Kaisar For Humanity

Kaisar For Humanity আপনাদের সামান্য সাপোর্ট,
আমার এগিয়ে চলা অনুপ্রেরণা

ঠিকানায় সাক্ষাৎকারে মহিউদ্দিন কে কর্নেল অলি আহমেদ অবাক করা তথ্য দিলেন। কর্নেল অলি আহমেদ জামাতকে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ...
13/08/2026

ঠিকানায় সাক্ষাৎকারে মহিউদ্দিন কে কর্নেল অলি আহমেদ অবাক করা তথ্য দিলেন। কর্নেল অলি আহমেদ জামাতকে নিয়ে কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা বলেছেন।জামাতকে ৪০ বছর অবজার্ভ করেছে তারপরে ১১ দলীয় জোটে যোগ দিয়েছেন।

মহিউদ্দিন সাহেব প্রশ্ন করলেন, আপনার নিশ্চিত পরাজয় জেনেও কেন রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হয়েছেন?
উত্তরে কর্নেল অলি আহমেদ বললেন, এটাই গণতান্ত্রিক যুদ্ধ ও সৌন্দর্য। গণতান্ত্রিক পদ্ধতি ঠিক রাখার জন্য নিশ্চিত পরাজয় জেনেও আমি প্রার্থী হয়েছি।

বিএনপি ও আমার মত যোগ্যতা সম্পন্ন একজন প্রার্থী নির্ধারণ করুক। আবার ১১ দলীয় জোট যদি প্রার্থী না দিত আপনি মহিউদ্দিন আমাকে প্রশ্ন করতেন কেন প্রার্থী দিলাম না। এখন প্রার্থী দিয়েছি, এখন আবার প্রশ্ন করছেন কেন প্রার্থী দিলাম।তাহলে কোন দিকে যাব বলেন।

মহিউদ্দিন আবার প্রশ্ন করলেন,অলি আহমেদ আপনি বলেছেন,জামাতের আমির ডা শফিকুর, রহমান মামুনুল হক, নাহিদ ইসলাম এরা এক সাথে আন্দোলন করলে সরকারের পতন এক সপ্তাহে নিশ্চিত হবে। কেন বলেছেন?

উত্তরে অলি আহমেদ বলেন, আমি জামাতকে প্রায় ৩০-৪০ বছর যাবত অবজারভ করছি। জামায়াত অন্য সংগঠনের মত ঠুনকো কোন দল নয়। জামাতের চেইন অফ কমান্ড আছে। এরা সংঘবদ্ধ আন্দোলন করতে জানে।

জামায়াত মাঠ থেকে পলায়ন করে না। আমাদের দলের নেতা কর্মীরা রাস্তার কোথাও একটা ফায়ারের শব্দ হলে জানের ভয়ে সবাই পালিয়ে যায়। কিন্তু জামাত মৃত্যুর পরোয়া করে না মাঠ ছেড়ে পালিয়ে যায় না।

অলি আহমেদ মহিউদ্দিন কে আরো বলেন,জামাতের কর্মসূচি গুলো লক্ষ্য করবেন প্রচন্ড বৃষ্টির মধ্যেও একটা লোক চলে যায় না। অন্য কোন দলে আমি এমন দেখি নাই। এইজন্য আমি বলেছি জামায়াত আন্দোলন করলে সরকারের পতন ৭ দিনের ভিতর নিশ্চিত হবে।

মহিউদ্দিন সাহেব আরো প্রশ্ন করলেন, বিএনপি'র নেতাকর্মীরা বলছেন আপনি লোভে পড়ে জামাতের সঙ্গে আসছেন।
উত্তরে কর্নেল অলি আহমেদ বললেন, আওয়ামী লীগ সরকার আমাকে মন্ত্রী বানাতে চেয়েছিল ১৯৯৬ সালে, ২০০১সালে, ২০০৮ সালে এবং আমাকে অনেক টাকা দিতে চেয়েছিল। আমাকে মন্ত্রীর অফার করেছিল। আমি রাজি হই নাই। আমি খালেদা জিয়ার সাথে কখনোই বেইমানি করি নাই

