Dwiper Kotha

Dwiper Kotha Official page of Dwiper Kotha, the leading facebook based news media of Sandwip in online. A new-generation multimedia news portal from Chittagong.

One of the Sandwip news provider in any medium opened its content to public free of charge on 28 November 2011. OUR VISION
-----------------------------
Introducing Sandwip with new ideas, cutting-edge outlook and futuristic vision for info-savvy new generations, we live up to with the most credible information.

সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের দাবি জোরালোপাকিস্তান আমলেই হরিশপুরে ৩১ একর জমি অধিগ্রহণের দাবি | এমপির সঙ্গে শিগগিরই সাক্...
04/09/2026

সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের দাবি জোরালো

পাকিস্তান আমলেই হরিশপুরে ৩১ একর জমি অধিগ্রহণের দাবি | এমপির সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাৎ | দল-মত নির্বিশেষে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান

শামসুদ্দীন শামস।

“বিদ্যুৎ হয়েছে, ফেরি হয়েছে—বিমানবন্দরও হবে”—এই প্রত্যয়কে সামনে রেখে সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের দাবি নতুন করে জোরালো হয়েছে। দেশের যোগাযোগব্যবস্থার মূল স্রোতের সঙ্গে সন্দ্বীপকে আরও শক্তভাবে যুক্ত করতে বিমানবন্দর নির্মাণের দাবিতে শুক্রবার (৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) ঢাকায় ‘সন্দ্বীপ বিমানবন্দর বাস্তবায়ন দাবি পরিষদ’-এর উদ্যোগে এক সভা অনুষ্ঠিত হয়।

সভায় বক্তারা বলেন, সন্দ্বীপের উন্নয়নের সঙ্গে আধুনিক ও দ্রুত যোগাযোগব্যবস্থা অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। একসময় সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে বিদ্যুৎ সংযোগ ও ফেরি চলাচল ছিল সন্দ্বীপবাসীর কাছে স্বপ্নের মতো। আজ সেই স্বপ্ন বাস্তবে পরিণত হয়েছে। একই ধারাবাহিকতায় বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্যোগও বাস্তবায়ন করা সম্ভব বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

‘যে স্বপ্ন বাস্তব হয়েছে, বিমানবন্দরও হবে’

সভায় বক্তারা বলেন, “যে বিদ্যুৎ একসময় স্বপ্ন ছিল, তা আজ বাস্তব হয়েছে; যে ফেরি একসময় স্বপ্ন ছিল, সেটিও আজ বাস্তব। তাহলে সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের স্বপ্ন কেন বাস্তবায়ন হবে না?”

তাদের মতে, বর্তমান সময়ে একটি আধুনিক যোগাযোগব্যবস্থা শুধু যাতায়াতের সুবিধাই নয়—একটি অঞ্চলের অর্থনীতি, বিনিয়োগ, পর্যটন, ব্যবসা-বাণিজ্য ও জীবনযাত্রার মান উন্নয়নের অন্যতম প্রধান ভিত্তি।

পাকিস্তান আমলেই হরিশপুরে ৩১ একর জমি অধিগ্রহণের দাবি

সভায় একটি গুরুত্বপূর্ণ তথ্য তুলে ধরে বক্তারা দাবি করেন, তৎকালীন পাকিস্তান সরকার সন্দ্বীপের হরিশপুর এলাকায় বিমানবন্দর নির্মাণের উদ্দেশ্যে ৩১ একর জমি অধিগ্রহণ করেছিল। ওই জমির মালিকদের ক্ষতিপূরণও দেওয়া হয়েছিল বলে সভায় উল্লেখ করা হয়।

নৌপথের পাশাপাশি চাই দ্রুত বিকল্প যোগাযোগ

বক্তারা বলেন, বর্তমানে সন্দ্বীপের মানুষের যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম নৌপথ। কিন্তু বৈরী আবহাওয়া, জোয়ার-ভাটা, নৌযান সংকট কিংবা ঘাটকেন্দ্রিক নানা সমস্যার কারণে অনেক সময় যাত্রীদের দুর্ভোগ পোহাতে হয়।

বিশেষ করে জরুরি চিকিৎসা, ব্যবসায়িক প্রয়োজন এবং প্রবাসীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে দ্রুত যোগাযোগের অভাব বড় ধরনের সমস্যা তৈরি করে।

সভায় বক্তারা বলেন, “একজন সন্তান যেন শুধু যোগাযোগের সমস্যার কারণে অসুস্থ মা-বাবার কাছে সময়মতো পৌঁছাতে না পারার কষ্টে না ভোগেন—সেই বাস্তবতাও আমাদের বিবেচনায় নিতে হবে।”

