বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ,চট্রগ্রাম

  • Home
  • Bangladesh
  • Chittagong
  • বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ,চট্রগ্রাম

বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ,চট্রগ্রাম Technical education makes the job on demand.

চট্টগ্রামে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারেন।
07/12/2025

চট্টগ্রামে নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহীরা আবেদন করতে পারেন।

24/11/2025

অগ্নি দুর্ঘটনা হতে নিজের ও জানমালের ক্ষয়ক্ষতি হতে রক্ষার জন্য ফায়ার সেফটি ইকুইপমেন্ট ব্যাবহার করুন। নিরাপদ বাংলাদেশ বিনির্মানে সহযোগী হোন।

24/02/2025

High-speed train in Chaina.

চা (Tea)ভূমিকা: বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়ের তালিকায় নিঃসন্দেহে উপরের দিকে থাকবে চায়ের নাম। জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সং...
23/02/2024

চা (Tea)
ভূমিকা: বিশ্বের অন্যতম জনপ্রিয় পানীয়ের তালিকায় নিঃসন্দেহে উপরের দিকে থাকবে চায়ের নাম। জাতিসঙ্ঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার (এফএও) তথ্যমতে, পানির পরে বিশ্বে সবচেয়ে বেশি পান করা তরল পদার্থ হলো চা। চা প্রথম আবিস্কার হয় চীন দেশে।
অনেকের কাছে চা পান কেবলই একটি অভ্যাস হলেও, এর রয়েছে বেশ কিছু স্বাস্থ্যগুণও। ক্লান্তি দূর থেকে শুরু করে আয়ু বৃদ্ধি পর্যন্ত-চা পানের স্বাস্থ্যগত দিক নিয়ে বছরের পর বছর ধরে চলেছে নানা ধরনের জরিপ ও গবেষণা। চা মূলত তৈরি করা হয় ক্যামেলিয়া সিনেসিস নামের চিরহরিৎ গুল্ম থেকে। এই ছোট গাছের পাতা এবং পাতার কুঁড়ি সংগ্রহ করে এর থেকে চা উৎপাদন করা হয়। সাধারণত ব্ল্যাক টি বা রঙ চা, গ্রিন টি বা সবুজ চায়ের মতো বিভিন্ন ধরনের নাম শোনা গেলেও তা মূলত এই উদ্ভিদ থেকেই ভিন্ন ভিন্ন পদ্ধতিতে বা পরিস্থিতিতে চাষ করা হয়ে থাকে।
কফির চেয়ে চা এগিয়ে?
মূলত ক্যাফেইনের কারণেই চায়ের মতো পানীয়ের দিকে বেশিরভাগ মানুষ ঝুঁকে থাকে। সকাল সকাল ঘুম তাড়িয়ে তাজা হতে চা অনেকটা ইঞ্জিনের তেলের মতোই কাজ করে। আরেকটি পানীয় কফি বেশ জনপ্রিয় হলেও চায়ের থেকে তা কিছুটা পিছিয়ে। এর একটি কারণ হতে পারে এতে থাকা ক্যাফেইনের পরিমাণ। সমান সাইজের এককাপ কফিতে যেখানে ৮০ থেকে ১১৫ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন থাকে, সেখানে একই পরিমাণ চায়ে থাকে ৪০ মিলিগ্রাম ক্যাফেইন, তুলনা করলে যার পরিমাণ দাঁড়ায় অর্ধেকেরও কম। লন্ডনের সারে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, একদিনে একই সমান চা-কফি খাওয়ার পর মনোযোগের ক্ষেত্রে অভিন্ন ফলাফল দেখা গেলেও রাতে ঘুমানোর সময় কফি খাওয়া ব্যক্তিদের কিছুটা সমস্যা দেখা দেয়। অন্যদিকে, যারা চা খায় তাদের ঘুম তুলনামূলক দীর্ঘ ও প্রশান্তিদায়ক হয়।
চা পানির উপকারি দিকসমূহ:
মানসিক চাপ কমায় :
চায়ের মধ্যে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং সাথে সু-স্বাস্থ্যের জন্য জরুরি উপাদান অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে। ফলে চা পান করলে স্নায়ু আরাম পায়। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান ও চা উৎপাদন প্রযুক্তি বিভাগের অধ্যাপক ড. এ এফ এম সাইফুল ইসলাম জানান, ‘বিভিন্ন পরিস্থিতিতে আমরা যে ‘স্ট্রেস কন্ডিশন’ বা মানসিক চাপে পড়ে যাই সেখান থেকে আমাদের শরীরের ভেতরে অক্সাইডস নামের এক ধরনের উপাদান সৃষ্টি হয়।’তিনি জানান, ‘চায়ের মধ্যে থাকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। চায়ের মাধ্যমে শরীরে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রবেশ করলে তা অক্সাইডসগুলোকে ধ্বংস করে দেয়। ফলে ব্যক্তি মানসিক চাপ থেকে রেহাই পায়। এছাড়া চা মনকে চাঙ্গা করে, শরীর সতেজ করে এবং কর্মক্ষমতা বাড়ায়। চা যে মানুষের স্নায়ুকে শান্ত করে সে বিষয়টি বেশ কিছু গবেষণাতেও পাওয়া গেছে। এতে দেখা গেছে, অস্বস্তিকর পরিস্থিতিতে ভেষজ চা পানকারীদের তুলনায় নিয়মিত চা পানকারীরা তুলনামূলক শান্ত প্রতিক্রিয়া দেখায়। এছাড়া আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন যারা কমপক্ষে তিন কাপ চা পান করেন তাদের হতাশার ঝুঁকি চা পান না করা ব্যক্তিদের তুলনায় ৩৭ শতাংশ কম থাকে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় :
চা যে কেবল মানসিক চাপ কমায়, তা-ই নয়। বিভিন্ন গবেষণায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতেও চা পানের উপকারিতার দিকটি উঠে এসেছে।

