A Bunch Of Dreams

A Bunch Of Dreams ❤️❤️❤️

18/12/2024
17/12/2024

একজন স্বামী প্রতিটা কাজে স্ত্রীর খুঁত ধরেন। খুব সাধারণ বিষয়ে বিশ্রীভাবে বকাঝকা করেন। এমনকি মাঝে মাঝে গায়ে হাত তোলার জন্য তেড়ে আসেন। স্ত্রীর বলা প্রতিটি কথা এবং কাজ যেন ভুলে ভর্তি। খাবার দিতে এক মিনিট দেরী হলে ক্রুদ্ধ হয়ে স্বামী চলে যান। আবার ফিরার আগেও বলেন না। কোনো রুটিন নেই। যখন-তখন ঘরে ফিরে একই ব্যবহার করেন।

ভয়ে কুঁকড়ে থাকা স্ত্রী তার সন্তানকে পড়তে বসার কথা বললেও দোষ। স্বামীর কথা, "সারাক্ষণ পড়ার কথা বলতে হবে কেন?" আবার পড়ার কথা না বললেও দোষ। "ঘরে থেকে বাচ্চাকে কেন পড়াতে পারবে না? এতো কীসের কাজ?"

বাচ্চা দুষ্টুমি করলেও স্ত্রীর দোষ। আবার চুপচাপ থাকলে-ও দোষ। শাসন করলেও দোষ। তবে স্বামী সবকিছু করতে পারবেন। স্ত্রী-সন্তানদের প্রতি সম্পূর্ণ অধিকার দেখিয়ে মারতেও পারবেন। আর স্ত্রী মানেই দোষে ভরপুর একটি মানুষ। যার ভুল-ভ্রান্তি ছাড়া আরকিছুই নজরে পড়ে না। কথায় কথায় আবার ছেড়ে দেওয়ার হুমকি!

সহ্যসীমা পাড় করে একদিন স্ত্রী স্বে-চ্ছায় বিচ্ছেদ চাইলেন। কিন্তু, স্বামী ছাড়তে নারাজ। কপাল কুঁচকে বলেন, "সন্তানদের কী হবে? এ কেমন মা যে সন্তানদের ভবিষ্যৎ নষ্ট করতে চায়!"

কোমলমতি স্ত্রী এই বিষাক্ততা পুনরায় সহ্য করতে লাগলেন। কিন্তু, স্বামীর পরিবর্তন হলো না৷ তিনি ছাড়বেনও না, ধরবেনও না। আবার ভালো ব্যবহারও করবেন না। সারাক্ষণ রাগ-ক্ষোভ, বিরক্তি এবং হিংস্র আচরণ করেও চান স্ত্রী তার সাথে থাকুক।

এ পৃথিবীতে এমন স্ত্রীদের অভাব নেই, যারা দিনের পর দিন একটা টক্সিক মানুষকে সহ্য করে যাচ্ছেন। তিনি জানেন মানুষটি শুধরাবে না, তবুও সন্তানের দিকে তাকিয়ে সবটুকু মেনে নেন। যেন সন্তান তার বাবাকে না হারায়। অথচ, এসব বাবারা কিন্তু কখনোই সন্তানের প্রতি টান দেখান না।

উল্লেখিত ঘটনার এই নারী বর্তমানে বাইপোলার ডিসওর্ডারে আক্রান্ত। যা নিরাময়অযোগ্য। এই নারী এখন না সুখ বুঝেন, আর না তো দুঃখ। হাসতে হাসতে কান্না করে ফেলেন, আবার কাঁদতে কাঁদতে হাসেন। রাত কাটে তার টক্সিক মূহুর্ত স্মরণ করে। নিজের জীবনের প্রতি এতোটাই বিতৃষ্ণা, বিষাদ জমেছে যে, মৃত্যুকে তার মুক্তি বলে মনে হয়।

এই ধরণের রোগীরা সুযোগ পেলে পরিশেষে মৃত্যুকেই বেছে নেয়।

দুঃখজনকভাবে অসুস্থ স্ত্রী এখন স্বামীর বোঝা। এখনো সেই আগের মতো স্বামী তার টক্সিক আচরণ ধরে রেখেছেন। তবে স্ত্রীও আগের মতো কুঁকড়ে নেই। যে কোনো মূহুর্তে স্বামীকে ছাড়তে তিনি প্রস্তুত। তবুও তাদেরকে একসাথে থাকতে হচ্ছে। পারিবারিকভাবে এই বিচ্ছেদ কখনোই সম্ভবপর নয়। স্বামীও তা চান না।

