Mamun Qadri Official

Mamun Qadri Official Welcome To My Official Page.

ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পর্ব:০১مثلِ فارس زلزلے ہوں نجد میںذکرِ آیاتِ ولادت کیجیےকেঁপে উঠুক নজদিদের অন্তর, পারস্য রাজপ্রাসাদের ...
19/08/2026

ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পর্ব:০১

مثلِ فارس زلزلے ہوں نجد میں
ذکرِ آیاتِ ولادت کیجیے

কেঁপে উঠুক নজদিদের অন্তর, পারস্য রাজপ্রাসাদের ন্যায়।
মিলাদুন্নবী ﷺ এর অলৌকিকত্বের, বর্ণণা ছড়িয়ে পড়ুক বিশ্বময়।

হিজরী অষ্টম শতাব্দীর বিখ্যাত মুজতাহিদ ইমাম, শাফেয়ি মাযহাবের ফকিহ, আশয়ারী কালাম শাস্ত্রের মুতাকাল্লিম, সর্বোপরি আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাতের ইমাম, ইমাম আবদুর রহমান ইবনে কামালুদ্দিন আবি বকর ইবনে মুহাম্মাদ সাবিকুদ্দিন খুদর জালাল উদ্দিন আল খুদায়রি, আল আসয়ুতী,আশ শাফেয়ি,আল আশআরী (রহ)।

ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (রহ) [৮৪৯-৯১১ হি.]

ইমাম সুয়ূতী (রহ) ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ উৎযাপন এবং এর আমলের উপরে "হুসনুল মাক্বসাদ ফী আমালিল মাওলেদ" নামে আলাদা একটি রেসালা লিখেছেন যা তাঁর বিখ্যাত ফতোয়ার কিতাব "আল হাবী" তে সংকলন করা হয়েছে।

ইমাম সুয়ূতী (রহ) তাঁর "হুসনুল মাক্বসাদ ফী আমালিল মাওলিদ" কিতাবে মিলাদুন্নবী ﷺ সম্পর্কে লিখেছেন:

”فيستحب لنا أيضاً إظهار الشكر بمولده باجتماع الإخوان، وإطعام الطعام، ونحو ذلك من وجوه القربات، وإظهار المسرات“

অর্থ: “ সুতরাং হুজুর পাক ﷺ এর এর শুভাগমনে শোকরিয়া আদায় করে সবাই একত্রিত হয়ে জাময়াতের সহিত মিলাদুন্নবী ﷺ উৎযাপন করা, খাবার-দাওয়াত এর আয়োজন করা, এ ধরনের অন্যান্য নেক আমল যা দ্বারা নৈকট্য লাভ হয় সে সব আমল করা এবং খুশি উৎযাপন করা মুস্তাহাব।”

নোট: এখন ১৪৪৭ হি. আর ইমাম সুয়ূতী রহ ছিলেন ৯০০ হিজরির ইমাম, সুতরাং তিনি আজ থেকে প্রায় ৫০০/৬০০ বছর পূর্বের ইমাম,ঈদে মিলাদুননবী ﷺ উৎযাপন নিয়ে তাঁর ফতোয়া হলো মুস্তাহাব।

“তাফসিরে জালালাইন” তাফসির জগতে কতটা বিখ্যাত এবং গুরুত্বপূর্ণ তা আহলে ইলমের কাছে অবশ্যই ধারণা আছে এবং ইমাম সুয়ূতী (রহ) কত বড় মাপের ইমাম তা সম্পর্কেও তালেবে ইলমরা যথেষ্ট ধারণা রাখেন।

এত বড় মাপের মুফাসসির, মুহাদ্দিস, ইমামের ফতোয়া কী ছিল আর আমাদের দেশের নামধারী ভন্ড, মুকাছসির দের ফতোয়া কী তা দেখেন, আর চিন্তা করেন কোন ইসলাম মানবেন? কুরআন হাদিসের ইসলাম নাকি বর্তমান সময়ের নজদী ধর্মের অনুসারীদের কথিত ইসলাম?

[তথ্যসূত্র:
১)আল হাবী লিল ফতোয়া - ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (রহ)- খন্ড:০১ - পৃষ্ঠা:১৮৮।
২)হুসনুল মাক্বসাদ ফী আমালিল মাওলিদ - ইমাম জালাল উদ্দিন সুয়ূতী (রহ) - পৃষ্ঠা: ৬৫]

যে দো‘য়ায় আপনার রিজিকে বরকত আসবে ‼️মুস্তাগফিরী (রহ.) তাঁর ‘আদ-দা‘আওয়াত’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ...
18/08/2026

যে দো‘য়ায় আপনার রিজিকে বরকত আসবে ‼️

মুস্তাগফিরী (রহ.) তাঁর ‘আদ-দা‘আওয়াত’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন,

এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এসে আরজ করলো,

“হে আল্লাহর রাসূল! দুনিয়া আমার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে এবং আমার সম্পদ-সামর্থ্যও কমে গেছে।”

তখন রাসূলুল্লাহ ﷺ বললেন, “তুমি ফেরেশতাদের দোয়া ও সমস্ত সৃষ্টির তাসবিহ থেকে উদাসীন কেন? এর মাধ্যমেই তো তারা রিজিকপ্রাপ্ত হয়!”

লোকটি বলল, “হে আল্লাহর রাসূল! সেটি কী?”

নবিজী ﷺ ইরশাদ করলেন, “তুমি বলো,
سُبْحَانَ اللهِ وَبِحَمْدِهِ، سُبْحَانَ اللهِ الْعَظِيمِ، أَسْتَغْفِرُ اللهَ
সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল ‘আযীমি, আসতাগফিরুল্লাহ।

পড়ার সময়: ফজরের ওয়াক্ত শুরু হওয়া থেকে ফজরের নামাজ আদায় করা পর্যন্ত ১০০ (একশত) বার। তাহলে দুনিয়া তোমার কাছে বাধ্য ও বিনীত হয়ে উপস্থিত হবে।”

—আল-মুস্তাগফিরী, ‘আদ-দা‘আওয়াত’

#দোয়া #ইবাদত #আমল #ইসলামেরকথা

আজানের সময় কানে আঙুল রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব আজান ইস লামের অন্যতম মহান নিদর্শন।মুয়াজ্জিনের জন্য আজানের কিছু আদব ও মুস্...
14/08/2026

আজানের সময় কানে আঙুল রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব

আজান ইস লামের অন্যতম মহান নিদর্শন।মুয়াজ্জিনের জন্য আজানের কিছু আদব ও মুস্তাহাব আমল রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম হলো আজান দেওয়ার সময় দুই কানের ছিদ্রে আঙুল রাখা।

হযরত আবু জুহাইফা (রাঃ) বলেন, তিনি হযরত বিলাল (রাঃ)-কে আজান দিতে দেখেছেন

وَإِصْبَعَاهُ فِي أُذُنَيْهِ

অর্থ: “তাঁর দুই আঙুল তাঁর দুই কানে ছিল।”
সুনানে তিরমিযী,

এ বিষয়ে হানাফি ফিকহের প্রসিদ্ধ গ্রন্থ বাহারে শরিয়ত-এ রয়েছে:

“اَذان کہتے وقت کانوں کے سوراخ میں انگلیاں ڈالے رہنا مستحب ہے اور اگر دونوں ہاتھ کانوں پر رکھ لیے تو بھی اچھا ہے، اور اوّل احسن ہے کہ ارشادِ حدیث کے مطابق ہے اور بلندیِ آواز میں زیادہ معین۔”

অর্থ: “আজান দেওয়ার সময় কানের ছিদ্রে আঙুল রাখা মুস্তাহাব। আর যদি উভয় হাত কানের ওপর রাখা হয়, তবুও ভালো। তবে কানের ছিদ্রে আঙুল রাখাই অধিক উত্তম; কারণ এটি হাদিসের নির্দেশ অনুযায়ী এবং আওয়াজ উচ্চ করতে অধিক সহায়ক।”

