চাটগাইয়া ভক্ত /Chittagong Devotees

চাটগাইয়া ভক্ত /Chittagong Devotees অক্কল্যে কৃষ্ণভাবনামৃতর লগে একখান অই যাই।

শ্রী গোবর্ধন পূজার শুভেচ্ছা!"আজ গোবর্ধন পূজার মঙ্গলময় দিন, যেদিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনের পূজা করেছিলেন। গোবর্ধন কৃষ্ণ ...
22/10/2025

শ্রী গোবর্ধন পূজার শুভেচ্ছা!

"আজ গোবর্ধন পূজার মঙ্গলময় দিন, যেদিন ভগবান শ্রীকৃষ্ণ গোবর্ধনের পূজা করেছিলেন। গোবর্ধন কৃষ্ণ থেকে অভিন্ন। ভগবান শ্রীকৃষ্ণের নির্দেশে ব্রজবাসীরা এই দিনে গোবর্ধনকে একটি মহাভোজ নিবেদন করেছিলেন এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণ একটি বৃহৎ রূপ ধারণ করে সমস্ত নৈবেদ্য গ্রহণ করলেন। তাই গিরিরাজ গোবর্ধন প্রকৃত অর্থেই খাচ্ছিলেন এবং তাদের আরও আনতে বলছিলেন।"

~শ্রীল জয়পতাকা স্বামী মহারাজের অ্যাপ বার্তা, ১৪ই নভেম্বর, ২০২৩

DARSHAN 21-10-2025.
21/10/2025

DARSHAN 21-10-2025.

20/10/2025

সকলকে শুভ দীপাবলীর শুভেচ্ছা 💐💐💐

শুভ দীপাবলি🎉🪷দীপাবলির পবিত্র আলোয় আজ আলোকিত সমগ্র বিশ্ব। এই উৎসব শুধু ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এখন তা ছড়িয়ে...
20/10/2025

শুভ দীপাবলি🎉🪷
দীপাবলির পবিত্র আলোয় আজ আলোকিত সমগ্র বিশ্ব। এই উৎসব শুধু ভারতীয় উপমহাদেশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, এখন তা ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্বজুড়ে। এরই ধারাবাহিকতায় বিশ্ববিখ্যাত ফুটবল ক্লাব Manchester United এবং Leicester City Football Club দীপাবলির শুভেচ্ছা জানিয়েছে তাদের নিজ নিজ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে। সমুদ্র পেরিয়ে, ভাষা ও জাতির সীমা ছাড়িয়ে, এই আলোর বার্তা ছড়িয়ে পড়ুক পৃথিবীর প্রতিটি প্রান্তে। 🪔 ✨

"চৌদ্দশাক "এর পরিচয়........চৌদ্দ শাক সম্বন্ধে  অনেকের ই ভালো ধারনা নেই।আয়ূর্বেদ নিয়ে যেহেতু কাজ করি,  তাই ১৪ শাক সম্পর্ক...
19/10/2025