এতকিছুর পরেও স্বামীর আচরণ আর বদলায় নি। তিনি স্ত্রীকে রাখতে চান, কিন্তু ভালো ব্যবহার ও ভালোবাসা দেখাতে পারবেন না। জগতের সবকিছু দিয়ে হলেও স্ত্রীকে পাশে দেখতে চান, তবে স্ত্রীকে একটু মানসিক শান্তি দিতে পারবেন না। এমনকি এই যে তার ধরে রাখার চেষ্টা, এটাও স্ত্রীকে বুঝতে দেন না।

টক্সিক পার্সন বরাবরই ভয়ংকর এবং বিপদজনক এক অভিশপ্তের নাম। সময়মতো তা প্রতিহত করতে না পারলে এরা একটা মানুষকে তীলে তীলে ধ্বংস করে দেয়। অন্যকে মানসিকভাবে অত্যাচার করার ক্ষেত্রে প্রয়োজনে এরা নিজের সুখ-শান্তি উপড়ে ফেলতেও পিছ পা হয় না।আল্লাহ এই সকল স্বামীদেরকে হেদায়েত দান করুন এবং ইসলামের সঠিক বুঝ দান করুন আমিন।

23/06/2023

একজন প্রেমিকের চিঠি। ভাল লাগলো তাই শেয়ার করলাম।
কেও কাওকে এইভাবে ভালবাসতে পারে জানা ছিলনা

আমার হুররাম!!

তোমার অসুস্থতা আমাকে পীড়া দেয়। তোমার কান্না আমাকে কাঁদায়। তোমার কস্ট আমাকে কস্ট দেয়। তোমাকে পাবনা ভাবলেই মনের গভীরে এক প্রচন্ড মোচড় মারে। তোমাকে হারাব একথা যে আমার চিন্তাশক্তির বাইরে। তাই পরম করুণাময়ের কাছে দোয়া করি- তুমি ভাল থাক, সুখে থাক। যাকে ভালবাসি তার কল্যাণ ই যদি না চাইতে পারি, তাহলে এই ভালবাসা তো স্বার্থময়। আমি জানি তুমি কখনোই আমার হবার নয়। আমার স্বপ্নেই শুধু তুমি। স্বপ্নেই তোমার সাথে মাখামাখি আমার। আমি এটিকে দুঃস্বপ্ন বলব না। কারণ এই স্বপ্নকে যে আমি ভালবাসি! এই স্বপ্নের উৎপত্তি তো আমার ভালবাসা থেকে। তাই আমি এটির নাম দিয়েছি 'ভালবাসার অধরা স্বপ্ন'। তোমার সাথে কথা শেষ করে একটা ব্যবসায়িক কল এটেন্ড করলাম। এরপর গাড়ি নিয়ে সমুদ্রপাড়ের দিকে এসেছি। এফ এমে অন করে বুঝলাম তারা ও আমার মনের কথা জানে। গান চলছিল - এক পেয়ার কা নাগমা হে......... জিন্দেগী অর কুচভি নেহি, আনা অর যানা হে! শুনতে শুনতে খালি রোডে গাড়ি চালিয়ে সমুদ্রপাড়ে চলে এলাম। তোমার সাথে সম্পর্ক থাকা অবস্থায় যেটা ভিডিও করে দেখিয়েছিলাম। কিছুক্ষণ গাড়িতে বসে রইলাম। গাড়ির উপরে খেজুর গাছের মাথার উপরের চাঁদ দেখছিলাম। কানে সমুদ্রের জোয়ারের আওয়াজ এল। সমুদ্রপাড়ে এসে বসেছি। একটা সময় তোমার এই খুনসুটি গুলো ও আমাকে কাঁদাবে। উপরে চাঁদ, চাঁদনী রাত, সামনে সমুদ্রের বিশালতা, একপাশে উঁচু উঁচু দালান, পাশে ওয়াকিং ওয়ে আর আমি বসে আছি পাড়ের একটি চেয়ারে। এই লিখাটা লিখতাম না। তুমি আমার লিখা পড়তে চাও। তাই লিখি। তোমাকে লিখতে গেলে আমার লেখা ও যেন মসৃণ হয়ে উঠে। প্রেমে পড়লে সাহিত্যিক হওয়া যায় শুনেছি আগে। এখন বিশ্বাস করতে শুরু করেছি। তোমাকে লিখছি মনের সব আকুতি দিয়ে, মনের চক্ষু দিয়ে। কারণ আমার চোখে আমি ঝাপসা দেখছি। চোখ থেকে বেরিয়ে যাওয়া অশ্রু আমার গাল, থুতনি বেয়ে গেঞ্জি পর্যন্ত চলে আসছে। আমি একবারের জন্য ও মুছিনি। মুছতে ও চাইনা। ঝরে যাক কিছু দুঃখ। চলে যাক কিছু বেদনা।ইচ্ছে করছে সমুদ্রে একটা ডুব দি। চোখের নোনা জল আর সমুদ্রের নোনা জল মিশে একাকার হয়ে যাক। এই বিচে নামা নিষেধ। নইলে নেমে যেতাম এতক্ষণে। তোমার এই চিঠি লেখা শেষ করে আকাশের দিকে মুখ করে পায়ের উপর পা তুলে কিছুক্ষণ শুয়ে থাকব। আমার চাঁদ কস্টে আছে। সে ঘুমাক। আমি আপাতত সবার চাঁদকেই দেখব। দুই তিনজন লোক ওয়াক করছে। আমার শুয়ে থাকা দেখে তারা হয়ত ভাববে- কোন নবাবের বেটা সমুদ্র দর্শনে এসে পাইক পেয়াদার পাহারায় খোলা আকাশের নিচে শুয়ে আছে! তারা তো আর জানেনা- আমি এই পৃথিবীর সবিচাইতে অভাগা প্রেমিক। তাদের বলাবলি আর ভাবাভাবিতে আমার কিচ্ছু আসে যায় না। কারণ আমি নিজেই আছে মহাকালের গভীর ভাবে মগ্ন।
আমার ভাবের বিষয়বস্তু - তুমি 🧡!
ভাবের শিরোনাম - আমি তোমাকে ভালবাসি 💚!
ভাবের উপসংহার - তোমার থেকে দূরে চলে যাওয়া আমার কাছে মৃত্যুকে আলিঙ্গন করার চাইতে কঠিন ♥️!

