Rifat

Rifat দুঃখে যাদের জীবন গড়া তাদের আবার কিসের দুঃখ�

04/06/2026

কওমীর বাচ্চাদের মুখোশ
গান-বাজনা হারাম,
লুইচ্চামি হালাল

04/06/2026

সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠায় গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর অবদান

হযরত মওলানা শাহসূফী সৈয়দ আহমদ উল্লাহ প্রকাশ হযরত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.) (১৮২৬-১৯০৬ খ্রি.) ভারতীয় উপমহাদেশে, বিশেষ করে বাংলাদেশে সুন্নীয়ত তথা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামাআতের আকিদা-বিশ্বাস পুনরুজ্জীবিত এবং সুপ্রতিষ্ঠিত করতে এক যুগান্তকারী ও অনন্য অবদান রেখে গেছেন।
​তিনি কেবল একজন মহান অলি-ই ছিলেন না, বরং ইসলামের আধ্যাত্মিক ধারা (তাসাউফ) এবং শরিয়তের মেলবন্ধনের মাধ্যমে সুন্নী ইসলামের মূল ধারাকে এ দেশে এক মজবুত ভিত্তির ওপর দাঁড় করিয়েছেন। সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠায় তাঁর আগমন এবং অবদানকে প্রধান কয়েকটি দিক থেকে আলোচনা করা যায়:
​১. আগমন ও যুগসন্ধিক্ষণ
​উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময়ে যখন ভারতীয় উপমহাদেশে একদিকে পশ্চিমা সংস্কৃতির আগ্রাসন, অন্যদিকে ইসলামের নামে বিভিন্ন বিভ্রান্তিকর মতবাদ ও চরমপন্থার উত্থান ঘটছিল, ঠিক তখনই সুন্নী আকিদার এক আলোকবর্তিকা হিসেবে হযরত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর আগমন ঘটে। চট্টগ্রামের ফটিকছড়ির মাইজভাণ্ডার গ্রামে ১৮২৬ সালে তাঁর জন্ম। তিনি মক্কার উচ্চশিক্ষিত ও বুজুর্গ আলেমদের সান্নিধ্য এবং কলকাতার আলিয়া মাদ্রাসা থেকে তৎকালীন সর্বোচ্চ ধর্মীয় শিক্ষা (হাদিস, তাফসির, ফিকহ) লাভ করেন। তাঁর এই আগমন ছিল মূলত বিভ্রান্তির বেড়াজালে আটকে পড়া মুসলিম সমাজকে পুনরায় সুন্নী সুফিবাদের উদার ও সঠিক পথে ফিরিয়ে আনার এক ঐশী মিশন।
​২. সুন্নীয়ত প্রতিষ্ঠায় প্রধান অবদানসমূহ
​ক. শরিয়ত ও মারফতের নিখুঁত সমন্বয়
​গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.) কঠোরভাবে সুন্নী ধারার অনুসরণে শরিয়ত ও মারফতের মধ্যে এক অভূতপূর্ব সমন্বয় সাধন করেন। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন যে, শরিয়ত বা রাসুলুল্লাহর (সা.) সুন্নতের বাইরে কোনো বেলায়ত বা আধ্যাত্মিকতা নেই। তাঁর প্রবর্তিত "তরিকায়ে মাইজভাণ্ডারীয়াহ" সম্পূর্ণভাবে কুরআন ও সুন্নাহর ওপর প্রতিষ্ঠিত।
​খ. 'উসূলে সাবআ' বা সপ্ত-পদ্ধতি
​সুন্নী তাসাউফ বা সুফিবাদের চর্চাকে মানুষের জন্য সহজ ও মনস্তাত্ত্বিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে তিনি সাতটি মূল নীতি বা পদ্ধতি (উসূলে সাবআ) প্রবর্তন করেন। এর মধ্যে রয়েছে:
​ফানায়ে ছলাছা (তিনটি ফানা): ফানা ফিল শায়খ, ফানা ফির রাসুল এবং ফানা ফিল্লাহ। (যা রাসুলের প্রতি পরম ভালোবাসা ও সুন্নতের অনুসরণের চূড়ান্ত স্তর)।
​মউতে আরবাআ (চারটি মৃত্যু): সাদা, কালো, লাল ও সবুজ মৃত্যু। এগুলো মূলত মানুষের নফস বা অহংকার দমন করার আধ্যাত্মিক তরিকা, যা সুন্নী সুফি সাধনার মূল কথা।
​গ. নবীপ্রেম ও আহলে বায়তের প্রতি ভালোবাসা (মহা-সুন্নী আকিদা)
​সুন্নীয়তের মূল ভিত্তি হলো আল্লাহ ও তাঁর রাসুল (সা.)-এর প্রতি নিঃশর্ত ভালোবাসা এবং রাসুলের পরিবার তথা 'আহলে বায়ত' ও সাহাবায়ে কেরামের প্রতি গভীর ভক্তি। গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী তাঁর মুরিদ ও অনুসারীদের মাঝে নবীপ্রেমের জোয়ার সৃষ্টি করেন। তিনি আহলে বায়তের শান-মান সমুন্নত রাখার মাধ্যমে খাঁটি সুন্নী আকিদার বিস্তার ঘটান।
​ঘ. গোঁড়ামি ও চরমপন্থা নিরসন (উদার সুফিবাদ)
​তৎকালীন সময়ে ধর্মের নামে তৈরি হওয়া উগ্রতা, সংকীর্ণতা ও ফেতনা দূর করে তিনি ইসলামের প্রকৃত রূপ—যা শান্তি, উদারতা ও মানবতার—তা তুলে ধরেন। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকল মানুষকে তিনি আল্লাহর জিকির ও ভালোবাসার পথে আহ্বান জানান, যা সুন্নী ইসলামের "রহমতুল্লিল আলামিন" দর্শনের বাস্তব প্রতিফলন।
​ঙ. বেদাআত ও কুসংস্কার মুক্ত সমাজ গঠন
​তিনি আধ্যাত্মিকতার নামে প্রচলিত বিভিন্ন ইসলাম-বহির্ভূত কুসংস্কার, ভণ্ডামি ও ধর্মের অপব্যাখ্যা কঠোরভাবে দমন করেন। সুন্নী আকিদা অনুযায়ী পীর-মুরিদি এবং মাজার জিয়ারতের সঠিক ও মার্জিত রূপটি তিনি সমাজে প্রতিষ্ঠা করে যান।
​৩. কালজয়ী প্রভাব
​গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর আধ্যাত্মিক বিপ্লবের ফলেই আজ বাংলাদেশে—বিশেষ করে বৃহত্তর চট্টগ্রাম অঞ্চলে—সুন্নী আকিদা ও সংস্কৃতি অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তাঁর যোগ্য উত্তরসূরিগণ (যেমন: হযরত মাওলানা শাহসূফী সৈয়দ গোলাম রহমান বাবা ভাণ্ডারী সহ অন্যান্য সাজ্জাদানশীনগণ) এই ধারাকে আরও বেগবান করেছেন।
​আজকের দিনে গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারীর দরবার কেবল একটি আধ্যাত্মিক কেন্দ্র নয়, বরং এটি সুন্নী আকিদা প্রচার, মিলাদ-কিয়ামের ঐতিহ্য রক্ষা এবং মানবতার সেবায় এক অনন্য বাতিঘর হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে।
​সংক্ষেপে বলতে গেলে, হযরত গাউসুল আযম মাইজভাণ্ডারী (ক.)-এর আগমন ছিল সুন্নীয়তের পুনর্জাগরণের জন্য এক বিশেষ ঐশী নেয়ামত, এবং তাঁর অবদান না থাকলে এই অঞ্চলে সুফিবাদ তথা খাঁটি সুন্নী ধারার বিকাশ এতটা সহজ ও সুদূরপ্রসারী হতো না।

