিটিভির মতোই সাধারণ এন্টেনা দিয়েই একুশে টিভি গ্রামেগঞ্জেও একুশে টিভ...
10/06/2026

একুশে টিভি তখন তুমুল জনপ্রিয়। ডিশ কানেকশান না থাকলেও বিটিভির মতোই সাধারণ এন্টেনা দিয়েই একুশে টিভি গ্রামেগঞ্জেও একুশে টিভি দেখা যায়। সেই একুশে টিভিতে মিলেনিয়ামের সূচনার দিকে একটা fresh breathe of air হিসেবে আসলো স্ট্রিট শো 'পথের প্যাঁচালী'।

বিভূতিভূষণের 'পথের পাঁচালী'র স্পুফ হিসেব এই নামকরণ… নন্দিত চলচ্চিত্র পরিচালক দিলীপ বিশ্বাসের ছেলে দেবাশীষ বিশ্বাস উপস্থাপক হিসেবে এলেন। নব্বই দশকের তরুণ হিসেবে দেবাশীষ ছিলেন দারুণ স্মার্ট। তার বাচনভঙ্গী, হিউমার, ড্রেস আপ সবই ছিলো দারুণ। হলিউড তখন স্ট্রিট শো বানিয়ে ক্লান্ত, বলিউডে এমটিভি তখন নতুন নতুন VJ'দের নিয়ে স্ট্রিট শো চালু করেছে। সেই সময়ে বাংলাদেশের একটা টিভি চ্যানেলে একটা স্ট্রিট শো নিয়ে হাজির হওয়াটা ছিলো দারুণ সাহসী কাজ... দেবাশীষ ছিলেন মূলত বাংলাদেশের প্রথম জনপ্রিয় VJ.

'পথের, প্যাঁচালী'তে বিভিন্ন সেগমেন্ট ছিলো। দেশের বর্তমান সিচুয়েশন নিয়ে নানান প্রশ্ন, রিডল, রেন্ডম মানুষকে গান গাইতে দেয়া... এসব। আজকালকার দিনে হিডেন ক্যামেরা রেখে যে প্র্যাঙ্ক শো'গুলো আমরা দেখি, 'পথের প্যাঁচালী' সেটা তাঁদের 'প্যাঁচালী মদন' সেগমেন্টে করেছে আজ থেকে প্রায় ২৫ বছর আগে। ভাবা যায়…?? একজন মানুষকে সিলেক্ট করে তাকে বিভিন্ন অদ্ভূত কাজ করতে দিয়ে বোকা বানানো হতো। আর গান গাইতে দেয়ার সেগমেন্টে যাঁদের গান ভালো হতো, সিন কাট হয়ে রিয়েল গানের মিউজিক ভিডিওর একটা ঝলক দেখানো হতো। একটা ছোট্ট মেয়ে একবার 'কুচ কুচ হোতা হ্যায়' এর টাইটেল সংটা গেয়েছিলো। সেই প্রথম আমার টিভিতে শাহরুখ, রানী আর কাজলকে দেখা।

খুব জমজমাট হয়ে উঠে 'পথের প্যাঁচালী'। সন্ধ্যার দিকে প্রচার হতো অনুষ্ঠানটি… দুর্ভাগ্যজনকভাবে একদিন একুশে টিভি বন্ধ হয়ে যায়। সাথে সাথে চিরতরে হারিয়ে গেলো 'পথের প্যাঁচালী'... একরাশ আফসোস নিয়ে!

09/06/2026

আমাদের ছোটবেলায় সারা পৃথিবী দাপিয়ে বেড়ানোর সময়সীমা ছিলো মাগরিবের আজান পর্যন্ত... মাগরিবের আজান পড়ে যাওয়া মানে ঘরে ফেরার সময় হলো। সব পাখি যেমন সন্ধ্যার আগে নীড়ে ফেরে, আমাদেরও মাগরিবের আগে ঘরে ফেরার তাড়া ছিলো।

ঘরের উঠোনে খেলতে খেলতে হঠাৎ সন্ধ্যা নামতো... তখন টিভি বন্ধ হবার সময়, বসার ঘর থেকে উঠে পড়তো সবাই। কিন্তু টিভিটা বন্ধ করার আগে বিটিভির সেই আজান পুরোটা দেখা হতো... সেই আজান সম্পূর্ণ হবার পর আসতো আজানের মোনাজাত। লিজেন্ডারি সৈয়দ ইসমাত তোহা'র দরাজ গলায় পাঠ করতেন আযানের মোনাজাতের বাংলা অনুবাদ, "হে আল্লাহ, এই পরিপূর্ণ আহবান ও শাশ্বত নামাজের তুমি'ই প্রভু...."

