Saying of Hedayah

Saying of Hedayah মহান আল্লাহ জিন এবং মানবজাতিকে সৃষ্টি করেছেন তাঁর ইবাদতের জন্য।

18/08/2025
19/03/2025

শুধু দোআ করলে হবে না।নিজেকে দোআ কবুলের যোগ্য ব্যক্তি হিসেবে তৈরি করতে হবে।মুসলিমদের অধঃপতনের কারণে আজ সারা বিশ্বে মুসলিমরা নির্যাতিত।
সুতরাং মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে মুসলিমদের বিজয় নিশ্চিত করতে হলে নিজেকে পরিপূর্ণ মুমিন হিসেবে গড়ে তুলার চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে।নতুবা,এভাবে একে একে সারাবিশ্বে মুসলিমরা নির্যাতিত হতে থাকবে।

মহান আল্লাহ বলেন,"তোমরা হীনবল হয়ো না এবং চিন্তিতও হয়ো না; তোমরাই বিজয়ী যদি তোমরা মুমিন হও।" (সূরা আলে ইমরান, আয়াত ১৩৯)

17/09/2024

"ইবলিশ যদি কখনো আপনাকে এই ওয়াসওয়াসা দেয়, আপনি ওমুক মুসলিমের চেয়ে ভালো, তাহলে খেয়াল করে দেখুন সেই মানুষটা বয়সে আপনার বড় কিনা। যদি বড় হয় তাহলে নিজেকে বলুন: সে তো আমাকে ঈমান আর নেক আমলের ছাড়িয়ে গেছে, কাজেই সে আমার চেয়ে ভালো মানুষ। আর যদি সে আপনার চেয়ে বয়সে ছোট হয়, তাহলে নিজেকে বলুন: আমি তাকে গুনাহের কাজে ছাড়িয়ে গেছি এবং নিজের ওপর শাস্তি ডেকে আনছি, কাজেই সে আমার চেয়ে ভালো মানুষ।"

— বকর আল-মুযানী (রহ.)

সূত্র: হিলয়াতুল আউলিয়া, ২/২২৫

04/07/2024

মুসলিমদের মধ্যে অধিকাংশ, আলেমদের নিকট বা মুমিনদের নিকট দোয়া চেয়ে থাকেন।
সকল আলেম বা মুমিনরা ৫ ওয়াক্ত সালাত আদায় করে থাকেন এবং সালাতে তাশাহুদ[অর্থাৎ আত্তাহিয়্যাতু] পড়েন।সালাতে তাশাহুদ পড়া ওয়াজিব।কেউ যদি পড়তে ভুলে যায়;সালাতের শেষে সাহু-সিজদাহ দিতে হয়।অন্যথায় সালাত শুদ্ধ হবে না;পুনরায় সালাত আদায় করতে হবে।

উক্ত তাশাহুদে আমরা কি পড়ি তা অধিকাংশ মুসলিম বা মুসল্লীরা জানি না।যেহেতু দোয়া বিষয়ক লিখা;তাই আমি তাশাহুদের দোয়া বিষয়ক অংশটির অনুবাদ আপনাদের নিকট তুলে ধরতে চাই।

*ٱلسَّلَامُ عَلَيْكَ أَيُّهَا ٱلنَّبِيُّ وَرَحْمَةُ ٱللَّٰهِ وَبَرَكَاتُهُ، ٱلسَّلَامُ عَلَيْنَا وَعَلَىٰ عِبَادِ ٱللَّٰهِ ٱلصَّالِحِينَ০
অর্থ:হে নবী, আপনার উপর আল্লাহ’র শান্তি, রহমত ও বরকত বর্ষিত হোক।আমাদের উপর এবং সৎকর্মশীল বান্দাদের উপর আল্লাহ’র শান্তি বর্ষিত হোক।*

তাশাহুদের উপরের অংশটুকু লক্ষ্য করি,প্রথমত সকল মুসল্লীগণ মহানবী সা: কে সালাম প্রদান করেন।দ্বিতীয়ত,নিজেদের উপর এবং সৎকর্মশীল বান্দাদের জন্য দোয়া করে থাকেন।