"চৌদ্দশাক "এর পরিচয়........
চৌদ্দ শাক সম্বন্ধে অনেকের ই ভালো ধারনা নেই।আয়ূর্বেদ নিয়ে যেহেতু কাজ করি, তাই ১৪ শাক সম্পর্কে বিস্তারিত জানালাম। ভারতীয় উপমহাদেশের সনাতনীদের মধ্যে একটি সংস্কৃতি রয়েছে কার্তিক মাসের অমাবস্যাতে যে শ্যামা পূজা হয় তার আগের দিন যে তিথি, তাকে ভূত চতুর্দশী বলে ওই তিথিতে ১৪ শাখ খাওয়ার রীতি আছে।
১. বেথুয়া / বথুয়া/ Chenopodium album.
২. কেঁউ/ Costusspeciosus
৩.ওল/ Amorphophallus campanulatus
৪. কালকাসুন্দে/ Senna sophera
৫. নিম/ Azadirachta indica
৬. সরষে/ Brassica juncea
৭. শালিন্চ/ সেচি শাক/ Alternantherasessilis
৮. জয়ন্তী/ Sesbaniasesban
৯. গুলন্চ/ Tinospora cordifolia
১০. পটল/Trichosanthesdioica
১১. ভাঁট/ ভাটি/ ঘেটু/ Clerodendrumin
১২. হেলেন্চা/ হিন্চে/Enhydrafluctuans
১৩.শুষনি/Marsileaquadri folia
১৪. শেলুকা/ শুল্ফা/ Anethumsowa
ভূতচতুর্দশী তে চৌদ্দ শাক খাবার নিয়ম। প্রত্যেকটি শাকের ই অভূতপূর্ব রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা রয়েছে। প্রতিটি শাকেই পর্যপ্ত রাসায়নিক যৌগ রয়েছে। রোগ প্রতিরোধে এবং জীবানু ধ্বংস করতে / সংক্রমনের হাত হতে রক্ষা করার ক্ষমতা অপরিসীম।কালীপুজা/ দীপাবলীতে আশ্বিন মাসে চতুর্দশী তিথীতে " চৌদ্দ শাক" খেলে বিশেষ কল্যান হয়।
বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধে চৌদ্দ শাকের জুরি নেই, বছরের অন্য সময়েও এই শাক খাওয়া যায়।
স্মৃতিশাস্ত্রকার " রঘুনন্দন" (১৬ শতাব্দী) তাঁর " অষ্টবিংশতি তত্ত্বের অন্যতম গ্রন্হ " কৃত্যতত্ত্বে" ভূতচতুর্দশী তে চৌদ্দ শাক খাবারের নির্দেশ করেন।
ভৈষজ্য রত্নাবলী, গ্রন্হে আছে,.......
" ওলং, কেশুকবাস্তুকং,সর্ষপং,নিম্ব,জয়াং।
শালিন্চীংহিলমোচিকান্চ পটুকং শেলুকং, গুরুচীস্তথা।
ভন্টাকীং সুনিষন্নকং শিবদিনে খাদন্তি যে মানবাং
প্রেতত্বং ন চ যান্তি কার্ত্তিকদিনে কৃষ্ঞে চ ভুতেতিথৌ।।
আয়ূর্বেদিক ভেষজ,( যেগুলো রোগ প্রতিরোধক/ রসায়ন ভেষজ) নিয়ম মেনে খাই, সুস্হ্য থাকি।
জয় হোক " আয়ূর্বেদের"।।
#চৌদ্দশাক #ভূভচতুরদশী ゚

আজ ভূ*ত চতুর্দশী —অন্ধকারে আলোর জাগরণ‼️আজ ভূ*ত চতুর্দশী, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি।।এই দিনে অশুভ শক্তি, ভূ...
19/10/2025

আজ ভূ*ত চতুর্দশী —অন্ধকারে আলোর জাগরণ‼️

আজ ভূ*ত চতুর্দশী, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের চতুর্দশী তিথি।।
এই দিনে অশুভ শক্তি, ভূত-প্রেত ও নেতিবাচক শক্তির প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়ার জন্য বিশেষ নিয়ম পালন করা হয়।।

'স্কন্দ পুরাণ' ও 'কালিকা পুরাণে' বলা হয়েছে —
"চতুর্দশ্যাং নিশি ভূতানাং উপসর্গ নিবারণং।।"
অর্থাৎ, এই রাতে প্রদীপ দান ও রক্ষামন্ত্র জপের মাধ্যমে সকল ভূতপ্রেত ও অশুভ শক্তি দূর হয়।।

🪔 ভূত চতুর্দশীর করণীয়:

1️⃣ চৌদ্দ প্রদীপ জ্বালানো:
সন্ধ্যাবেলায় গৃহের চৌদ্দ স্থানে প্রদীপ জ্বালাতে হয় —
দরজা, রান্নাঘর, পূজাঘর, ছাদ, উঠান, পুকুরপাড়, তুলসীমঞ্চ ইত্যাদিতে।।
👉 বিশ্বাস করা হয়, এতে ১৪ পূর্বপুরুষের আশীর্বাদ ও অশুভ শক্তি থেকে মুক্তি মেলে।।

2️⃣ তুলসী পূজা ও প্রদীপ দান:
তুলসীমঞ্চে প্রদীপ জ্বালিয়ে প্রার্থনা করুন —
"যমদূত-ভূতপ্রেত হর দূরে রহু, হরি নাম রক্ষা করুক।।"

3️⃣ গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ:
পুরো ঘরে গঙ্গাজল ছিটিয়ে নিন, এতে পরিবেশ পবিত্র ও শুভ শক্তিতে পূর্ণ হয়।।