আমরাও সাথে মোনাজাত করে হাত-মুখ ধুয়ে সব ভাই-বোনেরা একসাথে পড়ার টেবিলে বসতাম। সারাদিনের খেলাধুলার পর ঢুলুঢুলু চোখে রাত নামতো 'আমার বই' নামের বাংলা বইটার উপর।

অনেক বয়স হয়ে গেছে হাওয়ায় হাওয়ায় বয়ে... সারা পৃথিবী দেখা হলো, ঘুরা হলো৷ তবুও এখনো কেন যেন মাগরিবের সময় এলে আমার মনের ভেতর অস্থিরতা শুরু হয়, ঘরে ফেরার তাড়া শুরু হয়। সেই ঘুম জড়ানো চোখের পড়ার টেবিলটা আমাকে টানে।

সবচেয়ে বেশি টানে সেই মায়াবী আজান... যে আজান শুনলে আমাদের অন্তর ভরে যেতো পবিত্রতায়৷ যে আজানে মিশে ছিলো আমার ছেলেবেলার সুখ, আমার পবিবারের সুবাস, আমার মায়ের আঁচল, আমার কোথাও ফেলে আসা ছেলেবেলা...! 💔

08/06/2026

তাহসান সারাদিন ফোন নিয়ে বিজি.. অফিসে যাবার সময় মিথিলা টাই বেঁধে দেয়ার সময়ও সে ফিরে তাকায় না... মোবাইল নিয়েই সব ব্যস্ততা।

মিথিলা রেগে বলে, "ও.. আমি পুরোনো হয়ে গেছি তাই না..?? আমাকে আর ভালো লাগে না..!"

মিথিলা তখন আয়নার সামনে বসে নিজেকে দেখে... ম্যাগাজিন দিয়ে মুখ ঢাকে। সেই ম্যাগাজিন কাভারে আবার প্রীতি জিনতার ছবি। শেষমেশ সে খুঁজে নেয় জুঁই নারিকেল তেল... চুল হয়ে উঠে ঝলমলে সুন্দর... অফিস শেষে ঘরে ফিরে তাহসান অবাক হয়ে দেখে.. তার অবাক দৃষ্টি দেখে মিথিলা জিজ্ঞেস করে, "কি দেখো..??"
তাহসান বলে, "তোমার চুল..!"

সে স্ত্রীর চুলে হাত রাখে... আহ্লাদী মিথিলা বলে, "চুল ধরতে হবে না... তুমি তোমার হিসেব নিয়েই থাকো...!"

বিজ্ঞাপণের জিঙ্গেলটা ছিলো এরকম-

"ভেংচি কেটে আয়না বলে তোমায় ভালো লাগে না..!

ভালো লাগে..??
- লাগে.. লাগে...!

সূর্য ডাকে আমার রোদে চুল শুকাতে আসো না...!"

বিজ্ঞাপণের ট্যাগ লাইন- 'জুই নারিকেল তেল.. রোমান্সের শুরু এখানেই...!'

প্রতিবার টিভিতে এই বিজ্ঞাপন এলে কি যে ভালো লাগতো... 'রোমান্স' শব্দটাকে জানতে ইচ্ছে হতো, বুঝতে ইচ্ছে হতো। গানের কথায় ঠোঁট মেলাতে ইচ্ছে হতো।
মারজুক রাসেলের লেখায় ছিলো মোহনীয় জাদু। মাত্র কয়েকটা লাইনের ভেতর কি সমুদ্রসমান বিশালতা...! "সূর্য ডাকে আমার রোদে চুল শুকাতে আসো না", এই লাইনটায় মারজুক নিজেকে চেনালেন। একজন কবির ক্ষমতা আসলে কতটুকু... মনে হতো কোন দীর্ঘ প্রেমের কবিতা থেকে তুলে আনা কোন পংক্তি।
আর আরেফিন রুমি'র গলায় তখন রাজ্যের মুগ্ধতা। সে সময়টায় বিজ্ঞাপনের জন্য যা'ই গাইলেন, সব কয়টিই ক্লাসিক হয়ে রইলো।