বাহারে শরিয়ত, খণ্ড ১, পৃষ্ঠা ৪৭০, আজানের বয়ান।

আর ইমাম আহমদ রযা খান (রহ.) ফতোয়ায়ে রযভিয়ায় লিখেছেন:

“اذان میں انگلیاں کان میں رکھنا مسنون ومستحب ہے۔”

অর্থ: “আজানের মধ্যে কানে আঙুল রাখা সুন্নত ও মুস্তাহাব।”

ফতোয়ায়ে রযভিয়া, খণ্ড ৫, পৃষ্ঠা ৩৭৩, রযা ফাউন্ডেশন, লাহোর।

কোন আঙুল?
ফিকহের ব্যাখ্যায় দুই হাতের শাহাদাত/তর্জনী আঙুল দুই কানের ছিদ্রে রাখার কথা উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ ডান কানে ডান হাতের তর্জনী এবং বাম কানে বাম হাতের তর্জনী।মনে রাখতে হবে, কানে আঙুল রাখা আজানের ফরজ বা ওয়াজিব নয়; এটি সুন্নত ও মুস্তাহাব। তাই কেউ আঙুল না রেখেও আজান দিলে আজান সহিহ হয়ে যাবে।সুন্নতের প্রতি ভালোবাসা ঈমানদারের সৌন্দর্য।আসুন, আজানের আদব ও সুন্নতগুলো জেনে নিজের আমলকে সুন্দর করি।

صَلُّوا عَلَى الْحَبِيبِ ﷺ
#এসো_মাসায়েল_শিখি !
#ইসলামেরআলো #ইসলামিকজ্ঞান
#ইসলাম

ঈদ মোবারক সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺআগামী ২৬ আগস্ট বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পালিত হবে।
14/08/2026

ঈদ মোবারক
সকল ঈদের সেরা ঈদ, ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ
আগামী ২৬ আগস্ট বুধবার পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী ﷺ পালিত হবে।

কীভাবে আ‘লা হযরত মাত্র দুই মিনিটে তাঁর সময়ের অন্যতম সেরা গণিতবিদের একটি জটিল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিলেন?প্রফেসর স্যার য...
14/08/2026

কীভাবে আ‘লা হযরত মাত্র দুই মিনিটে তাঁর সময়ের অন্যতম সেরা গণিতবিদের একটি জটিল প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিলেন?

প্রফেসর স্যার যিয়াউদ্দীন আহমাদ আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ছিলেন এবং তাঁর সময়ের একজন খ্যাতনামা গণিতবিদ হিসেবে পরিচিত ছিলেন। দীর্ঘদিন ধরে গণিতের একটি জটিল প্রশ্নের সমাধান তিনি খুঁজে পাচ্ছিলেন না। বিভিন্ন সমীকরণ ও সূত্র প্রয়োগ করেছেন, ভারতের অনেক গণিতবিদের সঙ্গেও আলোচনা করেছেন; কিন্তু কেউই সমস্যাটির সমাধান দিতে পারেননি।

একপর্যায়ে তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন, সম্ভবত জার্মানিতে গিয়ে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে হবে। জার্মানি যাওয়ার প্রস্তুতিও প্রায় সম্পন্ন হয়ে গিয়েছিল।

এ সময় তাঁর সঙ্গে কর্মরত এক অধ্যাপক, হযরত সুলাইমান আশরাফী সাহেব, তাঁকে পরামর্শ দিলেন “আপনি একবার বেরেলি গিয়ে আ‘লা হযরতের সঙ্গে দেখা করে আসুন এবং প্রশ্নটির সমাধান তাঁর কাছে জিজ্ঞেস করুন।”

স্যার যিয়াউদ্দীন বললেন, “আপনি কী বলছেন! এটা তো গণিতের বিষয়। কোনো ধর্মীয় আলেম গণিতের এই জটিল প্রশ্ন সম্পর্কে কী জানবেন?”

কিন্তু সুলাইমান আশরাফী সাহেব তাঁকে বারবার অনুরোধ করলেন। শেষ পর্যন্ত তিনি জার্মানি যাওয়ার আগে একবার বেরেলি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন।

দুজন গাড়িতে করে বেরেলি পৌঁছালেন। তখন আসরের সময় হয়ে গেছে। আ‘লা হযরত মসজিদে সুন্নত নামাজ আদায় করে ফরজ নামাজের প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এ সময় তিনি তাঁদের দেখতে পেলেন এবং কাছে বসিয়ে জিজ্ঞেস করলেন, “কীভাবে আসা হলো? কোনো সমস্যা হয়েছে?”

স্যার যিয়াউদ্দীন বললেন, “হযরত, গণিতের একটি প্রশ্ন নিয়ে আমি দীর্ঘদিন ধরে সমস্যায় আছি। অনেক চেষ্টা করেও এর সমাধান বের করতে পারছি না।”

এরপর তিনি সেই দীর্ঘ ও জটিল গণিতের প্রশ্নটি আ‘লা হযরতের সামনে পেশ করলেন।

আ‘লা হযরত প্রশ্নটির দিকে একবার তাকিয়ে বললেন, “এখানে এই সমীকরণটি প্রয়োগ হবে, এই সূত্রটি লাগবে এবং এই তত্ত্বটি ব্যবহার করতে হবে।”

এরপর একটি কাগজ নিয়ে মাত্র দুই মিনিটের মধ্যে পুরো সমাধান লিখে দিলেন।

স্যার যিয়াউদ্দীন সেই কাগজটি হাতে নিয়ে হতবাক হয়ে গেলেন। তাঁর চোখে পানি এসে গেল।

তিনি বললেন, “যে প্রশ্নটি আমাকে বছরের পর বছর ধরে চিন্তায় রেখেছিল, একজন আলেমে দ্বীন সেটি মাত্র কয়েক মুহূর্তে সমাধান করে দিলেন!”

এরপর তিনি বললেন, “ইলমে লাদুন্নি সম্পর্কে আমি আগে শুনেছিলাম। কিন্তু আজ নিজের চোখে দেখলাম ইলমে লাদুন্নি সত্য। আল্লাহর পক্ষ থেকে দান করা জ্ঞান সত্য।”

এরপর তিনি জার্মানি যাওয়ার পরিকল্পনা বাতিল করেন এবং শরিয়তসম্মত দাড়ি রেখে ইসলামী জীবনযাপন শুরু করেন

এই ঘটনাটি ‘হায়াতে আ‘লা হযরত’ গ্রন্থেও উল্লেখ আছে। এমনকি স্যার যিয়াউদ্দীন আহমদের পরিবারের কাছ থেকেও ঘটনাটি যাচাই করা সম্ভব

তাই তো কবি বলেছেন

ملکِ سخن کی شاہی تم کو رضا مسلّم
جس سمت آ گئے ہو، سکے بٹھا دیے ہیں

#সিরাতে_আলা_হযরত
#আলা_হযরত াব্দি_মুজাদ্দিদ
#ইতিহাস #মুসলিম_জাহানের_ইতিহাস
#মুসলিম #মুসলিমবিশ্ব

▪️প্রশ্নঃ- আখেরি চাহার শোম্বা মানে কি ?🅰️উত্তরঃ- এখানে দুইটি ভাষার মিশ্রণে একটি বাক্য। আরবি ও ফার্সি শব্দদ্বয়ের ব্যবহার।...
12/08/2026

▪️প্রশ্নঃ- আখেরি চাহার শোম্বা মানে কি ?
🅰️উত্তরঃ- এখানে দুইটি ভাষার মিশ্রণে একটি বাক্য। আরবি ও ফার্সি শব্দদ্বয়ের ব্যবহার। আখের শব্দটি আরবি। যার অর্থ শেষ। চাহার শোম্বা শব্দটি ফার্সি। যার অর্থ বুধবার। হিজরি সালের সফর মাসের শেষ বুধবারকে আমাদের ভারত উপমহাদেশে ‘আখেরি চাহার শোম্বা’ হিসেবে পালন করা হয়।

