Page Turner Picks

Page Turner Picks Health tips

শিশুকে টক দই খাওয়ানোর উপকারিতাটক দই শুধু বড়দের জন্যই নয়, ৮-৯ মাস বা তার পরের শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী। সঠিক সময়ে ও ...
05/07/2025

শিশুকে টক দই খাওয়ানোর উপকারিতা
টক দই শুধু বড়দের জন্যই নয়, ৮-৯ মাস বা তার পরের শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী। সঠিক সময়ে ও পরিমাণে দই খাওয়ালে শিশুর হজম শক্তি যেমন বাড়ে, তেমনই শরীরও পুষ্ট হয়।

🔹 ১. হজমশক্তি উন্নত করে:
দইয়ে থাকে প্রোবায়োটিক, যা শিশুর হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।

🔹 ২. ইমিউন সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়ায়:
দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।

🔹 ৩. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর ভালো উৎস:
শিশুর হাড় ও দাঁতের গঠন ভালো রাখতে দই অত্যন্ত কার্যকর।

🔹 ৪. প্রোটিন ও শক্তির উৎস:
শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে প্রোটিন দরকার, যা দই সরবরাহ করে।

🔹 ৫. অ্যালার্জি বা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়ক:
দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া শিশুকে ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।

🔹 ৬. ঠান্ডা লাগার ভয় কম:
ঘরের তাপমাত্রায় দই দিলে ঠান্ডা লাগার ভয় খুব কম থাকে। তবে ঠান্ডা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।

🧁 দই খাওয়ানোর সঠিক নিয়মঃ
✅ ৮-৯ মাস বয়সের পর ঘরে তৈরি টক দই অল্প পরিমাণে শুরু করতে পারেন।
✅ দুপুরে বা বিকেলে খাওয়ানো উত্তম।
❌ একদম ঠান্ডা দই খাবেন না।
❌ প্যাকেটজাত দই বা ফ্লেভারড দই না দেওয়াই ভালো।

📌 মনে রাখবেন:
শিশুর প্রথম ১ বছরে যে কোনো নতুন খাবার খাওয়ানোর সময় প্রথমে অল্প পরিমাণে দিন ও ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন।

01/07/2025

কোন অসুখে কোন ডাক্তার দেখাবেন?
অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না, আমাদের সমস্যার জন্য কোন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের কাছে যাওয়া দরকার। ভুল বিভাগে গেলে সময় ও অর্থ দুই-ই নষ্ট হয়। তাই জেনে নিন, কোন সমস্যায় কোন ডাক্তার দেখানো উচিত।

🔹 সাধারণ জ্বর, সর্দি-কাশি, মাথাব্যথা, হালকা ইনফেকশন
➡️ মেডিসিন স্পেশালিস্ট / জেনারেল ফিজিশিয়ান

🔹 শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি, কাশি দীর্ঘদিন ধরে
➡️ Chest Specialist / Pulmonologist

🔹 ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড সমস্যা
➡️ Endocrinologist

🔹 পেট ব্যথা, হজমে সমস্যা, গ্যাস, আলসার, লিভার সমস্যা
➡️ Gastroenterologist

🔹 গাইনিক সমস্যা, অনিয়মিত পিরিয়ড, বাচ্চা না হওয়া, গর্ভাবস্থা সংক্রান্ত সমস্যা
➡️ Gynecologist (Gynae)

🔹 বাচ্চাদের জ্বর, ডায়রিয়া, খাওয়া-দাওয়া সমস্যা, ভ্যাকসিনেশন
➡️ Pediatrician (শিশু বিশেষজ্ঞ)

🔹 চোখে সমস্যা, চশমা, চোখ লাল হওয়া, চোখে ব্যথা
➡️ Ophthalmologist (Eye Specialist)