২০০৯ সালে প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন কয়েক কাপ চা পানের ফলে ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমে যায়। গবেষণায় বলা হয়েছে, এই উপকারিতা ঠিক কতটুকু সে সম্পর্কে সঠিকভাবে জানা না গেলেও তা পাঁচ থেকে ৪০ শতাংশের মধ্যে রয়েছে। চায়ে উপস্থিত অন্যান্য পুষ্টি উপাদানগুলো বিপাকে সাহায্য করে। যা কি-না শরীরের ইনসুলিনকে ক্ষতিগ্রস্থ না করে রক্তের গ্লুকোজকে দক্ষতার সাথে সামলায়। আরেক গবেষণায় দেখা গেছে, রঙ চা গ্রহণের পর শরীরের কোষ থেকে ১৫ গুণ বেশি ইনসুলিন বের হয়। আর ইনসুলিন পর্যাপ্ত পরিমাণে নির্গত হলে ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে থাকে।
হৃৎপিণ্ড ভালো থাকে :
চা পানের আরেকটি উপকারিতা হলো হৃৎপিণ্ডের সুরক্ষা। নেদারল্যান্ডের ১৩ বছরব্যাপী এক গবেষণায় দেখা গেছে, চায়ের মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় এটি কিছু পরিমাণে হৃৎপিণ্ডকেও সুরক্ষা দিয়ে থাকে।
প্রায় ৪০ হাজার মানুষকে নিয়ে করা গবেষণাটিতে দেখা গেছে, দিনে ছয় কাপের বেশি চা পান করা ব্যক্তিদের হৃদরোগের শঙ্কা এক-তৃতীয়াংশ পর্যন্ত কমে যায়। প্রতিদিন কয়েক কাপ চা পানের ফলে এই প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি সম্ভব। যুক্তরাজ্যে ২০২২ সালে পাঁচ লাখ চা পানকারীদের নিয়ে করা আরেকটি গবেষণায় দেখা গেছে, বেশি চা পান করার সাথে মৃত্যুর ঝুঁকি কিছুটা কমে যাওয়ার সম্পর্ক রয়েছে। গবেষণায় বলা হচ্ছে, যারা প্রতিদিন দুই বা তারচেয়ে বেশি চা পান করেন তাদের চা পান করেন না এমন লোকদের তুলনায় যেকোনো কারণে মৃত্যুর ঝুঁকি ৯ থেকে ১৩ শতাংশ পর্যন্ত কম থাকে। এছাড়া চা পানের ফলে হৃদরোগ ও স্ট্রোকের কারণে মৃত্যু ঝুঁকিও কমে যায়।
গবেষণায় উল্লেখ করা হয়েছে, সেক্ষেত্রে চায়ের তাপমাত্রা, দুধ বা চিনি যুক্ত করা কিংবা ক্যাফেইন বিপাকের হারের মতো বিভিন্ন অবস্থা নির্বিশেষে এই ফলাফল পাওয়া গেছে।
ক্যান্সার প্রতিরোধে সহায়ক :
চা বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সার প্রতিরোধেও সাহায্য করে। বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের ‘চা’ নিয়ে প্রকাশিত এক প্রবন্ধে বলা হয়েছে, এতে পুষ্টিগুণ সামান্য থাকলেও, পলিফেনলস, ফ্ল্যাভোনয়েডস এবং ক্যাটেচিন নামক উপাদানের উপস্থিতি ফ্রি রেডিক্যালস তৈরিতে বাধা দেয় এবং কোষের ক্ষতিগ্রস্ত হওয়াকে বাধা দেয়। ফলে চা ক্যান্সার প্রতিরোধে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়া চায়ে উপস্থিত পলিফেনলসের পরিমাণ ২৫ শতাংশেরও বেশি থাকায় এটি উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণেও সাহায্য করে।
চায়ের ক্ষতিকর দিক :
যেকোনো কিছুর মতোই চা-ও অতিরিক্ত পান করা ঠিক না। পরিমাণের চেয়ে বেশি চা গ্রহণ করা হলে শারীরিক নানা জটিলতার মুখেও পড়তে হতে পারে। অতিরিক্ত চা খাওয়ার ক্ষতিকর দিক নিয়ে বাংলাদেশ সরকারের কৃষি তথ্য সার্ভিসের প্রবন্ধে বেশ কিছু দিক উল্লেখ করা হয়েছে। এগুলো হলো,
১. চায়ের ক্যাফেইন ঘুমের চক্রে মারাত্মক প্রভাব ফেলতে পারে। অতিরিক্ত চা পান ঘুমের ভারসাম্য নষ্ট করে দেয়।
২. চায়ের মধ্যে থাকা থিওফাইলিন নামে একটি রাসায়নিক উপাদান শরীরে ডিহাইড্রেশনের কারণ হতে পারে যেটা হজমে সমস্যা তৈরি করে। এতে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়।
৩. ঘুমে সমস্যা, কোষ্ঠকাঠিন্য ইত্যাদি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়ার ফলে উদ্বেগ ও অস্থিরতা দেখা দিতে পারে।
৪. গর্ভবতী নারীদের চা পান সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলা উচিত। চায়ে উপস্থিত ক্যাফেইন ভ্রুণের বিকাশে বাধা প্রধান করতে পারে যেটা পরবর্তীতে গর্ভপাত ঘটাতে পারে।
৫. চায়ের সবচেয়ে ক্ষতিকর দিক হলো অতিরিক্ত চা পান প্রোস্টেট ক্যান্সারের কারণ হতে পারে।
গ্লাসগো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছয় হাজার পুরুষ স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে ৩৭ বছর ধরে পরিচালিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, যারা চা পান করে না এবং যারা প্রচুর চা পান করে তাদের মধ্যে অতিরিক্ত চা পানকারীদের প্রোস্টেট ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা বেশি।
চা সম্পর্কে আরো যা জানা জরুরি :
যারা নিয়মিত চা পান করেন, যাদের কাছে বিষয়টি অনেকটাই অভ্যাসে পরিনত হয়ে গেছে এতদিনে, তারা নিজেদের রুচি ও মর্জি মতোই হয়তো সেটি করবেন। তারপরও গবেষক ও চিকিৎসকদের রয়েছে এর ব্যবহার সম্পর্কে কিছু পরামর্শ, যা জেনে রাখতে পারেন :
১. খাবার খাওয়ার কমপক্ষে আধা ঘণ্টা আগে অথবা খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পরে চা পান করা উচিৎ।
২. বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে চায়ের সাথে দুধ বা চিনি মিলিয়ে খাওয়ার এক ধরনের প্রবণতা দেখা যায়। কিন্তু ২০০২ সালে হিউম্যান নিউট্রিশন রিসার্চ সেন্টারের একটি গবেষণায় দেখা গেছে, এক কাপ চায়ে ৫০ গ্রাম দুধ মেশানো হলে ইনসুলিনের কার্যকারিতা ৯০ শতাংশ কমে যায়। আর ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে গেলে শরীরের ডায়াবেটিসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার ক্ষমতাও কমে যায়। এছাড়াও চায়ের মধ্যে দুধ মেশালে ভাস্কুলার সিস্টেমের উপর উপকারী প্রভাব কমে যায়।
৩. চা খাবার হজমে সহায়তা করে।
৪. চায়ের সাথে ভিটামিন ‘সি’ খেলে এর গুণাগুণ অনেকাংশে বেড়ে যায়। তবে পুরোপুরি গরম চায়ের সাথে ভিটামিন সি মেলালে এর কার্যকারিতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভিটামিন ‘সি’ চা খাওয়ার ঠিক আগ মুহূর্তে মেশানো ভালো।

আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনা (Modern Manufacturing Management)উৎপাদনের ইতিহাস (Manufacturing History):যদিও উৎপাদন উদ্ভাবন য...
16/02/2024

আধুনিক উৎপাদন ব্যবস্থাপনা (Modern Manufacturing Management)
উৎপাদনের ইতিহাস (Manufacturing History):
যদিও উৎপাদন উদ্ভাবন যেমন মুদ্রণ মধ্যযুগে আবির্ভূত হয়েছিল, আধুনিক উৎপাদনের ইতিহাস শিল্প বিপ্লবের সাথে শুরু হয়েছিল। 1700 এর দশকের শেষের দিকে, মেশিনের প্রবর্তনের মাধ্যমে কারিগরি শিল্প বিপ্লব হয়েছিল।
উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং কি? প্রকারভেদ, উদাহরণ এবং ঝুঁকি
(What is Manufacturing, Classification, Example and Risk):
উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং হলো একটি প্রসেস বা প্রক্রিয়া। এই প্রক্রিয়ার মাধ্যমে পন্য তৈরি হয়ে থাকে। ফোন থেকে পোশাক বা যানবাহন, উৎপাদনে কাঁচামালকে ব্যবহার করে পণ্যে রূপান্তরিত করে। ম্যানুফেকচারিং সাধারণত ০২ পদ্ধতিতে হয়ে থাকে ম্যানুয়েল এবং যান্ত্রিক। মেশিনের সাহায্য ছাড়া শুধুমাত্র হাতের সাহায্যে যে পন্য তৈরি হয়ে থাকে তাকে ম্যানুয়েল ম্যানুফেকচারিং বলে। যেমন মাটির হস্ত শিল্প ,বেতের পাটি ইত্যাদি। অন্যদিকে যন্ত্রের সাহায্য কোন পন্য তৈরি করাকে মেকানিক্যাল ম্যানুফ্যাকচারিং বলে। যেমন ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস, যানবাহন ইত্যাদি। বর্তমানে অধিকাংশ পন্য যান্ত্রিকিকরন হয়ে গেছে। এছাড়া বর্তমান ম্যানুফেকচারিং প্রসেস সম্পূর্ন স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি (অটোমেশন), রোবোটিক্স পদ্ধতি সফলভাবে চালু হয়ে গেছে। উৎপাদনকে রূপান্তরিত করার জন্য প্রস্তুত প্রযুক্তির মধ্যে রয়েছে ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT), কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ব্লকচেইন এবং রোবোটিক্স। উৎপাদনের বিভিন্ন শৈলী মানব জাতির বিভিন্ন চাহিদা পূরণসহ সাফল্যের চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গিয়েছে।
উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং ক্ষেত্র
(Field of Scope):
উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং এর প্রভাব মানবজীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে অঙ্গাঅঙ্গি ভাবে জড়িত। এর প্রভাব নিম্নরুপ
-শিক্ষা
-গৃহস্থালি, পোষাক, কৃষি
-চিকিৎসা ও স্বাস্থ্য
-নির্মান ও প্রকৌশল
-স্যাটেলাইট ও ন্যাভিগেশন
-পরিবহন ও যোগাযোগ
-নগর উন্নয়ন ও সম্প্রসারন
-সামরিক ও গোয়েন্দা
-খেলাধুলা ও বিনোদনসহ সকল ক্ষেত্র ।
তাই উৎপাদন বা ম্যানুফেকচারিং এর প্রয়োজনীয়তা বিশাল।
শিল্প উন্নত দেশের তালিকা:
বিশ্বে নিম্নের ১০টি দেশ প্রথম সারির শিল্প উন্নত দেশ আছে
যুক্তরাষ্ট্র জাপান
জার্মানি ফ্রান্স
যুক্তরাজ্য ইতালি স্পেন কানাডা
দক্ষিণ কোরিয়া অস্ট্রেলিয়া পরিচিত।
ম্যানুফ্যাকচারিং শিল্প মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মোট অর্থনৈতিক উৎপাদনের জিডিপির 11% এরও বেশি ভূমিকা রাখে। এবং উৎপাদিত পণ্যগুলি পণ্যের বিশ্বব্যাপী বাণিজ্যের জন্যও বিশাল ভূমিকা রাখে। তাই বিশ্ব অর্থনীতিতে উৎপাদন বা ম্যানুফ্যাকচারিং এর অবদান অনেক।
উৎপাদন প্রকারভেদ (Types of Manufacturing Process):
ম্যানুফ্যাকচারিং কৌশলগুলিকে তিন প্রকারে শ্রেণীবদ্ধ করা যেতে পারে, প্রতিটি বিভিন্ন ব্যবসার প্রয়োজনীয়তা সমর্থন করার জন্য ডিজাইন করা হয়েছে: ১। মেক টু স্টক, ২। মেক টু অর্ডার এবং ৩। মেক টু অ্যাসেম্বল।
১। মেক টু স্টক (এমটিএস): মেক টু স্টক (এমটিএস) একটি বহুল ব্যবহৃত উৎপাদন কৌশল যেখানে প্রস্তুতকারক চাহিদা পূর্বাভাসের উপর ভিত্তি করে কতটা পণ্য তৈরি করতে হবে তা নির্ধারণ করে। পণ্যগুলি তারপর বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত কোম্পানির দ্বারা বা পরিবেশক বা খুচরা বিক্রেতার কাছে তালিকা হিসাবে সংরক্ষণ করা হয়। MTS সুবিধা দ্বিগুণ: গ্রাহকরা পণ্যের অবিলম্বে ডেলিভারি নিতে পারেন, যখন নির্মাতারা স্কেল অর্থনীতি থেকে উপকৃত হয়। যেমন বিভিন্ন ভোগ্য পণ্য সাবান, টিস্যু, কাগজ, মোবাইল ইত্যাদি। সঠিকভাবে চাহিদা ভবিষ্যদ্বাণী করা এই পদ্ধতির সাফল্যের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
২। মেক টু অর্ডার (এমটিও): মেক টু অর্ডার (এমটিও) দিয়ে, একজন প্রস্তুতকারক তাদের জন্য অর্ডার পাওয়ার পরেই পণ্য তৈরি করে। এর অর্থ হল কোম্পানি অবিক্রীত পণ্য তৈরির ঝুঁকি নেয় না এবং পণ্যগুলি গ্রাহকের নির্দিষ্টকরণে কাস্টমাইজ করতে পারে। এমটিও সাধারণত শ্রম-নিবিড়, উচ্চ-মূল্যের তৈরি পণ্যের জন্য ব্যবহৃত হয় এবং এমন পরিস্থিতিতে যেখানে পণ্যগুলি মজুত করা অব্যবহার্য হবে। বাণিজ্যিক বা যুদ্ধ বিমান উদাহরণস্বরূপ এমটিও পণ্য।
৩। মেক টু অ্যাসেম্বল (MTA): কখনও কখনও অ্যাসেম্বল-টু-অর্ডার বলা হয়, মেক-টু-এসেম্বল (MTA) পদ্ধতি হল MTS এবং MTO- এর সংমিশ্রণ। প্রস্তুতকারক গ্রাহকের আদেশ পাওয়ার আগে উপাদানগুলির একটি তালিকা তৈরি করে কিন্তু শুধুমাত্র এটি প্রাপ্ত অর্ডারগুলির উপর ভিত্তি করে পণ্যগুলিতে তাদের একত্রিত করে। এই কৌশলটি প্রায়শই এমন পরিস্থিতিতে ব্যবহৃত হয় যেখানে উপাদানগুলি তৈরি করতে উল্লেখযোগ্য প্রচেষ্টা এবং খরচ লাগে, তবে চূড়ান্ত পণ্যগুলিতে তাদের একত্রিত করা তুলনামূলকভাবে দ্রুত এবং সহজ। এমটিএর সুবিধা হল যে নির্মাতারা গ্রাহকদের একটি দৃঢ় আদেশ না পাওয়া পর্যন্ত পণ্য তৈরি করে না।
ম্যানুফ্যাকচারিং সিস্টেম (Manufacturing Systems):
ম্যানুফ্যাকচারিং সিস্টেমগুলিকে সাধারণত চারটি প্রধান প্রকারে ভাগ করা হয়, ছোট-ব্যাচ, কম-আয়তনের পণ্যগুলি পরিচালনা করার জন্য ডিজাইন করা সিস্টেম থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় কারখানা যা সস্তায় প্রচুর পরিমাণে পণ্য উৎপাদন করতে পারে।
