সন্দ্বীপ - Sandwip

সন্দ্বীপ - Sandwip Sandwip 2.0
আমাদের মূল পেইজ-
https://www.facebook.com/oursandwipupozila সন্দ্বীপ-sandwip এর সবধরণের আপডেট পেতে লাইক দিন,শেয়ার করুন।
(1)

28/12/2025

সন্দ্বীপের জুলাই যোদ্ধা ও ছাত্রশিবির কমার্স কলেজের সভাপতি মুজাহিদুল ইসলামের উদ্যোগে সরকারী হাজী এবি কলেজ প্রাঙ্গণে শ'হী'দ শরীফ ওসমান হ|দি'কে নিয়ে গ্রাফিতি ✊


#হাদী #আমাদেরহাদী #ইনকিলাবমঞ্চ

চট্টগ্রাম- ৩ সন্দ্বীপ আসনের জন্য মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আলা উদ্দীন সিকদার।
25/12/2025

চট্টগ্রাম- ৩ সন্দ্বীপ আসনের জন্য মনোনয়ন পত্র সংগ্রহ করলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মনোনীত প্রার্থী আলা উদ্দীন সিকদার।

বাপ দাদার ভিটার চর সন্দ্বীপবাসী রক্ষা কর
22/12/2025

বাপ দাদার ভিটার চর
সন্দ্বীপবাসী রক্ষা কর

22/12/2025

সন্দ্বীপের সীমানা হাতিয়ার নোয়াখালী জেলার নামে নামকরণ😓 নির্বাচনকে সামনে রেখে এত নেতার আবির্ভাব সন্দ্বীপের সীমানা নিয়ে কেউ কি কথা বলার মতো নেই ‼️

আবারও প্রমাণ মিলল
সন্দ্বীপবাসী কথায় কথায় এই করবো সেই করবো
আর নোয়াখাইল্লা’রা কাজেই প্রমাণ করে!

#জাহাজ্জারচর
#জাহাইজ্যারচর #জাহাইজ্যার_চর #জাহাইজ্যারচরসন্দ্বীপ

সন্দ্বীপের জমি নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭টি নতুন মৌজার নাম অনুমোদন।--------------------------------------------♦সন্দ্বীপ (...
22/12/2025

সন্দ্বীপের জমি নিয়ে নোয়াখালীর হাতিয়ায় ৭টি নতুন মৌজার নাম অনুমোদন।
--------------------------------------------♦
সন্দ্বীপ ( চট্রগ্রাম) সাথে হাতিয়া + কোম্পনীগন্জ ( নোয়াখালী) অন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ সংক্রান্ত মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনে ৩টি রিট পিটিশন মামলা চলামান আছে। উক্ত রিট মামলায় মহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশন ১৯১৩ - ১৯১৬ সালে সিএস জরিপের ম্যাপের উপর ভিত্তি করে সন্দ্বীপ ( চট্রগ্রাম) সাথে হাতিয়া + কোম্পনীগন্জ ( নোয়াখালী) অন্তঃজেলা সীমানা বিরোধ নিষ্পত্তির জন্য ভুমি মন্ত্রনালয়কে নির্দেশনা করেছেন। মাহামান্য হাইকোর্ট ডিভিশনের স্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্বেও ভুমি মন্ত্রনালয় সন্দ্বীপের ভুমি নোয়াখালীর হাতিয়া সাথে সংযুক্ত নতুন মৌজা ঘোষনা করেছে।

১৮২২ সালে নোয়াখালী জেলা গঠিত হলে সন্দ্বীপকে চট্টগ্রাম জেলা থেকে নোয়াখালী জেলার অর্šÍভুক্ত করা হয়। যোগাযোগের চরম অসুবিধার কারণে ১৯৫৬ সালে যুক্তফ্রন্ট সরকারের আমলে পুনরায় সন্দ্বীপকে চট্টগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর থেকে নোয়াখালী জেলার হাতিয়া, সুধারাম, কোম্পানীগঞ্জ ও বর্তমান ফেনী জেলার সোনাগাজীর সাথে সীমানা অমিমাংসিত থেকে যায়।

