Zishan vai

Zishan vai Future Author & Blogger.

রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী ছড়ার নাম শুনেছেন কখনো?ছড়াটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ওপর থেকে নিচে পড়লে যা অর্থ হবে, নিচ থেকে ওপ...
09/06/2026

রিভার্সাল বা বিপরীতমুখী ছড়ার নাম শুনেছেন কখনো?

ছড়াটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে, ওপর থেকে নিচে পড়লে যা অর্থ হবে, নিচ থেকে ওপরে পড়লে তার ঠিক বিপরীত অর্থ হবে। অর্থাৎ নেতিবাচকতা থেকে ইতিবাচকতা (বা উল্টোটা) হবে। রাজনৈতিক বা সামাজিক বিষয়বস্তু তুলে ধরার জন্য এটি খুব শক্তিশালী একটি মাধ্যম। যেমন:

উপর থেকে নিচে পড়লে (হতাশাজনক অর্থ):
'রাস্তাগুলো রুদ্ধ
ভাববো না আর
জেতা হবে যুদ্ধ।'
(এর অর্থ দাঁড়ায়: রাস্তা রুদ্ধ বা বন্ধ হয়ে গেছে, তাই আমি আর ভাবছি না যে এই যুদ্ধে জেতা সম্ভব। অর্থাৎ ব্যক্তিটি হাল ছেড়ে দিয়েছে এবং পরাজয় মেনে নিয়েছে।)

নিচ থেকে উপরে পড়লে (আশাবাদী অর্থ):
'জেতা হবে যুদ্ধ
ভাববো না আর
রাস্তাগুলো রুদ্ধ।'
(এর অর্থ দাঁড়ায়: আমি অবশ্যই যুদ্ধে জয়ী হবো। রাস্তাগুলো যে বন্ধ বা রুদ্ধ হয়ে আছে, সেই নেতিবাচক কথাটি আমি আর মাথায় আনবো না বা ভাববো না। অর্থাৎ বাধা সত্ত্বেও ব্যক্তিটি জয়ের ব্যাপারে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।)

মজার না? হ্যাঁ, এই ধরনের ছড়া আমাদের শেখায়: জীবনের পরিস্থিতি একই থাকলেও আমাদের পড়ার বা দেখার ভঙ্গি বদলে দিলে পুরো ফলাফল বদলে যেতে পারে।

👉 @দাড়িকমা প্রকাশনী

#ছড়া #ছড়ামর্শ #ছড়ামর্শ_অখণ্ড #ছড়া_লিখে_অর্জন

05/06/2026

বাকলিয়া & মহসিন কলেজে আমার ছাত্রজীবন শেষ। আর আপনার?

05/06/2026

‎কোন বাপ বা মায়ের নি:সঙ্গ মৃত্যু হলেই আমরা ছেলে মেয়েদের কাঠগড়ায় দাঁড় করানো শুরু করে দিই।

‎ছেলেটা বা মেয়েটা কত খারাপ, কত বড় অমানুষ সেই হিসাব করতে বসে যাই।

‎বাট একবারের জন্যও জানতে চাই না, এদেরকে ভালোবাসতে শেখাইছিল কেউ?

‎আমার এক বন্ধু একবার অঙ্কে ৯৬ পাইছিল।

‎সেই বন্ধুর মা আমাদের সামনেই শুরু করলো মাইর।

‎যেমন সেমন মাইর না, কঠিন মাইর। মাইর খাইয়া বেচারা মায়ের পা চাইপা ধরলো।

‎ছেলেটা যে কী নরম সরম ছিল।

‎এখনো কি তাই আছে?

‎আমি জানি না। এত মাইর খাইয়া কেউ কি নরম থাকে?

‎রুয়েটের এক ফ্রেন্ড আফসোস করে বলছিল, তার বাবা তার কাছে কোনদিন জানতে চায়নি, সে কেমন আছে?