 কাস্টম ম্যানুফ্যাকচারিং সিস্টেম: একটি কাস্টম ম্যানুফ্যাকচারিং সিস্টেমে, পণ্যগুলি প্রতিটি গ্রাহকের জন্য অর্ডার করার জন্য তৈরি করা হয়। একটি একক দক্ষ কারিগর বা শ্রমিকদের একটি ছোট দল স্বতন্ত্র, উচ্চ-মূল্যের জিনিসগুলি মূলত হাতে বা বিশেষ মেশিনের সাহায্যে উৎপাদন করে। কারণ কাস্টম উৎপাদন ভলিউমের পরিবর্তে মানের উপর ফোকাস করে, এই সিস্টেমের প্রতি-ইউনিট উৎপাদন খরচ সর্বোচ্চ হয়ে থাকে যেমন হস্ত ও কারুশিল্প পণ্য ।
 বিরতিহীন উৎপাদন ব্যবস্থা: এই পদ্ধতিতে, একটি একক উৎপাদন লাইন বিভিন্ন পণ্য তৈরির নমনীয়তার সাথে ডিজাইন করা হয়েছে। পণ্যগুলি গ্রাহকের আদেশের উপর ভিত্তি করে ব্যাচগুলিতে তৈরি করা হয়, প্রতিটি ব্যাচের পরে পণ্যগুলির পরবর্তী সেট তৈরি করতে উৎপাদন লাইন পুনরায় কনফিগার করা হয়। বিরতিহীন উৎপাদন ব্যবস্থা সাধারণত প্রতিটি পণ্যের ছোট ভলিউম পরিচালনা করে যেমন গার্মেন্টস পণ্য, মেডিসিন ।
 ক্রমাগত উৎপাদন ব্যবস্থা: এটি একটি একক পণ্যের ব্যাপক উৎপাদনের জন্য ডিজাইন করা হয়েছে। একটি অ্যাসেম্বলি লাইন বরাবর প্রতিটি স্টেশনে আধা-দক্ষ কর্মীরা একটি পণ্য একত্রিত করার পরপর পর্যায়গুলি সম্পূর্ণ করে। এই পদ্ধতিটি উচ্চ-ভলিউম উৎপাদনের জন্য আদর্শ, যেমন অটোমোবাইল বা বিমান উৎপাদন সিস্টেম। তবে এটির জন্য বিশাল অগ্রিম খরচ প্রয়োজন।
 নমনীয় উৎপাদন ব্যবস্থা: এটি একটি পন্যের উচ্চ ভলিইম সিস্টেম তৈরি করার পদ্ধতি যেখানে পণ্য ক্রমাগত তৈরি হতে থাকে। সাধারণত এই সিস্টেমে ২৪ ঘন্টা বিরতিহীনভাবে পন্য তৈরি হতে থাকে। এখানে উপাদনের প্রতিটি ধাপেই স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি প্রয়োগ হয়ে থাকে বিধায় খুব কম ইউনিট খরচে বিপুল পরিমাণ পণ্য উৎপাদন হয় যেমন সিগারেট ম্যানুফেকচারিং, পারমানবিক বিদ্যুৎ উৎপাদন।
ম্যানুফ্যাকচারিং রিস্ক ( Risk of Manufacture):
ম্যানুফ্যাকচারিং হল একটি জটিল এবং প্রায়ই পুঁজি-নিবিড় ব্যবসা যা অনেক ঝুঁকির জন্য ঝুঁকিপূর্ণ। যে উপাদানগুলি উৎপাদন কার্যক্রমকে লাইনচ্যুত করতে পারে সেগুলি সরবরাহ শৃঙ্খলে বাধা থেকে পূর্বাভাস ত্রুটি পর্যন্ত।
 কাঁচামালের দামের ওঠানামা: বিশ্বব্যাপী সরবরাহ এবং চাহিদার পরিবর্তনের মতো কারণগুলির কারণে কাঁচামাল এবং উপাদানগুলির দাম দ্রুত এবং অপ্রত্যাশিতভাবে ওঠানামা করতে পারে। এমনকি যখন নির্মাতারা নিজেরাই উপকরণের দাম লক করে দেয়, তারা বিশ্বব্যাপী শিপিং খরচের ওঠানামার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।
 সরবরাহ শৃঙ্খল সমস্যা: সরবরাহ-শৃঙ্খল সমস্যাগুলি গুরুত্বপূর্ণ উপাদানগুলি পেতে বিলম্বের কারণ হতে পারে। উপাদানগুলির অনুপলব্ধতা একটি সম্পূর্ণ উত্পাদন প্রক্রিয়া ধরে রাখতে পারে।
 পণ্য প্রত্যাহার: পণ্যের ত্রুটিগুলি ব্যয়বহুল প্রত্যাহার, মামলা এবং সুনামের ক্ষতি হতে পারে। পণ্য পাঠানোর আগে একটি চূড়ান্ত পরিদর্শন সহ উত্পাদন প্রক্রিয়া জুড়ে কঠোর এবং সামঞ্জস্যপূর্ণ মান নিয়ন্ত্রণের প্রচেষ্টা বজায় রাখা গুরুত্বপূর্ণ।
 নিয়ন্ত্রক সম্মতি: কঠোর স্থানীয় প্রবিধানগুলি বিশ্বব্যাপী বাজারে অনেক পণ্য বিক্রি করা যেতে পারে কিনা তা নির্ধারণ করে। নির্মাতাদের জন্য তাদের পণ্য বিক্রি করার আগে বা ব্যয়বহুল জরিমানা দিতে বাধ্য হওয়ার ঝুঁকির আগে তাদের লক্ষ্য বাজারে নিয়ন্ত্রক প্রয়োজনীয়তা বিশ্লেষণ করা অত্যাবশ্যক।
 পূর্বাভাস ত্রুটি: ভুল পূর্বাভাস বিক্রির চেয়ে বেশি পণ্য তৈরি করতে পারে বা চাহিদা মেটাতে যথেষ্ট নয়। নির্মাতারা সফ্টওয়্যার ব্যবহার করে ঝুঁকি কমাতে পারেন যা ঐতিহাসিক এবং মৌসুমী বিক্রয়ের ধরণগুলি, সেইসাথে বাহ্যিক কারণগুলিকে বিবেচনা করে।
 সাইবার ঝুঁকি: হ্যাকাররা নিয়মিতভাবে র্যানসমওয়্যার এবং অন্যান্য দূষিত আক্রমণের মাধ্যমে উৎপাদন ব্যবস্থাকে লক্ষ্য করে। সাইবার নিরাপত্তার উপর ফোকাস করা ম্যানুফ্যাকচারিং কোম্পানিগুলির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
উৎপাদনের ভবিষ্যত (Manufacture in Future):
প্রযুক্তি উৎপাদনকে রূপান্তরিত করে চলেছে, ঠিক যেমন এটি অন্যান্য শিল্পকে রূপান্তরিত করছে। এখানে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ চারটি প্রযুক্তি রয়েছে যা উৎপাদনের ভবিষ্যতকে নতুন মাত্রায় রূপ দেবে ।
ইন্টারনেট অফ থিংস (IoT): উত্পাদন সিস্টেমগুলি ক্রমবর্ধমানভাবে ইন্টারনেট এবং একে অপরের সাথে সংযোগ করতে সক্ষম হয়, তাই তারা সমালোচনামূলক তথ্য যোগাযোগ করতে পারে যা উৎপাদন প্রক্রিয়াগুলি নিরীক্ষণ এবং অপ্টিমাইজ করতে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, মেশিনগুলি পরিবেশগত অপারেটিং অবস্থা সম্পর্কে অবিচ্ছিন্ন তথ্য সরবরাহ করতে পারে বা একটি নির্দিষ্ট উপাদানের সরবরাহ কম হলে সতর্কতা প্রদান করতে পারে।
কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI): জটিল প্রক্রিয়াগুলির বুদ্ধিমান সচেতনতা প্রদানের জন্য AI-এর প্রতিশ্রুতি উৎপাদনে যথেষ্ট সম্ভাবনা রয়েছে। অ্যাপ্লিকেশানগুলির মধ্যে ভবিষ্যদ্বাণীমূলক রক্ষণাবেক্ষণ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে: ব্যর্থতার সাথে সম্পর্কিত নিদর্শনগুলি
ব্লকচেইন: ব্লকচেইন বিটকয়েনের মতো ক্রিপ্টোকারেন্সির অন্তর্নিহিত প্রযুক্তি কার্যক্রম এবং লেনদেনের একটি অপরিবর্তনীয় রেকর্ড সরবরাহ করে। উৎপাদনে, ব্লকচেইন ব্যবহার করা যেতে পারে । উৎপাদনে ব্যবহৃত আইটেমগুলি ট্র্যাক করতে, নকল উপাদানগুলি সনাক্ত করতে এবং নিয়ন্ত্রক সম্মতির জন্য পরিদর্শন এবং অন্যান্য প্রক্রিয়া পদক্ষেপগুলি যাচাই করতে ব্লকচেইনের প্রয়োগ অনেক।
রোবোটিক্স: রোবোটিক্স বিভিন্ন ভবিষ্যত প্রযুক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করে; উৎপাদনে তাদের আবেদন স্পষ্ট। রোবোটিক্স প্রক্রিয়াগুলি স্বয়ংক্রিয় করতে, শ্রমের খরচ কমাতে এবং যেহেতু তারা 24 ঘন্টা কাজ করতে পারে, তাই দর্শনীয় উৎপানশীলতা লাভের দিকে নিয়ে যেতে পারে রোবোটিক্স প্রযুক্তি।
*********************************সমাপ্ত *******************************

