Tasmim Trisha Suborna

Tasmim Trisha Suborna Hellow everyone,, Assalamualikum. Welcome to my little world. I'm Tasmim Trisha Suborna.❤️🌹❤️
(1)

 #মাশাআল্লাহ  #আলহামদুলিল্লাহ  #শুভরাত্রি 😴
24/07/2026

#মাশাআল্লাহ #আলহামদুলিল্লাহ
#শুভরাত্রি 😴

 #মাশাআল্লাহ  #জাওয়াদরা আলবুরুজ স্কুলে যখন পড়তো। পঞ্চম শ্রেণির কিছু স্মৃতি ❤️
19/07/2026

#মাশাআল্লাহ #জাওয়াদরা আলবুরুজ স্কুলে যখন পড়তো। পঞ্চম শ্রেণির কিছু স্মৃতি ❤️

19/07/2026

# #ওনারা একসাথে আর চা খেতে না পারলেও আমরা কিন্তু এখন একসাথে চা খেয়ে ফাইনাল ম্যাচ দেখছি,,,,,

মাত্র ১৯ বছর বয়সে ২০১১ সালে নেইমার  প্রথম সন্তানের বাবা হন। তার ছেলের নাম ডেভি লুকা। মজার ব্যাপার হলো, ডেভির মা, ক্যারোল...
26/06/2026

মাত্র ১৯ বছর বয়সে ২০১১ সালে নেইমার প্রথম সন্তানের বাবা হন। তার ছেলের নাম ডেভি লুকা।

মজার ব্যাপার হলো, ডেভির মা, ক্যারোলিনা দান্তাস সাথে নেইমারের প্রেমের সম্পর্ক স্থায়ী না হলেও, তাদের মধ্যকার বন্ধুত্ব এখনো দারুণ। নেইমার একজন চমৎকার সিঙ্গেল ফাদার হিসেবে ডেভিকে বড় করতে সবসময়ই পাশে থেকেছেন।

নেইমারের জীবনে প্রেম এসেছে বহুবার। ব্রাজিলের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী ব্রুনা মারকেজিন -এর সাথে তার ভেঙে যাওয়া এবং আবার জোড়া লাগা সম্পর্কটি প্রায় ৬ বছর ধরে মিডিয়ার হট টপিক ছিলো। ফ্যানরা ভেবেই নিয়েছিল তারা বিয়ে করবেন, কিন্তু ২০১৮ সালে তাদের চূড়ান্ত বিচ্ছেদ ঘটে।
নেইমার কিন্তু এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে কাউকে বিয়ে করেননি!

২০২৩ সালের অক্টোবরে নেইমারের জীবনে আসে তার দ্বিতীয় সন্তান, ফুটফুটে এক কন্যাসন্তান মাভি।
মাভির মা হলেন মডেল ও ইনফ্লুয়েন্সার ব্রুনা বিয়ানকার্ডি। মাভির জন্মের পর তাদের সম্পর্কে বেশ কিছু টানাপোড়েন চললেও, মেয়ের জন্য তারা প্রায়ই একসাথে কোয়ালিটি টাইম কাটান এবং সেই ছবিগুলো সোশ্যাল মিডিয়ায় দারুণ ভাইরাল হয়।

মাভির মা, ব্রুনা বিয়ানকার্ডির সাথে সম্পর্কের সময় মিডিয়াতে একটি খবর দারুণ শোরগোল ফেলেছিলো। শোনা যায়, তাদের মধ্যে একটি লিখিত চুক্তি বা শর্ত ছিলো যে, নেইমার চাইলে অন্য মেয়েদের সাথে ফ্লার্ট বা ডেটিং করতে পারবেন, তবে তার জন্য তিনটি কড়া নিয়ম মানতে হবে:
১. অত্যন্ত গোপনীয়তা বজায় রাখতে হবে।
২. কোনো কলগার্ল বা পতিতার সাথে জড়ানো যাবে না।
৩. কোনোভাবেই মুখ বা ঠোঁটে চুমু খাওয়া যাবে না!
এই অদ্ভুত ওপেন রিলেশনশিপের চুক্তিটি সোশ্যাল মিডিয়ায় তুমুল ট্রোলড হয়েছিলো।