আমারা সেই তাহসান-মিথিলা'কে দেখে বড় হয়েছি... গায়ক তাহসান; ঈর্ষা, প্রেমাতাল গেয়ে যে তাহসান হৃদয় জিতেছিলো। আর স্বতঃস্ফূর্ত অসম্ভব ট্যালেন্টেড অভিনেত্রী মিথিলা।
সেই সময়কার তাঁদের সবকিছুই আমাদের ভালো লাগতো... তাঁদের দাম্পত্য জুটিকে ভালোবেসেছিলো পুরো বাংলাদেশের প্রতিটি মানুষ।

নো ডিসরেস্পেক্ট, আজকের এই 'As You Demand' তাহসান-মিথিলার জন্যে অনেকের আর খারাপ লাগে না.. সেটা এনিভার্সারী হোক বা বিবাহবিচ্ছেদ, কিছুই যায় আসে না। শুনতে খারাপ লাগে, এটাই সত্যি। এটাও একরকম মন্দের ভালো... তাঁরা নিজেদের মতো ভালো থাকুক, এই শুভকামনা করুক সবাই।

ছোটবেলার সুন্দর সময়টাকে আরো চমৎকার করে দিয়েছিলো মানুষগুলো... তাঁদের প্রতি রইলো কৃতজ্ঞতা।

07/06/2026

একটা সময় পর্যন্ত ঈদে নতুন নতুন বিজ্ঞাপন আসতো... কোন ব্র‍্যান্ড ঈদে কতো আকর্ষণীয় বিজ্ঞাপন বানাতে পারে, তার একটা প্রতিযোগিতা ছিলো।
সুমনা হক এর পরে শুভমিতা ব্যানার্জির গলা'ই একমাত্র গলা, যেটা চোখ বন্ধ করে শুনলেই মনে হতো এই ভয়েস বিজ্ঞাপনের জিঙ্গেলের জন্যই সৃষ্টি হয়েছে। সেই শুভমিতা গাইলেন এক শীতের ঈদে-
"রোদে পুড়ে যায়,
ভিজে বরষায়
শীতে তো কথা'ই নেই,
রূপ তারে চায়!
তিব্বত স্নো আছে সেই ভরসায়-
একে একে বারোটি মাস কেটে যায়।"

ছোট্ট একটা অনুকাব্যের মতো লিরিক, অথচ একবার শুনলেই কেমন যেন মনের ভেতর গেঁথে যায়... মনে আছে সেই শীতের ঈদের সন্ধ্যায় নতুন স্যান্ডেল পরে সারা পাড়া বেরানোর পর স্যান্ডেলের ফিতায় কেটে যাওয়া পা লেপের তলে রেখে টিভিতে দেখলাম সেই বিজ্ঞাপন। বিজ্ঞাপনে মডেল হলেন নবাগতা চিত্র নায়িকা সাবরিনা সুলতানা কেয়া।

তিব্বত স্নো এর এই স্নিগ্ধ জিঙ্গেল সবার মুখে মুখে ছড়িয়ে গেলো... কি অদ্ভুত সুন্দর একটা সুর, শীতলতায় মোড়া। সাজানো গোছানো সেটে কেয়ার পরা রয়্যাল ব্লু কালারের শাড়িটাও সবার মন কেড়ে নিলো।

সেই সময়টায় বাংলাদেশের প্রতিটা ঘরে একটা হলেও তিব্বত পমেড বা তিব্বত স্নো এর কৌটা ছিলো... 'তিব্বত' ছিলো আপন একটা নাম।
সেই আপন ব্র‍্যান্ডটার বিজ্ঞাপনও আপন সুরে সবার মনে জায়গা করে আছে যুগের পর যুগ।

শুভমিতা'র কন্ঠে 'রোদে পুড়ে যায়' শুনলেই এক পলকে ফিরে আসে আমার ছোটবেলা... সেই শীতের সন্ধ্যা, সেই গায়ে জড়ানো লেপ, ফেলে আসা সেই সব দিনরাত্রি! 💔

চূলার পাশে বসে শাওন গুনগুন করে গাইছে, "নিশা লাগিলো রে.. বাঁকা দুই নয়নে নিশা লাগিলো রে...!"বাঁধানো গাছের গোড়ায় বসে আছে রি...
06/06/2026

চূলার পাশে বসে শাওন গুনগুন করে গাইছে, "নিশা লাগিলো রে.. বাঁকা দুই নয়নে নিশা লাগিলো রে...!"

