Mr.Joy

Mr.Joy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Mr.Joy, Video Creator, Chittagong.

“তারা ১৫ জন মিলে আমার বাবাকে মে*রে*ছিল, আমরা দুই ভাই মিলে তাদের লিডারকে মে*রে*ছি”—এ যেন ‘শান্ত কেন মাস্তান’ সিনেমায় মান...
15/08/2026

“তারা ১৫ জন মিলে আমার বাবাকে মে*রে*ছিল, আমরা দুই ভাই মিলে তাদের লিডারকে মে*রে*ছি”—এ যেন ‘শান্ত কেন মাস্তান’ সিনেমায় মান্নার সংলাপের বাস্তব প্রতিচ্ছবি!

সিনেমার গল্প আর বাস্তব জীবন এক নয়। কিন্তু খালেকের ঘটনায় যেন সিনেমা আর বাস্তবতা এসে মিশেছে একই জায়গায়। বাবাকে হ*ত্যা*র প্রতি*শোধ নেওয়ার অ*ভিযোগে গ্রেপ্তার হওয়ার পর খালেকের বক্তব্য এখন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

খালেকের দাবি, ১৫ জন মিলে তার বাবাকে কু*পি*য়ে হ*ত্যা করেছিল। এরপর তাদের বাড়িঘরে লু*টপা*ট ও আগুন দেওয়া হয়। এ নিয়ে পুলিশের কাছে অ*ভিযো*গ করেও তিনি প্রত্যাশিত প্রতিকার পাননি।

গ্রেপ্তারের পর খালেক দাবি করেন, তিনি ও তার ভাই মিলে ওই দলের ‘লিডার’কে হ*ত্যা ক*রেছেন। তার ভাষ্য, “আমি সন্ত্রা*সী-চাঁ*দাবাজ*কে মে*রেছি, ভালো মানুষকে মা*রিনি।” এমনকি জেল থেকে বের হতে পারলে বাকি অ*ভিযুক্তদেরও ছা*ড়বেন না—এমন বক্তব্যও দিয়েছেন তিনি।

ঘটনাটি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা যাচ্ছে। অনেক নেটিজেন খালেকের প্রতি সহানুভূতি ও সমর্থন প্রকাশ করছেন। তবে কোনো হ*ত্যাকাণ্ডের বি*চার নিজের হাতে তুলে নেওয়া আইনসম্মত নয়,

সিনেমায় প্রতি*শো*ধের গল্পে নায়ক সাধুবাদ পেতে পারেন; কিন্তু বাস্তব জীবনে প্র*তিশোধের পরিণতি আদালত ও আইনের কাঠামোর মধ্যেই নির্ধারিত হওয়ার কথা। এখন প্রশ্ন—খালেকের বাবার হ*ত্যার অ*ভিযোগের যথাযথ বি*চার সময়মতো হলে, পরিস্থিতি কি এত দূর গড়াত?

গ্যাস নিয়ে সরকার বলছে চার কথা, বাস্তবতা বলছে পাঁচসরকার বলছে একটি এলএনজি টার্মিনাল বিকল, তাই গ্যাস সংকট।কিন্তু প্রশ্ন হলো...
14/08/2026

গ্যাস নিয়ে সরকার বলছে চার কথা, বাস্তবতা বলছে পাঁচ

সরকার বলছে একটি এলএনজি টার্মিনাল বিকল, তাই গ্যাস সংকট।
কিন্তু প্রশ্ন হলো, সংকটের মধ্যেও টার্মিনালে থাকা এলএনজি কার্গো সময়মতো খালাস করা গেল না কেন?

সরকার বলছে বৈরী আবহাওয়া।
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, একই সময়ে অন্য জাহাজ যদি টার্মিনালে ভিড়তে পারে, তাহলে এই নির্দিষ্ট কার্গো নিয়ে এত জটিলতা কেন?
সরকার বলছে নিরাপত্তার প্রশ্ন।
তাহলে একই ধরনের কার্গো অতীতে নিরাপদে খালাস করা হয়েছিল—আজ সেই প্রক্রিয়ায় আপত্তির কারণ কী?
সরকার বলছে সমাধান আসছে।

কিন্তু বাস্তবতা হলো, একটি টার্মিনালের সংকট সামলানোই যেখানে কঠিন হয়ে পড়েছে, সেখানে নতুন নতুন টার্মিনাল নির্মাণের পরিকল্পনা সামনে আসছে।

এদিকে মানুষ গ্যাসের জন্য হাহাকার করছে, সিএনজি স্টেশনে দীর্ঘ লাইন, বিদ্যুৎ উৎপাদনেও পড়ছে প্রভাব।
প্রশ্নটা তাই খুব সহজ
সংকট কি সত্যিই শুধু একটি টার্মিনালের?
নাকি সংকটের আড়ালে আছে আরও বড় কোনো ব্যবস্থাপনার ব্যর্থতা?
চারটি যুক্তি দেওয়া হচ্ছে, কিন্তু প্রতিটি যুক্তির পরেই জন্ম নিচ্ছে নতুন প্রশ্ন।

গ্যাস সংকট যত বাড়ছে, নতুন টার্মিনালের পরিকল্পনাও তত সামনে আসছে।কাকতালীয় হতে পারে কিন্তু হিসাবটা এত সুন্দরভাবে মিলে যায় কীভাবে?