পৃথিবীর যেই প্রান্তের মুসল্লীই সালাত আদায় করুক না কেন;সবাই কিন্তু উক্ত দোয়াটি করে থাকেন।

এখন আসল বিষয় হলো, সকল মুসল্লীগণ উক্ত দোয়া করে থাকেন।আমরা যদি তাঁদের সেই দোয়ার সাথে নিজেকে আবদ্ধ রাখতে চাই বা তাঁদের দোয়ায় শামিল হতে চাই।
তাহলে দুটি শর্ত:
১.নিয়মিত সালাত আদায় করতে হবে।
২.সৎকর্মশীল বান্দার অন্তর্ভুক্ত হওয়া লাগবে।

যারা সালাত আদায় করে না এবং অসৎকর্মশীল তাদের জন্য উক্ত দোয়া করা হয় না।

হে মহান আল্লাহ,আমাদেরকে আপনার প্রিয় বান্দাদের অন্তর্ভুক্ত করুন।

23/04/2024

আমাদের চারিদিকের কিছু লোকের কথা এমনভাবে বিশ্বাস করি যেন তা ওহি।আমার মনে হয় ওহি বিশ্বাস করতে সংশয় থাকলেও ঐসকল লোকের কথা বিশ্বাস করতে কোন সংশয় বা সন্দেহ থাকে না।ফলাফল, সমাজ-পরিবারে বিশৃঙ্খলার উদ্ভবসহ পরস্পরের মধ্যকার সম্পর্কগুলো দুর্বল হতে থাকে।
অধিকাংশ লোকই হয়তো জানে না যে, কারো নিকট হতে কোন সংবাদ শুনলে তা যদি হয় কোন সম্প্রদায় বা ব্যক্তি সম্পর্কে দোষের বিষয় তাহলে তার কি করা উচিত।সূরা হুজুরাতের ৬নং আয়াতে মহান আল্লাহ বলেছেন,
یٰۤاَیُّہَا الَّذِیۡنَ اٰمَنُوۡۤا اِنۡ جَآءَکُمۡ فَاسِقٌۢ بِنَبَاٍ فَتَبَیَّنُوۡۤا اَنۡ تُصِیۡبُوۡا قَوۡمًۢا بِجَہَالَۃٍ فَتُصۡبِحُوۡا عَلٰی مَا فَعَلۡتُمۡ نٰدِمِیۡنَ ﴿۶﴾
অর্থ‌‌‌➤ হে মু’মিনগণ! কোন ফাসিক(পাপাচারী) যদি তোমাদের কাছে কোন খবর নিয়ে আসে, তাহলে তার সত্যতা যাচাই করে নাও, তা না হলে তোমরা অজ্ঞতাবশতঃ কোন সম্প্রদায়ের ক্ষতি করে বসবে, অতঃপর তোমরা যা করেছ সেজন্য তোমাদেরকে অনুতপ্ত হতে হবে।

13/04/2024

রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ যামানা পরস্পর নিকটবর্তী (সংকীর্ণ) না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামাত সংঘটিত হবে না। তখন একবছর হবে একমাসের মতো, একমাস হবে এক সপ্তাহের মতো, এক সপ্তাহ হবে একদিনের মতো, একদিন হবে এক ঘন্টার মত এবং এক ঘন্টা হবে প্রজ্বলিত আগুনের একটি স্ফুলিংগের মতো।

