Talky Chaps by Nafiza

Talky Chaps by Nafiza Public Speaker || Content Creator || Writer

ইচ্ছা ছিল টিভির পর্দায় নিজেকে দেখবো উপস্থাপক হিসেবে। কিন্তু তার আগেই অতিথি   হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রামে যাওয়ার...
04/12/2024

ইচ্ছা ছিল টিভির পর্দায় নিজেকে দেখবো উপস্থাপক হিসেবে। কিন্তু তার আগেই অতিথি হিসেবে বাংলাদেশ টেলিভিশন, চট্টগ্রামে যাওয়ার সুযোগ হয়েছে। (উপস্থাপনার শখটা আমার ২০২০ সাল থেকেই)

আমার আজকের দিনের এই সুন্দর অনুভূতি ও অভিজ্ঞতা বর্ণনা করার মতো শব্দ খুঁজে পাচ্ছি না আমি। কিছুটা ভয়, কিছুটা নার্ভাসনেস, আর অনেকগুলো ভালো লাগা নিয়েই আলোচনা করছিলাম দেশের বর্তমান পরিস্থিতি, আসন্ন নির্বাচন, রাজনৈতিক দলগুলোর কাঠামো কেমন হওয়া উচিত আর জনগণের স্বপ্নের বাংলাদেশ নিয়ে।

“আর নয় বৈষম্য” ধারাবাহিক অনুষ্ঠানটি প্রতি সোমবার রাত ১১টায় প্রচার হয় “বাংলাদেশ টেলিভিশন চট্টগ্রাম” এ। কোনো এক সোমবার আমাকেও দেখতে পাবেন আপনারা। 😁

03/12/2024

মাঝে মাঝে আমরা হেরে যাই। হয়তো নিজের কাছে অথবা বাস্তবতার কাছে।

অনেক স্বপ্ন দেখা হলেও পূরণ করা হলো না কিছুই। খুব পছন্দের জিনিসটা বাজারে খুঁজে পেয়ে হাতে ধরেই এক দীর্ঘশ্বাস নিয়ে রেখে দিই। পরের মাসে বেতন পেলে তবে কিনবো। কিন্তু সেই উল্লেখিত পরের মাস আসে না কখনোই।

প্রচন্ড জ্বরে কাতরাতে কাতরাতে কারো অনুপস্থিতি যেনো দম আটকিয়ে দেয়। হতে পারে মা, বাবা, ভাই, বোন কিংবা প্রিয় কোনো মানুষ। তাদের ছোঁয়া পাওয়া হয় না আর। নিজেকে শক্ত রাখার তাড়নায় অঘোর ঘুমে তলিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। হয়তো সফলও হই৷

প্রচন্ড মন খারাপে, যখন আশেপাশে কেউ থাকে না। তখন বুকের ভেতর দলা পেকে যাওয়া দীর্ঘশ্বাস নিয়ে খুঁজতে থাকি কাউকে। নাহ, ভীষণ ব্যস্ততায় মগ্ন সবাই। আশেপাশে হাজারটা মানুষ থাকার পরেও নিজেকে একা অনুভব করার যে ব্যাপারটা হয় না? তা খুব যন্ত্রণার। আমাদের বারবার মনে করিয়ে দেয় এই পৃথিবীতে একা বেঁচে থাকতে হয়। কেউ কখনোই কারো হয় না।

কখনো স্বপ্ন পূরণ করতে না পারার তীব্র যন্ত্রণা, আবার কখনো পছন্দের জিনিস কিনতে না পারার আক্ষেপ, কখনো কখনো প্রিয় মানুষগুলোকে দূরে হারিয়ে ফেলার যন্ত্রণা। এসব নিয়েই আমাদের বেঁচে থাকতে হয়। বেঁচে থাকাটা জরুরি ঠিক এভাবেই....