জামাতের জোটে এসেছি তাদের আদর্শ দেখে। দেশের প্রতি দেশের মানুষের প্রতি জামায়াতের ভালোবাসা দেখে। এখানে আল্লাহ ওয়ালা লোক আছে রাসূল প্রেমী লোক আছে মূলত ইসলাম কে ভালোবেসেই আমি জামায়াতের সাথে আসছি।

12/08/2026
*যে খুনের বৈধতা প্রথম আলো তৈরি করেছিল! মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলামকে সম্প্রতি মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবি দেওয়া হয়...
03/08/2026

*যে খুনের বৈধতা
প্রথম আলো তৈরি করেছিল!

মেজর (অব.) জাহিদুল ইসলামকে সম্প্রতি মরণোত্তর ব্রিগেডিয়ার জেনারেল পদবি দেওয়া হয়েছে। তাকে কীভাবে হত্যা করা হয়েছিল, সেই নৃশংসতার বিবরণ কমবেশি আজ সবারই জানা, তাই সেই আলোচনায় আর যাচ্ছি না। শুধু একটাই প্রশ্ন রাখছি, এই হত্যা কান্ডের জাস্টফিকেশনের বয়ানটা কে লিখেছিল?

২০১৬ সালের ২ সেপ্টেম্বর, রূপনগরে এক অভিযানে কথিত "জঙ্গি" হিসেবে, গুলিতে নিহত দেখানো হয় সাবেক এই সেনা কর্মকর্তাকে। বাস্তবে - নির্মমভাবে হত্যা করা হয়! তার স্ত্রী জেবুন্নাহার ইসলাম ও দুই শিশুকন্যাকেও ছাড় দেয়া হয়নি, চোখ বেঁধে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় ডিবির আয়নাঘরে, রাখা হয় চার মাস সাত দিন। পরে জেবুন্নাহার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে অভিযোগ করেন, তার স্বামীকে জঙ্গি নাটক সাজিয়ে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে, আসামির তালিকায় সাবেক আইজিপি একেএম শহিদুল হক, হাসিনা রেজিমের ডিবিপ্রধান মনিরুল ইসলাম, সিটিটিসির তৎকালীন প্রধান আসাদুজ্জামানসহ আরও কয়েকজন।
মেজর জাহিদকে হত্যার ঠিক পরেই - "আড়াই বছর আগে উগ্রবাদে জড়ান মেজর জাহিদ" - এই শিরোনামে প্রথম আলো লিখেছিল, “পরিবার ও নিকটাত্মীয়দের কাছ থেকে বিদায় নিয়ে তিনি জঙ্গিবাদের পথে পা বাড়িয়েছিলেন।”[১] খেয়াল করুন সময়টা, রাষ্ট্রীয় বাহিনীর গুলিতে একজন অবসর প্রাপ্ত আর্মি অফিসার হত্যা করার সাথে সাথেই তার "জঙ্গি হয়ে ওঠার" গল্পটাও রেডি। তদন্ত নেই, বিচার নেই - হত্যাকাণ্ড হয়ে গেছে, এবার সেটা জায়েজ করার পালা!

এই দুটো ঘটনা পাশাপাশি রাখলে একটা মেকানিজম স্পষ্ট হয়। কেউ একজন খুন করে। আর কেউ একজন, খুনটাকে বৈধতা দেওয়ার ভাষা তৈরি করে রাখে। যাকে মারা হবে, তাকে ডিহিউম্যানাইজ করতে হয় - "জঙ্গি" নামের একটা তকমা লাগিয়ে তাকে মানুষের ক্যাটাগরি থেকে বের করে দিতে হয়। তারপর তাকে মারা আর অপরাধ থাকে না, হয়ে যায় "অপারেশন"।
কে মেরেছে, সেটা আমরা মোটামুটি জানি - ডিবি, তৎকালীন পুলিশ প্রশাসন। কিন্তু যারা সেই খুনের ভাষাটা তৈরি করে দিয়েছিল, তাদের নাম বিচারের কাঠগড়ায় ওঠে না। অথচ প্রকৃত অর্থে তারাই বেশি ভয়ংকর, কারণ তারা খুনটা প্রতিটা মানুষের চোখের সামনে ঘটিয়েও দিনের পর দিন প্রশ্নাতীত থেকে যায়।