▪️প্রশ্নঃ- আখেরি চাহার শোম্বার পালন কি ইসলামে বৈধতা আছে ?
🅰️উত্তরঃ- নিশ্চয় আখেরী চাহার শোম্বা পালন করা ইসলামি শরীয়ত মতে জায়েজ। সফর মাসে একলাখ বিশ হাজার বালা-মুসিবত নাজিল হয়। সুতরাং ঐ দিনে যে ব্যক্তি নিম্নোক্ত নিয়মে চার রাকাত নামাজ পাঠ করবে আল্লাহ তাআলা তাকে ঐ বালা-মুসিবত থেকে রক্ষা করবেন এবং পরবর্তী বছর পর্যন্ত তাকে হেফাজতে রাখবেন।

✍️(খাজা নিযামুদ্দীন আউলিয়া, রাহাতিল কুলুব ; পৃষ্টাঃ১৩৯)।

▪️শাইখুল মাশায়েখ, ফানা ফিল্লাহ, বাকা বিল্লাহ্ হযরত শায়খ খাজা বাবা ফরিদ উদ্দিন গাঞ্জেশাকর (রহঃ) বলেন, আমি সুলতানুল হিন্দ , হযরত খাজা মঈনুদ্দীন চিশতী আজিমরী (রহঃ)'র ওজিফায় দেখেছি যে, প্রতি বছর তিন লাখ বিশ হাজার (৩,২০,০০০) বালা-মুসিবত নাযিল হয় এবং সেটি সফর মাসের শেষ বুধবারে নাযিল হয়। আর সেই দিনটি পুরো বছরের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন দিন হিসেবে বিবেচ্য।

▪️আসুন আমরা আখেরী চাহার শোম্বার বিশেষ নামাজ ও ‘আয়াতে সালাম’ এর ব্যবহার সম্পর্কে ধারণা গ্রহন করি ও আমলের মাধ্যমে হেফাজতে থাকি।

✅ যে ব্যক্তি ঐ দিনে চার রাকআত এভাবে নফল নামাজ পড়বে,
▪️প্রতিটি রাকআতে সূরা ফাতিহার পরে সুরা কাওসার ১৭ বার,
▪️সূরা ইখলাস ০৫ বার,
▪️এবং সূরা ফালাক+নাস (প্রত্যেকটি) ০১ বার করে তেলাওয়াত করবে-

এরপর নিম্নোক্ত দোয়াটি পাঠ করবে , আল্লাহ তা‘আলা তাঁর দয়া ও অনুগ্রহে আমলকারী ব্যাক্তিকে ঐ দিনে নাযিল হওয়া সকল প্রকারের বালা-মুসিবত থেকে হেফাযত করবেন। الله اكبر

আর ঐ বলা-মুসিবত তার আশেপাশেও পুরো বছরের জন্য আসতে পারবেন না এবং তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ থাকবেন। সুবহানআল্লাহ্।

✅ আর সেই মহিমান্বিত দোয়াটি হচ্ছেঃ-

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ - يَا شَدِيْدَ الْقُوَى وَيَا شَدِيْدَ الْمِحَال .

▪️ আয়াতে সালামের ব্যবহারঃ-
আরও বলা হয়েছে, সাদা কাগজে ‘আয়াতে সালাম’সমূহ লিখে খাবার পানিতে ভিজিয়ে উক্ত পানি পান করবেন।

▪️পবিত্র আয়াতে সালাম’সমূহ হলোঃ-

بِسْمِ اللهِ الرَّحْمٰنِ الرَّحِيْمِ،
سَلَامٌ قَوْلًا مِّن رَّبٍّ رَّحِيْمٍ
سَلَامٌ عَلَىٰ نُوحٍ فِي الْعَالَمِينَ ،
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ
سَلَامٌ عَلَىٰ إِبْرَاهِيمَ ،
كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ,
سَلَامٌ عَلَىٰ مُوسَىٰ وَهَارُونَ ,
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ,
سَلَامٌ عَلَىٰ إِلْ يَاسِينَ ,
إِنَّا كَذَٰلِكَ نَجْزِي الْمُحْسِنِينَ ,
سَلَامٌ عَلَيْكُمْ طِبْتُمْ فَادْخُلُوهَا خَالِدِينَ،
سَلَامٌ عَلَيْكُم بِمَا صَبَرْتُمْ فَنِعْمَ عُقْبَى الدَّارِ ,
سَلَامٌ هِيَ حَتَّىٰ مَطْلَعِ الْفَجْرِ.

[আল-জাওয়াহিরুল খামসা]

✅সময়ের দাবীঃ- ⤵️
{🤲খুব বেশি শেয়ার , কমেন্ট ও লাইক দিন। প্রয়োজনে কপি করে নিজের প্রোফাইল থেকে পোস্ট করুন।}

✍️বেদাতীদের সকল কথার জবাব।
✅সম্পূর্ণ পড়ার অনুরোধঃ-

আখেরী চাহার শোম্বা হলো ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের পালিত অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ একটি স্মারক দিবস।

▪️মূল ঘটনাঃ-
২৩ হিজরির শুরুতে রসূলে পাক সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম গুরতর অসুস্থ হয়ে পড়েন। ক্রমেই তাঁর শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। তিঁনি এতটাই অসুস্থ হয়ে পড়েন যে, নামাজের ইমামতি পর্যন্ত করতে পারছিলেন না। ২৮ সফর বুধবার রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সুস্থ হোন। দিনটি ছিল সফর মাসের শেষ বুধবার।

▪️এই দিন কিছুটা সুস্থবোধ করায় রসূলুল্লাহ ﷺ গোসল করেন এবং শেষবারের মত নামাজে ইমামতি করেন। মদীনাবাসী এই খবরে আনন্দ-খুশিতে আত্মহারা হয়ে গেলেন এবং দলে দলে এসে নবী ﷺ কে একনজর দেখে গেলেন। সকলে তাদের সাধ্যমতো দান-সাদকা করলেন, শুকরিয়া নামাজ আদায় ও দোয়া করলেন।

▪️উল্লেখ্য যে, ২৯ সফর তিঁনি আবার অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং তার মাত্র ১৫ দিন মতান্তরে ১২ দিন পর ১২ রবিউল আউয়ালে পর্দা মোবারক করেন।

▪️বুজর্গানেদ্বীনের কিছু নির্দিষ্ট বিধি-বিধানের আলোকে 'আখেরি চাহার শোম্বা' পালন করা হয়। শুকরিয়া দিবস হিসাবে পালিত হয়। যাতে সাধারণত গোসল করে দু’রাকাত শোকরানা-নফল নামাজ আদায় শেষে রোগ থেকে মুক্তির দোয়া ও দান-খয়রাত করা হয়।

▪️বিভিন্ন মসজিদ, মাদরাসা, দরবার, খানকায় ওয়াজ-নসিহত, জিকির-আজকার, মিলাদ মাহফিল, দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয় এই দিনটি পালন উপলক্ষে। এদিন বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সরকারিভাবে বন্ধ রাখার পাশাপাশি অফিস-আদালতে ঐচ্ছিকভাবে ছুটির দিন হিসাবে বিবেচনা করা হয়।

▪️সফর মাসের শেষ বুধবার ছিল ৩০ তারিখ। এদিন নবী করীম [ﷺ]-এঁর অসুখ হঠাৎ কমে গেল। তিঁনি সকাল বেলা উঠেই হযরত আয়শা (رضي الله عنها)-কে ডেকে বললেন, আমার জ্বর কমে গেছে তুমি আমাকে গোসল করিয়ে দাও।