আমার জান, আমার কলিজা, আমার পরান, আমার চাঁদ, আমার রাণী, আমার জলপরী, আমার হুররাম ভাল থাকুক। তার ভালতেই আমার ভাল।

পৃথিবীর কেউ আমার আর তোমার ভালবাসা সম্পর্কে হয়ত জানবে না। অব্যক্ত আর লুকায়িত! অথচ, দেখ! মনে হয় যেন শতবছরের প্রেম আর হাজারবছরের সংসার!!

ভালবাসি!
বিশ্বাস কর- অনেক ভালবাসি!

একটু আগে একটা কবিতা পড়লাম। ভাবলাম ওইটা এড করি এইখানে।

এমন যদি হতো..
একটা প্রেমের গল্প হতো,
দূরে থেকেও ভালবাসা হতো,।
এমন যদি হতো……
জীবন অনেক ব্যস্ত হতো,
তবুও হাতে তার হাতটা হতো।

এমন যদি হতো……
রাত জেগে ভোর হতো,
তবুও প্রেমালাপ শেষ না হতো।
এমন যদি হতো……
সকাল পেরিয়ে দুপুর হতো,
কেউ অপেক্ষায় অভিমানি হতো৷

এমন যদি হতো……
আলো লুকিয়ে সন্ধ্যা হতো,
কেউ আমার ভাবনায় আনমনে হতো।
এমন যদি হতো……
জীবনে অনেক ঝড় হতো,
তবুও তাকে পাওয়া হতো....
Collected.

21/06/2023

আপনি কি জানেন টাইটানিক মুভির সবথেকে ভাগ্যবান লোকটা কে?

সে কি জ্যাক? যে কিনা সবথেকে সুন্দরী মেয়ে রোজের প্রেমে পড়েছিল? একদম না!

তবে কি রোজ? যে কিনা মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচার জন্য জ্যাককে পেয়েছিলো? এবারও না!

জ্যাক বা রোজ কেউই না।

ভাগ্যবান লোকটি সেই অপরিচিতজন যে জুয়ায় জ্যাকের কাছে তার টিকিটটি হেরে গিয়েছিলো। যদি সে ওই জাহাজের টিকেট জিতে যেতো তাহলে হয়তো তাকে ঐ হিমশীতল পানিতে ডুবে মরতে হতো।

মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়া ভালো।
- আপনি যদি আপনার পরীক্ষায় ব্যর্থ হয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লাইফে হেরে গিয়ে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার লক্ষ্যে না পৌঁছাতে পেরে থাকেন।
- আপনি যদি আপনার ভালোবাসা হারিয়ে থাকেন।

সবকিছুই কোন না কোন কারণে ঘটে থাকে। মাঝেমধ্যে হেরে যাওয়াটাও ভালো। হতে পারে স্রষ্টা আপনাকে আরও বড় কোন বিপদের হাত থেকে রক্ষা করলেন।

(সংগৃহীত)

12/06/2023

Address

Chittagong Port
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when A Bunch Of Dreams posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to A Bunch Of Dreams:

Share