4️⃣ হরিনাম বা রামনাম জপ:
এই রাতে ভগবানের নাম জপ করলে নেতিবাচক শক্তি ধ্বংস হয় —
“হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে,
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।”

5️⃣ দীপাবলী প্রস্তুতি:
ভূত চতুর্দশীর পরের দিনই দীপাবলী।। তাই এই দিন গৃহ পরিষ্কার ও আলোকসজ্জার শুরু হয়।।

এই রাতে অশুভের অন্ধকার দূর করে নিজের মন, ঘর ও জীবন আলোকিত করুন —
ভগবানের নামই সর্বশ্রেষ্ঠ রক্ষাকবচ।।

#ভূতচতুর্দশী

DARSHAN 17-10-2025    #হরেকৃষ্ণ
17/10/2025

DARSHAN 17-10-2025 #হরেকৃষ্ণ

17/10/2025

একাদশীর মাহাত্ম্য #হরেকৃষ্ণ হরেকৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে রাম হরে রাম রাম রাম রাম হরে হরে

হরে কৃষ্ণ আগামী ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ শুক্রবার পবিত্র রমা একাদশী ব্রত। ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন...
16/10/2025

হরে কৃষ্ণ
আগামী ১৭ অক্টোবর, ২০২৫ শুক্রবার পবিত্র রমা একাদশী ব্রত। ভগবানের প্রীতি বিধানের জন্য সকলে একাদশী ব্রত পালন করুন।

রমা একাদশী ব্রতের মাহাত্ম্য:

একসময় যুধিষ্ঠির মহারাজ শ্রীকৃষ্ণকে বললেন---হে জনার্দন! কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষের একাদশীর নাম ও মাহাত্ম্য কৃপা করে আমায় বলুন। শ্রীকৃষ্ণ বললেন---হে রাজন! মহাপাপ দূরকারী সেই একাদশী ‘রমা’ নামে বিখ্যাত। আমি এখন এর মাহাত্ম্য বর্ণনা করছি, আপনি তা মনোযোগ সহকারে শ্রবণ করুন। পুরাকালে মুচুকুন্দ নামে একজন সুপ্রসিদ্ধ রাজা ছিলেন। দেবরাজ ইন্দ্র, যম, বরুণ ও ধনপতি কুবেরের সাথে তার বন্ধুত্ব ছিল। ভক্তশ্রেষ্ঠ বিভীষণের সাথেও তার অত্যন্ত সদ্ভাব ছিল। তিনি ছিলেন বিষ্ণুভক্ত ও সত্যপ্রতিজ্ঞ। এইরূপে তিনি ধর্ম অনুসারে রাজ্যশাসন করতেন।

চন্দ্রভাগা নামে তার একটি কন্যা ছিল। চন্দসেনের পুত্র শোভনের সাথে তার বিবাহ হয়েছিল। শোভন একসময় শ্বশুর বাড়িতে এসেছিল। দৈবক্রমে সেইদিন ছিল একাদশী তিথি। স্বামীকে দেখে পতিপরায়ণা চন্দ্রভাগা মনে মনে চিন্তা করতে লাগল---হে ভগবান! আমার স্বামী অত্যন্ত দুর্বল, তিনি ক্ষুধা সহ্য করতে পারেন না। এখানে আমার পিতার শাসন খুবই কঠোর। দশমীর দিন তিনি নাগরা বাজিয়ে ঘোষণা করে দিয়েছেন যে, একদশী দিনে আহার নিষিদ্ধ। আমি এখন কি করি! রাজার নিষেধাজ্ঞা শুনে শোভন তার প্রিয়তমা পত্নীকে বলল---হে প্রিয়ে, এখন আমার কি কর্তব্য, তা আমাকে বলো। উত্তরে রাজকন্যা বলল---হে স্বামী, আজ এই গৃহে এমনকি রাজ্যমধ্যে কেউই আহার করবে না। মানুষের কথা তো দূরে থাকুক পশুরা পর্যন্ত অন্নজল মাত্র গ্রহণ করবে না। হে নাথ, যদি তুমি এ থেকে পরিত্রাণ চাও তবে নিজগৃহে প্রত্যাবর্তন কর। এখানে আহার করলে তুমি সকলের নিন্দাভাজন হবে এবং আমার পিতাও ক্রদ্ধ হবেন। এখন বিশেষভাবে বিচার করে যা ভাল হয়, তুমি তাই কর।