‎স্কুল কলেজ থেকে ইউনিভার্সিটি, একটাই প্রশ্ন, রেজাল্ট কত? ও তোমার আগে গেল কেমনে?

‎আমার আরেক ফ্রেন্ড এর বাপ নাকি ও ওয়াশরুমে গেলেও বকাবকি করত। লেখাপড়া রেখে ওয়াশরুমে কী?

‎এক আপুর স্বপ্ন ছিল নিজের প্রথম স্যালারি দিয়ে বাবাকে একটা দামি ঘড়ি গিফট করা। আমাদের মধ্যবিত্তদের স্বপ্ন যেমন হয় আর কী।

‎ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্রী, বিসিএস পড়া কেবল শুরু করেছিলেন, স্বাভাবিকভাবেই, প্রেমও করতেন একটা, সবাই যেমন করে,

‎মাস্টার্স এ সেই আপুকে ধরে বিয়ে দেওয়া হইলো এক আমেরিকান পাত্রের সাথে। আপু একবার সুইসাইড এটেম্পট নিলেও পরেরবার হাসিমুখেই বিয়েটা করে আমেরিকা চলে গেলেন।

‎জামাইয়ের তিনটা বাড়ি। টাকার কোন অভাব নাই।

‎চাইলে এখন তিনি রোল্যাক্স কিনেও বাপকে দিতে পারেন।

‎কিন্তু বাবার জন্য একটা ক্যাসিও বা টাইটানও কিনেননি।

‎কারণ, রুচি হয়নি।

‎উনার বাবা মা আমার পরিচিত।

‎সারাদিন অভিযোগ করে, মেয়েটা আমাদের ভুলেই গেল। অথচ মেয়েটার জন্য কত কী করলাম!!

‎আমাদের দেশে ছেলে মেয়েদের ধরে ধরে কুরবানি দেওয়াকে অনেক কিছু করা হিসেবে দেখানো হয়।

‎আমাদের ধর্মে বলা আছে, প্রতিটা শিশুই খোদায়ী ফিতরাতের উপর জন্মগ্রহণ করে।

‎মানে একটা শিশু একেবারে ছোট থেকেই ভালোবাসার চমৎকার এক ক্ষমতা নিয়ে জন্মায়।

‎দেখবেন, বাচ্চারা একটা পাখি দেখলে কত খুশি হয়, একটা বিড়াল বা কুকুর দেখলেই হেসে আদর করতে যায়।

‎একটা বাচ্চা আরেকটা বাচ্চাকে দেখলেই কী হাসিটাই যে দেয়, খেয়াল করেছেন?

‎এই যে ভালোবাসা, এই যে মায়া, এই যে হাসি, এই যে পবিত্র একটা আত্মা,

‎এই আত্মাকে বাপ মায়েরা ধরে ধরে ধ্বংস করে।

‎শুরুতে বিড়াল, কুকুরকে ঘৃণা করতে শেখায়।

‎আরেকটু বড় হইলে কাজিনদের ঘৃণা করতে শেখায়।

‎আরেকটু বড় হলে নিজের বন্ধুদের ঘৃণা করতে শিখায়, বন্ধু ভালো করলে বকাবকি করে,

‎ছেলেটা বা মেয়েটার ভালোবাসার ক্ষমতা ধ্বংস হইতে থাকে।

‎মায়া ক্ষয়ে যেতে থাকে।

‎হাই স্কুল আর কলেজে উঠতেই ছেলেটা বা মেয়েটা হয়ে যায় কিছু ডিজিটের সমষ্টি, আর বিয়ের বাজারে তো নিলামে তোলা হয় শরীরকেও,

‎এরা পরিণত হয় যন্ত্রমানবে।

‎সারা জীবন ধরে চেষ্টা করে একজন মানবসন্তানকে যন্ত্র বানানোর খেলা শেষ হয়, এবার মা বাপ আশা করে, এবার এই যন্ত্র আমাদের একটু ভালো বাসুক, আমাদের মায়া করুক।