~ নাফিজা সুলতানা অমি

08/05/2024

ইদানীং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ আফসোসের ছড়াছড়ি দুই কন্টেন্ট ক্রিয়েটরের ভিডিয়ো দেখে। অনেকে তো পড়াশোনা করাটাকেই ব্যর্থ মনে করছেন।

একটা ব্যাপার উপলব্ধি করলাম। এইক্ষেত্রে সমস্যাটা না আছে শিক্ষাব্যবস্থায়, না আছে তাদের সফলতায়। সবচেয়ে বড়ো সমস্যা আমাদের চিন্তাভাবনায়। কারণ আমরাই বাবা মাকে খুশি করার ব্যাপারটাকে জটিল করে ফেলছি। তাদের খুশি কীসে সেটা বুঝার আগেই নিজেরা হা হুতাশ করে একাকার হয়ে যাচ্ছি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ট্রেন্ড বারবার যখন চোখের সামনে আসছিলো তখন আমার মাথায় একটা প্রশ্নই ঘুরছিল, “আমার বাবা-মাকে যদি আমি খুশি করতে যাই তাহলে কী করতে হবে? দামি গাড়ি, দামি বাড়ি নাকি অন্য কিছু?”

অনেক চিন্তার পর একটাই উত্তর পেলাম। আর সেটা হলো, “তাদের প্রয়োজনীয়তা।”

মা-বাবাকে খুশি করতে কখনো কোটি টাকার বাড়ি গাড়ির প্রয়োজন হয় না। নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে তাঁদের কোনো কিছু দিলে তাঁরা কখনোই খুশি হবেন না। বরং হতাশই হবেন।

আমি কখনো স্বেচ্ছায় আব্বুকে একটু দামি কিছু দিলেই আব্বু বকাঝকা করেন। তবে আমি সবসময়ই তাঁদেরকে কিছু দেওয়ার আগে ভেবে দেখি সেই মুহুর্তে তাদের প্রয়োজনটা কী যা আমার সামর্থ্যের মধ্যে আছে। তিনি বকাঝকা করলেও পরে খুশি হতেন ঠিকই। এটাই আমার কাছে সবচেয়ে বড়ো প্রাপ্তি। আর তাঁর কাছেও।

দেখুন, এতো বেশি হা-হুতাশ না করে নিজের ইনকামের কিছু টাকা জমিয়ে মা-বাবার সবচেয়ে প্রয়োজনীয় জিনিসটা কিনে দিন। (হতে পারে শাড়ি, পাঞ্জাবী, জুতো, চুড়ি, একটা ফোন ইত্যাদি)
দেখবেন তাদের চোখ মুখে কী শান্তির ছাপটাই না লেগে থাকবে।

~ নাফিজা সুলতানা অমি

02/05/2024

“সুখবর কবে পাচ্ছি?”
এই প্রশ্নটা ভুলক্ষেত্রে করা কিছু মানুষকে যদি চটকানি দেওয়া যেতো তবে অনেক মানুষই মানসিক শান্তি পেতো।

প্রথমেই দুঃখিত যে লেখাটা একটু অন্যভাবে শুরু করেছি তাই। কিন্তু কিছু মানুষের উদ্দেশ্যে এইভাবেই শুরু করা উচিত লেখাটা৷

একজন ২৭/২৮ বছরের বিয়ের যোগ্য মেয়েকে যখন বারবার এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয়, তাও আবার একই মানুষেরই দ্বারা তখন সেই মানুষ চটকানি খাওয়ারই যোগ্যতা রাখে। একজন বিবাহিত মহিলাকে যখন এই প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হয় তখন অবশ্যই প্রশ্নকর্তাকে চটকানি দেওয়া উচিত৷

এইবার একটু ভালো কথা বলি।

বিয়ে করা, বিয়ের পর বাচ্চা নেওয়া এসব নিত্যন্তই একজন মানুষের ব্যক্তিগত ব্যাপার। তার এই ব্যাক্তিগত ব্যাপারে প্রশ্ন করার অধিকার আপনি নিশ্চয়ই রাখেন না।

বিয়ে না হওয়া ছেলে/মেয়েটিকে যখন আপনি প্রশ্ন করেন, “বিয়ে কেন করছো না?”
তখন কি আপনার একটু নিজেকে বিরক্তিকর মনে হয় না?
আবারও বলছি বিয়ে করা কিংবা না করা এটা তার ব্যক্তিগত ব্যাপার। এটা নিয়ে বারবার খোঁচানোর অধিকারটুকু আপনার নেই।

তবুও আপনার যদি এলার্জি থাকে এই বিষয়ে, তবে একটা সমাধান আছে। আপনিই বরং একটা/আরেকটা বিয়ে করে নিন। সমস্যার সমাধান!!!

