14/09/2026
4-1 এর ক্লাস শেষ হতে সর্বোচ্চ আর ৩/৪ দিন বাকি। বিভীষিকাময় ব্যস্ততম একাডেমিক উইক পার করছি। আজ ছিলো ই-টেবস কুইজ , ভাইভা , সাবমিশন। ভার্সিটির কিছু অন্যতম ভয়াবহ কুলকিনারা বিহীন একটি কোর্সের মধ্যে এটি অন্যতম। রাত জেগে প্রজেক্ট এর কাজ করা, শেষ মুহুর্ত পর্যন্ত ফাইল প্রিন্ট করতে না পারা, কুইজ এ আসা প্রশ্ন জীবনের প্রথম চোখে দেখা থেকে শুরু করে বিকাল ৪টায় মেইন গেইট বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর ও ৪:৪৯ এ ভাইভা রুমে ঢোকার মতো বিষয় ছিলো। এসবকিছুর পর ও সবার রিপোর্ট দেওয়া হয়েছে রিপিট! বিষয় টা এগুলো কিছুই না, যে কারণে আমি পোস্ট টা লিখতে বসেছি... ভাইভা রুমে ঢুকতেই স্যার বললো "আরেহ তুমি বাকি আছো? ভালো হলো তো খুব, সবার রিভিউ নিয়ে ভ্লগে দিতে পারবে ঠিকমতো, আমি তোমার ভ্লগ দেখি মাঝে মাঝে, খুব ভালো বানাও, ইউনিক স্কিল"...
ডেইলি ভ্লগ, ফ্যাশন-স্টাইলিং, অন্যান্য এসব এক্টিভেটিস ইঞ্জিনিয়ারিং নামক কঠিন আতেলময় জগতের সাথে কিছুটা বেমানান। আমি যখন পেইজ এ ভ্লগ বা কন্টেন্ট বানানো শুরু করি আমার নিজের কাছেই একটু অপ্রস্তুত আর সংকোচ লাগতো। মনে হতো আর কেউ না হোক, আমার স্যার ম্যাম রা দেখলে নিশ্চয়ই বলবে, কী করো এসব পড়াশোনা না করে বা কীসব বানাও!
কিন্তু , কিন্তু, আমাকে খুব-ই অবাক করে দিয়ে আমার ডিপার্টমেন্ট থেকে শুরু করে অন্যান্য অনেক ডিপার্টমেন্ট এর অতি সম্মানিত, জ্ঞ্যানী, বিশ্বে সুনামর্জিত শিক্ষকেরা আমার এই ঠুনকো বিষয় কে মূল্যায়ন দিয়েছেন, প্রশংসা করেছেন, অনুপ্রেরণা দিয়েছেন। আমি কখনো কল্পনাও করি নি আমার শুধুমাত্র ভার্সিটির স্যার -ম্যামদের থেকে এতো এতো ভালোবাসা আর সাপোর্ট পাবো! অনেকেই সরাসরি কমেন্ট করে রিয়েক্ট দিয়ে, অনেকে ক্লাসে এসে বলে, অনেকে পার্সোনালি বলে আবার অনেকেই অন্য কারো কাছে সুনাম করে বিভিন্ন ভাবে সমর্থন করেছেন, করছেন। সকলের এবং সৃষ্টিকর্তার প্রতি চিরকৃতজ্ঞতা আমার।🌸
আর আমার ব্যাচমেট , সিনিয়র , জুনিয়র এর কথা আর কীই বা বলবো, তারা না থাকলে এসবের কিছুই সম্ভব হতো না।
অসম্ভব রকম সৌভাগ্য নিয়ে আমি জন্মেছি, এবং চুয়েট এ এসেছি~নির্ধাতায় বলতে পারি 🌿✨