Deener Alo

Deener Alo Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Deener Alo, Video Creator, Chittagong.

Deener Alo একটি ইসলামিক জ্ঞানভিত্তিক পেজ, যেখানে কুরআন, হাদিস এবং দৈনন্দিন জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ ইসলামিক শিক্ষা ও রিমাইন্ডার শেয়ার করা হয় 🤍
আমাদের লক্ষ্য হলো-মানুষকে আল্লাহর পথে আহ্বান করা, জীবনে শান্তি আনা এবং সঠিক ইসলামিক জ্ঞান সবার কাছে পৌঁছে দেওয়া সর্বদা সত্য ও ন্যায়ের পথ সন্ধানেই আমাদের পথযাত্রা -
নতুন নতুন আলোচনা পেতে এই পেজটি লাইক এবং ফলো করুন ।
⏩✔️Like👍 / ⏩✔️Share ⬅ / ⏩✔️Follow 🔔🔔
আসসালামু আলাইকুম
বাংলাদেশের অন্যতম একটি ইসলামিক ফেসবুক পেজ । আমরা বিভিন্ন জনপ্রিয় ইসলামিক স্কলারদের ইসলামিক লেকচার প্রকাশ করি। আমি আশা করি আপনি আমাদের ভিডিওগুলি উপভোগ করবেন এবং ইসলামিক জ্ঞান সংগ্রহ করতে সক্ষম হবেন।
আমাদের ফলো করুন- তাহলে আপনি এম হাসিবুর রহমান, শেখ আহমদুল্লাহ, মুফতি আমির হামজা, আবদুল্লাহ আল আমিন, আবদুল হাই মুহাম্মদ সাইফুল্লাহ, শায়খুল হাদিস আল্লামা মামুনুল হক, আবরারুল হক আসিফ, শাইখ মাহমুদ বিন কাসিম, মিজানুর রহমান আল আজহারী এবং অন্যান্য ইসলামী চিন্তাবিদদের ভিডিও দেখতে পারবেন।

আমরা নিয়মিত ইসলামি ভিডিও আপলোড করে থাকি। নিয়মিত ভিডিও দেখতে আমাদের পেজ লাইক এবং ফলো করুন, পাশে থাকা 🔔 বেল 🔔আইকন এ চাপ দিয়ে অল করে রাখুন। "Takasur Islamic TV" ⏩✔️Like👍 / ⏩✔️Share ⬅ ️ / ⏩✔️ Follow 🔔🔔
ফেসবুকের পাশাপাশি ইউটিউবে ও নিয়মিত ভিডিও আপলোড করে থাকি।
Channel Link- https://www.youtube.com/channel/UCpD0GyTbkatz7J2vf73Ig6A/

যে  সব কারণে জামাআত ত্যাগ করা জায়েজ আছে▬▬▬▬◐◯◑▬▬▬▬ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে সালাত আদায় ক...
24/08/2026

যে সব কারণে জামাআত ত্যাগ করা জায়েজ আছে
▬▬▬▬◐◯◑▬▬▬▬
ইসলামের দৃষ্টিতে পুরুষদের জন্য মসজিদে গিয়ে জামাতের সাথে সালাত আদায় করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ (সুন্নতে মুয়াক্কাদা মতান্তরে ওয়াজিব)।
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেন:
مَنْ سمعَ النداءَ فلمْ يُجِبْ مِن غيرِ عذرٍ فلا صلاةَ لَه
“যে ব্যক্তি আজান শুনে তাতে সাড়া দিলো না তার সালাত হবে না। তবে যদি ওজর থাকে তাহলে ভিন্ন কথা।” [সহীহ ইবনে হিব্বান ৫/৪১৫, ৪৫০, সহীহুত তারগীব ১/২৪০]
বিশেষ পরিস্থিতি এবং মানুষের কিছু সমস্যা বা অসুবিধার কারণে শরিয়ত তাদেরকে জামাআতে সালাত আদায়ের জন্য মসজিদে না যাওয়ার বা জামাআতে অংশ গ্রহণ না করার অনুমতি দিয়েছে।

নিম্নে এমন ৮টি কারণ (ওজর) উল্লেখ করা হল:

◈ ১) অসুস্থতা: অসুস্থতার কারণে যদি মসজিদে গিয়ে সালাত আদায় করা কষ্টকর হয়।
◈ ২) ভয়: বিশেষ পরিস্থিতিতে জামাতে সালাত পড়তে গেলে যদি চোর-ডাকাত, ছিনতাইকারী, যুদ্ধ, পুলিশ-প্রশাসনের নিষেধাজ্ঞা (যেমন: দেশের জরুরি অবস্থা/কারফিউ), বন্য পশুর আক্রমণ, রোগ-ব্যাধির সংক্রমণ ইত্যাদি কারণে ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা থাকে।
◈ ৩) বৃষ্টি-বাদল।
◈ ৪) কর্দমাক্ত পিচ্ছিল পথ।

قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لِمُؤَذِّنِهِ فِي يَوْمٍ مَطِيرٍ إِذَا قُلْتَ أَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ‏.‏ فَلاَ تَقُلْ حَىَّ عَلَى الصَّلاَةِ‏.‏ قُلْ صَلُّوا فِي بُيُوتِكُمْ‏.‏ فَكَأَنَّ النَّاسَ اسْتَنْكَرُوا، قَالَ فَعَلَهُ مَنْ هُوَ خَيْرٌ مِنِّي، إِنَّ الْجُمُعَةَ عَزْمَةٌ، وَإِنِّي كَرِهْتُ أَنْ أُخْرِجَكُمْ، فَتَمْشُونَ فِي الطِّينِ وَالدَّحْضِ‏.‏
ইবনে ‘আব্বাস রা. থেকে বর্ণিত: তিনি তাঁর মুয়াজ্জিনকে এক প্রবল বর্ষণের দিনে বললেন, যখন তুমি (আযানে) ‘আশহাদু আন্না মুহাম্মাদার রসূলুল্লাহ্‌ বলবে, তখন ‘হাইয়া আলাস্‌ সালাহ্’ বলবে না; বলবে, “সাল্লূ ফী বুয়ুতিকুম” (তোমরা নিজ নিজ বাসগৃহে সালাত আদায় কর)।
এ কথা শুনে লোকজন আপত্তি করল। তখন তিনি বললেন, আমার চেয়ে উত্তম ব্যক্তি (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তা করেছেন। জুমার সালাত নিঃসন্দেহে জরুরি কিন্তু মাটি ও কাদার মধ্য দিয়ে যাতায়াত করায় তোমাদের অসুবিধা হোক সেটা আমি অপছন্দ করি।” (সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৯০১)

◈ ৫) অন্ধকার রাতে প্রচণ্ড ঠাণ্ডার প্রকোপ:
হাদিসে বর্ণিত হয়েছে,
«كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَأْمُرُ مُؤَذِّنًا يُؤَذِّنُ، ثُمَّ يَقُولُ عَلَى إِثْرِهِ: أَلَا صَلُّوا فِيْ الرِّحَالِ فِي اللَّيْلَةِ الْبَارِدَةِ أَوْ الـْمَطِيرَةِ فِيْ السَّفَرِ».

“রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে থাকাবস্থায় ঠাণ্ডা কিংবা বৃষ্টিমুখর রাতে মুয়াজ্জিনকে আজান দেওয়ার পর এ কথা বলার আদেশ করতেন: “আলা সাল্লূ ফির-রি’হাল” “তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়ো।" [সহীহ বুখারি, হাদিস নং ৬৩২]

সহিহ মুসলিমের বর্ণনায় রয়েছে, আব্দুল্লাহ ইবনে উমর রা. একদা দমকা বায়ু ও বৃষ্টিময় ঠাণ্ডা রাতে আজান দেওয়ার পর বললেন: “আলা সাল্লূ ফী-রিহালিকুম” “আলা সাল্লূ ফী-রিহালিকুম” “হে লোকজন, তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়ো। হে লোকজন, তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়ো।”
অতঃপর বললেন: আমাদের প্রিয় নবী মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সফরে থাকাবস্থায় বৃষ্টিময় ঠাণ্ডা রাতে মুয়াজ্জিনকে নিম্নোক্ত কথাটি বলার আদেশ করতেন:

أَلَا صَلُّوا فِيْ رِحَالِكُمْ»
“আলা সাল্লূ ফী রিহালিকুম”
“হে মানুষজন! তোমরা নিজ নিজ ঘরে সালাত পড়।” [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৬৯৭]

