13/06/2026
পুরানের কাহিনী অনুসারে, সীতা দেবী যখন বনবাসে ছিলেন, তখন দশরথ রাজার পিণ্ডদানের সময় তিনি গয়াই পাঁচটি সাক্ষী রেখেছিলেন: অক্ষয়বট, ফল্গু নদী, গাভী, তুলসী গাছ এবং একজন ব্রাহ্মণ।
পরবর্তীতে শ্রী রামচন্দ্র ফিরে এলে এবং সাক্ষীদের কাছে প্রমাণ চাইলে অক্ষয়বট ছাড়া বাকি চারজনই মিথ্যা কথা বলেন। এতে ক্রুদ্ধ হয়ে মা সীতা তাঁদের অভিশাপ দেন। এই অভিশাপগুলো ছিল নিম্নরূপ:
🔸ফল্গু নদী:
সীতা দেবী অভিশাপ দেন যে এই নদীর ওপর দিয়ে জলধারা বইবে না, জল সবসময় বালির নিচ দিয়ে বয়ে যাবে। একারণেই ফল্গু নদীকে 'অন্তঃসলিলা' বলা হয়।
🔸গরু:
পবিত্র হওয়া সত্ত্বেও মিথ্যে বলার কারণে সীতা দেবী অভিশাপ দেন যে গরুকে সবসময় মানুষের উচ্ছিষ্ট বা এঁটো খাবার খেতে হবে এবং তার মুখের চেয়ে পেছনের অংশ বেশি পূজিত হবে
🔸তুলসী গাছ:
সীতা দেবী বলেন যে তুলসী গাছ কখনো গয়ার মাটিতে জন্মাবে না এবং অপবিত্র স্থানেও এর জন্ম হতে পারে।
🔸ব্রাহ্মণ:
গয়ার সেই ব্রাহ্মণকে তিনি অভিশাপ দেন যে, প্রচুর ধনসম্পদ বা দান পেলেও তাঁদের পেট কখনো ভরবে না এবং তাঁরা সবসময় অতৃপ্ত থাকবেন। এজন্য ব্রাহ্মণেরা ঝোলা ও পোটলা বাঁধেন ।
🔸অক্ষয়বট:
যেহেতু অক্ষয়বট সত্য কথা বলেছিল, তাই সীতা দেবী তাকে আশীর্বাদ করেন যে প্রলয়কালেও এই বটগাছ অক্ষয় বা অমর হয়ে থাকবে। গাছের কাঁটা ডালের মাধ্যমেও
নতুন বটবৃক্ষের জন্ম হয় ।
গয়ার এই পৌরাণিক কাহিনীটি মূলত সত্যের গুরুত্ব এবং মিথ্যার পরিণাম বোঝাতে ব্যবহৃত হয়।
━──────⊱❉✸🌺💜🌺✸❉⊰───────━
🙏 প্রতিদিন সনাতন ধর্মীয় পোস্ট ও ভিডিও পেতে আমাদের ফেসবুক পেজ মন্দিরে ইতিহাস - Temple Story পেজটি ফলো করুন। ধর্মীয় বার্তা ছড়িয়ে দিতে 𝐋𝐢𝐤𝐞⎯͢⎯⃝💙 𝐂𝐨𝐦𝐦𝐞𝐧𝐭⎯͢⎯⃝💬 & 𝐒𝐡𝐚𝐫𝐞⎯͢⎯⃝🔁 করুন। এবং ধর্ম প্রচারে সহায়তা করুন। 🙏🌸