অথবা, বিবাহিত মহিলা/পুরুষকে যখন বারবার প্রশ্ন করেন “সুখবর কবে পাচ্ছি?” তখন কি আপনার ন্যূনতম লজ্জা করে না?
তাঁরা কেনই বা তাদের দাম্পত্য জীবনের ব্যাক্তিগত আপডেট আপনাকে জানাবে?

এর সমাধানও কি লাগবে??

থাক, একটু বেশিই হয়ে যাবে তখন।

দেখুন, মানুষের জীবনে অনেক উত্থান-পতন থাকতে পারে। নিজের পছন্দ-অপছন্দ থাকতে পারে। ইচ্ছে-অনিচ্ছে থাকতে পারে। সেসব প্রত্যেকেরই নিজের ব্যাক্তিগত ব্যাপার। এসব নিয়ে কাউকে জাজ করার অধিকার আপনি কোনোভাবেই রাখেন না। জীবনটা খুব ছোট্ট। আজ মরে গেলেই আগামীকাল দুইদিন। আর তৃতীয়দিন আপনার নামটুকুও কেউ মনে রাখবে না-কি তা সন্দেহ। তাই অনুরোধ থাকবে, এই ছোট্ট জীবনটাকে অন্যের তেল আছে নাকি খোঁজ নিতে নিতে নষ্ট করবেন না। বরং নিজের চরকাতেই তেল দিন। নিজের মন-মানসিকতার উন্নতি হবে।

ধন্যবাদ পরে দিয়েন🖤

~ নাফিজা সুলতানা অমি

17/04/2024

নিজেকে হারিয়ে ফেলে খুঁজতে থাকা ভয়ংকর ব্যাপার। সেই চেনা পরিচিত আপনি নিজেকেই চিনতে পারছেন না। হারিয়ে ফেলছেন আপনার আমিত্বকে। সারাদিন বকবক করতে থাকা মানুষটা হঠাৎ চুপ হয়ে গেলেন। সবসময় যে মানুষটার মুখে হাসি লেগেই থাকতো, সেই মানুষটাকে আজকাল হাসতে দেখা যায় খুব অল্পস্বল্প সময়ে।

কেউ কখনো জানতে চায়নি খাঁচা থেকে মুক্তি পাওয়া উড়ন্ত পাখিটা কেন আবারও নিজেকে অদৃশ্য খাঁচায় বন্দি করে রেখেছে! দল নিয়ে ছুটতে থাকা উড়ন্ত পাখিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে সামনের পাখিটা কেন ধীরে ধীরে পিছিয়ে পড়েছে অথবা উড়া ভুলে গিয়ে একঘরে হয়ে গিয়েছে সেই প্রশ্নটাও কারো মনে জাগেনি।

তীব্র যন্ত্রণায় হাহাকার করছেন আপনি। ভুগতে ভুগতে রাতের তীব্র অন্ধকারে ডুবিয়ে নিলেন নিজেকে। পেইন কিলারেও কমানো গেলো না বুকের বাঁ পাশের ব্যথাটা। হাসপাতালে অক্সিজেনের সিলিন্ডারের অভাব হয়ে গেলেও বোধহয় বুক ভরে নিঃশ্বাস নিতে পারলেন না আপনি। দিনশেষে অনুভব করলেন বেঁচে থাকার জন্য এই পৃথিবীটা সবচেয়ে স্বার্থপর স্থান। আর আপনি না থাকলে এই বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের কারোর কিচ্ছু যায় আসে না।

~নাফিজা সুলতানা অমি

17/04/2024

প্রচন্ড মন খারাপ হলে আমি একদম একাকী থাকতে ভালোবাসি। একাকিত্বকে সঙ্গী করে নিয়ে আমি স্মৃতি পুড়াই।