সাধ্বী স্ত্রীর এই কথা শুনে শোভন বলল---হে প্রিয়ে! তুমি ঠিকই বলেছ। কিন্তু আমি গৃহে যাব না। এখানে থেকে একাদশী ব্রত পালন করব। ভাগ্যে যা লেখা আছে তা অবশ্যই ঘটবে। এইবাবে শোভন ব্রত পালনে বদ্ধপরিকর হলেন। সমস্ত দিন অতিক্রান্ত হয়ে রাত্রি শুরু হল। বৈষ্ণবদের কাছে সেই রাত্রি সত্যিই আনন্দকর। কিন্তু শোভনের পক্ষে তা ছিল বড়ই দু:খদায়ক। কেননা ক্ষুধা-তৃষ্ণায় সে ক্রমে দুর্বল হয়ে পড়ল। এভাবে রাত্রি অতিবাহিত হলে সূর্যোদয়কালে তার মৃত্যু হল। রাজা মুচুকুন্দ সাড়ম্বরে তার শবদাহকার্য সুসম্পন্ন করলেন। চন্দ্রভাগা স্বামীর অন্ত্যেষ্টিক্রিয়া সমাপ্ত করে পিতার আদেশে পিতৃগৃহেই বাস করতে লাগল।

কালক্রমে রমাব্রত প্রভাবে শোভন মন্দরাচল শিখরে অনুপম সৌন্দর্যবিশিষ্ট এক রমণীয় দেবপুরী প্রাপ্ত হলেন। একসময় মুচুকুন্দপুরের সোমশর্ম্মা নামে এক ব্রাহ্মণ তীর্থভ্রমণ করতে করতে সেখানে উপস্থিত হলেন। সেখানে রত্নমণ্ডিত বিচিত্র স্ফটিকখচিত সিংহাসনে রত্নালঙ্কারে ভূষিত রাজা শোভনকে তিনি দেখতে পেলেন। গন্ধর্ব ও অপ্সরাগণ দ্বারা নানা উপচারে সেখানে তিনি পূজিত হচ্ছিলেন। রাজা মুচুকুন্দের জামাতারূপে ব্রাহ্মণ তাকে চিনতে পেরে তার কাছে গেলেন। শোভনও সেই ব্রাহ্মণকে দেখে আসন থেকে উঠে এসে তাঁর চরণ বন্দনা করলেন। শ্বশুর মুচুকুন্দ ও স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ নগরবাসী সকলের কুশলবার্তা জিজ্ঞাসা করলেন। ব্রাহ্মণ সকলের কুশল সংবাদ জানালেন। জিজ্ঞাসা করলেন---এমন বিচিত্র মনোরম স্থান কেউ কখনও দেখেনি। আপনি কিভাবে এই স্থান প্রাপ্ত হলেন, তা সবিস্তারে আমার কাছে বর্ণনা করুন। শোভন বললেন যে, কার্তিক মাসের কৃষ্ণপক্ষীয়া রমা একাদশী সর্বব্রতের মধ্যে শ্রেষ্ঠ। আমি তা শ্রদ্ধারহিতভাবে পালন করলেও তার আশ্চর্যজনক এই ফল লাভ করেছি। আপনি কৃপা করে চন্দ্রভাগাকে সমস্ত ঘটনা জানাবেন।

সোমশর্ম্মা মুচুকুন্দপুরে ফিরে এসে চন্দ্রভাগার কাছে সমস্ত ঘটনার কথা জানালেন। ব্রাহ্মণের কথা শুনে অত্যন্ত আনন্দিত চন্দ্রভাগা বললেন---হে ব্রাহ্মণ! আপনার কথা আমার কাছে স্বপ্ন বলে মনে হচ্ছে। তখন সোমশর্ম্মা বললেন---হে পুত্রী, সেখানে তোমার স্বামীকে আমি স্বয়ং সচক্ষে দেখেছি। অগ্নিদেবের মতো দীপ্তিমান তার নগরও দর্শন করেছি। কিন্তু তার নগর স্থির নয়, তা যাতে স্থির হয় সেই মতো কোন উপায় কর। এসব কথা শুনে চন্দ্রভাগা বললেন, তাকে দেখতে আমার একান্ত ইচ্ছা হচ্ছে। আমাকে এখনই তার কাছে নিয়ে চলুন। আমি ব্রত পালনের পুণ্যপ্রভাবে এই নগরকে স্থির করে দেব। তখন সোমশর্ম্মা চন্দ্রভাগাকে নিয়ে মন্দার পর্বতে বামদেবের আশ্রমে উপনীত হলেন। সেখানে ঋষির কৃপায় ও হরিবাসর ব্রত পালনের ফলে চন্দ্রভাগা দিব্য শরীর ধারণ করল। দিব্য গতি লাভ করে নিজ স্বামীর নিকট উপস্থিত হলেন। প্রিয় পত্নীকে দেখে শোভন অতীব আনন্দিত হলেন।