সম্ভাব্যতা যাচাই ও সরকারি উদ্যোগের দাবি

সভা থেকে সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা, ভূমি ও সরকারি নথি যাচাই, প্রয়োজনীয় কারিগরি মূল্যায়ন এবং বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা গ্রহণের দাবি জানানো হয়।

বক্তারা মনে করেন, বিমানবন্দর নির্মাণ করা সম্ভব হলে সন্দ্বীপের সঙ্গে দেশের অন্যান্য অঞ্চলের যোগাযোগ আরও সহজ হবে। একই সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ, পর্যটন, কৃষি ও মৎস্যজাত পণ্য পরিবহনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে।

দল-মত-পথের ঊর্ধ্বে উঠে ঐক্যের আহ্বান

সভায় বিমানবন্দর বাস্তবায়নের দাবিকে কোনো নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দল বা গোষ্ঠীর দাবি হিসেবে না দেখে সন্দ্বীপের সামগ্রিক উন্নয়নের দাবি হিসেবে বিবেচনা করার আহ্বান জানানো হয়।

দেশে ও বিদেশে অবস্থানরত সকল সন্দ্বীপবাসী, বিশেষ করে প্রবাসীদের এ দাবির পক্ষে ঐক্যবদ্ধ হয়ে জনমত গড়ে তোলার আহ্বান জানান বক্তারা।

তারা বলেন, দল-মত-পথের ভিন্নতা থাকতে পারে, কিন্তু সন্দ্বীপের উন্নয়ন ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের স্বার্থে সবাইকে একটি অভিন্ন দাবিতে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।

এমপির সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাৎ

সভায় সর্বসম্মতিক্রমে সন্দ্বীপের সংসদ সদস্য আলহাজ মোস্তফা কামাল পাশার সঙ্গে শিগগিরই সাক্ষাৎ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সাক্ষাতে সন্দ্বীপে বিমানবন্দর নির্মাণের দাবি, সম্ভাব্য স্থান, ভূমি অধিগ্রহণের ইতিহাস এবং প্রয়োজনীয় সরকারি উদ্যোগ নিয়ে আলোচনা করার কথা রয়েছে।

সভায় উপস্থিতরা বলেন, বিষয়টি নিয়ে সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষের কাছে লিখিতভাবে দাবি উপস্থাপন এবং প্রয়োজনীয় সমীক্ষা শুরু করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।

সভায় যারা উপস্থিত ছিলেন

সভায় উপস্থিত ছিলেন—ইঞ্জিনিয়ার তামজিদুর রহমান, মোহাম্মদ আলমগীর, শাহাদাৎ হোসেন আশরাফ, রুহুল আমিন, ফিরোজ চাষী, আ. স. ম. মনজুর এলাহী, মো. ইব্রাহীম খলিল, মো. হুমায়ূন কবির, মো. এনায়েত উল্যা এনাম, মোহাম্মদ আলী এনাম, মু. হুমায়ুন কবির ছিদ্দিকী, মুহাম্মদ রেজাউল করিম, মো. হেলাল উদ্দীন দোলন, মো. নজরুল ইসলাম শাহীন, মো. নুরুলহুদা, মো. শাহাব উদ্দিন আজাদ, মো. সালাউদ্দিন, মো. আনওয়ারুল আলম মনজু ও শামসুদ্দীন শামস।

সভায় বক্তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন, সম্মিলিত উদ্যোগ, শক্তিশালী জনমত এবং সরকারের পরিকল্পিত পদক্ষেপের মাধ্যমে সন্দ্বীপ বিমানবন্দর বাস্তবায়নের স্বপ্ন একদিন বাস্তবে রূপ নেবে, ইনশাআল্লাহ।

সন্দ্বীপকে বিচ্ছিন্ন দ্বীপ নয়—আধুনিক, সমৃদ্ধ ও দেশের মূল ভূখণ্ডের সঙ্গে দ্রুত ও নিরাপদ যোগাযোগে যুক্ত একটি সম্ভাবনাময় জনপদ হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

আজকের স্বপ্নই হোক আগামী দিনের বাস্তবতা।
সন্দ্বীপ এগিয়ে যাবে—ইনশাআল্লাহ।

#সন্দ্বীপ #সন্দ্বীপবিমানবন্দর #বিমানবন্দরচাই #সন্দ্বীপবিমানবন্দরবাস্তবায়ন #সন্দ্বীপেরউন্নয়ন #সন্দ্বীপবাসী #প্রবাসীসন্দ্বীপবাসী #আধুনিকযোগাযোগ #সন্দ্বীপএগিয়েযাবে

এই মুহূর্তের খবর: ঢাকাস্থ সন্দ্বীপীদের বৈঠক উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। #সন্দ্বীপ  #ঢাকাস্থ_সন্দ্বীপী  #উত্তর...
04/09/2026

এই মুহূর্তের খবর:

ঢাকাস্থ সন্দ্বীপীদের বৈঠক উত্তরা ৪ নম্বর সেক্টরে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

#সন্দ্বীপ #ঢাকাস্থ_সন্দ্বীপী #উত্তরা #সন্দ্বীপীদের_বৈঠক ুহূর্তের_খবর

04/09/2026

ঢাকাস্থ সন্দ্বীপীদের বৈঠক থেকে সরাসরি

সন্দ্বীপের সমসাময়িক সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা সভাসন্দ্বীপের সমসাময়িক বিষয়াবলি, সমস্যা ও সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও পর...
04/09/2026

সন্দ্বীপের সমসাময়িক সমস্যা ও সমাধান নিয়ে আলোচনা সভা

সন্দ্বীপের সমসাময়িক বিষয়াবলি, সমস্যা ও সমাধানে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ ও পরামর্শ শীর্ষক আলোচনা সভা আজ মাগরিবের নামাজের পর ঢাকা উত্তরার সেক্টর-৪ মসজিদের সামনে সমাজকল্যাণ পরিষদের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হবে।

#সন্দ্বীপ #সন্দ্বীপবাসী #আলোচনা_সভা #সমসাময়িক_সমস্যা #সমাজকল্যাণ #উত্তরা #ঢাকা

সূরা আল-কাওসার (سورة الكوثر) কুরআন মাজিদের সবচেয়ে ছোট সূরা—মাত্র ৩টি আয়াত। তবে এর অর্থ অত্যন্ত গভীর এবং এতে রাসুলুল্লাহ ...
04/09/2026

সূরা আল-কাওসার (سورة الكوثر) কুরআন মাজিদের সবচেয়ে ছোট সূরা—মাত্র ৩টি আয়াত। তবে এর অর্থ অত্যন্ত গভীর এবং এতে রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে সান্ত্বনা, সুসংবাদ ও শত্রুদের পরিণতির ঘোষণা রয়েছে।

🕋 সূরা আল-কাওসার — অর্থ ও বিস্তারিত

সূরা নম্বর: ১০৮
আয়াত: ৩টি
পারা: ৩০তম
নাজিলের স্থান: মক্কা—অধিকাংশ মুফাসসিরের মতে
নাম: আল-কাওসার (الكوثر), অর্থ—অঢেল কল্যাণ, প্রাচুর্য

১ম আয়াত

إِنَّا أَعْطَيْنَاكَ الْكَوْثَرَ

উচ্চারণ:
ইন্না আ‘তাইনা কাল-কাওসার।

অর্থ:
নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।

২য় আয়াত

فَصَلِّ لِرَبِّكَ وَانْحَرْ

উচ্চারণ:
ফাসাল্লি লিরাব্বিকা ওয়ানহার।

অর্থ:
অতএব আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানি করুন।

৩য় আয়াত

إِنَّ شَانِئَكَ هُوَ الْأَبْتَرُ

উচ্চারণ:
ইন্না শানিআকা হুওয়াল-আবতার।

অর্থ:
নিশ্চয়ই আপনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীই নির্বংশ/মূলহীন।



🌊 “কাওসার” বলতে কী বোঝানো হয়েছে?

কাওসার শব্দের অর্থ হলো অঢেল কল্যাণ ও প্রাচুর্য।

সহিহ হাদিসে রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, আল-কাওসার জান্নাতের একটি নদী, যা আল্লাহ তাঁকে দান করেছেন। একই সঙ্গে মুফাসসিরগণ বলেছেন, “কাওসার” শব্দটি ব্যাপক অর্থে রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে দেওয়া অসংখ্য কল্যাণকেও অন্তর্ভুক্ত করে।

এর মধ্যে রয়েছে—

* জান্নাতের কাওসার নদী
* হাউযে কাওসার
* নবুওয়াত ও রিসালাত
* কুরআন
* উম্মতের বিপুল সংখ্যাবৃদ্ধি
* রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর মর্যাদা ও সম্মান
* দুনিয়া ও আখিরাতে তাঁর জন্য অঢেল কল্যাণ



📖 সূরা আল-কাওসারের পটভূমি

মক্কার কাফিররা রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে বিভিন্নভাবে কষ্ট দিত এবং তাঁর বিরুদ্ধে নানা অপবাদ ছড়াত।

রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর সন্তানদের কয়েকজন অল্প বয়সে ইন্তেকাল করার পর কুরাইশের কিছু লোক তাঁকে “আবতার” বলে বিদ্রূপ করতে থাকে। আরবি “আবতার” বলতে এমন ব্যক্তিকে বোঝানো হতো যার কোনো উত্তরসূরি নেই বা যার বংশধারা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে।