বিদুৎ এর প্রিপেইড মিটার সমন্ধে কিছু তথ্য ;প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন, সেহেতু যেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মি...
24/09/2023

বিদুৎ এর প্রিপেইড মিটার সমন্ধে কিছু তথ্য ;
প্রিপেইড মিটারের আওতায় এসেছেন, সেহেতু যেনে রাখুন বৈদ্যুতিক প্রিপেইড ডিজিটাল মিটার ব্যবহারের কিছু তথ্যঃ

প্রথম বার ১০০০ টাকা রিচার্জে আপনি পাবেন ৭৯২ টাকা।

কারণঃ
১। মিটার পরীক্ষার সময় আপনাকে প্রথমেই ১০০ টাকা মিটারের সাথে দেওয়া হয়েছিল। তাই প্রথম ১ বার ১০০ টাকা কাটবে।

২। ডিমান্ড চার্জ আগে প্রতি কিলো ওয়াট লোডের জন্য ছিল ২৫ টাকা এখন ডিজিটাল মিটারের ক্ষেত্রে ১৫ টাকা (প্রতি মাসে এক বার করে কাটবে)।

৩। মিটার ভাড়া ৪০ টাকা (প্রতি মাসে এক বার)।

৪। সরকারি ভ্যাট আগেও ছিল ৫% এখনো ৫%।

৫। সার্ভিস চার্জ ১০ টাকা (প্রতি মাসে একবার)।

বিঃ দ্রঃ এই সব কারণে ডিজিটাল মিটার প্রথম ১০০০ টাকার কার্ড রিচার্জে ১০০০ টাকার স্থানে ৭৯২ টাকা দেখাবে, কিন্তু আপনি ঐ মাসেই যদি আবার ১০০০ টাকা রিচার্জ করেন তাহলে শুধু সরকারি ভ্যাট ৫% টাকা কাটার পর বাকি টাকা মিটারে রিচার্জ হবে। তাই ডিজিটাল মিটারের গ্রাহকদের আতঙ্কিত হওয়ার কোন কারণ নাই।