➧ উপরোক্ত কারণগুলোতে মসজিদে গিয়ে জামাআতে সালাত আদায় করা সম্ভব না হলে যথসময়ে বাড়িতে পরিবারের লোকজন সহ জামাতে সালাত আদায় করা উত্তম।
◈ ৬) পেশাব পায়খানার চাপ: এ ক্ষেত্রে করণীয় হল, পেশাব-পায়খানা শেষ করে ফ্রেশ হয়ে তারপর জামাতে অংশগ্রহণ করা।
◈ ৭) খাবারের উপস্থিতি: ক্ষুধার্ত অবস্থায় যদি খাবার সামনে প্রস্তুত হয়ে যায় তাহলে আগে খাওয়া সেরে তারপরে জামাআতে অংশগ্রহণ করবে। তবে তা অভ্যাসে পরিণত করা ঠিক নয়।
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا صَلَاةَ بِحَضْرَةِ الطَّعَامِ، وَلَا وَهُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ»
খাবারের উপস্থিতিতে এবং পেশাব-পায়খানার চাপ অবস্থায় সালাত নেই।” [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৬০]

◈ ৮) ক্ষুধার্থ অবস্থায় খাবারের উপস্থিতি বা খাবারের প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ:

ক্ষুধার্ত অবস্থায় যদি খাবার সামনে প্রস্তুত হয়ে যায় অথবা খাওয়ার প্রতি প্রচণ্ড আগ্রহ থাকে তাহলে আগে খাওয়া সেরে তারপরে জামাআতে অংশগ্রহণ করবে। তবে তা অভ্যাসে পরিণত করা ঠিক নয়।
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا صَلَاةَ بِحَضْرَةِ الطَّعَامِ، وَلَا وَهُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ»
খাবারের উপস্থিতিতে এবং পেশাব-পায়খানার চাপ অবস্থায় সালাত নেই।” [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৬০]
আয়েশা রা. থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন: রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন,
«لَا صَلَاةَ بِحَضْرَةِ الطَّعَامِ، وَلَا وَهُوَ يُدَافِعُهُ الْأَخْبَثَانِ»
খাবারের উপস্থিতিতে এবং পেশাব-পায়খানার চাপ অবস্থায় সালাত নেই।” [সহীহ মুসলিম, হাদিস নং ৫৬০]
অন্য হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, ইবনে উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
إِذَا وُضِعَ عَشَاءُ أَحَدِكُمْ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَابْدَءُوا بِالْعَشَاءِ، وَلاَ يَعْجَلْ حَتَّى يَفْرُغَ مِنْهُ ‏"‏‏.‏ وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ يُوضَعُ لَهُ الطَّعَامُ وَتُقَامُ الصَّلاَةُ فَلاَ يَأْتِيهَا حَتَّى يَفْرُغَ، وَإِنَّهُ لَيَسْمَعُ قِرَاءَةَ الإِمَامِ‏
"যখন তোমাদের কারো সামনে রাতের খাবার উপস্থিত করা হয়, অপর দিকে সালাতের ইকামত হয়ে যায়, তখন আগে খাবার খেয়ে নিবে। খাওয়া রেখে সালাতে তাড়াহুড়া করবে না।
(নাফি’ রাহ. বলেন) "ইবনে উমর (রাঃ) এর জন্য খাবার পরিবেশন করা হত, সে সময় সালাতের ইকামত দেয়া হত, তিনি খাবার শেষ না করে সালাতে আসতেন না। অথচ তিনি ইমামের কিরাআত শুনতে পেতেন।"
[সহীহ বুখারি (ই.ফা), অধ্যায়: ১০/ আযান, পরিচ্ছেদঃ ৪৩৪। খাবার উপস্থিত, এসময় সালাতের ইকামত হল]
আল্লাহু আলাম।
আল্লাহু আলাম।
▬▬▬▬◐◯◑▬▬▬▬
উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল
দাঈ, জুবাইল দাওয়াহ এন্ড গাইডেন্স সেন্টার, সৌদি আরব

24/08/2026
স্যালুট তোমাকে...... অহংকারীর দম্ভ চূর্ণ করার জন্য একমাত্র মুসলিম দেশ হিসেবে মুসলমানদের পরিচয় ধরে রাখার জন্য আল্লাহ ব্যা...
02/08/2026

স্যালুট তোমাকে......
অহংকারীর দম্ভ চূর্ণ করার জন্য
একমাত্র মুসলিম দেশ হিসেবে মুসলমানদের পরিচয় ধরে রাখার জন্য
আল্লাহ ব্যাতিত কারো কাছে মাথা নত না করার জন্য

30/07/2026

দুবাই
মধ্যপ্রাচ্যের দ্বিতীয় ই>স-রা-য়ে>ল

একদা আল্লাহর রাসূল ﷺ এক সফরে ছিলেন। পথিমধ্যে এক বেদুইন তাঁর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। নবীজী (সা.) তাকে ডাকলেন এবং ইসলামের সুমহ...
15/07/2026

একদা আল্লাহর রাসূল ﷺ এক সফরে ছিলেন। পথিমধ্যে এক বেদুইন তাঁর সামনে দিয়ে যাচ্ছিল। নবীজী (সা.) তাকে ডাকলেন এবং ইসলামের সুমহান দাওয়াত পেশ করলেন।

বেদুইনটি নবীজী (সা.)-কে বলল, "আপনি যে সত্য নবী এবং যা বলছেন তা যে সত্যি — তার পক্ষে কে সাক্ষ্য দেবে?"

