01/06/2026
"মা- বাবাকে আর কষ্ট দিয়েন না"
যে সন্তান মা-বাবাকে কাঁদায় সে বোঝেনা মা-বাবার চোখের জল, আল্লাহর আরশ পর্যন্ত সরাসরি পৌঁছে যায় ।
আর যে সন্তান তার মা-বাবার মুখে, হাসি ফোটায়, মা-বাবার দোয়ায়, তার জন্য জীবনের সবচাইতে বড় আশীর্বাদ হয়ে আসে।
মনে রেখো মা-বাবার হাসিতে আল্লাহর, রহমত লুকানো থাকে, আর মায়ের দোয়ায় সন্তানের পুরো ভাগ্যটা বদলে যেতে পারে।
মা- বাবাকে কষ্ট দিয়ে মক্কা মদিনা যাও কোন কাজ হবে না, গর্ভধারিনী মা ও বাবাকে কষ্ট দিলে আল্লাহ সয়তে পারেনা।
মা-বাবার মনে আঘাত দিয়া কখনোই সন্তান সুখী হতে পারবে না।
মা'
দীর্ঘ দিন সীমাহীন কষ্ট সহ্য করে মা সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন। মায়ের পেটে সন্তান যতই বৃদ্ধি পেতে থাকে তার কষ্টের মাত্রা ততই দিনদিন বাড়তে থাকে। মৃত্যু যন্ত্রণা পার হয়ে যখন সন্তান ভূমিষ্ঠ হয় তখন এ নবজাতককে ঘিরে মায়ের সব ভরসা ।
যখন মা সন্তানের প্রতিপালনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। নিজের খাবারের ব্যবস্থা না করে সন্তানের খাবারের ব্যবস্থা আগে করে। নিজে কষ্ট করে সন্তানকে সুখ দেয়। নিজে ক্ষুধার্ত থেকে সন্তানকে খাওয়ায়। নিজে নির্ঘুম রাত কাটায় সন্তানের ঘুমের জন্য । মা পরম আদর আর সবটুকু ভালোবাসা দিয়ে সন্তানকে ঘিরে রাখে সবসময়।
সন্তান কোথাও গেলে আল্লাহর নিকট দোয়া করে যেন তার সন্তান নিরাপদে ঘরে ফিরে আসে। এই হল মা।
আর পিতা-
তাকে তো সন্তানের মুখে খাবার তুলে দেয়ার জন্য করতে হয় অক্লান্ত পরিশ্রম। মাথার ঘাম পায়ে ফেলতে হয়। সহ্য করতে হয় কতধরণের কষ্ট।
সন্তানের জন্যই তো তাকে কখনো কখনো কৃপণতা করতে হয়। সন্তানের নিরাপত্তা ও শান্তির জন্য বাবা যে কোন ধরণের বিপদের সম্মুখীন হওয়ার জন্য প্রস্তুত থাকে।
সন্তানের অস্তিত্বের প্রতিটি কোণা পিতা-মাতার নিকট ঋণী।
আল কুরআনে আল্লাহ তা’আলার ইবাদতের পরই পিতা-মাতার প্রতি সদাচরণ করার কথা বার বার বলেছেন।
আমার সকলের কাছে অনুরোধ রইল সন্তান হয়ে মা-বাবাকে কষ্ট দিয়েন না ।
আমার দেখা একটি পরিবারের বিষয় নিয়ে এ লেখা।
মোহাম্মদ মাসুদ
বিজয় টেলিভিশন ও যায়যায়দিন,
সরাইল প্রতিনিধি