বাঁধানো গাছের গোড়ায় বসে আছে রিয়াজ... আকাশে থালার মতোন রূপালী চাঁদ। রিয়াজ উদাস চোখে চাঁদের দিকে তাকিয়ে আছে... মেঘ পার হচ্ছে চাঁদের কাছ ঘেঁষে... ক্যামেরা সেদিকে চলে গেছে। ব্যাকগ্রাউন্ডে বাজছে মাকসুদ জামিল মিন্টুর হাতে তৈরী কিবোর্ড বা বাঁশির সুর... আবার সেই "নিশা লাগিলো রে..!

গাছের ডালে মাহফুজের "ভুল করা কন্যার লাগি মন আনচান করে..." শুনে নিষ্ঠুর জীবন থেকে কিছুই না পাওয়ার অভিমানে জাহিদ হাসানের চোখে পানি টলমল করা... কিংবা 'আজ রবিবার' এর আবুল হায়াত গাচ্ছেন " কাঁনাই তুমি খেইর খেলাও কেনে.. রঙ্গে রঙ্গিলা কাঁনাই, কাঁনাই তুমি খেইর খেলাও কেনে"...

শতবছর পর এসে হাসন রাজা নামের নিশিতে পাওয়া পাগলাটে জমিদারকে আবার মানুষের মনে হাজির করে দিলেন একটি মানুষ... হুমায়ূন আহমেদ।

হুমায়ূন আহমেদ কোন সাহিত্য ম্যাজিশিয়ান ছিলেন না... তাঁর সবচেয়ে বড় ম্যাজিক হলো, তিনি আটপৌরে। সাধারণ মানুষ.. তোমার আমার মতোই... তোমার আমার গল্প বলতেন লোকটা... কোন এক ষোড়শী তরুণী নীরা'র আয়নার সামনে বসে একা কাঁদার কষ্ট... ষাট বছরের রিটায়ার্ড সরকারী কর্মকর্তা জমিরউদ্দীন সাহেবের গল্প.. সারাজীবন সংসারের ঘানি টানা ক্লান্ত বিষণ্ণ গৃহিণী রাহেলার গল্প... পরীক্ষার ঠিক আগের দিন রুটিন ছিড়ে ফেলে পরীক্ষা না দেয়ার মতো ক্ষেপাটে ডিসিশান নেয়া যুবক ফরিদের গল্প...!

মানুষটা আমাদের গল্পই আমাদের বলতেন.. তাই আমরা মন্ত্রমুগ্ধের মতো শুনতাম। সাহিত্যজ্ঞান ঝাড়ার জন্য কোনদিন লেখেন নি বলেই হয়তো অনেকের কাছে বাজারী লেখক ছিলেন।

রবীন্দ্রনাথ বর্ষার গান লিখেছেন, লিখেছেন কদমগুচ্ছে গান। সেই গানকে হুমায়ূন সত্য করে দিয়ে নীল শাড়ি পরা এক তরুণীর হাতে গুঁজে দিলেন বর্ষার প্রথম দিনের কদম ফুল...!

সাবিনা ইয়াসমিন গাইলেন হুমায়ূন আহমেদের লেখা গান-
"বর্ষার প্রথমদিনে ঘন-কালো মেঘ দেখে
আনন্দে যদি কাঁপে তোমার হৃদয়,
সেদিন তাঁহার সাথে করো পরিচয়..
কাছে কাছে থেকেও যে কভু কাছে নয়...!"

হুমায়ূন লিখলেন,
"দেখেছি মায়াময় দুই দুয়ারী ঘর..
সেইখানে বাস করে অশ্রু কারিগর...
তাকে ঘিরে টলোমলো করে-
নীলমণি অশ্রু সাগর...!"

প্রচন্ড একাকীত্বের যন্ত্রণায় ভোগা কোন এক তরুণীর মানসিক অবস্থা বর্ণনা করার জন্য এই চেয়ে সত্য, সুন্দর কিছু কেউ কোনদিন লিখেন নি।

মায়ার বাঁধন ছিড়ে মহাপুরুষ হবার চেষ্টায় থাকা হিমালয় কিংবা রহস্যের জট খোলার চেষ্টায় তৎপর প্রফেসর মিসির আলীর কথা থাক।

বরং মায়ার কথা'ই ধরি... জাহিদ হাসান সিদ্বান্ত নিয়েছেন জীবনের শেষ সিগারেটটা ধরাবেন প্রেমিকা নীতুদের বাড়ির সামনে... কিন্তু ম্যাচ বা লাইটার সাথে নেই। শমী জানালা দিয়ে ছুড়ে ফেললেন লাইটার... জাহিদ হাসান সেই লাইটার দিয়ে সিগারেট ধরিয়ে তাকিয়ে আছেন জানালার দিকে.... 'নীতু তোমাকে ভালোবাসি' যে দেখে নি, সে কি জানবে কি অসাধারণ দিন পার করেছে এই দেশের মানুষ...!?