২০২৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে নেইমারের জীবনে আসে তার তৃতীয় সন্তান একটি কন্যাসন্তান, যার নাম রাখা হয় হেলেনা। তবে এই সন্তানের মা ব্রুনা বিয়ানকার্ডি নন, বরং মডেল আমান্ডা কিম্বার্লি। হেলেনার জন্মের পর নেইমার হাসপাতালে গিয়ে তার সাথে দেখা করেন এবং ডিএনএ টেস্টের মাধ্যমে পিতৃত্ব নিশ্চিত করে বাচ্চার দায়িত্ব নেন। অর্থাৎ, একই বছরে তার দুই ভিন্ন প্রেমিকার ঘরে দুই কন্যাসন্তানের জন্ম হয়!

২০২৫ সালে ব্রুনা বিয়ানকার্ডি এর সাথে প্যাচ-আপের পর তাদের দ্বিতীয় মেয়ে মেল-এর জন্ম হয়।

বিতর্ক, একাধিক প্রেম, অদ্ভুত সব চুক্তি আর একের পর এক সন্তান নেইমারের মাঠের বাইরের জীবন যেন কোনো ওটিটি প্ল্যাটফর্মের সুপারহিট ড্রামা সিরিজ!
আপনি তাকে ভালোবাসুন আর নাই বাসুন, তাকে ইগনোর করা অসম্ভব।

✍️diaryofshe

 #আজ জাওয়াদের  শুভ জন্মদিন 🧁🍰🎂
06/06/2026

#আজ জাওয়াদের শুভ জন্মদিন 🧁🍰🎂

যে স্বামী ভাবে—স্ত্রীকে খুশি রাখতে অনেক টাকা দরকার,সে আসলে কখনোই স্ত্রীর মনটা বোঝার চেষ্টা করেনি।একজন স্ত্রীকে খুশি রাখত...
06/06/2026

যে স্বামী ভাবে—স্ত্রীকে খুশি রাখতে অনেক টাকা দরকার,
সে আসলে কখনোই স্ত্রীর মনটা বোঝার চেষ্টা করেনি।
একজন স্ত্রীকে খুশি রাখতে স্বামীর কত টাকা প্রয়োজন?

দাম্পত্য জীবনে সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো—
স্ত্রী মানেই খরচ,
স্ত্রী মানেই আবদার,
স্ত্রী মানেই চাওয়ার শেষ নেই।

অথচ বাস্তবতা একদম উল্টো।
একজন স্ত্রী চায় না দামি ফোন,
চায় না রেস্টুরেন্টের ছবি,
চায় না প্রতিদিন শপিং।

সে চায়—
একটু সময়,
একটু কথা,
আর সারাদিনের ক্লান্তির পর একটা নিশ্চিন্ত অনুভূতি।

🌸 ছোট ছোট যেসব মাধ্যমে স্ত্রী সত্যিই খুশি হয়—
🔹 দিনের মাঝখানে একটা মেসেজ
“আজ কেমন আছো?”
এই ছোট বাক্যটা অনেক নারীর চোখ ভিজিয়ে দেয়।

🔹 তার কথা মন দিয়ে শোনা
সমাধান না হলেও সমস্যা নেই—
শুধু মন দিয়ে শোনাটাই অনেক।

🔹 তার কাজের স্বীকৃতি দেওয়া
“আজ রান্নাটা দারুণ হয়েছে”—
এই কথাটা হাজার টাকার গিফটের চেয়েও দামি।

🔹 ক্লান্ত সময়ে পাশে থাকা
সে যখন চুপচাপ থাকে—
তখন জেরা নয়, একটু নীরব সঙ্গ দরকার।

🔹 সবার সামনে সম্মান দেওয়া
মায়ের সামনে, আত্মীয়ের সামনে, বন্ধুদের সামনে—
একটা ছোট সম্মান একজন স্ত্রীকে ভেতর থেকে ভরিয়ে দেয়।