▪️আম্মাজান আয়েশা সিদ্দিকা(রাঃ) তাঁকে গোসল করিয়ে দিলেন।তিঁনি সুস্থ্য বোধ করলেন। এটাই ছিল দুনিয়ার শেষ গোসল। হযরত ইমাম হাসান, হযরত ইমাম হোসাইন ও বিবি ফাতিমা (رضي الله عنهم) কে ডেকে আনা হলো।

▪️নাতিদ্বয়কে নিয়ে তিঁনি ﷺ সকালের নাস্তা করেন। হযরত বেলাল (رضي الله عنه) সুফফাবাসীগণ বিদ্যুতের ন্যায় এ সংবাদ মদীনার ঘরে ঘরে ছড়িয়ে দিলেন। সাহাবায়ে কেরামের মধ্যে আনন্দের ঢেউ খেলে গেল। তারা বাঁধ ভাঙ্গা স্রোতের মত দলে দলে আসতে লাগলেন এবং হুযুর [ﷺ]-কে এক নজর দেখার জন্য উদগ্রীব হয়ে রইলেন।

✅সাহাবায়ে কেরামগণের আমলঃ-
==================================
হুযুরের রোগ মুক্তির সংবাদে সাহাবায়ে কেরাম কত খুশি ও আনন্দিত হয়েছিলেন কিছু ঘটনার মাধ্যমে তার কিছুটা আন্দাজ করা যায়। আল্লাহু আকবর কাবিরা।

১/ হযরত আবু বকর (رضي الله عنه) পাঁচহাজার দিরহাম ফকির মিসকীনদের মধ্যে বিলিয়ে দিলেন।

২/ হযরত ওমর (رضي الله عنه) দান করলেন সাত হাজার দিরহাম।

৩/ হযরত ওসমান (رضي الله عنه) দান করলেন ১০ হাজার দিরহাম।

৪/ হযরত আলী (رضي الله عنه) দান করলেন ৩হাজার দিরহাম।

৫/ সবচেয়ে বেশী দান করলেন, ধনী ব্যবসায়ী হযরত আবদুর রহমান ইবনে আওফ (رضي الله عنه)। তিনি একশত উট আল্লাহর রাস্তায় বিলিয়ে দিয়েছিলেন। সুবহানআল্লাহ!

নবী করীম [ﷺ]- এর একটু শান্তি ও আরামের সংবাদে সাহাবীগণ কীভাবে জান-মাল উৎসর্গ করে দিতেন এটা তারই আংশিক প্রমাণ।

✅ইমান তাজা হওয়ার মতন কথাঃ-

“হযরত আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (رضي الله عنه) প্রতি বৎসর ঈদে মীলাদুন্নবীর [ﷺ] দিনে একটি মূল্যবান লাল উট জবাই করে যেয়াফত দিতেন" (বা সাআদাতে আবাদিয়া, তুরস্ক দ্রষ্টব্য)।

[নবী করীম [ﷺ]-এঁর সাময়ীক রোগ মুক্তির দিবসকে চিরস্মরণীয় করে রাখার জন্য পারস্যসহ মধ্য এশীয়া পাক ভারত উপমহাদেশে অত্যন্ত ভাবগম্ভীর পরিবেশে এই দিবসটি পালন করা হয়।

বুজুর্গানে দিনের ত্বরিকা অনুযায়ী এ দিনে নবীজীর স্মরণে এবং রোগ বালাই থেকে ‍মুক্তির নিয়তে আখেরী চাহার শোম্বা দিবসে গোসল করে দুই রাকাত শুকরিয়া নামায আদায় করা হয়। এছাড়াও বৈধ সমস্ত নেক আমল করা হয়।

কোরআন মাজিদের ০৬টি আয়াতে শেফাও সাত সালামের আয়াত চিনির প্লেটে বা কলা পাতায় লিখে পানিতে ধৌত করে ঐ পানি পান করলে পাইলস বা গেজ রোগ নিরাময় হয় বলে বুজুর্গানে দ্বীন ফাযায়েলের কিতাবে লিখে গেছেন।]

আখেরী চাহার শোম্বা বা সফরের শেষ বুধবার দিবসটি পালন করে মুসলমানরা ইসলামের একটি স্মরণীয় দিনকে এখনো প্রেরণার উৎস করে রেখেছে।

মূলতঃ এসব অনুষ্ঠানের মাধ্যমেই ইসলামী জোশ বারবার চাঙ্গা হয়ে উঠে। কিন্তু পরিতাপের বিষয় এই যে, নবী করীম [ﷺ]-এর স্মৃতি বিজরীত এই দিবসটি পালন করতে এক শ্রেনীর ওলামা নিষেধ করেন। এটাকে বিদ’আত বলে মানুষকে ভয় দেখান।

তাদের উদ্দেশ্য একটি- সেটি হলো, ইসলামের স্মরণীয় ঘটনাসমূহ মুসলমানদের হৃদয় থেকে মুছে ফেলা। নবী-অলিদের স্মৃতি বিজড়িত চিহ্ন সংরক্ষণ করা ও দিবস পালনের মধ্যে অজস্র কল্যাণ নিহিত রয়েছে।

এজন্যই কোরআন মাজিদে পূর্ববর্তী নবীগণের বিভিন্ন স্মরণীয় দিনের ঘটনা বর্ণনা করা হয়েছে। যাতে মানুষ ঐগুলো থেকে হেদায়াতের আলো লাভ করতে পারে। ঐসব স্মরণীয় দিনগুলোকে আল্লাহপাক কোরআন মজিদে “ইয়াওমিল্লাহ" বা “আল্লাহর স্মরণীয় দিবস" বলেছেন।

আখেরী চাহার শোম্বার গোসলটি ছিলো নবী করীম [ﷺ]-এর জীবনের শেষ গোসল। এরপর ছিলো জানাযার গোসল। আখেরী চাহার শোম্বার দিন বিকাল থেকেই পূণরায় জ্বর দেখা দেয়। এই জ্বরেই নবী করীম [ﷺ] ১২দিন পর পরকাল গমণ করেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)।

সুতরাং সফরের শেষ বুধবার একদিকে খুশির দিন অপর দিকে শোকেরও দিন। সকালে আনন্দ বিকালে বিষাদ কিন্তু দুটি একসাথে হলে প্রথমটি পালন করতে হয়। যেমন ১২ই রবিউল আউয়াল।

▪️দিবস পালনের গুরুত্বঃ
=================================
✅ঘটনা নাম্বার ০১ঃ

স্বরণীয় দিনগুলোর উল্লেখ করে আল্লাহপাক এরশাদ করেনঃ-
“হে বনী ইসরাঈল! তোমরা ঐদিনের ঘটনা স্বরণ কর। যেদিন আল্লাহ তায়ালা তোমাদেরকে ফেরআউনের অত্যাচার থেকে নাযাত দিয়েছিলেন এবং ফেরাউনকে সদলবলে ডুবিয়ে মেরেছিলেন(সুরা বাকারা)। তাই তারা আশুরার দিনে রোজা রাখতো। আমরাও হুযুরের বেলাদত দিবস পালন করি।

✅ঘটনা নাম্বার ০২ঃ

যেমন আল্লাহ্‌ পাক বলেনঃ- “হে প্রিয় হাবীব! ঐদিনকে স্বরণ করুন- যেদিন আল্লাহ তায়ালা সমস্ত নবীকে একত্রিত করে আপনার সম্পর্কে এই মর্মে অঙ্গিকার নিয়েছিলেন যে, যখন তোমাদেরকে নবুয়ত, কিতাব ও হিকমত দিয়ে সম্মানিত করা হবে আর সবার পরে তোমাদের নবুয়তের সত্যায়নকারী মহান রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে প্রেরণ করা হবে- তখন তোমরা তাঁর উপর অবশ্য অবশ্যই ঈমান আনবে এবং অবশ্য অবশ্যই তাঁকে সর্বোচ্চভাবে সাহায্য সহযোগীতা করবে(সুরা আলে ইমরান - ৮১ আয়াত)।

অতএবঃ-
উক্ত দুইটি ঘটনায় বুঝা যায় স্মরণীয় দিনগুলো আশুরা ও ঈদে মীলাদুন্নবী দিবস বারবার স্মরণ করা ও পালন করা আল্লাহরই নির্দেশ। কারণ, এটাই সবচেয়ে বড় স্মরণীয় ও খুশির দিন।
আল্লাহ তায়ালা সকলকে আমল করার তৌফিক দান করুন। আমিন।

ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-এর কিতাবের বাংলা অনুবাদএখন পর্যন্ত ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-এর বহু কিতাব বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। ...
08/08/2026

ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-এর কিতাবের বাংলা অনুবাদ

এখন পর্যন্ত ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-এর বহু কিতাব বাংলা ভাষায় অনূদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য অনুবাদসমূহ নিম্নে দেওয়া হলো—

১. আল ইফাদাতুর রদ্বিয়্যাহ ফি উসূলিল হাদীস

(الافادات الرضوية في اصول الحديث)

- অনুবাদক: মাওলানা শহীদুল্লাহ বাহাদুর
- প্রকাশ: ২০২১ খ্রি.