মানুষ এখন গল্প নয়, স্পষ্ট ব্যাখ্যা চায়।
অজুহাত নয়, সমাধান চায়।

বাংলাদেশকে অলআউট করার মিশনে অস্ট্রেলিয়া নাকি ইতিমধ্যেই ৮ জন বোলার ব্যবহার করে ফেলেছে! এখন বাকি আছে শুধু উইকেটকিপার আর টি...
14/08/2026

বাংলাদেশকে অলআউট করার মিশনে অস্ট্রেলিয়া নাকি ইতিমধ্যেই ৮ জন বোলার ব্যবহার করে ফেলেছে! এখন বাকি আছে শুধু উইকেটকিপার আর টিমের কোচ! 😅😂

এত বোলার লাগলেও যদি উইকেট না পড়ে, তাহলে বুঝতেই হবে টাইগাররা আজ বেশ জমিয়ে খেলছে! 🐯🏏
ভাই, মজা কিন্তু আগায়া! 🫠🤣

তিন বছর আগে “পমপম” নামে একটি টেলিগ্রামভিত্তিক গ্রুপ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযান হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, সেখানে অসংখ্য নারী-প...
13/08/2026

তিন বছর আগে “পমপম” নামে একটি টেলিগ্রামভিত্তিক গ্রুপ নিয়ে ব্যাপক আলোচনা ও অভিযান হয়েছিল। অভিযোগ ছিল, সেখানে অসংখ্য নারী-পুরুষের ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও অনুমতি ছাড়া বেচাকেনা করা হতো এবং ভুক্তভোগীদের ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির শিকার হতে হতো।
অভিযোগের পর গ্রুপটির সঙ্গে জড়িত কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হলেও, কিছুদিনের মধ্যেই তারা কীভাবে মুক্তি পেল—সেই প্রশ্নের উত্তর আজও অনেকের অজানা। এরপর দীর্ঘ সময় গ্রুপটি নিষ্ক্রিয় থাকলেও, সাম্প্রতিক সময়ে আবারও একই ধরনের কার্যক্রম শুরু হওয়ার অভিযোগ উঠছে।

এবার শুধু টেলিগ্রাম চ্যানেল নয় ওয়েবসাইটকেন্দ্রিকভাবেও ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি-ভিডিও বেচাকেনার অভিযোগ সামনে আসছে। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বলে অভিযুক্ত ব্যক্তিদের কেউ কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সক্রিয়।

আরও উদ্বেগের বিষয়, অনেকেই না জেনে এসব ব্যক্তির পোস্ট শেয়ার করছেন, প্রচার করছেন এবং তাদের অনলাইন উপস্থিতি আরও বাড়িয়ে দিচ্ছেন।

প্রশাসনের কাছে প্রশ্ন
যদি অভিযোগগুলো সত্য হয়ে থাকে, তাহলে এত গুরুতর অভিযোগের পর অভিযুক্তরা দ্রুত মুক্তি পাওয়ার সুযোগ পেল কীভাবে?
আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নজরদারির বাইরে গিয়ে একই ধরনের কার্যক্রম আবার শুরু করার সুযোগই বা তারা পেল কীভাবে?

ব্যক্তিগত ছবি-ভিডিও নিয়ে ব্যবসা, অনুমতি ছাড়া কনটেন্ট ছড়িয়ে দেওয়া, ব্ল্যাকমেইল ও হয়রানির মতো অভিযোগ কোনোভাবেই হালকাভাবে দেখার বিষয় নয়। এসব ঘটনায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হন ভুক্তভোগীরাই।

তাই অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত, সংশ্লিষ্টদের আইনের আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার দাবি জানাচ্ছি।
আর সাধারণ মানুষকেও অনুরোধ কাউকে না চিনে, না জেনে তার পোস্ট শেয়ার করে অপরাধমূলক কার্যক্রমের প্রচারে ভূমিকা রাখবেন না।
অপরাধী যতই প্রভাবশালী হোক, আইনের ঊর্ধ্বে কেউ নয়।

একজন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার নিজের অফিস টাইমে দিব্যি একটা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করছিলেন। এখন মন্ত্রী কি করেছে জান...
07/08/2026

একজন সরকারি হাসপাতালের ডাক্তার নিজের অফিস টাইমে দিব্যি একটা বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা করছিলেন। এখন মন্ত্রী কি করেছে জানেন?