‎কিন্তু ততদিনে মায়া, ভালোবাসা শব্দগুলো আমাদের কাছে অপরিচিত ঠেকে। আমরা হয়ে উঠি আমাদের বাপ মায়ের স্বপ্নের হিসাব মেশিন,

‎বাপ মায়েরা শিখাইছিল,

‎আমরা যেন আমাদের কাজিন, বন্ধু, প্রেমিক বা প্রেমিকাকেই শুধু নিলামে তুলি,

‎কিন্তু ততদিনে আমরা আমাদের মা বাপকেই নিলামে তোলা শিখে যাই।

‎আর আমাদের বাপ মায়েরা অবাক হয়ে ভাবে, আমাদের সাথেও এমন করবি?

‎কিন্তু যন্ত্র তো যন্ত্রই।

‎যন্ত্রের কি আর কান আছে?

‎একটা বিড়াল দেখে যার মায়া হয় না, একটা পাখির উপর যার দরদ হয় না, মা বাবার উপর কেমনে আর হবে?

‎তখন ছেলে মেয়ে হয়ে যায় খারাপ। অকৃতজ্ঞ। বেঈমান।

‎কিন্তু এই অকৃতজ্ঞতার ট্রেইনিং কারা দেয়?

‎২০ বছর ধরে ম্যাথ শিখাইয়া ভালোবাসা আশা করলে হবে? ভালোবাসাও তো একটা প্র‍্যাকটিস। অভ্যাস না থাকলে ভালোবাসাও তো আর আসে না।

‎তাই হা হুতাশ না করে আপনার বাচ্চাকে ভালোবাসা শেখান৷

‎মায়া করতে শেখান।

‎কারণে ভালোবাসা শেখান।

‎অকারণেও ভালোবাসা শেখান।

‎একটা পাখিকে ভালোবাসতে শেখান। একটা বিড়ালকে আদর করতে শেখান৷ একটা রাস্তার কুকুরকে বিস্কিট খাওয়াইতে শেখান।

‎নিজের কাজিনকে ভালোবাসতে শেখান। নিজের বন্ধু ভালো করলে খুশি হতে শেখান, স্বার্থের প্রশ্নে হেরে যেতে শেখান।

‎একটা ফুল দেখলেও যেন আপনার ছেলেটা বা মেয়েটা বলতে পারে,

‎ভালো থেকো ফুল,
‎মিষ্টি বকুল,
‎ভালো থেকে,

‎ভালো থেকে ধান,
‎ভাটিয়ালি গান,
‎ভালো থেকে,

‎ভালো থেকো মেঘ, মিটিমিটি তারা,
‎ভালো থেকো পাখি, সবুজ পাতারা
‎ভালো থেকো..........

‎এই পৃথিবীটা কোন ক্যালকুলেটর না।

‎এই পৃথিবী একটা আয়না।

‎এখানে হিসাব দিলে হিসাব ফেরে।

‎ঘৃণা দিলে ঘৃণা ফেরে।

‎ভালোবাসা দিলে ভালোবাসাও ফিরে আসে।

‎ফোর্টি রুলস অব লাভ বইতে জালাল উদ্দিন রুমি বলতেসেন,

‎এই আয়নাতে ভালোবাসা দিয়েন, যত পারেন। কোন না কোনভাবে সেই ভালোবাসা প্রতিফলিত হয়ে আপনার দিকেই ফিরে আসবে কোন একদিন।

