05/07/2025
শিশুকে টক দই খাওয়ানোর উপকারিতা
টক দই শুধু বড়দের জন্যই নয়, ৮-৯ মাস বা তার পরের শিশুদের জন্যও অনেক উপকারী। সঠিক সময়ে ও পরিমাণে দই খাওয়ালে শিশুর হজম শক্তি যেমন বাড়ে, তেমনই শরীরও পুষ্ট হয়।
🔹 ১. হজমশক্তি উন্নত করে:
দইয়ে থাকে প্রোবায়োটিক, যা শিশুর হজম প্রক্রিয়া ঠিক রাখে ও কোষ্ঠকাঠিন্য রোধ করে।
🔹 ২. ইমিউন সিস্টেম (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়ায়:
দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
🔹 ৩. ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর ভালো উৎস:
শিশুর হাড় ও দাঁতের গঠন ভালো রাখতে দই অত্যন্ত কার্যকর।
🔹 ৪. প্রোটিন ও শক্তির উৎস:
শিশুর দৈহিক ও মানসিক বিকাশে প্রোটিন দরকার, যা দই সরবরাহ করে।
🔹 ৫. অ্যালার্জি বা ইনফেকশন প্রতিরোধে সহায়ক:
দইয়ে থাকা উপকারী ব্যাকটেরিয়া শিশুকে ইনফেকশন থেকে সুরক্ষা দিতে সাহায্য করে।
🔹 ৬. ঠান্ডা লাগার ভয় কম:
ঘরের তাপমাত্রায় দই দিলে ঠান্ডা লাগার ভয় খুব কম থাকে। তবে ঠান্ডা থাকলে ডাক্তারের পরামর্শ নিন।
🧁 দই খাওয়ানোর সঠিক নিয়মঃ
✅ ৮-৯ মাস বয়সের পর ঘরে তৈরি টক দই অল্প পরিমাণে শুরু করতে পারেন।
✅ দুপুরে বা বিকেলে খাওয়ানো উত্তম।
❌ একদম ঠান্ডা দই খাবেন না।
❌ প্যাকেটজাত দই বা ফ্লেভারড দই না দেওয়াই ভালো।
📌 মনে রাখবেন:
শিশুর প্রথম ১ বছরে যে কোনো নতুন খাবার খাওয়ানোর সময় প্রথমে অল্প পরিমাণে দিন ও ৩ দিন পর্যবেক্ষণ করুন।