🔹 কানে কম শোনা, কানে ইনফেকশন, গলা ব্যথা, নাক বন্ধ
➡️ ENT Specialist

🔹 দাঁত ব্যথা, দাঁতের ক্যাভিটি, দাঁত ফিলিং, দাঁত তোলা
➡️ Dentist

🔹 চর্মরোগ, স্কিন অ্যালার্জি, ব্রণ, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, খুশকি
➡️ Dermatologist (Skin Specialist)

🔹 হাড়ের ব্যথা, কোমর ব্যথা, জয়েন্টে ব্যথা, বাতজ্বর
➡️ Orthopedic Specialist

🔹 মানসিক চাপ, দুশ্চিন্তা, ঘুমের সমস্যা, বিষণ্নতা
➡️ Psychiatrist / Clinical Psychologist

🔹 হৃদরোগ, হার্ট বিট কম-বেশি হওয়া, বুক ধড়ফড়, ব্যথা
➡️ Cardiologist

🔹 মূত্রনালির ইনফেকশন, কিডনি সমস্যা, প্রস্রাবে জ্বালা
➡️ Nephrologist / Urologist

🔹 মাথাব্যথা, স্ট্রোক, হাত-পা ঝিম ঝিম, স্নায়বিক সমস্যা
➡️ Neurologist

🔹 ক্যান্সার সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যা
➡️ Oncologist

📌 মনে রাখবেন:
সঠিক সময়ে সঠিক বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে রোগ দ্রুত নিরাময় হয়। ভুল চিকিৎসা অনেক সময় বিপদ ডেকে আনতে পারে।
゚viralシfypシ゚viralシalシ

:🌸 "সব মা ভালো থাকেন না। কেউ বোঝেও না।"আমরা যারা মা না, তারা অনেক সময় বুঝতে পারি না postpartum depression কী ভয়ংকর একাকী...
24/06/2025

:

🌸 "সব মা ভালো থাকেন না। কেউ বোঝেও না।"

আমরা যারা মা না, তারা অনেক সময় বুঝতে পারি না postpartum depression কী ভয়ংকর একাকীত্ব তৈরি করতে পারে।

একটা মা সারাক্ষণ নিজের শরীর ভেঙে, নিজের সময় ছেড়ে, নিজের ঘুম বিসর্জন দিয়ে শুধু একটা ছোট্ট শিশুর জন্য লড়াই করে।

🥺 কিন্তু কেউ জিজ্ঞেস করে না—
"তুমি কেমন আছো মা?"
"তুমি ঠিকমতো ঘুমাতে পারছো?"
"তোমার শরীর কেমন?"
"তুমি একা বোধ করছো?"

👶 সবাই শুধু বাচ্চার খবর নেয়।
মায়ের খবর কেউ রাখে না।

🔹 Postpartum depression মানে সব সময় কাঁদা বা চিৎকার না।
অনেক সময় সেটা হয়— চুপচাপ নিজের ভেতরে ভেঙে পড়া।

🔸 মা রেগে যাচ্ছেন,
🔸 হঠাৎ কান্না পাচ্ছে,
🔸 কিছুতেই মন ভালো থাকছে না,
🔸 নিজেকে দোষী মনে হচ্ছে…

এসব হতে পারে postpartum depression-এর লক্ষণ।

🤝 এই সময়ে সবচেয়ে জরুরি— পার্টনারের সাপোর্ট।
একটা "তুমি ভালো করছো", একটা "তুমি একা না", একটা কাপ চা — এটুকুই অনেক শক্তি দেয়।

📣 যারা মা নন, তারাও দয়া করে বোঝার চেষ্টা করুন—
সন্তান জন্ম মানেই মায়েরা সুপারহিউম্যান হয়ে যান না।
তারা মানুষ। ক্লান্ত হন। কষ্ট পান। ভালোবাসা চান।
#মায়েরমন #মায়ের_অভিমান ゚viralシfypシ゚viralシalシ

চুলকানি কিন্তু সাধারণ নয় — এটা হতে পারে স্ক্যাবিস‼️(আপনি ভাবছেন এটা এলার্জি, অথচ ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে নীরবে!)🪳 স্ক্যাবিস ক...
24/06/2025

চুলকানি কিন্তু সাধারণ নয় — এটা হতে পারে স্ক্যাবিস‼️
(আপনি ভাবছেন এটা এলার্জি, অথচ ঘরে ছড়িয়ে পড়ছে নীরবে!)