‎ছোটবেলায় ম্যাথ, বিজ্ঞান আর ইংরেজির পাশাপাশি ভালোবাসাটাও একটু শিখায়েন।

‎কারণ একদিন হিসাবের সব খেলা শেষে, আপনি জানবেন, মানুষের আসলে এত কিছু লাগে না,

‎কিচ্ছু চায় না মানুষ, আজীবন ভালোবাসা ছাড়া.......
‎লেখা: সাদিকুর রহমান

31/05/2026

পুরোটাই কোরিয়ান টিভি’র একটি অনুষ্ঠানের অংশবিশেষ অর্থাৎ যে কেউ বুঝবে এটা অভিনয়। সব বোঝার পরও অসাধারন মজার এই দৃশ্যটার আবেদন কোনভাবেই কমে না। বিশেষত দরজার পেছনে দাঁড়িয়ে মেয়েটার কন্ঠে দরজার আওয়াজটা খুবই মজার ছিল। 😂

১৯৭৩ সালে আটজন সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের কারো কোনো মানসিক রোগ ছিল না,...
27/05/2026

১৯৭৩ সালে আটজন সম্পূর্ণ সুস্থ মানুষ যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন মানসিক হাসপাতালে ভর্তি হন। তাদের কারো কোনো মানসিক রোগ ছিল না, আর হাসপাতালের কোনো বিশেষজ্ঞ সেটা বুঝতেও পারেননি! 🧠

এটি কোনো ভুল ছিল না। এটি ছিল স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির বিখ্যাত মনোবিজ্ঞানী ডেভিড রোজেনহানের একটি যুগান্তকারী পরীক্ষা। তিনি একটি সাধারণ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে চেয়েছিলেন— চিকিৎসকরা কি সত্যিই সুস্থ মানুষ আর মানসিক রোগীর মধ্যে পার্থক্য করতে পারেন?

এই আটজন সাধারণ মানুষের মধ্যে ছিলেন একজন চিত্রশিল্পী, একজন গৃহিণী, একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ এবং কয়েকজন শিক্ষার্থী। হাসপাতালে গিয়ে তারা মাত্র একটি মিথ্যা বলেছিলেন। তারা জানিয়েছিলেন, তারা কানে শুধু তিনটি শব্দ শুনতে পাচ্ছেন— "ফাঁকা (Empty)", "শূন্য (Hollow)" এবং "ধপ (Thud)"।

ব্যস, এটুকুই! আটজনকেই সাথে সাথে হাসপাতালে ভর্তি করে নেওয়া হলো।

হাসপাতালে ঢোকার পর মুহূর্ত থেকেই তারা আর কোনো অভিনয় করেননি। তারা সম্পূর্ণ স্বাভাবিক আচরণ শুরু করেন এবং ডাক্তারদের জানান যে তারা এখন সুস্থ এবং বাড়ি ফিরে যেতে চান। 🚪

কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, ডাক্তার বা নার্সরা তাদের কথা বিশ্বাস তো করলেনই না, উল্টো তাদের স্বাভাবিক কাজগুলোকেও রোগের লক্ষণ হিসেবে লিখে রাখলেন! তাদের ডায়েরি লেখাকে বলা হলো 'অবসেসিভ বিহেভিয়ার', আর ভদ্রভাবে কথা বলাকে ধরে নেওয়া হলো মানসিক রোগের একটি ধাপ হিসেবে।

হাসপাতালের বিশেষজ্ঞরা তাদের সুস্থতা ধরতে না পারলেও, মজার ব্যাপার হলো সেখানকার আসল মানসিক রোগীরা ঠিকই তাদের আসল পরিচয় ধরে ফেলেছিলেন! তারা ফিসফিস করে বলতেন, "তুমি তো পাগল নও, তুমি নিশ্চয়ই কোনো সাংবাদিক।"

সাত জনকে 'সিজোফ্রেনিয়া' রোগী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। গড়ে ১৯ দিন (সর্বোচ্চ ৫২ দিন) তাদের সেখানে আটকে রাখা হয়। ⏳

রোজেনহান যখন তার এই গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করেন, তখন মনোরোগ বিশেষজ্ঞদের মাঝে ঝড় ওঠে। একটি স্বনামধন্য হাসপাতাল রোজেনহানকে চ্যালেঞ্জ করে বসে, "আমাদের কাছে ভুয়া রোগী পাঠিয়ে দেখান, আমরা ঠিকই ধরে ফেলব।"