তাঁকে বরখাস্ত করার নির্দেশ দিয়েছেন। খবর অন্তত সেটাই বলছে। এরপর যা দেখা যাবে , সেটা বলে রাখি- ডাক্তারদের সংগঠন সবাই এক হয়ে যাবে এই ডাক্তারকে বাঁচাতে। নইলে হাসপাতাল বন্ধ করে দেবে। কাউকে চিকিৎসা দেবে না ইত্যাদি অনেক কিছু। অতীতেও এমন হয়েছে। এটা কি শুধু ডাক্তারদের বেলায় প্রযোজ্য?

মোটেই না। ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, আমলা, বিসিএস ক্যাডার থেকে শুরু করে সকল সেক্টরে এইসবই চলছে। সামান্য একটা জন্মের সার্টিফিকেট কিংবা ওয়ারিশ সার্টিফিকেট তুলতে চেয়ারম্যান কিংবা কমিশনারের কার্যালয়ে গিয়ে দেখবেন।

এদের ভাব দেখলে মনে হবে- আপনি মনে হয় মানুষ না। এই দেশে বসবাসও করেন না। আপনাকে উনারা দয়া করে থাকতে দিয়েছেন।

এটাই বাংলাদেশের পুরো ইকো-সিস্টেম। একজন সরকারি ডাক্তার। তিনি তো নিজের কাজ শেষে সন্ধ্যা বেলা প্রাইভেট চেম্বারে রোগী দেখতেই পারেন। এতেই তো যথেষ্ট টাকার মালিক হয়ে যাবার কথা। কিন্তু হচ্ছে না। তাঁর আরও চাই। আরও আরও চাই।

সরকারি হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা পাওয়া যায় না। পরিবেশের ঠিক নাই। কিন্তু তিনি দিব্যি পপুলারে গিয়ে চিকিৎসা দিচ্ছেন! তাও আবার কাজের সময়ে!

এই ডাক্তারকে বরখাস্ত করে ফায়দাটা কী? এতে বরং সে এখন বেসরকারি মেডিকেলে মনের আনন্দে চিকিৎসা করবে। এই দুর্নীতির দায়ে ও ডাক্তারি লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না? যাতে জীবনে আর কোন দিন প্র্যাকটিস করতে না পারে। অন্যরা যেন ভয় পেয়ে যায়। শুধু ডাক্তার না। অন্য সকল ক্ষেত্রেই তো এটি প্রযোজ্য হবার কথা। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকদের দেখেন। ক্লাস বাদ দিয়ে প্রাইভেটে গিয়ে পড়াচ্ছে!

এই দেশটাকে ওই মেধাবী-শিক্ষিত এলিট শ্রেণীর মানুষগুলো গিলে খাচ্ছে আমার-আপনার চোখের সামনে। অথচ গিয়ে দেখবেন-সে নিজেও এক সময় প্রলেতারিয়েত কিংবা সাধারণ পরিবারের ছিল। অবস্থার পরিবর্তনের সাথে সাথে অতীত ভুলে গেছে। এই দেশে নিজ শ্রেণীর ঊর্ধে উঠে কেউ চিন্তা করতেই শিখে নাই। দেখবেন এখানে ডাক্তাররা এসে কেমন কমেন্ট করে! ওই যে নিজ শ্রেণী-পেশার ব্যাপার! এটাই বাংলাদে

৯ টা প্রাণ শুক্রবারের এই সকালে সিলেটের রাস্তায় চলে গেল। একটা অনুমোদনহীন স্লিপার বাস—হ্যাঁ, কাগজে-কলমে যার কোনো বৈধতাই ন...
07/08/2026

৯ টা প্রাণ শুক্রবারের এই সকালে সিলেটের রাস্তায় চলে গেল। একটা অনুমোদনহীন স্লিপার বাস—হ্যাঁ, কাগজে-কলমে যার কোনো বৈধতাই নেই—সেটি মহাসড়কে দানবের মতো আরেকটা গাড়িকে মুখোমুখি মেরে রাস্তার পাশের খাদে উল্টে দিয়েছে। ভেতরে ঘুমিয়ে থাকা মানুষগুলো হয়তো ভাবতেও পারেনি, তাদের এই ঘুম চিরদিনের ঘুমে রূপ নিতে পারত!

