11/06/2026
বাংলাদেশের ইতিহাসে এমন বাজেট খুব কমই এসেছে, যেখানে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার বাস্তবতা, সর-কারি কর্মকর্তা, কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের কষ্ট এবং দেশের ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক গতিকে একসাথে বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে।
২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে মাননীয় অর্থম.ন্ত্রী জনাব আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী যে নবম বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন, এটি নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের লাখো সর-কারি কর্মকর্তা-কর্মচারী, এম-পিওভুক্ত শিক্ষক এবং পেনশনভোগী পরিবারের জন্য এক ঐতিহাসিক ও স্বস্তিদায়ক সিদ্ধান্ত। প্রায় ১১ বছর পর নতুন বেতনকাঠামোর বাস্তবায়ন মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়ন, কর্মস্পৃহা বৃদ্ধি এবং রা-ষ্ট্রীয় প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও শক্তিশালী করার একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, এই সর-কার বাজেটের ভেতর বাস্তব বরাদ্দের মাধ্যমে দেখিয়ে দিয়েছে যে তারা জনগণের কষ্ট অনুভব করে। জন.প্রশাসনে অতিরিক্ত ৫৪ হাজার ৫৭২ কোটি টাকার বরাদ্দ প্রমাণ করে এই সর-কার দেশের প্রশাসনিক কাঠামোকে আরও মানবিক, কার্যকর এবং ভবিষ্যতমুখী করতে চায়।
বাংলাদেশের রা-জনৈতিক ইতিহাসে প্রায় প্রতিটি বাজেটই কোনো না কোনো বিরোধিতার মুখে পড়েছে। কিন্তু আমার দৃঢ় বিশ্বাস, এই বাজেট সময়ের সাথে বাংলাদেশের অর্থনীতি, প্রশাসন, বিনিয়োগ ও জনগণের জীবনমান উন্নয়নে একটি বড় ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসবে। কারণ এই বাজেটে শুধু সংখ্যার হিসাব নেই, আছে মানুষের বাস্তব জীবনের প্রতিফলন।
আমি আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই মাননীয় প্রধান ম.ন্ত্রীকে এবং বর্তমান সর-কারকে, দেশের মানুষের কষ্টকে অনুভব করে এমন সাহসী ও সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য। একটি রাষ্ট্র তখনই এগিয়ে যায়, যখন সর-কার জনগণের হৃদয়ের ভাষা বুঝতে পারে।
বাংলাদেশ এগিয়ে যাক আরও শক্তিশালী অর্থনীতি, উন্নত প্রশাসন এবং মানবিক রাষ্ট্রব্যবস্থার পথে।