CYC Communication

CYC Communication Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CYC Communication, Digital creator, Chittagong.

উদ্যোক্তা হবার কোনো বয়স নেই,ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও মানুষের উদ্যোক্তা না হয়ে উঠা তার সম্ভাবনার এক চরম অপচয়।“উদ্যোক্তা” শব্দট...
15/06/2025

উদ্যোক্তা হবার কোনো বয়স নেই,
ইচ্ছে থাকা সত্ত্বেও মানুষের উদ্যোক্তা না হয়ে উঠা তার সম্ভাবনার এক চরম অপচয়।

“উদ্যোক্তা” শব্দটা শুনলেই মনে হয় ব্যবসায় নামক শিল্পের এক নিখুঁত কারিগর! আমাদের মাঝে অনেকেই আছেন যারা স্বপ্ন দেখেন অন্যের অধীনে চাকরি না করে নিজে থেকে কিছু করার।
তবে সেক্ষেত্রে আছে কিছু সহজ জিজ্ঞাসা-

১.আপনি কি ব্যবসা বিষয়টাকে ভালবাসেন?
২.আপনি কি দায়িত্বশীল?
৩.আপনি কি সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্বান্ত নিতে জানেন?
৪.আপনি কি দৃঢ় প্রতিজ্ঞ?
৫.আপনি কি ত্যাগ স্বীকার করতে জানেন?

তবে জেনে নিন ব্যবসার পৃথিবী অপেক্ষা করছে আপনারই জন্য! পৃথিবীতে যেকোন কাজে সফল হওয়ার দুটি মূলমন্ত্র আছে। একটি হলো আপনার লক্ষ্য নির্দিষ্ট থাকতে হবে আর দ্বিতীয়টি হলো সেই লক্ষ্য অর্জনের
জন্য সঠিক পরিকল্পনা। আপনার ব্যবসার জন্য আপনার মাথায় আইডিয়া যেকোন জায়গাতেই চলে আসতে পারে।

আর আপনার মাথায় কোন আইডিয়া না আসলে Youth Entrepreneur In Chittagong এর আইডিয়া তো আছেই। আরো বিস্তারিত জানতে চাইলে যুক্ত হতে পারেন আমাদের
WhatsApp গ্রুপে

WhatsApp Group Invite

আমাদের WhatsApp গ্রুপে এড হতে চাইলে হতে পারেন
09/06/2025

আমাদের WhatsApp গ্রুপে এড হতে চাইলে হতে পারেন

WhatsApp Group Invite

শঙ্কা ও দ্বিধা ভেঙে তরুণ উদ্যোক্তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। কারণ একজন উদ্যোক্তাই পারে লাখো তরুণকে অনুপ্রাণিত করতে ও সামনে...
23/09/2024

শঙ্কা ও দ্বিধা ভেঙে তরুণ উদ্যোক্তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। কারণ একজন উদ্যোক্তাই পারে লাখো তরুণকে অনুপ্রাণিত করতে ও সামনে এগিয়ে নিতে। আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার এই অগ্রযাত্রায় পাশে আছে। চট্টগ্রাম ইয়ুথ ক্লাব

আমরা চাচ্ছি আগামী ৫ বছরে ১০০০ সফল উদ্যোগক্তা তৈরী করবো,
একটা ব্যান্ড নিয়ে কাজ করবো সবাই,
তার মধ্যে থাকবে,
ই-কমার্স / কুরিয়ার / ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট / রেষ্টুরেন্ট / মেডিসিন-শপ / হাউজিং / চেইন-শপ / সুপার-শপ /
ইলেক্ট্রনিক্স-শো-রুম ইত্যাদি
আপনিও হতে পারেন ১০০০ জনের একজন, ইনভেস্টমেন্ট
প্লান প্রতিমাসে ৩০০ টাকা করে বছরে ১৮,০০০ টাকা।

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চেষ্টার সমন্বিত রুপই হলো সফলতা, আপনার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা গুলোই সাহসের সঞ্চয় ঘটায়,আপনি না থেমে একটু একটু ক...
23/09/2024

ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চেষ্টার সমন্বিত রুপই হলো সফলতা, আপনার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা গুলোই সাহসের সঞ্চয় ঘটায়,