প্রশ্ন হলো, একটা সিঙ্গেল-ডেকার বাসের চ্যাসিস এনে, জোড়াতালি দিয়ে সেটিকে দোতলা স্লিপার কোচ বানানোর অনুমতি এই পরিবহন মালিকদের কে দিল?

ওপরের দিকে অতিরিক্ত ওজনের কারণে যে বাসের ভারসাম্যই থাকে না, সেটি কোন সাহসে হাইওয়েতে ১০০ স্পিডে ওভারটেক করে?
বিআরটিএ কাগজে-কলমে এগুলোকে ‘অবৈধ’ ঘোষণা করেই খালাস, আর হাইকোর্ট রুল জারি করেই দায়িত্ব শেষ করছেন। কিন্তু চোখের সামনে বুক ফুলিয়ে শত শত ফিটনেসবিহীন, অননুমোদিত স্লিপার বাস দাপিয়ে বেড়াচ্ছে। একে তো কাঠামোগত ত্রুটি, তার ওপর চালকদের ওভারটেকিংয়ের প্রতিযোগিতা।

দেশের গাবতলীসহ বিভিন্ন জায়গায় যে গাড়ির বডি বিল্ডিং কারখানাগুলো আছে এগুলো এসবের পেছনে দায়ী। বাংলাদেশের বেশিরভাগ বাসের ইঞ্জিনিয়ারিং ত্রুটি স্পষ্ট। এসব সস্তা বডি বিল্ডিং কারখানাগুলো কোন গাড়ির সামনে মার্সিডিজ কোনো গাড়ির সামনে বিএমডব্লিউ স্টিকার লাগিয়ে দেয়।

আজকের এই দুর্ঘটনা কোনো 'অঘটন' নয়, এটি স্পষ্ট প্রাতিষ্ঠানিক হত্যাকাণ্ড।

06/08/2026

চোখের পলকে সব নিয়ে গেলো...

05/08/2026

আগে খানা পরে কথা

রাতে খেতে বসে খবরটা প্রথম শুনি আমার ছোটভাইয়ের কাছে। সে বলছিল, আমাদের পাশের উপজেলা মেলান্দহে নাকি এক নারীকে দাফন করার পর ...
02/08/2026

রাতে খেতে বসে খবরটা প্রথম শুনি আমার ছোটভাইয়ের কাছে। সে বলছিল, আমাদের পাশের উপজেলা মেলান্দহে নাকি এক নারীকে দাফন করার পর মরদেহ তোলা হয়েছে এবং দেখা গেছে নিহত ব্যক্তি এখনো জীবিত আছেন!

জিজ্ঞেস করলাম, ‘কার কাছে শুনছ?’

সে বলল, ‘ফেসবুকে ভাইরাল!’

বললাম, ‘জীবিত থাকলেও কবরে এতক্ষণ থাকার পর কি আর বেঁচে থাকা সম্ভব?’

আজ সকালে প্রথম আলোর প্রতিবেদন পড়ে বুঝতে পারলাম, ঘটনাটি কতটা ভাইরাল হয়েছে।

নিহত নারীর নাম হালিমা খাতুন। বয়স ৫৫ বছর। গতকাল সকালে তিনি মারা যান। দুপুরে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
হালিমা খাতুন এক মেয়ে ও দুই ছেলে রেখে গেছেন। রাত নয়টার দিকে তাঁর মেয়ে বলতে শুরু করেন, ‘জিন’ তাঁকে জানিয়েছেন, তাঁর মা এখনো কবরে জীবিত আছেন। এরপর তিনি স্বজনদের কাছে মরদেহ কবর থেকে তোলার জন্য আকুতি জানান। শেষ পর্যন্ত পরিবারের সদস্যরা কবর খুঁড়ে মরদেহ তুলে আনেন।

দাফনের পরও ওই নারী জীবিত আছেন—এমন খবর দ্রুত এলাকায় ছড়িয়ে পড়ে। মৃতব্যক্তির বাড়িতে মানুষের ভিড় জমে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বিষয়টি ব্যাপকভাবে ভাইরাল হয়।
পরে মরদেহটি অ্যাম্বুলেন্সে করে প্রথমে মেলান্দহ উপজেলার একটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে কিছুক্ষণ রাখার পর একই অ্যাম্বুলেন্সে করে জামালপুর শহরের আরেকটি বেসরকারি হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে ইসিজি পরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা নিশ্চিত করেন, হালিমা খাতুন মারা গেছেন।

এরপর স্বজনেরা মরদেহটি আবার বাড়িতে নিয়ে যান। রাতেই একই স্থানে তাঁকে পুনরায় দাফন করা হয়।

#জামালপুর

Address

Chittagong
4000, 4100, 42XX

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mr.Joy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category