তাদের উদ্দেশ্য ছিল—রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর দাওয়াত ও মর্যাদাকে হেয় করা এবং মানুষকে বোঝানো যে তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর নাম-পরিচয়ও শেষ হয়ে যাবে।

এই পরিস্থিতিতে আল্লাহ তাআলা এই সূরা নাজিল করে তাঁর প্রিয় নবী ﷺ-কে সান্ত্বনা দেন এবং ঘোষণা করেন:

“নিশ্চয়ই আমি আপনাকে কাওসার দান করেছি।”

অর্থাৎ, মানুষের বিদ্রূপে আপনার মর্যাদা কমবে না। বরং আল্লাহ আপনাকে অঢেল কল্যাণ দিয়েছেন।

এরপর আল্লাহ বলেন—

“অতএব আপনি আপনার রবের উদ্দেশ্যে সালাত আদায় করুন এবং কুরবানি করুন।”

অর্থাৎ, আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া আদায়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পথ হলো ইবাদত ও আল্লাহর জন্য ত্যাগ।

সবশেষে আল্লাহ ঘোষণা করেন—

“নিশ্চয়ই আপনার প্রতি বিদ্বেষ পোষণকারীই আবতার।”

অর্থাৎ, যারা রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে শেষ হয়ে যাবেন বলে বিদ্রূপ করেছিল, প্রকৃতপক্ষে তারাই ইতিহাসে মূলহীন হয়ে গেছে। পক্ষান্তরে রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর নাম আজও কোটি কোটি মানুষের মুখে উচ্চারিত হচ্ছে এবং কিয়ামত পর্যন্ত সম্মানের সঙ্গে উচ্চারিত হবে।



❤️ সূরাটির মূল শিক্ষা

১. আল্লাহর দেওয়া নিয়ামতের শুকরিয়া করতে হবে

আল্লাহ যখন কোনো নিয়ামত দেন, তখন শুধু আনন্দ করাই নয়—সালাত ও ইবাদতের মাধ্যমে শুকরিয়া আদায় করতে হবে।

২. মানুষের অপমান নয়, আল্লাহর মূল্যায়নই আসল

মানুষ আপনাকে ছোট করতে পারে, অপমান করতে পারে বা আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে নেতিবাচক কথা বলতে পারে। কিন্তু আল্লাহ চাইলে আপনার জন্য অঢেল কল্যাণ নির্ধারণ করতে পারেন।

৩. ইবাদত হতে হবে একমাত্র আল্লাহর জন্য

“ফাসাল্লি লিরাব্বিকা”—আপনার রবের জন্য সালাত আদায় করুন।

এখানে ইবাদতের উদ্দেশ্য পরিষ্কার করা হয়েছে—শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি।

৪. আল্লাহর পথে ত্যাগের শিক্ষা

“ওয়ানহার”—কুরবানি করুন। অর্থাৎ আল্লাহর জন্য ত্যাগ ও আনুগত্যের মানসিকতা তৈরি করতে হবে।

৫. সত্যের বিরোধীরা শেষ পর্যন্ত ব্যর্থ

রাসুলুল্লাহ ﷺ-কে যারা “আবতার” বলেছিল, তাদের নাম ইতিহাসে খুব সামান্য গুরুত্ব নিয়ে আছে; কিন্তু মুহাম্মদ ﷺ-এর নাম পৃথিবীর কোটি কোটি মানুষের হৃদয়ে।



🌹 সূরাটির সবচেয়ে সুন্দর বার্তা

সূরা আল-কাওসার মূলত একটি গভীর সান্ত্বনার বার্তা:

“তোমাকে যারা শেষ হয়ে গেছ বলে মনে করছে, আল্লাহ তাদের কথায় তোমার ভবিষ্যৎ নির্ধারিত হবে না। আল্লাহ তোমাকে অঢেল কল্যাণ দিয়েছেন।”

তাই কোনো মানুষ যদি আপনাকে অপমান করে, হেয় করে বা আপনার ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশ করার চেষ্টা করে—এই সূরার শিক্ষা হলো:

আল্লাহর ওপর ভরসা করুন, সালাত কায়েম করুন, তাঁর জন্য ত্যাগ করুন এবং ধৈর্য ধরুন।

কারণ চূড়ান্ত সম্মান ও পরিণতি আল্লাহর হাতে।

পবিত্র জুমাবারের শুভেচ্ছা।
04/09/2026

পবিত্র জুমাবারের শুভেচ্ছা।

চট্টগ্রাম শহরকে যানজটমুক্ত, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে শহরে বসবাসকারী সকল শ্রেণি-পে...
03/09/2026

চট্টগ্রাম শহরকে যানজটমুক্ত, সবুজ, পরিচ্ছন্ন ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার চ্যালেঞ্জ নিয়ে শহরে বসবাসকারী সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে সঙ্গে নিয়ে এগিয়ে যাবো, ইনশাআল্লাহ।