আপনি না থেমে একটু একটু করে এগিয়ে যান,
সফলতা কখনোই একবারে আসেনা,

সফল হতে কারো মাস লাগে কারো বা বছর,

তাই এই সময়টা হতাশ না হয়ে বরং ধীরে ধীরে এগিয়ে যান,

দেখবেন দেরিতে হলেও সফলতা আসবেই,

সাফল্যের রাস্তা অনেক লম্বা হলেও , শীর্ষে পৌঁছে গেলে দৃশ্যটা খুবই সুন্দর হয়।

এজন্য প্রয়োজন সুন্দর একটা বিজনেস প্লাটফর্ম।

20/08/2024

অ্যাক্টিভ লিসেনিং বা মন দিয়ে কথা শোনা কেন জরুরি

আমরা সবাই চাই, অন্যরা যেন আমাদের কথা শোনে, বোঝে এবং গ্রহণ করে। কর্মসূত্রে আমাদের অনেকের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। যেখানে এই মনোযোগ কাজে আসে। কেননা মনোযোগ না থাকলে, আপনি হয়ত তার প্রস্তাব বা আইডিয়া ঠিকমত বুঝতে পারবেন না, এতে ভুল সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশঙ্কা থেকে যায়।

আবার, বন্ধুর বা কাছের কারো সাথে বাকবিতণ্ডার সময় আপনি যদি তার কষ্ট বা সমস্যার কথা মন দিয়ে না শোনেন, কেবলই সঠিক অবস্থানে থাকার জন্য নিজের কথা বলে যান, তাহলে সম্পর্ক আরও খারাপ হতে পারে। এরকম সময়গুলিতেই অন্যের কথা শোনার দারুণ পদ্ধতি হল "অ্যাক্টিভ লিসেনিং" বা "মন দিয়ে শোনা"।

# ইতিহাস

১৯৫৭ সালে দুই মার্কিন মনোবিজ্ঞানী কার্ল রজার্স আর রিচার্ড ফারসন এই ব্যাপারটা নিয়ে অনেক গবেষণা করেন। "Active Listening" শিরোনামে একটি নিবন্ধ প্রকাশ করে তারা প্রথম এই ধারণাটি তুলে ধরেন। তাদের মতে, অ্যাক্টিভ লিসেনিং হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যেখানে শ্রোতা (Listener) সক্রিয়ভাবে বক্তার (Speaker) কথা শোনে এবং বোঝে।

এরপর ধারণাটি ব্যবসা এবং ব্যবস্থাপনায় জনপ্রিয় হতে শুরু করে। নেতৃত্ব এবং ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হতে থাকে, যেখানে লিডার এবং ম্যানেজাররা তাদের টিম মেম্বারদের সাথে যোগাযোগ উন্নত করতে এবং সমস্যা সমাধান করতে এটি ব্যবহার করে।

বর্তমানে অ্যাক্টিভ লিসেনিং একটি মৌলিক যোগাযোগ দক্ষতা হিসাবে বিবেচিত হয়। এবং ব্যক্তিগত, পেশাগত এবং সামাজিক বিভিন্ন ক্ষেত্রে এটি ব্যবহৃত হয়।

# অ্যাক্টিভ লিসেনিং কী?

"মন দিয়ে শোনা" মানে শুধু শুনে যাওয়া না। এখানে শ্রোতাকে বক্তার কথা, অনুভূতি ও আসল বক্তব্য বুঝতে হয়। আর তারপর নিজের মতামত না চাপিয়ে বক্তার কথা আরও ভালভাবে বোঝার জন্য প্রশ্ন করা বা নিজের বোধগম্যতা জানানো হয়।

শুনতে সোজা মনে হলেও, বাস্তবে এটা একটা কঠিন দক্ষতা। যারা কথা বলতে ও শুনতে দক্ষ, তারাও অনেক সময় এটা ঠিকঠাক রাখতে পারেন না।

যেমন, আপনার সন্তান স্কুলে যাওয়ার সময় আপনাকে যদি বলে তার স্কুলে যেতে ভাল লাগে না তাহলে শুধু "আচ্ছা" "আচ্ছা" “এটা কোনো সমস্যা না” বলে মাথা নাড়লেই হবে না। বরং তার কথা মন দিয়ে শুনুন, তার অনুভূতি বুঝুন, আর প্রয়োজনে প্রশ্ন করুন, "তোমার কি স্কুলে কোনো সমস্যা হচ্ছে?”