নবীজী (সা.) তখন উপত্যকার এক প্রান্তে দাঁড়িয়ে থাকা একটি গাছের দিকে ইশারা করে বললেন:

"ঐ যে দেখছ উপত্যকার তীরের গাছটি, সে-ই আমার সত্যতার সাক্ষ্য দেবে!"

বেদুইন অবাক হয়ে তাকিয়ে রইল। আল্লাহর রাসূল (সা.) তখন সেই জ্যান্ত গাছটিকে নিজের কাছে আসার জন্য আহ্বান করলেন। নবীজীর ডাক শোনামাত্রই ঘটল এক অবিশ্বাস্য অলৌকিক মোজেযা!

গাছটি তার শিকড়সহ মাটি চিরে, মাটিকে দ্বিধাবিভক্ত করে নবীজী (সা.)-এর দিকে এগিয়ে আসতে লাগল।

গাছটির আসার চোটে মাটি খুঁড়ে একাকার হয়ে যাচ্ছিল। অবশেষে গাছটি সরাসরি আল্লাহর রাসূল (সা.)-এর পবিত্র দরবারে এসে বিনম্রভাবে দাঁড়িয়ে গেল!

এরপর গাছটি সম্পূর্ণ স্পষ্ট ভাষায় তিন-তিনবার সেভাবেই সাক্ষ্য দিল যেভাবে রাসূল ﷺ তাকে সাক্ষ্য দিতে বলেছেন।

বেদুইনের চোখের সামনে নবুয়তের সত্যতা সাক্ষ্য দেয়ার পর গাছটি সঙ্গে সঙ্গে আবার নিজের আগের স্থানে ফিরে গেল!

অতঃপর বেদুইন বলল,

"আমি এখন আমার নিজ গোত্রের মানুষের কাছে ফিরে যাচ্ছি। আমি গিয়ে তাদের কাছে আপনার এই সত্য দ্বীনের দাওয়াত দেব। তারা যদি আমার কথা মেনে আপনার আনুগত্য স্বীকার করে, তবে আমি তাদের সবাইকে নিয়ে আপনার পবিত্র দরবারে হাজির হব।

আর তারা যদি আপনার কথা না মানে (ইসলাম কবুল না করে), তবুও আমি আবার আপনার কাছে ফিরে আসব।”

সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ❤️

সূত্র: সুনানে দারেমী

11/07/2026

সেজদারত অবস্থায় মৃত্যু অনেকেই চায়। শুক্রবারে। কালিমা পড়তে পড়তে। কাবা শরিফের সামনে।

অবাক হবেন। রাসূল (সঃ) এর ইন্তেকালের সময় এগুলা কোনোটাই পাওয়া যায় না। না তার মৃত্যু সেজদারত অবস্থায় হয়েছে। না শুক্রবারে। । কাবা শরিফের সামনেও হয় নি।

তার ইন্তেকাল হয়েছে এমন অবস্থায়, আল্লাহ তা'আলা তার উপর সন্তুষ্ট। মোস্ট ইম্পর্ট্যান্ট এটাই।