নগরবাসীর প্রতি প্রত্যাশা—সরকারি-বেসরকারি ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (চউক) অনুমোদিত ডিজাইন ও ড্রয়িং অনুযায়ী ভবন নির্মাণ করুন। ভবনে যথাযথ পার্কিং ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে।

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ব্যক্তিগত গাড়ির পরিবর্তে স্কুল বাসের ব্যবহার উৎসাহিত করতে হবে। বেসরকারি হাসপাতাল, শপিং মল ও মার্কেটগুলোতে পর্যাপ্ত পার্কিং ব্যবস্থা রাখতে হবে।

প্রতিদিনের ব্যবহার্য বর্জ্য নির্ধারিত স্থানে ফেলুন। বাড়ির সামনে ও আশপাশের পরিবেশ পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখুন। পাশাপাশি বাড়ির ছাদও পরিচ্ছন্ন রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন।

এই শহর আপনার, আমার—আমাদের সবার।
চট্টগ্রামকে সুন্দর, পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও নান্দনিক নগরী হিসেবে গড়ে তোলার দায়িত্বও আমাদের সবার।

সবাই ভালো থাকবেন।
ইনশাআল্লাহ, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় গড়ে উঠবে একটি সুন্দর ও বাসযোগ্য চট্টগ্রাম।

ইঞ্জিনিয়ার বেলায়েত হোসেন
চেয়ারম্যান
চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ

#চট্টগ্রাম #চট্টগ্রামউন্নয়নকর্তৃপক্ষ #চউক #যানজটমুক্তচট্টগ্রাম #সবুজচট্টগ্রাম #পরিচ্ছন্নচট্টগ্রাম #নান্দনিকচট্টগ্রাম #বাসযোগ্যচট্টগ্রাম #নগরউন্নয়ন #সচেতননগরবাসী #আমাদেরচট্টগ্রাম

03/09/2026

কিংবদন্তিদের একনজরে দেখে নিন!

#কিংবদন্তি

মুমূর্ষ রোগী নিয়ে সাগর পাড়ি, পথে মৃত্যু, সন্দ্বীপে কেন চলে না নৌ-অ্যাম্বুলেন্সনুরুল আনোয়ারসন্দ্বীপে জরুরি রোগীদের চট্টগ্...
03/09/2026

মুমূর্ষ রোগী নিয়ে সাগর পাড়ি, পথে মৃত্যু, সন্দ্বীপে কেন চলে না নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

নুরুল আনোয়ার

সন্দ্বীপে জরুরি রোগীদের চট্টগ্রামে নিতে নৌযানের সংকট দীর্ঘদিনের। সরকারের দেওয়া দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটিও বর্তমানে রোগী পরিবহনে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একটি ১৫ বছর ধরে অচল, অন্যটি সমুদ্রপথে চলাচলের উপযোগী নয়। চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থাও নেই। ফলে হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও দুর্ঘটনায় আক্রান্ত রোগীদের স্পিডবোট, ট্রলার বা ঝুঁকিপূর্ণ ছোট নৌযানে করে চট্টগ্রামে নিতে হয়। এতে ঘাটে অপেক্ষার সময় বাড়ে, কখনো রোগীর মৃত্যু হয়। সর্বশেষ গত সোমবার মুমূর্ষু ওসমান গণি স্পিডবোটে ওঠার আগেই গুপ্তছড়া ঘাটে মারা যান। স্থানীয় চিকিৎসকেরা প্রতি সপ্তাহে ২০-২৫ জন ঝুঁকিপূর্ণ রোগী দ্রুত চ্যানেল পারাপারের প্রয়োজনের কথা জানিয়েছেন। সংশ্লিষ্ট দপ্তরে বারবার চিঠি দেওয়া হলেও সমস্যার স্থায়ী সমাধান হয়নি।

সন্দ্বীপের হারামিয়ায় ২০ শয্যা হাসপাতালের পেছনে স্থান হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের দেওয়া নৌ-অ্যাম্বুলেন্স

সত্তরোর্ধ্ব ওসমান গণি মুমূর্ষু অবস্থায় পড়ে ছিলেন গুপ্তছড়া ঘাটে। সড়ক দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হওয়ার পর চিকিৎসকেরা তাঁকে দ্রুত চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন। ছেলে মো. ইব্রাহীম তাই বাবাকে নিয়ে ছুটে গিয়েছিলেন ঘাটে। সামনের সন্দ্বীপ চ্যানেল পার হতে পারলেই হয়তো বাবাকে বাঁচানো যেত। কিন্তু তখন আবহাওয়ার সতর্কতায় সন্দ্বীপের সঙ্গে মূল ভূখণ্ডের নিয়মিত নৌযান চলাচল বন্ধ। ঘাটে গিয়ে কোনো নৌযানও পাওয়া যাচ্ছিল না। স্বজনেরা ছোটাছুটি করে শেষ পর্যন্ত একটি স্পিডবোটের ব্যবস্থা করেন। কিন্তু ততক্ষণে অনেক দেরি হয়ে গেছে। গতকাল সোমবার বিকেলে স্পিডবোটে ওঠার আগেই গুপ্তছড়া ঘাটে মারা যান গাছুয়া ইউনিয়নের ওসমান গনি।