# মন দিয়ে শোনার ৭টি দারুণ কৌশল

"আপনি আমার কথা ভুল বুঝেছেন," "আপনি ভুল সিদ্ধান্তে চলে গেছেন," "এটা আমি আশা করিনি" ধরনের বাক্যগুলি কি আপনি ব্যবহার করেন? বা রাগান্বিত হয়ে মিটিং থেকে বেরিয়ে যাওয়া বা ফোন কল কেটে দেওয়া—এসব কি শুনতে পরিচিত লাগছে?

এক গবেষণায় দেখা গেছে, সেলসম্যানরা মন দিয়ে কথা শোনার কৌশল ব্যবহার করে ১২০% বেশি সেল করতে পেরেছে!

শুধু বিক্রি নয়, যেকোনো ক্ষেত্রেই এই ৭টি কৌশল কাজে লাগিয়ে আপনি অনেক কিছু শিখতে পারবেন, অন্যের সাথে বিশ্বাস ও সম্পর্ক গড়ে তুলতে পারবেন, ভুল বোঝাবুঝি কমাতে পারবেন, এমনকি ক্যারিয়ারেও এগিয়ে যেতে পারবেন।

১. মনোযোগ দিয়ে উপস্থিত থাকুন

আজকাল আমরা প্রায় সবসময়ই ফোন আর সোশাল মিডিয়ায় ব্যস্ত থাকি। নোটিফিকেশন, কল আর ইমেইলের শেষ নেই। তাই, মন দিয়ে শোনার প্রয়োজনীয়তা এখন আগের চেয়ে অনেক বেড়ে গেছে।

অনলাইন মিটিং চলার সময় একটু কাজ সেরে নেওয়ার অভ্যাস প্রায় সবারই আছে। কিন্তু চেষ্টা করুন যতটা সম্ভব পুরো মনোযোগ দিয়ে কথোপকথনে অংশ নিতে। মিটিংয়ে ফোন সাইলেন্ট করে রাখুন, ইমেইল চেক থেকে বিরত থাকুন, এবং চেষ্টা করুন বক্তার দিকে তাকিয়ে কথা শুনতে।

যদি মনোযোগ না দেন, অন্যরা সহজেই এটা বুঝতে পারবে। আর তারা মনে করবে আপনি কথা শুনছেন না, তাদের গুরুত্ব দিচ্ছেন না। শুধু তাই না, পুরো মনোযোগ না দিলে হয়ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিস করবেন। শুধু শারীরিকভাবে উপস্থিত থাকলেই চলবে না, মনটাও সেখানে থাকতে হবে।

২. অন্যের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ লক্ষ্য করুন

দেহভঙ্গি, হাতের নড়াচড়া, চোখের যোগাযোগ, এমনকি কথা বলার সুর এবং গতি, এসব কিছুই বক্তার আসল বক্তব্য বুঝতে সাহায্য করে। কেউ যদি কথা বলার সময় চোখ এড়িয়ে যায়, তাহলে হয়ত সে লজ্জা পাচ্ছে বা সত্যিটা বলছে না। আবার, কেউ যদি হাত নাড়তে নাড়তে কথা বলে, তাহলে হয়ত সে উত্তেজিত।

এসব লক্ষ্য করুন, বক্তার কথার "আড়ালের" অর্থ বুঝতে ব্যবহার করুন। অনেক সময়, শরীরের ভাষা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজই বলে দেয় একজন আসলে কী বলতে চাইছে।

সাথে নিজের বডি ল্যাঙ্গুয়েজের দিকেও খেয়াল রাখুন। চোখের যোগাযোগ রাখুন, এমনভাবে উপস্থিত থাকুন যেন মনে হয় আপনি আগ্রহী এবং মনোযোগী।

৩. “Open ended” প্রশ্ন করুন

Open ended প্রশ্ন জিজ্ঞেস করে বক্তাকে আরও ব্যাখ্যা করতে উৎসাহিত করুন।

"হ্যাঁ" বা "না" জবাবের জন্য ক্লোজ বা বন্ধ প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করবেন না, বরং খোলা প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করে গভীরে যান, এমন উত্তর আশা করুন, যা আপনি আগে ভাবেননি।