২. আহসানুল ভিআ লি আদাবিদ দুআ

(احسن الوعاء لآداب الدعاء)

- অনুবাদক: মুহাম্মদ ওহীদুল আলম
- প্রকাশ: ২০১১ খ্রি.

৩. আহকামে ওয়াহাবিয়্যাহ

(একটি ফতোয়ার অনুবাদ)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল নোমানী
- প্রকাশ: ২০০০ খ্রি.

৪. আহকামে শরীয়ত

(احكام شريعت)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল নোমানী
- প্রকাশ: ২০০৮ খ্রি.

৫. ইরশাদাতে আ'লা হযরত

(ارشادات اعلیٰ حضرت)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান

৬. ইসমাউল আরবাঈন ফি শাফা'আতি সাইয়্যিদিল মাহবুবীন

(اسماع الاربعين في شفاعة سيد المحبوبين)

- অনুবাদক:
- মাওলানা সালিম উদ্দীন রেযভী (২০১২ খ্রি.)
- মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান নু'মানী (২০২১ খ্রি.)

৭. আ'জাবুল ইমদাদ ফি মুকাফফিরাতি হুকুকিল ঈবাদ

(عجب الامداد في مكفرات حقوق العباد)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ১৯৯৯ খ্রি.

৮. ইকামাতুল ক্বিয়ামাহ আলা তা-ঈনিল কিয়ামি লি নাবিয়্যি তাহামাহ

(اقامة القيامة على طاعن القيام لنبي التهامة)

- অনুবাদক: মাওলানা আমিনুর রহমান
- প্রকাশ: ২০১২ খ্রি.

৯. উমুরে ঈশরীণ দর ইমতিয়াযে আকাঈদি সুন্নিয়্যীন

(أمور عشرين في امتياز عقائد السنيين)

- অনুবাদক: মাওলানা আলমগীর হোসাইন আন-নাজিরী
- প্রকাশ: ২০২০ খ্রি.

১০. আনওয়ারুল ইনতিবাহ ফি হাল্লি নিদা-ই ইয়া রাসুলাল্লাহ

(انوار الانتباه في حل نداء يا رسول الله)

- অনুবাদক: মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী
- প্রকাশ: ১৯৯৬ খ্রি.

১১. বদরুল আনওয়ার ফি আদাবিল আছার

(بدر الانوار في آداب الآثار)

- অনুবাদক: মাওলানা সাইফুদ্দীন খালিদ
- প্রকাশ: ১৯৯৯ খ্রি.

১২. বারকাতুল ইমদাদ লি আহলিল ইসতিমদাদ

(بركات الامداد لاہل الاستمداد)

- অনুবাদক: মাওলানা সাইফুদ্দীন খালিদ
- প্রকাশ: ১৯৯৯ খ্রি.

১৩. তাজাল্লিয়াল ইয়াক্বীন বি আন্না নাবিয়্যীনা সাইয়্যিদিল মুরসালীন

(تجلي اليقين بأن نبينا سيد المرسلين)

- অনুবাদক: অধ্যক্ষ আল্লামা জসীম উদ্দীন রেযভী (রহ.)
- প্রকাশ: ২০১০ খ্রি.

১৪. তানবীরে ফালাহ ওয়া নাজাতে ইসলাহ

- অনুবাদক: মাওলানা আনিসুজ্জামান আল-ক্বাদেরী
- প্রকাশ: ২০১২ খ্রি.

১৫. তামহীদে ঈমান বি আয়াতিল কুরআন

(تمهيد إيمان بآيات القرآن)

- অনুবাদক: প্রফেসর লুৎফর রহমান
- প্রকাশ: ১৯৯০ খ্রি.

১৬. জামালুন নূর ফি নাহয়িন নিসা আন যিয়ারাতিল কুবুর

(جمل النور في نهي النساء عن زيارة القبور)

- অনুবাদক: মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী
- প্রকাশ: ২০১০ খ্রি.

১৭. জাযাউল্লাহ আদুওয়াহ বি আবা-ইহী খাতমুন নাবুওয়াহ

(جزاء الله عدوه بآبائه ختم النبوة)

- অনুবাদক: মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী
- প্রকাশ: ২০০২ খ্রি.

১৮. জালিউস সাওত লি নাহয়িদ দা'ওয়াতি আমামিল মাওত

(جلي الصوت لنهي الدعوة امام الموت)

- অনুবাদক: অধ্যক্ষ মাওলানা এস. এম. ফরিদ উদ্দীন

১৯. হুসসামুল হারামাঈন আলা মানহারিল কুফরি ওয়াল মায়েন

(حسام الحرمين على منحر الكفر والمين)

- অনুবাদক: মাওলানা আবদুল করীম নঈমী আল-ক্বাদেরী
- প্রকাশ: ১৯৯৬ খ্রি.

২০. হাক্বীকুতে বায়'আত

(একটি ফতোয়ার অনুবাদ)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ১৯৯৯ খ্রি.

২১. আল-খুত্ববাতুর রদ্বভিয়্যাহ ফিল মাওয়াঈয ওয়াল ঈদাইন ওয়াল জুমুআহ

(الخطبات الرضوية في المواعظ والعيدين والجمعة)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ মুযযাম্মিল হক আত্তারী

২২. আদ-দাওলাতুল মাক্কিয়্যাহ বিল মাদ্দাতিল গায়বিয়্যাহ

(الدولة المكية بالمادة الغيبية)

- অনুবাদক:
- মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী (১৯৯৬ খ্রি.)
- মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবায়ের

২৩. বি'আয়াতুল মারহাবাইন ফিদ দু'আ-ই বাইনাল খুতুবাতাইন

(رعاية المرحبين في الدعاء بين الخطبتين)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মজীদ আল-ক্বাদেরী
- প্রকাশ: ২০২১ খ্রি.

২৪. আয-যুবদাতুজ যাকিয়্যাহ লি তাহরীমি সুজুদিত তাহিয়্যাহ

(الزبدة الزكية لتحريم سجود التحية)

২৫. আস-সানইয়াতুল আমীক্বাহ ফি ফাতাওয়া আফরীক্বাহ

(الصنيعة العميقة في فتاوى افريقة)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল নোমানী
- প্রকাশ: ২০০৭ খ্রি.

২৬. আস-সু-উ ওয়াল ঈকাব আলাল মাসীহিল কাযযাব

(السوء والعقاب على المسيح الكذاب)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ১৯৯৯ খ্রি.

২৭. সুদ এক বদতরীণ জুরম

(একটি ফতোয়ার অনুবাদ)

- অনুবাদক: শায়খ সাইয়্যিদ মুহাম্মদ জালাল উদ্দীন আল-আযহারী
- প্রকাশ: ২০১০ খ্রি.