অথচ এমন জরুরি মুহূর্তে একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সই হওয়ার কথা ছিল ওসমান গনির পরিবারের ভরসা। সন্দ্বীপে সরকারের দেওয়া দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটিও এখন রোগী পারাপারে ব্যবহৃত হচ্ছে না। একটি ১৫ বছর ধরে অচল পড়ে আছে। অন্যটি এক দিনও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা হয়নি। ৯০ লাখ টাকা ব্যয়ে দেওয়া এই দুটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের একটি আবার সমুদ্রপথে চলাচলের উপযোগী নয়। ফলে সমুদ্রঘেরা সন্দ্বীপের মুমূর্ষু রোগীদের এখনো কখনো স্পিডবোট, কখনো মালবাহী ট্রলার, আবার কখনো ঝুঁকিপূর্ণ ছোট নৌযানে করে চট্টগ্রামে নিতে হয়।

২০২২ সালের মে মাসে সন্দ্বীপের প্রসূতি কুলসুমা বেগমকে জরুরি চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে মৃত্যু হয়। তাঁকে গভীর রাতে চিকিৎসকের পরামর্শে চট্টগ্রামে নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু নৌযানের সংকট ও ঘাটের অপেক্ষার কারণে যাত্রায় দেরি হয়। পরে চট্টগ্রামে নেওয়ার পথে তাঁর মৃত্যু হয়। গত ১৯ আগস্ট গুপ্তছড়া-কুমিরা নৌরুটে স্পিডবোট চলাচল বন্ধ থাকায় সিরাজ উদ্দিন (৭২) নামের একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার চিকিৎসা পেতে দেরি হয় এবং তাঁর মৃত্যু হয়। সিরাজ উদ্দিনের ভাইয়ের ছেলে রেজাউল করিম (৪৬) প্রথম আলোকে বলেন, ‘ঘাটে গিয়ে দীর্ঘ অপেক্ষার পরও আমরা কোনো বোটের ব্যবস্থা করতে পারিনি। সি-অ্যাম্বুলেন্স থেকেও নাই, না হলে এভাবে হয়তো আমার চাচাকে ঘাটে মৃত্যুবরণ করতে হতো না।’

২০১৫ সালে রেসকিউ ইগল ১ নামে আরও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের দাম প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আগের নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি যেখানে চালক ও জ্বালানির অভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়নি, সেখানে এসবের স্থায়ী নির্দেশনা ছাড়াই দেওয়া হয় আরও একটি। ফলে এটিতে এক দিনের জন্যও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা যায়নি। পাঁচ বছর আগে যে সমস্যার কারণে প্রথম নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়েছিল, দ্বিতীয়টি দেওয়ার সময়ও সেই সমস্যার সমাধান করা হয়নি। পরে এটিকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।
চালক আর জ্বালানির সংকট

২০০৮ সালের ১৭ এপ্রিল স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সন্দ্বীপে একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি দেয়। সন্দ্বীপের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার কার্যালয়ের তথ্য অনুযায়ী এটির মূল্য ২৫ লাখ টাকা। কিন্তু নৌ-অ্যাম্বুলেন্স মিললেও চালক আর জ্বালানির জোগান কোথা থেকে আসবে, এই প্রশ্নে আটকে যায় রোগীর সেবা। স্বাস্থ্যসেবা বিভাগসহ সরকারি কোনো বিভাগ এই দায়িত্ব না নেওয়ায় তিন বছর ধরে এটি ঘাটেই পড়ে ছিল।

২০১১ সালে তৎকালীন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শাহজাহান নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি ব্যবহারের উদ্যোগ নেন। উপজেলা পরিষদের অর্থায়নে অস্থায়ীভাবে চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থা করা হয়। তখন নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি প্রায় এক বছর চলেছিল বলে জানা যায়। কিন্তু উপজেলা পরিষদের সেই উদ্যোগ স্থায়ী হয়নি; অর্থাৎ একটি জরুরি সরকারি সেবাকে সচল রাখতে শেষ পর্যন্ত স্থানীয় সরকারের নিজস্ব অর্থ খরচ করতে হয়েছিল। এর পর ১৫ বছর ধরে সেটিকে আর পানিতেই নামানো হয়নি। এখন সেটি ঘাট থেকে আট কিলোমিটার দূরের হারামিয়া ২০ শয্যা হাসপাতালের পেছনে নিয়ে রাখা হয়েছে।