১৯৭০ সালের ৩০ জানুয়ারী বিভাগীয় কমিশনারের আদালত, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলা প্রশাসককে আন্তজেলার সীমানা নির্ধারণের নির্দেশ প্রদান করেন। বিগত ১৯৯৮ সালের ১৫ জানুয়ারী জরীপ অধিদপ্তর-এর মহাপরিচালকের সভাপতিত্বে ১৯১৩-১৯১৬ সালে সি. এস. ম্যাপ-এর উপর ভিত্তি করে সীমানা নির্ধারণ করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। যাতে করে নতুন করে জেগে উঠা চর নিয়ে ভবিষ্যতে কোন মামলা, হামলা, দখল, বেদখলের তথা কোন বিতর্ক সৃষ্টির সম্ভাবনা না থাকে।

বিগত ২০০৮ সালে বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম মহাপরিচালক, জরীপ অধিদপ্তর-কে আন্ত:জেলা সীমানা নির্ধারণের জন্য পত্র দেন। ১ ডিসেম্বর’২০০৯ বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম আন্ত:জেলা সীমানা নিধারণ করার জন্য স্থানীয় সরকার বিভাগকের সচিবকে পত্র দেন। অত্যান্ত পরিতাপের বিষয় উল্লেখিত কোন নির্দেশনা/সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত হয়নি।

অত:পর বিগত ৩ মার্চ’২০১৬ ভুমি মন্ত্রানালয়ের মন্ত্রীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় ভূমি প্রতিমন্ত্রী 'র উপস্থিতিতে চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী আন্ত:জেলা সীমানা ১৯১৩-১৯১৬ সালে প্রস্তুতকৃত সি. এস. জরিপ এর ম্যাপ এর উপর ভিত্তি করে দু’মাসের মধ্যে ভূমি রেকর্ড ও জরীপ অধিদপ্তর, বিভাগীয় কমিশনার, চট্টগ্রাম কার্যালয়, চট্টগ্রাম ও নোয়াখালী জেলা প্রশাসনকে যৌথভাবে সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছেন। কিন্তু আজ পর্যন্ত সীমানা নির্ধারণের জন্য যথাযথ কর্তৃপক্ষ কোন পদক্ষেপ নেননি/গ্রহণ করেননি।

আরো উল্লেখ্য, ১৯৫৬ সালে সন্দ্বীপ চট্টগ্রাম জেলায় পুনরায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ার পর আর কোন জরিপ হয়নি এবং কোন সংশোধিত ম্যাপও ছাপানো হয়নি।

উপরোক্ত সিদ্ধান্তসমূহ বাস্তবায়ন না করে নোয়াখালী জেলা প্রশাসন একতরফাভাবে সন্দ্বীপ উপজেলার সীমানার মধ্যে জেগে উঠা স্বর্ণদ্বীপ (জাহাজ্জার চর), ঠ্যাংগার চর, জালিয়ার চরসহ সংলগ্ন সকল চরসমূহে একতরফা ভাবে জরীপ কার্যক্রম ও সাইনবোর্ড স্থাপন করে চলেছে এবং উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের নিকট মিথ্যা, বানোয়াট ও ভুল তথ্য প্রেরণ করছে।

20/12/2025

সন্দ্বীপ উপজেলা পরিষদের মাঠে শহীদ ওসমান হাদীর গায়েবানা জানাজায় নিষেধাজ্ঞা....! Uno Sandwip নাকি অন্য কোনো দলীয় নিষেধাজ্ঞা?