"আল্লাহ। আপনি আমার উপর যখন খুশি থাকবেন, আমার মৃত্যু যেন এমন অবস্থাতেই হয়।" ❣️

Page- Deener Alo

08/07/2026

জাপানে রাস্তার মোড়ে মোড়ে কোনো মসজিদ নেই, রাত জেগে ওয়াজ নেই, নসিহত নেই, ধর্মীয় স্কলার নেই, মাজার নেই, ওরশ নেই, পীর নেই, মুরিদ নেই, কুতুব নেই, আবদাল নেই, তাবলীগ নেই, আমরা শ্রেষ্ঠ জাতি বলেও কোনো কিছুই নেই। এগুলো ছাড়াই জাপান একটা সুশৃঙখল জাতি।
গত ত্রিশ বছরের মধ্যে কোনো দূর্নীতি নেই, কোনো ঘুষ নেই, কোনো ধর্ষণ নেই, স্কুলে কোনো ছাত্রকে বেত্রাঘাতের রেকর্ড নেই। কোনো কাজের জন্য কোনো ফাইল আটকে পড়ার নজির নেই। কারো সুপারিশ ছাড়া কোনো ছাত্র স্কুলে ভর্তি হতে পারছেনা, কারো প্রমোশন হচ্ছেনা- এমন দৃষ্টান্তও নেই। দলীয় ভাবে জাপানের কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনো শিক্ষকের নিয়োগের নজিরও নেই। রাস্তায় পড়ে থাকা বুভুক্ষু মানুষও নেই। আছে শুধু কর্মনিষ্ঠা, শৃঙখলা।
ভূমিকম্পের সময় সব খাবার ক্যাম্পে রেখে দেয়া হয়েছিলো। নিজের প্রয়োজনের চেয়ে বেশি কেউ একটা রুটিও নিয়ে যায়নি। ত্রান কেন্দ্রে একজন প্রহরীকেও পাহারাদার রাখতে হয়নি। লাইন দাঁড়িয়ে সবাই যার যার মতো প্রয়োজনীয় খাবার নিয়ে গেছে। লাইন দাঁড়ানো শেষ ছেলেটির হাতে খাবার প্যাকেট দেয়ায় -সে সেই প্যাকেট আবার লাইনের সামনে রেখে এসেছে। যদি তার সামনে দাঁড়ানো কারো খাবার কম পড়ে যায়।
জাপানে কোনো কালো বাজারি দ্রব্যের দাম বাড়িয়ে মানুষকে জিম্মি করেনা। কেউ খাবারে ভেজাল মেশায় না। রাস্তাঘাট গুলো এতো ঝকঝকে পরিষ্কার। নিজের চেহারা রাস্তায় দেখা যায়। শুধু বয়স্ক কিংবা যুবকরা না একজন শিশুও জাপানের রাস্তায় যেখানে সেখানে ময়লা ফেলে রাখেনা। কোনো প্রোগ্রাম এক মিনিট দেরিতে শুরু হয় না। এক মিনিট ট্রেন লেট করেছিলো বলে - পত্রিকার পাতায় ক্ষমা চাওয়া হয়েছিলো।
টেকনোলজি আর ডেভেলপমেন্টে জাপান পৃথিবী থেকে দশ বছর এগিয়ে আছে। পুরো পৃথিবীর খাবার ফুরিয়ে গেলেও জাপানে আগামি ত্রিশ বছরের জন্য খাবার মজুদ আছে। বোমায় কয়লা হয়ে যাওয়া জাপান পুরো দুনিয়ার গাড়ীর বাজারে নেতৃত্ব দিচ্ছে। অথচ, জাপানে ভার্চুয়ালি কোনো ন্যাচারাল রিসোর্স বলতে কিছুই নেই।
জাপানের মানুষের মাঝে আছে শুধু বিনয় আর বিনয়। আর ক্ষমা প্রার্থনা। অবসরে যাওয়া জাপানি প্রধানমন্ত্রী বারবার বলছেন- কি করতে পেরেছি তার জন্য দয়া করে গুণ কীর্তন করবেন না। বরং যা করতে পারিনি সেটার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করছি। দু হাত একসাথে করে- জনগনের সামনে মাথা নীচু করে- (যেটা জাপানি কালচার) - বারবার ক্ষমা চাচ্ছিলেন জাপানের বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী সিনজো আবে। (সংগৃহীত)

লেখাটা সেয়ার করা এজন্য যে , এখান থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।আমি চেষ্টা করবো যতটা সম্ভব জীবনে অনুসরণ করতে । ইনশাআল্লাহ।

08/07/2026

*রাসূল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন...*
*মৃত্যুর পর তাদের মাথা পাথর দিয়ে ভাঙা হবে,*
*যারা ফজরের নামাজ না পড়ে-ই ঘুমিয়েছিল*,
*এবং যারা কুরআন গ্রহণ করে ছেড়ে দিয়েছে*😓
(বুখারী: ৭০৪৭)`

07/07/2026

যে নারি বোরকা পড়েও আয়নার সামনে দাঁড়িয়ে ভাবে!আমাকে দেখতে সুন্দর লাগছে তো! বাইরে গেলে আমাকে ভালো লাগবে তো!বিশ্বাস করুন,সে এখনো বেপর্দা রয়ে গেল।

—পর্দার গাইড লাইন

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Deener Alo posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category