বহুদিন পর স্বামীর সঙ্গ লাভ করে চন্দ্রভাগা অকপটে নিজের পুণ্যকথা জানালেন। হে প্রিয়, আজ থেকে আট বছর আগে আমি যখন পিতৃগৃহে ছিলাম তখন থেকেই এই রমা একাদশীর ব্রত নিষ্ঠাসহকারে পালন করতাম। ঐ পুণ্য প্রভাবে এই নগর স্থির হবে এবং মহাপ্রলয় পর্যন্ত থাকবে। হে মহারাজ! মন্দারাচল পর্বতের শিখরে শোভন স্ত্রী চন্দ্রভাগা সহ দিব্যসুখ ভোগ করতে লাগলেন। পাপনাশিনী ও ভক্তিমুক্তি প্রদায়িনী রমা একদশীর মাহাত্ম্য আপনার কাছে বর্ণনা করলাম। যিনি এই একাদশী ব্রত শ্রবণ করবেন, তিনি সর্বপাপ মুক্ত হয়ে বিষ্ণুলোকে পূজিত হবেন।

হরে কৃষ্ণ হরে কৃষ্ণ কৃষ্ণ কৃষ্ণ হরে হরে।
হরে রাম হরে রাম রাম রাম হরে হরে।।

ইসকনের এর আরেকটি Guinness World Record!! মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ৮,৮১৩ জনের মাদকবিরোধী অঙ্গীকার গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জ...
15/10/2025

ইসকনের এর আরেকটি Guinness World Record!!
মাত্র ২৪ ঘণ্টায় সর্বাধিক ৮,৮১৩ জনের মাদকবিরোধী অঙ্গীকার গ্রহণের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক কৃষ্ণভাবনামৃত সংঘ (ISKCON) অর্জন করেছে এক গৌরবময় মাইলফলক — স্থান পেয়েছে গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে।
এই সাফল্য কেবল একটি দলিল নয়, বরং এটি এক নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিপ্লবের সূচনা—যুবসমাজকে মাদকমুক্ত, সৎ ও কৃষ্ণভাবনাময় জীবনের পথে আহ্বান জানানোর এক মহৎ উদ্যোগ।

আজকের বিষয় কেন মানুষ লক্ষ্মীপূজায় ঘরের দরজার উপরে শলাকার কদম ফুল টাঙ্গায়। গত ৬/৭ অক্টোবর ছিল শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা। লক্ষ্...
14/10/2025

আজকের বিষয় কেন মানুষ লক্ষ্মীপূজায় ঘরের দরজার উপরে শলাকার কদম ফুল টাঙ্গায়।
গত ৬/৭ অক্টোবর ছিল শ্রীশ্রী লক্ষ্মীপূজা। লক্ষ্মীপূজার আগের দিন পূজার জন্য ফুল কিনতে গিয়ে দেখলাম কিছু দোকানে শলাকার কদম ফুল বিক্রি করছে। দেখে মনের ভিতরে প্রশ্ন জাগলো এই ফুল কি কাজে ব্যবহৃত হয়। সেই প্রশ্নই আমাকে এর সঠিক ব্যাখ্যা খুজতে আপ্লুত করল। তাই বিভিন্ন জনের জেনে এবং নিজেও বিভিন্ন গ্রন্থ পড়ে তথ্য খুজে বের করলাম কিছু তথ্য। সেই তথ্য নিয়েই আজকে আপনাদের কাছে তুলে ধরছি কেন মানুষ ঘরের দরজায় শলাকার কদম ফুল ঝুলিয়ে রাখে। আশা করি এই লেখাটি পড়ে আপনাদেরও ভাল লাগবে। তাহলে শুরু করি।