যেমন, "আপনার মতে, এই প্রজেক্টের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ কী হতে পারে?" অথবা "আপনি যদি আমাদের দলের লিডার হতেন, তাহলে কী কী চেঞ্জ আনতে চাইতেন?" এ ধরনের প্রশ্ন জিজ্ঞেস করুন।

৪. শোনার আগে ভাবুন, উত্তর দেওয়ার আগে বুঝুন

আপনি হয়ত অনেকবার এমন করেছেন—কেউ কথা বলছে, আপনি ইতোমধ্যেই মাথায় একটা প্ল্যান করে ফেলেছেন!

বস যখন আপনার কাজের প্রশংসা করছেন, আপনি হয়ত ভাবছেন এরপর বেতন বাড়ানোর কথা বলবেন। কিন্তু আসলে বস হয়ত আপনাকে অন্য একটা কঠিন কাজের দায়িত্ব দিতে চাইছেন!

তার বাক্য শেষ করার আগেই আপনি উত্তর দিতে প্রস্তুত, অথবা কথোপকথন অন্যদিকে নিয়ে যেতে চাইছেন। এটা অন্য ব্যক্তিকে বলে যে আপনি শুধু নিজের কথাই বলতে চান।

যখন কারো সাথে কথা বলবেন বা মিটিং করবেন, অপেক্ষা করুন, নিজের চিন্তাটা স্থগিত রাখুন এবং সত্যিকার অর্থে অন্য ব্যক্তির কথা শুনুন। তারা কী বলতে চাইছে, সেটা বোঝার চেষ্টা করুন। তারপর সেই অনুযায়ী উত্তর দিন।

৫. সমালোচনা বা বিচার করবেন না

উত্তর দেওয়ার আগে ভাল করে বুঝুন। কথা বলার সময় বক্তাকে বিচার করার প্রবণতাটা এড়িয়ে চলুন। অনেক সময় আমরা অজান্তেই বডি ল্যাঙ্গুয়েজ বা কথার মাধ্যমে এটা করে ফেলি।

সহকর্মী তার ব্যক্তিগত সমস্যার কথা বললে, "আরে এ আর এমন কী, আমি তো এর চেয়েও বড় সমস্যা সামলেছি" —এমন কথা বলা অনুচিত।

যেমন, "কেন?" দিয়ে প্রশ্ন শুরু করা, বা ভুরু উঁচু করা অন্য ব্যক্তির কাছে সমালোচনা মনে হতে পারে। এতে তারা হয়ত আর সব কথা বলতে চাইবেন না, তারা মনে করতে পারেন, আপনি তাদের সমর্থন করছেন না।

৬. অন্যের অনুভূতির প্রতিফলন ঘটান

যদি বক্তা দ্রুত বা উৎসাহী স্বরে কথা বলেন, তাহলে তাদের কণ্ঠের স্বরের সাথে তাল মিলিয়ে একই উৎসাহ প্রতিফলিত করার চেষ্টা করুন। এটি দুঃখ, হতাশা, গর্ব, সন্তুষ্টি ইত্যাদি অন্যান্য আবেগের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।

কেউ যদি তার প্রজেক্টের সফলতার কথা উচ্ছ্বাস নিয়ে বলেন, তাহলে আপনিও তার সাথে উচ্ছ্বাস শেয়ার করতে পারেন, "বাহ, দারুণ খবর তো! অনেক অনেক শুভকামনা!"

৭. বক্তার কথা নিজের ভাষায় বলুন, অনুভূতি প্রকাশ করুন, স্পষ্ট প্রশ্ন করুন

বক্তার মূল বক্তব্য নিজের ভাষায় বলুন, যাতে বোঝা যায় তাদের কথা ঠিকঠাক বুঝেছেন। যেমন, "তাহলে আপনি বলতে চাচ্ছেন..." অথবা "যদি আমি ঠিক বুঝে থাকি, তাহলে..."।

ক্লায়েন্ট যদি বলে, "আমি চাই ওয়েবসাইটটা আরও আকর্ষণীয় হোক", তাহলে বলতে পারেন, "আপনি চাচ্ছেন ওয়েবসাইটের ডিজাইন আরও আধুনিক ও ইউজার-ফ্রেন্ডলি হোক, তাই তো?"