রোজেনহান রাজি হলেন। পরবর্তী কয়েক মাসে সেই হাসপাতাল ৪১ জন রোগীকে "ভুয়া" বা সুস্থ বলে চিহ্নিত করে ফিরিয়ে দেয়। কিন্তু ভয়ংকর সত্যটি হলো— রোজেনহান সেখানে নতুন করে একজন ভুয়া রোগীও পাঠাননি! অর্থাৎ, যাদের ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল তারা সবাই ছিলেন সত্যিকারের রোগী।

এই পরীক্ষাটি প্রমাণ করেছিল, একবার কারো গায়ে কোনো 'লেবেল' বা তকমা লেগে গেলে, চারপাশের মানুষ আর বাস্তবতাকে পাত্তা দেয় না, সবকিছুকে সেই তকমার চোখেই বিচার করে। মানুষের ভুল ধারণা অনেক সময় পাগলামির চেয়েও ভয়ংকর হতে পারে। 😊

26/05/2026

বিশ্বের সবচেয়ে বেশি বই পড়ে আমেরিকানরা।

দ্বিতীয় অবস্থানে আছে ভারতীয়রা।

তৃতীয় অবস্থানে আছে বিট্রিশরা।

বাংলাদেশ আছে এই তালিকায় ৯৭ নাম্বারে।

আমেরিকানরা বছরে গড়ে ১৭ টি বই পড় থাকেন।
আর ভারতীয়রা পড়েন বছরে গড়ে ১৬ টি বই।
বাংলাদেশিরা বছরে গড়ে বই পড়েন মাত্র তিনটি।

যাইহোক, আপনি বছরে কয়টি বই পড়ে থাকেন?

গতকাল রামিসার ঘটনাটা নিয়ে লেখার পরে, আমার পোস্টে একজন লোক কমেন্ট করে বললেন—‘বউদের দোষ তো কম না৷ স্বামীকে পরকীয়া করতে দিব...
23/05/2026

গতকাল রামিসার ঘটনাটা নিয়ে লেখার পরে, আমার পোস্টে একজন লোক কমেন্ট করে বললেন—

‘বউদের দোষ তো কম না৷ স্বামীকে পরকীয়া করতে দিবে, কিন্তু দ্বিতীয় বিয়ে করতে দিবে না।’

মানে, উনার ধারণা, ঘাতক সোহেল রানার বউ স্বামীকে ছোট্ট রামিসার সাথে এই কাজ করতে দেখেও দ্বিধা করেনি, বরং সাহায্য করেছে। তবে সে দ্বিধা করত স্বামী যদি দ্বিতীয় বিয়ে করতে চাইতো।

এই এতো বড় একটা ঘটনা, এতো জঘন্য একটা ঘটনা, এই ঘটনা থেকে এই লোকটার উপসংহার হচ্ছে এই—ঘাতক সোহেল রানার কামনপ্রবৃত্তি নিবারণ করতে তার দ্বিতীয় বিবাহ করতে হতো। কিন্তু স্ত্রী সেই কাজে সাঁয় দেয় না৷ ফলে, স্বামী পরকীয়া করে বেড়ায়। এই পরকীয়ার বলি হলো ছোট্ট রামিসা।

গোটা দেশ তোলপাড় একটা ঘটনা নিয়ে৷ মানুষ ভীষণ সংক্ষুব্ধ হয়ে আছে। কিন্তু, এই এতো বিমর্ষ একটা দিনেও, এই ঘটনার মধ্যে একজন লোক তাদের ফ্যান্টাসির উপাদান খুঁজে নিচ্ছে। ভাবতেই কেমন বিপন্ন বিপন্ন লাগে!