২৮. শাজরায়ে ত্বাইয়্যিবাহ

(شجرة طيبة)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ২০০৯ খ্রি.

২৯. শরহুল হুকুক লি ত্বরহিল উকুক

(شرح الحقوق لطرح العقوق)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান নু'মানী
- প্রকাশ: ২০২০ খ্রি.

৩০. শুমুলুল ইসলাম লি উসূলির রাসূলিল কিরাম

(شمول الإسلام لأصول الرسول الكرام)

- অনুবাদক:
- মাওলানা আবদুল করীম নঈমী আল-ক্বাদেরী (১৪১০ হিজরী)
- মাওলানা আনিসুজ্জামান আল-ক্বাদেরী (১৪৩৮ হিজরী)

৩১. আস-সামসাম আলা মুশাক্কিক ফি আয়াতি উলূমিল আরহাম

(الصمصام على مشكك في آيات علوم الأرحام)

- অনুবাদক: ছাদেক মুহাম্মদ এনামুল হক
- প্রকাশ: ২০১১ খ্রি.

৩২. সিলাতুস সফা ফি নূরিল মুস্তফা

(صلات الصفاء في نور المصطفى)

- অনুবাদক:
- মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী (২০১০ খ্রি.)
- মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবায়ের

৩৩. তারদুল আফা'ঈ আন হামা হাদিন রাফ'উর রিফা'ঈ

(طرد الأفاعي عن حمى هاد رفيع الرفاعي)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ২০১০ খ্রি.

৩৪. ইরফানে শরীয়ত

(عرفان شريعت)

- অনুবাদক: আল্লামা হাফেজ মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল জলীল (রহ.)
- প্রকাশ: ২০০৭ খ্রি.

৩৫. কাসীদায়ে সালাম

(قصيده درود و سلام)

- অনুবাদক:
- মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী (ব্যাখ্যাসহ – ২০১৩ খ্রি.)
- মাহদী গালিব (কাব্যানুবাদ – ২০১৬ খ্রি.)

৩৬. ক্বামারুত তামাম ফি নাফ্‌যি যিল্লী আন সাইয়্যিদিল আকওয়ান

(قمر التمام في نفي الظل عن سيد الكونين)

- অনুবাদক: মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবায়ের
- প্রকাশ: ২০০৪ খ্রি.

৩৭. আল-কাওকাবাতুশ শিহাবিয়্যাহ ফি কুফরিয়্যাতি আবিল ওয়াহাবিয়্যাহ

(الكوكبة الشهابية في كفريات ابي الوهابية)

- অনুবাদক: মাওলানা আলমগীর হোসাইন আন-নাজিরী
- প্রকাশ: ২০২০ খ্রি.

৩৮. কানযুল ঈমান ফি তারজুমাতিল কুরআন

(كنز الإيمان في ترجمة القرآن)

- অনুবাদক:
- মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান (১৯৯৫ খ্রি.)
- মুফতী মুহাম্মদ নিজাম উদ্দীন নোমানী (২০২১ খ্রি.)

৩৯. কানযুল ঈমান ফি তারজুমাতিল কুরআন (আমপারা – কানযুল ইরফান ও মুখতারুত তাফাসীর)

- অনুবাদক: মাওলানা কাজী মুহাম্মদ মুঈনুদ্দীন আশরাফী
- প্রকাশ: ১৯৬৯ খ্রি.

৪০. লাম'আতুন দুহা ফি আ'ফা-ইল লুহা

(لمعة الضحة في إعفاء اللحى)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মজীদ আল-ক্বাদেরী
- প্রকাশ: ২০১৮ খ্রি.

৪১. আল-মুবীন খাতমুন নাবিয়্যীন

(المبين ختم النبيين)

৪২. আল-মালফুয

(الملفوظ)

- অনুবাদক: মাওলানা মুজীবুর রহমান নেজামী
- প্রকাশ: ২০১৩ খ্রি.

৪৩. আল-মীলাদুন নববিয়্যাহ ফিল আলফাযির রদ্বভিয়্যাহ

(الميلاد النبوي في الألفاظ الرضوية)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ ইসমাঈল নোমানী
- প্রকাশ: ২০০৯ খ্রি.

৪৪. মাসায়েলে সেমা

(مسائل سماء)

৪৫. মাসআলাতুল ইরশাদ ফি হক্কিল আওলাদ

(مسألة الإرشاد في حقوق الأولاد)

- অনুবাদক: মাওলানা আমিনুর রহমান
- প্রকাশ: ১৯৮৯ খ্রি.

৪৬. মাক্বালুল উরাফা বি ই'যাবি শর'ঈ ওয়া উলামা

(مقال العرفاء بإعزاز شرع وعلماء)

- অনুবাদক: মাওলানা আবদুল করীম নঈমী আল-ক্বাদেরী
- প্রকাশ: ১৯৯৬ খ্রি.

৪৭. মুনাব্বিহুল মুনিয়্যাহ বি ওয়াসূলিল হাবীব ইলাল আরশি ওয়ার রু'ইয়াহ

(منبه المنية بوصول الحبيب إلى العرش والرؤية)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ সাইফুর রহমান নু'মানী
- প্রকাশ: ২০২০ খ্রি.

৪৮. মুনিয়্যাতুল লাবীব আন্নাত তাশরীহ বিয়াদিল হাবীব

(منية اللبيب أن التشريح بيد الحبيب)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ হোসাইন রেযা ক্বাদেরী

৪৯. নাক্বাউস সুলাফাহ ফি আহকামিল বায়'আতি ওয়াল খিলাফাহ

(نقاء السلافة في أحكام البيعة والخلافة)

- অনুবাদক: মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী
- প্রকাশ: ২০১০ খ্রি.

৫০. আল-ওয়াজীফাতুল কারীমাহ

(الوظيفة الكريمة)

- অনুবাদক: মাওলানা আমিনুর রহমান
- প্রকাশ: ২০১১ খ্রি.

৫১. আল-হিদায়াতুল মুবারাকাহ ফি খালবিল মালাইকাহ

(الهداية المباركة في جلب الملائكة)

- অনুবাদক: মাওলানা ড. এস. এম. ইউসূফ জিলানী
- প্রকাশ: ২০০০ খ্রি.

৫২. হুদাল হায়রান ফি নাফিউল ফাই আন সাইয়্যিদিল আকওয়ান

(هدى الحيران في نفي الفيء عن سيد الكونين)

- অনুবাদক: মাওলানা জয়নুল আবেদীন জুবায়ের
- প্রকাশ: ২০০৪ খ্রি.

---

ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-সংক্রান্ত কিতাবাদি

ইমাম আহমাদ রেযা (রহ.)-এর নিজস্ব রচনার পাশাপাশি তাঁর জীবন, কর্ম, চিন্তাধারা, তাসাওউফ, তাফসীর, সাহিত্য ও অবদান নিয়ে বাংলা ভাষায় বহু গ্রন্থ রচিত ও অনূদিত হয়েছে। উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হলো—

১. আস-সারিমুর রদ্বভী আলা মান সাব্বাল ইমাম আহমাদ রেযা আল-ব্রেলভী (الصارم الرضوي على من سب الإمام أحمد رضا البريلوي) — আল্লামা মাওলানা জসীম উদ্দীন রেযভী (রহ.)।

২. আ'লা হযরত ইমাম আহমদ রেজা খান ফাযেলে ব্রেলভী-এর জীবন ও কারামত — মাওলানা মুহাম্মদ শামসুল আলম নঈমী।

৩. মিথ্যাবাদীদের প্রকৃত স্বরূপ — পীরে ত্বরীকত অধ্যক্ষ আল্লামা শায়খ মুহাম্মদ আবদুল করীম সিরাজনগরী।

৪. বর্ণচোরাদের কর্ণকুহরে — মাওলানা হাফেজ আশরাফুজ্জামান আল-ক্বাদেরী।

৫. আ'লা হযরত: দর্শন, রাজনীতি ও অর্থনীতি প্রসঙ্গ — এডভোকেট মোসাহেব উদ্দিন বখতিয়ার।