তাদের অনুভূতির প্রতিফলন ঘটান, যেমন, "এটা শুনে মনে হচ্ছে আপনি এ ব্যাপারে হতাশ হয়েছেন" অথবা "আপনি এই ব্যাপারে বেশ এক্সাইটেড বলে মনে হচ্ছে।"

সবকিছু ঠিকঠাক বুঝেছেন কিনা এ ব্যাপারে নিশ্চিত না হলে প্রশ্ন করুন। যেমন, "আপনি কি একটু ব্যাখ্যা করতে পারবেন...?" বা "আপনি কি এর দ্বারা বোঝাতে চেয়েছেন...?"

বন্ধু বা কাছের কেউ যদি যদি বলে, "আজকে মনটা ভাল নেই", আপনি জিজ্ঞাসা করতে পারেন, "কোনো বিশেষ কারণ আছে, নাকি শুধু মুড অফ?"

অন্যদের সাথে মিটিংয়ের সময়, কোনো কথা ভুল বুঝে থাকলে পরিষ্কার করে জিজ্ঞেস করুন। পরে, একটা ইমেইল পাঠিয়ে মূল আলোচনার বিষয়গুলি আর সিদ্ধান্তগুলি লিখে দিন। এতে করে কেউ ভুল কিছু বুঝবে না, আর সম্পর্কও ভাল থাকবে।

আমরা চাই, সবার সাথে ভাল সম্পর্ক থাকুক, ক্যারিয়ারে সফল হই, ব্যবসায় ভাল পার্টনারশিপ করি এবং সুন্দর পারিবারিক ও ব্যক্তিগত জীবন যাপন করি। মন দিয়ে শোনা এই সব উদ্দেশ্যকেই বাস্তব রূপ দিতে সাহায্য করতে পারে। তাই আজ থেকেই নিজেকে চ্যালেঞ্জ করুন, কথোপকথন বা মিটিংয়ে এই কৌশলগুলির একটা হলেও ব্যবহার করবেন।

09/08/2024

আপনি যখন সফল হতে চাইবেন তখন কেউ আপনাকে হাতে ধরে সাহায্য করবে না, আবার যখন সফল হবেন তখন কেউ পেছনের ব্যার্থতাকে না দেখে আপনার সফলতাকেই দেখবে। সাফল্যের চেয়ে ব্যর্থতার থেকে বেশি শেখা যায়, কারণ ব্যর্থতা কখনো থামতে দেয় না

"আমাকে আমার সফলতা দ্বারা বিচার করো না, ব্যার্থতা থেকে কতবার আমি ঘুরে দাঁড়িয়েছি তা দিয়ে আমাকে বিচার করো।

20/06/2024

আসসালামু আলাইকুম
আমরা চট্টগ্রামে কিছু তরুণ মিলে একটা ব্যাবসায়িক উন্নয়ন মূলক সংগঠন তৈরি করেছি।
এটি একটি উন্নয়ন মূলক ক্লাব হবে। এখানে কিছু সদস্য/উদ্যোক্তাদের প্রয়োজন, যারা অল্প অল্প ইনভেস্ট করে আগামী ৫ বছরের মধ্যে বড়ধরণের ব্যবসা করার চিন্তা ভাবনা আছে, যাদের এখন থেকে উদ্যোক্তা হওয়ার চিন্তা আছে আপনারা আমাদের সাথে থাকতে পারেন।