স্থিতি জানতে আরও কিছু বিশেষ তথ্যঃ
১। আপনি কত ইউনিট ব্যবহার করেছেন তা জানার জন্য ৮০০ চাপুন।

২। আপনার মিটারে কত টাকা জমা আছে তা জানতে ৮০১ চাপুন।

৩। ইমার্জেন্সি ব্যালেন্স জানতে ৮১০ চাপুন।

৪। মিটার টি চালু অথবা বন্ধ করতে ৮৬৮ চাপুন।

৫। আপনার মিটারটি কত কিলোওয়ার্টের তা জানতে ৮৬৯ চাপুন।

(সংগৃহীত)

বিশ্বের ১৭ টি দেশ এখন অর্থনৈতিক দেউলিয়ার ঝুকির মধ্যে আছে!জাম্বিয়া দেউলিয়া হয়েছে। শ্রীলংকায় চলছে তুলকালাম।  কিছুদিন আগে ফ...
14/07/2022

বিশ্বের ১৭ টি দেশ এখন অর্থনৈতিক দেউলিয়ার ঝুকির মধ্যে আছে!
জাম্বিয়া দেউলিয়া হয়েছে। শ্রীলংকায় চলছে তুলকালাম। কিছুদিন আগে ফিচ রেটিং প্রকাশিত হয়েছে। ফিচ রেটিং এ ১৭ টি দেশকে দেউলিয়া হবার ঝুকিতে রয়েছে বলে চিহ্নিত করা হয়েছে।

তুরস্কের কথা না বললেই নয়। জুন ২৩ তারিখে সর্বশেষ রিপোর্টে দেশটির নেট ফরেন কারেন্সি রিজার্ভ নেমে এসেছে মাত্র $৭.৩৮ বিলিয়ন ডলারে। অর্থনীতিতে ইগো চলেনা। তুরস্কের ক্ষেত্রে কথাটি প্রযোজ্য। ২০২১ এর মে মাসে তুরস্কের রিজার্ভ ছিল $৮৮ বিলিয়নের বেশি। ২০২২ এর মে মাসেও গোল্ড রিজার্ভ সহ দেশটির রিজার্ভ কমে দাঁড়ায় ৪১.৫ বিলিয়ন ডলারে। সর্বশেষ জুনের ১৭ তারিখের তথ্য অনুযায়ী বিগত ২০ বছরের ভেতর সর্বনিম্ন অবস্থানে এখন তুরস্কের রিজার্ভ। তুরস্কের CDS ( Country Default Swaps) স্কোর ৮৩৭ বেসিস পয়েন্ট যা দেশটির ১৯ বছরের ভেতর সর্বোচ্চ। সর্বশেষ ২০০৩ সালে এরকম পরিস্থিতি দেখেছিল তুরস্ক। ২০০৮ এর বিশ্ব মন্দায় CDS পয়েন্ট এত বেশি ছিলনা।

শ্রীলংকার ক্ষেত্রে দেউলিয়া হবার পেছনে যেমন বন্ড গুলির ম্যাচিউরিটি দায়ি ছিল ঠিক তেমনি তুরস্কের ঋনের বৃহৎ অংশ এখন এই বন্ড। সবথেকে বেশি মাথাব্যথার কারন ও এই বন্ড। ১০ বছর মেয়াদি ডলার বন্ড ইয়েল্ড এখন ১০.৬%!

লিরাকে সাপোর্ট দিতে গিয়ে তুরস্ক গত ডিসেম্বর মাস থেকে এই পর্যন্ত প্রায় $৩০ বিলিয়ন ডলার বাজারে ছেড়েছে। এতে রিজার্ভ দ্রুত কমেছে। ২০১৯-২০ সালেও টার্কিস কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফরেক্স মার্কেটে হস্তক্ষেপ করে $১২৪ বিলিয়ন ডলার বিক্রি করেছিল। কৃত্রিমভাবে লিরার মান ধরে রাখতে গিয়ে চরম মূল্য দিতে হয়েছে তুরস্ককে। কাজের কাজ কিছুই হয়নি বলা চলে। ২০২১ সালে লিরার মান ৪৪% পড়ে যায়। মুদ্রাস্ফীতি দাঁড়ায় ৭৩.৫%। ২০২২ সালে এখন পর্যন্ত লিরা মান হারিয়েছে ২৪%। সর্বশেষ রিজার্ভ এমন অবস্থায় পৌছেছে যে দেশটি এখন দেউলিয়ার ঝুকিতে।

একি অবস্থায় রয়েছে মিশর। বিগত দুই মাস ধরেই দেশটির ফরেন কারেন্সি রিজার্ভ নিম্নমুখী। জুলাই ৭ তারিখে রিজার্ভ নেমে হয়েছে $৩৩.৩৭ বিলিয়ন।

রাশিয়ার ক্ষেত্রে অবস্থাটা ভীন্ন। রাশিয়ার পর্যাপ্ত ডলার থাকার পরো ডেট সার্ভিসিং করার সুযোগ পাচ্ছে না নিষেধাজ্ঞার জন্য। বলা যেতে পারে দেশটিকে অনেকটা জোর করে দেউলিয়া তকমা দেয়ার চেষ্টা করা হয়েছে। রাশিয়াও ফিচ এর চিহ্নিত ১৭ দেশের তালিকায় রয়েছে।

অন্য দেশগুলির মধ্যে রয়েছে পাকিস্তান, ইথিওপিয়া, ঘানা, লেবানন, তিউনিসিয়া, সুরিনাম, এল সালভাদর, বেলিজ, ইকুয়েডর, তাজিকিস্তান, ভেনিজুয়েলা, ইউক্রেন, বেলারুশ।

রাশিয়া ইউক্রেন ও বেলারুশ মূলত রুশ ইউক্রেন যুদ্ধের সরাসরি ভিক্টিম। বর্তমান যুদ্ধাবস্থা দীর্ঘমেয়াদে চলতে থাকলে দেউলিয়া হবার তালিকা আরো দীর্ঘ হবে।