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা❤️
16/12/2025

১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস উপলক্ষে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা❤️

11/12/2025

২৯ ডিসেম্বর মনোনয়ন পত্র দাখিলের শেষ তারিখ।
১২ ফেব্রুয়ারী নির্বাচন।
২১ জানুয়ারী থেকে প্রচারণা শুরু।
সুত্র: সিইসি

08/12/2025

আলহামদুলিল্লাহ💜
ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা সন্দ্বীপের কৃতি সন্তান জনাব মাননীয় উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান স্যার সহ নৌ পরিবহন উপদেষ্টা ও বি আই ডব্লিউ টি সি র চেয়ারম্যান সহ সংশ্লিষ্ট কতৃপক্ষকে। পরীক্ষামূলক ভাবে এটা শীঘ্রই বাশবাড়িয়া- গুপ্তছড়া রুটে চলাচল শুরু করবে।

05/12/2025

চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশ || আন্দোলনরত ৮ দল
স্থানঃ ঐতিহাসিক লালদিঘী ময়দান, চট্টগ্রাম

05/12/2025

চট্টগ্রামে ৮ দলের বিভাগীয় সমাবেশে মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করিম পীর সাহেব চরমোনাইয়ের বক্তব্য

05/12/2025

‘নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে’ —আমীরে মজলিস
আল্লামা মামুনুল হক

বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির শায়খুল হাদিস মাওলানা মা /মুনুল হক বলেন, বাংলাদেশ গরীব দুঃখী মেহনতি মানুষের রক্তে গড়া। বনেদিদের বাংলাদেশ আর থাকবে না। অনেক দল থেকে আসন সমঝোতার অফার দেয়া হয়েছিল। আমরা বাংলাদেশের অধিকার মালিকানা কায়েম করতে চাই। ইসলামের বার্তা পৌঁছে দিতে চাই। পুঁজিবাদি অর্থব্যবস্থার কবর রচনা করে আল্লাহর আইনের ব্যবস্থা রচনা করা হবে।

শুক্রবার দুপুর ২টায় ৮ দলের উদ্যোগে আয়োজিত চট্টগ্রাম বিভাগীয় সমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি আরও বলেন, এবার ইসলামী দলগুলো ঐক্যবদ্ধ আন্দোলনের মাধ্যমে বাংলার মাটিতে জেগে উঠেছে। সকল চক্রান্ত, আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ অ১ান্দোলনের মধ্যদিয়ে জনতার বিজয় হবে।

বাংলার মানুষ আজ ঐক্যবদ্ধ উল্লেখ করে আমীরে মজলিস বলেন, দলীয় প্রতীকে ভোট দেওয়ার পাশাপাশি হ্যাঁ ভোটের বাক্স ভরতে হবে। নির্বাচন নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা দেখা দিলে সরকারকে তার দায় নিতে হবে। তিনি বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার সুস্থতার জন্য সকলের কাছে দোয়া কামনা করেন।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তেব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আমরা ৮ দলের বিজয় চাই না, ১৮ কোটি মানুষের বিজয় চাই। সেই আকাক্সক্ষার বিজয় হবে কুরআনের মাধ্যমে। চট্টগ্রাম থেকে ইসলামের বিজয়ের বাঁশি বাজানো হবে। আগামীর বাংলাদেশ হবে কুরআনের বাংলাদেশ।

শুক্রবার সকাল থেকে নগরীর ঐতিহাসিক লালদীঘির ময়দানে মিছিলে মিছিলে জড়ো হতে থাকেন ৮ দলের নেতাকর্মী ও নগরবাসী। পরে দুপুর পৌনে ২টা থেকে শুরু হয় সমাবেশের মূল কার্যক্রম। বক্তাদের বক্তব্যের সময় নেতাকর্মীরা পাঁচদফা দাবি নিয়ে শ্লোগান দেন।

ডা. শফিকুর রহমান আরও বলেন, আওয়ামীলীগ নিজেদের উন্নয়ন করেছিল। রাস্তাঘাট তৈরি করেছিল রটের বদলে বাঁশ দিয়ে। বাংলাদেশের টাকা লুট করে সিঙ্গাপুরে গিয়ে তারা ব্যবসা শুরু করে দিয়েছে। শাপলা চত্বরে অসংখ্য মাওলানাকে হত্যা করা হয়েছিল। এরপর কুখ্যাত প্রধানমন্ত্রী বলেছিল রঙ দিয়ে শুয়ে ছিল। তারা রক্তাক্ত হাতে ক্ষমতায় এসেছিল রক্তাক্ত হাতেই বিদায় নিয়েছে।