হ্যাঁ, একাকিত্বকে সঙ্গী করে নিয়ে স্মৃতি পুড়াই। স্মৃতি পুড়িয়ে কয়লা বানাই। কয়লা যেমন ভীষণ দামি, ঠিক তেমন স্মৃতিগুলোও আমার কাছে ভীষণ দামি।

যে রাস্তায় হাজার গল্প জমে ছিল, সেই রাস্তা দিয়ে হাঁটতে হাঁটতে আমি সেইসব মুহুর্তগুলো অনুভব করি। যে বেঞ্চে বসে ঘন্টার পর ঘন্টা কেটে গিয়েছিল, ঠিক সেই বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে আমি আমাদের দেখতে পাই। বইয়ের পাতায় কোনো এক পছন্দের চরিত্রকে নিজের জীবনের সাথে মিলিয়ে নিয়ে কাটিয়ে দিই ঘন্টার পর ঘন্টা।

এইযে অনুভব করা, অন্যদের মাঝে নিজেদের দেখতে পাওয়া অথবা নিজের জীবনের সাথে পছন্দের চরিত্রকে মিলিয়ে নেওয়া। এসবকিছুই আমার কাছে ভীষণ দামি। এসব আমাকে তীব্র যন্ত্রণা দেয় ঠিকই। কিন্তু...

কিন্তু সেই মুহুর্তের যেই ভালো লাগা, সেসব তো আমি আরও একবার ফিরে পাই!! বারবার ফিরে পাই!! তারপর যখন হুট করেই খেয়াল করে দেখি আশপাশটা ভীষণ খালি। কোথাও কেউ নাই। তখন বুকের ভেতর পাথর চাপা দিই এক দীর্ঘশ্বাসকে।

দিনশেষে একটা কথা কী জানেন? একাকিত্ব ভীষণ সুন্দর। যন্ত্রণাময় সুন্দর।

~নাফিজা সুলতানা অমি

16/04/2024

ঘড়িতে ঘন্টার কাঁটা দুই সংখ্যাটাকে ছুঁই ছুঁই করছে। গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন থাকা আপনি হুট করেই জেগে ওঠলেন। ঘুম ভাঙতেই কেমন যেনো বুকটা ফাঁকা ফাঁকা লাগতে শুরু করলো। আশপাশটা কেমন যেনো নিস্তব্ধ, যেনো কেউই কোথাও নেই৷ আসলেই কোথাও কেউ নেই।

নিস্তব্ধ রাতের এই অন্ধকারে আপনি তীব্র যন্ত্রণায় ভুগছেন। কিন্তু কীসের সেই যন্ত্রণা? কেন এই অসহায়ত্ব? উত্তর জানা নেই।

দূর থেকে ভেসে আসছে ডিলান ম্যাথিউসের গাওয়া “স্ল্যান্ডার” গানের সুর ও কথা। আপনার এই যন্ত্রণাকে আরেকটু তীব্র করতে গানের কথাগুলো যদি আপনার সাথে মিলে যায় তাহলে কী খুব বেশি ছটফট করবেন?

ভাবতে থাকলেন যে, কাউকে আপনি খুব করে চাইছেন আর আবার তাকে বারবার অনুরোধ করছেন “তার ভালোবাসা হারিয়ে গিয়েছে” এই কথা যেনো সে না বলে।

আচ্ছা, ভালোবাসা কি আসলেই হারিয়ে যায়? আর যেটা হারায় সেটা কি আদৌ ভালোবাসা ছিল?

কে জানে!!!

~ নাফিজা সুলতানা অমি

20/03/2024

যে মানুষগুলো হুটহাট পরিবর্তনের সাথে খুব সহজে নিজেকে মেনে নিতে পারে না, সেই মানুষগুলোর জীবনেই হুটহাট পরিবর্তনগুলো খুব দ্রুত আসে।