এতে যুক্ত হতে কোনো বয়স সীমা নেই, প্রাপ্তবয়স্ক যে কোনো বয়সের নারী,পুরুষ দেশ ও প্রবাসের যে কেউ আমাদের সাথে যুক্ত হতে পারবেন।
সুতারাং বুঝতেই পারছেন, এখানে কোনো অপ্রাসঙ্গিক আলাপ ও কাজকর্ম হবেনা! শুধু ব্যবসা ও নিজেদের উন্নয়ন ভিত্তিক আলাপ ও কাজ হবে!
এখানে বিস্তারিত লেখা সম্ভব না তাই আমি সংক্ষিপ্ত আকারে বলতেছি আমরা সর্বমোট ১০০০ সদস্য নিব, আমরা সকল সদস্য মিলে একটা ব্যান্ড বা কোম্পানি নিয়ে একসাথে কাজ করবো ।তার মধ্যে ধরেন আমরা সবার মতামতের ভিত্তিতে ই-কমার্স বিজনেস শুরু করলাম, তারপর কুরিয়ার তারপর ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট, রেষ্টুরেন্ট, মেডিসিন-শপ, হাউজিং, চেইন-শপ, সুপার-শপ, ইলেক্ট্রনিক্স-শো-রুম ইত্যাদি...আরো অনেক কিছু থাকবে।
ব্যবসার পাশাপাশি আমরা সেচ্ছাসেবী, ব্লাড ডোনেশন, আর্থ-সামাজিক, মানবিক কাজও করব।
এটি একটি অরাজনৈতিক ক্লাব হবে।
একটা কথা আছে ' দশে মিলে করি কাজ হারি জিতি নাহি লাজ' তেমনি যখন আমরা সবাই মিলে একসাথে মিলেমিশে কাজ করব আমাদের যেকোন কাজে সাফলতা পাবই ইনশাআল্লাহ। আমরা যেহেতু ১০০০ জনের একটা বড় সংগঠন হবে আমাদের এই ব্যবসাগুলো দার করাতে বেশি সময় লাগবেনা। শুধু আমাদের মেধা, শ্রম দিয়ে কাজ করে যেতে হবে।

আমরা এতকিছু করব বলতেছি এর জন্য অবশ্যয় বড় ধরনের ফান্ড দরকার। এর জন্য আপাতত আমাদের প্লান হচ্ছে প্রতিমাসে ৩০০ টাকা করে তুলব।৩০০ টাকা এটা কিন্তু ১জনের ১মাসের চায়ের বিলও না। বর্তমানে ১০ টাকা করে চা ও পেতে বেগ পেতে হয়। আমরা জনপ্রতি করে যখন ১০০০ জন সদস্য টাকা দিব, তখন প্রতি মাসে আমাদের ৩ লক্ষ টাকা হবে, এভাবে আমাদের ৩/৪ মাস পর ৯/১২ লাখ টাকা হয়ে গেলে আমরা সবার মতামতের ভিত্তিতে যে কোন ব্যবসায় ইনভেস্ট করব।

আমাদের পরিকল্পনা অনেক বড়।
১০০০ জন সদস্য কালেক্ট করা সোজা কথা না আমরা আপাতত ছোট থেকে শুরু করব, আমাদের ১০০ জন সদস্য হয়ে গেলে আমরা শুরু করে দিব। ইতিমধ্যে আমাদের রেজিষ্ট্রেশন মেম্বার 60+ হয়ে গেছে আপনি ও চাইলে আমাদের ক্লাবের সদস্য হতে পারেন।

31/05/2024

যা কাজ পাও তাই করো
চাকরি, ব্যবসা, অফিসিয়াল, নন অফিসিয়াল,সেলস ম্যান, সেলস অফিসার, মার্কেটিং অফিসার, ফ্লোর ইনচার্জ, সার্বেয়ার, স্টোর কীপার, ফিল্ড অফিসার, কালেকশান অফিসার, গার্মেন্টসের কিউসি,টীম মেম্বার থেকে শুরু করে সব কাজ। চাকরি দরকার, চেয়ার না।
কাজ করলে গা ভেঙ্গে যায়না। ইজ্জত ও যায়না। যাদের লজ্জার ভয়ে তুমি এসব কাজ ছোট করে দেখছো, তারা তুমি দুপুরে উপুস করে আছো এটা জানবেও না। তারা তোমারে খাওয়ায় না পড়ায়?
খালি পরামর্শ আর উপদেশ। এইটা কইরো না, হেইটা কইরো না। কিরে ভাই, আমি পানের দোকান করলে আপনার কি? পরামর্শ প্রবণ গোটা জাতি..
কাজে কোন 'না' নেই। যাই পাও তাই করো। কর্মই ধর্ম। আর কর্মই ধর্ম করতে গেলে তোমার চর্ম হতে হবে পুরো। একেবারে মোটা চামড়া। পাতলা চামড়ার জন্য এই দুনিয়া না৷ এখানে কথা শুনতে হবে, গালি শুনতে প্রস্তুত থাকা লাগবে।
পানের দোকান দাও, যদিও এতে তোমার গুস্টির জাত চলে যাবে। ইজ্জত ধুলোয় মিশে যাবে। CNG চালাও। মাত্র ১০০০ টাকা দৈনিক জমা। মাসে আয় প্রায় ২০০০০/-। ভাবা যায়? অবশ্য এতে তোমার পরিবারের সম্মান হানি হবে৷ তোমার গোস্টিতে কেউ বউও দিবে না!
আরে আজব। বিয়ে করতে চাইলে সমস্যা, অবৈধ প্রেমে বাঁধা নেই! না খেয়ে মরলে খোঁজ নেই। CNG চালালে অচ্যুত! অলরেডি পাঠাও উবার তাদের কাজ শুরু করে দিয়েছে। পোলাপান এখন আয়ের বহু পথ খুঁজে নিয়েছে৷ তারা ফুড পান্ডায় পিৎজা সাপ্লাই দিয়ে কমিশন নেয়। তাতে তদের বেজ্জতি হয়নি।
অত ভাবনার কিছু নেই। যা খুশি করো। শরবত বিক্রি করো, এখন দারুণ সিজন। তুরস্কের প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান শহরে রুহ আফজা ফ্লেভরের শরবত বিক্রি করতেন। ভারতের নরেন্দ্র মোদি রেল স্টেসানে চা বিক্রি করতেন। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট জিমি কার্টার বিক্রি করতেন বাদাম।