এখানেই আসল বিভ্রম শুরু হয়। যে প্রতিষ্ঠান একটা হত্যার বৈধতা তৈরি করে দিল, ঠিক সেই প্রতিষ্ঠানই আবার নতুন বাস্তবতায়, নতুন সরকারের অধীনে, ফিরে এসে লেখে - "মেজর জাহিদুল হত্যা মামলায় সাবেক আইজিপি শহিদুলকে হাজিরের নির্দেশ"।[২] একই কলম, একই প্রতিষ্ঠান, দুই বিপরীত ভূমিকায় - একবার খুনের পরে বৈধতা বানানো, একবার খুনের পরে বিচারের প্রতিবেদন লেখা। এই দুটোর মাঝখানে কোনো জবাবদিহিতা নেই, কোনো ক্ষমা চাওয়া নেই, শুধু বয়ান বদলে গেছে, কারণ ক্ষমতা বদলেছে।

এই প্যাটার্নটা মেজর জাহিদে থেমে থাকে না। "জঙ্গি" তকমাটা বাংলাদেশে বহু নিরীহ মুসলিমের জীবন শেষ করে দিয়েছে, একই মিডিয়া হেজেমনির ভাষায়। যতদিন এই হেজেমনি টিকে থাকবে, ততদিন তকমাটা শুধু নাম বদলে ফিরে আসবে।
কিন্তু এই হেজেমনি একা টেকে না। এটা টিকে থাকে দেশের একটা সুশীল শ্রেণির কাঁধে ভর দিয়ে, যারা প্রথম আলোর মতো প্রতিষ্ঠানের এই ভূমিকাটা ভালোভাবেই চেনে, তবু প্রশ্ন তোলে না। এই তোষণের পেছনে কারণ একটাই - ইসলাম-বিদ্বেষ। যতদিন প্রথম আলোর মতো হেজেমন টিকে থাকবে, ততদিন জঙ্গিবাদের নামে হোক বা অন্য যেকোনো নামেই হোক, এই দেশের ইসলামোফোবিক হেজেমনি ধরে রাখা যাবে, ইসলামি জাগরণকে চেক অ্যান্ড ব্যালেন্সে রাখা যাবে।

লক্ষ করুন, প্রথম আলোর মতো হেজেমনদের যদি সত্যিই জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়, তাহলে টাখনুর ওপরে প্যান্ট পরা, শুদ্ধভাবে সালাম দেওয়া, জন্মদিন উদযাপন না করা, গান-বাজনা না শোনা… এই সাধারণ ধর্মীয় চর্চাগুলোকে "জঙ্গিবাদের লক্ষণ" হিসেবে কে ফ্রেমিং করবে? কে এই ন্যারেটিভ তৈরি করবে? কে এই কনসেন্ট ম্যানুফ্যাকচার করবে?

তাই এটা কোনো বিচ্ছিন্ন দুঃসংবাদ নয় যে পড়ে ভুলে যাওয়া যায়। এটা একটা ডেলিবারেট ইকোসিস্টেম, যেখানে প্রতিটা অংশ একে অন্যের থেকে লাভবান হয় - আর এই ইকোসিস্টেমের কেন্দ্রে বসে আছে ইসলামোফোবিয়া।
মেজর জাহিদের দোষ কি ছিল? পিলখানা ম্যাসাকারে ভারতের সংশ্লিষ্টতার ব্যাপারে তিনি একটু বেশিই জানতেন, ভারতের দালাল প্রথম আলো - তাকে সাজিয়ে দিল জঙ্গি! এটি প্রথম আলোর কোন দুর্ঘটনা বা ভুল নয়, বরং এটিই তার ডি এন এ!

