Channel Al-AFJAL

Channel Al-AFJAL ’’সত্যের সন্ধানে, প্রতিটি মুহুর্তে’’

09/09/2026

ভাদরে নজরুল: দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার কবিকে স্মরণে উচ্চারকের বর্ণাঢ্য আয়োজন

দ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর অমর সৃষ্টির দীপ্তি আজও বাঙালির মনন ও চেতনায় জাগিয়ে রাখে স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষা। জাতীয় কবির ৫০তম প্রয়াণ দিবস ও ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে তাই কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ আয়োজন করে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ভাদরে নজরুল’।

উচ্চারকের সভাপতি ফারুক তাহেরের সভাপতিত্বে নজরুলের কবিতা, দর্শন, জীবন ও সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক দিক নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও কবি মজিদ মাহমুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাছুম আহমেদ, কবি ও প্রাবন্ধিক মালেক মুস্তাকিম, লেখক ও গবেষক খন রঞ্জন রায় এবং সংস্কৃতিকর্মী বেলাল আহমেদ জুয়েল।

আলোচনায় উঠে আসে নজরুলের অনন্য সাহিত্যচেতনা, তাঁর সাম্যবাদী দর্শন, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা। বক্তারা বলেন, নজরুল কেবল একটি সময়ের কবি নন—তিনি বাঙালির চিরন্তন জাগরণ, প্রতিবাদ ও মানবতার কণ্ঠস্বর।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নজরুলের কবিতা নিয়ে প্রাণবন্ত আবৃত্তি পরিবেশনা। কবির দ্রোহের আগুন, প্রেমের কোমলতা, সাম্যের আহ্বান ও মানবতার অনিবার্য উচ্চারণ শিল্পীদের কণ্ঠে যেন নতুন করে প্রাণ পায়।

শুধু আবৃত্তি নয়, নজরুলের গান ও সুরের মূর্ছনায়ও মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। কবির সংগীতের বহুমাত্রিক আবেদনকে তুলে ধরতে শিল্পীদের কণ্ঠে নজরুলের গান অনুষ্ঠানে সৃষ্টি করে এক আবেগময় ও নান্দনিক আবহ।

‘ভাদরে নজরুল’ ছিল কেবল একটি স্মরণ অনুষ্ঠান নয়; বরং নজরুলের সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও শোষণমুক্ত সমাজের স্বপ্নকে নতুন করে উচ্চারণের এক সাংস্কৃতিক প্রয়াস। আবৃত্তি, সংগীত ও মননশীল আলোচনার সমন্বয়ে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের এই আয়োজন হয়ে ওঠে নজরুলপ্রেমীদের মিলনমেলা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের সহ-সভাপতি এএসএম এরফান ও সদস্য রুবাইয়া বিনতে আকবর।

ভাদরে নজরুল: দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার কবিকে স্মরণে উচ্চারকের বর্ণাঢ্য আয়োজনদ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ই...
08/09/2026

ভাদরে নজরুল: দ্রোহ, প্রেম ও মানবতার কবিকে স্মরণে উচ্চারকের বর্ণাঢ্য আয়োজন

দ্রোহ, প্রেম, সাম্য ও মানবতার কবি কাজী নজরুল ইসলাম। তাঁর অমর সৃষ্টির দীপ্তি আজও বাঙালির মনন ও চেতনায় জাগিয়ে রাখে স্বাধীনতা, অসাম্প্রদায়িকতা ও মানবমুক্তির আকাঙ্ক্ষা। জাতীয় কবির ৫০তম প্রয়াণ দিবস ও ‘নজরুল বর্ষ’ উপলক্ষে তাই কবির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা নিবেদনে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জ আয়োজন করে বর্ণাঢ্য সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ‘ভাদরে নজরুল’।

উচ্চারকের সভাপতি ফারুক তাহেরের সভাপতিত্বে নজরুলের কবিতা, দর্শন, জীবন ও সৃষ্টিশীলতার বহুমাত্রিক দিক নিয়ে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট নজরুল গবেষক ও কবি মজিদ মাহমুদ, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ড. মাছুম আহমেদ, কবি ও প্রাবন্ধিক মালেক মুস্তাকিম, লেখক ও গবেষক খন রঞ্জন রায় এবং সংস্কৃতিকর্মী বেলাল আহমেদ জুয়েল।