20/05/2026

মাদক ব্যবসায়ী এবং মাদকাসক্তদের ক্রস ফায়ারের ব্যবস্থা করলে অনেক বিব্রতকর অপরাধ দেশ থেকে কমে যাবে।

10/05/2026

বিলুপ্তপ্রায় 'হাম' রোগর কারণে যে সমস্ত মা সন্তানহারা হয়েছেন তাদের জন্য 'মা' দিবসে কে স্ট্যাটাস দেবে? সে সকল মা-দেরকে সান্ত্বনা দেওয়ার কোন ভাষা কি পৃথিবীর কোন বইতে আছে? আজকের 'মা' দিবসে সকল সন্তানহারা মায়ের কাছে আমরা লজ্জিত এবং ক্ষমাপ্রার্থী। যাদের অবহেলার কারণে, আপনারা বুকের ধনকে হারিয়েছেন, দুনিয়ার কাঠগড়ায় তারা উঠবে কিনা জানিনা ,তবে অবশ্যই তাদেরকে আল্লাহ'র আদালতে দাঁড়াতেই হবে।

যার চলে যায় সেই একমাত্র বুঝে কি হারাচ্ছে।এই ব্যপারে কারো কোন মাথাব্যথা নেই।পরিস্থিতি লাগালের বাইরেই চলে যাচ্ছে মনে হচ্ছে...
08/05/2026

যার চলে যায় সেই একমাত্র বুঝে কি হারাচ্ছে।এই ব্যপারে কারো কোন মাথাব্যথা নেই।পরিস্থিতি লাগালের বাইরেই চলে যাচ্ছে মনে হচ্ছে।

আপনার বর্তমান কি আপনার ভবিষ্যৎকে বিপদে ফেলছে?আজ আপনার পকেটে টাকা আছে, তাই হয়তো দুশ্চিন্তা কম। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন—যদি...
28/01/2026

আপনার বর্তমান কি আপনার ভবিষ্যৎকে বিপদে ফেলছে?
আজ আপনার পকেটে টাকা আছে, তাই হয়তো দুশ্চিন্তা কম। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন—যদি আজ জমানোর অভ্যাস না করেন, তবে কাল আপনার অবস্থা কী হবে?
যখন সঞ্চয় থাকে না, তখন বিপদে পড়লে আমাদের সামনে একটাই পথ খোলা থাকে: 'ধার' বা 'ঋণ'।

ধারের ফাঁদ ও মানসিক চাপ আমরা অনেকেই আজকের বিলাসিতার জন্য আগামীর নিরাপত্তা বিসর্জন দেই।

মনে রাখবেন:
ধার সাময়িক সমাধান দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী দুশ্চিন্তা বাড়ায়। * একবার ধারের চক্রে পড়লে এক জায়গা থেকে নিয়ে অন্য জায়গায় শোধ করতে করতে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে ওঠে। এটি শুধু আপনার পকেট নয়, আপনার মানসিক শান্তি এবং আত্মসম্মানও কেড়ে নেয়।

সঞ্চয় মানেই স্বাধীনতাঃ
সঞ্চয় মানে শুধু ব্যাংক ব্যালেন্স বাড়ানো নয়; সঞ্চয় মানে নিজের ওপর আত্মবিশ্বাস তৈরি করা। এটি আপনাকে সাহস দেয় এই কথা বলার যে—"যেকোনো পরিস্থিতিতে আমি নিজেই নিজের জন্য যথেষ্ট।"

স্মার্টলি সেভিংস শুরু করার ৩টি সহজ উপায়:
১. ২০% নিয়ম: মাসের শুরুতেই আপনার আয়ের অন্তত ২০% আলাদা করে সরিয়ে রাখুন। খরচ করার পর যা অবশিষ্ট থাকে তা জমানোর চেয়ে, জমানোর পর যা অবশিষ্ট থাকে তা খরচ করা বুদ্ধিমানের কাজ।
২. অটোমেটিক ফান্ড: প্রযুক্তির সাহায্য নিন। ডিপিএস বা অটো-সেভিংস অপশন চালু করুন যাতে টাকা হাতে আসার আগেই জমা হয়ে যায়।
৩. ছোট লক্ষ্য, বড় জয়: সপ্তাহে অন্তত একবার আপনার খরচের হিসাব চেক করুন। অপ্রয়োজনীয় খরচগুলো চিহ্নিত করে সেগুলো বাদ দিন।

শেষ কথা:আজ টাকা না বাঁচালে, কাল আপনাকে অন্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হবে। সিদ্ধান্ত আপনার হাতে—আপনি কি ধারের চাপে পিষ্ট হতে চান, নাকি আর্থিক স্বাধীনতার স্বাদ নিতে চান?আজকের ছোট ত্যাগই হোক আপনার আগামীর নিরাপদ আশ্রয়ের ভিত্তি। 🛡️💰