প্রশ্নটা তাই সহজ কিন্তু অস্বস্তিকর। যে প্রতিষ্ঠান খুনের বৈধতা তৈরি করে, খুনের পরে সেই একই প্রতিষ্ঠানের কলমে বিচারের খবর পড়ে আমরা কি সন্তুষ্ট হয়ে যাব? নাকি জিজ্ঞেস করব, প্রথম বয়ানটা লেখার সময় তাদের অবস্থান কী ছিল, আর কার স্বার্থে ছিল?

মেজর জাহিদুল ইসলামের নামের পাশে এখন মরণোত্তর "ব্রিগেডিয়ার জেনারেল" বসেছে বটে, কিন্তু যে কলম তাকে প্রথম "জঙ্গি" বানিয়েছিল, সেই কলমটা এখনো একই হাতে, একই ছাপাখানায়, প্রতিদিন নতুন কারো নাম লেখার অপেক্ষায়!

- এরপরে কে?

ইউরোপ ভেবে ভুল করবেন না!
02/08/2026

ইউরোপ ভেবে ভুল করবেন না!

স্বপ্নের খামার বাড়ি প্রজেক্ট। আপনারও কি স্বপ্ন এই রকম  খামার বাড়ির...more
01/08/2026

স্বপ্নের খামার বাড়ি প্রজেক্ট।
আপনারও কি স্বপ্ন এই রকম
খামার বাড়ির...more

পেকুয়া সদর ইউনিয়নে ছিল দুইটি মৌজা।একটি পেকুয়া অন্যটি মেহেরনামা।সম্প্রতি পেকুয়া মৌজার পুরো অংশ এবং মেহেরনামা মৌজার আংশিক ...
01/08/2026

পেকুয়া সদর ইউনিয়নে ছিল দুইটি মৌজা।একটি পেকুয়া অন্যটি মেহেরনামা।

সম্প্রতি পেকুয়া মৌজার পুরো অংশ এবং মেহেরনামা মৌজার আংশিক অংশ নিয়ে গঠিত হয়েছে পেকুয়া পৌরসভা। মেহেরনামা মৌজার বাকি অংশ নিয়ে "মেহেরনামা ইউনিয়ন" হবে না "পেকুয়া সদর ইউনিয়ন" হবে এ নিয়ে ছিল সংশয়।

সকল সংশয়কে দূর করে মেহেরনামা বাসীর বহুল প্রত্যাশিত "মেহেরনামা ইউনিয়ন " বাস্তবায়িত হচ্ছে দেখে নিজে যেমন আনন্দিত তেমনি এই জনপদের অবিসংবাদিত জননেতা মাননীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী জনাব Salahuddin Ahmed mp মহোদয় এর প্রতি রইল কৃতজ্ঞতা।

১৩ বছর বয়সী মা আদালতে আসছে তার৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে যে...
31/07/2026

১৩ বছর বয়সী মা
আদালতে আসছে তার
৭ মাসের সন্তানকে ফিরে পেতে 😰

এই কিশোরী মায়ের নাম জুঁই। বয়স মাত্র ১৩ বছর। অথচ তার কোলে যে ফুটফুটে শিশুটিকে দেখা যাচ্ছে, সে-ই তার সাত মাসের সন্তান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে ফেসবুকে পরিচয়ের সূত্র ধরে ২২ বছর বয়সী সাকিব মিয়াকে বিয়ে করে জুঁই। এক বছরের মাথায় তাদের সন্তানের জন্ম হয়। কিন্তু সন্তান জন্মের পরপরই স্বামী ও শাশুড়ি শিশুটিকে রেখে জুঁইকে বাড়ি থেকে বের করে দেন।

নিজের সন্তানকে ফিরে পাওয়ার জন্য এই কিশোরী মা আদালতের দ্বারস্থ হন। শেষ পর্যন্ত আইনের সহায়তায় তিনি তার সাত মাসের সন্তানকে ফিরে পান।