আলোচনায় উঠে আসে নজরুলের অনন্য সাহিত্যচেতনা, তাঁর সাম্যবাদী দর্শন, শোষণ-বঞ্চনার বিরুদ্ধে আপসহীন অবস্থান এবং মানুষের মুক্তির আকাঙ্ক্ষা। বক্তারা বলেন, নজরুল কেবল একটি সময়ের কবি নন—তিনি বাঙালির চিরন্তন জাগরণ, প্রতিবাদ ও মানবতার কণ্ঠস্বর।

অনুষ্ঠানের অন্যতম আকর্ষণ ছিল নজরুলের কবিতা নিয়ে প্রাণবন্ত আবৃত্তি পরিবেশনা। কবির দ্রোহের আগুন, প্রেমের কোমলতা, সাম্যের আহ্বান ও মানবতার অনিবার্য উচ্চারণ শিল্পীদের কণ্ঠে যেন নতুন করে প্রাণ পায়।

শুধু আবৃত্তি নয়, নজরুলের গান ও সুরের মূর্ছনায়ও মুখর হয়ে ওঠে অনুষ্ঠানস্থল। কবির সংগীতের বহুমাত্রিক আবেদনকে তুলে ধরতে শিল্পীদের কণ্ঠে নজরুলের গান অনুষ্ঠানে সৃষ্টি করে এক আবেগময় ও নান্দনিক আবহ।

‘ভাদরে নজরুল’ ছিল কেবল একটি স্মরণ অনুষ্ঠান নয়; বরং নজরুলের সৃষ্টিকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং তাঁর অসাম্প্রদায়িক, মানবিক ও শোষণমুক্ত সমাজের স্বপ্নকে নতুন করে উচ্চারণের এক সাংস্কৃতিক প্রয়াস। আবৃত্তি, সংগীত ও মননশীল আলোচনার সমন্বয়ে উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের এই আয়োজন হয়ে ওঠে নজরুলপ্রেমীদের মিলনমেলা।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উচ্চারক আবৃত্তি কুঞ্জের সহ-সভাপতি এএসএম এরফান ও সদস্য রুবাইয়া বিনতে আকবর।

07/09/2026
তোমাদের অফুরন্ত ভালোবাসায় আমি সত্যিই অভিভূত ও মুগ্ধ।স্মরণীয় দিনটিকে তোমরা যেভাবে আরও বিশেষ করে তুললে, তা আমার হৃদয়ে আজী...
07/09/2026

তোমাদের অফুরন্ত ভালোবাসায় আমি সত্যিই অভিভূত ও মুগ্ধ।স্মরণীয় দিনটিকে তোমরা যেভাবে আরও বিশেষ করে তুললে, তা আমার হৃদয়ে আজীবন জমা থাকবে।
অনেক ভালো থেকো তোমরা।
আগামীতে দেশ ও জাতির কল্যাণে তোমরা নিজেদের নিবেদিত প্রাণ হিসেবে গড়ে তুলবে এবং সাফল্যের চূড়ায় পৌঁছাবে—এই কামনাই করি।

কোন পথে.....
06/09/2026

কোন পথে.....

05/09/2026

হাসুমিয়ার পাঠশালা সহ পল্লীকবি জসীম উদ্দীনের জন্মস্থান/ গ্রামের বাড়ির আঙিনায় কি কি রয়েছে,
তার উপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। পর্ব-২

কবি জসীম উদ্‌দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তাঁর মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। তাঁর পিতা আনসার উদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক এবং মাতা আমিনা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। শৈশব থেকেই গ্রামীণ মেলা, গান ও প্রকৃতির মাঝেই কবির বেড়ে ওঠা, যা তাঁর পরবর্তী সাহিত্যজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