তারপর, আরেকটা ঘটনাতেও চোখ আটকাল। দেশের একটি প্রথম সারির জাতীয় দৈনিক রামিসাকে নিয়ে সংবাদ করেছে৷ সংবাদে ব্যবহার করেছে ছোট্ট রামিসার একটা শাড়ি পরা ছবি। আহামরি কোনো সাজগোছও নয়। একটা ছোট্ট মেয়ে, শখ করে পরা শাড়ির ছবি। সেই সংবাদের নিচে, একজন লোক কমেন্ট করেছে—‘এতো সাজগোছ ভালো নয়।’

একটা ৭ বছরের বাচ্চা মেয়ের এতো নিরীহ একটা ছবি থেকে এই লোক এই উপসংহারে পৌঁছাতে চাইল যে, রামিসার এই সাজগোছ তার সাথে হওয়া এই ঘটনার জন্য হয়তো-বা দায়ী।

এরকম ঘটনা সামনে আসার পর আমরা হয়তো ঘাতক সোহেল রানার মতো এক দুইজনকে চিনতে পারি, তাদের বিরুদ্ধে ঘৃণা উগরে দিতে পারি। কিন্তু, আমার পোস্টে কমেন্টকারী যে লোক এই ঘটনাতে পুরুষের দ্বিতীয় বিয়ের উপাদান খুঁজে পেল, কিংবা জাতীয় দৈনিকের সংবাদের নিচে কমেন্টকারী যে লোক ছোট্ট রামিসার সাজগোছের কারণ খুঁজে পেল, এই ধরণের মানসিকতা লালনকারীদের কয়জনকে আপনি খুঁজে খুঁজে শোধরাতে পারবেন? এরা যে সংখ্যায় অসংখ্য, অগণিত...

আমরা একটা অন্ধকার সমাজে বসবাস করছি। এখানে যারা আলোর কথা বলে, তারা নিজেরাও অন্ধকার বিক্রেতা।

- আরিফ আজাদ

20/05/2026

রাগ করছি

18/05/2026

জায়নবাদী রাষ্ট্র ইসরাইল অধিকৃত ডেড সির উপকূলে আগামী ১ থেকে ৪ জুন সমকামীদের সবচেয়ে বড়ো বৈশ্বিক ফেস্টিভাল আয়োজন করতে যাচ্ছে। সবচেয়ে ভয়ংকর বিষয় হলো, এই ফেস্টিভালের স্থান সোডোম এবং গোমোরাহ হলো ঠিক সে স্থান- যেখানে হজরত লূত আ. দায়িত্ব পালন করেছিলেন। কিন্তু সেখানকার মানুষ তাকে অমান্য করে সমকামিতায় লিপ্ত হয়েছিল আর সে স্থানটি আল্লাহ তাআলা আজাব দিয়ে ধ্বংস করে দিয়েছিলেন। অসংখ্য মানুষকে স্থায়ীভাবে পাথর বানিয়ে দিয়েছিলেন।

ইসরাইল একদম পরিকল্পিতভাবে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সমকামিতাকে বৈধতা দেয়ার জন্য কাজ করে আসছে। ইসরাইল মূলত আল্লাহর বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধে নেমেছে। এরই অংশ হিসেবে তারা লূত আ. এর স্থানটিকেই এই নোংরামির জন্য বেছে নিয়েছে। টাকার কার্লসন তার গবেষণায় দেখিয়েছেন, বিশ্বের বড়ো বড়ো সব পর্ণ ওয়েবসাইটগুলো ইসরাইলী গোয়েন্দা সংস্থারাই নিয়ন্ত্রণ করছে।

বিগত ৩০ বছর ধরে সমকামী সম্পর্ক এবং সমকামীদের বিয়ের বিষয়টি বিশ্বের অনেক দেশে বৈধ করে দেয়ার পর এবার তারা আরো নীচের দিকে নামতে যাচ্ছে। এখন তারা ছোট ছোট বাচ্চাদের সাথে (৩ বছরের শিশু) শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি ছড়িয়ে দেয়ার জন্য কাজ করছে। এর প্রক্রিয়ার নাম হচ্ছে পেডোফিলিয়া।