মাত্র ১১ বছর বয়সে বিয়ে, অল্প বয়সে মাতৃত্ব, সংসার থেকে বিতাড়িত হওয়া সব মিলিয়ে জীবনের কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি হতে হয়েছে এই ছোট্ট মেয়েটিকে। যে বয়সে তার স্কুলে যাওয়ার কথা ছিল, সেই বয়সেই তাকে লড়তে হয়েছে সংসার, মাতৃত্ব আর আদালতের লড়াই।

তবে সবকিছুর মাঝেও একটি বিষয় হৃদয় ছুঁয়ে যায় সেটা হলো মায়ের ভালোবাসার কোনো বয়স হয় না। মা কিশোরী হোন কিংবা প্রাপ্তবয়স্ক, সন্তানের প্রতি তার ভালোবাসা, মায়া আর টান সবসময়ই সমান গভীর।

Follow: Mohammad Kaisar Uddin

চট্টগ্রাম আজ পানির নিচে,কিন্তু মানুষের সাহস এখনো ডুবে যায়নি।প্রতিটি ডুবে যাওয়া ঘরের পেছনে আছে অসংখ্য স্বপ্ন, প্রতিটি অ...
13/07/2026

চট্টগ্রাম আজ পানির নিচে,
কিন্তু মানুষের সাহস এখনো ডুবে যায়নি।

প্রতিটি ডুবে যাওয়া ঘরের পেছনে আছে অসংখ্য স্বপ্ন, প্রতিটি অসহায় চোখে আছে বাঁচার আকুতি। এই কঠিন সময়ে আসুন আমরা সবাই চট্টগ্রামের মানুষের পাশে দাঁড়াই—যার যা সামর্থ্য, তাই দিয়ে।
#চট্টগ্রাম #বন্যা

আমেরিকার পেন্টাগনের চেয়েও আয়তনে প্রায় ৮ গুণ বড় সামরিক সদর দপ্তর তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল মিশর!মিশরের নতুন প্রশাসন...
05/07/2026

আমেরিকার পেন্টাগনের চেয়েও আয়তনে প্রায় ৮ গুণ বড় সামরিক সদর দপ্তর তৈরি করে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিল মিশর!

মিশরের নতুন প্রশাসনিক রাজধানীতে নির্মিত এই পরাক্রমশালী সামরিক ও জাতীয় নিরাপত্তা সদর দপ্তরের নাম 'দ্য অক্টাগন' (The Octagon)।

২০২৬ সালের ৪ জুলাই মিশরের প্রেসিডেন্ট আবদেল ফাত্তাহ আল-সিসি আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল সামরিক সদর দপ্তরের উদ্বোধন করেন। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি সশস্ত্র বাহিনীর পতাকা উত্তোলন এবং উদ্বোধনী সনদে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এর আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন।

যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বখ্যাত 'পেন্টাগন'-কে বিশাল ব্যবধানে ছাড়িয়ে এটি এখন বিশ্বের সবচেয়ে বড় সামরিক সদর দপ্তর। প্রায় ২২,০০০ একর (৮৯ বর্গকিলোমিটার) এলাকা জুড়ে বিস্তৃত এই বিশাল কমপ্লেক্সের মোট ফ্লোর স্পেস প্রায় ৪৭ লাখ বর্গমিটার।

প্রাচীন মিশরীয় ও ইসলামিক স্থাপত্যে 'আট' সংখ্যাটি ভারসাম্য ও শৃঙ্খলার প্রতীক। সেই ঐতিহ্য অনুসরণ করেই এর প্রধান ভবনগুলো অষ্টভুজাকার (আট কোণবিশিষ্ট) নকশায় নির্মাণ করা হয়েছে। এ কারণেই এর নাম রাখা হয়েছে 'দ্য অক্টাগন'। মূল কমপ্লেক্সে রয়েছে ৮টি বাহ্যিক এবং ২টি অভ্যন্তরীণ প্রধান ভবন।