৬. ছোটদের আ'লা হযরত ইমাম শাহ আহমদ রেজা খান (র.) — মুহাম্মদ মুহিদুল্লাহ সিদ্দিকী।

৭. ছোটদের আ'লা হযরত — মুহাম্মদ রিদওয়ান কাদেরী।

৮. পথিকৃৎ — মাহদী গালিব।

৯. খতমে নবুওয়াত, কানযুল ঈমান ও ইমাম আহমদ রেযা (র.) — অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী।

১০. ষড়যন্ত্রের অন্তরালে অজানা ইতিহাস — অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী।

১১. আ'লা হযরত এক অসাধারণ মনীষা — অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী।

১২. আ'লা হযরত ইমাম আহমদ রেযা (রহ.): জীবন ও অবদান — অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী।

১৩. রেজভী তাহক্বীক্বাত — মাওলানা মুফতী নাজিরুল আমিন রেজভী।

১৪. ইমাম আহমদ রেযা'র তাসাওউফ দর্শন — মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন রেজভী।

১৫. কুরআন, বিজ্ঞান ও ইমাম আহমদ রেযা — মাওলানা মুহাম্মদ নেজাম উদ্দীন (প্রফেসর ড. মুহাম্মদ মজীদ উল্লাহ ক্বাদেরী রচিত "কুরআন, সায়েন্স আওর ইমাম আহমাদ রেযা" গ্রন্থের বঙ্গানুবাদ)।

১৬. কালামে রেযা — মাওলানা মুহাম্মদ আনিসুজ্জামান আল-ক্বাদেরী।

১৭. না'তে আ'লা হযরত শরীফ — কাজী মুহাম্মদ আবু সাঈদ আত্তারী।

১৮. দেওবন্দী আলেমগণও যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ — মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মান্নান।

১৯. ইমাম আহমদ রেযা (রা.): এক বহুমাত্রিক ব্যক্তিত্ব — মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল মজীদ আল-ক্বাদেরী।

২০. ইমাম আহমদ রেযা খাঁন (রহ.)-এর প্রতি অপবাদের জবাব — কাযী সাইফুদ্দীন।

২১. আ'লা হযরতের বৈচিত্র্যময় জ্ঞান পরিক্রমা — অধ্যক্ষ মাওলানা মুহাম্মদ বদিউল আলম রিজভী।

২২. আ'লা হযরতের দশ দফা কর্মসূচি ও আমাদের দায়বদ্ধতা — মাওলানা মোহাম্মদ এমদাদুল হক।

২৩. আ'লা হযরত শাহ আহমদ রযা খান বেরেলভী রাহমাতুল্লাহি আলায়হি — মাওলানা নঈম উদ্দীন কাদেরী।

২৪. যিকরে ইমাম আ'লা হযরত ফাযেলে বেরেলভী (রহ.) — মাওলানা মুফতী কাযী মুহাম্মদ আবুল এরফান হাশেমী মুনঈমী।

২৫. কুরআন শরীফের ভুল অনুবাদের নির্দেশিকার আলোকে আ'লা হযরতের দাঁতভাঙা জবাব — মাওলানা সৈয়দ মুহাম্মদ সিরাজুল ইসলাম চিশতী।

২৬. তাফসীর শাস্ত্রে ইমাম আহমদ রেযা (র.) — মাওলানা মুহাম্মদ আবদুল্লাহ আল নোমান।

২৭. কাব্যে মাকামে আ'লা হযরত ও কানযুল ঈমান — মুহাম্মদ শুয়াইবুল ইসলাম সোহাগ।

২৮. ইমামুল উলূম ওয়াল ফুনূন আ'লা হযরত মুহাদ্দিসে বেরেলভী — মুহাম্মদ নাহিদুল আমিন।

Muhammad Nahidul Amin ভাইয়ের বই থেকে নেওয়া।

তিনি মুহাদ্দিস,  তুমি কি?তিনি মুফাস্সির তুমি কি?তিনি ফকিহ্-এ জমান,আশরাফুল মাকানে ওয়াজ্জমান,তুমি কি????তিনি আদীব, তুমি কি...
05/08/2026

তিনি মুহাদ্দিস, তুমি কি?
তিনি মুফাস্সির তুমি কি?
তিনি ফকিহ্-এ জমান,আশরাফুল মাকানে ওয়াজ্জমান,তুমি কি????
তিনি আদীব, তুমি কি?
তিনি মুনাজের, তুমি কি?
তিনি শেরে জামান,তুমি কি?
তিনি দক্ষ হাফেজে কোরআন তুমি কি?
তিনি বাতেলের ঘুম হারামকারী, তুমি কি?
তিনি যে কোন শরীয়ী মাসয়ালা মুহুর্তে দলিলসহ দাঁতভাঙা জবাব দিতে সক্ষম, তুমি কি পারো?
তিনি ওস্তাদুল ওলামা,তিনি সাহিত্যিক,তিনি সুন্নীজামাতের অহঙ্কার, মাজহাব মিল্লাতের সম্পদ।তুমি কি? #হু_আর_ইউ?
হাফেজ ক্বারী আশরাফুজ্জমান আলকাদেরী বাতেল, মুনাফিক এবং মিনহাজী চেনার কষ্টিপাথর।
অমুক আজহারী মিনহাজী তাঁকে সহ্য করতে পারেনা।
অমুক বালাকোটি তাঁর নামটা শুনতে পারেনা।
ওহাবী জামাতীরা তাঁর থেকে পানাহ চেয়ে মাঝারে মান্নত করে।
অতএব তু কুজা মান কুজা। মান সাকাতা নাজা!
চুপ থাকা নিরাপদ নয় কি?

02/08/2026

আমির-এ মুয়াবিয়া রা ইরশাদ করেন,

وَاللَّهِ إِنِّي لَأَعْلَمُ أَنَّهُ خَيْرٌ مِنِّي وَأَفْضَلُ، وَأَحَقُّ بِالْأَمْرِ مِنِّي.
❝আল্লাহর শপথ! নিশ্চয়ই আমি জানি তিনি (মাওলা আলী রা) আমার চেয়ে শ্রেষ্ঠ ও উত্তম এবং খিলাফতের অধিক হকদার।❞ (ক)

তাহলে সিফফিনের যুদ্ধের কারণ কী? এ-ব্যাপারে মুজাদ্দিদ-এ আলফে সানি ইমাম আহমেদ সেরহিন্দি রহ বর্ণনা করেন, ❝এই মতবিরোধ খেলাফতের পদের জন্য নয় বরং মাওলা আলীর খেলাফতের প্রাথমিক সময়ে হযরত উসমান রা'র কিসাসের দাবির বিবাদ।❞ (খ)

এমনকি স্বয়ং আমির-এ মুয়াবিয়া রা বলেন,

مَا قَاتَلْتُ عَلِيًّا إِلَّا فِي أَمْرِ عُثْمَانَ
❝হযরত আলি রা'র সাথে এ লড়াই কেবল উসমান রা'র রক্তপণ আদায়ের জন্যই হয়েছে।❞ (গ)

এ-বিষয়ে উম্মতের ইজমা প্রতিষ্ঠিত। উলামা-এ আহলে সুন্নাত এখানে ঐক্যমত। কিন্তু এত বড়ো লড়াই হলো, যুদ্ধ হলো, দুই পক্ষের মানুষ শহিদ হলো। দুই পক্ষেই অসংখ্য সাহাবি ও তাবেয়ি শহিদ হয়েছেন। তাদের ফায়সালা কী?