ট্রান্সজেন্ডারের মতো পশ্চিমারা এই বিষয়টিকেও শারীরিক ও মানসিক সমস্যা হিসেবে দেখাতে চাইছে। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে এটি হলো এক ধরনের মানসিক বিকৃতি যা মানুষকে পশু বানিয়ে দেয়। এই চিন্তার মানুষেরা প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পরও বয়ঃসন্ধির পূর্ববর্তী শিশুদের বিশেষ করে কম বয়সী শিশুদের প্রতি তীব্র যৌন আকর্ষণ অনুভব করে।

পশ্চিমারা তো বটেই; মধ্যপ্রাচ্যের দালাল আরব দেশগুলোসহ অনেক দেশ ইসরাইলকে সমর্থন করে। অনেকেই জানলে অবাক হবে, যে জায়গাগুলো খোদ নবিজি সা. এড়িয়ে যাওয়ার জন্য আমাদের সতর্ক করেছেন, সৌদি আরবের মতো দেশও সেই স্থানগুলোতে পর্যটন স্পট করে এখন ব্যবসা করছে।

ইসরাইলের দখলদারিত্ব ও সামরিক আগ্রাসন নিয়ে আমরা মাঝে মাঝে আলোচনা করলেও তাদের সুদূরপ্রসারী পাপ সাম্রাজ্য নিয়ে আলোচনা কম হয়। কার্যত ইসরাইল গোটা বিশ্বে সমকামিতা, শিশুদের যৌনাচারসহ মানব ইতিহাসের সবচেয়ে জঘন্য পাপাচারগুলো ফিরিয়ে আনার জন্য উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছে। আল্লাহ পাক আমাদের হেফাজত করুন। আপনার আমার পরিবারে অসুস্থ ও বিকৃত চিন্তার কেউ আছে এমনটা টের পেলে শিশুদের তাদের থেকে দূরে রাখুন। শিশুরা আপনার সর্বোচ্চ আপনজন বা বিশ্বস্ত কারো ব্যাপারেও কোনো নেতিবাচক অভিযোগ তুললে তা গুরুত্বের সাথে নিন।

- ali ahmad mabrur

17/05/2026

সবাই বলে নেটওয়ার্কিং করো।

কিন্তু কেউ বলে না, একজন ইন্ট্রোভার্ট ছেলে বা মেয়ে
যার কোনো "পরিচিত মানুষ" নেই,

সে কোথা থেকে শুরু করবে।

কেউ বলে না, কীভাবে কথা শুরু করতে হয়।

কীভাবে ফলো আপ করতে হয়।

কীভাবে সম্পর্ক টিকিয়ে রাখতে হয়।

শুধু বলে, "নেটওয়ার্কিং করো।"

আজকে সেই কথাগুলোই বলবো যেটা কেউ বলে না।

প্রথম সত্য।

নেটওয়ার্কিং মানে শুধু কার্ড বিনিময় না।

বেশিরভাগ মানুষ নেটওয়ার্কিং মানে বোঝে,
কোন ইভেন্টে যাওয়া।

কিছু মানুষের সাথে হাত মেলানো। নাম্বার নেওয়া।

তারপর কিছুই না।

এভাবে আসলে নেটওয়ার্কিং হয় না।

আসল নেটওয়ার্কিং হলো,
মানুষের সমস্যা সমাধান করা।

মানুষের কাজে লাগা। মানুষের মনে থাকা।

যে মানুষটা আপনার কথা মনে রাখে,
সেই আপনাকে কাজের সুযোগ বা অপরচুনুটি দেয়।

আর যে ভুলে যায়, সে কখনো দেয় না।

দ্বিতীয় সত্য।

আগে দিন, তারপর চান।

নেটওয়ার্কিং-এর সবচেয়ে বড় ভুল হলো,
প্রথম দিনই কিছু চাওয়া শুরু করা।

"ভাই একটু হেল্প করেন।"
"ভাই একট কানেকশন দেন।"
"ভাই একটু বলে দেন।"