লক্ষ্মী পূজায় ঘরের দরজায় শলাকার কদম ফুল টাঙানো একটি প্রাচীন আচার, যার শাস্ত্রীয় ভিত্তি ও আধ্যাত্মিক তাৎপর্য দুই-ই গভীর।

১. শলাকার কদম ফুলের প্রতীক ও গুণ
কদম ফুল (Neolamarckia cadamba) শাস্ত্রে “বৃজরাজ-প্রিয়”অর্থাৎ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের অত্যন্ত প্রিয় ফুল হিসেবে বর্ণিত। স্কন্দপুরাণ, ব্রহ্মবৈবর্তপুরাণ এবং গৌড়ীয় বৈষ্ণব গ্রন্থে কদম বৃক্ষকে বলা হয়েছে: "কদম্ববৃক্ষঃ শ্রীকৃষ্ণলীলাভূমিঃ।" অর্থাৎ কদম বৃক্ষ সেই স্থান ও মাধ্যম, যেখানে শ্রীকৃষ্ণ লীলা প্রকাশ করেন। অতএব কদম ফুল টাঙানো মানে শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীলক্ষ্মীর একত্র আহ্বান। লক্ষ্মী হলেন বিষ্ণুর শক্তি — আর কদম ফুল কৃষ্ণভক্তির প্রতীক। এই দুটি শক্তির মিলনই গৃহে শ্রী, ঐশ্বর্য ও শান্তির সূচনা।

২. “শলা” বা শলাকার তাৎপর্য
“শলা” শব্দটি সংস্কৃতে অর্থ— দণ্ড, অস্থি, বা সাপোর্ট। যখন ফুলটি শলায় গেঁথে দরজায় টাঙানো হয়, তখন তার দণ্ডাকার রূপ ধর্মদণ্ড বা স্থিতির প্রতীক হয়ে দাঁড়ায়। এটি নির্দেশ করে— “আমার গৃহ যেন ধর্ম, শ্রী, ও কৃষ্ণভক্তির উপর স্থিত হয়।” অর্থাৎ, শলাকার কদম ফুল টাঙানো মানে —শ্রীলক্ষ্মীর আগমনের দ্বারকে ধর্মের দণ্ডে প্রতিষ্ঠিত করা।

৩. দরজায় টাঙানোর উদ্দেশ্য (মার্গদ্বার শুদ্ধি)
শাস্ত্র মতে, “যত্র লক্ষ্মীঃ প্রবিশেত্, তত্র শুদ্ধদ্বারকর্ম ভবেত্।”(বৃহন্নারদীয় পুরাণ) লক্ষ্মীদেবী সেই গৃহে প্রবেশ করেন, যেখানে দ্বার বা প্রবেশপথ শুদ্ধ, পবিত্র ও সুগন্ধিত ফুলে সজ্জিত। অতএব, দরজায় কদম ফুল (যা শ্রীকৃষ্ণপ্রিয় ও শুদ্ধ সুবাসযুক্ত) টাঙিয়ে বলা হয়— “হে লক্ষ্মী, হে বিষ্ণুপত্নী! এই গৃহে শ্রী ও শান্তি সহ আগমন কর।”

৪. গৌড়ীয় বৈষ্ণব দৃষ্টিতে
গৌড়ীয় বৈষ্ণবধারায় লক্ষ্মীকে কৃষ্ণভক্তি-সংগত রূপে দেখা হয়। কদম ফুল হল কৃষ্ণের প্রেমলীলার চিহ্ন, আর লক্ষ্মী সেই প্রেমভক্তির করুণারূপা। তাই কদম ফুলের শলাকা টাঙানো মানে—“ভক্তির দ্বার খুলে লক্ষ্মীপ্রবেশের আহ্বান।”এটি একপ্রকার ভক্তিসূচক সংযোগ (yogic symbol)—যেখানে গৃহের প্রবেশদ্বার ভক্তি, শ্রী ও শান্তির কেন্দ্র হয়ে ওঠে।