#সঞ্চয় #ভবিষ্যৎ #আর্থিকস্বাধীনতা

27/01/2026
মানবতার রাহবার💝
26/01/2026

মানবতার রাহবার💝

27/10/2025

এদেশে মৃত্যু ভয় নয়, নিয়মে পরিণত হয়েছে।
কেউ বজ্রপাতে, কেউ অন্যায়ের আঘাতে, কেউ সিস্টেমের গ্যাঁটে মারা যায়।
এখানে বেঁচে থাকা এক যুদ্ধ, আর মরার সময় লাগে এক সেকেন্ডেরও কম।

সন্তানকে না বলা মায়ের কিছু কথা...একদিন সবকিছু ফিরে আসবে – হারিয়ে ফেলা ঘুম, শান্তি,নিজের জন্য সময়ফিরে আসবে অবাধ স্বাধী...
09/07/2025

সন্তানকে না বলা মায়ের কিছু কথা...
একদিন সবকিছু ফিরে আসবে – হারিয়ে ফেলা ঘুম, শান্তি,
নিজের জন্য সময়
ফিরে আসবে অবাধ স্বাধীনতা, ফিরে আসবে নিশ্চিন্ত নিশি
কিন্তু যা কোনোদিনও ফিরে আসবে না, তা হলো তোমার
এই ছোট্ট শৈশব।
আর সকাল সকাল উঠে তোমার ময়লা কাঁথা-চাদর ধোয়ার
তাড়া থাকবে না ।
তোমার জন্য আর শখ করে নতুন খেলনা কেনা হবে না।
তুমি আর দাঁতহীন হাসিতে আমার আঙুল কামড়ে ধরবে না,
না-না বলার ভঙ্গিতে দুই মুঠো হাত দিয়ে আমার চুল ছিঁড়ে
দেবে না।
তুমি বাবার চুল ধরে টেনে দুষ্টুমি করে হাসবে না ।
তোমার জন্য আলাদা রান্নার সেই ছোট ছোট
পেরেশানিগুলোও আর থাকবে না ।
বাড়ির কোণে ছড়িয়ে থাকা খেলনাগুলো তুলে নিতে হবে
না ।
নতুন খেলনা দেখলেই বাবার উচ্ছ্বসিত চোখের সেই
ভালোবাসা আর দেখা যাবে না ৷
এই হাতদুটো দিয়ে তোমাকে স্নান করিয়ে আদর করে মুছে
দেবার মুহূর্তগুলো হারিয়ে যাবে।
ভরা বুকের উষ্ণতায় তোমাকে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়ার
মুহূর্তগুলো ফুরিয়ে যাবে।

একদিন তুমি বড় হয়ে যাবে।
আমার শরীরের ব্যথা, যন্ত্রণার ইতিহাস হয়ে যাবে।
যে দিন প্রথমবার ছেঁড়া-ফাটা, সেলাই করা শরীর নিয়ে
তোমাকে বুকের মধ্যে চেপে ধরেছিলাম, সেই দিনটিও
স্মৃতির পাতায় ঝাপসা হয়ে যাবে।
তারপর...
দিন যাবে, মাস যাবে, বছর পেরিয়ে যাবে।
তুমি আমার কোল ছেড়ে নিজের ছোট্ট দুনিয়ায় পা রাখবে।
যে জড়তা মাখা ভাষায় তুমি আমাকে "মা" বলেছিলে, সেই
ডাকের সরলতা হারিয়ে যাবে।
তুমি বড় ব্যস্ত হয়ে পড়বে তোমার নিজস্ব জীবন নিয়ে।
তখন আমাদের – মা-বাবার – সমস্ত ব্যস্ততা ছুটি পাবে।
তুমি থাকবে ব্যস্ত, আর আমরা থাকবো অতীতের স্মৃতিতে
হারিয়ে।
যে শৈশব তোমার মনে আবছা হয়ে যাবে,
সেই শৈশব আমাদের হৃদয়ে চিরকাল ঝকঝকে জ্বলবে।
কখনো একটিবার মনে পড়বে হয়তো—
তোমাকে ঘুম পাড়াতে, খেলনা গুছাতে, ভালোবাসায়
ভিজিয়ে রাখার সেই সব দিনগুলো।
আর আমাদের মনে পড়বে—
তোমার ছোট্ট হাতের টান, দুধের গন্ধ মাখা শরীরের উষ্ণতা,
তোমার নির্ভরতা, তোমার অবুঝ ভালোবাসা ।
সেই সব অনুভূতির কোনো বিকল্প আর কোনোদিন খুঁজে
পাওয়া যাবে না।
কারণ, শৈশব একবারই আসে।

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rifat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share