🪳 স্ক্যাবিস কী?
স্ক্যাবিস হলো একধরনের ছোঁয়াচে চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামের ক্ষুদ্র এক পরজীবী কীটের কারণে হয়। এটি ত্বকের নিচে গর্ত করে ঢুকে পড়ে এবং সেখানে ডিম পাড়ে — ফলে দেখা দেয় অসহ্য চুলকানি ও লালচে র‍্যাশ।

🔎 লক্ষণসমূহ (Symptoms):
✅ রাতের বেলা চুলকানি বেশি হয়
✅ আঙুলের ফাঁকে ফাঁকে ছোট ছোট ফুসকুড়ি
✅ কবজি, কনুই, পেট, কোমর, স্তনের নিচে, কোমরের ভাঁজে, পুরুষের যৌনাঙ্গে ফুসকুড়ি বা র‍্যাশ
✅ ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে মুখ, মাথা বা হাত-পায়ে হতে পারে

🚨 কেন সাবধান হবেন?
স্ক্যাবিস খুবই ছোঁয়াচে! পরিবারের একজন আক্রান্ত হলে পুরো পরিবারে ছড়িয়ে পড়তে পারে — কাপড়, তোয়ালে, বিছানার চাদর বা সরাসরি স্পর্শের মাধ্যমে।

💊 চিকিৎসা কী?
✔️ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে স্ক্যাবিসের জন্য পারমেথ্রিন (Permethrin) 5% cream সারা শরীরে (গলা থেকে পায়ের আঙুল পর্যন্ত) রাতে লাগিয়ে সকালে ধুয়ে ফেলতে হয়।
✔️ পরিবারের সবাইকেই একসাথে চিকিৎসা নিতে হবে, এমনকি যারা এখনো আক্রান্ত না — তবুও।
✔️ ব্যবহৃত জামাকাপড়, চাদর, তোয়ালে সব গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে।
✔️ ২ সপ্তাহ পর দ্বিতীয়বার ওষুধ প্রয়োগ করতে হতে পারে।

⚠️ ভুল করবেন না!
🚫 শুধুমাত্র চুলকানির মলমে আরাম পেতে পারেন, কিন্তু স্ক্যাবিস থাকবে — এবং ছড়াতে থাকবে!
🚫 শিশুদের ক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা দরকার।

📣 সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন। স্ক্যাবিস লজ্জার নয়, চিকিৎসার প্রয়োজন!

12/06/2025

শিশুর প্রথম ফিঙ্গার ফুড কখন ও কীভাবে?

৬ মাস বয়স পার হলে যখন বেবি সঠিকভাবে বসতে শেখে ও মুখে খাবার নেওয়ার আগ্রহ দেখায় — তখনই শুরু হতে পারে ফিঙ্গার ফুড জার্নি! 🤲🍽️

🎯 প্রথম ফিঙ্গার ফুড এমন হওয়া উচিত যা—
✅ নরম
✅ সহজে গিলে ফেলতে পারে
✅ আঙুল দিয়ে ধরা যায়
✅ কোনো ঝুঁকি ছাড়াই চিবাতে পারে

🥇 Top ৫ প্রথম ফিঙ্গার ফুড আইডিয়া:
🍌 পাকা কলা – ছোট ছোট লম্বা পিস করে দিন
🥔 সিদ্ধ আলু বা মিষ্টি আলু – চেপে বা স্টিক করে দিন
🥕 সেদ্ধ গাজর – নরম করে সিদ্ধ করে স্টিক আকারে
🍞 সাদা ব্রেড বা সুজি টোস্ট – এক টুকরো করে দিন
🍳 সিদ্ধ ডিমের কুসুম – চামচে চেপে নিন বা ছোট বল করে দিন

🛑 মনে রাখবেন:
👉 ফিঙ্গার ফুড মানেই স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে মুখে তুলতে শেখা
👉 চোখের সামনে খাওয়ান, কখনো একা না
👉 প্রথমদিকে কিছুই না খেলেও ধৈর্য রাখুন, এটা শেখার সময়.