এটা আসল নেটওয়ার্কিং না।

আসল নেটওয়ার্কিং হলো, আগে এমন কিছু করে দেওয়া যেটা তার কাজে লাগে।

একটা ইউজফুল আর্টিকেল শেয়ার করুন।

তার কোনো সমস্যার করে সমাধান দিন।

তার কোনো কাজে ভলেন্টিয়ার হোন।

বেশিরভাগ সময় মানুষ সেই সব মানুষকে হেল্প করে,
যে আগে তাক হেল্প করেছিলো।

এটাই আসল হিউম্যান ন্যাচার।

তৃতীয় সত্য।

আপনার কাজই আপনার সবচেয়ে বড় পরিচয়।

অনেকে ভাবে,নেটওয়ার্কিং মানে বড় বড় মানুষদের কাছে যাওয়া। গিয়ে নিজেকে চেনানো।

কিন্তু বাস্তবতা হলো,
বড় মানুষের কাছে প্রতিদিন শত শত মানুষ আসে।

আপনি আলাদা হবেন কেনো?

উত্তর একটাই, আপনার কাজ যদি ভালো হয়,
তাহলে বড় মানুষ নিজেই আপনাকে খুঁজে নিবে।

তাই আপনার কাজে এতটাই ভালো হোন,
যাতে আপনাকে ignore করা অসম্ভব হয়ে যায়।

তারপর নেটওয়ার্কিং এমনিতেই হয়ে যাবে।

চতুর্থ সত্য।

একজন সত্যিকারের মানুষ হাজারটা এভারেজ কানেকশনের চেয়ে দামি।

ধরেন, LinkedIn এ আপনার ৫০০০ কানেকশন আছে। কিন্তু কাজের সময় কেউ ফোন ধরে না।

এটা নেটওয়ার্ক না। এটা একটা illusion।

আসল নেটওয়ার্ক হলো, ৫ জন মানুষ যারা রাত দুটায় আপনি কল দিলেও সেটা রিসিভ করবে।

সেই ৫ জন বানাতে সময় লাগে। চেষ্টা লাগে।

সত্যিকারের ভালো সম্পর্ক লাগে।

কিন্তু সেই ৫ জনই একদিন আপনার জীবন বদলে দিবে।

পঞ্চম সত্য।

নেটওয়ার্কিং শুরু হয় আপনার সবচেয়ে কাছের মানুষ থেকে।

অনেকে মনে করে, নেটওয়ার্কিং মানে অচেনা বড় বড় মানুষদের সাথে সম্পর্ক বানানো।

অথচ আপনার পাশের বন্ধুটা,

আপনার পুরনো ক্লাসমেট,

আপনার এলাকার কোন উদ্যোক্তা,

এরাই আপনার প্রথম নেটওয়ার্ক।

আজকে যে আপনার সমান,
পাঁচ বছর পরে সে হয়তো অনেক বড় কেউ হতে পারে।

তখন সে তার পাশে সেই মানুষদেরই রাখবে,

যে পাঁচ বছর আগে তার পাশে ছিল।

তাই দূরের মানুষ খোঁজার আগে,
কাছের মানুষগুলোকে ঠিকমতো চিনুন।

মনে রাখবেন, নেটওয়ার্কিং কোনো স্কিল না।

এটা একটা মাইন্ডসেট।

"আমি কীভাবে এই মানুষটার কাজে লাগতে পারি?"

এই একটা প্রশ্ন যেদিন থেকে আপনি জিজ্ঞেস করা শুরু করবেন,
সেদিন থেকেই আপনার নেটওয়ার্ক বাড়তে শুরু করবে।

আপনাআপনি।

- Asadudzaman Joy

Address

Chittagong

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Zishan vai posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category