যাদের তুমি শরম পাচ্ছ, আর দশ বছর পর নিজেই নিজের কাছে লজ্জা পাবা। তারা তোমার কোন উপকারেই আসেনি। লোহার জাহাজ পানিতে ভাসানো হবে জেনে এলাকার লোকজন (সম্ভবত যে সি পেরিয়ারকে) ঢিল মেরে মাথা ফাটিয়ে দিয়েছিল। অথচ, সেটাই হয়ে গেল সভ্যতার বিশাল আবিস্কার।

যারা হাসে, তারা নেংটি ইঁদুরের মত আজীবনই হাসবে। তাদের ধারণা একটাই, ধুর পোলাটারে দিয়ে কিচ্ছু হবে না।

নিজের ইচ্ছেকে প্রাধান্য দাও। স্বপ্ন টাকে জিইয়ে রাখো। অনেকে পাগল ডাকবে। আমার ধারণা কিছুটা পাগলা টাইপের হলেই ভালো। সারা জীবন ফার্স্ট হয়ে যাওয়া ছেলেটাকে বোর্ড পরীক্ষায় ফেল করতে দেখেছি। ব্যাক বেঞ্চারকে বিশাল প্রতিষ্ঠানের

26/05/2024
শঙ্কা ও দ্বিধা ভেঙে তরুণ উদ্যোক্তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। কারণ একজন উদ্যোক্তাই পারে লাখো তরুণকে অনুপ্রাণিত করতে ও সামনে...
11/05/2024

শঙ্কা ও দ্বিধা ভেঙে তরুণ উদ্যোক্তার এগিয়ে যাওয়ার সময় এখনই। কারণ একজন উদ্যোক্তাই পারে লাখো তরুণকে অনুপ্রাণিত করতে ও সামনে এগিয়ে নিতে। আপনার উদ্যোক্তা হওয়ার এই অগ্রযাত্রায় পাশে আছে। "চট্টগ্রাম ইয়ুথ ক্লাব"

চট্টগ্রাম থেকে আমরা কজন বিক্রয় কর্মী উদ্যোগ নিয়েছি আগামী ৫ বছরে ১০০০ সফল উদ্যোক্তা তৈরী করবো,
একটা ব্যান্ড নিয়ে কাজ করবো সবাই,
তার মধ্যে থাকবে,
ই-কমার্স / কুরিয়ার / ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট / রেষ্টুরেন্ট / মেডিসিন-শপ / হাউজিং / চেইন-শপ / সুপার-শপ /
ইলেক্ট্রনিক্স-শো-রুম ইত্যাদি
আপনিও হতে পারেন ১০০০ জনের একজন,
আরো বিস্তারিত জানতে
যোগাযোগ করুন-
Whatsapp-01944940745

Address

Chittagong
4200

Telephone

+8801300750680

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CYC Communication posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to CYC Communication:

Share