12/06/2025

‼️ জরুরি সতর্কতা – নতুন করে করোনা বাড়ছে! ‼️
COVID – Omicron XBB আগের যেকোনো ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশি ধূর্ত ও প্রাণঘাতী! 😷
এখনই সময় আবার মাস্ক পরা শুরু করার!

🦠 এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিপজ্জনক দিকগুলো জেনে নিন:

❌ কাশি নেই
❌ জ্বরও নেই
📌 কিন্তু রয়েছে—

🔸 অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
🔸 মাথাব্যথা
🔸 গলা ব্যথা
🔸 পিঠে ব্যথা
🔸 ক্ষুধা একদম কমে যাওয়া
🔸 চোখ লাল হয়ে যাওয়া
🔸 নিউমোনিয়ার লক্ষণ

⚠️ এটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং মৃত্যুর ঝুঁকিও বেশি।

💨 Omicron XBB সহজে ফুসফুসে চলে যায়, নাকের সোয়াবে ধরা পড়ে না, আর তাই অনেকেই বুঝে ওঠার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন!

📸 অনেকেই এক্স-রে করালে নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন, অথচ সাধারণ পরীক্ষা (RT-PCR) নেগেটিভ আসছে।

💔 উপসর্গ ছাড়াও পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে।

📣 তাই এখনই যা যা করবেন:

✅ মাস্ক পরুন – খোলা জায়গাতেও
✅ ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন
✅ বারবার হাত ধুয়ে ফেলুন
✅ ভিড় এড়িয়ে চলুন
✅ উপসর্গ হালকা হলেও গুরুত্ব দিন
✅ পরিবারের সবাইকে সচেতন করুন

🙏 একটি মাস্কই পারে আপনার পরিবারকে সুরক্ষা দিতে।

আপনার সচেতনতা অন্যদের জীবন বাঁচাতে পারে। এখনই শেয়ার করুন।
📩

12/06/2025

গরমে শিশুর ঘামাচি? এই ৮টি করণীয় মেনে চলুন! 🌡️
👉 ঘামাচি প্রতিরোধে মায়ের গাইডলাইন 👶🏻💧

✅ ১. হালকা ও ঢিলেঢালা জামা
➤ কটনের পাতলা, হালকা রঙের জামা পরান। সাদা বা হালকা নীল রঙ ভালো।

✅ ২. ঘন ঘন পোশাক পরিবর্তন
➤ ঘাম হয়ে গেলে জামা ভেজা রাখবেন না, তাতেই ঘামাচি হয়।

✅ ৩. ঠান্ডা ঘর বা বাতাস চলাচল নিশ্চিত করুন
➤ ফ্যান/ভেন্টিলেশন/AC থাকলে ব্যবহার করুন। ঘর যেন বদ্ধ না হয়।

✅ ৪. প্রতিদিন ২ বার ঠান্ডা পানিতে গোসল
➤ বেবি সাবান দিয়ে হালকা করে গোসল করান।

✅ ৫. ঘামাচির জায়গায় পাউডার নয়, কর্নস্টার্চ ব্যবহার করুন
➤ শিশুদের জন্য নিরাপদ কর্নস্টার্চ পাউডার ব্যবহার করুন (না ঘষে হালকা ছিটিয়ে দিন)।

✅ ৬. ঘন ঘন বুকের দুধ দিন বা পানি পান করান
➤ শরীর ঠান্ডা ও হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

✅ ৭. কোন অবস্থায় ঘামাচির ওপর ক্রিম বা মলম মাখাবেন না (ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া)
➤ এতে ইনফেকশন বাড়তে পারে।