৫. লোকাচার ও শাস্ত্র মিলন
বাঙালি লোকাচারে দেখা যায়: লক্ষ্মীপূজার আগের দিন গৃহ পরিষ্কার করে, দরজার দুপাশে কদম, শেফালি বা তুলসীপাতা ফুল টাঙানো হয়। এটি শাস্ত্রীয়ভাবে অনুমোদিত— যেমন গৃহপ্রবেশ, লক্ষ্মীপূজা, ও অন্নপূর্ণা পূজায় “দ্বারসজ্জা” (দ্বারশোভন) শাস্ত্রবিধান। “দ্বারমলঙ্কারঃ পবিত্রার্থং।” (গৃহ্যসূত্র)

সারসংক্ষেপ
দিক তাৎপর্য
কদম ফুল শ্রীকৃষ্ণপ্রিয়, ভক্তি ও আনন্দের প্রতীক
শলা (দণ্ড) ধর্ম ও স্থিতির প্রতীক
দরজায় টাঙানো শ্রীলক্ষ্মীর পবিত্র প্রবেশের আহ্বান
গৌড়ীয় ভাবার্থ কৃষ্ণভক্তি ও লক্ষ্মীশক্তির মিলন

লক্ষ্মীপূজার সময় ঘরের দরজায় শলাকার কদম ফুল টাঙানো মানে —
গৃহদ্বারকে শ্রীকৃষ্ণ ও শ্রীলক্ষ্মীর শক্তিতে পবিত্র করা, ধর্ম ও ভক্তির দণ্ডে স্থাপন করা, এবং শ্রী, শান্তি, সমৃদ্ধির স্থায়ী আগমন নিশ্চিত করা।

দরজায় শলাকার কদম ফুল টাঙানোর শাস্ত্রীয় পদ্ধতি
পূজার দিন বা পূজার আগের সন্ধ্যায়—গৃহের মূল প্রবেশদ্বার পরিষ্কার করুন। দরজার দু’পাশে গঙ্গাজল বা পবিত্র জল ছিটিয়ে শুদ্ধি করুন। এরপর দুটি কদম ফুল (যদি না পাওয়া যায় তবে শেফালি বা পদ্মপাতা যুক্ত ফুল বিকল্প হতে পারে) শলায় (ছোট বাঁশ বা কাঠের দণ্ডে) গেঁথে নিন।

সংকল্প
ওঁ বিষ্ণুপ্রিয়া লক্ষ্মীদেবী প্রসন্না ভব। মম গৃহদ্বারে শ্রীপ্রবেশার্থং কদম্বপুষ্পশলিকা স্থাপয়ামি।
অনুবাদ: হে বিষ্ণুপ্রিয়া লক্ষ্মীদেবী! তুমি যেন এই গৃহে প্রবেশ করো, এই কদম ফুলের শলিকা দ্বারা আমি তোমার আগমনের পথ পবিত্র করছি।
গৃহ্যসূত্র অনুসারে “দ্বারমলঙ্কার” কালে বলা হয় বিনিয়োগ মন্ত্র।
ওঁ প্রজাপতিঃ বিষ্ণুরিষিঃ। অনুষ্টুপ্‌ ছন্দঃ। লক্ষ্মীঃ দেবতা। গৃহদ্বারশোভনকর্মণি বিনিয়োগঃ।

মূল মন্ত্র (ফুল টাঙানোর সময় উচ্চারণযোগ্য)
ওঁ শুভং করোতি লক্ষ্মীঃ শ্রীমদ্বিষ্ণুপত্নী।গৃহে মম প্রবিশ প্রিয়ে। কদম্বপুষ্পগন্ধেন দ্বারং শোভাবিনির্মিতম্। অত্র তিষ্ঠ, মাং পা, মম গৃহে শ্রীর্ভব॥
অর্থ: হে শ্রীলক্ষ্মী, শ্রীবিষ্ণুপত্নী! তুমি আমার গৃহে প্রবেশ করো, কদম ফুলের গন্ধে এই দ্বার শোভিত হলো তুমি এখানে অবস্থান করো, আমায় রক্ষা করো, আমার গৃহে শ্রী ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত করো।

অভিমন্ত্রিত স্পর্শ (ডান ও বাম দিকের জন্য)
ডান দিক (পুরুষ দিক): ওঁ শ্রীবিষ্ণোর্নমঃ, দক্ষিণদ্বারে ধর্মস্থাপনম্।
বাম দিক (স্ত্রী দিক): ওঁ শ্রীলক্ষ্ম্যৈ নমঃ, বামদ্বারে শ্রীয়ঃ স্থাপনম্।
এভাবে দুই দিকেই কদম ফুলের শলিকা টাঙানো হয়।