বাংলাদেশের রিজার্ভ আকুর পেমেন্ট দেয়ার পর $৪০ বিলিয়ন ডলারের নিচে নেমেছে। এই পরিস্থিতিতে আমাদের যেকোন মূল্যে রিজার্ভ স্থিতিশীল রাখতে হবে। বর্তমানে ডলারের রিজার্ভ কমে যাবার পেছনে মূল কারন হল উচ্চ মূল্যের এলএনজি, তেল। দৈনিক বিপিসিকে লোকসান গুনতে হচ্ছে ১০০ কোটি টাকার বেশি। $৩.৫ ডলারের এলএনজি $৪০ ডলারেও পাওয়া যাচ্ছেনা। কয়লার দাম ও বৃদ্ধি পেয়েছে। বর্তমানে তেল, এলএনজি ও গ্যাস আমদানি কমানো এখন রিজার্ভ ধরে রাখার প্রধান সাময়িক উপায়। এই মুহুর্তে বড় ধরনের ঝুকি এড়াতে ব্যাক্তিগত গাড়ি চলাচল সীমিত করা যেতে পারে। এতে তেলের ব্যাবহার ও চাহিদা কমবে। কিছুটা হলেও গ্লোবাল প্রাইস শক নিতে পারবে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ ও এলএনজির ক্ষেত্রে এখন প্রায়োরিটি হতে হবে শিল্প। শিল্প প্রতিষ্ঠানে উৎপাদন ব্যাহত হলে আমাদের রপ্তানি বাধাগ্রস্ত হবে যা আমাদের রিজার্ভের উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে। যেকোন মূল্যে শিল্পে গ্যাস ও বিদ্যুত সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা যাবেনা। জরুরি সেবা যেমন হাসপাতাল বাদে অন্যান্য অফিস গুলির কর্মঘন্টা কমিয়ে আনার কথা আলোচনা হচ্ছে। এটা হলে চাহিদা কমার পাশাপাশি বিদ্যুৎ উৎপাদনের জন্য গ্যাস বা তেল আমদানি কিছুটা কমানো যাবে।

ইতোমধ্যে বাংলাদেশ ব্যাংক BRPD সার্কুলারের মাধ্যমে আমদানি নিরুৎসাহিত করতে বিলাস দ্রব্য , ইলেকট্রনিক আইটেমে ১০০% নিজস্ব উৎস হতে মার্জিন নিশ্চিত করার শর্ত জুড়ে দিয়েছে। নিত্য পণ্য বাদে অন্য পণ্যে ৭৫% মার্জিন সংরক্ষনের কথা বলা হয়েছে। এতে আমদানির চাপ কিছুটা কমবে। তবে বর্তমান পরিস্থিতিতে কোনভাবের পূর্ন ঝুকি এড়ানো যায়না। আমাদের রপ্তানি পণ্যের প্রধান গন্তব্য ইউরোপ ও আমেরিকা। ইউরোপের ইকোনমি কলাপ্স করলে আমাদের শিল্প উৎপাদন ব্যাহত হবে। রপ্তানি ক্ষতিগ্রস্ত হবে। ফলে রিজার্ভের উপর সৃষ্ট চাপে টাকার মান আরো কমবে। বর্তমান পরিস্থিতিতে মার্কেট ইন্টারভেনশন করার মত পর্যাপ্ত ডলার আমাদের নেই। এরকম ঝুঁকিপূর্ণ কাজ এই মুহুর্তে করাও ঠিক হবেনা।

অপচয় রোধ ছাড়া গতান্তর নেই। মিতব্যয়ী হওয়া ছাড়া আর যে উপায় আছে সেটি হল বিশ্বকে অবরোধের কবল থেকে উদ্ধার করে স্বাভাবিক পরিস্থিতি ফিরিয়ে আনা।
-সংগৃহীত।

স্বপ্নের পদ্মা বহুমুখী সেতু আজ শুভ উদ্বোধন হয়ে গেলো।  সেই সাথে খুলে গেলো দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার অর্থ নীতির চাকা। আশা করা...
25/06/2022

স্বপ্নের পদ্মা বহুমুখী সেতু আজ শুভ উদ্বোধন হয়ে গেলো। সেই সাথে খুলে গেলো দক্ষিণ বঙ্গের ২১ জেলার অর্থ নীতির চাকা। আশা করা যায় বাংলাদেশের অর্থনীতিতে ২-৩ % জিডিপি গ্রোথ অর্জন সম্ভব হবে পদ্মা বহুমুখী সেতুর কল্যাণে। অশেষ ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণ কাজে নিয়োজিত দেশি-বিদেশি সকল কর্মীগণ। যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে আমরা সুন্দরএকটি সেতু পেয়েছি।
🌹🌹🌹🌹

এটি নিয়ে অনেক মিথ আছে যে ৫০ কেজি ভরের কম মানুষ এখানে প্রবেশ করলে বিদ্যুৎ তাকে নাকি নিজের দিকে টানবে। আসলে বিদ্যুৎ কখনো এ...
16/06/2022

এটি নিয়ে অনেক মিথ আছে যে ৫০ কেজি ভরের কম মানুষ এখানে প্রবেশ করলে বিদ্যুৎ তাকে নাকি নিজের দিকে টানবে। আসলে বিদ্যুৎ কখনো এমনটা করেনা।তবে হাই ভোল্টেজ এর জন্য ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ হতে পারে। কারন মানবদেহ মাংশল ও ফাপা।ফলে এটি ক্যাপাসিটর এর ন্যায় কাজ করে।

📛এবার আসি মুল কথায়

IEEE এর গবেষনা মতে, একজন ৫০ কেজির কম ওজন বিশিষ্ট ব্যক্তি উচ্চ ভোল্টেজে অবস্থান করলে তার ক্যাপাসিটিভ ডিসচার্জ বডি কারেন্ট ১১৬ মিলি এম্পিয়ার হয়ে থাকে আর এটি ৩ সেকেন্ডেই তার দেহে প্রভাববিস্তার শুরু করতে সক্ষম। তাই এই পরিমাণ কারেন্ট তার জন্য বেশ প্রাণঘাতী হতে পারে। মূলত এই কারণেই ৫০ কেজির কম ব্যক্তিদের সাবস্টেশনে প্রবেশ নিষেধ।

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এক ক্লিকেই জানা যাবে জমির মালিকের নামঃ ‘মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং’ প্রকল্পের মাধ্যমে দে...
24/05/2022