সহীহ্‌ , মিশকাত, তাহকীক ছানী (৫৪৪৮)।

29/03/2024

'আলো'-কে সঠিক পথ বা হেদায়েতের সাথে তুলনা করা যায়।
অন্যদিকে 'অন্ধকার'-কে পথভ্রষ্টতা বা মন্দের সাথে তুলনা করা যায়।
'আলো'-তে থাকলে মানুষ সবকিছু স্পষ্ট দেখতে পারে।সে সঠিক পথ খুঁজে পায় বা বের করতে পারে।
'অন্ধকার'-এ থাকলে মানুষ প্রথমে অস্পষ্ট দেখতে পায়।সে তখন দোদুল্যমান থাকে কোনো বিষয় ভালোভাবে আঁচ করতে পারে না।যদি অন্ধকারে থাকা ব্যক্তি অন্ধকারে দীঘর্ক্ষণ অবস্থান করে তখন সে অন্ধকারে থাকা সত্ত্বেও সে চারপাশ কেনযেন স্পষ্ট দেখতে পায়।তখন সে ব্যক্তির মনে হয় এখন তো আমি আলোতেই আছি।সবকিছু নিজে স্পষ্ট দেখতে পাচ্ছি।তখন সে ধরেই নেয়,সেই একমাত্র সঠিকপথে রয়েছে।অন্যরা ভ্রষ্টপথে রয়েছে।

এমন ব্যক্তি কি সমাজে দেখা যায় না।যারা ভ্রষ্টপথে থাকার পরও নিজেকে সঠিক পথের দিশারি মনে করে।আর অন্য সবাইকে মনে করে গর্দভ।এসমস্ত ব্যক্তিদের দৃষ্টান্ত হলো অন্ধকারে দীর্ঘক্ষণ থাকা সেই ব্যক্তির মতো।

মহান আল্লাহ সূরা ফুরক্বানের ৬২নং আয়াতে বলেন,
وَ ہُوَ الَّذِیۡ جَعَلَ الَّیۡلَ وَ النَّہَارَ خِلۡفَۃً لِّمَنۡ اَرَادَ اَنۡ یَّذَّکَّرَ اَوۡاَرَادشُکُوۡرًا۶۲﴾
অর্থ:'আর তিনিই রাত আর দিনকে করেছেন পরস্পরের অনুগামী তাদের জন্য যারা উপদেশ গ্রহণ করতে চায়, অথবা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে চায়।'

29/03/2024

প্রত্যেক ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া রয়েছে।ক্রিয়া যত শক্তিশালী হবে প্রতিক্রিয়াও তেমন ভয়ংকর হবে।
সেজন্য আশেপাশের অন্যায় জুলুম-অত্যাচার দেখে হীনমন্যতায় ভোগা উচিত নয়।এসকল জুলুম-অত্যাচারের মধ্যেই কল্যাণ নিহিত।

------বদর------

21/03/2024

কুরআনে নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্য বলা হয়েছে মহান আল্লাহকে স্মরণ করা।[সূরা ত্ব-হা,আয়াত:১৪]এর সমর্থন হাদিসেও রয়েছে।
আফসোসের বিষয় আমাদের দেশের মুসলিমরা নামাজ কায়েমের উদ্দেশ্য বানিয়ে নিয়েছে রাকাআত গণনা করা।
কুরআনে ক্বিয়ামুল লাইলে তারতীল সহকারে কুরআন তেলাওয়াত[সূরা মুজ্জাম্মিল,আয়াত:৪]করতে নির্দেশ দেওয়া হলেও,আমরা হুজুগে মুসলিমরা তা মানার চেষ্টা বা আগ্রহ প্রকাশ করি না।ফলে আমরা ওয়াক্ত আর রাকাআত গণনা করি;নামাজে কুরআন হৃদয়াঙ্গম করা বা মহান আল্লাহকে স্মরণ করার বিষয়টি আমাদের মাথা থেকে একেবারে বাইরে চলে গেছে।
অনেকে বলে কুরআনে বলা হয়েছে,"নিশ্চয়ই নামাজ অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখে।"[সূরা: আনকাবুত,আয়াত:৪৫]তাহলে আমি নামাজ আদায়ের পরও গুনাহের কর্মে লিপ্ত হয় কেন?
এর কারণ উল্লেখিত নামাজ আদায়ের উদ্দেশ্য আমরা যথাযথভাবে রক্ষা করি না।
মহান আল্লাহর স্মরণের জন্য নামাজ আদায় করুন।দেখবেন আপনার নামাজ আপনাকে কুরআনের ভাষ্যানুযায়ী অশ্লীল ও খারাপ কাজ থেকে দূরে রাখবে..ইনশা-আল্লাহ

Address

Chittagong

Telephone

+8801581156343

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Saying of Hedayah posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Saying of Hedayah:

Share