✅ ৮. ঘামাচি হলে কী করবেন?
➤ ক্যালামিন লোশন বা ডাক্তার-পরামর্শ অনুযায়ী Gentle Baby Rash Cream ব্যবহার করতে পারেন।

⚠️ চোখে পড়ার মতো ফুসকুড়ি হলে বা জ্বর/চুলকানি থাকলে অবশ্যই ডাক্তার দেখান।

📌 মায়ের সচেতনতাই শিশুর সুস্থতা 🌸

#ঘামাচি_প্রতিরোধ

11/06/2025

শিশুর প্রথম ফিঙ্গার ফুড কখন ও কীভাবে?

৬ মাস বয়স পার হলে যখন বেবি সঠিকভাবে বসতে শেখে ও মুখে খাবার নেওয়ার আগ্রহ দেখায় — তখনই শুরু হতে পারে ফিঙ্গার ফুড জার্নি! 🤲🍽️

🎯 প্রথম ফিঙ্গার ফুড এমন হওয়া উচিত যা—
✅ নরম
✅ সহজে গিলে ফেলতে পারে
✅ আঙুল দিয়ে ধরা যায়
✅ কোনো ঝুঁকি ছাড়াই চিবাতে পারে

🥇 Top ৫ প্রথম ফিঙ্গার ফুড আইডিয়া:
🍌 পাকা কলা – ছোট ছোট লম্বা পিস করে দিন
🥔 সিদ্ধ আলু বা মিষ্টি আলু – চেপে বা স্টিক করে দিন
🥕 সেদ্ধ গাজর – নরম করে সিদ্ধ করে স্টিক আকারে
🍞 সাদা ব্রেড বা সুজি টোস্ট – এক টুকরো করে দিন
🍳 সিদ্ধ ডিমের কুসুম – চামচে চেপে নিন বা ছোট বল করে দিন

🛑 মনে রাখবেন:
👉 ফিঙ্গার ফুড মানেই স্বয়ংসম্পূর্ণভাবে মুখে তুলতে শেখা
👉 চোখের সামনে খাওয়ান, কখনো একা না
👉 প্রথমদিকে কিছুই না খেলেও ধৈর্য রাখুন, এটা শেখার সময়

👶🏼 শিশুর প্রথম নিজে খাওয়ার অভ্যাস শুরু হোক আনন্দ ও নিরাপদ উপায়ে!

11/06/2025

জরুরি সতর্কতা – নতুন করে করোনা বাড়ছে! ‼️
COVID – Omicron XBB আগের যেকোনো ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বেশি ধূর্ত ও প্রাণঘাতী! 😷
এখনই সময় আবার মাস্ক পরা শুরু করার!

🦠 এই নতুন ভ্যারিয়েন্টের বিপজ্জনক দিকগুলো জেনে নিন:

❌ কাশি নেই
❌ জ্বরও নেই
📌 কিন্তু রয়েছে—

🔸 অস্থিসন্ধিতে ব্যথা
🔸 মাথাব্যথা
🔸 গলা ব্যথা
🔸 পিঠে ব্যথা
🔸 ক্ষুধা একদম কমে যাওয়া
🔸 চোখ লাল হয়ে যাওয়া
🔸 নিউমোনিয়ার লক্ষণ

⚠️ এটি ডেল্টার চেয়ে ৫ গুণ বেশি সংক্রামক এবং মৃত্যুর ঝুঁকিও বেশি।

💨 Omicron XBB সহজে ফুসফুসে চলে যায়, নাকের সোয়াবে ধরা পড়ে না, আর তাই অনেকেই বুঝে ওঠার আগেই অসুস্থ হয়ে পড়ছেন!