তিনি বলেন, গাড়ি দিয়ে পালানোর সাহস বিগত ফ্যাসিবাদি সরকার হারিয়ে ফেলেছিল। সেনাবাহিনী, পুলিশ, বিজিবিকে এই অপকর্মে লাগানোর চেষ্টা করেছিল। দেশের সবকিছু তারা ধ্বংস করেছিল। ফ্যাসিবাদ বিদায় নিলেও দেশ ফ্যাসিবাদমুক্ত হয়নি। ফ্যাসিবাদকে নতুন করে রুখে দাঁড়াতে দেয়া হবে না।

৫ আগস্ট বিপ্লবের পরদিন থেকে একটি গোষ্ঠী প্রভাব বিস্তারের জন্য জনগণের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েছে জানিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি অব্যাহত আছে। ক্ষমতায় না গিয়েও অনেকে ক্ষমতার দাপট দেখাচ্ছে। প্রশাসনের ওপর প্রভাব বিস্তার করছে।

আন্দোলনরত ৮ দলের ৫ দফা দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাজপথের লড়াই অব্যাহত থাকবে ঘোষণা দিয়ে ডা. শফিকুর রহমান বলেন, ইসলামি দলগুলোর মধ্যে যে ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে এই ঐক্য আমাদেরকে জাতীয় সংসদ পর্যন্ত নিয়ে যাবে। প্রয়োজনে আবারও ৫ আগস্ট সংঘটিত হবে বলে হুঁশিয়ার করেন তিনি।

সমাবেশে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ ফয়জুল করীম বলেন, ব্রিটিশ এই দেশ থেকে চলে গেলেও ইসলামী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠিত হয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধেও বৈষম্য দূর হয়নি। সেই থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত যারা শাসক ছিল তারা বৈষম্য থেকে মুক্তি দিতে পারেনি। তাই ৫ আগস্টের আন্দোলনে হাজার হাজার জীবনের বিনিময়েও মানুষ মুক্তি পায়নি। আগামীতে আবারও চাঁদাবাজ, জামেলদের বিরুদ্ধে আন্দোলন হবে। ইসলাম প্রতিষ্ঠিত হলে বৈষম্য থাকবে না। কেউ দশ তলায় কেউ নিচতলায় থাকবে সেটা আর হবে না।

তিনি বলেন, আমরা ইসলামের পক্ষে, বাংলাদেশের পক্ষে থাকতে চাই। ইসলামকে বিজয় করার জন্য চেষ্টা করতে হবে। ঐক্যবদ্ধ থাকলে ইসলাম আগামীতে ক্ষমতায় যাবে ইনশাআল্লাহ। যথাসময়ে নির্বাচন দিতে হবে। কোনো ষড়যন্ত্র দেশের মানুষ মানবে না। হুমকি ধমকি চলবে না। লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড সরকারে গঠন করতে হবে।


৮ দলের পক্ষে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন খেলাফত মজলিসের মহাসচিব ড. আহমদ আবদুল কাদের, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির আমির অধ্যক্ষ মাওলানা সরওয়ার কামাল আজিজী, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টির (জাগপা) সহ-সভাপতি ও মুখপাত্র ইঞ্জিনিয়ার রাশেদ প্রধান এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চেয়ারম্যান এডভোকেট এ কে এম আনোয়ারুল ইসলাম চাঁন।