হাওরের নৌ-অ্যাম্বুলেন্স সন্দ্বীপে

২০১৫ সালে রেসকিউ ইগল ১ নামে আরও একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের দেওয়া এই নৌ-অ্যাম্বুলেন্সের দাম প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। আগের নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি যেখানে চালক ও জ্বালানির অভাবে পরিচালনা সম্ভব হয়নি, সেখানে এসবের স্থায়ী নির্দেশনা ছাড়াই দেওয়া হয় আরও একটি। ফলে এটিতে এক দিনের জন্যও রোগী পরিবহনে ব্যবহার করা যায়নি। পাঁচ বছর আগে যে সমস্যার কারণে প্রথম নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি অচল হয়েছিল, দ্বিতীয়টি দেওয়ার সময়ও সেই সমস্যার সমাধান করা হয়নি। পরে এটিকে গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে একটি গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখা হয়।

চালক ও জ্বালানির ব্যবস্থাপনা নিয়ে প্রশ্নের মধ্যেই ২০১৫ সালে দেওয়া রেসকিউ ইগল ১ নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটির উপযোগিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। অনুসন্ধানে দেখা যায়, এটি সমুদ্রপথে চলাচলের জন্য তৈরি নৌযান নয়। বিশ্বব্যাংকের অর্থায়নে ২০১৫ সালে বাংলাদেশ সরকারকে রেসকিউ ইগল নামে ছয়টি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়। নেদারল্যান্ডসভিত্তিক নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ডাচ হেলথের তথ্য অনুযায়ী, এগুলো ইনল্যান্ড ওয়াটারি অ্যাম্বুলেন্স, অর্থাৎ অভ্যন্তরীণ জলপথে চলাচলের জন্য তৈরি। নির্মাতা প্রতিষ্ঠানের তথ্য ও নৌযানটির নকশা অনুযায়ী, নদী, হাওর, বিল ও বন্যাকবলিত এলাকার জলপথে উদ্ধার ও রোগী পরিবহনের জন্য এগুলো ব্যবহারের উপযোগী।

সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে আরেকটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্স
সন্দ্বীপের গুপ্তছড়া ঘাটের কাছে কেওড়া বাগানে ফেলে রাখা হয়েছে আরেকটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সছবি: প্রথম আলো
সন্দ্বীপের প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জামিরুল ইসলাম প্রথম আলোকে বলেন, নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি সাগরে চলাচলের উপযোগী নয়। এটি মূলত হাওর অঞ্চলের জলপথ এবং বন্যার সময় দেশের অভ্যন্তরীণ জলমগ্ন এলাকায় উদ্ধারকাজে ব্যবহারের জন্য উপযোগী। বর্ষায় সন্দ্বীপ চ্যানেলে বড় ঢেউ ওঠে। এমন পরিস্থিতিতে এই নৌযান চালানো ঝুঁকিপূর্ণ।

এর বিপরীতে সমুদ্রপথে উদ্ধার ও মানুষ সরিয়ে নেওয়ার জন্য বাংলাদেশকে দেওয়া হয়েছিল রেসকিউ ইগল ৪। বিশ্বব্যাংকের নেদারল্যান্ডস-সংক্রান্ত তথ্য অনুযায়ী, রেসকিউ ইগল ৪ ছিল উপকূলীয় ও সামুদ্রিক উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি নৌযান এবং এটি বাংলাদেশ কোস্টগার্ডকে দেওয়া হয়; অর্থাৎ একই রেসকিউ ইগল নামের নৌযান হলেও ১ ও ৪ নম্বর নৌযানের ব্যবহারক্ষেত্র এক নয়। রেসকিউ ইগল ১ অভ্যন্তরীণ জলপথের জন্য, আর রেসকিউ ইগল ৪ সমুদ্র ও উপকূলীয় উদ্ধারকাজের জন্য তৈরি।