বাকের এর ফাঁসির রায় হয়ে গেছে... চারিদিকে নিস্তব্ধতা।
জেলার সাহেব শেষমুহূর্তে এসে অন্তিম ইচ্ছা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, "বাকের সাহেব, কিছু খাবেন...??"

বাকের ভাই জেলার সাহেবের দিকে তাকিয়ে শান্ত গলায় বললেন, "ঠান্ডা এক গ্লাস পানি... আর একটা গান শুনতে চাই, 'হাওয়া মে উড়তা জায়ে'...!"

যে মুনা বাকের ভাই এর সাথে জীবনে নরম সুরে একটা কথা বলে নি... সেই মুনা'ই এলো বাকের ভাই এর লাশ নিতে.... জেলের সামনে দাঁড়ানো মুনার চোখের পানি... আর বুক ভরা হারানো বেদনা... ব্যাকগ্রাউন্ডে ঠিকই বেহালায় করুণ সুরে বাজছে "হাওয়া মে উড়তা জায়ে...!"

সেই কষ্ট ছুঁয়ে গেছে এদেশের প্রতিটা মানুষের অন্তর... এটা অস্বীকার করাটা নিমকহারামি হয়ে যাবে...!
বাকের ভাই মানুষটা এমনি সৃষ্টি হন নি... বাকের ভাই এর কষ্টে মানুষ এমনিতেই পথে নামেন নি।

সব কিছুর পেছনে স্রষ্টা হিসেবে জাদুর কাঠিটা হুমায়ূন আহমেদ নামের 'চরিত্রহীন' এবং 'বাজারী' লেখকটা'ই নেড়েছিলেন।

হুমায়ূন আহমেদ কি কি পেরেছিলেন আমি জানি না.. তবে তিনি আমার মতো কিছু সাহিত্যের নিয়ম-জ্ঞানহীন ছেলে-মেয়ের ভেতর প্রচন্ড রকমের সাহস ঢুকিয়ে দিয়ে গেছেন... এজন্য আমি সাতপাঁচ না ভেবেই যা খুশি তা লিখে ফেলতে পারি.. আমার চেয়েও অনেক বেশি ভালোও লিখে ফেলে অনেকে।
আমি এই খারাপ মানুষটিকে মিস করি... মানুষটি লিখতেন বলেই আমি দু'কলম লেখার দুঃসাহস করতে পেরেছিলাম... মানুষটি নেই বলে আমার বই মেলায় আর কোন বই কেনা হয় না।

'অপেক্ষা'র শুরুতে হুমাইয়ূন আহমেদ লিখেছিলেন,
"ঘর খুলিয়া বাইর হইয়া
জোছনা ধরতে যাই
আমার হাত ভর্তি চাঁদের আলো
ধরতে গেলে নাই..."

একজন মানুষ এতো অল্প কথায় সমুদ্রসম অনুভূতি লিখে ফেলতে পারেন না... যিনি পারতেন, তিনি অবশ্যই ম্যাজিশিয়ান। ভালো থাকুক 'অপেক্ষা'র সুরাইয়া, ইমন, মিতু এবং সুপ্রভা... যার মৃত্যুতে হুমায়ূন লিখেছিলেন, "ছোট্ট সুপ্রভা। তোমার প্রসঙ্গ 'অপেক্ষা' উপন্যাসে আর আসবে না। কারণ তোমার জন্যে কেউ অপেক্ষা করে থাকবে না। মৃত মানুষদের জন্যে আমরা অপেক্ষা করি না। আমাদের সমস্ত অপেক্ষা জীবিতদের জন্যে। এই চরম সত্যটি না জেনেই তুমি হারিয়ে গেলে।"