সমাবেশে ৮ দলের পক্ষ থেকে আরও বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের নায়েবে আমির শায়খুল হাদীস মাওলানা আলী উসমান,জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ড. এ এইচ এম হামিদুর রহমান আজাদ, যুগ্ম মহাসচিব আতাউল্লাহ আমিন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির নায়েবে আমির আলহাজ¦ মাওলানা আব্দুর রহমান চৌধুরী, বাংলাদেশ খেলাফত আন্দোলনের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান মুন্সি, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির মহাসচিব আল্লামা মুফতি মুসা বিন ইজহার, জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা মুহাম্মদ শাহজাহান, খেলাফত মজসিলের যুগ্ম মহাসচিব মোস্তাফিজুর রহমান ফয়সাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাম্মাদ ফয়সাল, মাওলানা আবু সাঈদ নোমান, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য অধ্যাপক আহসানুল্লাহ ভূঁইয়া, জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য আলহাজ শাহজাহান চৌধুরী, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মুফতি রেজাউল করিম আববার, খেলাফত আন্দোলনের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক সুলতান মহিউদ্দিন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর আমির মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরী আমির মুহাম্মদ জান্নাতুল ইসলাম, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগরী সহ-সভাপতি এডভোকেট আব্দুল মোতালেব, জাতীয় গণতান্ত্রিক পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি আবু মুজাফফর মোহাম্মদ আনাছ, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা এমদাদ উল্লাহ সোহাইল, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগরী সভাপতি অধ্যাপক খুরশিদ আলম ও বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টি চট্টগ্রাম মহানগর আমির মাওলানা জিয়াউল হোসাইন।
আরও বক্তব্য রাখেন- জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা আমির মুহাম্মদ আলাউদ্দীন সিকদার, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা আমির আনোয়ারুল আলম চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী কক্সবাজার জেলা আমির অধ্যক্ষ মাওলানা নুর আহম্মদ আনোয়ারী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মুহাম্মদ নুরুল আমিন, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম মহানগরীর এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা খাইরুল বাশার, মোহাম্মদ উল্লাহ ও মোরশেদুল ইসলাম চৌধুরী, মহানগরীর সাংগঠনিক সম্পাদক অধ্যক্ষ শামসুজ্জামান হেলালী, বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সাংগঠনিক সম্পাদক এডভোকেট জোবায়ের মাহমুদ প্রমুখ।
সমাবেশে আরও উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম জামায়াতের অঞ্চল টিম সদস্য মুহাম্মদ জাফর সাদেক, অধ্যক্ষ আমিরুজ্জামান, মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমান, অধ্যাপক মুহাম্মদ নুরুল আমিন চৌধুরী, জামায়াতে ইসলামী বান্দরবান জেলা আমির মাওলানা আবদুস সালাম আজাদ, খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক সৈয়দ আব্দুল মোমেন, রাঙামাটি পার্বত্য জেলা আমির অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল আলিম, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ চট্টগ্রাম মহানগরীর সেক্রেটারি আল মুহাম্মদ ইকবাল, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা রিদোয়ানুল ওয়াহেদ, খেলাফত মজলিস চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা জালাল উদ্দীন, বাংলাদেশ নেজামে ইসলাম পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সেক্রেটারি মাওলানা আনোয়ার হোসেন রব্বানী, জামায়াতে ইসলামী চট্টগ্রাম উত্তর জেলা সেক্রেটারি মোহাম্মদ আব্দুল জব্বার, দক্ষিণ জেলা সেক্রেটারি অধ্যক্ষ মাওলানা বদরুল হক, কক্সবাজার জেলা সেক্রেটারি জাহেদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা আবু সাঈদ নোমান ও মাওলানা মোহাম্মদ ফয়সাল, নগর জামায়াতের এসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি ফয়সাল মুহাম্মদ ইউনুস, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. এ কে এম ফজলুল হক, ডা. ছিদ্দিকুর রহমান, এস এম লুৎফর রহমান, শ্রমিক নেতা মুহাম্মদ ইসহাক, হামেদ হাসান ইলাহী, আমির হোসাইন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সহসভাপতি নুর উদ্দিন, জামায়াত নেতা আবদুল্লাহ ফারুক, এড. সাইফুর রহমান প্রমুখ।

#বিভাগীয়সমাবেশ

Address

Sandwip, Chattogram
Chittagong
4300

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সন্দ্বীপ - Sandwip posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share