মানুষের জীবন সবসময় একই রকম থাকে না। স্বাভাবিকভাবেই ভালো খারাপ পরিবর্তনের মাধ্যমে জীবনের মোড় ঘুরে যায় একেকভাবে। কিন্তু যেই মানুষগুলো এই পরিবর্তনগুলোর সাথে নিজেকে মানিয়ে নিতে হিমশিম খায়, আপনি দেখবেন তাদের জীবনেই খুব দ্রুত পরিবর্তনগুলো আসে। আর ইতিবাচক থেকেও নেতিবাচক পরিবর্তনটাই খুব বেশি আসে। তারা এক পরিবর্তনের সাথে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার আগেই আরেকটা পরিবর্তন খুব দ্রুত চলে আসে। ফলে এই মানুষগুলো না পারে প্রচন্ড ঝড়ে গাছের শেকড় হয়ে মাটি আকড়ে ধরে রাখতে, আর না পারে সমুদ্রের ভাসমান জলে নিজেকে ভাসিয়ে রাখতে।

সবশেষে হয় কী জানেন? অনেক যত্নে যে কুঁড়েঘর তাঁরা গড়ে তোলে, সেই স্বপ্নের কুঁড়েঘর প্রচন্ড বারি বর্ষণে ভেঙেচুড়ে শেষ হয়ে যায়। একবার নয়, দুইবার নয় বরং বারবার তাদের সেই স্বপ্নের কুঁড়েঘর ভাঙে আর তারা আবার গড়ে তোলে। একটা সময় গিয়ে এই মানুষগুলোর মধ্যেই একটা বড়ো সংখ্যা স্বপ্নের কাছে হার মেনে নিয়ে পৃথিবীর বুকে ঘোষণা দেয়, “I Quit”
আর বিদায় নেয় চিরতরে....

~ নাফিজা সুলতানা অমি

19/03/2024

অপূর্ণতা খুব বেশি হয়ে যাওয়ার পরেও কিছু চাওয়া অথবা পাওয়ার আশা করা খুব বোকামি।

কিন্তু তবুও আমরা অহেতুক কত কী চেয়ে বসি! তারপর সেই অপ্রাপ্তির তালিকা আরও ভারী করে চাতক পাখির মতো হাঁসফাঁস করে কাটিয়ে দেই বাকি জীবনটা... অপ্রাপ্তি আছে বলেই হয়তো জীবনটা সুন্দর... মুক্ত আকাশে উড়তে থাকা পাখির হারিয়ে যাওয়ার মতোই সুন্দর।

~ নাফিজা সুলতানা অমি

16/03/2024

কেউ যখন খুব যত্ন নিয়ে শক্ত করে হাতটা ধরবে, তার হাত কখনো ছাড়ার চিন্তাটাও করবেন না। এমনকি এক নিমেষের জন্যও নয়।

কারণ কিছু কিছু মানুষ অনেক স্বপ্নের যত্ন নেয় ওই একটা হাত স্পর্শের জন্যই। অনেক মুহুর্ত অপেক্ষায় কাটায় ওই একটা শীতল ছোঁয়ার জন্য৷ কেউ কেউ হাতটা শক্ত করে ধরেই কারণ সেই মানুষটা যেনো কখনো হারিয়ে না যায়।

কিছু মানুষ ওই হাত ধরেই কাটিয়ে দিতে চায় গোটা একটা জীবন। আবার কেউ কেউ বেঁচে থাকতে চায় ওই একটা কারণেই। কত স্বপ্ন, কত ভালো লাগা, কতটা আশা পুষে রাখে কিছু মানুষ সেটা হয়তো অপরদিকের মানুষটা কল্পনাও করতে পারে না কখনোই।

জীবনের ছন্দের যখন হুট করেই পতন ঘটতে চায়, সেই ছন্দকে দু হাত দিয়ে কুড়িয়ে এনে দিতে পারে একজন মানুষই। কিছু মানুষের জীবনে এমন একটা মানুষের খুব বেশি প্রয়োজন হয়, যার কাঁধে মাথা রেখে গোটা নিস্তব্ধ একটা রাত নিশ্চুপে কাটিয়ে দেওয়া যায়। এমন একটা মানুষ সবার জীবনেই থাকুক। 🖤🌼

~নাফিজা সুলতানা অমি

Address

Chittagong
4000

Telephone

+8801886035962

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Talky Chaps by Nafiza posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Talky Chaps by Nafiza:

Share