📸 অনেকেই এক্স-রে করালে নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখতে পাচ্ছেন, অথচ সাধারণ পরীক্ষা (RT-PCR) নেগেটিভ আসছে।

💔 উপসর্গ ছাড়াও পরিস্থিতি খারাপ হয়ে যেতে পারে।

📣 তাই এখনই যা যা করবেন:

✅ মাস্ক পরুন – খোলা জায়গাতেও
✅ ১.৫ মিটার দূরত্ব বজায় রাখুন
✅ বারবার হাত ধুয়ে ফেলুন
✅ ভিড় এড়িয়ে চলুন
✅ উপসর্গ হালকা হলেও গুরুত্ব দিন
✅ পরিবারের সবাইকে সচেতন করুন

🙏 একটি মাস্কই পারে আপনার পরিবারকে সুরক্ষা দিতে।

আপনার সচেতনতা অন্যদের জীবন বাঁচাতে পারে। এখনই শেয়ার করুন।
📩

10/06/2025

নতুন করোনাভাইরাস বা যেকোনো সংক্রামক রোগের প্রাদুর্ভাব হলে শিশুদের সুরক্ষিত রাখা অত্যন্ত জরুরি, কারণ তাদের রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা প্রাপ্তবয়স্কদের তুলনায় কম হতে পারে। নিচে বাংলায় সহজ ভাষায় বিস্তারিতভাবে উল্লেখ করা হলো যে, নতুন করোনা ভাইরাস থেকে বাচ্চাদের কিভাবে রক্ষা করা যায়:

🛡️ করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট থেকে শিশুদের রক্ষা করার উপায়
✅ ১. হাত পরিষ্কার রাখা
বাচ্চার হাত নিয়মিত সাবান-পানি দিয়ে ২০ সেকেন্ড ঘষে ধুয়ে দিন।

বাইরে থেকে এসে, খাওয়ার আগে, খেলার পরে এবং টয়লেট ব্যবহার করার পরে হাত ধোয়া বাধ্যতামূলক।

✅ ২. বাইরে যাওয়া কমিয়ে দিন
সম্ভব হলে ১ বছর বা কম বয়সী বাচ্চাকে বাইরে না নেওয়াই ভালো।

প্রয়োজনে বাইরে গেলে, অনেক লোকের ভিড় এড়িয়ে চলুন।

✅ ৩. বাড়ির ভেতর পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন
দরজার হাতল, টেবিল, খেলনা, মোবাইল – যেগুলো বাচ্চা স্পর্শ করতে পারে, সেগুলো প্রতিদিন স্যানিটাইজ করুন।

বাচ্চার থালা, চামচ, বোতল বা পানির কাপ আলাদা ব্যবহার করুন।

✅ ৪. অসুস্থ লোকজন থেকে দূরে রাখুন
পরিবারের কেউ হাঁচি-কাশি দিলে বা জ্বর হলে বাচ্চার কাছে যেতে দেবেন না।

ঘরের একজন সদস্য অসুস্থ হলে আলাদা ঘরে রাখা এবং মাস্ক পরিধান জরুরি।

✅ ৫. নিয়মিত বাচ্চার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণ করুন
সর্দি, কাশি, শ্বাসকষ্ট বা জ্বর হলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

✅ ৬. বাচ্চাকে পুষ্টিকর খাবার দিন
ব্রেস্টফিডিং চলমান থাকলে চালিয়ে যান – মায়ের দুধ রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে।

বড় বাচ্চাদের পর্যাপ্ত ফলমূল, শাকসবজি ও ভিটামিন সি-যুক্ত খাবার দিন।

✅ ৭. ভ্যাকসিন ও রুটিন টিকা নিশ্চিত করুন
বয়স অনুযায়ী বাচ্চার সকল রুটিন টিকা সময়মতো দিন।

যদি নতুন করোনা ভ্যাকসিন শিশুদের জন্য উপলব্ধ থাকে, ডাক্তার পরামর্শ দিলে তা নিন।

✅ ৮. বাচ্চাকে মুখে মাস্ক পরাতে চাইলে সাবধানে করুন
২ বছরের কম বয়সী শিশুকে মাস্ক পরানো উচিত নয় (শ্বাসকষ্টের ঝুঁকি থাকে)।