কবির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফরিদপুরের হিতৈষী স্কুলে। এরপর তিনি:
ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা (ম্যাট্রিক) পাস করেন।
রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯২৪ সালে আই.এ এবং ১৯২৯ সালে বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩১ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ পাস করেন।

এম.এ পাসের পর তিনি প্রখ্যাত দীনেশচন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী হিসেবে লোকসাহিত্য সংগ্রহে যুক্ত হন। ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৪৪ সালে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগে যোগ দিয়ে ১৯৬২ সালে ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নেন।

জসীম উদ্‌দীনের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তাঁর বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সাহিত্য ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।
তাঁর বিখ্যাত কিছু সাহিত্যকর্ম নিচে তুলে ধরা হলো:
কাহিনিকাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)—এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি যা বহু বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এছাড়া রয়েছে সোজন বাদিয়ার ঘাট।
কাব্যগ্রন্থ: রাখালী, বালুচর, ধানক্ষেত, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
একমাত্র উপন্যাস: বোবা কাহিনী (১৯৬৪)।
নাটক: পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধুমালা।
স্মৃতিকথা: যাদের দেখেছি, ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়, জীবন কথা।
লোকসংগীত সংগ্রহ: তিনি প্রায় ১০,০০০-এরও বেশি লোকসংগীত সংগ্রহ করেছিলেন এবং নিজে বহু জনপ্রিয় জারি, শারি ও মুর্শিদি গান রচনা করেন।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশে নানা সম্মাননায় ভূষিত হন:
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি (১৯৬৯)।
বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬)।
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৭৮)।
তাঁর স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'কবি জসীমউদ্দীন হল' নামকরণ করা হয়েছে।

এই মহান কবি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে তাঁর প্রিয় ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামের ডালিম গাছের তলায় দাফন করা হয়, যা আমাদের তাঁরই লেখা ‘কবর’ কবিতার সেই বিখ্যাত লাইন মনে করিয়ে দেয়—"এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম-গাছের তলে..."।

জসীম উদ্‌দীন কেবল একজন কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন পল্লী বাংলার মুখপাত্র। বাংলার মাঠ-ঘাট, রাখাল ছেলে, গাঙের মাঝি আর সাধারণ গ্রামীণ মানুষের সুখ-দুঃখের যে জীবন্ত আলেখ্য তিনি তাঁর কালজয়ী লেখনীর মাধ্যমে তৈরি করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে

04/09/2026

কবি জসীম উদ্‌দীন ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে তাঁর মামাবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পৈতৃক নিবাস ছিল একই জেলার গোবিন্দপুর গ্রামে। তাঁর পিতা আনসার উদ্দীন মোল্লা ছিলেন একজন স্কুলশিক্ষক এবং মাতা আমিনা খাতুন ছিলেন গৃহিণী। শৈশব থেকেই গ্রামীণ মেলা, গান ও প্রকৃতির মাঝেই কবির বেড়ে ওঠা, যা তাঁর পরবর্তী সাহিত্যজীবনে গভীর প্রভাব ফেলেছিল।

কবির প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষাজীবন শুরু হয় ফরিদপুরের হিতৈষী স্কুলে। এরপর তিনি:
ফরিদপুর জেলা স্কুল থেকে ১৯২১ সালে প্রবেশিকা (ম্যাট্রিক) পাস করেন।
রাজেন্দ্র কলেজ থেকে ১৯২৪ সালে আই.এ এবং ১৯২৯ সালে বি.এ ডিগ্রি লাভ করেন।
কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৩১ সালে বাংলা ভাষা ও সাহিত্যে এম.এ পাস করেন।

এম.এ পাসের পর তিনি প্রখ্যাত দীনেশচন্দ্র সেনের অধীনে রামতনু লাহিড়ী গবেষণা সহকারী হিসেবে লোকসাহিত্য সংগ্রহে যুক্ত হন। ১৯৩৮ সালে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে প্রভাষক হিসেবে যোগ দেন। পরবর্তীতে ১৯৪৪ সালে সরকারের তথ্য ও সম্প্রচার বিভাগে যোগ দিয়ে ১৯৬২ সালে ডেপুটি ডিরেক্টর হিসেবে অবসর নেন।