🌙 স্ত্রী আসলে কী চায়?
সে চায় না স্বামী ধনী হোক,
সে চায় স্বামী নিজের হোক।

যে স্বামী সারাদিনের শেষে ফোন নামিয়ে
স্ত্রীর দিকে তাকিয়ে বলে—
“আজ তোমার দিনটা কেমন গেল?”
সে স্বামী অজান্তেই তার সংসারটা জিতে নেয়।

🔥 সত্যটা খুব পরিষ্কার—
টাকা সংসার চালায়,
কিন্তু মনই সংসার টিকিয়ে রাখে।

যে ঘরে ভালোবাসা নেই,
সেখানে টাকার পাহাড় থাকলেও শান্তি থাকে না।
আর যে ঘরে সম্মান আর বোঝাপড়া আছে,
সেখানে অল্পেই সুখ জমে ওঠে।

শেষের কথা
স্ত্রীকে খুশি রাখতে যদি লাখ টাকা লাগতো,
তাহলে পৃথিবীর বেশিরভাগ সংসারই ভেঙে যেত।

কিন্তু আল্লাহ এমনভাবে নারীকে বানিয়েছেন—
যেখানে একটু ভালোবাসা, একটু যত্নই
পুরো সংসারটাকে স্বর্গ বানিয়ে দেয়।

✍️ Voice of Nayem
—hafiz abu nayem

যে কারণে ভে"ঙে যায় শমী কায়সার ও রিংগোর সংসার 💔কিছু প্রেম শুরু হয় হঠাৎ, কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই—একটা বিকেল, একটুখানি কৌতূহল,...
24/04/2026

যে কারণে ভে"ঙে যায় শমী কায়সার ও রিংগোর সংসার 💔

কিছু প্রেম শুরু হয় হঠাৎ, কোনো পূর্বাভাস ছাড়াই—একটা বিকেল, একটুখানি কৌতূহল, আর অচেনা কারও দিকে অকারণ টান। শমী আর রিংগোর গল্পটা ঠিক তেমনই।

১৯৯৯ সালের সেই সময়টা—গাজীপুরের পূবাইল, বাধুন গ্রামের নিস্তব্ধতা ভেঙে শুটিং চলছিল আমজাদ হোসেনের ধারাবাহিক আগুন লাগা সন্ধ্যা। শমী ছিলেন সেখানে, নিজের মতো করে কাজ করছিলেন। তার ভেতরে তখন এক ধরনের নিঃশব্দ ক্লান্তি ছিল—যেটা বাইরে থেকে বোঝা যায় না, কিন্তু কাছাকাছি গেলে টের পাওয়া যায়।

ঠিক পাশেই আরেকটা শুটিং—একটা মিউজিক ভিডিও। ক্যামেরার পেছনে ছিলেন রিংগো। দ্রুত, মনোযোগী, নিজের কাজে ডুবে থাকা একজন মানুষ। শমী প্রথম দেখাতেই থমকে যান। কেন জানি না, কিন্তু চোখ সরাতে পারেন না। সেই অচেনা মানুষটার মধ্যে কিছু একটা ছিল—যা তাকে টেনে নেয়।

তারপর শুরু হয় খোঁজ নেওয়া। ইউনিটের লোকজনের কাছে জানতে চান—কে এই রিংগো?

উত্তর আসে, ভারত থেকে আসা পরিচালক, কাজে নাকি ভীষণ আন্তরিক। এই ছোট্ট পরিচয়টাই শমীর মনে বড় হয়ে ওঠে। তিনি এগিয়ে যান, কথা বলেন, প্রশংসা করেন। ধীরে ধীরে একটা দূরত্ব কমে আসে—দুজনের মধ্যে গড়ে ওঠে এক অদৃশ্য সেতু।

শুটিং শেষে ফেরার পথে রিংগোর গাড়িতে লিফট নেওয়া, রাত বাড়তে থাকলে গাড়ি থামিয়ে কিছুক্ষণ হাঁটা—এই ছোট ছোট মুহূর্তগুলোই যেন তাদের সম্পর্ককে অন্য এক জায়গায় নিয়ে যায়। কথা কম, অনুভূতি বেশি। সেই অনুভূতির ভেতরেই শমী ধীরে ধীরে বদলে যেতে থাকেন। শুটিং সেটের সেই নির্লিপ্ত মেয়েটা হয়ে ওঠেন প্রাণোচ্ছল, হাসিখুশি।