বড় বাচ্চাদের খেলনার মাধ্যমে বা কার্টুন চরিত্রের মাস্ক দিয়ে উৎসাহিত করতে পারেন।

05/06/2025

শিশুর খাদ্যতালিকায় ডিম যুক্ত করার আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক

ডিম শুধু প্রোটিন নয়, এটি শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা এবং সুস্থ হজমব্যবস্থার জন্যও দারুণ উপকারী। তবে শিশুর বয়স, অবস্থা ও সহনশীলতা অনুযায়ী ধাপে ধাপে খাওয়ানো প্রয়োজন।

🔸 ৬ মাসে প্রথম পরিচয়:

শুধু ডিমের কুসুম দিয়ে শুরু করুন।
👉 কুসুমটা সম্পূর্ণ সেদ্ধ (hard boiled) হওয়া জরুরি – যেন জীবাণু বা অজীর্ণ প্রোটিন থেকে ঝুঁকি না থাকে।
👉 প্রথম দিন ১ চা চামচের এক-তৃতীয়াংশ পরিমাণ দিন।

📌 পর্যবেক্ষণের ৩ দিন নিয়ম
নতুন খাবারের পরবর্তী তিন দিন শিশুকে লক্ষ্য করুন —

চুলকানি

ফুসকুড়ি

গা চাকা

ডায়রিয়া

বমি

অস্থিরতা বা শ্বাসকষ্ট

এইগুলো হলে ডিম বন্ধ করে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

🔸 ৭-৮ মাসে:
কুসুমের পরিমাণ বাড়িয়ে ১ চা চামচ পর্যন্ত নিতে পারেন। খিচুড়ি, ভাত বা ডালের সঙ্গে মিশিয়ে দিন।

🔸 ৮-৯ মাসে ডিমের সাদা অংশ:
ডিমের সাদা অংশে এলার্জির সম্ভাবনা বেশি থাকে, তাই একেবারে সামান্য দিয়ে শুরু করুন।
👉 এক সপ্তাহে ১ দিন থেকে শুরু করে ধীরে ধীরে ২-৩ দিনে নিতে পারেন।

🔸 ১ বছর পার হলে:
একটি সম্পূর্ণ সিদ্ধ ডিম দিতে পারেন — সকালে বা দুপুরে।

🥚 কিছু সতর্কতা:

✅ ডিম যেন কাঁচা বা আধা সিদ্ধ না হয় — স্যালমোনেলা সংক্রমণের ঝুঁকি থাকে।
✅ ডিম খাওয়ানোর পর পর্যাপ্ত পানি দিন।
✅ দিনের প্রথমভাগে ডিম দিন যেন কোনো সমস্যা হলে দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিতে পারেন।
✅ একেবারে খালি পেটে ডিম না দিয়ে অন্য খাবারের সঙ্গে মিশিয়ে দিন।

🌟 স্মরণ রাখুন:
প্রতিটি শিশু আলাদা, কোনো এক রুটিন সবার জন্য ঠিক নাও হতে পারে। শিশুর প্রতিক্রিয়া বুঝে খাদ্য পরিকল্পনা করা সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।

#ডিমের_নিয়ম #শিশুর_খাদ্য

04/06/2025

বড়_বাচ্চার_জন্য_কিছু_প্রয়োজনীয়_টিপস
(১-৫ বছর বয়স)

★★ মাথায় বারবার ঘাম হলে ভয় পাওয়ার কিছু নেই — এটা বেশিরভাগ বাচ্চার স্বাভাবিক, বিশেষ করে ঘুমের সময়। মাথার নিচে পাতলা তোয়ালে দিন, ঘন ঘন বদলান। তবে ঘামাচির মতো র‍্যাশ হলে পেডিয়াট্রিশিয়ানকে দেখান।

★★ এই বয়সে টিভি বা মোবাইল নয়, গল্প হোক বিনোদন!
কাগজের বই, গল্প বলার সময় বা ছবি দেখানো — এগুলোর মধ্যে দিয়ে বাচ্চা শব্দ চিনে, ভাষা শেখে, মনোযোগ বাড়ে। স্ক্রিন দিলে সে শুধু একমুখী সংবেদনে অভ্যস্ত হয়।