মিশরের সেনাবাহিনী, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী এবং বিমান প্রতিরক্ষা বাহিনীকে একটি কেন্দ্রীয় নেটওয়ার্কের আওতায় এনেছে এই অক্টাগন। এটি অত্যাধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), শক্তিশালী সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং রিয়েল-টাইম যুদ্ধক্ষেত্র পর্যবেক্ষণ সক্ষমতাসম্পন্ন একটি কেন্দ্রীয় ডেটা সেন্টার দ্বারা সুসজ্জিত।

এটি শুধু একটি প্রশাসনিক কার্যালয় নয়, বরং একটি পূর্ণাঙ্গ শহর! এর ভেতরে রয়েছে নিজস্ব আবাসন প্রকল্প, হাসপাতাল, মসজিদ, স্পোর্টস ক্লাব, স্কুল, শপিং মল এবং বিশ্বমানের আধুনিক সামরিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র।

কায়রো থেকে প্রায় ৪৫ কিলোমিটার পূর্বে নির্মিত এই বিস্ময়কর স্থাপনাটি মিশরের সামরিক, প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সক্ষমতাকে নতুন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের করা ভুলগুলো কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াতের মাধ্...
04/07/2026

খামেনির জানাজা অনুষ্ঠানে সৌদি ও তুরস্কের প্রতিনিধিদের সামনে তাদের করা ভুলগুলো কোরআনের ভিন্ন ভিন্ন আয়াত তিলাওয়াতের মাধ্যমে ইরান বুঝিয়ে দিয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ, পাকিস্তান, আফগানিস্তান,কাতার এবং ইরানকে সহায়তাকারী হুথি, হামাস ও হিজবুল্লাহকেও পৃথকভাবে সুন্দর বার্তা দেওয়া হয়েছে।

সৌদি আরবের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩ তিলাওয়াত করা হয়।

"নিশ্চয়ই তোমাদের জন্য দুটি দলের মুখোমুখি হওয়ার মধ্যে একটি নিদর্শন ছিল; একদল আল্লাহর পথে যুদ্ধ করছিল এবং অন্য দলটি ছিল কাফের (অবিশ্বাসী)...।" (সূরা আলে ইমরান, ৩:১৩)

ইরানের আসল বার্তা :
ইসলামের ইতিহাসে বদরের যুদ্ধ ছিল হক (সত্য) ও বাতিলের (মিথ্যা) মধ্যকার প্রথম মুখোমুখি লড়াই। সৌদি আরবকে এই আয়াত শোনানোর অর্থ হলো—ইরান নিজেকে আল্লাহর পথের দল (হক) দাবি করছে। আর সৌদি আরব যেহেতু আমেরিকার ঘনিষ্ঠ মিত্র এবং বর্তমান পরিস্থিতিতে ইরানের প্রতিরোধ অক্ষের সরাসরি পক্ষে দাঁড়ায়নি, তাই ইরান তাদের পরোক্ষভাবে 'বাতিল' বা 'অবিশ্বাসী' শিবিরের কাছাকাছি অবস্থানকারী হিসেবে ইঙ্গিত করে এক কূটনৈতিক খোঁচা দিয়েছে।

তুরস্কের প্রতিনিধিদলের সামনে:
সূরা আন-নিসা, আয়াত ৯৫ তিলাওয়াত করা হয়।

"ঈমানদারদের মধ্যে যারা কোনো কারণ ছাড়াই ঘরে বসে থাকে এবং যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জান ও মাল দিয়ে জিহাদ করে, তারা সমান হতে পারে না। যারা জান-মাল দিয়ে জিহাদ করে, আল্লাহ তাদের মর্যাদা ঘরে বসে থাকা লোকদের চেয়ে অনেক বাড়িয়ে দিয়েছেন...।" (সূরা আন-নিসা, ৪:৯৫)