ডিজিটাল ব্যবস্থাপনায় এক ক্লিকেই জানা যাবে জমির মালিকের নামঃ
‘মৌজা ও প্লটভিত্তিক ডিজিটাল ভূমি জোনিং’ প্রকল্পের মাধ্যমে দেশের সব মৌজায় ডিজিটাল ও স্যাটেলাইট ইমেজের মাধ্যমে মানচিত্র তৈরি করে ভূমি ব্যবহার পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে। ১২ মে এ প্রকল্পের ক্রয় পরিকল্পনা একনেকে অনুমোদন দেওয়া হয়।দেশের ১ লাখ ৩৮ হাজার ৪১২টি মৌজার ম্যাপ ডিজিটাইজ করার ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এ ডিজিটাইজড ম্যাপের সঙ্গে ক্রয় করা ভূমির স্যাটেলাইট ছবি সমন্বয় করা হবে। এ প্রকল্প কার্যকর হলে কার্যকর ডিজিটাল ক্যাডাস্ট্রাল ম্যাপ তৈরি হবে। ফলে এক ক্লিকেই দেখা যাবে জমির শ্রেণি কী এবং জমির মালিকের সব তথ্য।
রোববার (২২ মে) ভূমি মন্ত্রণালয় থেকে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। এতে বলা হয়, ভূমি সেবা সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষ্যে ভূমি সেবা ডিজিটালাইজেশনের বিভিন্ন উদ্যোগ দ্রুত বাস্তবায়নের নির্দেশ দেওয়া হয়। ভূমি ব্যবস্থাপনার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকাণ্ডের মধ্যে নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর, খতিয়ান/পর্চা, জরিপ ও জমির ম্যাপ সম্পর্কিত কাজ করে ভূমি মন্ত্রণালয়। অন্যদিকে ভূমি নিবন্ধন সম্পর্কিত কাজ করে আইন মন্ত্রণালয়। ভূমি মন্ত্রণালয়ের নামজারি ও খতিয়ানের ডাটাবেজ আইন মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত নিবন্ধন অধিদফতরের সঙ্গে সমন্বয়ের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই ই-নামজারির জন্য আধুনিক ফরম চালু করা হবে জানিয়ে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এই ফরম চালু হলে আবেদন করার সময় আবেদনে ত্রুটি আছে কি না, তা বোঝা যাবে। এ ছাড়া কল সেন্টারের মাধ্যমেও নামজারির আবেদন জমা দেওয়া যাবে। জমির যেসব ডকুমেন্ট সরকারের কাছে রক্ষিত আছে, তার কপি আর নাগরিককে নামজারি আবেদনের সময় জমা দিতে হবে না। প্রযোজ্য ক্ষেত্রে নিবন্ধন দলিলমূলেও নামজারি করা হবে। এতে জমি হস্তান্তরে নতুন করে নামজারির প্রয়োজন হবে না। এসব উদ্যোগ পুরোদমে কার্যকর হলে জমির মালিকানা হস্তান্তরের ভোগান্তি অনেকাংশে কমে আসবে। ভূমি সেবা সপ্তাহ উপলক্ষ্যে নতুন ফরম চালুর কার্যক্রম দ্রুত অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থাপন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। আশা করা হচ্ছে, আগামী মাসেই নতুন ফরম চালু করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে ৬৫ লাখ নামজারি আবেদনের মধ্যে ৫৭ লাখ আবেদন নিষ্পত্তি হয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।‘ভূমি অফিসে না এসে ভূমি সেবা গ্রহণ করুন’ প্রতিপাদ্যে গত বৃহস্পতিবার (১৯ মে) ভূমি সেবা সপ্তাহ শুরু হয়েছে, যা চলবে আগামী সোমবার (২৩ মে) পর্যন্ত। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এ পর্যন্ত ৫ কোটি ১৩ লাখ খতিয়ান ডিজিটাইজ করা হয়েছে। একটি খতিয়ান থেকে পরবর্তী সময়ে কতটি খতিয়ান তৈরি হয়েছে তাও জানা যাবে ডিজিটাল সিস্টেম থেকে। এতে বোঝা যাবে মূল খতিয়ানের অন্তর্গত জমি এবং মূল খতিয়ানের অন্তর্গত অন্যান্য খতিয়ানের জমির পরিমাণের মধ্যে সামঞ্জস্য। এ ছাড়া খতিয়ান ডাটাবেজ নিবন্ধন প্রক্রিয়ার সঙ্গে সমন্বয় করা হলে একই জমি বারবার বিক্রি হওয়ার কোনো ধরনের সুযোগ থাকবে না এবং জাল দলিল তৈরি রোধ হবে। এখন কিউআর কোড দিয়েও দলিলের সঠিকতা এখন যাচাই করা যাচ্ছে। আড়াই কোটি হোল্ডিং ডিজিটাইজ করা হয়েছে, বাকিগুলোও খুব দ্রুত শেষ হবে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়। এতে বলা হয়, মানুষ এখন ইউনিয়ন ভূমি অফিসে না গিয়েই ভূমি কর দিতে পারছেন। বর্তমানে এনআইডি দিয়ে রেজিস্ট্রেশন করে কিংবা রেজিস্ট্রেশন ছাড়া— দুভাবেই ভূমি কর জমা দেওয়া যাচ্ছে। এনআইডি নম্বর দিয়ে রেজিস্ট্রেশন ছাড়া সরাসরি ভূমি উন্নয়ন কর দেয়ার ব্যবস্থার বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, মূল ভূমি উন্নয়ন কর ব্যবস্থায় জমির মালিকের প্রোফাইলে না ঢুকেই জমির মালিকের নিবন্ধিত ও হোল্ডিং এন্ট্রি সম্পন্ন করা জমির ভূমি উন্নয়ন কর দেয়া যাবে। অর্থাৎ যেকোনো ব্যক্তি ভূমি উন্নয়ন কর অপরের পক্ষেও দিতে পারবেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, এখন পর্যন্ত প্রায় ৩ কোটি ৮ লাখ সুবিধাভোগী অতিরিক্ত খরচ ছাড়াই ভূমি উন্নয়ন কর দেয়ার জন্য নিবন্ধন করেছেন। ৩ কোটি জমির তথ্য ইতোমধ্যে ম্যানুয়াল থেকে ডিজিটালে রূপান্তরিত হয়েছে। প্রায় ৭০ শতাংশ নাগরিক স্বচ্ছভাবে ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধ করেছেন। অন্তত ৫০ শতাংশ নাগরিকের হয়রানি কমেছে। প্রতিদিন ৩০-৪০ লাখ টাকা তাৎক্ষণিকভাবে সরকারি কোষাগারে জমা করা হয়েছে। আগামী ২০২৫ সালের মধ্যে সমগ্র দেশের ভূমি ব্যবস্থাপনা স্বয়ংক্রিয় করার লক্ষ্যে গ্রহণ করা হয়েছে ‘ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প’। ভূমি মালিকানা প্রমাণের জন্য উপর্যুক্ত অনেকগুলো দলিলাদির বদলে একটি ‘ভূমি মালিকানা সনদ’ তথা ‘সার্টিফিকেট অব ল্যান্ড ওনারশিপ’ চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে বলেও সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।
তথ্য সূত্রঃ জুম বাংলা, ভূমি মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ সরকার।

Address

Halisahar
Chittagong
4224

Telephone

+8801715816752

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ,চট্রগ্রাম posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to বাংলাদেশ রেলওয়ে ডিপ্লোমা প্রকৌশলী ,চট্রগ্রাম:

Share