★★ নিজে খেতে দিতে শিখান।
যত ঝামেলা হোক না কেন, একবেলা হলেও নিজে খেতে দিন। শুরুতে মেসি হবে, কিন্তু একসময় নিজের উপর কনফিডেন্স আসবে। প্লেটের রং, চামচের ডিজাইন বাচ্চার পছন্দ মতো হলে আগ্রহ আরও বাড়বে।

★★ কিছু কিছু “না” শেখান, কিন্তু সব কিছুতেই “না” বলবেন না।
আপনার না বলার ভঙ্গি, যুক্তি আর স্বর — এগুলোর ভেতরেই বাচ্চা শেখে কখন না মানতে হবে, আর কখন নিজের মত প্রকাশ করতে হবে।

★★ বাড়িতে ছোটখাটো দায়িত্ব দিন।
আলমারিতে জামা রাখানো, খাবার আনার সময় প্লেট ধরা, খেলনা গুছিয়ে রাখা — এসব ওর মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি করবে।

★★ ঘুমানোর সময় রুটিন করুন।
প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় গোসল, দাঁত ব্রাশ, হালকা খাওয়া, মশারি টাঙানো — সব একই ক্রমে করুন। এতে ওর শরীর ও মস্তিষ্ক বুঝে যাবে ঘুমের সময় এসেছে।

★★ সামাজিক হওয়া শেখান।
বাচ্চাকে অন্য বাচ্চাদের সঙ্গে খেলতে দিন। শুরুতে ঝগড়া হলেও, এখান থেকেই ওর শেখা শুরু — ভাগাভাগি, ক্ষমা চাওয়া, নিজেকে প্রকাশ করা।

★★ রেগে গেলে ভয় দেখিয়ে, চেঁচিয়ে নয় — শান্তভাবে বোঝান।
মা-বাবা যে ভঙ্গিতে কথা বলেন, বাচ্চার ব্যক্তিত্ব অনেকাংশেই সেরকম হয়। শান্ত অথচ দৃঢ়ভাবে “না” বলা ওর মধ্যে আত্মনিয়ন্ত্রণ তৈরি করে।

★★ খাওয়ার সময় এক্সপেরিমেন্ট করুন।
একই খাবার নতুন করে পরিবেশন করুন। ভাত-ডালের বদলে ডালের সুজি, অথবা মিক্সড সবজি দিয়ে খিচুড়ি — শিশুর আগ্রহ বাড়বে। মাঝে মাঝে ওর পছন্দ জানতে চান, এতে তার মতামত দেওয়ার অভ্যাস হবে।

★★ বাইরের খাবার এড়িয়ে চলুন যতটা সম্ভব।
প্যাকেট জুস, চিপস, চকলেট — এসব স্বাস্থ্যের জন্য খারাপ। বাসায় ফলের রস, দই বা পনির তৈরি করে দিন। মাঝে মাঝে হেলদি হোমমেড স্ন্যাকস দিন যেন সে বঞ্চিতও না বোধ করে।

★★ শিশুর সামনে ঝগড়া নয়।
বাচ্চা সব বুঝে — চুপচাপ থাকলেও। মা-বাবার সম্পর্ক ওর আত্মবিশ্বাসের মেরুদণ্ড। যতটা সম্ভব সামনে গলা না তুলেই সমস্যার সমাধান করুন।

★★ প্রশংসা করুন, কিন্তু তুলনা করবেন না।
“তুমি অনেক ভালো খেলেছো আজ” — এই কথাটা বললে বাচ্চা খুশি হয়। কিন্তু “দেখো, অমুক কী সুন্দর করে লিখেছে” বললে ওর মন ভেঙে যায়।

📍 Page Turner Picks — আপনার সন্তানের বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে আপনার পাশে।

Address

Chittagong
4000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Page Turner Picks posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share