চারপাশে তখন গুঞ্জন। সবাই জানে, এই সম্পর্ক সহজ না।

রিংগোর অতীত ছিল, একটা ভাঙা সংসার ছিল, একটা সন্তানও ছিল।

তবুও শমী পিছু হটেন না। বরং যত বাধা আসে, ততই তার টানটা গভীর হয়। পরিবার আপত্তি জানায়, ভাই বোঝানোর চেষ্টা করেন—কিন্তু প্রেম তখন নিজের নিয়মে চলতে শুরু করেছে।

শেষ পর্যন্ত ১৯৯৯ সালের ৩১ মে—সবকিছুর বিরুদ্ধে গিয়ে বিয়ে করেন তারা। মনে হয়েছিল, এটাই বুঝি তাদের গল্পের পূর্ণতা। কিন্তু, পূর্ণতা মানেই কি স্থায়িত্ব?

বিয়ের পরই ধীরে ধীরে ফাটল দেখা দিতে শুরু করে। শমীর একটা স্বাভাবিক চাওয়া ছিল—স্বামীর পরিবার তাকে গ্রহণ করুক।

কিন্তু রিংগো সেটা পারছিলেন না। তার বাবা-মা প্রথম স্ত্রীর প্রতি বেশি অনুরক্ত ছিলেন, শমীকে সহজে মেনে নিতে পারেননি।

রিংগো মাঝখানে দাঁড়িয়ে দুই দিক সামলাতে চাইতেন—একদিকে স্ত্রী, অন্যদিকে পরিবার। কিন্তু সব সম্পর্ক একসাথে টিকিয়ে রাখা সবসময় সম্ভব হয় না।

এরপর আসে ২০০১ সাল। গাজী রাকায়েতের একটি নাটকের শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর আহত হন রিংগো।

তাকে নিয়ে যাওয়া হয় ভারতে। শরীরে স্থায়ী ক্ষত—একটা পা ছোট হয়ে যায়। জীবনের এই কঠিন সময়েই ঘটে আরেকটা ভাঙন। দিল্লিতে অসুস্থ স্বামীকে রেখে দেশে ফিরে আসেন শমী।

হয়তো তারও কিছু না বলা অভিমান ছিল, হয়তো ক্লান্তি—যা বাইরে থেকে বোঝা যায় না।

রিংগোর বাবা-মা তখন সেই দৃশ্য দেখেই বলেছিলেন—‘যার জন্য তুমি সব ছেড়েছিলে, সে-ই তোমার দু:সময়ে পাশে থাকল না।’ এই কথাটা হয়তো রিংগোর ভেতরে কোথাও গভীর দাগ কে"টে যায়।

আর ততদিনে তিনি জেনে গিয়েছিলেন রিংগো তার আগের স্ত্রীকে তখনো ডি"ভোর্স দেয় নি।

তারপর আর সময় নেয়নি। ২০০২ সালের শুরুতেই শমী ডিভোর্স লেটার পাঠান। একটা গল্প, যা এত আবেগ নিয়ে শুরু হয়েছিল, শেষ হয়ে যায় নি:শব্দে।

পরে দুজনেই নিজেদের জীবনে এগিয়ে গেছেন। রিংগো তার স্বাভাবিক জীবনে ছন্দ শুরু করে দিয়েছিল আর শমী—তার জীবনেও এসেছে নতুন অধ্যায়।



হয়তো সব প্রেম টিকে থাকার জন্য জন্মায় না। কিছু প্রেম আসে, আমাদের বদলে দিয়ে যায়, তারপর সময়ের মতোই নীরবে সরে যায়। শমী আর রিংগোর গল্পটা তেমনই—অপূর্ণ, কিন্তু ভীষণ সত্য।

#শমিকায়সার

14/04/2026

#আলহামদুলিল্লাহ #আজকের সন্ধ্যার নাস্তা চকলেট কেক😋 @

 #আলহামদুলিল্লাহ   #শুভরাত্রি❤️
14/04/2026

#আলহামদুলিল্লাহ #শুভরাত্রি❤️

Address

Chittagong

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tasmim Trisha Suborna posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share