আভ্যন্তর মন্ত্র (দরজার ভেতরে দাঁড়িয়ে উচ্চারণ)
ওঁ লক্ষ্মীর্গৃহে গৃহিণী মম, গৃহদ্বারে শ্রীঃ প্রতিষ্ঠিতা। গৃহ্যতাং মম পূজা, কদম্বপুষ্পেন সংযুতা॥ অর্থ: হে দেবী লক্ষ্মী, তুমি এই গৃহের গৃহিণী হও, এই দ্বারে তোমার শ্রী প্রতিষ্ঠিত হোক, আমার পূজা তুমি গ্রহণ করো — এই কদমফুলের সঙ্গে।

শেষে প্রণাম ও প্রার্থনা
ওঁ শ্রীং লক্ষ্ম্যৈ নমঃ। ওঁ নমো নারায়ণায়। ওঁ শান্তিঃ শান্তিঃ শান্তিঃ॥ এরপর দরজায় ধূপ-দীপ প্রদীপিত করে একবার প্রণাম করুন।

গৌড়ীয় ভাবার্থ
কদম ফুল: শ্রীকৃষ্ণলীলার প্রতীক।
লক্ষ্মী: কৃষ্ণের অভিন্নশক্তি — ভক্তি ও ঐশ্বর্যের মিশ্ররূপা।
দরজা: গৃহ ও হৃদয়ের দ্বার, যেখানে ভক্তি ও শ্রী প্রবেশ করে।
তাই এই আচার অর্থাৎ “দ্বারসজ্জা কদম্বপুষ্পেন” হচ্ছে ভক্তি-শ্রী-ধর্মের সংযোগ স্থাপন।

অতএব “যে গৃহে কদম ফুলের সুবাসে লক্ষ্মী আহ্বান করা হয়, সে গৃহে ভক্তি, শান্তি ও ঐশ্বর্য চিরস্থায়ী হয়।”
হরেকৃষ্ণ।

🟥গোলাবজামুন  মাত্র  ৩০ মিনিটে🟥উপকরণ১ কাপ গুঁড়ো দুধ২ টেবিল চামচ ময়দা১ টেবিল চামচ ঘি১ চা চামচ বেকিং পাউডার১/২ কাপ লিকুইড দ...
14/10/2025

🟥গোলাবজামুন
মাত্র ৩০ মিনিটে

🟥উপকরণ

১ কাপ গুঁড়ো দুধ
২ টেবিল চামচ ময়দা
১ টেবিল চামচ ঘি
১ চা চামচ বেকিং পাউডার
১/২ কাপ লিকুইড দুধ
৩ টে এলাচ
২ কাপ চিনি
পরিমাণ মতো সাদা তেল
রান্নার নির্দেশ সমূহ
1
প্রথমে একটা বড়ো পাত্রে গুড়ো দুধ,ময়দা আর বেকিং পাউডার মিশিয়ে নিতে হবে। তারপর ঘি দিয়ে ভালোভাবে মেখে নিতে হবে।

2
তারপর অল্প অল্প করে দুধ দিয়ে মেখে একটা নরম ডো তৈরি করে নিতে হবে আর ২০ মিনিট ঢেকে রেখে দিতে হবে।

3
অন্যদিকে একটা পাত্রে ২ কাপ চিনি আর ২ কাপ জল দিয়ে গরম বসাতে হবে তারপর তাতে এলাচ থেঁতো করে দিয়ে ৫-১০ মিনিট ফুটিয়ে একটা সিরা তৈরি করে নিতে হবে।

4
তারপর কড়াইতে তেল গরম করে নিতে হবে। তারপর হাতের তালুতে ঘি মাখিয়ে ডো র থেকে ছোট ছোট বল বানিয়ে নিতে হবে।

5
তেল অল্প গরম করে তাতে বল গুলো দিয়ে মাঝারি আঁচে উল্টে পাল্টে লাল লাল করে ভেজে নিতে হবে তারপর চিনির সিরা ই দিয়ে ২০-২৫ মিনিট রেখে দিতে হবে।

6
তারপর প্লেটে সাজিয়ে পরিবেশন করতে হবে।

Address

Chittagong
Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when চাটগাইয়া ভক্ত /Chittagong Devotees posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share