অথচ আমরা হুমায়ূন আহমেদের জন্য ঠিকই অপেক্ষা করি... আজও পৃথিবীতে চান্নি পসর রাইত নামে... 'ফকফকা' জোছনার ফুল ফোটে চারিদিকে। ফিনিক ফোঁটা জোছনা নামে... অথচ দেখার জন্য মানুষটা নেই... কোন মানে হয়...!? হুমায়ূন আহমেদ মারা গেছেন আজ প্রায় ১৪ বছর। ১৪ বছর অনেক লম্বা সময়। তবে এই দীর্ঘ ১৪ বছরে মানুষটা কি প্রচন্ড ভাবে রেলেভেন্ট ছিলেন সিনেমায়, নাটকে, সাহিত্যে...! আজ থেকে আরো ১৪ বছর পর গিয়ে তাঁকে নিয়ে লিখতে গেলে আমার আবারো এই লাইনটাই লিখতে হবে।
এই জায়গাতেই হুমায়ূন সফল।


লেখাঃ Arif Moynuddin

ছবি সমগ্রঃ হুমায়ূন আহমেদ এর বিভিন্ন বইসমূহের উৎসর্গ পত্র। অনেকের মুখে 'বাজারী' তকমা পাওয়া মানুষটার উৎসর্গ পত্রও ছিলো চমৎকার রকমের সাহিত্য! ❤

06/06/2026

মারজুক রাসেল একটা সময় কবি ছিলেন। কবিতার পাশাপাশি লিখে ফেলেছিলেন বাংলা সঙ্গীত ইতিহাসের অসম্ভব রকমের জনপ্রিয় কিছু গান।
যেমন- জেমসের জন্য তিনি লিখলেন, 'মীরাবাঈ', 'তেরো নদী সাত সুমুদ্দুর', 'লেইস ফিতা লেইস', 'পত্র দিও', 'হাউজি', 'এপিটাফ' এর মতো কালজয়ী সব গান... আইয়ুব বাচ্চু'র জন্য 'বনলতা সেন', 'আমি তো প্রেমে পড়ি নি'... এমনকি হাবিব-ন্যান্সির 'দ্বিধা' গানের লিরিকও মারজুক এর লেখা।

মারজুক নাটক-সিনেমায় নাম লেখান মোস্তফা সরোয়ার ফারুকী এবং তার দল ছবিয়ালের সাথে। এই বিজ্ঞাপন চিত্রটিও ছবিয়াল নির্মিত।

"তুমি হাঁটলে ঢেউ উঠে পথে,
না হাঁটলে উঠে ঝড়...
তুমি তাকালে আমি আর আমি নেই,
না তাকালে সব গড়বড়...!
তুমি বসলে আমি একা থেমে যাই,
না বসলে থামে সব।
তুমি হাসলে যেন এক ফালি চাঁদ,
না হাসলে পূর্ণিমা;

সুন্দরীতমা... সুন্দরীতমা...!"

শামসুর রাহমান এর কবিতা থেকে জেমসের গাওয়া গান 'তারায় তারায়' এর সম্বোধন 'সুন্দরীতমা'কে পুনরায় প্রাণ ফিরিয়ে দিলেন মারজুক... যেন সিনেমার সুন্দর রোমান্টিক মুহূর্তের জন্য লেখা কোন লিরিক মারজুক লিখলেন বিজ্ঞাপনের জন্য।
তখন শ্রাবস্তী দত্ত তিন্নী ছিলেন প্রায় নাটক এবং বিজ্ঞাপনের প্রাণ। ছবিয়ালের ভালো সব নাটক মানেই তিন্নীর উপস্থিতি... অভিনয়, হিউমার, এক্সপ্রেশানে তিন্নী ছিলেন কুইন।

এই ছোট্ট বিজ্ঞাপনের মধ্যেও তিন্নীর সব কয়টি এক্সপ্রেশান জিঙ্গেলটাকে ফুটিয়ে তুলেছে আরো বেশি... এই অভিনয় তিন্নী ছাড়া কাউকে দিয়ে বোধহয় সম্ভব হতো না।

কক্সবাজারে পুরোনো মারমেইডে শ্যুট হওয়া এই বিজ্ঞাপনটা টিভিতে এলে শেষ হবার আগ পর্যন্ত আমরা কেউই চ্যানেল পাল্টাই নি। এমনই ক্লাসিক একটা কম্বিনেশন ছিলো এই বিজ্ঞাপনে।

আমি জানতে পারলাম তিন্নীর রূপের রহস্য কি... তবে তিন্নী কেনো এভাবে হারিয়ে গেলেন, সেটা আর জানা হলো না!

Address

House No. 191, CDA, F-03, Commerce View, Nasirabad Main Road
Chittagong
4000

Telephone

+8801754513561

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Old Souls Inc. posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Old Souls Inc.:

Share