জসীম উদ্‌দীনের সাহিত্যচর্চা শুরু হয় ছাত্রজীবন থেকেই। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময়ই তাঁর বিখ্যাত 'কবর' কবিতাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশিকা শ্রেণির পাঠ্যবইয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়, যা সাহিত্য ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা।
তাঁর বিখ্যাত কিছু সাহিত্যকর্ম নিচে তুলে ধরা হলো:
কাহিনিকাব্য: নকশী কাঁথার মাঠ (১৯২৯)—এটি তাঁর সর্বশ্রেষ্ঠ কীর্তি যা বহু বিদেশি ভাষায় অনূদিত হয়েছে। এছাড়া রয়েছে সোজন বাদিয়ার ঘাট।
কাব্যগ্রন্থ: রাখালী, বালুচর, ধানক্ষেত, মা যে জননী কান্দে ইত্যাদি।
একমাত্র উপন্যাস: বোবা কাহিনী (১৯৬৪)।
নাটক: পদ্মাপাড়, বেদের মেয়ে, মধুমালা।
স্মৃতিকথা: যাদের দেখেছি, ঠাকুর বাড়ির আঙিনায়, জীবন কথা।
লোকসংগীত সংগ্রহ: তিনি প্রায় ১০,০০০-এরও বেশি লোকসংগীত সংগ্রহ করেছিলেন এবং নিজে বহু জনপ্রিয় জারি, শারি ও মুর্শিদি গান রচনা করেন।

বাংলা সাহিত্যে অসামান্য অবদানের জন্য তিনি দেশ-বিদেশে নানা সম্মাননায় ভূষিত হন:
রবীন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সম্মানসূচক ডি.লিট ডিগ্রি (১৯৬৯)।
বাংলাদেশ সরকারের একুশে পদক (১৯৭৬)।
মরণোত্তর স্বাধীনতা পুরস্কার (১৯৭৮)।
তাঁর স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে 'কবি জসীমউদ্দীন হল' নামকরণ করা হয়েছে।

এই মহান কবি ১৯৭৬ সালের ১৪ মার্চ ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। তাঁর শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী তাঁকে তাঁর প্রিয় ফরিদপুরের গোবিন্দপুর গ্রামের ডালিম গাছের তলায় দাফন করা হয়, যা আমাদের তাঁরই লেখা ‘কবর’ কবিতার সেই বিখ্যাত লাইন মনে করিয়ে দেয়—"এইখানে তোর দাদীর কবর ডালিম-গাছের তলে..."।

জসীম উদ্‌দীন কেবল একজন কবি ছিলেন না, তিনি ছিলেন পল্লী বাংলার মুখপাত্র। বাংলার মাঠ-ঘাট, রাখাল ছেলে, গাঙের মাঝি আর সাধারণ গ্রামীণ মানুষের সুখ-দুঃখের যে জীবন্ত আলেখ্য তিনি তাঁর কালজয়ী লেখনীর মাধ্যমে তৈরি করেছেন, তা বাংলা সাহিত্যে তাঁকে চিরকাল অমর করে রাখবে

03/09/2026

প্রিয় দর্শক, আপনাদের অকৃত্রিম ভালোবাসা আর আন্তরিকতাকে পাথেয় করেই আমরা আজ সফলতার দোরগোড়ায়। এই পথচলায় আমাদের ফেসবুক পেইজের পাশাপাশি ইউটিউব চ্যানেলটিও সাবস্ক্রাইব করে আমাদের শক্তি জোগাতে পারেন। একটি লাইক আর শেয়ারের মাধ্যমে আমাদের এই সুন্দর যাত্রার অংশ হয়ে থাকুন সবসময়। আপনাদের সমর্থনই আমাদের পথচলার অনুপ্রেরণা।

Address

Block-I, Halishahar H/E
Chittagong
4000

Telephone

+8801819023263

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Channel Al-AFJAL posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Channel Al-AFJAL:

Shortcuts

Share