সিদ্ধান্ত স্বয়ং মাওলা-এ কায়েনাত দিচ্ছেন। মাওলা আলী মর্তুজা রা ঘোষণা দেন,

وَعَنْ يَزِيدَ بْنِ الْأَصَمِّ قَالَ: قَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ : قَتْلَايَ وَقَتْلَى مُعَاوِيَةَ فِي الْجَنَّةِ
❝হযরত আলি রা ইরশাদ করেন, আমার ও মুয়াবিয়ার উভয়পক্ষের নিহত ব্যক্তিগণ জান্নাতি।❞ (ঘ) রাদ্বিআল্লাহু তাআলা আনহুম।

এ-হাদিসের সনদ নিয়ে ইমাম হাইসামি রহ বলেন, ❝এই হাদিসের রাবিগণ সিকাহ বা নির্ভরযোগ্য।❞ (ঙ)

আর এই ব্যাপারে নবিজি ﷺ এর ভবিষ্যতবাণী রয়েছে। নবিজি ﷺ ইরশাদ করেন,

لا تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَقْتَتِلَ فِئَتَانِ عَظِيمَتَانِ، يَكُونُ بَيْنَهُمَا مَقْتَلَةٌ عَظِيمَةٌ دَعْوَتُهُمَا وَاحِدَةٌ
❝কিয়ামত ততক্ষণ সংঘটিত হবে না, যতক্ষণ দু’টি মহান দল পরস্পরে যুদ্ধে লিপ্ত না-হবে। তাদের মাঝে ভয়ানক রক্তারক্তি হবে অথচ উভয় দলের দাবি হবে এক।❞ (চ)

উলামাগণ বলেন, বর্ণিত হাদিসে দুই মহান দল দ্বারা উদ্দেশ্য হলো হযরত আলি রা ও হযরত আমির-এ মুয়াবিয়া রা এর দল। (ছ)

সিফফিনের যুদ্ধ কেবল ভুল বুঝাবুঝির কারণে ও পরিস্থিতির প্রভাবে সংঘটিত হয়। তাই যুদ্ধে অংশ নেওয়া সাহাবা-এ রসুলের প্রতি কোনো প্রকার মন্দ ধারণা রাখা যাবে না। এটাই উম্মতের জন্য কল্যাণ এবং উলামা-এ আহলে সুন্নাতের সিদ্ধান্ত। কিন্তু একটি হাদিস— যা মুসলমানদের সংশয়ে ফেলে দেয়— হযরত আম্মার ইবনে ইয়াসির রা এর শাহাদাতের ভবিষ্যতবাণীর হাদিসটি। নবিজি ﷺ ইরশাদ করেন,

عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ، قَالَ لِعَمَّارٍ: تَقْتُلُكَ الْفِئَةُ الْبَاغِيَةُ
❝হযরত উম্মু সালামা (রা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নিশ্চয় রসুলুল্লাহ (ﷺ) হযরত আম্মার (রা)-কে উদ্দেশ্য করে বলেন, তোমাকে একটি বাগি দল শহিদ করবে।❞ (জ)

'বাগি' শব্দতে এসেই অনেক মুসলমান ভাই থমকে যান। কারণ এই শব্দটিকে বিরুদ্ধবাদীরা বাজেভাবে উপস্থাপন করেছে। তাদের অপব্যাখ্যায় বাকিরা অজ্ঞতার দরুন সংশয়ে জড়িয়ে যাচ্ছে। অথচ সহিহ মুসলিমের বিখ্যাত ব্যাখ্যাগ্রন্থে যুগশ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস ইমাম নবভি রহ বলেন,

قَالَ الْعُلَمَاءُ هَذَا الْحَدِيثُ حُجَّةٌ ظَاهِرَةً فِي أَنَّ عَلِيًّا رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ كَانَ مُحِقًا مُّصِيبًا وَالطَّائِفَةُ الْأُخْرَى بُغَاةٌ لَكِنَّهُمْ مُجْتَهِدُوْنَ فَلَا إِثْمَ عَلَيْهِمْ
❝উলামায়ে কিরামগণ বলেন, এই হাদিসটি সুস্পষ্ট দলিল যে, নিঃসন্দেহে হযরত আলি রা হলেন হক ও সঠিক এবং অপর দলটি ছিল বাগি। কিন্তু তাঁরা সকলই ছিলেন মুজতাহিদ। ফলে তাঁদের কোন গুনাহ হয়নি।❞ (ঝ)

সুতরাং স্পষ্ট যে হাদিসে 'বাগি' কোনো নিন্দনীয় শব্দ নয়। বরং ইজতিহাদ অন্বেষণকারী হিসেবে গ্রহণ করতে হবে। নিন্দনীয় হলে নিশ্চয়ই গুনাহ থেকে মুক্ত হতেন না।

হ্যাঁ এখানে বিরুদ্ধবাদীরা আরেকটা প্রশ্ন তুলবেন। ভিন্ন মতনে আম্মার রা এর হাদিসে আরো কিছু শব্দ দেখা যায়— يَدْعُوهُمْ إِلَى الجَنَّةِ، وَيَدْعُونَهُ إِلَى النَّارِ অর্থাৎ হযরত আম্মার তাদের জান্নাতের দিকে আহবান করবে আর তারা জাহান্নামের দিকে আহবান করবে।

এই অতিরিক্ত অংশটুকু মুসলিম শরিফের বর্ণনায় নেই কিন্তু বুখারি শরিফের একটি বর্ণনায় তা পাওয়া যায়। এ-ব্যাপারে আল্লামা ইবনে হাজার আসকালানি রহ ও আল্লামা বদরুদ্দিন আইনি রহ এর সিদ্ধান্ত হলো— অতিরিক্ত অংশটি হাদিসের রাবি বর্ণনা করেননি বরং তা পরবর্তীতে সংযোজন করা হয়েছে। কেননা এই যুদ্ধে কেউ কাউকে জাহান্নামের দিকে আহবান করা সম্ভবই হবে না। কারণ উভয় পক্ষেই সাহাবি-এ রসুল ছিলেন। সুতরাং এই অতিরিক্ত অংশটি পরবর্তীতে যুক্ত করা হয়েছে।

পরিশেষে এটাই উলামা-এ হকের সিদ্ধান্ত হলো— সিফফিনের যুদ্ধে মাওলা আলি মর্তুজা হকের পথে ছিলেন। তবে শহিদ হওয়া উভয় পক্ষই জান্নাতি। কারোর প্রতি মন্দ ধারণা পোষণ করা হারাম হবে। আল্লাহ তাআলা আমাদের সত্যের পথে অটুট রাখুন।

তথ্যসূত্র:
ক. ইবনে কাসির, আল-বিদায়া ওয়ান নিহায়া, ৮/১৩৮ পৃ, ই.ফা.বা. পৃ: ২৪৮
খ. মাকতুবাত-এ ইমাম রব্বানি, মাকতুব নং ২৫১
গ. মুসান্নাফ-এ লি ইবনে আবি শায়বা, খণ্ড ৬, পৃ. ১৮৭, কিতাবুল ইমারা, হাদিস নং ৩০৫৫২
ঘ. ইমাম তাবরানি, আল-মুজামুল কাবির, পৃ. ১৯/৩০৭, হাদিস নং ৬৮৮
ঙ. ইমাম হাইসামি, মাজমাউয যাওয়ায়েদ, খণ্ড ৯, পৃ. ৩৫৭, বাবু মা জাআ মুয়াবিয়া ইবনে আবি সুফিয়ান, হাদিস নং ১৫৯২৭
চ. সহিহ বুখারি, হাদিস নং ৭১২১; সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ১৫৭
ছ. ইমাম নবভি, শরহে সহিহ মুসলিম, খণ্ড ১৮, পৃ. ১৩
জ. সহিহ মুসলিম, হাদিস নং ২৯১৬
ঝ. ইমাম নবভি, শরহে সহিহ মুসলিম, খণ্ড ১৮, পৃ. ৪০

Address

Sunnia Madrasha Road
Chittagong

Telephone

+8801882839427

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mamun Qadri Official posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Mamun Qadri Official:

Shortcuts

Share