ইরানের আসল বার্তা :
তুরস্ক ও দেশটির প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান মুখে ফিলিস্তিন বা গাজার পক্ষে অনেক বড় বড় কথা বললেও, বাস্তবে ইসরায়েল বা আমেরিকার বিরুদ্ধে কোনো সামরিক পদক্ষেপে যায়নি বা ইরানের মতো সরাসরি যুদ্ধে জড়ায়নি। তুরস্কের প্রতিনিধিদলকে এই আয়াত শোনানোর উদ্দেশ্য ছিল প্রতীকী বার্তা দেওয়া। ইরান এর মাধ্যমে বার্তা দিয়েছে—"তোমরা কেবল মুখে বড় কথা বলে ঘরে বসে আছ, আর আমরা (ইরান, হিজবুল্লাহ, হুথি) জান-মাল দিয়ে ময়দানে লড়াই করছি। তাই আল্লাহর দরবারে আমাদের মর্যাদাই সবার উপরে।"

এছাড়াও পাকিস্তানকে কোরআনের আয়াতের মাধ্যমে আমেরিকা ও ইসরায়েলের ভয়ে ভীত না হয়ে সত্যের পথে অটল থাকা এবং সঠিক পথে সমঝোতার বার্তা দেওয়া হয়েছে। কাতারকেও তাদের ভুল বুঝতে পারা এবং সঠিক সমঝোতার ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

পাশাপাশি হামাস, হিজবুল্লাহ ও হুথিদের তাদের বীরত্ব,শহীদ হওয়া, দমে না যাওয়া,বিজয় এবং আল্লাহর পক্ষ থেকে তাদের জন্য পুরস্কারের বিষয়ে আয়াত তিলাওয়াত করা হয়েছে।

আফগানিস্তানের প্রতিনিধিদল তেহরানে রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে উপস্থিত হলে ইরান তাদের সূরা আল-ফাতহ (৪৮ নম্বর সূরা)-এর ১ থেকে ৩ নম্বর আয়াতের তেলাওয়াত শোনায়।

"নিশ্চয়ই আমি আপনাকে (হে মুহাম্মদ) একটি স্পষ্ট ও পরিপূর্ণ বিজয় দান করেছি।" (সূরা আল-ফাতহ, আয়াত:১)

ইরানের আসল বার্তা :
২০ বছরের দীর্ঘ যুদ্ধের পর আমেরিকার মতো পরাশক্তিকে দেশ থেকে প্রত্যাহার করতে বাধ্য করায়, আফগানিস্তানের এই সংগ্রাম ও রাজনৈতিক বিজয়কে প্রতীকী অর্থে সম্মান জানাতে এবং অভিনন্দন জানাতেই ইরান তাদের এই আয়াতটি শোনায়।

বাংলাদেশের জন্য পঠিত আয়াত (সূরা আল-বাকারা: ১৪৩):

"এবং এভাবেই আমি তোমাদের এক মধ্যপন্থী জাতি (উম্মাতান ওয়াসাতান) বানিয়েছি, যাতে তোমরা মানবজাতির জন্য সাক্ষী হও এবং রাসূল তোমাদের জন্য সাক্ষী হন।"

ইরানের বার্তা: বাংলাদেশ কোনো আগ্রাসী যুদ্ধ বা ভূ-রাজনৈতিক মেরুকরণে সরাসরি জড়ায়নি। বাংলাদেশ সবসময় ফিলিস্তিনের পাশে দাঁড়িয়েছে, আবার বৈশ্বিক শান্তি ও মধ্যপন্থাও বজায় রেখেছে। ইরান এই আয়াতের মাধ্যমে বাংলাদেশকে 'উম্মাহর এক ভারসাম্যপূর্ণ ও সম্মানিত অংশ' হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে এবং বাংলাদেশের শান্তিকামী পররাষ্ট্রনীতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা প্রকাশ করেছে।

Address

Chittagong

Telephone

+96871303439

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Kaisar For Humanity posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Kaisar For Humanity:

Shortcuts

Share