সন্দ্বীপের জন্য দেওয়া নৌযানটি নিয়ে এখানেই বড় প্রশ্নটি সামনে আসে। সমুদ্রবেষ্টিত একটি দ্বীপের মানুষের জরুরি চিকিৎসার জন্য যে নৌ-অ্যাম্বুলেন্স দেওয়া হয়েছিল, সেটি যদি সেই সমুদ্রপথেই চলাচলের উপযোগী না হয়, তাহলে নৌযানটি কেন সন্দ্বীপে দেওয়া হলো, এই প্রশ্নের যথার্থ উত্তর মেলেনি সংশ্লিষ্টদের কাছে। আর স্থানীয় প্রশাসন যখন ২০১৬ সালেই এটি ফেরত নেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছিল, তখন গত এক দশকে এর বিকল্প ব্যবস্থা চোখে পড়েনি।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগের কমিউনিটি বেজড হেলথকেয়ার প্রোগ্রামের (সিবিএইচ) আওতায় একটি নৌ-অ্যাম্বুলেন্সটি সন্দ্বীপে দেওয়া হয়েছিল। ২০২৪ সালে তৎকালীন লাইন ডিরেক্টর আবদুল কাইয়ুম তালুকদারের কাছে জানতে চাইলে প্রথম আলোকে তিনি জানিয়েছিলেন, বিষয়টি তাঁর জানা নেই। এসব নৌযানের তত্ত্বাবধান ও পরিচালনার দায়িত্ব উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের।

সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও প্রধান দুটি বেসরকারি হাসপাতালের চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, বিশেষায়িত চিকিৎসাসেবা না থাকায় হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও অন্যান্য জটিল ক্ষেত্রে রোগীদের দ্রুত চট্টগ্রামের হাসপাতালে নিতে বলেন তাঁরা। গাছুয়া ইউনিয়নে অবস্থিত সন্দ্বীপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স থেকে সপ্তাহে ৬ থেকে ১০ জন হৃদ্‌রোগ, স্ট্রোক ও আঘাতজনিত ঝুঁকিপূর্ণ রোগীকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তরের পরামর্শ দিতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা এম আশরাফ সিদ্দিকী। তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবারও আমরা একজন হৃদ্‌রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিকে দ্রুত চট্টগ্রামে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।’

সন্দ্বীপের সরকারি-বেসরকারি তিনটি হাসপাতাল থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, প্রতি সপ্তাহে ২০ থেকে ২৫ জন রোগীকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় জরুরি ভিত্তিতে সন্দ্বীপ চ্যানেল পার করতে হয়। কিন্তু সাগরপথে রোগী পরিবহনের সুব্যবস্থা না থাকায় রোগীর জীবন ঝুঁকিতে পড়তে পারে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘সুযোগ ও সাধ্য অনুযায়ী চিকিৎসা দেওয়ার পরও কিছু রোগীকে জেলা শহরে স্থানান্তর অনিবার্য হয়ে পড়ে। তখন কালক্ষেপণের সুযোগ থাকে না।’

কী বলছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা
সন্দ্বীপের স্বাস্থ্য কর্মকর্তা মানস বিশ্বাস জানিয়েছেন, জরুরি রোগী পারাপারের দুর্ভোগ নিয়ে তিনি সংশ্লিষ্ট দপ্তরে অনেকবার চিঠি দিয়েছেন। সোমবারও একটি চিঠি পাঠিয়েছেন বলে জানান। মানস বিশ্বাস প্রথম আলোকে বলেন, ‘জরুরি মুহূর্তে রোগীকে উন্নত চিকিৎসা দিয়ে নৌপথের ভোগান্তি দূরীকরণে আমি ধারাবাহিকভাবে লিখে যাচ্ছি। সোমবারও একটি চিঠি পাঠিয়েছি। আশা করি এ সমস্যার দ্রুত সমাধান হবে।’

স্বাস্থ্য কর্মকর্তা আশাবাদী হলেও চট্টগ্রামের চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন সাজেদুর রহমান এ বিষয়ে তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য দিতে পারেননি। একাধিকবার কল করা হলেও তিনি ‘জেনে জানানো হবে’ বলে জানান। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক জালাল উদ্দিন মো. রুমী প্রথম আলোকে বলেন, ‘এই সংকটের বিষয়ে এখনই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কাছ থেকে তথ্য নেব এবং দ্রুত প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’

সূত্রঃ প্রথম আলো।

সম্প্রীতির সন্দ্বীপ দেখল সারা দেশ। এই সংকটময় সময়ে মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য ধন্যবাদ বিএনপি,...
03/09/2026

সম্প্রীতির সন্দ্বীপ দেখল সারা দেশ।

এই সংকটময় সময়ে মানবিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতার দৃষ্টান্ত স্থাপনের জন্য ধন্যবাদ বিএনপি, জামায়াত ও ইসলামী ঐক্যজোটকে।

পাশাপাশি, প্রশাসনের আন্তরিক উদ্যোগ ও দায়িত্বশীল ভূমিকাও ছিল চোখে পড়ার মতো।

ঐক্য, মানবিকতা ও সম্প্রীতিই হোক সন্দ্বীপের শক্তি।

#ফেরি #কপোতাক্ষ #সন্দ্বীপ #সম্প্রীতি #মানবিকতা #ঐক্য

Address

বড় কুমিরা, সীতাকুণ্ড
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dwiper Kotha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Dwiper Kotha:

Shortcuts

Share

Category